02/11/2022
সূরা কাহাফে আল্লাহ তাআলা হযরত মূসা আ. ও হযরত খাযির আ.-এর ঘটনা উল্লেখ করে আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন যে, একজন অনেক উঁচু মর্যাদার নবীও ইলম ও হিকমত শিক্ষার জন্য অনেক কষ্ট স্বীকার করেছেন এবং আরেকজনের পিছে পিছে ঘুরেছেন। কুরআনে বর্ণিত হয়েছে হযরত মূসা আ. খাযির আ.-কে বললেন-
هَلْ اَتَّبِعُكَ عَلٰۤی اَنْ تُعَلِّمَنِ مِمَّا عُلِّمْتَ رُشْدًا.
আমি কি তোমার অনুসরণ করব এই মর্মে যে, তুমি আমাকে হেদায়েতের বাণী শেখাবে, যা তোমাকে শেখানো হয়েছে। -সূরা কাহাফ (১৮)
হযরত মূসা ও খাযির আ.-এর ঘটনা সবিস্তারে কুরআনে কারিমে সূরা কাহাফের শেষে উল্লেখ আছে। সেখানে একজন ইলম অন্বেষণকারীর জন্য বহু শিক্ষা বিদ্যমান রয়েছে।
কুরআনে কারীমের এক আয়াতে আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীকে দুআ শিখিয়েছেন-
رَبِّ زِدْنِیْ عِلْمًا.
হে আমার প্রভু, আমার ইলম বৃদ্ধি করে দাও। -সূরা ত্ব-হা (২০)
আল্লাহ তায়ালা আমাদের ইলমেদ্বীন শিক্ষা করার তাওফিক দান করুন আমীন।
❤️এসো কুরআন শিখি
কুরআন পড়ি❤️
সকল পেসার,সকল বয়সী ভাই ও বোনদের কুরআন শিক্ষা দেওয়া হয়।
কুরআন শিক্ষার জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের এই নাম্বারে
+8801978405060
WhatsApp, Imo & Zoom
ক্লাস নেওয়া হয়।
অথবা মেসেজ করুন আমাদের এই পেজে।
31/10/2022
হাদীসের ভাষ্যমতে দুআই ইবাদত।দুআ ইবাদতের মগজ।দুআ করা।দুআ পাওয়া। দুআ করতে পারা।আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার জন্য কেউ দুআ করা।বড় সৌভাগ্যের বিষয়।দুআ কখনো বিফলে যায়না।হয় নগদে প্রতিফলন ঘটে।না হয় আখেরাতের জন্য জমা থাকে।অথবা আমি যেটা চেয়েছিলাম সেটা আমার রবের দৃষ্টিতে আমার জন্য কল্যাণজনক নয় বিধায় মন্জুর হয়নি। এটাও দুআ কবুলের ই প্রমাণ। আল্লাহ জীবনের সকল নেক দুআ কবুল করেন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের বেশি বেশি দুআ করার তাওফীক দেন আমীন।
10/10/2022
إِنَّ هَذَا الْقُرْآَنَ يَهْدِي لِلَّتِي هِيَ أَقْوَمُ وَيُبَشِّرُ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا كَبِيرًا (৯) وَأَنَّ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِالْآَخِرَةِ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا
“নিশ্চয় এ কুরআন এমন একটি পথ দেখায় যা সবচেয়ে সরল এবং যে মুমিনগণ নেক আমল করে তাদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার। আর যারা আখিরাতে ঈমান রাখে না আমি তাদের জন্য প্রস্তুত করেছি যন্ত্রণাদায়ক আযাব।” (সূরা বনি ইসরাইল- ৯-১০)
01/10/2022
اِنَّ الصَّلٰوةَ تَنْهٰى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ-
অর্থাৎ- নিশ্চয়ই নামায মানুষকে অশ্লীল ও ঘৃণিত কাজ থেকে বিরত রাখে। সূরা: আনকাবূত, আয়াত-৪৫
*নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়ালা আমাদের নিকট নামাজের হিসাব নিবেন।*
কুরআন শিক্ষার গুরুত্ব
১. কুরআন শিক্ষা ফরয :
প্রত্যেক মুসলিমকে কুরআন পড়া জানতে হবে। যে নিজেকে মুসলিম হিসাবে দাবী করবে তাকে অবশ্যই কুরআন শিক্ষা করতে হবে। কুরআন শিক্ষা করা এতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, আল্লাহ তা‘আলা কুরআন শিক্ষা করা ফরয করে দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ ٱقۡرَأۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلَّذِي خَلَقَ ١ ﴾ [العلق: ١]
অর্থ: ‘পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন’
[সূরা আলাক : ১]।
কুরআন শিক্ষায় কোন প্রকার অবহেলা করা যাবে না। উম্মাতকে কুরআন শিক্ষার নির্দেশ দিয়ে ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
«تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ ، وَاتْلُوهُ»
অর্থ:‘তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তিলাওয়াত কর’
[মুসান্নাফ ইবন আবী শাইবাহ:৮৫৭২]।
কুরআন পাঠের ফজিলত
কুরআন থেকে দূরে সরে যাওয়া কোনো মুমিন মুসলমানেরই উচিত নয়। কেননা এ কুরআনের তিলাওয়াতই মানুষকে উত্তম জীবনযাপনের দিকে ধাবিত করে। পরকালের সীমাহীন নেয়ামত লাভে উদ্বুদ্ধ করে। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের ইমান বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আর যখনই মানুষের ইমান বেড়ে যায়, তখনই মানুষ দুনিয়া ও পরকালের জন্য নিজেকে সাজাতে সহজ হয়।
# মহান আল্লাহ্তায়ালা বলেছেন, ‘অবশ্যই তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও সুস্পষ্ট কিতাব এসেছে। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে চায়, এ (জ্যোতির্ময় কুরআন) দ্বারা তিনি তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ অনুমতিক্রমে তাদের (কুফরিকে) অন্ধকার থেকে বের করে (ইমানের) আলোর দিকে নিয়ে যান এবং তাদের সরল পথে পরিচালিত করেন’ (মায়িদা-১৬)
কুরআন সুপারিশকারী হবে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমরা কুরআন তেলাওয়াত কর। কেননা কেয়ামতের দিন কুরআন তার তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশকারী হবে।’ (মুসলিম)- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, ‘কেয়ামত দিন সিয়াম ও কুরআন বান্দার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে।’ (মুসনাদে আহমদ, মুসতাদরেকে হাকেম)
আপনারা যারা দেশের বাহিরে আছেন ব্যস্ততার কারনে ও কুরআনের পরিবেশ নাথাকার কারনে কুরআন থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছেন। তাই আমাদের এই ছোট প্রচেষ্টা আপনাদের জন্য।
এই পবিত্র কুরআন সহজ থেকে সহজ ভাবে পড়ানোর জন্য আমরা আছি আপনার পাশে।
জীবন থেকে অনেক সময় চোখের পলকেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই আর দেরি না করে বাকি সময়টুকু কুরআন শিক্ষার পিছনে ব্যয় করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা এর উত্তম প্রতিদান দান করবেন।
কুরআন ও নামাজ শিক্ষার জন্য
যোগাযোগ করুন আমাদের এই নাম্বারে WhatsApp / Imo তে কল করুন।
+880 +880 1978-405060
অথবা আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ দিন
https://www.facebook.com/QuranForEveryoneBD
30/09/2022
اِنَّ الصَّلٰوةَ تَنْهٰى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ-
অর্থাৎ- নিশ্চয়ই নামায মানুষকে অশ্লীল ও ঘৃণিত কাজ থেকে বিরত রাখে। সূরা: আনকাবূত, আয়াত-৪৫
*নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়ালা আমাদের নিকট নামাজের হিসাব নিবেন।*
কুরআন শিক্ষার গুরুত্ব
১. কুরআন শিক্ষা ফরয :
প্রত্যেক মুসলিমকে কুরআন পড়া জানতে হবে। যে নিজেকে মুসলিম হিসাবে দাবী করবে তাকে অবশ্যই কুরআন শিক্ষা করতে হবে। কুরআন শিক্ষা করা এতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, আল্লাহ তা‘আলা কুরআন শিক্ষা করা ফরয করে দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ ٱقۡرَأۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلَّذِي خَلَقَ ١ ﴾ [العلق: ١]
অর্থ: ‘পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন’
[সূরা আলাক : ১]।
কুরআন শিক্ষায় কোন প্রকার অবহেলা করা যাবে না। উম্মাতকে কুরআন শিক্ষার নির্দেশ দিয়ে ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
«تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ ، وَاتْلُوهُ»
অর্থ:‘তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তিলাওয়াত কর’
[মুসান্নাফ ইবন আবী শাইবাহ:৮৫৭২]।
কুরআন পাঠের ফজিলত
কুরআন থেকে দূরে সরে যাওয়া কোনো মুমিন মুসলমানেরই উচিত নয়। কেননা এ কুরআনের তিলাওয়াতই মানুষকে উত্তম জীবনযাপনের দিকে ধাবিত করে। পরকালের সীমাহীন নেয়ামত লাভে উদ্বুদ্ধ করে। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের ইমান বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আর যখনই মানুষের ইমান বেড়ে যায়, তখনই মানুষ দুনিয়া ও পরকালের জন্য নিজেকে সাজাতে সহজ হয়।
# মহান আল্লাহ্তায়ালা বলেছেন, ‘অবশ্যই তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও সুস্পষ্ট কিতাব এসেছে। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে চায়, এ (জ্যোতির্ময় কুরআন) দ্বারা তিনি তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ অনুমতিক্রমে তাদের (কুফরিকে) অন্ধকার থেকে বের করে (ইমানের) আলোর দিকে নিয়ে যান এবং তাদের সরল পথে পরিচালিত করেন’ (মায়িদা-১৬)
কুরআন সুপারিশকারী হবে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমরা কুরআন তেলাওয়াত কর। কেননা কেয়ামতের দিন কুরআন তার তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশকারী হবে।’ (মুসলিম)- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, ‘কেয়ামত দিন সিয়াম ও কুরআন বান্দার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে।’ (মুসনাদে আহমদ, মুসতাদরেকে হাকেম)
আপনারা যারা দেশের বাহিরে আছেন ব্যস্ততার কারনে ও কুরআনের পরিবেশ নাথাকার কারনে কুরআন থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছেন। তাই আমাদের এই ছোট প্রচেষ্টা আপনাদের জন্য।
এই পবিত্র কুরআন সহজ থেকে সহজ ভাবে পড়ানোর জন্য আমরা আছি আপনার পাশে।
জীবন থেকে অনেক সময় চোখের পলকেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই আর দেরি না করে বাকি সময়টুকু কুরআন শিক্ষার পিছনে ব্যয় করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা এর উত্তম প্রতিদান দান করবেন।
কুরআন ও নামাজ শিক্ষার জন্য
যোগাযোগ করুন আমাদের এই নাম্বারে WhatsApp / Imo তে কল করুন।
+880 1978-405060
অথবা আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ দিন
https://www.facebook.com/QuranForEveryoneBD
30/09/2022
قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُوْنَ- الَّذِيْنَ هُمْ فِى صَلَاتِهِمْ خَشِعُوْنَ-
অর্থাৎ- নিশ্চয় মুমিনগণ সফলকাম, যারা নিজেদের নামাযে অন্তরের বিনয় প্রকাশ করে। (সূরাঃ মু‘মিন আয়াত-১-২)
اِنَّ الصَّلٰوةَ تَنْهٰى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ-
অর্থাৎ- নিশ্চয়ই নামায মানুষকে অশ্লীল ও ঘৃণিত কাজ থেকে বিরত রাখে। সূরা: আনকাবূত, আয়াত-৪৫
*নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়ালা আমাদের নিকট নামাজের হিসাব নিবেন।*
কুরআন শিক্ষার গুরুত্ব
১. কুরআন শিক্ষা ফরয :
প্রত্যেক মুসলিমকে কুরআন পড়া জানতে হবে। যে নিজেকে মুসলিম হিসাবে দাবী করবে তাকে অবশ্যই কুরআন শিক্ষা করতে হবে। কুরআন শিক্ষা করা এতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, আল্লাহ তা‘আলা কুরআন শিক্ষা করা ফরয করে দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ ٱقۡرَأۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلَّذِي خَلَقَ ١ ﴾ [العلق: ١]
অর্থ: ‘পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন’
[সূরা আলাক : ১]।
কুরআন পাঠের ফজিলত
কুরআন সুপারিশকারী হবে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমরা কুরআন তেলাওয়াত কর। কেননা কেয়ামতের দিন কুরআন তার তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশকারী হবে।’ (মুসলিম)- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, ‘কেয়ামত দিন সিয়াম ও কুরআন বান্দার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে।’ (মুসনাদে আহমদ, মুসতাদরেকে হাকেম)
আপনারা যারা দেশের বাহিরে আছেন ব্যস্ততার কারনে ও কুরআনের পরিবেশ নাথাকার কারনে কুরআন থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছেন। তাই আমাদের এই ছোট প্রচেষ্টা আপনাদের জন্য।
এই পবিত্র কুরআন সহজ থেকে সহজ ভাবে পড়ানোর জন্য আমরা আছি আপনার পাশে।
জীবন থেকে অনেক সময় চোখের পলকেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই আর দেরি না করে বাকি সময়টুকু কুরআন শিক্ষার পিছনে ব্যয় করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা এর উত্তম প্রতিদান দান করবেন।
কুরআন ও নামাজ শিক্ষার জন্য
যোগাযোগ করুন আমাদের এই নাম্বারে WhatsApp / Imo তে কল করুন।
+880 1978-405060
অথবা আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ দিন
https://www.facebook.com/QuranForEveryoneBD
29/09/2022
اِنَّ الصَّلٰوةَ تَنْهٰى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ-
অর্থাৎ- নিশ্চয়ই নামায মানুষকে অশ্লীল ও ঘৃণিত কাজ থেকে বিরত রাখে। সূরা: আনকাবূত, আয়াত-৪৫
*নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়ালা আমাদের নিকট নামাজের হিসাব নিবেন।*
কুরআন শিক্ষার গুরুত্ব
১. কুরআন শিক্ষা ফরয :
প্রত্যেক মুসলিমকে কুরআন পড়া জানতে হবে। যে নিজেকে মুসলিম হিসাবে দাবী করবে তাকে অবশ্যই কুরআন শিক্ষা করতে হবে। কুরআন শিক্ষা করা এতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, আল্লাহ তা‘আলা কুরআন শিক্ষা করা ফরয করে দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ ٱقۡرَأۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلَّذِي خَلَقَ ١ ﴾ [العلق: ١]
অর্থ: ‘পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন’
[সূরা আলাক : ১]।
কুরআন শিক্ষায় কোন প্রকার অবহেলা করা যাবে না। উম্মাতকে কুরআন শিক্ষার নির্দেশ দিয়ে ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
«تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ ، وَاتْلُوهُ»
অর্থ:‘তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তিলাওয়াত কর’
[মুসান্নাফ ইবন আবী শাইবাহ:৮৫৭২]।
কুরআন পাঠের ফজিলত
কুরআন থেকে দূরে সরে যাওয়া কোনো মুমিন মুসলমানেরই উচিত নয়। কেননা এ কুরআনের তিলাওয়াতই মানুষকে উত্তম জীবনযাপনের দিকে ধাবিত করে। পরকালের সীমাহীন নেয়ামত লাভে উদ্বুদ্ধ করে। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের ইমান বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আর যখনই মানুষের ইমান বেড়ে যায়, তখনই মানুষ দুনিয়া ও পরকালের জন্য নিজেকে সাজাতে সহজ হয়।
# মহান আল্লাহ্তায়ালা বলেছেন, ‘অবশ্যই তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও সুস্পষ্ট কিতাব এসেছে। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে চায়, এ (জ্যোতির্ময় কুরআন) দ্বারা তিনি তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ অনুমতিক্রমে তাদের (কুফরিকে) অন্ধকার থেকে বের করে (ইমানের) আলোর দিকে নিয়ে যান এবং তাদের সরল পথে পরিচালিত করেন’ (মায়িদা-১৬)
কুরআন সুপারিশকারী হবে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমরা কুরআন তেলাওয়াত কর। কেননা কেয়ামতের দিন কুরআন তার তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশকারী হবে।’ (মুসলিম)- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, ‘কেয়ামত দিন সিয়াম ও কুরআন বান্দার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে।’ (মুসনাদে আহমদ, মুসতাদরেকে হাকেম)
আপনারা যারা দেশের বাহিরে আছেন ব্যস্ততার কারনে ও কুরআনের পরিবেশ নাথাকার কারনে কুরআন থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছেন। তাই আমাদের এই ছোট প্রচেষ্টা আপনাদের জন্য।
এই পবিত্র কুরআন সহজ থেকে সহজ ভাবে পড়ানোর জন্য আমরা আছি আপনার পাশে।
জীবন থেকে অনেক সময় চোখের পলকেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই আর দেরি না করে বাকি সময়টুকু কুরআন শিক্ষার পিছনে ব্যয় করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা এর উত্তম প্রতিদান দান করবেন।
কুরআন ও নামাজ শিক্ষার জন্য
যোগাযোগ করুন আমাদের এই নাম্বারে WhatsApp / Imo তে কল করুন।
+880 1978-405060
অথবা আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ দিন
https://www.facebook.com/QuranForEveryoneBD
16/09/2022
**কুরআন পাঠের ফজিলত**
কুরআন থেকে দূরে সরে যাওয়া কোনো মুমিন মুসলমানেরই উচিত নয়। কেননা এ কুরআনের তিলাওয়াতই মানুষকে উত্তম জীবনযাপনের দিকে ধাবিত করে। পরকালের সীমাহীন নেয়ামত লাভে উদ্বুদ্ধ করে। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের ইমান বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আর যখনই মানুষের ইমান বেড়ে যায়, তখনই মানুষ দুনিয়া ও পরকালের জন্য নিজেকে সাজাতে সহজ হয়।
**কুরআন সুপারিশকারী হবে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমরা কুরআন তেলাওয়াত কর। কেননা কেয়ামতের দিন কুরআন তার তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশকারী হবে।’ (মুসলিম)- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, ‘কেয়ামত দিন সিয়াম ও কুরআন বান্দার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে।’ (মুসনাদে আহমদ, মুসতাদরেকে হাকেম)
আল্লাহ তায়ালা আমাদের বেশি বেশি করে কুরআন তেলোয়াত করার তাওফিক দান করুন আমীন।
আপনারা যারা দেশের বাহিরে আছেন ব্যস্ততার কারনে ও কুরআনি পরিবেশ নাথাকার কারনে কুরআন থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছেন। তাই আমাদের এই ছোট প্রচেষ্টা আপনাদের জন্য।
এই পবিত্র কুরআন সহজ থেকে সহজ ভাবে পড়ানোর জন্য আমরা আছি আপনার পাশে।
জীবন থেকে অনেক সময় চোখের পলকেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই আর দেরি নাকরে বাকি সময়টুকু কুরআন শিক্ষার পিছনে
ব্যয় করুন।
নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা এর উত্তম প্রতিদান দান করবেন।
*আলহামদুলিল্লাহ্ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা
১০০% বিশুদ্ধ কুরআন শিক্ষা দিয়ে আসছি*
কুরআন শিক্ষার জন্য আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ দিন
https://www.facebook.com/QuranForEveryoneBD
অথবা WhatsApp / Imo তে কল করুন এই নাম্বারে
+880 +880 1978-405060
❤️وَ لَسَوۡفَ یُعۡطِیۡکَ رَبُّکَ فَتَرۡضٰی
অর্থঃ অচিরেই তোমার প্রতিপালক তোমাকে (এমন কিছু) দান করবেন, যাতে তুমি সন্তুষ্ট হবে।
সুরা আদ-দুহা আয়াত ৫💚
10/09/2022
কুরআন শিক্ষার গুরুত্ব
১. কুরআন শিক্ষা ফরয :
প্রত্যেক মুসলিমকে কুরআন পড়া জানতে হবে। যে নিজেকে মুসলিম হিসাবে দাবী করবে তাকে অবশ্যই কুরআন শিক্ষা করতে হবে। কুরআন শিক্ষা করা এতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, আল্লাহ তা‘আলা কুরআন শিক্ষা করা ফরয করে দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ ٱقۡرَأۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلَّذِي خَلَقَ ١ ﴾ [العلق: ١]
অর্থ: ‘পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন’
[সূরা আলাক : ১]।
কুরআন শিক্ষায় কোন প্রকার অবহেলা করা যাবে না। উম্মাতকে কুরআন শিক্ষার নির্দেশ দিয়ে ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
«تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ ، وَاتْلُوهُ»
অর্থ:‘তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তিলাওয়াত কর’
[মুসান্নাফ ইবন আবী শাইবাহ:৮৫৭২]।
কুরআন পাঠের ফজিলত
কুরআন থেকে দূরে সরে যাওয়া কোনো মুমিন মুসলমানেরই উচিত নয়। কেননা এ কুরআনের তিলাওয়াতই মানুষকে উত্তম জীবনযাপনের দিকে ধাবিত করে। পরকালের সীমাহীন নেয়ামত লাভে উদ্বুদ্ধ করে। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের ইমান বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আর যখনই মানুষের ইমান বেড়ে যায়, তখনই মানুষ দুনিয়া ও পরকালের জন্য নিজেকে সাজাতে সহজ হয়।
# মহান আল্লাহ্তায়ালা বলেছেন, ‘অবশ্যই তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও সুস্পষ্ট কিতাব এসেছে। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে চায়, এ (জ্যোতির্ময় কুরআন) দ্বারা তিনি তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ অনুমতিক্রমে তাদের (কুফরিকে) অন্ধকার থেকে বের করে (ইমানের) আলোর দিকে নিয়ে যান এবং তাদের সরল পথে পরিচালিত করেন’ (মায়িদা-১৬)
আপনারা যারা দেশের বাহিরে আছেন ব্যস্ততার কারনে ও কুরআনি পরিবেশ নাথাকার কারনে কুরআন থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছেন। তাই আমাদের এই ছোট প্রচেষ্টা আপনাদের জন্য।
এই পবিত্র কুরআন সহজ থেকে সহজ ভাবে পড়ানোর জন্য আমরা আছি আপনার পাশে।
জীবন থেকে অনেক সময় চোখের পলকেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই আর দেরি নাকরে বাকি সময়টুকু কুরআন শিক্ষার পিছনে ব্যয় করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা এর উত্তম প্রতিদান দান করবেন।
আমাদের সাথে যোগাযোগের নাম্বার +880 1978-405060
05/09/2022
وَ لَسَوۡفَ یُعۡطِیۡکَ رَبُّکَ فَتَرۡضٰی
অর্থঃ অচিরেই তোমার প্রতিপালক তোমাকে (এমন কিছু) দান করবেন, যাতে তুমি সন্তুষ্ট হবে।
সুরা আদ-দুহা আয়াত ৫
02/09/2022
**কুরআন পাঠের ফজিলত**
কুরআন থেকে দূরে সরে যাওয়া কোনো মুমিন মুসলমানেরই উচিত নয়। কেননা এ কুরআনের তিলাওয়াতই মানুষকে উত্তম জীবনযাপনের দিকে ধাবিত করে। পরকালের সীমাহীন নেয়ামত লাভে উদ্বুদ্ধ করে। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের ইমান বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আর যখনই মানুষের ইমান বেড়ে যায়, তখনই মানুষ দুনিয়া ও পরকালের জন্য নিজেকে সাজাতে সহজ হয়।
# মহান আল্লাহ্তায়ালা বলেছেন, ‘অবশ্যই তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও সুস্পষ্ট কিতাব এসেছে। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে চায়, এ (জ্যোতির্ময় কুরআন) দ্বারা তিনি তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ অনুমতিক্রমে তাদের (কুফরিকে) অন্ধকার থেকে বের করে (ইমানের) আলোর দিকে নিয়ে যান এবং তাদের সরল পথে পরিচালিত করেন’ (মায়িদা-১৬)
আপনারা যারা দেশের বাহিরে আছেন ব্যস্ততার কারনে ও কুরআনি পরিবেশ নাথাকার কারনে কুরআন থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছেন। তাই আমাদের এই ছোট প্রচেষ্টা আপনাদের জন্য।
এই পবিত্র কুরআন সহজ থেকে সহজ ভাবে পড়ানোর জন্য আমরা আছি আপনার পাশে।
জীবন থেকে অনেক সময় চোখের পলকেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই আর দেরি নাকরে বাকি সময়টুকু কুরআন শিক্ষার পিছনে ব্যয় করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা এর উত্তম প্রতিদান দান করবেন।
আমাদের সাথে যোগাযোগের নাম্বার +880 +880 1978-405060 WhatsApp