তরু

তরু Toru aims to build bridges between nature and humans!

কখনও কখনও মানুষের হস্তক্ষেপ না করাই প্রকৃতির জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী!
20/05/2025

কখনও কখনও মানুষের হস্তক্ষেপ না করাই প্রকৃতির জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী!

রামসার কনভেনশনের পাশাপাশি 'মন্ট্রো রেকর্ড' তৈরি করা হয়, যাতে করে যেসকল রামসার অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে তা সহজে চিহ্...
06/05/2025

রামসার কনভেনশনের পাশাপাশি 'মন্ট্রো রেকর্ড' তৈরি করা হয়, যাতে করে যেসকল রামসার অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে তা সহজে চিহ্নিত করা যায় এবং দেশটি সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারে।

সহজ ভাষায়, মন্ট্রো রেকর্ড এক ধরণের "ওয়াচলিস্ট"। দেশগুলো চাইলে এর জন্য রামসার কর্তৃপক্ষ থেকে প্রযুক্তিগত আর আর্থিক সাহায্য পেতে পারে। তবে নিয়ম হলো- শুধু দেশের সরকার চাইলে সাইট তালিকায় যুক্ত করতে পারবে বা বাতিল করতে পারবে। অর্থাৎ, কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা জোর করে কিছু করতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত সবকিছু দেশের সদিচ্ছা আর আইন প্রয়োগের ওপর নির্ভর করবে এবং রামসার শুধু দিকনির্দেশনা দিবে।

একটা উদাহরণ দেওয়া যাক।

স্পেনের দোনানা জলাভূমি। ১৯৮২ সালে এটাকে রামসার সাইট ঘোষণা করা হয় এবং ইউনেস্কো বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভও। তারপরও, দশকের পর দশক ধরে এই জলাভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে স্ট্রবেরি চাষের জন্য অবৈধভাবে পানি তোলা হয়েছে (স্পেন বিশ্বের বড় স্ট্রবেরি রপ্তানিকারক)। মানুষের অন্য কাজেও এই অঞ্চলে চাপ বেড়েছে।

১৯৯০ সালে দোনানাকে মন্ট্রো রেকর্ডে রাখা হয়। এতে সংকেত দেয়া হয় যে এখানে জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আজও দোনানা সেই তালিকায় রয়েছে, অর্থাৎ, সেই সমস্যা এখনও আছে।

তাই আমাদের নিজেদেরকেই প্রশ্ন করতে হবে যে আমরা কি শুধু নামের জন্য স্বীকৃতি নিচ্ছি, না সত্যি সত্যি আমাদের জলাভূমি রক্ষার চেষ্টা করছি?

ওয়েটল্যান্ড বা জলাভূমি এক ধরণের বাস্তুতন্ত্র (ইকোসিস্টেম)। সহজ ভাষায়, যেকোন জল বা পানি থাকতে পারে এমন অঞ্চলকেই জলাভূমি ব...
04/05/2025

ওয়েটল্যান্ড বা জলাভূমি এক ধরণের বাস্তুতন্ত্র (ইকোসিস্টেম)। সহজ ভাষায়, যেকোন জল বা পানি থাকতে পারে এমন অঞ্চলকেই জলাভূমি বলে। এটা হতে পারে প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম, স্থায়ী বা অস্থায়ী, স্থির বা প্রবাহিত পানির ধারা, লোনা বা লবণ সহ সামুদ্রিক জলের এলাকা যার গভীরতা কম। আর জলাভূমিতে পানিই সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে।

জলাভূমি আমাদের প্রাকৃতিক পানির আধার। কার্বন ডাই অক্সাইড জমিয়ে রাখার পাশাপাশি পানি বিশুদ্ধকরণেও এসব জলাভূমি অনেক কাজ করে। কিন্তু বাণিজ্যিক কৃষিকাজ, জলাভূমি ভরাট, অতিরিক্ত পানির ব্যবহার ধীরে ধীরে এই জলাভূমিকে ধ্বংস করছে। আর এখানেই এই রামসার কনভেনশনের প্রয়োজনীয়তা। এটি প্রথম চুক্তি যা নির্দিষ্ট কোন ইকোসিস্টেমকে নিয়ে করা হয়েছে। এই কনভেশনে কিভাবে জলাভূমি রক্ষা করা সম্ভব তার সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা রয়েছে। যেহেতু জলাভূমি বা প্রকৃতির যেকোন উপাদান দেশের সীমারেখা মানে না তাই একে রক্ষা করতে একাধিক দেশের সদিচ্ছা প্রয়োজন। রামসার কনভেনশন কিভাবে আন্তর্জাতিক সহযোগীতায় একসাথে কাজ করা যায় সেটা নিয়েও কাজ করে।

১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে গৃহীত এই চুক্তির অধীনে এখন পর্যন্ত ২৫৩৬টি জলাভূমিকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। রামসার সাইটগুলো শুধু সম্মাননা নয়, এগুলো বাস্তবে জলাভূমির রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি তৈরি করছে কর্মসংস্থান।

রামসার কনভেনশন নিয়ে আরও জানতে তাদের ওয়েবসাইটটি ঘুরে আসুন। https://www.ramsar.org/

প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দর গুণ হলো ব্যালেন্স বা ভারসাম্য ধরে রাখা। মানুষ সাধারণত মনে করে একে অন্যকে খেয়ে বা মেরে প্রকৃতির উপ...
02/05/2025

প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দর গুণ হলো ব্যালেন্স বা ভারসাম্য ধরে রাখা। মানুষ সাধারণত মনে করে একে অন্যকে খেয়ে বা মেরে প্রকৃতির উপাদানগুলো ব্যালেন্সে থাকে। কিন্তু একে অন্যকে সাহায্য করে সমতা বজায় রাখার দৃষ্টান্তই বেশি। এর মধ্যে একটা হচ্ছে বুলহর্ন অ্যাকাশিয়া গাছ এবং অ্যাকাশিয়া পিঁপড়ের পারস্পরিক মিথোজীবিতা। এই গাছ এবং পিঁপড়ার স্থানীয় আবাসস্থল মূলত মেক্সিকো ও সেন্ট্রাল আমেরিকাতে।

সহজে বললে, অ্যাকাশিয়া গাছ খাদ্য, বাসস্থান প্রদান করে পিঁপড়েকে; আর বিনিময়ে পিঁপড়েরা পাতা খেতে আসা প্রাণিকে আক্রমণ করে গাছকে রক্ষা করে। অ্যাকাশিয়া গাছ এক ধরণের বিশেষ সুক্রোজ নিঃসরণ করে এবং পুষ্টি উপাদান তৈরি করে যা সেই অ্যাকাশিয়া পিঁপড়ে অন্য কোথাও পায় না। আবার অ্যাকাশিয়া গাছের কাঁটাগুলোর ভিতরটা নরম হয়, যেটা পিঁপড়েগুলো খেয়ে ফেলে এবং তৈরি হওয়া ফাঁকা জায়গায় থাকে।

অপরদিকে, অ্যাকাশিয়া পিঁপড়ে গাছকে রক্ষা করতে অন্যান্য প্রাণিদের তো কামড় দেয়ই, অন্য গাছকেও খেয়ে ফেলে যাতে অ্যাকাশিয়া গাছের সূর্যের আলো আর পানি সংগ্রহে কোন অসুবিধা না হয়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, অ্যাকাশিয়া গাছের পাতা থেকে পিঁপড়ে মধু বা নেকটার খেলেও, পরাগায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ফু্লের নেকটার তারা কখনো মুখে নেয় না। কারণ সেই নেকটারে থাকে পিঁপড়েদের দূরে রাখার জন্য দরকারী রাসায়নিক দ্রব্য বা কেমিক্যাল।

অ্যাকাশিয়া গাছ আর পিঁপড়ের এই সম্পর্ক আমাদের শেখায় যে মানুষ প্রজাতির বাইরেও প্রকৃতির মধ্যেই অনেক বড় ছোট রসায়নবিদ রয়েছে! আর রয়েছে একে অন্যকে সাহায্য করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করার প্রবণতা।

পৃথিবীতে নিজেই নিজেকে সুস্থ করে ফেলার সুপার পাওয়ার কার আছে?🌱প্রকৃতির।ইজাবেলা ট্রি বিশ্বাস করেছিলেন এই প্রকৃতির ক্ষমতার উ...
27/04/2025

পৃথিবীতে নিজেই নিজেকে সুস্থ করে ফেলার সুপার পাওয়ার কার আছে?

🌱প্রকৃতির।

ইজাবেলা ট্রি বিশ্বাস করেছিলেন এই প্রকৃতির ক্ষমতার উপর। আর সেই বিশ্বাসই বদলে দিয়েছে ব্রিটেনের Knepp Estate-এর চেহারা। যে জমি এক সময় ছিল প্রাণহীন, বছরের পর বছর অতিরিক্ত চাষাবাদের ভারে ক্লান্ত—সেই জমিই মাত্র এক দশকে ফিরে পেয়েছে প্রাণ, বৈচিত্র্য আর প্রাকৃতিক ছন্দ—কোনো কৃত্রিম হস্তক্ষেপ নয়, শুধু প্রকৃতিকে তার নিজের মতো কাজ করতে দেওয়া হয়েছিল।

এই প্রকল্প আমাদের দেখায়, rewilding বা পুনরায় প্রকৃতির বন্যরুপ ফিরিয়ে আনা, কিভাবে মৃতপ্রায় জমিকে এনে দিতে পারে তার প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য, জীববৈচিত্র্য আর প্রাণশক্তি।

Knepp প্রকল্প সম্পর্কে আরও জানতে তাদের ওয়েবসাইট ঘুরে আসুনঃ https://knepp.co.uk/rewilding/background/

ইংরেজিতে লেখা পড়তে চাইলে তরুর ইন্সটাগ্রামে চোখ রাখুনঃ https://www.instagram.com/toru.environment/

প্রকৃতিকে নীরব হিসেবেই আমরা সবাই জানি। কিন্তু বাস্তবে প্রকৃতির উপাদান একে অন্যের সাথে সবসময় কথা বলে যাচ্ছে, যোগাযোগ রাখছ...
26/04/2025

প্রকৃতিকে নীরব হিসেবেই আমরা সবাই জানি। কিন্তু বাস্তবে প্রকৃতির উপাদান একে অন্যের সাথে সবসময় কথা বলে যাচ্ছে, যোগাযোগ রাখছে। এর মধ্যে সবচেয়ে মজার উপাদান হচ্ছে গাছ।

মানুষের মতো গাছ তার পরিবারকে আগলে রাখে। প্রতিবেশীদের সহায়তা করে। এমনকি ছোট বাচ্চা গাছকে উপদেশও দেয়।

আর এই প্রক্রিয়া সম্পাদন হয় ফাংগাই (ছত্রাক) এর মাধ্যমে। 🍄

আমরা যেই মাশরুম দেখি তা মূলত ফাংগাই এর প্রজননতন্ত্র। গাছের সাথে এই ফাংগাই একটা সিম্বায়োসিস বা মিথোজীবি হিসেবে থাকে "মাইকোরাইজা" নামক এক ধরনের সুতার ন্যায় শিকড়ের সাহায্যে। এই শিকড় গাছের শিকড়ের চাইতে মাটির আরও গভীরে পৌঁছাতে পারে। এরুপ শিকড়ের অংশগুলো মিলে তৈরি হয় মাইসেলিয়াম। এই মাইসেলিয়াম এর সাথে গাছ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি খাবার (চিনি) ফাংগাইকে সরবরাহ করে। বিনিময়ে ফাংগাই পানি, ফসফরাস, অন্যান্য পুষ্টি উপাদান গাছকে দেয়। গাছের একদম উপরের পাতা থেকে মাটির গভীরে মাইসেলিয়াম পর্যন্ত এই আদান-প্রদান সার্বক্ষণিক চলতে থাকে।

বনাঞ্চলের গাছ এভাবে একটা বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি করে। কোন বিপদ আসলেও তারা একে অন্যকে জানান দেয়। সবচেয়ে অভিজ্ঞ, বয়স্ক গাছগুলো হয় মা গাছ, যা এই সিগনালের মাধ্যমে তার নিজস্ব প্রজাতির বাচ্চাদের বেশি করে খাবার দেয়। অদ্ভুত সৌন্দর্য এই যে, মা গাছ ছোট ছোট গাছকে উপদেশও দেয় কিভাবে আরও শক্তভাবে বড় হওয়া যায়। আর এসব কিছুই পরিবেশবিদ সুজান সিমার্ড (Suzanne Simard) এর গবেষণায় দেখা যায়।

গাছ বেঁচে থাকার জন্য একে অন্যের সাথে প্রতিযোগিতাও করে। কিন্তু তার চেয়ে বেশি গাছ সাহায্য করে। এই সুপার কো-অপারেটররা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিভিন্ন দেশে বয়স্ক গাছ (Old-Growth Trees) দ্রুত কেটে ফেলা হচ্ছে। যার কারণে নতুন প্রজন্মের গাছ শক্তিশালী হয়ে বেড়ে উঠছে না। আর মনোকালচারের কারণে আরও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। এর ফল মানুষের সুস্বাস্থ্যের উপরেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই আমাদের আরও সচেতন হতে হবে। আরও জানতে হবে।

মা গাছকে রক্ষা করতে হবে।

ভিয়েনা কনভেনশন থেকে শুরু করে ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি — ৩০০০-এর বেশি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি (IEAs) বিশ্বজুড়ে দেশ...
24/04/2025

ভিয়েনা কনভেনশন থেকে শুরু করে ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি — ৩০০০-এর বেশি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি (IEAs) বিশ্বজুড়ে দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও দূষণ হ্রাসে একত্রিত করেছে। এই সবগুলো চুক্তি আন্তর্জাতিক পরিবেশ রাজনীতি, নীতি বুঝা এবং রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশগত চুক্তি নিয়ে পর্যালোচনার আজকের প্রথম পর্বে সংক্ষেপে প্রয়োজনীয় চুক্তিগুলো তুলে ধরা হলো।

১৯৭০ সাল থেকে, ধরিত্রী দিবস আমাদের পরিবেশকে রক্ষার উদ্দেশ্য লক্ষ লক্ষ কণ্ঠকে একত্রিত করেছে। ২০২৫ সালে, আমরা এর ৫৫তম বার্...
22/04/2025

১৯৭০ সাল থেকে, ধরিত্রী দিবস আমাদের পরিবেশকে রক্ষার উদ্দেশ্য লক্ষ লক্ষ কণ্ঠকে একত্রিত করেছে। ২০২৫ সালে, আমরা এর ৫৫তম বার্ষিকী উদযাপন করছি "আমাদের শক্তি, আমাদের পৃথিবী" এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে। এটি ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য শক্তি তিনগুণ করার বৈশ্বিক আহ্বান।

চলুন আমরা সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুৎ, ভূ-তাপীয় এবং জোয়ারের মতো পরিচ্ছন্ন এবং নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসগুলোর পক্ষে এগিয়ে আসি। আর অঙ্গীকার করি আমাদের জন্য এবং আমাদের ধরিত্রী মা'র জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার।

02/02/2025

আজ বিশ্ব জলাভূমি দিবস!
সভ্যতার প্রথম থেকে মানুষ, প্রাণী সকলেই পানির উপর নির্ভরশীল নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য। এই আধুনিক সময়ে জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কৃষি, খাদ্য, স্বাস্থ্য - সকল ক্ষেত্রেই এই জলাভূমি সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এই জলাভূমির দেশে এই বিষয়ে আইন ও রয়েছে।
‘প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন-২০০০’ অনুযায়ী কোনো পুকুর-জলাশয়, নদী-খাল ভরাট করা বেআইনি। এছাড়াও, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-২০১০ অনুযায়ী জাতীয়ভাবে অপরিহার্য এরুপ ব্যতিত কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরকারি বা আধা সরকারি, এমনকি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বা ব্যক্তিমালিকানাধীন পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু আমরা তা মান্য না করে জলাভূমি ভরাট করছি যা দিন শেষে আমাদেরই ক্ষতি করছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিকভাবে রামসার কনভেনশন তৈরিই হয় এই জলাভূমিকে কেন্দ্র করে। এই বিশ্বে মাত্র ছয় সতাংশ জলাভূমি রয়েছে কিন্তু প্রতি ৮ জনের মধ্যে ১জন জীবিকার জন্য এই জলাভূমির উপর নির্ভরশীল। তাই জলাভূমি রক্ষায় আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে এখনই।

তথ্যসূত্রঃ https://www.un.org/en/observances/world-wetlands-day

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তরু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share