Fityah Quran Academy

Fityah Quran Academy

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Fityah Quran Academy, Education, mohammadpur, Dhaka.

কুরআনে গুহাবাসী যুবকদের আলোচনায় আল্লাহ এই ফিতয়াহ শব্দটি এনেছেন। যারা তাদের রবের প্রতি ঈমান এনেছিল, আকীদা ও চেতনায় তারা ছিল দৃঢ়। ঈমান ও তাকওয়ায় তারা পরবর্তীদের জন্য উত্তম আদর্শ। Fityah Quran Academy
একটি কুরআনভিত্তিক শিক্ষা ও তারবিয়াহমূলক উদ্যোগ।

কুরআনে আল্লাহ তাআলা আসহাবে কাহাফের ঘটনা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন—

إِنَّهُمْ فِتْيَةٌ آمَنُوا بِرَبِّهِمْ وَزِدْنَاهُمْ هُدًى
(সূরা আল-কাহাফ, ১৮:১৩)

এই আ

23/02/2026

কুরআন শেখা আর কুরআন দিয়ে গড়ে ওঠা—পার্থক্য কী?

বর্তমান সময়ে আমাদের চারপাশে কুরআনের তিলাওয়াত প্রচুর শোনা যায়। সুন্দর সুন্দর গিলাফে মোড়ানো কুরআন মাজিদ হয়তো প্রতিটি মুসলিম ঘরেই সযত্নে রাখা আছে। কিন্তু সমাজ, পরিবার বা আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে কুরআনের সেই জাদুকরী প্রভাব কি আমরা দেখতে পাচ্ছি?

এখানেই আমাদের থমকে দাঁড়াতে হয় এবং একটি গভীর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়—কুরআন পড়া এবং কুরআন দিয়ে নিজেকে গড়া, এই দুটির মাঝে আসলে পার্থক্য কী?

অনেকে কুরআন পড়েন, কিন্তু খুব কম মানুষই কুরআন দিয়ে নিজেকে গড়ে তোলেন। কুরআন শেখা মানে কেবল হরফ চেনা বা তাজবিদসহ বিশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করতে জানাই নয়। তিলাওয়াত শেখাটা হলো প্রাথমিক ধাপ, কিন্তু সেটাই চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। মূল উদ্দেশ্য হলো—কুরআনের আলোয় নিজের চিন্তা, আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি ও সিদ্ধান্তকে পরিচালিত করা।

কুরআন ও সুন্নাহর দৃষ্টিতে মূল লক্ষ্য:
মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে এই কিতাব নাজিলের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলেছেন,
"এটি একটি বরকতময় কিতাব, যা আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যাতে মানুষ এর আয়াতসমূহ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-গবেষণা করে এবং বুদ্ধিমানরা যেন তা থেকে উপদেশ গ্রহণ করে।" (সূরা সাদ: ২৯)

অর্থাৎ, কেবল পাঠ করা নয়, বরং চিন্তা করা এবং উপদেশ গ্রহণ করে জীবনে বাস্তবায়ন করাই হলো মূল চাওয়া।

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ছিল এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ। উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়িশা (রা.)-কে যখন নবীজির (সা.) চরিত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি এক বাক্যে একটি যুগান্তকারী উত্তর দিয়েছিলেন— "তাঁর চরিত্রই ছিল কুরআন" (সহিহ মুসলিম)। অর্থাৎ, কুরআনের প্রতিটি নির্দেশ তাঁর কথায়, কাজে এবং আচরণে জীবন্ত হয়ে উঠেছিল।

সালাফদের যুগে কুরআন চর্চা কেমন ছিল?
সাহাবায়ে কিরাম এবং আমাদের পূর্বসূরি সালাফ আস-সালিহিনদের কুরআন পড়ার ধরন আমাদের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। বিখ্যাত সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) তাঁদের কুরআন শিক্ষার পদ্ধতি সম্পর্কে বলেন,
"আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছ থেকে কুরআনের দশটি আয়াত শিখতাম, তখন ততক্ষণ পর্যন্ত সামনের আয়াতে যেতাম না, যতক্ষণ না আমরা ওই দশটি আয়াতের অর্থ বুঝতাম এবং তা নিজেদের জীবনে আমল করতাম।"

তাঁরা কুরআনকে নিজেদের জীবন পরিচালনার ম্যানুয়াল হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। অথচ আজ আমরা অনেকেই না বুঝে শুধু সওয়াবের আশায় পড়ে যাই। বিখ্যাত তাবেয়ি হাসান বসরি (রহ.) তাঁর সময়ের মানুষদের অবস্থা দেখে আক্ষেপ করে বলেছিলেন,
"কুরআন নাজিল হয়েছিল তা অনুযায়ী আমল করার জন্য, কিন্তু মানুষ কুরআনের তিলাওয়াতকেই আমল বানিয়ে নিয়েছে।"

ভিতর থেকে বদলে যাওয়ার নামই কুরআন দিয়ে গড়া:
যখন কুরআন সত্যিই কারও জীবনের অংশ হয়ে ওঠে, তখন তা মানুষকে ভেতর থেকে পুরোপুরি বদলে দেয়। একজন কুরআন দিয়ে গড়ে ওঠা মানুষ যখন আনন্দিত হন, তখন তিনি অহংকারী হন না, বরং বিনয়ের সাথে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। যখন তিনি রাগান্বিত হন, তখন প্রতিশোধ নেন না, বরং কুরআনের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষমা করতে শেখেন। জীবনের প্রতিটি কঠিন সিদ্ধান্তে তিনি থমকে দাঁড়ান এবং নিজের বিবেককে জিজ্ঞেস করেন— "আমার রব এতে সন্তুষ্ট হবেন তো?"

আমাদের লক্ষ্য কেবল ভালো তিলাওয়াতকারী বা নিছক কিছু পাঠক তৈরি করা নয়। আমাদের স্বপ্ন হলো—এমন মানুষ তৈরি করা, যারা 'কুরআন দিয়ে গড়ে ওঠা মানুষ'। যাদের সততা, ধৈর্য এবং সুন্দর আচরণ দেখে অন্যরা ইসলামের সৌন্দর্য খুঁজে পাবে।

এবার একটু নিজের দিকে তাকিয়ে ভেবে বলুন তো...

আপনার জীবনে কুরআনের ভূমিকা কতটা গভীর?
কুরআন কি কেবল আপনার বুকশেলফে যত্নে তুলে রাখা একটি গ্রন্থ, নাকি আপনার প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলার গাইডলাইন?

কমেন্টে আপনার মূল্যবান মতামত এবং চিন্তাভাবনা আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। আমরা আপনার মন্তব্য পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।

10/02/2026

সবাই যে পথে চলছে, সেটাই কি সঠিক পথ? নাকি ভিড়ের মাঝে একা দাঁড়িয়ে থাকাও সত্য হতে পারে?

কুরআন মাজিদের সূরা কাহফে বর্ণিত সেই যুবকদের কথা ভাবুন। তারা কোনো নবী বা রাসুল ছিলেন না, ছিলেন সমাজের সম্ভ্রান্ত পরিবারের কিছু সাধারণ যুবক। তাদের সামনে ছিল ক্ষমতার প্রলোভন, বিলাসিতা আর সমাজের তথাকথিত স্বীকৃতি। কিন্তু তাদের সমাজ যখন শিরক আর অন্যায়ে ডুবে ছিল, তখন তারা স্রোতের গা ভাসাননি।

তারা সংখ্যায় ছিলেন নগণ্য, হাতেগোনা কয়েকজন। কিন্তু তাদের ঈমান ছিল পর্বতের মতো অটল।

তারা বুঝতে পেরেছিলেন, প্রাসাদের আরাম-আয়েশের চেয়ে নির্জন গুহার কঠিন জীবন অনেক শ্রেয়, যদি সেখানে আল্লাহর আনুগত্য থাকে। তাই তারা ঘর ছাড়লেন, সমাজ ছাড়লেন এবং আশ্রয় নিলেন এক অন্ধকার গুহায়। আল্লাহ তাদের এই ত্যাগ এতটাই পছন্দ করলেন যে, মহান আল্লাহ সূর্যকে আদেশ দিলেন তাদের পাশ কাটিয়ে আলো দিতে, আর তাদের ঘুম পাড়িয়ে রাখলেন ৩০৯ বছর ধরে!

✨ এই ঘটনা আমাদের আজ কী শেখায়?

🔸 সংখ্যার চেয়ে সত্য বড়: সত্যের পথে থাকার জন্য দল ভারী হওয়া জরুরি নয়। ভিড়ের মাঝে একা হয়ে যাওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়, বরং কখনও কখনও সেটাই বিজয়ের প্রথম ধাপ।

🔸 যৌবনের ইবাদত: আসহাবে কাহাফের যুবকরা প্রমাণ করেছেন, যৌবনকাল কেবল উপভোগের নয়, বরং সত্যের জন্য ত্যাগ স্বীকার করার শ্রেষ্ঠ সময়।

🔸 আল্লাহর ওপর ভরসা: যারা আল্লাহর জন্য দুনিয়ার আরাম ত্যাগ করে, আল্লাহ তাদের এমনভাবে রক্ষা করেন, যা মানুষের কল্পনারও বাইরে।

আজকের এই সময়ে, যখন দ্বীন মেনে চলা কঠিন মনে হয়, যখন মনে হয় আপনি সবার থেকে আলাদা হয়ে পড়ছেন—তখন হতাশ হবেন না। মনে রাখবেন, আসহাবে কাহাফও একা ছিলেন। কিন্তু আল্লাহ তাদের নাম কুরআনে অমর করে রেখেছেন কিয়ামত পর্যন্ত।

সত্যের পথে আপনি একা নন, স্বয়ং আল্লাহ আপনার সাথে আছেন। আর যার সাথে আল্লাহ আছেন, তার আর কীসের ভয়?

02/01/2026

কেন কুরআন শিক্ষা শৈশব থেকেই শুরু হওয়া জরুরি?
শিশুকালই মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়েই চিন্তা, অনুভূতি ও বিশ্বাসের ভিত্তি তৈরি হয়। শিশুদের মন হয়ে থাকে কাদামাটির মতো। যাকে যেকোন আকৃতিতে গড়ে নেওয়া যায়।
যে শিশুর হৃদয়ে ছোটবেলা থেকেই কুরআনের শব্দ, অর্থ ও শিক্ষা প্রবেশ করে—
কুরআনই থাকে তার চিন্তা ও সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দুতে। আল্লাহর স্মরণ তার অন্তরে জায়গা করে নেয়। সে চিন্তা করতে শেখে আল্লাহকে কেন্দ্র করে। তার মধ্যে হালাল-হারামের বোধ তৈরি হয়। গড়ে ওঠে আখলাক, শালীনতা, দায়িত্ববোধ।
ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.) বলেন:
“যে কুরআনের সাথে বড় হয়, আল্লাহ তাকে বিশেষ ফাহম দান করেন”
সালাফুস সালিহিনদের একজন বলেছেন,
তোমার সন্তানদের কুরআন শিক্ষা দাও। কারণ কুরআনই তাকে সবকিছু শিক্ষা দেবে।
তাই পড়তে শেখানো নয়, কুরআনের মাধ্যমে ঈমান, শৃঙ্খলা ও চরিত্র গঠনের প্রক্রিয়া শৈশবেই শুরু হওয়া উচিত।
কারণ শক্ত গাছের বীজ রোপণ করা হয় নরম মাটিতে।
👉 আপনার মতে, শিশুর কুরআন শিক্ষার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বয়স কোনটা?
#শৈশবেরঈমান #কুরআনশিক্ষা

30/12/2025

Why “FITYAH”? | আমাদের পথচলা কেন
আল্লাহ তাআলা বলেন—
إِنَّهُمْ فِتْيَةٌ آمَنُوا بِرَبِّهِمْ وَزِدْنَاهُمْ هُدًى
“নিশ্চয়ই তারা ছিল এমন কিছু যুবক, যারা তাদের রবের প্রতি ঈমান এনেছিল, আমি তাদের সৎপথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।”
— সূরা আল-কাহাফ, ১৮:১৩
Fityah মানে শুধু “যুবক” নয়।
Fityah মানে—
• দৃঢ় ঈমান
• সুস্পষ্ট আকীদা
• সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস
• দ্বীনের জন্য সর্বস্ব কুরবানি করার মানসিকতা
• সবকিছুর উপর দ্বীনকে প্রাধান্য দেওয়া
• সমাজের বিপরীতে হলেও আল্লাহর উপর ভরসা করে সঠিক পথে অবিচল থাকা
আসহাবে কাহাফ ছিলেন এমনই কিছু যুবক—
সংখ্যায় কম,
কিন্তু ঈমানে অটল।
🌱 আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি
আমরা বিশ্বাস করি—
ঈমান হঠাৎ তৈরি হয় না।
শৈশবেই ঈমানের বীজ বপন করতে হয়,
আর যৌবনে সেটাকে দৃঢ় করতে হয় কুরআন ও সুন্নাহর আলোয়।
তাই Fityah-এর পথচলা—
• শিশুদের কুরআন শিক্ষার মাধ্যমে ঈমানের ভিত্তি তৈরি
• যুবকদের মাঝে কুরআন ও সুন্নাহর চেতনা জাগ্রত করা
• পুরো দ্বীনকে জীবনব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করা।
📖 আমরা কী করি
• Online Quran Teaching
• Quran with Tajweed
• Islamic Education & Tarbiyah
• Faith-based learning for kids & youth
ইন শা আল্লাহ, ভবিষ্যতে—
• Offline Madrasah & Maktab
• Islamic books & educational projects
এই পথচলার অংশ হবে।
Fityah কোনো সাময়িক উদ্যোগ নয়।
এটা একটি নিয়ত—
ঈমানী শক্তি সম্পন্ন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলার নিয়ত।
দুআ করবেন, পাশে থাকবেন।
— Fityah Quran Academy

01/09/2024

“তারা এমন কজন যুবক, যারা তাদের রবের প্রতি ঈমান এনেছে”
এই ঘোষণা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের। তিনি নিজেই তাদের ঈমানের স্বীকৃতি দিচ্ছেন। এটা সাধারণ ব্যাপার নয়। রবের কাছ থেকে এমন স্বীকৃতি পাওয়া অত্যন্ত ভাগ্যের ব্যাপার, অনেক বড় মর্যাদার প্রমাণ। ঈমানের কয়েকটা স্তর আছে। মানুষ সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করে। ধীরে তা অন্তরে প্রবেশ করে। এজন্য বেদুইনরা যখন নিজেদের ঈমানের দাবি করল, তখন আল্লাহ বললেন, তোমরা ঈমান গ্রহণ করনি। বরং তোমরা বলবে, আমরা ইসলাম গ্রহণ করলাম। এখনো ঈমান তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করেনি।

এই যুবকদের সামাজিক মর্যাদা অনেক উঁচু ছিল। সমাজে তাদের অনেক প্রতিপত্তি ছিল। কিন্তু আল্লাহর দ্বীনের সামনে তারা সেসব তুচ্ছ জ্ঞান করেছে। তারা চাইলেই আরামের জীবন যাপন করতে পারত। কিন্তু তারা নিশ্চয়তাপূর্ণ নিরাপদ জীবন ছেড়ে বিপদকে বরণ করে নিয়েছে। তাদেরকে পরিবার ছাড়তে হয়েছে, সমাজ ছাড়তে হয়েছে, দুনিয়ার ধনসম্পদকে পায়ের তলায় পিষেছে। ঈমান ত্যাগ করার জন্য তাদেরকে অনেকভাবেই প্রলুব্ধ করা হয়েছে। প্রথমে লোভ লালসা দেখিয়ে। তাতে কাজ না হলে, বন্দি করেছে, হত্যার ভয় দেখিয়েছে। কিন্তু কোনকিছুই তাদের টলাতে পারেনি। পার্থিব জীবনের যাবতীয় সুখশান্তিকে পরিত্যাগ করে গুহার জীবন বেছে নিয়েছে। দুনিয়ার সব ভোগ বিলাসিতার উপর আল্লাহর ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়েছে। তারা তাদের আকীদাকে মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরেছে।

তাদের এই ত্যাগ ও কোরবানির কী প্রতিদান ছিল? তাদের জন্য আছে সেই সফলতা, যার আশা তারা করতো। জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাত অর্জন। আরেকটি পুরস্কার হলো, আল্লাহ কুরআনে তাদের কথা আলোচনা করেছেন। ঈমান ও তাকওয়ায় পরবর্তীদের জন্য তাদেরকে আদর্শ বানালেন। কেয়ামত পর্যন্ত মুসলিমরা তাদের প্রশংসা সম্বলিত আয়াতগুলো তিলাওয়াত করে যাবে। তারা ইহকাল ও পরকাল উভয় জগতে সম্মানিত হলেন।

01/12/2022

তোমার ফেসবুকের প্রোফাইল পিক এবং কভার ফটো দেখে আমি রীতিমতো আঁতকে উঠেছি। একজন ইহুদীর ছবি তোমার প্রোফাইল পিকচারে। তাও আবার যে নৈতিকভাবে চরম অধপতিত। যে দাজ্জালের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। আল্লাহ বলেছেন, মুমিনগন যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কেন কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কেন সম্পর্ক থাকবে না। (সুরা আলে ইমরান-২৮)
হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না। (সুরা মায়েদা-৫১)
তুমি একজন হাফেজ। আলেম হওয়ার পথে আছো। কিংবা তুমি একজন সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণ। তোমার মাঝে অপার সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। তোমার সময়গুলো অনেক মূল্যবান। প্রতিটা মুহূর্তে তুমি নিজেকে এগিয়ে নিতে পার। একেকটা মুহূর্ত তুমি নষ্ট করবে, আর তুমি তোমার লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে পড়বে। দূরে সরে যাবে। একজন মুসলিম হিসেবেও তো এটা তোমার আত্মমর্যাদাবোধে আঘাত করার কথা। অথচ তোমার এটাকে কোন সমস্যাই মনে হচ্ছে না। আমাদেরকে কি এই সব খেলতামাশার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে? সময়ের এমন অপচয় আমাদের থেকে কীভাবে শোভা পায়? বলো তোমার সময়গুলো এতই সস্তা? তোমার কথাগুলো কি এতই মূল্যহীন? নিছক কথা বলার জন্যই কি তোমার কথা বলা? ওরা খেলায় জিতলে আমাদের লাভ কী? হারলে আমাদের ক্ষতি কী? তাদেরকে ভালবাসলে, তাদের জন্য ঝগড়া করলে, এর কোন বিনিময় কি তারা তোমাকে আমাকে দিবে?
আশা করব, তুমি আমার কথাগুলো গুরুত্ব সহকারে নিবে। এই ভ্রান্ত পথ থেকে নিজেকে ফিরিয়ে আনবে। তোমার প্রতি আমার যে সুধারণা, তাতে তুমি আমাকে নিরাশ করবে না। চিন্তা করে দেখো, এই খেলার নেশা, এগুলো নিয়ে মাতামাতি তোমার মধ্যে জন্ম থেকে ছিল না। ফিতরীভাবে মানুষ এগুলো থেকে পবিত্র থাকে। এমনকী অমুসলিমদের সন্তানরাও জন্মগতভাবে ইসলামের উপর থাকে। বাবা মা তাদেরকে সে ধর্মে দীক্ষিত করে। এই খেলাধুলার নেশাও মানুষ নিজের মধ্যে সৃষ্টি করে থাকে। এগুলো এমনি এমনি হয় না। মানুষের পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে মানুষ এগুলোতে জড়িয়ে পড়ে। নেশাজাতীয় দ্রব্য যে মানুষ সেবন করে থাকে, আর ছাড়তে পারে না, তা তার নিজের হাতের কামাই।
আজকে মুসলিম উম্মাহ কেমন দুরবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা নিশ্চয় কারো অজানা নয়। এর কারণ কী জানো? কেন মুসলিমরা এখনো কাফেরদের আধিপত্যের শিকার হয়ে আছে? সবজায়গায় মার খেয়ে যাচ্ছে? কারণ মুসলিমরা তাদের কর্ম থেকে গাফেল হয়ে আছে। তাদের কী করা দরকার? এই লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার খেলাধুলার আয়োজন কী এমনি এমনি? একজন ফুটবলার; সে একটা গোলাকার বস্তুতে সুন্দর করে লাথি দিতে পারে, এর কারণে সে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বেতন গ্রহণ করে। লাথি তো আমিও দিতে পারি, কই আমাকে আর তোমাকে তো দেওয়া হয় না। হয়তো আমার এই কথায় তুমি হেসে দিবে। তুমি সুন্দর সুন্দর যুক্তি উপস্থাপন করবে। এটা একটা শিল্প বা এটা একটা যোগ্যতা, এটা অমুক এটা তমুক। তোমার যুক্তিটা ঠিক আছে। মানলাম তুমি বিষয়টা খুব ভালো বুঝো। তোমার কাছে আমাকে মুর্খ বলে মনে হবে। আমাকে উপহাস করে বলবে, যেটা জানেন না, সেটা নিয়ে কথা বলবেন না। কিন্তু পর্দার অন্তরালে আরেকটা বিষয় কি তুমি জান? কেন খেলার পিছনে পুঁজিবাদীরা এত টাকা ঢালে? এই উদ্ধৃতিটা দেখো,
“মানুষকে নিয়ন্ত্রণের জন্য শরীরের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল তার চিন্তার ওপর কবজা। এই চিন্তাকে নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য রোমের রাজনীতিবিদরা বের করেছিল চমৎকার এক বুদ্ধি। জাকজমকপূর্ণ বিশাল সব স্পোর্টিং ইভেন্টস। কোন অসন্তোষ দেখা দিলেই নতুন কোন উত্তেজক ইভেন্ট হাজির করতো শাসকেরা। উদ্দেশ্য – গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো থেকে মানুষের মনোযোগ সরিয়ে রাখা, সহজলভ্য বিনোদনের বন্যায় অনুভূতিগুলোকে অবশ করে দেয়া। গ্ল্যাডিয়েটর টুর্নামেন্ট, চ্যারিয়ট রেইসিং, ড্যামনেশিও অ্যাড বিসটিয়াস - বিশ্বকাপ, লা লিগা, ফর্মুলা ওয়ান, টি-টোয়েন্টি, ইউএফসি। ব্রেড অ্যান্ড সার্কাসেস”
হ্যাঁ এটাই হলো কারণ, কেন তারা খেলাধুলার পিছনে এত টাকা ব্যয় করে? তারা চায় আমাদেরকে দাস বানিয়ে রাখতে। আমরা যেন অন্য কোন চিন্তা করার সময় না পাই। তারা চায় গুরুত্বপূর্ণ কাজ থেকে আমাদের মনোযোগ সরিয়ে অন্যদিকে প্রবাহিত করতে। মুসলিম উম্মাহ অনেক আবেগী একটা জাতি। তাদের রক্ত পবিত্র, তাদের জীবন যাত্রা পবিত্র। তাদের চলাফেরা উন্নত। তাদের বংশধারা সংরক্ষিত সম্মানিত। তারা শরীরে এক ফোটা নাপাকী প্রবেশ করতে দেয় না। এজন্য তাদের মনোবল উন্নত। চারিত্রিকভাবে তারা দৃঢ়। মুসলিম সমাজ কোনপ্রকার অন্যায় অশ্লীলতাকে প্রশ্রয় দেয় না। এসবের প্রতি টলারেট দেখায় না। যতই রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদেরকে দমন পীড়ন করে ফাহেশাকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হোক, তারা নিজনিজ পরিমণ্ডলে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকে। কুফফাররা তাদের এই বিষয়গুলোকে ভয় করে। যদি উম্মাহ তার আবেগ ও চেতনাকে সঠিক খাতে ব্যয় করতে পারে। নিজেদের লক্ষ্যকে চিনে নিতে পারে, তাহলে এই কুফরী বিশ্বব্যবস্থার পতন অনিবার্য। তারা ভীতসন্ত্রস্ত থাকে, যদি মাত্র কয়েক হাজার ছাত্র তাদের জোট বাহিনীকে এমন নাকানীচুবানী খাইয়ে দেশছাড়া করতে পারে, অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দিতে পারে, তাহলে পুরো উম্মাহ জাগ্রত হলে না জানি কি অবস্থা হয়? তারা কখনো চায় না, মুসলিম উম্মাহ তার পথ চিনে নিক। তারা জানে মুসলিমরা সামগ্রিকভাবে মদ গ্রহণ করবে না। যিনায় জড়িয়ে পড়বে না। তাই তারা এই খেলাধুলাকে এমন হাইলাইট করছে। মিডিয়া ট্রায়াল দিয়ে একে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। সর্বশ্রেণীর মাঝে তা সুকৌশলে ছড়িয়ে দিয়েছে।
আচ্ছা ভাই আমার! যদি আজকে তোমার বোনকে কেউ তুলে নিয়ে যায়, তোমার মা বাবা, পরিবার পরিজনকে ড্রোন হামলা করে হত্যা করা হয়, তুমি কি তোমার দলের বিজয়ে আনন্দ করতে পারবে? পাগল না হলে কখনো পারবে না। তাহলে প্রতিদিন আমাদের কত হাজারো মা বোন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, কত বাবা, ভাই, সন্তান শহীদ হচ্ছে, তা কি তুমি সংবাদ মাধ্যমে দেখো না? আজ উম্মাহর কত হাজার সম্ভাবনাময় যুবক, বৃদ্ধ, আলেম, শিক্ষিত সদস্য কা@ফে৳রদের জিন্দানখানায় বন্দি জীবন পার করছে? মুসলিম ভুখন্ডগুলো আজ জ্বলছে। আমার তোমার সবার ভালোবাসা, নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অবমাননা করা হচ্ছে। যিনি আমাদের জন্য কেঁদেছেন, আমাদেরকে ভালোবেসেছেন। আমাদের সাথে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সেই নবী আজ শত্রুদের আক্রমণের শিকার! আমার তোমার রব, যিনি আমাদেরকে ভালবাসেন। না চাইতেই অসংখ্য নেয়ামতে ডুবিয়ে রেখেছেন। আমাদের ভালোর জন্য, কল্যাণের জন্য শরীয়ত দিয়েছেন, তার শরীয়ত আজ লংঘন করা হচ্ছে। মুসলিম ভূমিগুলো আজ আমার রবের শরীয়তবিরোধী আইন দ্বারা শাসিত হচ্ছে। ভাই আমার! এগুলো কি তোমার রক্তে আলোড়ন তুলে না? তোমার রক্তে আগুন জালিয়ে দেয় না? তোমার রক্ত কি সত্যিই শীতল হয়ে গেছে? প্রিয় ভাই আমার! একটু চিন্তা করো, চিন্তা করার জন্যই আমাদের রব, এই বিবেকটা দিয়েছেন। এটার মাধ্যমেই তো আমাদের আর চতুষ্পদ জন্তুর মাঝে পার্থক্য তৈরি হয়। প্লিজ নিজের আত্মাটাকে মেরে ফেলো না। পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই একে বাঁচিয়ে তোলো! প্লিজ প্লিজ! ভাই হিসেবে তোমার কাছে এটা আমার অনুরোধ। তুমি শুধু একটু চিন্তা করো, একটু ভাব!

19/09/2022

প্রতিমা সংহারী বনাম প্রতিমা রক্ষকঃ
তিনি মূর্তিগুলো ভেঙ্গে ফেললেন। হৈ চৈ পড়ে গেল। কে করল এটা? একজন বলল, এক যুবকের কথা শুনেছি, সে এগুলোর সমালোচনা করত। তাকে ধরে নিয়ে আসো। তারপর অনেক তর্কবিতর্ক হলো। প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তাকে আগুনে নিক্ষেপ করা হলো। আল্লাহ তাকে রক্ষা করলেন। তিনি হলেন জাতির পিতা ইবরাহীম আলাইহিস সালাম।
হে নুহ তুমি কি থামবে? আমাদের দেবতাদের সমালোচনা করা থামাবে, নাকি তোমাকে আমরা প্রস্তরাঘাতে হত্যা করব? নুহ আলাইহিস সালামের প্রতি এটা ছিল প্রতিমাপূজারীদের স্পষ্ট হুমকী। একই রকমের হুমকী শুয়াইব আলাইহিস সালামকেও দেওয়া হয়েছিল।
তারা বলল, হে হুদ, তুমি আমাদের কাছে কোন প্রমাণ নিয়ে আস নাই, আমরা তোমার কথায় আমাদের দেব-দেবীদের বর্জন করতে পারি না বরং আমরা বলি যে, আমাদের কোন দেবতা তোমার উপরে শোচনীয় ভূত চাপিয়ে দিয়েছে। এটা ছিল হুদ আলাইহিস সালামের অন্ধ প্রতিমা পূজারীদের অভিব্যক্তি। জবাবে হুদ আলাইহিস সালাম বললেন, আমি আল্লাহকে সাক্ষী করে বলছি, তোমাদের মিথ্যা উপাস্যগুলোর সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।
লুত আলাইহিস সালামের জাতি বলল, বের করে দাও এদের তোমাদের দেশ থেকে। এরা বেশি সাধু থাকতে চায়, এরা পবিত্র থাকতে চায়।
ফেরাউনের সম্প্রদায়ের র্সদাররা উস্কানি দিল, তুমি কি এমনি ছেড়ে দেবে মূসা ও তার সম্প্রদায়কে। দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য এবং তোমাকে ও তোমার দেব-দেবীকে বাতিল করে দেবার জন্য? সে বলল, আমি এখনি হত্যা করব তাদের পুত্র সন্তানদের আর জীবিত রাখব মেয়েদেরকে। আমরা তাদের উপর ক্ষমতাবান।
অন্য একসময়, ফেরাউন ক্রোধ নিয়ে বলেছিল, আমি মূসাকে হত্যা করব। কারণ আমি আশংকা করি যে, সে তোমাদের ধর্ম পরিবর্তন করে দেবে অথবা সে দেশময় বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।
এটা ছিল একজন বিপর্যয়সৃষ্টিকারীর কথা, যে অন্যের বিপর্যয় প্রতিরোধ করতে ইচ্ছুক।
উহুদ যুদ্ধের সমাপ্তির পর কুফাফারদের শিবির থেকে স্লোগান উঠল, হুবালের জয় হোক, আমাদের হুবাল আছে, তোমাদের কোন হুবাল নেই। মুসলিমরা দৃঢ়কণ্ঠে উত্তর দিলেন, আল্লাহ আমাদের অভিভাবক, তোমাদের কোন অভিভাবক নেই।
এরকম প্রতিটা যুগেই প্রতিমা সংহারী ও প্রতিমা রক্ষকদের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। প্রতিমা বিরোধী ও প্রতিমা পুজারীদের এই লড়াই চিরন্তন। তার নাম যেমনই হোক না কেন! এর নাম কখনো ছিল, ওয়াদ, সুআ, ইয়াগুস, কখনো ছিল লাত, উজ্জা, হুবাল। আধুনিক যুগে এর নাম গণতন্ত্র, লিবারেলিজম, হিউম্যানিজম, সেক্যুলারিজম আরো কত অগণিত নাম। নাম ভিন্ন হলেও প্রতিটার কাজ একই। এখনও এই মিথ্যা ইলাহগুলোর বিরোধিতা করলে বোমার আঘাতে শেষ করে দেওয়া হয়। অবরোধ আরোপ করা হয়। হুমকী দেওয়া, আমরা তোমাদের হাত ভেঙ্গে দেব, ঘাড় ভেঙ্গে দেব। পূর্বের পূজারীদের চেয়ে এদের কোন পার্থক্য নেই, এরাও বলে, পাকিস্তানে চলে যাও, আ/ফ/গা/নি/স্থানে চলে যাও। এখনো বলা হয়, আল্লাহর শরীয়তের কথা বললে উম্মাহর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কারারুদ্ধ করা হয়, ফেরাউন যেমন বলেছিল, তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্যকে উপাস্যরূপে গ্রহণ কর তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারাগারে নিক্ষেপ করব। উস্কানি দিয়ে বলা হয়, সরকার কি এখনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে না? ফুড পান্ডারা এখন কোথায় গেল?
ওয়াদ, সুআ শয়তানের সৃষ্টি কিছু প্রতিমা। যার উপাসনা তাদের নিকট শোভনীয় করে তুলেছিল। একারণে তারা মনের অজান্তেই তার পূজায় লিপ্ত হয়ে গিয়েছিল। শয়তানের চক্রান্ত ধরতে পারেনি। মুসলিম উম্মাহকে পথভ্রষ্ট করার জন্যও শয়তান এমন কিছু মূর্তি তৈরি করেছিল, গণতন্ত্র, সাম্যবাদ, মানবতা, স্বাধীনতা নাম দিয়ে। এগুলোর চটকদার বুলি শুনে এই উম্মাহ অনেক দিন ঘোরের মধ্যে ছিল। কিন্তু এখন উম্মাহ শয়তান ও তার চেলাচামুন্ডাদের ধোকা ধরে ফেলেছে। তাই তারা জাগ্রত হতে শুরু করেছে। প্রতিবাদ করতে শুরু করেছে। তারা বলতে শুরু করেছে ইবরাহীম আলাইহিস সালাম ও তার অনুসারীদের মতো, তোমাদের সাথে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার এবাদত কর, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। আমরা তোমাদের মানি না। তোমরা এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করলে তোমাদের মধ্যে ও আমাদের মধ্যে চিরশত্রুতা থাকবে। জাতিয়তাবাদের মতো নিকৃষ্ট মতবাদকে ছুড়ে ফেলে উম্মাহ আজকে তার ভাইয়ের জন্য আওয়াজ উঠাতে শিখেছে। সংঘাত এখন চূড়ান্ত ধাপের দিকে যাচ্ছে। মূর্তি রক্ষকরা আজ শংকিত। যেকোন মূল্যে তারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে চায়। ফলে তারা তাড়াহুড়া করে নিজেদের অতি দ্রুত ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। জাহিদের মতো আরো অগণিত মূর্তি সংহারীর জন্ম হোক এই কামনা করি।

27/08/2022

কুরআন থেকে শিক্ষাঃ

সুরা আলে ইমরানে উহুদ যুদ্ধের ঘটনা আলোচনা করা হয়েছে, আল্লাহ তাআলা যুদ্ধের প্রথম দিকে মুসলিমদের বিজয় দান করেছিলেন। ১৫২ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, আর আল্লাহ সে ওয়াদাকে সত্যে পরিণত করেছেন, যখন তোমরা তাঁরই নির্দেশে ওদের খতম করছিলে। এমনকি যখন তোমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েছে ও কর্তব্য স্থির করার ব্যাপারে বিবাদে লিপ্ত হয়েছে। আর যা তোমরা চাইতে তা দেখার পর কৃতঘ্নতা প্রদর্শন করেছ, তাতে তোমাদের কারো কাম্য ছিল দুনিয়া আর কারো বা কাম্য ছিল আখেরাত। অতঃপর তোমাদিগকে সরিয়ে দিলেন ওদের উপর থেকে যাতে তোমাদিগকে পরীক্ষা করেন। বস্তুতঃ তিনি তোমাদিগকে ক্ষমা করেছেন। আর আল্লাহর মুমিনদের প্রতি অনুগ্রহশীল।
অর্থাৎ আল্লাহ মুসলিমদের বিজয়ের ফয়সালা করে রেখেছিলেন। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা বিজয়ের শর্তগুলো পূরণ করে যাচ্ছিলেন, আল্লাহর সাহায্য অব্যাহত ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রজ্ঞাপূর্ণ সেনা বিন্যাসের বিপরীতে কাফেররা তাদের কোন কৌশলই প্রয়োগ করতে পারছিল না। তারা একবার উহুদ পাহাড়ের গিরপথের দিক থেকে আক্রমন করার চেষ্টা করল, যেখানে ৫০জন তিরন্দাজ মোতায়েন করা ছিল। তিরন্দাজদের প্রতিরোধে তারা পিছু হটতে বাধ্য হলো। উপরন্তু আলী, হামজা ও আবু দুজানা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম এমনভাবে আক্রমণ শুরু করেছিলেন, কাফেরদের কাতারের পর কাতার সাফ করে দিচ্ছিলেন। কাফেররা দিশেহারা হয়ে পলায়ন করতে লাগল। কাফেরদের উৎসাহ দিতে আসা নারীরা এমনভাবে পালাতে শুরু করল, তাদের পায়ের গোছা উন্মুক্ত হয়ে গেল। বিজয়ের আভাস দেখে গিরিপথে মোতায়েনকৃত তিরন্দাজদের অধিকাংশ স্থান ত্যাগ করল। এর ফলে বিজয় সাময়িক পরাজয়ে রুপান্তরিত হলো। মুসলিমদের সত্তরজন শহীদ হলেন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ অধিকাংশ সাহাবী আহত হলেন। এরপর মুসলিমরা আবার সংগঠিত হলে কাফেরদের মধ্যে আল্লাহ ভয় ঢেলে দিলেন। মুসলিম বাহিনীতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।
তো এই ঘটনা থেকে আমার মনে একটা চিন্তা এসেছে। সেটাই এখানে উল্লেখ করছি। কখনো আমাদের জীবনে এমন অবস্থা কি এসেছে, আমাদের একটা কাজ খুব সহজে এগিয়ে যাচ্ছে। সবকিছু খুব সহজ মনে হচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ এমন একটা অবস্থা সামনে চলে আসে, সবকিছু উলটপালট হয়ে যায়। এর কারণ কী? নিশ্চয় এখানে আমাদের কোন ভুল আছে। হয়তো আমাদের দ্বারা এমন কোন গুনাহ হয়ে যায়, যার কারণে আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা নেমে আসে। কাজটি আটকে যায়, সবকিছু অনুকূলে থাকার পরও। এটার কারণ হলো, আল্লাহ তার বান্দাদের অনেক ভালোবাসেন। তিনি চান বান্দাদের পাক সাফ করতে। তিনি চান আমরা আমাদের ভুলটাকে সংশোধন করে নিই। বিজয়ের শর্তগুলো পূরণ করি। এজন্য যেকোন সমস্যায় বা বিপদে আমাদের দেখতে হবে, আমরা কি বড়ধরণের কোন ভুল কিংবা গুনাহ করে ফেলেছি কিনা? নিজেদের ভুলগুলো খুঁজে বের করতে হবে। তারপর সংশোধন করে নিতে হবে। সুরা শুরার মধ্যে আল্লাহ বলেন,
وَمَا أَصَابَكُم مِّن مُّصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَن كَثِيرٍ
তোমাদের উপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গোনাহ ক্ষমা করে দেন।
এজন্য আসমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার মাথা ব্যথা হলে বলতেন, নিশ্চয় এটা আমার গুনাহের ফল। আর আল্লাহ এর অনেকগুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন।
সুতরাং আমরা যদি নিজেদের সংশোধন করে নিই তাহলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আমাদের সাহায্য করবেন।
গুনাহ হয়ে গেলেও কারো নিরাশ হওয়া উচিত না। বরং তাওবা করে নিবে। মানুষ মাত্রই ভুল করে। আর শয়তান চায়, সে যেন ভুলের উপর অটল থাকে। কিন্তু আল্লাহ বান্দার জন্য তাওবার সুযোগ রেখেছেন। বান্দা যদি খাটিমনে তাওবা করে, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে এমন হয়, সে গুনাহের আগের অবস্থার চেয়েও তাওবার পরে অধিক অগ্রগামী হয়ে গেছে। আগের চেয়েও অধিক মর্যাদাশীল হয়ে গেছে। নবীদের থেকে গুনাহ সংঘটিত হয় না। কিন্তু তাদের থেকে কিছু ভুল হয়ে যায়। দাউদ আলাইহিস সালামকে আল্লাহ পরীক্ষা করেছিলেন, তিনি তার ভুল বুঝতে পারার পর সাথে সাথে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলেন তাঁর দরবারে সিজদায় পড়ে গেলেন। এরপর আল্লাহ কী বললেন? আল্লাহ বললেন, ‘নিশ্চয় আমার কাছে তার জন্যে রয়েছে উচ্চ মর্তবা ও সুন্দর আবাসস্থল’ তেমনি সুলাইমান আলাইহিস সালামের সামনে একবার উৎকৃষ্ট কিছু ঘোড়া নিয়ে আসা হলো, তিনি সেগুলো দেখতে দেখতে আসরের সালাত কাযা হয়ে গেল। তিনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলেন। শুধু তাই না তিনি এমন এক রাজত্ব চাইলেন, যে রাজত্ব আর কারো হবে না। আল্লাহ তো তাকে ক্ষমা করলেনই, সেই সাথে বাতাস, জিন, শয়তান এইসব কিছুকে তাঁর অনুগত করে দিলেন।
তাই আমরা গুনাহ হয়ে গেলে কখনো নিরাশ হবো না। আল্লাহর কাছে ফিরে আসব। আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করবেন। তিনি আমাদেরকে নেয়ামত দান করবেন। আমাদের মনের আশাগুলো পূরণ করবেন। আর আমাদের প্রকাশ্য শত্রু শয়তান হিংসার আগুনে জ্বলবে। এমনকি তাওবার পরে আমাদের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থা দেখে আফসোস করবে। এবং পরবর্তীতে আমাদেরকে গুনাহে লিপ্ত করতেও ভয় পাবে। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন। আমীন।

25/08/2022

তারা এমন কজন যুবক, যারা তাদের রবের প্রতি ঈমান এনেছেঃ

এই ঘোষণা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের। তিনি নিজেই তাদের ঈমানের স্বীকৃতি দিচ্ছেন। এটা সাধারণ ব্যাপার নয়। ঈমানের কয়েকটা স্তর আছে। মানুষ সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করে। ধীরে ধীরে তা অন্তরে প্রবেশ করে। এজন্য বেদুইনরা যখন নিজেদের ঈমানের দাবি করল, তখন আল্লাহ বললেন, তোমরা ঈমান গ্রহণ করনি। বরং তোমরা বলবে, আমরা ইসলাম গ্রহণ করলাম। এখনো ঈমান তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করেনি।

এই যুবকরা সমাজে সম্মানিত শ্রেণীর মানুষ ছিল। সমাজে তাদের অনেক প্রতিপত্তি ছিল। কিন্তু আল্লাহর দ্বীনের সামনে সে গুলো তুচ্ছ প্রমাণ করেছে তারা। তারা চাইলেই আরামের জীবন যাপন করতে পারত। নিশ্চয়তাপূর্ণ নিরাপদ জীবন ছেড়ে বিপদকে বরণ করে নিয়েছে। পরিবার ছাড়তে হয়েছে, সমাজ ছাড়তে হয়েছে, ধনসম্পদের হাতছানিকে তুচ্ছ জ্ঞান করেছে। ঈমান ত্যাগ করার জন্য তাদেরকে অনেকভাবেই প্রলুব্ধ করা হয়েছে। প্রথমে লোভ লালসা দেখিয়ে। তাতে কাজ না হলে, বন্দি করেছে, হত্যার ভয় দেখিয়েছে। কিন্তু কোনকিছুই তাদের টলাতে পারেনি। গুহার জীবন বেছে নিলেন। দুনিয়ার সব ভোগ বিলাসিতার উপর আল্লাহর ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিলেন।

তাদের এই ত্যাগ কোরবানির প্রতিদান হিসেবে আল্লাহ কুরআনে তাদের উল্লেখ করেছেন। কেয়ামত পর্যন্ত মুসলিমরা তাদের গুণ বর্ণনা সম্বলিত আয়াতগুলো তিলাওয়াত করে যাবে। এভাবেই তারা ইহকাল ও পরকাল উভয় জগতে সম্মানিত হলেন।

এমন যুবক প্রতিটি যুগেই ছিলেন। যারা আল্লাহর প্রেমে নিজেদের উৎসর্গ করলেন। সাইয়িদুনা সালিহ আলাইহিস সালাম। তিনি যখন দ্বীনের দাওয়াত দেওয়া শুরু করলেন, তার সম্প্রদায় আক্ষেপের সাথে বলা শুরু করল, হে সালিহ্‌! তুমি তো আমাদের কাছে এর আগে ছিলে আশা-ভরসার পাত্র। তুমি কি আমাদের পিতৃপুরুষরা যাদের উপাসনা করত তাদের উপাসনা করতে আমাদের নিষেধ করছ? মানে তারা চেয়েছিল, সালিহ পরবর্তীতে তাদের সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। মানে পূর্বপুরুষ যেসব কল্পিত উপাস্যের পূজা করত, সেগুলো তিনি ধরে রাখবেন। তাদের এই আক্ষেপ ছিল একধরণের ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল। কিন্তু আল্লাহর এই বান্দা সবধরণের চক্রান্তের জাল ছিন্ন করলেন। আল্লাহর দেওয়া নির্দেশ পালন করে গেলেন।

ইবরাহীম আলাইহিস সালাম। মূর্তিগুলো ভেঙ্গে দিলেন। কওমের লোকেরা ফিরে এসে পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করতে লাগল। কে করেছে এই কাজ? কেউ কেউ বলল, আমরা এদের সন্বন্ধে একজন যুবককে সমালোচনা করতে শুনতাম। তার নাম ইব্রাহীম। খেয়াল করে দেখুন, বলা হচ্ছে একজন যুবক। তাঁকে ডেকে নিয়ে আসা হলো, হে ইবরাহীম! তুমি কি আমাদের উপাস্যদের সাথে এমন আচরণ করেছ? তাদের অভিব্যক্তিতে ছিল, প্রচন্ড ক্রোধ। যেন এখনই তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। তারা অপেক্ষায় আছে, ইবরাহীম কী বলে! তারপর তার ব্যবস্থা নিবে। কিন্তু ইবরাহীম আলাইহিস সালাম বিন্দুমাত্র ভড়কালেন না। তড়িঘড়ি করে কিছু বললেন না। ঠান্ডা মাথায় কাজ করলেন। নিজের উপর আসা এই বিপদকেও কাজে লাগালেন। এটাকে দ্বীনের দাওয়াত দেওয়ার মোক্ষম সুযোগে পরিণত করলেন। তাঁর পরিকল্পনাও এটাই ছিল। তাদের প্রশ্নকে তাদের দিকে ছুড়ে দিলেন। তোমাদের মূর্তি সব ধ্বংস হয়ে গেলেও বড়টা তো এখনও আছে। তার হাতে তো একটা কুঠারও দেখা যাচ্ছে। ওকে জিজ্ঞেস করো, দেখো কি বলে?

তাঁর এই পরিকল্পনা কিন্তু সফল হয়েই গিয়েছিল। পূজারীদের মধ্যে ভাবান্তর ঘটে গেল। পূর্বের সেই যুদ্ধাংদেহি মনোভাব অনেকটা কমে গেল। তারা আগের চেয়ে নমনীয় হয়ে গেল। তাদের অনেকেই চিন্তা করা শুরু করল, আসলেই তো, এরা যদি আমাদের উপাস্যই হবে, তাহলে নিজেকে রক্ষা করতে পারল না কেন? কিন্তু তারা বেশিক্ষণ চিন্তা করার সময় পেল না। সমাজে সবসময় কিছু মানুষ এমন থাকে যারা রসকষহীন। তারা সঠিক স্থানে চিন্তা করতে পারে না। বিষয়ের শাখা প্রশাখা নিয়ে পড়ে থাকে। যেকোন কথাকে পজিটিভ জায়গা থেকে চিন্তা না করে শুরুতেই নেগেটিভ দিক সামনে নিয়ে এসে মানুষের উদ্যমতা নষ্ট করে দেয়। মানুষকে অনুৎসাহিত করে। এগুলো করে তারা নিজেদেরকে স্মার্ট মনে করে।

একদল লোক বলে উঠল, ইবরাহীম! তুমি তো জান, তারা কথা বলতে পারে না। ইবরাহীম আলাইহিস সালাম দেখলেন, তার লক্ষ্য পূরণ হতে গিয়েও পূরণ হয়নি। তারা এখন আর নিজেরা চিন্তাভাবনা করতে প্রস্তুত নয়। তাই তিনি নিজেই তাদের দেখিয়ে দিতে চাইলেন, তারা একটু আগে মনে মনে যা ভাবছিল, এবার তিনি তা বলা শুরু করলেন, তোমরা কি তবে আল্লাহ্‌কে ছেড়ে দিয়ে এমন কিছুর উপাসনা কর যা তোমাদের কোনো উপকার করতে পারে না আর তোমাদের অপকারও করে না? ধিক্ তোমাদের প্রতি এবং আল্লাহ্‌কে বাদ দিয়ে তোমরা যাদের উপাসনা কর তাদেরও প্রতি! তোমরা কি তবুও বুঝবে না? আবার ঐ হতভাগা শ্রেণীটি এগিয়ে এলো, অন্যদের কিছু বলার সুযোগ দিল না। তারা সম্প্রদায়ের ইমোশনের জায়গায় হাত দিলো। যাতে সবাই প্রতিশোধের নেশায় পাগল হয়ে যায়, বলল, তাকে পুড়িয়ে ফেলো, এবং তোমাদের দেবতাদের সাহায্য করো যদি তোমরা কিছু করতে চাও।

তারপরের ঘটনা আরো হৃদয়বিদারক। ইবরাহীম আলাইহিস সালাম যার সম্মুখীন হলেন! তিনি কখনো ভাবতে পেরেছিলেন, আপন জন্মদাতা পিতা তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করার জন্য এগিয়ে আসবে? তখন তার অন্তরের অবস্থা কেমন হয়েছিল! কতটা কষ্ট পেয়েছিলেন তিনি! কিন্তু তিনি টলেন নি। ভেঙ্গে পড়েননি। তাঁর হিম্মত ছিল উচ্চ। রবের প্রতি আকাঙ্খা, ভালোবাসায় তাঁর হৃদয়টা টইটম্বুর ছিল। তিনি আল্লাহর পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হলেন। আল্লাহ তাঁর প্রতিদান দিয়েছেন। তাঁকে রক্ষা করলেন, তাঁর জন্য আগুনকে শান্তিময় করে দিলেন। পরবর্তীতে তাঁকে আরো কঠিন কিছু পরীক্ষা দিতে হয়েছিল। পুরস্কার স্বরূপ আল্লাহ তাঁকে আপন খলিল হিসেবে গ্রহণ করলেন। তাঁর আদর্শকে কেয়ামত পর্যন্ত আগত সমস্ত উম্মতের জন্য অনুসরণীয় বানালেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Mohammadpur
Dhaka
1207