The BackBencher Chemist

The BackBencher Chemist

Share

আমি শিখি, আমি লিখি, আমি শেখাই 📚.... তবে আমার শেখা,লেখা ও শেখানো একটা সাম্যাবস্থায় থাকে।⚖️
[ Le Chatelier's Principle ]

11/06/2026

টাইট্রেশন আমাদের কি শেখায়? 🥼

⚗️ Hold it, but not tooo hard !!
👨‍🔬 Leave it when necessary !!

11/06/2026

Guess the reaction going on?

11/06/2026

সাম্প্রতিক সময়ে বিজ্ঞান জগতে একটি বিস্ময়কর এবং বিব্রতকর ঘটনা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ক্যান্সার এবং বার্ধক্য (aging) নিয়ে গবেষণা করা শত শত বিজ্ঞানী একটি অতি সাধারণ কিন্তু মারাত্মক ভুল করে বসেছেন। আর এই ভুলের কারণে এখন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার শত শত প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক পেপার!

ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং কোষের বার্ধক্য নিয়ে গবেষণায় 'p16' (মূলত p16-INK4a) নামক একটি প্রোটিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই প্রোটিনের উপস্থিতি ও পরিমাণ শনাক্ত করার জন্য ল্যাবে বিজ্ঞানীদের অ্যান্টিবডি (Antibody) প্রয়োজন হয়। কিন্তু অ্যান্টিবডি প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোর ক্যাটালগে নামের আংশিক মিল থাকায় এক বিশাল বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

অসংখ্য গবেষক 'p16-INK4a'-এর অ্যান্টিবডির বদলে ভুল করে 'p16-ARC' নামক সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অপ্রাসঙ্গিক একটি প্রোটিনের অ্যান্টিবডি কিনে ফেলেন এবং বছরের পর বছর ধরে গবেষণায় সেটাই ব্যবহার করে চলেন!

ইন্ডিপেন্ডেন্ট সায়েন্স ডিটেকটিভ বা গবেষক শল্টো ডেভিড (Sholto David) এই বিশাল ভুলটি প্রথম ধরেন। পরবর্তীতে বিখ্যাত 'সায়েন্স' (Science) ম্যাগাজিনে মিচ লেসলির রিপোর্টের মাধ্যমে বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে আসে। দেখা গেছে, প্রায় কয়েক ডজন স্বনামধন্য ল্যাবের শত শত গবেষণাপত্রে এই ভুল অ্যান্টিবডি ব্যবহার করে ডেটা উপস্থাপন করা হয়েছে।

ভুল অ্যান্টিবডি ব্যবহার করার পরও সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো—বেশিরভাগ গবেষকই তাদের পরীক্ষায় ঠিক সেই ফলাফলই পেয়েছেন, যা তারা "p16" প্রোটিনের ক্ষেত্রে আশা করছিলেন! সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রোটিনকে টার্গেট করার পরও কীভাবে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল মিলল?

এটি বিজ্ঞানের জগতে একটি ভয়ংকর বিষয়কে সামনে এনেছে। অনেকেই মনে করছেন, গবেষকরা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়ার জন্য হয়তো জোরপূর্বক ডেটা মিলিয়েছেন অথবা 'কনফার্মেশন বায়াস' (Confirmation Bias)-এর শিকার হয়েছেন। ভুল অ্যান্টিবডি দিয়ে একেবারে 'পারফেক্ট' রেজাল্ট পাওয়াটা প্রমাণ করে যে, অনেক গবেষণাপত্রেই হয়তো ডেটা ম্যানিপুলেট বা জালিয়াতি করা হয়েছে।

এই ঘটনাটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য একটি বিশাল সতর্কবার্তা। পাবলিকেশনের চাপে তাড়াহুড়ো করা এবং পিয়ার-রিভিউ (Peer-review) প্রক্রিয়ার দুর্বলতাও এখানে স্পষ্ট। গবেষণায় ব্যবহৃত রিএজেন্ট বা অ্যান্টিবডিগুলো সঠিকভাবে যাচাই করা কতটা জরুরি, এটি তারই প্রমাণ। একটি ছোট নামের বিভ্রান্তি কীভাবে বছরের পর বছর ধরে চলা ক্যান্সার গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে, তা সত্যিই হতাশাজনক এবং শিক্ষণীয়!

10/06/2026

Salt Analysis Cheat Sheet for Basic Radical.

09/06/2026

আমরা কি এখন পর্যন্ত বাস্তবে পরমাণুকে দেখতে পেরেছি? 🤔

আপনাদের কী মনে হয়? আমাদের বইয়ে থাকা পরমাণুর যে ছবিগুলো আমরা দেখি, বাস্তবেও কি পরমাণু দেখতে ঠিক তেমনই?

আর যদি আমরা সত্যিই পরমাণুকে না দেখে থাকি, তবে কেন দেখতে পাই না?

বইয়ে থাকা এই ছবিগুলো কি তাহলে বাস্তব ?

07/06/2026

মলিকুলার অরবিটাল (Molecular Orbital) আসলে কী?

চলুন একটা গল্প বলি,

গল্পের শুরু, 'অণু' (Molecule) নামের একটি সুখী পরিবার নিয়ে। এই পরিবার তৈরি হয়েছিল দুটি 'পরমাণুর' (Atom) ভালবাসায়। আজ আমরা শুনবো এই পরমাণুদের ভালবাসার সংসার গড়ার পুরো গল্প!

এক সময় দুইজন পরমাণু সম্পূর্ণ একা থাকত। তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব থাকার জায়গা ছিল, যেগুলোকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় অ্যাটমিক অরবিটাল (Atomic Orbital)। সহজ করে ভাবলে, এগুলো হলো এক একটা ব্যাচেলর ফ্ল্যাট। আর এই ফ্ল্যাটগুলোতে থাকে 'ইলেকট্রন' নামের উত্তেজিত ভাড়াটিয়ারা।

যতক্ষণ পরমাণুরা একা থাকে, তাদের ইলেকট্রনগুলো এই নিজস্ব অ্যাটমিক অরবিটালেই দিব্যি ঘুরে বেড়ায়।

এখন দুটো পরমাণুর বাসা ছিল একসাথে। তাই তারা একে অপরকে দেখে ভাল লাগলো এবং ঠিক করলো তারা বিয়ে করবে। তারপর যথানিয়মে তাদের বিয়ে হল।

বিয়ের পর তো আর আলাদা থাকা যায়না। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিল নিজেদের ফ্ল্যাটের মাঝখানের দেয়াল ভেঙে ফেলবে। এভাবে দুটো ভেঙে এক করে ফেলল। এই বেপারটাকে কেমিস্ট্রির ভাষায় বলা হয় Orbital Overlapping। এখানে দুটো ছোট 'অ্যাটমিক অরবিটাল' একে অপরের সাথে মিশে গিয়ে (Overlap) পুরো পরিবারের জন্য একটি বড়, নতুন এবং শেয়ার করা জায়গা তৈরি করল।

এখন পরমাণুগুলোর নিজস্ব কক্ষপথ মিলে অণুর জন্য যে নতুন, সাধারণ কক্ষপথের সৃষ্টি হল, তাকেই বলা হয় মলিকুলার অরবিটাল (Molecular Orbital)! এখন আর ইলেকট্রনগুলো শুধু একটি পরমাণুর নিজস্ব সম্পত্তি নয়, তারা পুরো অণুর এই নতুন 'মলিকুলার অরবিটালে' স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায়।

দেয়াল ভাঙলেই তো আর সুন্দর বাড়ি হয়ে যায় না, দরকার একটা নিখুঁত প্ল্যান! তাই নতুন বাড়ি তৈরির জন্য তারা ডাকলো আসলাম ভাইকে (যিনি আসলে আমাদের বিজ্ঞানের 'কোয়ান্টাম মেকানিক্স')।

আসলাম ভাই একজন খ্যাতনামা স্থপতি, তাই ভাই এর বানানো বিল্ডিং এর কিছু নিয়ম রয়েছে - "যতগুলা পুরোনো room মেশানো হবে, ঠিক ততোটাই নতুন room তৈরি হবে।"

যেহেতু দুটো ব্যাচেলর ফ্ল্যাট (Atomic Orbital) মেশানো হলো, তাই আসলাম ভাই পুরো পরিবারের জন্য দুটো নতুন শেয়ার করা জায়গা বা মলিকুলার অরবিটাল তৈরি করে দিলেন। এই দুটো ঘর কিন্তু একদম আলাদা:

1. একটা জান্নাত (Bonding Orbital): আসলাম ভাই বাড়ির নিচতলায় একটি বিশাল, আরামদায়ক এবং শান্ত ঘর তৈরি করলেন। তিনি এমনভাবে এর ডিজাইন করলেন যে এর শক্তি (Energy) অনেক কম এবং এটি খুব স্থিতিশীল। ইলেকট্রনরা এই ঘরে থাকতেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে। এই ঘরটিই মূলত পরমাণু দুটোকে পরম মমতায় শক্ত করে বেঁধে রেখে সংসারটি টিকিয়ে রাখে।
2. আরেকটা জাহান্নাম (Anti-bonding Orbital): এরপর আসলাম ভাই বাড়ির একদম ছাদে, চিলেকোঠায় আরেকটি ঘর বানালেন। এটি খুব গরম, অস্থির এবং এর শক্তি অনেক বেশি। এখানে সারাক্ষণ এক অদ্ভুত মানসিক চাপ থাকে। ইলেকট্রনরা সাধারণত এখানে থাকতে চায় না। যদি বাধ্য হয়ে ইলেকট্রনদের এইখানে থাকতে হয়, তবে সংসারের শান্তি নষ্ট হয়, দুই পরমাণুর মধ্যে দূরত্ব বাড়ে এবং সংসার ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়!

বাড়ি তো তৈরি হলো আসলাম ভাইয়ের জাদুকরী নকশায়, কিন্তু এই নতুন বাড়িতে ওঠার জন্য ভাড়াটিয়াদের (ইলেকট্রনদের) তিনটি কড়া নিয়ম ধরিয়ে দেওয়া হলো:

1. আগে আরাম (Aufbau Principle): ভাড়াটিয়ারা সবসময় 'জান্নাত'-এর মতো কম শক্তির বা আরামদায়ক ঘরে আগে উঠবে। অর্থাৎ, সবার আগে 'জান্নাত' (Bonding Orbital) পূরণ হবে। সেখানে জায়গা শেষ হলে তবেই কেউ বাধ্য হয়ে 'জাহান্নাম'-এর দিকে পা বাড়াবে।

2. এক ঘরে মাত্র দুজন (Pauli Exclusion Principle): আসলাম ভাইয়ের কড়া নিষেধ—যতই বড় ঘর হোক, একটি অরবিটালে সর্বোচ্চ ২ জন ভাড়াটিয়া থাকতে পারবে। এর বেশি হলে সেখানে আর জায়গা দেওয়া হবে না।

3. বিপরীত শিফটের ডিউটি (Opposite Spin): একই ঘরে যে দুজন থাকবে, তাদের মধ্যে যাতে ঝগড়া না হয়, তাই তাদের ডিউটির শিফট হবে উল্টো। একজন দিনে কাজ করলে, অন্যজনকে রাতে কাজ করতে হবে।

এখন চলুন দেখি বাস্তবতায় । আসলাম ভাইয়ের বানানো এই বাড়িগুলোতে উঠে কাদের সংসার টিকলো আর কাদেরটা ভাঙলো!

- হাইড্রোজেন (H) পরিবারের সুখের সংসার: হাইড্রোজেনের দুটি পরমাণুর প্রত্যেকে ১টি করে মোট ২টি ইলেকট্রন নিয়ে বিয়ে করতে আসে। তাদের নতুন বাড়ি তৈরি হয়। যেহেতু নিয়ম অনুযায়ী এক ঘরে ২ জন থাকতে পারে, তাই তাদের ২টি ইলেকট্রনই আনন্দে 'জান্নাত' অর্থাৎ বন্ডিং অরবিটালে জায়গা পেয়ে যায়। 'জাহান্নাম'-এর চিলেকোঠা থাকে একদম ফাঁকা। ফলে তাদের মধ্যে গভীর ভালোবাসা জন্মায় এবং সংসার অত্যন্ত মজবুত হয়!

- হিলিয়াম (He) পরিবারের বিচ্ছেদ:** হিলিয়ামের দুটি পরমাণুর প্রত্যেকে ২টি করে মোট ৪টি ইলেকট্রন নিয়ে সংসার পাততে আসে। বাড়ি তৈরির পর, নিয়ম অনুযায়ী ২ জন ইলেকট্রন 'জান্নাত'-এ জায়গা পায় ঠিকই, কিন্তু জায়গা না পেয়ে বাকি ২ জনকে বাধ্য হয়ে 'জাহান্নাম' অর্থাৎ অ্যান্টি-বন্ডিং অরবিটালে উঠতে হয়। 'জান্নাত'-এর পজিটিভ শক্তি আর 'জাহান্নাম'-এর নেগেটিভ অস্থিরতা কাটাকাটি হয়ে যায়। ফলে তাদের মধ্যে কোনো বন্ধনই তৈরি হতে পারে না। এই কারণেই হিলিয়ামের বিয়ে কখনোই টেকে না, তারা চিরকুমার (Noble Gas) থেকে যায়!

ব্যাপারটা একটু কঠিন লাগলো ? আমারও লেগেছিল । পড়ে আরেকদিন বিস্তারিত বুঝিয়ে বলব ইনশাআল্লাহ ।

সহজ কথায়, বিয়ের আগে মানুষের যেমন নিজস্ব ঘর থাকে (Atomic Orbital), বিয়ের পর তারা আসলাম ভাইকে দিয়ে নকশা করে যেমন শখের বাড়ি তৈরি করে পরমাণুদের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই ঘটে। মলিকুলার অরবিটাল হলো সেই শেয়ার করা শখের বাড়ি, যেখানে পুরো অণুর ইলেকট্রনগুলো কোয়ান্টাম বলবিদ্যার নিয়ম মেনে বসবাস করে।

আজ তো আমরা জানলাম পরমাণুরা কীভাবে ফ্ল্যাট ভেঙে নতুন সংসার গড়ে এবং আসলাম ভাইয়ের নকশা করা বাড়ির রহস্য। কিন্তু এই নতুন শেয়ার করা ঘরগুলো বা 'মলিকুলার অরবিটাল' দেখতে কেমন হয়? এদের কি কোনো আলাদা ধরন (যেমন: সিগমা অরবিটাল, পাই অরবিটাল) আছে? মলিকুলার অরবিটালের এই বিস্তারিত ক্লাসিফিকেশন নিয়ে আমরা হাজির হবো অন্য আরেকদিন ইনশাআল্লাহ ।

Anyway, গল্পের আসলাম ভাই কিন্তু মোটেই কাল্পনিক নন! বাস্তবের পৃথিবীতেও তিনি একজন তুখোড় স্থপতি এবং Brown's Engineering & Architecture - এর প্রতিষ্ঠাতা। তো পরমাণুদের ঘর হোক কিংবা আমাদের স্বপ্নের ঘর - তৈরি করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন ভাই এর সাথে।

05/06/2026

এই ভিডিওটা পুরোপুরি জেমিনাই (Gemini) দিয়ে বানিয়েছি। ভাবছি সত্যি সত্যি এই এক্সপেরিমেন্টটা করে দেখবো কিনা...

কী বলেন? সিম্পল এই এক্সপেরিমেন্টটা কিন্তু করে দেখা যায় বাস্তবে কতটুকু কাজ করে। সাথে একদম অরিজিনাল ল্যাব টেস্টও করে দেখাবো... এই বেসিক প্রসেস আর ল্যাব টেস্ট দুইভাবেই সবগুলোর লবণের আয়োডিন টেস্ট করে দেখতে মন চাচ্ছে আসলে কি অবস্থা ।
🥼

28/05/2026

تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ
(তাকাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম - আল্লাহ আমাদের ও আপনার নেক আমলগুলো কবুল করুন)

ব্যাক বেঞ্চার কমিউনিটির পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই "হাম্বা হাম্বা" ঈদ মোবারক! 🌙✨
ক্লাসের বেঞ্চে আমরা যতই পেছনে থাকি না কেন, কোরবানির মাঠে আর মাংস খাওয়ায় আমরাই কিন্তু অলওয়েজ ফার্স্ট বয়! 🥩😎

15/05/2026

কিছু কথা........💭

বিশিষ্ট এক শিক্ষকের বেশ কিছু ভিডিও সামনে আসলো। ভাবছিলাম কিছু না বলি,কিন্তু না বলেও পারলাম না। দেখে খুবই বিরক্ত লাগলো যে, অনলাইনে এতদিন ধরে বাচ্চারা এসব ক্লাস কনজিউম করছে!

কিছুক্ষণ ক্লাস দেখেই মনে হলো, তার পড়ানোর চেয়ে সিগমা টিচার হবার ইচ্ছাই বেশি, পুরো ভিডিও অপ্রয়োজনীয় কথায় ভরা। এমন মানুষের শিক্ষকতাই করা উচিত না, যার বেসিক বিষয়ে এত ভুল থাকে। এসব হাবিজাবি শিখে যখন তারা ইন্টারে উঠবে, তখন অবস্থা আরও বাজে হবে।

​বাচ্চারা যেহেতু এসব ফালতু কন্টেন্ট দেখছে, তার মানে অনলাইনে ক্লাসের প্রচুর ডিমান্ড আছে। কিন্তু আসল কোয়ালিটি কন্টেন্টগুলো রিচ পাচ্ছে না। এই জায়গায় অভিজ্ঞ শিক্ষকদের একটা বড় দায়িত্ব এসে পড়ে।

এর একমাত্র সমাধান হলো— ভালো টিচারদের বেশি বেশি মানসম্মত ক্লাস আপলোড দেওয়া। তাহলেই বাচ্চাদের কাছে সঠিক জিনিস পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি, যার যে বিষয়ে গভীর জ্ঞান নেই, তার সেই বিষয়ে ক্লাস না নেওয়াই উত্তম। ইসলামেও বলা আছে, কোনো কাজের দায়িত্ব অযোগ্যদের হাতে দেওয়া মানে আমানতের খেয়ানত করা, যা ধ্বংসের লক্ষণ (সহিহ বুখারি: ৫৯)। তাই জ্ঞানের গভীরতার ওপর ভিত্তি করেই কন্টেন্ট বানানো উচিত। তা না হলে এই সেক্টরের বদনাম হবেই। চায়না অলরেডি কিছু নিয়ম করেছে; এডুকেশন বা মেডিকেলের মতো সেনসিটিভ বিষয়ে যাদের একাডেমিক যোগ্যতা নেই, তারা কন্টেন্ট দিতে পারবে না। আমাদেরও এমন নিয়ম খুব দরকার।

​আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি যে, আলহামদুলিল্লাহ স্কুল জীবনে আমাকে কখনো অনলাইন ক্লাস করতে হয়নি। আর কলেজে উঠে যে শিক্ষকদের পেয়েছিলাম, তারা অনলাইনের যেকোনো ক্লাসের চেয়ে হাজার গুণে ভালো ছিলেন। আমার এখনো মনে আছে, আমি শরিফ স্যারকে বলেছিলাম, "স্যার আপনারা ক্লাস আপলোড করুন। আপনাদের বোঝানোর ধরন অনলাইনের যে কারো চেয়ে দারুণ।" তখন সবচেয়ে ভালো বলতে যে অনলাইন প্লাটফর্ম ছিল, যাদের ক্লাস অত্যন্ত চমৎকার ছিল, কিন্তু একদমই বাড়িয়ে বলছি না, আমাদের স্যারদের ক্লাসগুলো তার চেয়েও সেরা ছিল। যারা অহি স্যারের ম্যাথ ক্লাস করেছে, তারা অস্বীকার করতে পারবে না যে তার ক্লাস ওই প্লাটফর্মের ভাইয়ের চেয়েও অনেক গুণে ভালো। হ্যাঁ, বায়োলজি নিয়ে একটু ঝামেলায় ছিলাম, তবে সে ক্ষেত্রে ভাইদের ক্লাসগুলো থেকে অনেক উপকৃত হয়েছি। যাই হোক, একটু ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করে ফেললাম।

​আমাদের স্যাররা কেউই স্লাইড দেখে পড়াতেন না, সবাই হোয়াইটবোর্ডে পড়াতেন। হোয়াইটবোর্ডে নেওয়া অনেক বছর আগের পুরোনো কিছু ক্লাস আমি এখনো ইউনিভার্সিটিতে দেখি, যেগুলো আমার বর্তমান ইউনিভার্সিটি টিচারদের স্লাইডের ক্লাসের চেয়েও ঢের ভালো। যেমন- Chemistry Untold, Prof Dave Explains, Prof Walter Lewin বা Chad's Prep- এর ক্লাসগুলো অতুলনীয়।

যদিও আমি অনলাইনে খুব বেশি ক্লাস করি না, তবে করলে এদেরগুলোই দেখি। কিন্তু মুশকিল হলো, কোনো বিষয়ে ইন-ডেপথ জানার ইচ্ছা হলে বাংলায় তেমন কোনো কন্টেন্টই নেই। বেশিরভাগই ইন্ডিয়ান বা বিদেশি চ্যানেল।


​আমাদের দেশে জনপ্রিয় হওয়ার জন্য অনেকেই শুধু রিলস বানায় আর সিগমা মোটিভেশন দেয়; টপিক নিয়ে কোনো জ্ঞানগর্ভ আলোচনাই নেই। আর কেউ যদি কোনো বিষয় একটু গভীরে পড়ায়, তাহলে অহংকারে তার পা মাটিতে পড়ে না! অথচ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না" (সহিহ মুসলিম: ৯১)। এদের ভাব দেখে দুঃখ লাগে, যেন দেশে আর কেউ কিছুই পারে না।

​অবশ্য এদের দোষ দিয়েও লাভ নেই, কারণ আমাদের দেশের সেরা টিচাররা অনলাইনে খুব একটা কমফোর্টেবল নন। এর একটাই সমাধান— যার যে বিষয়ে প্রকৃত জ্ঞান আছে, তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া। ইসলামেও জ্ঞানীদের জ্ঞান লুকিয়ে রাখতে নিষেধ করা হয়েছে। হাদিসে বলা আছে, যে ব্যক্তি জ্ঞান লুকিয়ে রাখে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে আগুনের লাগাম পরিয়ে দেবেন (সুনান আবু দাউদ: ৩৬৫৮)। যেহেতু এখনকার ছাত্ররা অনলাইন ছাড়া কিছু বিশ্বাসই করতে চায় না, তাই প্রকৃত জ্ঞানীদের উচিত অনলাইনে সরব হওয়া। একই কাজ মেডিকেলের ভাইদেরও করা উচিত। অনলাইনে এখন ভুলভাল মেডিকেল পরামর্শে ভরা, তাই সঠিক জ্ঞানীদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

​আল্লাহ আমাদের সবাইকে উপকারী জ্ঞান দান করুন এবং অহংকারমুক্ত হয়ে সেগুলো শেয়ার করার তৌফিক দিন। অনলাইনে এই জ্ঞানগুলো ছড়িয়ে দেওয়া মানে কিন্তু সাদাকায়ে জারিয়া হওয়া। হাদিসেই আছে, মানুষ মারা যাওয়ার পরও যে তিনটি জিনিসের সওয়াব পেতে থাকে, তার একটি হলো 'এমন জ্ঞান যা দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়' (সহিহ মুসলিম: ১৬৩১)। এর ফলে আমরা মারা যাওয়ার পরেও যদি মানুষ উপকৃত হয়, তবে আল্লাহর কাছ থেকে উত্তম প্রতিদান পাব।

আল্লাহ আমাদের সবার জ্ঞান বাড়িয়ে দিন এবং তাতে বারাকাহ দান করুন। আমিন।

29/04/2026

Gauss View and Gaussian ব্যবহার করে যেভাবে মলিকিউল draw করে খুব সহজেই vibrational frequency analysis and optimization করবেন।

Step-by-Step Guide for Computational Chemistry Experiment💻

For Better Quality Visit Youtube- Link in the Comments Section

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhanmondi
Dhaka
1207