Science Club

Science Club

Share

Men love to wonder, and that is the seed of science.

08/10/2025

এ বছর যৌথভাবে রসায়নে নোবেল জয় করার পর নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলির অধ্যাপক ওমর এম ইয়াঘি!

22/06/2023

টাইটানিক দেখতে গিয়ে নিখোঁজ সাবমেরিনে আছে আর মাত্র ২০-২২ ঘন্টার অক্সিজেন! তবে তাদের সন্ধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে!

21/06/2023

প্রকৃতির কাছাকাছি থাকলে তা মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। রয়্যাল সোসাইটি ওপেন সায়েন্সে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, শহুরে পরিবেশ আমাদের পদক্ষেপের গতিকে ধীর করে দিতে পারে এবং মানসিক ভারও বাড়াতে পারে। অন্যদিকে, প্রকৃতির মধ্য দিয়ে বিচরণ আমাদের মনকে সতেজ করে এবং পদক্ষেপের গতিকেও ত্বরান্বিত করে।

গবেষণাটি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কিছু ছাত্রছাত্রীদের মাঝে চালানো হয়েছিল। এটি দুটি ধাপে করা হয়।
প্রথম পরীক্ষায়, অংশগ্রহণকারীদের শহুরে ছবির পাশ দিয়ে হাঁটতে বলা হয়। যখন শহুরে ছবিগুলোর পাশ দিয়ে হাঁটছিলো, তারা অস্বস্তি বোধ করছিলো এবং তাদের গতি যেনো ক্রমশ ধীর হয়ে আসছে এমন মনে হচ্ছিল। দ্বিতীয় পরীক্ষায় ঠিক উল্টোটি করা হয়। তাদের প্রকৃতির ছবির পাশে দিয়ে হাঁটতে বলা হয়। তারা শহুরে ছবিগুলোর বেলায় যেমন নেতিবাচক উত্তর দিয়েছিলো, এবার তেমনটি বলে নি কিন্তু!

এই পরীক্ষার মাধ্যমে ধারণা পাওয়া যায় প্রকৃতির সাথে থাকায় এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি মেলে যা শহুরে জীবনে পাওয়া যায়না। ঠিক কী কারণে এমনটি ঘটে এটি গবেষকরা এখনো নিশ্চিত নয়। আর যেহেতু শুধু ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোট পরিসরে এই পরীক্ষাটি করা হয়েছে তাই দরকার আরো বড় আকারের পরীক্ষা৷ যাই হোক না কেন, একটু সময় করে প্রকৃতির সান্নিধ্যে যেতে ভুলবেন না!

05/06/2023

তেলাপোকার দুধে গরুর দুধের থেকেও ৩ গুণ বেশি পুষ্টিকর!

Mobile uploads 06/10/2022

কফিন বার্থ অত্যন্ত বিরল ঘটনা। কোনো নারী গর্ভবতী অবস্থায় মারা গেলে মৃত্যুর প্রায় ৪৮-৭২ ঘন্টার মধ্যে তার দেহে পচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় গর্ভস্থ সন্তান জরায়ু থেকে বেরিয়ে আসে। জার্মান চিকিৎসকরা এর নাম দেন কফিন বার্থ। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘পোস্টমর্টেম ফিটাল এক্সট্রুশান’ বলে। ষোড়শ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝের সময়ের কিছু সমাধি খুঁড়ে কফিন বার্থের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

কফিন বার্থের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক জন্মদান প্রক্রিয়ার মতোই শিশু মায়ের গর্ভ থেকে বেরিয়ে আসে। কিন্তু জীবিত গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে যেমন জরায়ু ক্রমাগত সংকোচনের ফলে বাচ্চা প্রসব হয়, কফিন বার্থের ক্ষেত্রে সেটি সম্ভব নয়। কারণ মৃত্যুর পর শরীরের সব অঙ্গের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় এবং জরায়ুর সংকোচনের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনও নিঃসরণ হয়না। তাই, কফিন বার্থকে পচনক্রিয়ার ফলাফল হিসেবে ধরা যায়। সাইন্স বী

গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর সময় যদি গর্ভের শিশুর মাথা জরায়ুর নিচের দিকে থাকে তবে কফিন বার্থের সম্ভাবনা বেশি। মানুষ মারা যাওয়ার পরই শুরু হয় পচন প্রাক্রিয়া, এই সময় মানুষের পাকস্থলী ও অন্ত্রের মধ্যে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়া গ্যাস উৎপাদন করে। এই গ্যাসের জন্য মৃতদেহ ফুলে যায় এবং পেটে গ্যাসের চাপ বাড়ে। এই গ্যাস এক সময় জরায়ুতে চাপ দেয়, তখন মৃত মায়ের দেহ থেকে শিশু বেরিয়ে আসে। সাইন্স বী

এক্ষেত্রে সমাধি খনন করার পর শিশুর কঙ্কালটি মায়ের কঙ্কালের দুই পায়ের মাঝে, মাথা নিচের দিকে ও পা ওপরের শ্রোণীর হাড়ের দিকে থাকা অবস্থায় পাওয়া যায়।

07/07/2022

পোষা প্রাণীর মালিকরা প্রায়শই দাবি করে যে তাদের গৃহপালিত পশুরা কাঁদছে। আবার অনেকেই দেখে থাকবেন যে গরুর চোখে পানি পরতে দেখা যায়। কিন্তু এখানে একটা প্রশ্ন হচ্ছে পশুদের (গরু, ছাগল, হাতি) কি সত্যিই মানুষের মতো আবেগ আছে? তারা কি আমাদের মতোই আবেগের বসে কান্না করে? আসুন এই সম্পর্কে আধুনিক বিজ্ঞান কি বলে।

আপনি যদি কান্নাকে আবেগ প্রকাশ হিসাবে সংজ্ঞায়িত করেন, যেমন দুঃখ বা আনন্দ, তাহলে উত্তর হল হ্যাঁ। পশুদেরও আবেগ আছে। তারাও কান্না করে। তবে এটাও সত্য যে তাদের মানুষের মতো এতোটা ইমোশন নেই।
একটা সময় চার্লস ডারউইনও ভেবেছিলেন বানর ও হাতি কাঁদে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে আমরাই একমাত্র প্রাণী যা সত্যিই কান্নায় ভেঙে পড়ে।

এইবার আসি নির্দিষ্টভাবে শুধু গরুর বেলায়। গরুর ইমোশন লেভেল কতটুকু?

মানুষের মতো এতটা প্রকট না হলেও গরু একেবারে বিবেকহীন প্রাণী নয়। অনেক ক্ষেত্রেই তাদের জটিল আবেগ অনুভূতি প্রকাশ করতে দেখা যায়। আবার আমরা অনেক সময়েই দেখি যে তাদের চোখ দিয়ে গর-গর করে অনবরত পানি পড়ছে।

গরু তার কান্না প্রকাশ করে উচ্চস্বরে ডাকাডাকির মাধ্যমে। গবেষণায় দেখা যায়, তার ভিন্ন ভিন্ন অনূভূতির জন্য একেকবার একেক রকম ভাবে ডাকাডাকি করে থাকে।
এমনকি যখন বিভিন্ন কসাই খানায় একটা গরুকে জ'বাই করার জন্য তাদের নেওয়া হয়, জবাই করার আগ মূহুর্তে তারা তখন তারা কসাইদের উদ্যেশ্য বুঝতে পারে। তারাও মৃত্যুকে উপলব্ধি করতে পারে। আর এই কারণেই জবা'ই করার পূর্ব মূহুর্তে একটা গরুকে যতটা সম্ভব শান্ত রাখার চেষ্টা করা হয়। কারণ এই সময়ে গরুর শরীরে অতিতিক্ত স্ট্রেস হরমোন নির্গত হলে মাংসের গুনগত মান হ্রাস পায়। তাই কুরবানী, বিয়ে, এবং অন্যান্য সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানের সময় যখন পশু কুরবানী করা হয় তখন এই বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরী।

আবার আপনারা যারা গবাদি পশু লালন-পালন একটা জিনিস হয়তো খেয়াল করেছেন যে যখন বাজার থেকে নতুন কোনো গরু কিংবা ছাগল ক্রয় করে গোয়ালে আনা হয় প্রথম কয়েকদিন তারা অনেকটা মনমরা অবস্থায় থাকে।প্রথম দুই-একদিন তারা প্রচুর ডাকা-ডাকি করতে থাকে এবং এদেরকে কান্না করতেও দেখা যায়। এর তাদের এমন আচরণের কারণ হচ্ছে মালিককে ছেড়ে একটা নতুন পরিবেশে তারা নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারেনা। নতুন একটা স্থানে তারা প্রথম কয়েকটা দিন অনেকটা বিচলিত অবস্থায় থাকে। তবে কয়েকটা দিন কেটে গেলে তারা নতুন স্থানে ঠিকই নিজেদের খাঁপ খাইয়ে নেয়।

তবে একটা কথা মাথায় রাখা জরুরী যে, গরুর চোখ দিয়ে পানি পরছে মানে এই নয় যে সব ক্ষেত্রেই তারা কান্না করছে। এই ব্যাপারে, স্মিথসোনিয়ার জাতীয় চিড়িয়াখানার সিনিয়র কিউরেটর ব্রায়ান অমরাল বলেছেন, প্রাণীরা অশ্রু তৈরি করে, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেইশুধুমাত্র তাদের চোখকে লুব্রিকেট করার জন্য। তাছাড়া গরুর চোখ কোনোকিছুর দ্বারা আঘাত পেলে, গরু কৃমিজনিত সমস্যায় ভুগলে, চোখ ধূলাবালির সংস্পর্শে আশা, চোখে শক্ত কোনো কণা পরা, ভিটামিন ও মিনারেল এর ঘাটতির কারণে গরুসহ অন্যান্য পশুদের চোখ দিয়ে পানি ঝড়তে পারে।

Shah Reyajur Rahman Raj
Team Science Bee

21/06/2022

Just Insane🔥

এটি কোন ইডিটেড পিকচার নয়, উপরের এগুলো মেঘ। মূহুর্তটি সেন্ট্রাল মিনেসোটা থেকে Theresa Lucas সদ্য তুলেছে।

20/06/2022

যাক ভালো একটা কাজে লাগছে স্যাটেলাইট! 😀

11/06/2022

Big achievement 💙💙

বিশ্বের অনেক দেশেই এভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হলেও বাংলাদেশে এই প্রথম হাইওয়েতে চালিত গাড়ির বাতাসের চাপের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হল!

08/06/2022

এটা আসলেই অবিশ্বাস্য সাফল্য ছিল!

#ক্যান্সার # #চিকিৎসা #যুক্তরাষ্ট্র

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka