17/02/2023
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর নড়ে উঠেছে বিশ্ববাসী।বিশেষত পর পর বিভিন্ন অঞ্চলে সিরিজ ভূমিকম্প ও বাংলাদেশ-ভারত সংযোগস্থলে ভূমিকম্পের আগাম খবর দেশের মানুষকে আতংকিত করে রেখেছে।তাই কেউ খুজছে নিরাপদ আশ্রয়,কেউ ছুটছে গ্রামের দিকে।কিন্তু এসব সাবধানতা কি আল্লাহর আযাবকে থামিয়ে রাখতে পারবে?অথবা মানুষকে নিরাপত্তা দিতে?
প্রতিটি প্রাকৃতিক দূর্যোগই আল্লাহর আযাব হিসেবে আসে।মানুষ যখন ক্রমাগত সীমালঙ্ঘন করতে থাকে,গুনাহর ব্যাপারে বেখবর হয়ে যায়,আল্লাহর নির্দেশের ব্যাপারে উদাসীনতা প্রদর্শন করে ও হালাল-হারামের ব্যাপারে তোয়াক্কা করে না তখন আল্লাহ বিভিন্ন রকম প্রাকৃতিক দূর্যোগের মাধ্যমে জনপদের লোকদেরকে শাস্তি দিয়ে থাকেন।তাই আসন্ন আযাবের ব্যাপারে দুনিয়াবি সতর্কতার পাশাপাশি নিম্নোক্ত প্রস্তুতিগুলো নেয়া জরুরী-
🔹কৃত গুনাহের জন্য আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তওবা করা ও ক্রমাগত ইস্তিগফার পাঠের আমল
🔹গুনাহ ছেড়ে দেয়া, নেক আমল বাড়ানো ও অন্যদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দেয়া
🔹পরিবারে দ্বীন চর্চা বাড়ানো
🔹বেশি বেশি সাদাকাহ করা
🔹আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চেয়ে দুয়া করা
আশা করা যায় এসবের উসিলায় আল্লাহ আমাদের উপর রহম করবেন।আল্লাহ সকলকে হিদায়াত দান করুন ও দ্বীনের উপর অটল থাকার তাওফিক দিন।
05/12/2022
নু’আয়ম মুজমির (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সঙ্গে মসজিদের ছাদে উঠলাম। অতঃপর তিনি উযূ করে বললেনঃ ‘আমি আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, ক্বিয়ামাতের দিন আমার উম্মাতকে এমন অবস্থায় আহ্বান করা হবে যে, উযূর প্রভাবে তাদের হাত-পা ও মুখমন্ডল উজ্জ্বল থাকবে। তাই তোমাদের মধ্যে যে এ উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে নিতে পারে, সে যেন তা করে।’
রেফারেন্সঃ
সহিহ বুুখারী ১৩৬
23/11/2022
কুরআন তিলাওয়াত করতে জানা এবং তিলাওয়াত করতে পারা এই দুইয়ে পার্থক্য আছে। করতে জানাটা ছোটবেলায় মক্তব কিংবা বাসায় আরবী শিক্ষকের কাছে শিক্ষা নেয়ার মাধ্যমে আয়ত্ব হয়। কিন্তু বাঁধাহীনভাবে তিলাওয়াত করতে পারার জন্য রেগুলার তিলাওয়াতের প্রয়োজন হয়। নিয়মিত তিলাওয়াত আপনার তিলাওয়াতকে আরো বিশুদ্ধ আরো সুন্দর করে তুলবে। অবশ্যই সেটা কারো অধীনে হতে হবে। কারণ তিলাওয়াত শুধু পড়ে যাওয়ার নাম নয়। তিলাওয়াতের সাথে সম্পৃক্ত বিষয়াবলী যেমন ওয়াক্বফের স্থল সমূহে যথাযথ ওয়াক্বফ করা, যেখানে ওয়াক্বফ নেই সেখানে না থামা, ওয়াক্বফের পর আয়াত চিহ্ন না থাকলে মিলিয়ে পড়া ইত্যাদি সহ তিলাওয়াতকালে যাবতীয় ভুলভ্রান্তি এড়িয়ে বিশুদ্ধ ও সুন্দর তিলাওয়াতই হলো হুসনুল ক্বিরাআত তথা উত্তম পঠন। এসব শেখার জন্য নির্দিষ্ট কোর্সই হলো "তিলাওয়াত শুদ্ধকরণ "।
এই কোর্সটি কাদের প্রয়োজন?
*আমাদের অনেকেই নানান বৈষয়িক ব্যস্ততার কারণে কুরআন পড়া জারি রাখতে পারিনা। কিন্তু ইচ্ছে দমিয়ে রাখা যায়না অথচ তিলাওয়াত বিশুদ্ধ নয়। যার ফলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বিশুদ্ধ ও বাঁধাহীন না হওয়ায় তিলাওয়াতের স্বাদ থেকে বঞ্চিত। এই কোর্সটি করার ফলে আপনি বাঁধাহীনভাবে নিয়মিত তিলাওয়াত করতে সক্ষম হবেন।
*অনেকেই অন্যকোন প্রতিষ্ঠানে তাজউইদ কোর্স করেছেন কিন্তু তিলাওয়াত কোর্স করেননি। ফলতঃ নিয়মকানুন জেনেও যথাযথ অনুশীলনের সুযোগ না পাওয়ায় তিলাওয়াত হয়নি। তাদের জন্যই এই কোর্স। এখানে আপনার সে অনুশীলনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
*অনেকেই ছোটবেলায় হুজুরের কাছে তাজউইদ পড়েছেন কিন্তু নিয়মিত চর্চার অভাবে ভুলে গিয়েছেন।এই কোর্স তাদের জন্যও।
এই কোর্স আল ফজর ইন্সটিটিউটে কেন করবেন?
আল ফজর ইনস্টিটিউট শুধুমাত্র বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ছড়িয়ে দিতে এই কোর্সের আয়োজন করেছে।বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের জন্য প্রয়োজন দীর্ঘসময় উস্তাযের অধীনে তিলাওয়াত করা।কিন্তু প্রতিমাসেই তিন থেকে চার হাজার টাকা দিয়ে শিক্ষকের কাছে তিলাওয়াত কন্টিনিউ করা অনেকের পক্ষেই সম্ভবপর হয় না।তাই আল ফাজর ইন্সটিটিউট স্বল্পখরচে এই কোর্সটির ব্যবস্থা করেছে। এই কোর্স করার ফলে আপনি আপনার তিলাওয়াতের ভুল এড়িয়ে গুনাহ থেকে রক্ষা পাবেন। এবং হাদীসে বর্ণিত প্রতি হরফে হরফে নেকীর অংশীদার হবেন ইনশাআল্লাহ। আমাদের দেশে মাদরাসাগুলোতেও আলাদাভাবে এই কোর্স পরিচালিত হয় যা হুসনুল কিরাআত নামে পরিচিত।তারই ধারাবাহিকতায় আল ফজর ইন্সটিটিউট এই কোর্সের আয়োজন করেছে। গতানুগতিক প্রতিষ্ঠানের মত শুধু পড়িয়ে দিয়েই আমরা দায়িত্ব শেষ করে দিবোনা।আপনার বিশুদ্ধ তিলাওয়াত নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য।
তিলাওয়াত শুদ্ধকরণ ছাড়াও এই কোর্সে রয়েছে-
💠অর্থসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দুয়াসমূহ ছাড়াও আরো বড় ও জরুরী কিছু দুয়া যেমন ইস্তিখারার দুয়া,সাধারণ রুকিয়াহ,আয়াতুল কুরসী,সুরা বাক্বারার শেষ আয়াতসমূহ,সুরা হাশরের আয়াতসমূহ,সুরা কাহাফের দশ আয়াত ইত্যাদি মুখস্থকরণ
💠উস্তায/উস্তাযার সাথে আলাদা সুরা মাশককরণ
ক্লাসের সময়-
ছোটদের ক্লাস-রবি ও বৃহস্পতি, বিকেল ৪.৩০-৫.৩০
মহিলাদের ক্লাস-সোম ও বুধ, বিকেল ৪.৩০-৫.৩০
পুরুষদের ক্লাস-সোম ও বুধ, রাত ৯.০০-১০.০০
ভর্তি ফি-৫১০/-
মাসিক ফি-৫১০/-
বিকাশ-01723-642784
ফি বিকাশের সময় রেফারেন্সে Tilawat লিখে দিতে হবে।ফি বিকাশ করা হলে নিচের লিংকে গিয়ে ফর্ম পূরন করুন-
https://docs.google.com/forms/d/1kEmQ_Uas9gmE7l-mYKbQ_j05u2FFGzkYwo076OVXjVw/edit?chromeless=1
💠তিলাওয়াত শুদ্ধকরণ কোর্সে ভর্তির জন্য উস্তায/উস্তাযার কাছে এসেসমেন্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে কোর্সে ভর্তি নেওয়া যাবে।
03/09/2022
কমেন্টে অনেককেই দেখা যাচ্ছে বিপরীত লিঙ্গের কাউকে ইনবক্সে ডাকতে।যারা এমন করছেন তাদের সবাইকেই ব্যান করা হয়েছে এবং হবে।
27/08/2022
৪ মাসের এই কোর্সটি করার পর একজন শিক্ষার্থী নিজে নিজে সহীহ শুদ্ধভাবে কুরআন পড়তে পারবে!!
আল ফাজর ইন্সটিটিউট আয়োজিত ৪ মাস মেয়াদী সহীহ কুরআন শিক্ষা কোর্স!
সেপ্টেম্বর - ডিসেম্বর সেশনের রেজিস্ট্রেশন চলছে!!
কোর্সের মেয়াদ -৪ মাস
ক্লাসের সময়-
মহিলাদের ক্লাসঃরবি/মঙ্গল/বৃহস্পতি
বিকেল ৩.০০-৪.০০
পুরুষদের ক্লাসঃরবি/মঙ্গল/বৃহস্পতি
রাত ৯.০০-১০.০০
রেজিস্ট্রেশন এর শেষ সময়-৩১ শে আগস্ট
09/07/2022
সবাইকে ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা
ঈদ মুবারক
09/07/2022
পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষ্যে ০৯/০৭/২০২২ থেকে শুরু করে ১৫/০৭/২০২২ পর্যন্ত আল ফাজর ইন্সটিটিউটের সমস্ত একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।১৬/০৭/২০২২ থেকে যথারীতি সব কার্যক্রম শুরু হবে।
বিঃদ্রঃছুটির মধ্যেও ভর্তি কার্যক্রম চলমান থাকবে
07/07/2022
সন্তানের প্রতি পিতামাতার যেসব দায়িত্ব রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো কুরআন শিক্ষা দেয়া। কুরআনের সুশিক্ষাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের সঠিক জীবন দানসহ একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন-
الْمَالُ وَالْبَنُونَ زِينَةُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَالْبَاقِيَاتُ الصَّالِحَاتُ خَيْرٌ عِندَ رَبِّكَ ثَوَابًا وَخَيْرٌ أَمَلًا
সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি পার্থিব জীবনের (সাময়িক) সৌন্দর্য, আর স্থায়ী সৎকর্মসমূহ আপনার পালনকর্তার কাছে প্রতিদান প্রাপ্তি ও আশা লাভের জন্যে উত্তম।
তাই সন্তানকে কুরআন শিক্ষা দেয়া প্রত্যেক বাবা-মার জন্য জরুরী।আল ফাজর ইন্সটিটিউটের ৬ মাস মেয়াদী কুরআন শিক্ষা কোর্সটি সন্তানের প্রতি আপনার এ দায়িত্ব পালনে সহযোগী হতে পারে।এ কোর্সে কুরআন পড়ার নিয়ম কানুনের পাশাপাশি রয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় মাসনুন দুয়াসমূহ শিক্ষার ব্যবস্থা।৬ মাসেই ইনশাআল্লাহ আপনার সন্তান বানান করে নিজে নিজে আরবি শব্দসমূহ সহিহ করে পড়তে পারবে ইনশাআল্লাহ।
কোর্সের মেয়াদ-৬মাস
কোর্স সেশন-বছরে ২ বার
জানুয়ারি-জুন,জুলাই-ডিসেম্বর
ক্লাসের সময়-
শনি-সোম-বুধ
বিকেল ৩.০০-৪.০০
রেজিষ্ট্রেশন ফি-৩১০/-
বেতন-৫১০/-
বিকাশ-01723-642784
ফি বিকাশের সময় রেফারেন্সে TJ লিখে দিতে হবে।ফি বিকাশ করা হলে নিচের লিংকে গিয়ে ফর্ম পূরন করুন-
https://docs.google.com/forms/d/1kEmQ_Uas9gmE7l-mYKbQ_j05u2FFGzkYwo076OVXjVw/edit?chromeless=1
রেজিস্ট্রেশন এর শেষ সময়-২০ জুন
ক্লাস শুরু-২ জুলাই থেকে
07/07/2022
আল্লাহ তায়ালা বলেন-
"নিশ্চয়ই আমি এই কুরআন নাযিল করেছি এবং আমিই এর সংরক্ষন করবো।"
কুরআন সংরক্ষকুরআনের এক অভূতপূর্ব মুজিযা! একজন মানুষ দাঁড়িকমাসহ একটি গ্রন্থ পুরোপুরি আত্মস্থ করছে। এরচে বড় মুজিযা আর কী হতে পারে?
এ অভূতপূর্ব মুজিযাটি আল্লাহ তায়ালা সম্পন্ন করেছেন কুরআনে হাফিযদের দ্বারা।এ জন্য একজন কুরআনে হাফিযের সম্মানও আল্লাহ তায়ালার কাছে অনেক বেশি।
কুরআন মুখস্থ করা মুমিনের সৌভাগ্য।
ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেছেন: “যে কুরআনুল কারিম হিফয করল, সে তার বক্ষ ও পিঠের মাঝে নবুওয়তকে ধারণ করল”
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-
'কুরআন অধ্যয়নকারীকে বলা হবে, কুরআন পাঠ করতে করতে ওপরে উঠতে থাকো। তুমি দুনিয়াতে যেভাবে ধীরে-সুস্থে পাঠ করতে, সেভাবে পাঠ করো। কেননা তোমার তিলাওয়াতের শেষ আয়াতেই (জান্নাতে) তোমার বাসস্থান হবে।’ (সুনানে আবি দাউদ)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন-
‘যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করেছে এবং তাতে যা আছে সে অনুযায়ী আমল করেছে, তাহলে তার মা-বাবাকে কিয়ামত দিবসে একটি (নূরের) তাজ (টুপি) পরানো হবে। যদি সূর্য তোমাদের গৃহে প্রবেশ করত, তাহলে ওই সূর্যের আলো অপেক্ষাও ওই টুপির আলো উজ্জ্বলতর হবে। এখন তোমরা চিন্তা করো, যে ব্যক্তি কুরআনের নির্দেশ অনুসারে আমল করে, তার মর্যাদা ও অবস্থা কত উত্তম হবে?’ (আবু দাউদ, আহমাদ)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো ইরশাদ করেছেন-
‘যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করেছে এবং মুখস্থ করেছে অতঃপর কুরআন যা হালাল করেছে সে নিজের জন্য তা হালাল করেছে এবং কুরআন যা হারাম করেছে সে নিজের জন্য তা হারাম করেছে, তাহলে আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং নিজ পরিবারের এমন দশজনের জন্য তার সুপারিশ কবুল করা হবে। যাদের পরিণাম জাহান্নাম অবধারিত ছিল।’ (তিরমিজি)
উপরোক্ত হাদিসগুলোর আলোকে একজন কুরআনে হাফিযের মর্যাদা সহজেই অনুধাবন করা যায়।
কুরআন মুখস্থ করা এ উম্মাহর বৈশিষ্ট্য।এই মর্যাদা পেতে হলে কুরআন মুখস্থকরণের মাধ্যমে ধারণ করতে হবে। একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় পর্যাপ্ত সময়ে ও যোগ্য শিক্ষকের অধীনেই কেবলমাত্র এটি সম্ভব। আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে বহু প্রতিষ্ঠানই নির্বিশেষে এই খিদমাত আঞ্জাম দিচ্ছে। কিন্তু সেটা কেবলমাত্র বালক-বালিকাদের ক্ষেত্রে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিকতা ও নিয়মানুবর্তিতার সুযোগের অভাবে এটি চাইলেও সম্ভব হচ্ছেনা। তাদের জন্য সবদিক বিবেচনায় অনলাইনই উপযুক্ত। যেখানে তারা ঘরে বসে পবিত্র কালামুল্লাহ ধারণ করার সুযোগ পাবেন। আর এই সুযোগ করে দিচ্ছে আল ফজর ইন্সটিটিউট।
আমাদের ইন্সটিটিউটে সব বয়সীদের জন্যই ভিন্ন ভিন্ন ব্যাচে হিফজের সুযোগ থাকছে। চারবছর মেয়াদী এই কোর্সে আপনার কুরআন তিলাওয়াত বিশুদ্ধ থাকলেই আপনি হিফজ করতে পারবেন। হিফজের ক্ষেত্রে এটিই নূন্যতম যোগ্যতা। যদি তিলাওয়াতে ভুলভ্রান্তি থাকে তবে আমাদের শিক্ষকবৃন্দ যাচাই করে হিফজের উপযুক্ত করে তুলবেন ইনশাআল্লাহ।
ক্লাসের সময়-
ছোটদের ক্লাস-বিকেল ৩.৩০-৫.০০
মহিলাদের ক্লাস-সকাল ৯.০০-১০.৩০
পুরুষদের ক্লাস-সন্ধ্যা ৭.০০-৮.৩০
ভর্তি ফি-৫১০/-
বেতন-১৫৩০/-
বিকাশ-+880 1723-642784
ফি বিকাশের সময় রেফারেন্সে HQ লিখে দিতে হবে।ফি বিকাশ করা হলে নিচের লিংকে গিয়ে ফর্ম পূরন করুন-
https://docs.google.com/forms/d/1kEmQ_Uas9gmE7l-mYKbQ_j05u2FFGzkYwo076OVXjVw/edit?chromeless=1
রেজিস্ট্রেশন এর শেষ সময়-২০ শে জুন
ক্লাস শুরু-২ জুলাই থেকে
বিঃদ্রঃ
🔸🔸কুরআন পড়া শিখেনি এমন বাচ্চাদের জন্য ১ বছরের প্রি হিফজ প্রোগ্রাম।
🔸🔸হিফজ করতে ইচ্ছুক চাকরিজীবি শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে দুইদিনের ব্যাচ রয়েছে।সেক্ষেত্রে কোর্সের মেয়াদ বাড়বে এবং মাসিক ফি কম হবে।
💠হিফজুল কুরআন কোর্সে ভর্তির জন্য উস্তায/উস্তাযার কাছে এসেসমেন্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে কোর্সে ভর্তি নেয়া হবে।