17/01/2025
বিগত বছরের ব্যাচ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের চান্সের সাফল্য নিয়ে বায়োপার্কের টংগী শাখায়
নিশাদ স্যারের ফিজিক্স ব্যাচে
(HSC 25 & 26 ; SSC 26 & 27 ) ভর্তি চলছে ।
কোয়ালিটি ক্লাস কনটেন্ট
অধ্যায়ভিত্তিক লেকচার শীট
নিয়মিত পরীক্ষা
নিয়মিত পারসোনাল প্রবলেম সলভ ক্লাস
এবং দুর্বল স্টুডেন্টদের স্পেশাল কেয়ার ।
সীমিত আসনে ভর্তি চলছে।
ভর্তি হতে যোগাযোগ করুন ।
বায়োপার্ক অফিস
অভিযান ৭/২, (বারোতলা বিল্ডিং/পুরাতন স্কলার্স কলেজ এর নীচতলা) , সফিউদ্দিন রোড, টংগী কলেজ গেট, টংগী
12/01/2025
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাঃ ২০২২-২০২৩ সেশনে আসা এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর কমেন্ট বা রিয়্যাক্ট এর মাধ্যমে জানিয়ে দাও।
29/11/2024
কলেজ পড়ুয়া ঘাড়ত্যাড়াগুলা,
পড় মিয়ারা।
নইলে ভাইসা যাইবা।
যারা লাফাতে শেখাচ্ছে তারা তাদের কলেজ জীবনে কিসে ফোকাস রাখতো জিজ্ঞেস কইরো। ভার্সিটির বড় ভাইদের ডাকে কলেজের ছাত্রদের লাফাতে নাই; এটা প্রচন্ড বোকামি। প্রয়োজন শেষে পরিবার ছাড়া সবাই ফেলে দেয়।
নিজেকে, পিতামাতাকে ঠকাইতেসো তোমরা। পিতামাতার টাকায় আর বেশিদিন চলা হবে না। থামতে হবে শীঘ্রই। নিজেকে রেডি করো।
পড়। নইলে তুমি শেষ।
তিনটা মেডিসিন খেতে পারো
১) সন্ধ্যার পর ঘরে থাকবে
২) ১২/১২:৩০ এর মধ্যে ঘুমাবে
৩) অযথা ভাবনা না ভেবে নিয়মিত পড়বে
দেখবা দিন বদলাবে। সুযোগ হারাইয়ো না। শুরু করে দাও।
শেষ কথা, দেশপ্রেম ধর্মপ্রেম নিয়ে এতো ফুটানি যারা করে তারা জানে না তোমার বাবা-মা কত সংগ্রাম করে এতদূর এনেছে। যে আছে যার ধান্দায়।
'
- মোহাইমেন আসিফ
শিক্ষক,
নটরডেম কলেজ , ঢাকা
21/11/2024
10 Minute School is looking for Senior Teachers to join our Content (Academics) team! If you are an experienced educator driven by the passion to mentor junior teachers, maintain curriculum excellence, and create impactful content, this is the perfect opportunity to make a difference.
Learn more about the role and submit your application here:
https://10ms.io/XjA866
Be part of a movement to redefine education!
08/11/2024
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এমন কমেন্ট পাচ্ছি।
তোমরা কমেন্টে জানিয়ো কোন অধ্যায় টা তোমাদের লাগবে এখন বেশি ?
বেসিক টু এডভান্স এন্ড একাডেমিক টু মেডিকেল + ভার্সিটি এক সাথেই কভার করে দিবো।
05/11/2024
সফিউদ্দিন সরকার একাডেমীর
নবম শ্রেণির বিভাগ (সায়েন্স) নির্ধারণী পরীক্ষার
ফ্রি বিজ্ঞান MCQ ক্লাস
অধ্যায়ঃ ৮ ও ৯
সময়ঃ ৬ নভেম্বর; বুধবার ( সকাল ৮ টা ৩০ থেকে ১০ টা )
সবার জন্য ফ্রি !
ফয়সাল স্যার নিজেই ক্লাস নিবেন।
সবাই নিজেদের নাইনে এ পড়ুয়া ভাই বোন বা পরিচিত জনদের মেনশন দিয়ে জানিয়ে দিন
04/11/2024
দেশের সর্বপ্রাচীন ও গৌরবময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জিজ্ঞেস করলে সবার আগেই মাথায় আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর নাম। এসব কারণেই উচ্চমাধ্যমিকের পর বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরই স্বপ্ন থাকে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়াশোনা করার। কিন্তু এই পথ খুব একটা মসৃণ নয়। প্রতিবছর লাখ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র হাজারখানেক শিক্ষার্থী এই দেশসেরা শতবর্ষী বিদ্যাপীঠে, ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনার সুযোগ পায়। কারণ ৫টি ইউনিটে মোট ৭১২৮টি সিট বরাদ্দ থাকে। বুঝতেই পারছ, এখানে টিকে থাকতে হলে যুদ্ধের মতো তুমুল সংগ্রাম করতে হয়।
তবে তুমি যদি আগেভাগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাতে আবেদন করার খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে জেনে নাও, তাহলে ভর্তি প্রস্তুতি নেওয়া তোমার জন্য বেশ সহজ হয়ে যাবে। তাছাড়া প্রতিবছরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম হালনাগাদ করে। তাই সেই বিষয়েও জেনে নেওয়াটা জরুরি!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাতে আগে শুধু MCQ বা বহুনির্বাচনিমূলক প্রশ্ন থাকলেও, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। উক্ত ভর্তি পরীক্ষা থেকে এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার প্রচলন করা হয়। এর আগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাতে পূর্ণমান ২০০ নম্বর হলেও মোট নম্বর কমিয়ে ১০০ করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ফলাফলের উপর যে ৮০ নম্বর ধার্য ছিল তা কমিয়ে ২০ নম্বর করা হয়েছে। আর MCQ পরীক্ষার নম্বর ৬০ নম্বর করা হয়েছে। অন্যদিকে লিখিত পরীক্ষার মোট নম্বর থাকবে ৪০। MCQ ও লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদাভাবে ৪৫ মিনিট বরাদ্দ থাকবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন: ক ইউনিট
১০টি অনুষদ এবং ৩২টি বিভাগ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট গঠিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় ক ইউনিটে কেবল বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা, অর্থাৎ যারা এইচএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগে ছিল, কেবল তারাই অংশ নিতে পারবে।
ঢাবি ক ইউনিট মানবন্টন (MCQ):
পদার্থ বিজ্ঞান (আবশ্যিক) ১৫ নম্বর
রসায়ন (আবশ্যিক) ১৫ নম্বর
জীববিজ্ঞান ১৫ নম্বর
গণিত ১৫ নম্বর
বাংলা ১৫ নম্বর
ইংরেজি ১৫ নম্বর
এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে এবং তা বিষয়ভিত্তিক সমন্বয় করা হবে। একজন প্রার্থী যে ৪টি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিলে তার উপর নির্ভর করবে সে কোন বিভাগ/ ইনস্টিটিউট এ ভর্তি হতে পারবে।
ঢাবি ক ইউনিট মানবন্টন (লিখিত):
পদার্থ বিজ্ঞান (আবশ্যিক) ১০ নম্বর
রসায়ন (আবশ্যিক) ১০ নম্বর
জীববিজ্ঞান ১০ নম্বর
গণিত ১০ নম্বর
বাংলা ১০ নম্বর
ইংরেজি ১০ নম্বর
আবশ্যিক বিষয় এর সাথে অন্য যেকোনো ২টি বিষয়সহ মোট ৪ টি বিষয় এর উপর পরীক্ষা দিতে হবে। মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকা তৈরা করা হবে। MCQ ও লিখিত পরীক্ষা মিলে ১০০ নম্বর নির্ধারিত থাকবে এবং অবশিষ্ট ২০ নম্বর মাধ্যমিক পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ ২ দিয়ে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ ২ দিয়ে গুণ করে এই দুয়ের যোগ ফল ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে যোগ করে মোট ১২০ নম্বরের উপর শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকা তৈরি করা হবে।
ঢাবি ক ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার পাশ নম্বর
ঢাকা ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষার এমসিকিউ অংশের পাস নম্বর ২৪। উল্লেখ্য, এমসিকিউ পরীক্ষায় ২৪ নম্বরে পেলে কেবল লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে। তবে এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে থেকে ‘ক’ ইউনিট এর মোট আসনের কমপক্ষে ৫ গুণ লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে। লিখিত অংশের পরীক্ষায় পাস নম্বর ১২। তবে ১০০ নম্বরের মধ্যে MCQ এবং লিখিত পরীক্ষার মোট পাস নম্বর ৪০। যারা ৪০ এর কম নম্বর পাবে তাদের কে ভর্তির জন্য বিবেচনা করা হবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময় বন্টন:
সময় বন্টনের ক্ষেত্রে আগের মতোই ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট রাখা হয়েছে। ঢাকা ইউনিভার্সিটি এর ক, খ, গ এবং ঘ উনিটের জন্য MCQ পরীক্ষার সময়কাল হবে ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট। ঢাকা ইউনিভার্সিটি চ ইউনিটে, MCQ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারিত রয়েছে।
লিখিত অংশে প্রশ্ন থাকবে সকল সংক্ষিপ্ত উত্তরের জন্য। বহু নির্বাচনী এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা আলাদা উত্তরপত্র সরবরাহ করা হবে। একটি পরীক্ষা শেষ হলে, তার উত্তরপত্র সংগ্রহ করে পরবর্তী পরীক্ষার জন্য প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দেয়া হবে।
ঢাকা সহ ৮টি বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, যে কোনো ধরণের ইলেক্টিক ডিভাইস সম্বলিত ঘড়ি ও কলম ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
ঢাবি ক ইউনিট (বিজ্ঞান বিভাগ):ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি
বিজ্ঞান ও কৃষিবিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ডের বিজ্ঞান শাখায় আলিম ও IGCSE/O Level এবং IAL/GCE A Level পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএদ্বয়ের যােগফল ন্যুনতম ৮.০০ আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে কোন পরীক্ষাতে ৩.৫ এর কম জিপিএ থাকলে আবেদন করতে পারবে না।
02/11/2024
১। Hydra-র নামকরণের সার্থকতা আছে কী?
উত্তর : গ্রিক রূপকথার নয় মাথাওয়ালা ড্রাগনের নামানুসারে হাইড্রার নামকরণ হয়। ওই ড্রাগনটির একটি মাথা কাটলে তার বদলে দুই বা তার বেশি মাথা গজাত। হাইড্রা ওই ড্রাগনের মতো হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনরায় সৃষ্টি করতে পারে। তাই অনেক সময় বহু মাথাওয়ালা সদস্য আবির্ভূত হয়।
২। নিডারিয়াদের/হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী/ডিপ্লোব্লাস্টিক প্রাণী বলা হয় কেন?
উত্তর : ভ্রূণাবস্থায় নিডারিয়াদের/হাইড্রার দেহপ্রাচীরের কোষগুলো কেবল এক্টোডার্ম ও এন্ডোডার্ম নামক দুটি নির্দিষ্ট স্তরে বিন্যস্ত থাকে। এ জন্য নিডারিয়াদের/হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী/ডিপ্লোব্লাস্টিক প্রাণী বলা হয়।
৩। মেসোগ্নিয়া কী?
উত্তর : Hydra-র এপিডার্মিস ও গ্যাস্ট্রোডার্মিসের মাঝখানে অবস্থিত জেলির মতো স্বচ্ছ, স্থিতিস্থাপক স্তরকে মেসোগ্নিয়া বলে। এটি দেহের অবলম্বনে সহায়তা করে এবং এক ধরনের নমনীয় কঙ্কাল হিসেবে কাজ করে।
৪। সিলেন্টেরন কী?/হাইড্রার সিলেন্টেরনকে গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর বলা হয় কেন?
উত্তর : Hydra-র দেহের কেন্দ্রভাগে অবস্থিত ও গ্যাস্ট্রোডার্মিসে পরিবৃত্ত ফাঁকা গহ্বরকে সিলেন্টেরন বলে। এতে খাদ্যের বহিঃকোষীয় পরিপাক ঘটে এবং খাদ্যসার, শ্বসন ও রেচন পদার্থ পরিবাহিত হয় বলে একে গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর বা পরিপাক সংবহন গহ্বর বলে।
৫। ব্লাইন্ড গাট (blind gut) বা ব্লাইন্ড স্যাক ( blind sac) কোনটি এবং কেন?
উত্তর : সিলেন্টেরনকে ব্লাইন্ড গাট বা ব্লাইন্ড স্যাক বলা হয়। কারণ দেহের উপরিভাগে অবস্থিত একটিমাত্র ছিদ্র, অর্থাৎ মুখছিদ্রের মাধ্যমে এটি খাদ্য গ্রহণ ও বর্জ্য পরিত্যাগ করে।
৬। হাইড্রাকে অমর প্রাণী বলা হয় কেন?/হাইড্রার স্বাভাবিক মৃত্যু নেই কেন?
উত্তর : কোন বাহ্যিক কারণে হাইড্রার দেহ দুই বা ততোধিক খণ্ডে বিভক্ত হলে প্রত্যেক খণ্ড থেকে নতুন হাইড্রা জন্মায়। একে পুনরুৎপত্তি বলে। কারণ এ প্রক্রিয়ায় দেহের হারানো বা বিনষ্ট অংশ পুনর্গঠিত হয়। হাইড্রার বিচ্ছিন্ন অংশের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ অতি দ্রুত বিভক্ত ও রূপান্তরিত হয়ে বিভিন্ন কোষ সৃষ্টি করে। এসব কোষ দিয়ে দেহের বিভিন্ন অংশ গঠনের মাধ্যমে অপত্য হাইড্রার বিকাশ ঘটে। সুতরাং হাইড্রার স্বাভাবিক মৃত্যু নেই। এ জন্য একে অমর প্রাণী বলে।
৭। হাইড্রায় পরনিষেক ঘটে কেন?
উত্তর : হাইড্রা সাধারণত এক লিঙ্গ বা উভলিঙ্গ প্রকৃতির হয়ে থাকে। উভলিঙ্গ হাইড্রার শুক্রাশয় এবং ডিম্বাশয় পৃথক পৃথক সময়ে পরিপক্ক হয়। ফলে হাইড্রার শুক্রাণুর সাথে ডিম্বাণুর মিলন হয় না। এ কারণেই হাইড্রার দেহে স্বনিষেক ঘটে না। হাইড্রার পরনিষেক ঘটে।
৮। মিথোজীবিতা বলতে কী বোঝায়? হাইড্রায় আন্তঃসম্পর্ক দেখা যায়—ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : যখন দুটি ভিন্ন প্রজাতিভুক্ত জীব ঘনিষ্ঠভাবে সহাবস্থানের ফলে পরস্পরের কাছ থেকে উপকৃত হয়, তখন এ ধরনের সাহচর্যকে মিথোজীবিতা বলে। শৈবাল হাইড্রার গ্যাস্ট্রোর্ডামাল পেশি-আবরণী কোষে আশ্রয় পায়। সালোকসংশ্লেষণকালে শৈবাল যে O2 নির্গত করে, হাইড্রা তা শ্বসনে ব্যবহার করে।
29/10/2024
ভিনিসিয়াস ব্যালন জিতুক আর না জিতুক,
টংগীর রাস্তায় জ্যাম ও ধুলাবালি থাকুক বা না থাকুক,
২৬,২৫,২৪ ব্যাচের BioPark Future Medical Star hunt এক্সাম হবেই হবে ইনশা আল্লাহ 🔥
আগামী শুক্রবার সকাল ১০ টায় প্রাণির বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস এর উপর খেলা হবে !
১০০ নম্বরের MCQ নেগেটিভ মার্কিং সহ।
29/10/2024
দ্য আলকেমিস্ট বই থেকে ৯টি কথা 💕
নিজের স্বপ্নকে অনুসরণ করা❣️
জীবনে বড় হতে হলে বড় স্বপ্ন থাকতে হয়। দ্য আলকেমিস্ট বইটিও স্বপ্নকে অনুসরণ করার কথা বলেছে। বইটির মূল চরিত্র সান্তিয়াগো নিজের স্বপ্নকে অনুসরণ করে চলেছে। পথে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এসেছে, কিন্তু সাহস নিয়ে নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে গেছে। নিজের স্বাচ্ছন্দ্য থেকে বেরিয়ে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। ফলে নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে সান্তিয়োগো প্রকৃতপক্ষে সুখী হয়েছে।
হৃদয়ের কথা শোনা❣️
বইয়ের গল্পটি আমাদের হৃদয়ের কথা শুনতে শিখিয়েছে। চলার পথে মানুষ তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে পরামর্শ দেবে এবং অভিজ্ঞদের কাছ থেকে সে পরামর্শ নেওয়াটা দোষের নয় কিন্তু সব সময় শুনতে হবে নিজের হৃদয়ের বা মনের কথা। কারণ, আমার হৃদয় জানে, আসলে কী চাই, যা অন্য কেউ জানে না। নিজের হৃদয়ের পথে হাঁটতে গেলে অনেক সময় সমালোচনার শিকার হতে হবে। নিজের গন্তব্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে সেসব সমালোচনা কোনো বাধাই মনে হবে না।
আধ্যাত্মিকতা বাস্তব জীবনেরই অংশ❣️
বইটি আমাদের আধ্যাত্মিকতা যে বাস্তব জীবনেরই অংশ, সে বিষয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে। এ জন্য সারা পৃথিবীতে অধিকাংশ মানুষ সৃষ্টিকর্তা ও ধর্মকে বিশ্বাস করে। পৃথিবীতে বড় বড় আবিষ্কার হতো না, যদি সবাই খুব প্র্যাকটিক্যাল চিন্তা করত বা পৃথিবীটা যেমন আছে, তেমনভাবেই মেনে নিত। অসাধারণ উদ্ভাবন ও অর্জন তখনই সম্ভব, যখন আপনি অসম্ভবকে উপেক্ষা করতে শিখবেন।
ব্যর্থতার ভয়কে জয় করা❣️
সান্তিয়াগোর গল্পের মাধ্যমে বোঝা যায়, ভয় হলো জীবনের লক্ষ্য অর্জনের সবচেয়ে বড় বাধা। ব্যর্থতা এবং অজানা ভয় পেয়ে সফলতার পথে আমরা এগোতে পারি না। জীবনে সফল হতে হলে অজানা ভয়কে সবচেয়ে আগে বিদায় করতে হবে। স্বপ্ন পূরণ করতে গেলে চ্যালেঞ্জ, বাধা, সমস্যা আসবেই। সেটাকে ভয় না পেয়ে সফলতার একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখতে হবে। ব্যর্থতার ভয়কে জয় করতে হবে।
অধ্যবসায়ী হওয়া❣️
অধ্যবসায়ী ও ধৈর্য ধরে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে গেলে যে সফল হওয়া যায়, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে বইটি। সান্তিয়াগো অসংখ্য বাধার সম্মুখীন হন, কিন্তু তার অটল অধ্যবসায় শেষ পর্যন্ত তাকে তার ধনভান্ডারে নিয়ে যায়। জীবনে চলার পথে বাধা আসবে, পড়ে যেতে হবে, কিন্তু অধ্যবসায়ের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। অধ্যবসায়ের বিকল্প নেই।
ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া❣️
সান্তিয়াগো তার যাত্রার সময় ভুল করেছে। তবে প্রতিটি ভুলকে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখেছে। বইটি আমাদের ভুলগুলো থেকে শেখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। স্বপ্নপূরণের পথে ভুল হওয়া মানে এটা প্রকাশ করে না যেআমি স্বপ্ন পূরণ করতে পারব না, বরং এটি একটি নতুন শিক্ষা, যা স্বপ্নপূরণের পথে বাড়তি অর্জন। বারবার ভুল করলেও ঘুরেদাঁড়াতে হবে।
সত্যকে মেনে নেওয়া❣️
সত্য যত খারাপ আর কঠিন হোক, তাকে মেনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সেই সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে, যদি কোনো কিছু সত্যি হয়, তবে তা কখনোই অমলিন হবে না, হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে না। বইয়ের একটি অংশে লেখক তাই বলেছেন, ‘কেউ যদি বিশুদ্ধ পদার্থ খুঁজে পায়, তবে তা কখনোই নষ্ট হবে না। আর সবাই ফিরে আসতে পারে। আপনি যা খুঁজে পেয়েছিলেন, তা যদি কেবল একটি আলোর মুহূর্ত বা একটি নক্ষত্রের বিস্ফোরণের মতো হতো, তাহলে আপনি ফিরে এসে কিছুই খুঁজে পেতেন না।’
স্বপ্নপূরণে সহায়ক ‘ভালোবাসা’❣️
পৃথিবীর সব মানুষই জীবনে ভালোবাসা পেতে চায়। আর এই ভালোবাসাও জীবনে বড় লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হতে পারে। তা কিন্তু সান্তিয়োগো ও ফাতিমার মধ্যে ভালোবাসার প্রদর্শন দেখে বোঝা যায়। যদি সঠিক মানুষকে ভালোবাসা যায় এবং ভালোবাসার মানুষটি যদি স্বপ্নপূরণে উৎসাহ দেয়, তাহলে অনেক বড় স্বপ্নকেও স্পর্শ করা যায়।
আজকের জন্য বাঁচা❣️
আজকের জন্য না বেঁচে আমরা ভবিষ্যতের জন্য দুশ্চিন্তায় মশগুল হয়ে যাই। জীবনে সুখী ও সফল হতে হলে দুশ্চিন্তা বাদ দিয়ে আজকের জন্য কাজ করতে হবে। কেননা জীবনে কোনো কিছুই স্থায়ী নয়। বইয়ে লেখক বলেছেন, ‘জীবন হলো জন্ম ও মৃত্যুর মধ্যবর্তী একটা ভ্রমণ। যেখানে প্রকৃতি বা পরিবেশ পরিবর্তন হবে, মানুষ পরিবর্তন হবে, আমাদের চাওয়া-পাওয়া পরিবর্তন হবে, কিন্তু ট্রেন চলবে। জীবন হলো একটা ট্রেন; কোনো স্টেশন নয়।’