The School Of Islam

The School Of Islam

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The School Of Islam, Education, Dhaka.

22/11/2017

গ্রন্থঃ আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস

হাদিস নম্বরঃ ১

১। আমীরুল মুমিনীন আবূ হাফস্ উমার ইবনু আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন—

আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি— “সমস্ত কাজের ফলাফল নির্ভর করে নিয়্যতের উপর, আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়্যত করেছে, তাই পাবে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের জন্য হিজরত করেছে, তার হিজরত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের দিকে হয়েছে, আর যার হিজরত দুনিয়া (পার্থিব বস্তু) আহরণ করার জন্য অথবা মহিলাকে বিয়ে করার জন্য তার হিজরত সে জন্য বিবেচিত হবে যে জন্য সে হিজরত করেছে।”

20/11/2017

"বিয়ের উদ্দেশ্যে যদি প্রেম করা বৈধ হয়, তাহলে হজ্ব করার উদ্দেশ্যে ব্যাংক ডাকাতি করাও বৈধ।"(নাউজুবিল্লাহ্)
আমি যদি ভালো উদ্দেশ্যে বা বিয়ের উদ্দেশ্যে প্রেম করি, তাহলে তা কি ইসলামের দৃষ্টিতে জায়েজ আছে..?
কোনোরুপ খারাপ ঘটনা
আমাদের মধ্যে ঘটবে না, শুধু মোবাইলে কথা হবে। এভাবে সম্পর্ক রাখা যাবে কি..?
যদি পরিবার থেকে সমর্থন থাকে তাহলে..?

# উত্তরঃ বিয়ের আগে:→

# প্রেমিকঃ - আমি তোমাকে ভালোবাসি।
# প্রেমিকাঃ - আমিও তোমাকে ভালোবাসি।
# শয়তানঃ - আর আমি তোদের দুই জনকেই
ভালোবাসি!

# Reference : রাসুল (সাঃ) বলেছেন,
"যেখানে দু'জন বেগানা নারী-পুরুষ নির্জনে একত্রিত হয়, সেখানে তৃতীয়জন হয় শয়তান।"–
[সহীহ্ তিরমিযী, ১১৭১]

এখানে নির্জনে নারী-পুরুষ কে একত্রিত হতে স্পষ্টত নিষেধ করা হয়েছে।
এখন ধরুন, আপনি বা আমি যদি কারো সাথে মোবাইলে কথা বলি, সেটাও নির্জনে একত্রিত হওয়া নয় কি? কারন, আমরা মোবাইলে কথা বলার সময় নির্জনেই কথা বলি। নির্জনে
SMS আদান-প্রদান করি। এবং তখন দুজনের মধ্যে কোনোরুপ বাঁধা থাকে না। (যাদের প্রেম করার এক্সপেরিয়েন্স আছে তারা বিষয়টি ভালো ভাবেই বুঝবেন।
একসময় কথাবার্তা কতটা অশালীন মূহুর্তে পৌছায়)। যার দ্বারা মুখের ও অন্তরের যিনা হয়।
যা স্পষ্ট হারাম।
আল্লাহ বলেন, "তোমরা অশ্লীলতার ধারে কাছেও যেও না"–[আল ইসার ১৭:৩২]
এ বিষয়ে আরো দ্রষ্টব্য→ [সহিহ্ বুখারী: ৬৩৪৩ ও সহিহ্ মুসলিম:২৬৫৭]

অশ্লীলতা তো দূরের কথা, এক্ষেত্রে বিনা প্রয়োজনে
শালীন ভাবে কথাবার্তা বলারও বৈধতা নেই মুহাররাম নারী-পুরুষের মধ্যে। না প্রেম হিসেবে, না বন্ধুত্ব আর না দোস্ত-দোস্ত বলে ডাকা। কোনোটার ই বৈধতা নেই।

আপনি কিভাবে অপর একটি মেয়েকে বা ছেলেকে "Love You Jan" বলার সাহস রাখেন..? আপনি
তো মুসলমান তাইনা? একটা সাধারন মেয়ে বা ছেলে কিভাবে আপনার জান্ (জীবন) হতে পারে..? আর যদি তাই হয়, তাহলে আপনি ১০০% শিরকের
মধ্যে নিমজ্জিত আছেন।

ড. বিলাল ফিলিপ্স (রাহিমাহুল্লাহ্) বলেন, "স্রষ্টার
চাইতে সৃষ্টিকে বেশি ভালোবাসার নাম ই শিরক।"
আপনি গার্লফ্রেন্ডের সাথে সারাদিনে ৩০-৪০ বার ফোন দিয়ে কথা বলছেন। কিন্তু নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে ৫ বার কথা বলার সময় পাচ্ছেন না। এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি স্রষ্টার চাইতে সৃষ্টিকে বেশি পরোয়া করলেন। অবশ্যই অবশ্যই আপনি শিরক করলেন।

আবার কিছু ছ্যাঁকা খাওয়া পোলা-মাইয়া আছে। যারা প্রেমিক-প্রেমিকার স্মৃতিতে রাতে ঘুমাতে পারে না।
দিনের মধ্যে ৫-৭ টা ছ্যাঁকা খাওয়া পোষ্ট প্রসব করাই লাগবে ফেসবুকে। গার্লফ্রেন্ড-বয় ফ্রেন্ডের জন্য কেঁদে কেঁদে চোখ ভাসায়। কিন্তু এইসব লাইলি-মজনুরা আল্লাহর কাছে একদিনও কাঁদে না। তারা কাঁদে না অত্যাচারিত মাজলুম রোহিঙ্গা
ও সিরিয়া বাসীর জন্যও। এরাও শিরক করছে। আল্লাহর কাছে না কেঁদে, অবৈধ প্রেয়সীর জন্য
কাঁদছে।

সুতরাং কোনো non-মাহরাম (যার সাথে বিবাহ সম্পর্ক হালাল) নারী বা পুরুষের সাথে নির্জনে একত্রিত হওয়া যাবে না। না বাস্তবে, না virtual world এ, আর না মোবাইলে কথা বলার মাধ্যমে।
ইহা স্পষ্ট হারাম ও ব্যাভিচারের শামিল। ব্যভিচার না করেও আপনার আমলনামায় ব্যাভিচারের পাপ লিপিবদ্ধ হবে।
আর প্রেমবাজ শিরি-ফরহাদরা কিভাবে শিরকের মতো গুনাহ করছে, সেটাও স্পষ্ট।
আল্লাহ বলেন, "আমি আমার বান্দা দের যাকে ইচ্ছা তাকে ক্ষমা করবো, কিন্তু শিরকের গুনাহ
ব্যতীত।"--[আন নিসা, ৪৮]

অনেকে আবার পরিবারেরর অনুমতি নিয়েই প্রেম করে। ভবিষ্যতে তাদের বিয়ে দেওয়া হবে এরকমটা অনেক পরিবার থেকে ঠিক করে রাখা হয়।
আফসোস এসব মূর্খ পরিবারের জন্য!
যারা তাদের সন্তান কে যিনা করার অনুমতি দিয়ে দিলো এবং নিজেরাও যিনার পাপে জর্জরিত হলো। (প্রেম করা এবং অতীব প্রয়োজন ছাড়া কথা বলাও
যে ব্যভিচারের শামিল তা আগেই প্রমান করা হয়েছে)।

আরেকটা কথা মনে রাখা উচিৎ,
"বিয়ের উদ্দেশ্যে যদি প্রেম করা বৈধ হয়, তাহলে হজ্ব করার উদ্দেশ্যে ব্যাংক ডাকাতি করাও বৈধ।"
(নাউজুবিল্লাহ্)

অতএব, পরিবারিক, ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভাবে প্রেম নামক ব্যভিচার কে প্রতিরোধ করুন। ছ্যাকাঁ খাওয়া player গুলা প্রিয়/প্রিয়ার জন্য কান্নাকাটি বন্ধ করুন। জান, প্রান, টুনি পাখি এমনকি দোস্ত বলে ডাকাও বন্ধ করুন। আল্লাহকে ভয় করুন!!!!

বিবাহপূর্ব প্রেমের প্রস্তাবে, “I Love U" বলা মানে জ্বিনার আহ্বান ছাড়া কিছুই নয়!!!

বিঃদ্রঃ এতসব জানার পরেও, শোনার পরেও কেউ যদি এ পথ থেকে ফিরে আসার চেষ্টা না করে, তাহলে বু্ঝতে হবে সে মুসলমান কি না তাতে সন্দেহ আছে। তার মুসলিম হওয়াতে ঘাটতি আছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাকে সহ সবাইকে হেদায়েত নসিব করুন।
আমিন!

09/11/2017

সমাজে বহুল প্রচলিত কয়েকটি শিরক....
(যা তওবা না করে মারা গেলে নিশ্চিত জাহান্নাম)

* শরিরে যেকোন প্রকার তাবিজ ঝুলানো শিরক
[মুসনাদে আহমদ: ১৭৪৫৮, সহিহ হাদিস:৪৯২]

* আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কারো নামে কসম করা শিরক
[আবু দাউদ:৩২৩৬(ইফা)]

* কোন কিছুকে শুভ-অশুভ লক্ষন বা কুলক্ষণ মনে করা শিরক
[বুখারি :৫৩৪৬, আবু দাউদ:৩৯১০]

*কেউ পেছন দিক থেকে ডাক দিলে কিংবা নিজে যাত্রার সময় পিছন ফিরে তাকালে যাত্রা অশুভ হয় এই ধারনা বিশ্বাস করা শিরক (বুখারি, আবু দাউদ:৩৯১০)

* আল্লাহর গুনবাচক নামে অন্য কাউকে ডাকা শিরক (যেমন: কুদ্দুস, রাহমান, রহীম, জাব্বার, সালাম, মুমিন ইত্যাদি)
[সুরা আরাফ:১৮০, ইসরা:১১০, হাশর]

* 'তর ভবিষ্যত অন্ধকার', 'তর কপালে বহুত কষ্ট আছে', এইধরনের গায়েবি কথা কাউকে বলা শিরক
[সুরা নমল:৬৫, আল জিন:২৫-২৬, আনাম:৫৯]

*হোচট খেলে কিংবা পেচা ডাকলে সামনে বিপদ আছে এই ধারনা শিরক (সুরা আনাম:১৭, ইউনুস:১০৭)

* রোগ ব্যাধি বা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে শরিরে পিতলের বালা, শামুক, ঝিনুকের মালা, সুতা, কিংবা যেকোন প্রকারের বস্তু লটকানো শিরক।
[তির্মিযি, আবু দাউদ ও হাকেম]

* সফলতা কিংবা মংগল লাভের জন্য এবং অমংগল থেকে রক্ষা পেতে যেকোন প্রকার আংটি ব্যাবহার করা শিরক।
[সুরা আনাম:১৭, ইউনুস :১০৭]

*যে কোন জড় বস্তুকে সম্মান দেখানো তথা তাযীম করা বা তার সামনে নিরবতা পালন করা শিরক
যেমন: পতাকা, স্মৃতিসৌধ, শহিদ মিনার কিংবা মাজার ইত্যাদি।
[সুরা বাকারাহ:২৩৮, আহকাফ:৫, ফাতহুল বারি ৭/৪৪৮, আবু দাউদ:৪০৩৩]

* আল্লাহর ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কিংবা লোক দেখানো ইবাদাত করা শিরক
[সুরা আনাম:১৬২, কাহফ:১১০,ইমরান:৬৪, ইবনে মাজাহ হা নং৫২০৪]

* আল্লাহ ব্যাতিত কোন গণক বা অন্য কেউ গায়েব জানে এই কথা বিশ্বাস করা শিরক
[সুরা নমল:৬৫, আল জিন:২৬, আনাম:৫৯]

* আল্লাহর ছাড়া কোন পির-আওলিয়া এবং কোন মাজারের নিকট দুয়া করা বা কোন কিছু চাওয়া শিরক
[সুরা ফাতিহা:৪, আশ শোআরা:২১৩, গাফির:৬০, তির্মিযি]

* মাজারে ও কোন পির-ফকির কিংবা কারো নিকট সিজদা দেয়া শিরক
[সুর জীন: ২০, মুসলিম:১০৭৭,
আবু দাউদ, মুত্তাফাকুন আলাই]

* আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো বা যেকোন পির-আওলিয়া কিংবা মাজারের নামে নামে মানত করা শিরক। তবে মানত না করাই উত্তম
[সহিহ বুখারি: অধ্যায় : তাকদির]

এইরকম আরো অসংখ্য শিরক সমাজে বিদ্যামান।

মনে রাখবেন,,
শিরক এমন একটি গুনাহ যা করলে ঈমান এবং পূর্বের সমস্ত আমল সম্পুর্ন নষ্ট হয়ে যায়। কিয়ামতের দিন আল্লাহ সুবাহান্তায়ালা যেকোন গুনাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কস্মিনকালে ও ক্ষমা করবেন না।
আল্লাহ বলেন,,
নিসন্দেহে আল্লাহ ইচ্ছা করলে যেকোন গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা করবেন না
(সুরা নিসা :৪৮,১১৬)
.
নিশ্চয় যে ব্যাক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দেন এবং জাহান্নামকে অবধারিত করে দেন (সুরা মায়িদাহ:৭২)

রাসুল্লাহ (সা) বলেছেন,,
“আমার সামনে জিব্রাঈল আবির্ভূত হলেন। তিনি বললেন, আপনি আপনার উম্মতদের সুসংবাদ দিন, যে ব্যাক্তি আল্লাহর সংগে কাউকে শরিক না করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে? তিনি বললেন: যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে।
[সহিহ বুখারি :১২৩৭,মুসলিম:৯৪]

শিরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় ধ্বংসত্মাক বিষয়। শত পাপ করলে ও কিয়ামতের দিন তা ক্ষমার সম্ভবনা আছে কিন্তু শিরকের পাপ ক্ষমার কোন সম্ভবনাই নেই এবং তা নিসন্দেহে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।

আল্লাহ আমাদের সকলকে শিরক থেকে বাচার তৌফিক দান করুন। (আমিন)

08/11/2017

ইসলামের সুসভ্য দৃষ্টিতে নারীর পর্দা ও সভ্য লেবাসের কয়েকটি শর্ত নিম্নরূপঃ-

১- মুসলিম মহিলা যে পোশাক ব্যবহার করবে তাতে যেন পর্দা পাওয়া যায়; অর্থাৎ সেই পোশাক যেন তার সারা দেহকে আবৃত করে। সুতরাং যে লেবাসে নারীর কেশদাম, গ্রীবা, বক্ষদেশ, উদর ও পৃষ্ঠদেশ (যেমন, শাড়ি ও খাটো ব্লাউজে) এবং হাঁটু ও জাং (যেমন, স্ক্যার্ট্, ঘাগরা, ফ্রক্ ইত্যাদিতে) প্রকাশিত থাকে তা (সাধারণতঃ গম্য পুরুষদের সম্মুখে) পরিধান করা হারাম।

২- এই লেবাস যেন সৌন্দর্যময় ও দৃষ্টি-আকর্ষী না হয়। সুতরাং কামদার (এমব্রয়ডারি করা) চকচকে রঙিন বোরকাও পরা বৈধ নয়।

৩- এমন পাতলা না হয় যাতে ভিতরের চামড়ার রঙ নজরে আসে। অতএব পাতলা শাড়ি, ওড়না প্রভৃতি মুসলিম মহিলার ড্রেস নয়। নবী (সাঃ) বলেন,

‘‘দুই শ্রেণীর মানুষ জাহান্নামের অধিবাসী; যাদেরকে আমি দেখিনি। (তারা ভবিষ্যতে আসবে।) প্রথম শ্রেণী (অত্যাচারীর দল) যাদের সঙ্গে থাকবে গরুর লেজের মত চাবুক, যদ্বারা তারা লোককে প্রহার করবে। আর দ্বিতীয় শ্রেণী হল সেই নারীদল; যারা কাপড় তো পরিধান করবে, কিন্তু তারা বস্ত্ততঃ উলঙ্গ থাকবে, যারা পুরুষদের আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও তাদের প্রতি আকৃষ্ট হবে, যাদের মস্তক (খোপা বাঁধার কারণে) উটের হিলে যাওয়া কুঁজের মত হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, তার গন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধ এত এত দূরবর্তী স্থান থেকেও পাওয়া যাবে।

৪- এমন টাইট্ফিট বা আঁট-সাঁট না হয় যাতে দেহাঙ্গের উচ্চতা ও নীচতা এবং আকার ও আকৃতি কাপড়ের উপরেও বুঝা যায়। তাই এমন চুস্ত্ ও ফ্যাশনের লেবাস মুসলিম রমণী পরিধান করতে পারে না, যাতে তার সুডৌল স্তনযুগল, সুউচ্চ নিতম্ব, সরু কোমর প্রভৃতির আকার প্রকাশ পায়।

৫- এই লেবাস যেন পুরুষদের অনুকৃত বা অনুরূপ না হয়। সুতরাং প্যান্ট, শার্ট প্রভৃতি পুরুষদের মত পোশাক কোন মুসলিম মহিলা ব্যবহার করতে পারে না। যেহেতু ‘‘পুরুষদের বেশধারিণী নারীদের উপর আল্লাহর অভিশাপ থাকে।

৬- তদনুরূপ তা যেন কাফের মহিলাদের অনুকৃত বা অনুরূপ না হয়।

প্রকাশ যে, ঢিলে ম্যাক্সি ও শেলোয়ার কামীস এবং তার উপর অস্বচ্ছ চাদর বা ওড়না; যা মাথার কেশ, বক্ষস্থল ইত্যাদি আচ্ছাদিত করে তা মুসলিম রমণীর লেবাস। কেবলমাত্র শেলোয়ার কামীস বা ম্যাক্সি অথবা তার উপর বক্ষে ও গ্রীবায় থাক্ বা ভাঁজ করা ওড়নার লেবাস কাফের মহিলাদের। অনুরূপ শাড়ি যদি সর্বশরীরকে ঢেকে নেয় তবে মুসলিমদের; নচেৎ থাক্ করে বুকে চাপানো থাকলে তথা কেশদাম ও পেট-পিঠ প্রকাশ করে রাখলে---তা অমুসলিম মহিলাদের লেবাস। আর নবী (সাঃ) বলেন,

‘‘যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে, সে সেই জাতির দলভুক্ত।

৭- এই পোশাক যেন জাঁকজমক ও আড়ম্বরপূর্ণ তথা প্রসিদ্ধিজনক না হয়।

৮- লেবাস যেন সুগন্ধিত বা সুরভিত না হয়। পূর্বেই বলা হয়েছে যে, যে নারী সুগন্ধি ছড়িয়ে লোকালয়ে যায়, সে বেশ্যা নারী।

প্রকাশ যে, নারীদেহে যৌবনের চিহ্ন দেখা দেওয়া মাত্রই এই শর্তের পোশাক পরা ওয়াজেব।

21/04/2017

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمُ الْجُمُعَةَ فَلْيَغْتَسِلْ ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ জুমু‘আর সালাতে আসলে সে যেন গোসল করে।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৮৭৭
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

21/04/2017

حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنِ ابْنِ وَدِيعَةَ، عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَغْتَسِلُ رَجُلٌ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَيَتَطَهَّرُ مَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ، وَيَدَّهِنُ مِنْ دُهْنِهِ، أَوْ يَمَسُّ مِنْ طِيبِ بَيْتِهِ ثُمَّ يَخْرُجُ، فَلاَ يُفَرِّقُ بَيْنَ اثْنَيْنِ، ثُمَّ يُصَلِّي مَا كُتِبَ لَهُ، ثُمَّ يُنْصِتُ إِذَا تَكَلَّمَ الإِمَامُ، إِلاَّ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الأُخْرَى ‏"‏‏.‏

সালমান ফারসী (রাঃ)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেনঃ যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন গোসল করে এবং যথাসাধ্য ভালরূপে পবিত্রতা অর্জন করে ও নিজের তেল হতে ব্যবহার করে বা নিজ ঘরের সুগন্ধি ব্যবহার করে, অতঃপর বের হয় এবং দু’ জন লোকের মাঝে ফাঁক না করে, অতঃপর তার নির্ধারিত সালাত আদায় করে এবং ইমামের খুত্‌বা দেয়ার সময় চুপ থাকে, তা হলে তার সে জুমু’আ হতে আরেক জুমু’আ পর্যন্ত সময়ের যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৮৮৩
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Photos 13/08/2015

Please Like My Page.

Photos 17/07/2015
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka
1209