Academia of Admission

Academia of Admission

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Academia of Admission, Educational consultant, Dhaka.

🎯 SSC–26 & HSC–26 Academic Guidance
📚 Study + Motivation + Admission Roadmap
🇧🇩 For Bangladeshi Students

🎓 Academia of Admission
Dream • Discipline • Destination

📌From Aspirant to Publician 🎓

22/05/2026

দেশের নেশাখোররাও শান্তিতে নাই।
গতকাল দেখলাম এক ভাই ১ টাকার ব্যথার ঔষধ রং করে ইয়াবা বলে ২৫০ টাকায় বিক্রি করতেছে।
প্রতি পিছে ২৪৯ টাকা লাভ।
মানুষ কিছু একটা খেয়ে যে সব ভুলে চিৎ হয়ে পড়ে থাকবে,সেখানেও ভেজাল ঢুকে গেছে।
একেতো নেশা হবে না,তার উপর যখন সে বুঝতে পারবে,২৫০ টাকা দিয়ে ব্যথার ট্যাবলেট কিনেছে তখন তার মানসিক অবস্থাটা কি হবে!!!
মানবতা কোথায়!!!

©আতিক ভাই

22/05/2026

*আপনার প্রিয় দল কোনটা?*
*ব্রাজিল-🇧🇷*
*আর্জেন্টিনা -🇦🇷*

Photos from Academia of Admission's post 22/05/2026

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ক্লাসরুম!❤️⚖️
📍Location: Gazipur 💫

21/05/2026

একাডেমিক রেজাল্ট/ প্রতিষ্ঠান এবং সাবজেক্ট কোন বিষয় না ভাইটি প্রমাণ করে দিয়েছেন...
অফিসার (ক্যাশ) বাংলাদেশ ব্যাংক
(সুপারিশপ্রাপ্ত)

অ্যাকাডেমিক_রেজাল্ট🫡
এসএসসি ৩.৩৮ 😲
এইচএসসি ৪.০০ (ইংরেজিতে D গ্রেড)😱
অনার্স ২.৮৮ (ইতিহাস)😳😱
কারমাইকেল কলেজ (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)

21/05/2026

বাংলাদেশের বাস্তবতা হল আপনি উচ্চমধ্যবিত্ত অথবা ধনী ফ্যামিলির সন্তান না হলে আপনার হাই ফ্লায়িং ক্যারিয়ার পাওয়ার সম্ভাবনা একদম শূন্যের কাছাকাছি।

একজন উবারে/নিজেদের এসি গাড়ি চড়ে ইউনিভার্সিটি যাওয়া আসা করা ছেলেমেয়ে লাইফের যেই ধরণের ফ্লেক্সিবিলিটি আর বেনেফিট এনজয় করে, পকেটে ৫০/৬০ টাকা নিয়ে লোকাল বাসে সিদ্ধ হয়ে দিনে ৫/৬ ঘন্টা জ্যামে ট্রাভেল করে ইউনিভার্সিটি যাওয়া আসা করা ছেলেমেয়েরা সেই বেনেফিট এনজয় করে না।

হাইয়ার ক্লাসের ছেলেমেয়েদের কাছে অনেক সময় থাকে, তারা চাইলে সেইটা স্কিল ডেভেলপ করার কাজে লাগাইতে পারে পার্টটাইম কাজ করে, অথবা সফট স্কিল ডেভেলপ করে। তাদের ভিতরে কনফিডেন্স ছোটবেলা থেকেই ভরে ভরে দেয়া হয়। আর সবচাইতে বড় কনফিডেন্স আসে এই উপলব্ধি থেক যে তাদের ক্যারিয়ারের কিছু হয়ে গেলেও তাদের বাপ মা বুড়ো বয়েসে পথে বসবে না। এইজন্যে দে ক্যা টেক রিস্ক, দে ক্যান এক্সপ্লোর ডিফরেন্ট ওয়েজ। তাদের পোশাকে আশাকে, চলনে বলনে, কথাবার্তায় স্মার্টনেস আর আত্মবিশ্বাস যেইটা আসে, এইগুলা যত না স্ট্রাগল করে ডেভেলপ করা, তার চাইতে বেশি ইনহেরিটেড করা। আপনার পকেটে যখন টাকা থাকবে, পিছে বাপ-মায়ের ব্যাকআপ থাকবে তখন কলিজায় জোর এমনিতেই আসে!

অন্যদিকে গরীব-ছাপোষা ফ্যামিলির ছেলেমেয়েদের কাছে কোয়ালিটি টাইম মানে বিলাসিতা। আমি সকাল ৬ঃ৩০ এ বাইর হইতাম ক্যাম্পাসে যাইতে, সারাদিন ক্লাস করে, দুইটা টিউশান করায়ে বাসায় ফেরত আসতাম রাত ১০টার দিকে। টোটাল ৭-১০ ঘন্টা যেত ট্রাফিকে। বাসায় এসে আর তেল থাকতো না কোন কিছু করার। সপ্তাহের ৬ দিন যদি কেউ এইভাবে জীবন কাটায় তাইলে সে এক্সট্রাকারিকুলার অ্যাকটিভিটি করবে কখন, আর স্কিল ডেভেলপ করার জন্যে অন্যান্য জিনিস করবে কখন? আমি দুইটা টিউশান করে পাইতাম এরাউন্ড ১০ হাজার, সেইটা দিয়ে নিজের খরচ চালায়ে প্লাস ফ্যামিলিতে কিছু কনট্রিবিউট করার ট্রাই করসি। পার্ট টাইম কাজ পাই নাই এমন না, কিন্তু করতে পারি নাই। দিনে ৫/৬ ঘন্টা জব করে মাসে ৫-৬ হাজার টাকায় আমার পোষাইতো না। অ্যাজ আ রেজাল্ট, এক্সপেরিয়েন্স মিস করলাম, সিভিতে তো আর টিউশান লিখা যায় না সুন্দর করে!

আমার মত হাজার হাজার ছেলেমেয়ের তো একটা টিউশানও কপালে জোটে না! তাদের সোশ্যাল লাইফ বলতে কিছু থাকে না কারণ পকেট খালি! আর যেহেতু সোশ্যাল লাইফ নাই, সেহেতু কনফিডেন্স কমতে থাকে, ডিপ্রেশান বাড়তে থাকে। সেইটার ডাইরেক্ট ইম্প্যাক্ট পড়ে পড়াশুনার উপরে। অপরচুনিটি নাই, ইউটিলাইজেশানও নাই।

লেট মী টেল ইউঃ বাংলাদেশের যত লোয়ার ক্যাটাগরির ফ্যামিলি থেকে আসা ছেলেমেয়ে আছে, তাদের মেজরিটির পড়াশুনা খারাপ হয় ক্লিনিকাল ডিপ্রেশান আর স্ট্রেস থেকে। আর এই ডিপ্রেশানের একটা প্রাইমারি সোর্স হলো চোখের সামনে এই বৈষম্য দেখা!

এখন ফাইনাল ইয়ার শেষে যখন সিভি বানানোর সময় আসে, তখন দেখা যায় লোয়ার ক্যাটাগরির ছেলেমেয়েদের সিভিতে ভাঁড়ে মা ভবানী। অ্যাট বেস্ট, খালি পড়াশুনাই আছে, বাকি আর কিছু নাই। উল্টাদিকে যারা একটু অবস্থাসম্পন্ন ফ্যামিলি থেকে আসছে তারা সিভিতে সব ভরে ভরে রাখতে পারসে। এডুকেশান থেকে নিয়ে, কো কারিকুলার অ্যাকটিভিটিজ, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, সব! তাদের সবকিছু টিপটপ, ফিটফাট। অপরচুনিটি পাইসে, ইউটিলাইজ করসে! সিম্পল!

কাটিং এজ জবগুলাতে কি ভারী সিভিওয়ালাদের নিবে না খালি সিভিওয়ালাদের? তাদেরও তো সিস্টেম আছে।

আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারবঃ যদি কেউ প্রপার রিসার্চ করে তাইলে এই বৈষম্য একদম তথ্য উপাত্ত দিয়ে দেখায়ে দিতে পারবে এই বৈষম্যের এক্সিস্টেন্স, আর কিভাবে জীবনের প্রতিটা পর্যায়ে এই বৈষম্য বিল্ড আপ করা হয়!

বেশি কিছু না, নিচের দুইটা ওয়েতে ডেটা কালেক্ট করলেই হবেঃ

- দেশের টপ ১০ টা কোম্পানিতে গত ৩/৪ বছর ধরে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনী পজিশানে যাদের নিয়োগ দেয়া হয় তাদের ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করা হোক! দেখা হয় কয়জন কোন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসছে।
- যাদের ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউণ্ড হাইয়ার মিড-রিচ পর্যায়ের, তাদের ১০০ জনের মত স্যাম্পল দাঁড়া করায়ে তাদের ক্যারিয়ারের স্টার্টিং চেক করা হোক। একই ভাবে যারা একদম লোয়ার এন্ড থেকে আসছে, তাদের ক্যারিয়ার স্টার্টিং চেক করা হোক!

ফ্যাক্টস উইল স্পিক ফর দেমসেল্ভস! এক্সেপশান থাকতেই পারে কিন্তু ওভারঅল সীনারিওতে বৈষম্য যে কিরকম প্রকট, সেইটা চোখের সামনে ভেসে উঠবে! আমার লিস্টে যতগুলা ছেলেমেয়ে হাই ফ্লাইয়িং ক্যারিয়ার স্টার্টিং পাইসে তাদের মেজরিটি স্বচ্ছল ফ্যামিলি থেকে আসছে। জীবনের প্রতিটা পর্যায়ে তারা কিছু না কিছু প্রিভিলেজ পেয়ে আসছে। অপরদিকের চিত্র আমরা জানি! চাকরি না পেয়ে আত্মহত্যার নিউজ তো কম আসে না, এক বিসিএস এর জন্যে লক্ষ এপ্লিকেশানের খবরও অজানা না!

না, আমি হাইয়ার ক্লাস ফ্যামিলির ছেলেমেয়েদের দোষ দিব না। তাদের ফল্ট না যে তারা প্রিভিলেজ পায়। সুযোগ পাইলে সবাই প্রিভিলেজ নিবে! আমি দোষ দিব আমাদের দেশের একাডেমিক সিস্টেমের, স্টুডেন্টদের লাইফ এক্সপেরিয়েন্সের, তাদের জন্যে একটা ট্রান্সপারেন্ট লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থদের।

একটা সভ্য দেশে একটা রিচ ফ্যামিলির সন্তান আর একজন গরীব ফ্যামিলির সন্তান বেসিক সামাজিক/অর্থনৈতিক/একাডেমিক ফ্যাসিলিটিগুলা পায়, সেইটাই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করে দেয় ক্যারিয়ারের বিগিনিং এ গিয়ে! কেউ যদি ওই সিস্টেমে সারভাইভ করতে না পারে, তখন তার ব্যর্থতা!

কিন্তু একটা আনফেয়ার সিস্টেমে ফেইল করার জন্যে, পিছায়ে থাকার জন্যে লোয়ার এন্ড থেকে আসা ছেলেমেয়েদের ব্লেম করা কোন যৌক্তিকতা নাই!

একটা মেগাসিটিতে একজন বড়লোকের ছেলেমেয়ে তার গাড়িতে করে ট্রাভেল করে যদি ৮/১০ কনভেনিয়েন্স পায়, পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ট্রাভেল করে একজন লোয়ার ক্লাস ছেলেমেয়ের ৬/১০ কনভেনিয়েন্স পাওয়া উচিত।

একজন বড়লোকের ছেলেমেয়ে যদি তার বাবা-মায়ের ফিউচারের ব্যাপারে নির্ভার থাকে, একজন লোয়ার ক্লাস থেকে আসা ছেলেমেয়ের তার বাবা-মায়ের ফিউচারের ব্যাপারে নির্ভার থাকা উচিত।

একজন বড়লোকের মেয়ে যেই ধরণের সিকিওরিটি এনজয় করে, একজন নিম্নমধ্যবিত্তের মেয়েরে সেই ধরণের সিকিওরিটি এনজয় করা উচিত। একজন রাত ১০টা বাজেও নির্ভয়ে বাসায় ফিরবে আরেকজনকে ফোর্স করা হবে মাগরিবের আজানের আগে বাসায় ফেরার, তাইলে কেমনে হবে?

একজন ধনীর সন্তান যদি তার বেসিক নীড গুলা নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকে, একজন গরীবের সন্তানেরও তার বেসিক নীডগুলা নিয়ে নিশ্চিত থাকা উচিত। নিজের মায়েরে যদি কেউ বাড়িভাড়া কেমনে দিয়ে সেইটা নিয়ে চিন্তায় অসুস্থ হয়ে যাইতে দেখে, কোন গরীব ঘর থেকে আসা ছাত্রছাত্রী তার পড়াশোনায়/ক্যারিয়ারে ফোকাস দিতে পারবে না! তার চিন্তা হবে শর্ট টার্ম কেন্দ্রিক, লং টার্ম কেন্দ্রিক না!

বৈষম্য দূর করে যতদিন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আনা না হয়, ততদিন ধরে বেকারত্বের জ্বালায় সুইসাইড করার নিউজ আসতেই থাকবে রে পাগলা! ডিপ্রেশানে যাবে না কেন তরুণসমাজ? খেলায় কে জিতবে এইটা তো খালি চোখেই দেখা যায়, তাইলে খেলা কনটিনিউ করার স্পিরিট রাখতে পারবে কয়জন? এইটাই কমপ্লেক্স সোশিও-ইকোনোমিক বৈষম্যই জীবন!

====================

তুই ক্যারিয়ারে কিছুই করতে পারবি না, কারণ তুই গরীবের পোলা। তুই গরীবের সন্তান, তুই গরীব হয়েই মরবি, যতই উপরে ওঠার স্বপ্ন থাকুক না কেন। বড়লোকের পোলামাইয়ারা ক্রিম খাবে কারণ তারা বড়লোকের পোলামাইয়া। তুই যতই এফোর্ট দেস না কেন, তুই অমুক বড় কোম্পানির এমটি হইতে পারবি না বাংলাদেশে কারণ তুই যে কোয়ালিটি বিল্ড করবি, তোরে সেই চান্স দেয়াই হবে না!

ফাইনাল সেমিস্টারে আইসা স্যুট পড়লেও সারাজীবন যে রাস্তায় রাস্তায় কামলা দিসস, সেই কামলাত্ব তোর চোখেমুখে ফুটে উঠবে! আর কোম্পানিগুলা কি চায় জানস? স্মার্টনেস, লীডারশিপ, কনফিডেন্স! কত জায়গায় শুনসি ইন্টারভিউ বোর্ডে নলেজ/স্কিল দেখার আগে দেখে ঘড়ি কি পড়সে, স্যুট কেমন, শার্ট কেমন! তুই পাবি কই এইগুলা? জীবনে প্র্যাকটিস করার চান্স পাইসস?

এই বৈষম্যের প্রতিবাদ করতে কিন্তু পারবি না, করলে তোরেই ব্লেম দেয়া হবে! বলা হবে নেতিবাচকতা করে!

দিজ ইজ দ্য ফ্যাক্ট! ডীল উইথ ইট!

নিয়তি মাইনা নিয়া স্বপ্ন দেখ আর ক্যারিয়ার প্ল্যানিং কর, ডিপ্রেশানে কম যাবি। কপাল ভাল থাকলে, আর আল্লাহর রহমত থাকলে সিস্টেমরে বীট করার চান্সও থাকবে। কিন্তু নিয়তি না মাইনা স্বপ্ন দেখলে আমও যাবে, ছালাও যাবে!

আর পারলে বাংলাদেশের মোটিভেশনাল স্পীকার + ইয়ুথ লীডারদের আনফলো কইরা নিজের মত পথ চল! তারা তেলা মাথায় কেমনে তেল দিতে হয় সেইটা জানে, শুকনা মাথারে তৈলাক্ত করে তোলার জ্ঞান দেয়ার মত জীবন তারা কাটায় নাই!

- রাকিব হোসাইন

20/05/2026

ক্ষমা চেয়ে একটা জাতির পরিচয় দিচ্ছি। আগেও অনেকবার বলেছি। সারা বাংলাদেশের অলিতে গলিতে, হাটে মাঠে ঘাটে, গ্রামে, ধানক্ষেতে, নালা নর্মদায়, খালে বিলে নদীতে, উজানে ভাটিতে, চরে, সমুদ্রে, রাজপথে, যে কোনো জায়গায়, যে কোনো সময় যানবাহন দুর্ঘটনা ঘটলেই আহত নিহত, ধড় কাটা, মাথা কাটা, হাত পা বিচ্ছিন্ন, চিড়ে চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া দেহ থেকে প্রথমেই লুটপাট হয়ে যাবে। ছিনতাই হয়ে যাবে ঘড়ি, মোবাইল, টাকাপয়সা, গয়নাগাটি সব।

ছিন্ন হাতের ঘড়ি নেই। কাটা ধড় থেকে গয়না নেই। মগজ বের হয়ে যাওয়া খুলির কানের দুল নেই। বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া নিম্নাঙ্গ হতে মানিব্যাগ, টাকা নেই।

আগে থেকেই কি সেখানে লুটপাটকারী বা ছিনতাইকারী দাঁড়িয়ে ছিল? না, কেউই ছিল না। দুর্ঘটনার সাথে সাথেই আশেপাশের সবাই লুটপাটকারী ছিনতাইকারী হয়ে গেছে।

সেই একই দেশে একটা মেয়ে শিশু বা মেয়েকে একাকী পেলেই সবাই ধর্ষ***ণ.কারী সেজে যাবে। কিসের কর্ম আর কিসের ধর্ম!! এখানে সময় নিয়ে চরিত্রের স্খলন বলতে কিছু নেই। স্পট ধর্ষ***ণ.কারী সবাই। দিনে একটা ঔষধের দোকানে কত পিস ভায়াগ্রা বিক্রি হয় জানেন? এই জিনিস বানায় কতগুলো ঔষধ কোম্পানি? কম বয়সী কতজন পোলাপান কেনে এসব? ইয়াবা, অন্য ড্রাগ?

কারণ বিচার নেই। ভয় পাবার মত সাজা নেই। দুইদিন পর সবাই ভুলে যায়। আচ্ছা একটা পরিসংখ্যান নেয়া যাবে। প্রতি বছর মামলা বা গ্রেফতার হওয়া কতজন রেপিস্ট এবং হত্যাকারী জামিনে বের হয়ে গেছে। গত পাঁচ/দশ বছরে এই মামলায় কতজন ফাঁসির আসামীর ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। একটা রায় হতে কত বছর লেগেছে।

যাই হোক। যদিও আল্লাহপাক সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক এবং এই বিচার নিয়ে তিনি ভয়াবহভাবে বারবার সতর্ক করে দিয়েছেন, তবুও এই দেশে ন্যায় বিচারের আশা বাদ দিয়ে নিজের বাচ্চাকে আগলে রাখুন। একাকী দরজার বাইরেও ছাড়বেন না। চুল পরিমাণ রিস্ক নেবেন না। স্কুলে, কোচিং-এও মেয়েকে এমন আগে ছাড়বেন না, যাতে সে সেখানে একাকী হয়ে যায়।

আত্মীয় স্বজন, বন্ধু কাউকেই বিশ্বাস করবেন না। চাচা, মামা, খালু, ভাই, ভাতিজা, কাজিন কাউকেই নয়।

যে জাতি নিজেই নিজেকে অভিশপ্ত করে, সে জাতিকে আল্লাহ কখনো রহম করেন না। তাদের দোয়া কবুলও হবে না। সবাই অন্ধ বধির হয়ে থাকবে। কেউ বুঝতেই পারবে না যে, তাদের সবাইকে আল্লাহ সিলমোহর মেরে দিয়েছেন।

সামর্থ্য থাকলে বাচ্চা দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিন। এই জাতির উন্নতি কেয়ামত পর্যন্ত হবে না। এই দেশ বসবাসযোগ্য, তার একটা উদাহরণ কেউ দিতে পারবেন না।

জন্মই যে দেশে আজন্ম পাপ।

©Mahbub Kabir Milon

20/05/2026

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 💔
আগে থেকেই বলে রাখি, যাদের মন খুব নরম তারা লেখাটা না পড়লেও পারেন।

রাজধানী ঢাকার মিরপুর পল্লবীর ঘটনা৷ ক্লাস টুতে পড়ে ছোট্ট শিশু রামিসা৷ প্রতিদিনের মতো তার মা তাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ খেয়াল করলেন তাদের রামিসাকে বাসার কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷

রামিসার মা প্রথমে ভাবছে হয়তো পাশের বাসায় খেলতে গেছে কিন্তু সময় গড়িয়ে যাচ্ছে রামিসা ফিরে আসছে না৷ মায়ের মনে অজানা ভয় আসতে লাগলো৷ প্রতিবেশীদের সাথে নিয়ে এদিক সেদিক সবদিকে খুঁজেও মেয়েকে পেলেন না৷

একপর্যায়ে তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটের সামনে পড়ে থাকতে দেখা যায় ছোট্ট রামিসার স্যান্ডেল। তখনই সবার মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। দরজার ভেতরে থাকা লোকজনকে অনেকবার ডাকাডাকি করা হলেও কোনো সাড়া মিলছিল না। অবশেষে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর সামনে আসে এমন এক দৃশ্য, যা দেথে কোনো সাধারন মানুষ ঠিক থাকতে পারবে না৷

খাটের নিচে প%ড়ে ছিল দ্বিতীয় শ্রেণির রামিসা কিন্তু সাথে তার মিষ্টি মু%খখানা ছিলো না৷ আর কিছুক্ষণ পর বাথরুম থেকে পাওয়া যায় মিষ্টি মু%খখানা৷

আর এমন নিকৃষ্ট কাজের পেছনে ছিলো অভিযুক্ত সোহেল রানা৷ যে কি না পেশায় একজন রিকশা মেকানিক, ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

একটি নিষ্পাপ শিশুর সঙ্গে এমন নিষ্ঠুরতা কীভাবে করতে পারে একজন মানুষ?
আমাদের দেশে মেয়েরা কোথায় নিরাপদ বলতে পারবেন? প্রতিদিনই এমন ঘটনা গুলো হচ্ছে৷ এরপরেও কারো ভেতর কোনো ডর ভয় নাই৷ কেনো জানেন? কারণ তারা জানে এ দেশের বিচারে তাদের চুল ছিঁড়া গেলো 🙂

- জাকিয়া হোসেইন তৃষা

19/05/2026

আপনার পড়াশোনার পেছনে সবচেয়ে বড়ো অবদান রাখা মানুষটি কে?
যার জন্য আজ এতদূর পৌঁছে গেছেন!

19/05/2026

দুনিয়া থেকে ভদ্রতা, সভ্যতা উইঠা গেছে।

এই অপরিচিত ভদ্রমহিলা সারা রাস্তা আমার গায়ে পা রেখে এলেন। কিছু বলতে যাবো তখনই আবার তাকিয়ে একটা হাসি দিয়ে দুই-পা ব্যাগের উপর তুলে দিলেন। লোল ফেলতে ফেলতে ঘুমাচ্ছে দেখে আর কিচ্ছু বললাম না।

গাড়িওয়ালারা যে এমন যাত্রী কেন তোলে🤨

- কালেক্টেড

19/05/2026

"পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন ধাক্কা হলো, একদিন সবার মাঝে নিজেকে 'অ্যাভারেজ' হিসেবে আবিষ্কার করা ... জীবনের উপন্যাসে টপারদের এলিট গল্পতেও আমি নেই, ব্যাকবেঞ্চারদের রূপকথাতেও আমি নেই ... নোটিশ বোর্ডে উঁকি দিয়ে রেজাল্ট খোঁজার সময় 'থ্রি ইডিয়টস' এর দৃশ্যটা চোখে ভাসে আর নিজেকে কেমন যেন অস্তিত্বহীন মনে হতে থাকে !!

অথচ চেষ্টার কমতিও বা ছিলো কই ... কষ্ট কে-ই বা কম করে ... আমি চোখের সামনে দেখতাম, একবার বইটা উল্টে-পাল্টে দেখেই পাশের বন্ধুটা সব মনে রাখতে পারতো ... প্রেজেন্টেশনের সময় একটিবারের জন্যও ওদের কথা আটকে যেতো না ... ইন্টারভিউতে কি চমৎকার বুদ্ধিদীপ্ত উত্তর দিয়ে ফেলতো ওরা ... কেউ অসাধারণ ডিবেটার, কেউ দুরন্ত ক্রিকেটার, কেউ জিনিয়াস লেভেলের আর্টিস্ট, কেউ অলরাউন্ডার ... আমারে দিয়ে কিছুই হইলো না ... গালভরা ইংরেজিতে মিথ্যে সান্ত্বনা দিয়ে বললাম, Jack of all trades, Master of none !!

খুব যত্ন করে লুকায়ে রাখতাম অনুভূতিটা, তবু এত কিছুর মাঝে নিজেরে প্রতিনিয়ত বেমানান মনে হতোই ... ঝুম বৃষ্টির সময়টাতে আকাশের কোণে চুপচাপ বসে থাকা এক টুকরো ধূসর পরদেশী মেঘের মতো ... যে আর দশটা মেঘের মতোই বৃষ্টি হতে চেয়েছিলো, কিন্তু দশজনের মিছিলে সে সবসময়ই ছিলো এগারো নম্বর !!

সবাই বলে, চেষ্টায় সব হয় ... বিশ্বকাপে আন্ডারডগ টিমটাও জিতে যায়, স্কুল পালিয়ে কেউ রবীন্দ্রনাথ হয়ে যায়, জুকারবার্গের ড্রপ আউটের মোটিভেশনাল স্টোরি ভেসে বেড়ায় বাতাসে ... সে বাতাসে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিয়েও অসাধারণ কেউ হতে না পারলে আরো বেশি সাফোকেটিং লাগে !!

অ্যাভারেজ মানুষটা একদম যে নিঃশেষ হয়ে যায় - তাও কিন্তু না ... সে শূন্যও নয়, একশোও নয় ... সে এমন এক সংখ্যা, যার জন্য কেউ উচ্ছ্বসিত হয় না ... যারে পৃথিবী প্রতিনিয়ত একশো হওয়ার স্বপ্ন দেখায়, কিন্তু মিডিওক্রিটির ভার কাঁধে নিয়ে সে আর ছুটতে পারে না !!

মাঝে মাঝে মনে হয়, একদম শূন্য হয়ে বাতিলের খাতায় চলে গেলে হয়তো জীবন নিয়ে কোনো রকম উচ্চাশা থাকতো না ... কিন্তু পাহাড়ের চূড়া আর মাটির ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় দাঁড়িয়ে কখনো উপরে আর কখনো নিচের দিকে অসহায়ের মতো তাকিয়ে থেকে জীবন কিংবা ভাগ্য বদলে যাওয়ার মিরাকেল আশা করতে থাকাই কারো কারো নিয়তি !!

জীবনের সাথে যুদ্ধ করে হয়তো আরেকটু ভালো থাকা যায়, কিন্তু নিয়তির সাথে কখনো যুদ্ধ হয় না !!

লেখা- মুশফিকুর রহমান আশিক

19/05/2026

আমরা সবাই কোথাও না কোথাও Neymar Jr.।
হয়তো জার্সি গায়ে মাঠে নামি না,
কিন্তু প্রত্যেকেই জীবনের কোনো না কোনো ম্যাচে আহত হয়ে পড়ে আছি।

একসময় আমাদেরও স্বপ্ন ছিল—
রাত জেগে কল্পনা করা ভবিষ্যৎ,
নিজেকে নিয়ে অসীম আত্মবিশ্বাস,
আর মনে হতো, পৃথিবী একদিন আমাদের নামও মনে রাখবে।

তারপর জীবন এসেছে নিষ্ঠুর ডিফেন্ডারের মতো।
সময় এসে ট্যাকল করেছে,
অভাব এসে হাঁটু ভেঙেছে,
প্রিয় মানুষগুলো ছেড়ে গেছে,
ব্যর্থতা এসে আত্মবিশ্বাস ছিঁড়ে নিয়েছে।

কেউ চাকরির লাইনে দাঁড়িয়ে হারিয়ে গেছে,
কেউ প্রেম হারিয়ে ভিতরে ভিতরে নিঃশেষ হয়েছে,
কেউ পরিবারের দায়িত্বে নিজের স্বপ্ন কবর দিয়েছে।

আর চারপাশের মানুষ?
তারা খুব সহজেই বলে দিয়েছে—
“ও শেষ।”
“ওর আর কিছু হবে না।”

ঠিক যেমন একদিন তারা বলেছিল Neymar Jr.-কে নিয়েও।

তাই ওর ফেরা শুধু একজন ফুটবলারের কামব্যাক নয়।
এটা সেইসব মানুষের ফিরে আসার গল্প,
যারা অসংখ্যবার ভেঙে পড়েও ভিতরে ভিতরে মরতে শেখেনি।

কারণ কিছু মানুষ থাকে—
যারা হারিয়ে যাওয়ার পরও বুকের ভেতর একটু আগুন বাঁচিয়ে রাখে।
সব আলো নিভে যাওয়ার পরও
চোখের গভীরে একফোঁটা স্বপ্ন লুকিয়ে রাখে।

Neymar Jr. যখন আবার মাঠে দাঁড়ায়,
তখন মনে হয়—
হয়তো আমাদের জীবনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।
হয়তো এত ব্যর্থতার পরও
একদিন আমরাও ফিরে আসব।

আর সেই দিন,
আমাদের নীরব লড়াইগুলোও একদিন আলো পাবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka