মারকাযুল ইসলাহ মহিলা মাদরাসা ঢাকা

মারকাযুল ইসলাহ মহিলা মাদরাসা ঢাকা

Share

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

19/05/2026

আল্লাহ সফল করুন। দোয়া কামনা

08/04/2026

ক্লাস শুরু হয়েছে শনিবার থেকে। এ সপ্তাহ আলহামদুলিল্লাহ ভালো কেটেছে। আগামী দিনগুলো শ্রেষ্ঠ হোক।

07/04/2026
28/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আজ ২৮ শে মার্চ ২০২৬ ইং রোজ শনিবার থেকে মাদরাসার ভর্তি শুরু। আপনাদের সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কাম্য।

21/03/2026

মাদরাসার আগের ও বর্তমানের সব শিক্ষার্থী, অভিভাকগণ, শিক্ষক/শিক্ষিকা, শুভাকাঙ্ক্ষী সবাইকে ঈদ মোবারক। সবার জীবনে বয়ে আসুক অনাবিল প্রশান্তি। আমীন।

18/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় ২১ জন ছাত্রী এ বছর অংশগ্রহণ করেছিল।
২ জন মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে
৯ জন জায়্যিদ জিদ্দান
৫ জন জায়্যিদ
৫ জন মাকবুল।
আল্লাহ আমাদের প্রচেষ্টাকে কবুল করুন।

18/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ,আমাদের মারকায, এবার বেফাক পরীক্ষায় ২জন মারকায বোর্ড স্ট্যান্ড সহ সবাই ভালো ফল করেছে।

10/03/2026

মহিলা মাদরাসা এবং কিছু কথা
বারো বছর যাবত একটা মহিলা মাদরাসা পরিচালনা করছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, স্বপ্ন ছিল একটা মহিলা মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করার যেখানে শিশু থেকে দাওরা পর্যন্ত সব মহিলা শিক্ষক থাকবে। এবং একটা গাইনি বিভাগ খোলার খুব স্বপ্ন, যেখানে মেয়েরা অন্ততপক্ষে সন্তান জন্মদানের সময় সম্পূর্ণ পর্দা রক্ষা করে সেবা গ্রহণ করতে পারে। আল্লাহর রহমতে প্রথমটা বাস্তবায়ন হয়েছে। নিজের লক্ষ্যে অটুট থেকে, অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে, আর্থিক, শারীরিক, মানসিক চাপ সয়ে মোটামুটি একটা পর্যায়ে দাঁড় করিয়েছি। সাত আট বছর যাবত নিজের হাজবেন্ডকেও ইনক্লুড করিনি। কিন্তু জামাত বাড়ার সাথে সাথে সমস্যাও বাড়তে থাকলো। সবচেয়ে বেশি সমস্যা ছাত্রী পেতে। মহিলা মাদরাসায় পুরুষ শিক্ষক না থাকলে অভিভাবক তাদের মেয়েদের ভর্তি করাতেই চান না। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যা পাওয়া যায় কিন্তু উপরের জামাতের ছাত্রী পাওয়া যায় না। তারা মহিলা শিক্ষকদের ওপর ভরসা করে না। যারা আগে থেকে আছে তারাই শুধু ভর্তি হয়। বাইরের ছাত্রী খুব কম। দাওরা খোলার পর বাধ্য হয়ে কয়েকজন শিক্ষক রাখা হয়। তাছাড়া যোগ্য শিক্ষিকা পাওয়াও মুশকিল। নিজের ছাত্রী জীবনেও দেখেছি, এবং মাদরাসা দেয়ার পরও, যে ধরনের পর্দা রক্ষা করা দরকার, সেই ধরনের ব্যবস্থাপনা বজায় রাখার আর্থিক সঙ্গতি প্রতিষ্ঠানের থাকে না। নিজস্ব ভবন না হলে তো প্রায় অসম্ভব। তাই যতটুকু সম্ভব পর্দার ব্যবস্থা রাখা হয়।
আরেকটা বিষয় হলো, মহিলা মাদরাসায় আলাদা সিঁড়ি নেই। পর্দা সবচেয়ে বেশি লঙ্ঘন হয় সিঁড়িতে। অথচ এটা মেনেই হাজার হাজার মাদরাসা চলছে।
এ ছাড়া হুজুর ছাত্রী যত দুর্ঘটনা, এগুলোর আশি শতাংশ দায়ী কিছু আহ্লাদী মেধাবী ছাত্রী। এরা পড়াশোনায় এতো সিরিয়াস যে হুজুরদের খুব ক্লোজ হয়ে যায়। একটা সময় দেখা যায়, হুজুরদের সাথে হাজবেন্ড ওয়াইফের মতো কথা বলে। এখান থেকেই সমস্যা শুরু।
অনেক হুজুর আছে, চরিত্রহীন। এদের মহিলা মাদরাসায় পড়ানোর নিয়তই থাকে নোংরা কাজ করা। এরাও ছাত্রীদের এমন ভাবে ডাকে যা ছাত্রীদের অন্তরে তোলপাড় সৃষ্টি করে।
অনেক ছাত্রী, এমনকি গার্জিয়ানও হুজুরদের উপর ক্রাশ খায়। এবার হুজুরের বয়স যত হোক।
এতো সমস্যার ভীড়ে এখন একটাই নীতি, কে থাকবে না থাকবে পরোয়া করি না। আমার মাদরাসায় কোন পুরুষ শিক্ষক রাখবো না।
আয়িশা লুবাইনা
প্রধান শিক্ষিকা
মারকাযুল ইসলাহ মহিলা মাদরাসা

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka