Daily Hadith & Verse.

Daily Hadith & Verse. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Daily Hadith & Verse., Education, Dhaka.

11/03/2023

⛔⛔খুব গুরুত্বপূর্ণ ⛔⛔

চাইলেই রমজান মাসে খুব সহজেই আল-কুরআন একাধিকবার সম্পূর্ণ পড়তে পারবেন ---
উপায়টা বলি----

☑️
কুরআনে মোটামুটি ৬০০ পৃষ্ঠা আছে।
৩০ দিনের টার্গেট মস্তিস্কে সেট করুন,
প্রতিদিন ২০ পৃষ্ঠা পড়তে হবে,
২০ পৃষ্ঠা ১ দিনে অনেক হয়ে যাচ্ছে তাইনা??
১ দিনের কথা ভূলে যান,
৫ ওয়াক্ত নামাজ এর আগে ২ পৃষ্ঠা এবং নামাজ শেষে ২ পৃষ্ঠা মোট ৪ পৃষ্ঠা পড়ুন।
তাহলে খুব সহজেই ৫ বার নামাজের সাথেই ২০ পৃষ্ঠা এবং মাত্র ৩০ দিনে সম্পূর্ণ কুরআন একবার পড়া হয়ে যাবে।

☑️আর কেউ যদি পুরো কুরআন ৩০ দিনে ২ বার পড়তে চান তাহলে----
প্রতি ওয়াক্ত নামাজের আগে ৪ পৃষ্ঠা এবং নামাজ শেষ করে ৪ পৃষ্ঠা পড়বেন,
ইনশাআল্লাহ্‌ ৩০ দিনে ২ বার খুব সহজেই শেষ হবে।

এই পোস্টটা শেয়ার করলেও ইনশাআল্লাহ্‌ সওয়াবের অধিকারী হবেন।।

--------------------- ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার সময় পাইনা,
মুসলিমের ঘরে জন্মগ্রহণ করেছি বিধায় আমি মুসলিম,
আসুন এমন নামের মুসলিম না হয়ে
প্রকৃত মুসলিম হই যেই মুসলিম হলে জান্নাতে যাওয়া যাবে।

মারা গেলাম আর সব শেষ হয়ে গেলো ব্যাপারটা এমন না ভাইয়েরা, এত সহজ না।

অন্তত ৫ ওয়াক্ত নামাজটা পড়ুন,যেই
মানসিক শান্তি পাবেন তা দুনিয়ার কোনো কিছুতেই পাবেন না,
যখন বুঝতে পারবেন তখন যেন অনেক দেরি হয়ে না যায়,

সময় ফুরিয়ে চলে যাবার সময় চলে আসলে
তখন কিন্তু আর কাজ হবেনা।

04/02/2023

📌 দোয়া সিরিজ

আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় বাক্য

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় বাক্য চারটি, তার যে কোনটি দিয়েই শুরু করাতে তোমার কোনো ক্ষতি নেই। আর তা হলো -

سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ

সুব্‌হা-নাল্লা-হি ওয়ালহাম্‌দু লিল্লা-হি ওয়ালা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াল্লা-হু আকবার

আল্লাহ্‌ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বড়। [১]

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, “সূর্য যা কিছুর উপর উদিত হয় তার চেয়ে এগুলো বলা আমার কাছে অধিক প্রিয়।” [২]

রেফারেন্স: [১] মুসলিমঃ ২১৩৭
[২] মুসলিমঃ ২৬৯৫

04/02/2023

📌দোয়া সিরিজ

এমন যিকির যা জবানে সহজ আর মীযানের পাল্লায় ভারী করবেঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা জবানে সহজ, মীযানের পাল্লায় ভারী এবং করুণাময় আল্লাহ্‌র নিকট অতি প্রিয়। আর তা হচ্ছে -

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ

সুব্‌হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী, সুব্‌হা-নাল্লা-হিল ‘আযীম

আল্লাহ্‌র প্রশংসাসহকারে তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করছি। মহান আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৪০৬

04/02/2023

প্রেমরোগ সিরিজ (পর্বঃ ৭)

জনৈক আলেম তার আদরের পুত্রের প্রতি উপদেশ হিসেবে যে মহামূল্যবান কথা বলেছিলেন-

"হে আমার আদরের পুত্র, তুমি বন্যপ্রাণীর পেছনে ছুটতে পারো কিন্তু কোনো বেগানা নারীর পেছনে নয়। কেননা বন্যপ্রাণী উল্টো তেড়ে আসলে হয় তোমায় আহত কিংবা নিহত করবে। অপরদিকে নারী তেড়ে আসলে জাহান্নামের গহীন গর্তে গিয়ে পরবে"


একজন প্রকৃত পুরুষ কিভাবে আল্লাহর উত্তম রিজিক (স্ত্রী) এর জন্য ধৈর্য ধারণ না করে হারাম রিলেশনে জড়ানোর সাহস করতে পারে?

চলবে...
©️Tasawwuf

04/02/2023

প্রেমরোগ সিরিজ (পর্বঃ ৬ )

দৃষ্টির হেফাজত না করা ব্যক্তির দূর্ভোগ-

"তোমাদের চোখ অবশ্যই নিম্নগামী করবে এবং তোমাদের গুপ্তাঙ্গ সংরক্ষণ করবে তা না হলে আল্লাহ তা'আলা তোমাদের চেহারা বিনষ্ট করে দিবেন।’
(আত তারগীব ওয়াত তারহীব : ৩/৩৭)
চেহারা বিনষ্ট হওয়ার প্রথম ধাপ হল, চেহারাকে নূরবিহীন করে দেয়া। সুন্দর হওয়া সত্ত্বেও চেহারার মায়া চলে যাবে।
"মহান আল্লাহ অভিশম্পাত দেন দৃষ্টিাদানকারী পুরুষ ও দৃষ্টিদানে সুযোগদানকারী নারীর ওপর।"
(মেশকাত : ২৭০)
"দুর্ঘটনার শুরু হয় দৃষ্টি থেকে। যেমন লেলিহান আগুনের শুরুটা একটিমাত্র কয়লা দিয়ে। সুতরাং লজ্জাস্থানের সংরক্ষণের জন্য দৃষ্টির সংরক্ষণ জরুরী।"
(আল জাওয়াবুল কাফী, পৃষ্ঠা : ২০৪)

Copyright :Tasawwuf-তাসাউফ

প্রেমরোগ সিরিজ (পর্বঃ ৫ )কৈশোরকে সামলিয়ে নাও প্লিজ..সুযোগ পেলেই রাস্তার ধারের কোনো স্কুলে ঢু মারি। ক্লাসে গিয়ে ছাত্রছাত্...
03/02/2023

প্রেমরোগ সিরিজ (পর্বঃ ৫ )

কৈশোরকে সামলিয়ে নাও প্লিজ..

সুযোগ পেলেই রাস্তার ধারের কোনো স্কুলে ঢু মারি। ক্লাসে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মনস্তত্ত্বকে বুঝতে চেষ্টা করি। শিক্ষকরা ওদের পড়াই, আমি ওদের পড়ি।

ভয়াবহ একটা ব্যাপার আছে কৈশোরের। এখন যা বলব, সেটা শরিয়াহ পারস্পেকটিভ থেকে নয়, সমাজকে যেভাবে দেখছি, সেখান থেকে।

আমাদের কিশোররা চুটিয়ে প্রেম করছে। রাস্তা দিয়ে চলাচল করাই মুশকিল। ছেলেমেয়েদের বডি লাঙ্গুয়েজ দেখে ভয়ই পাই। ওরা নিজেদের মধ্যে আলাপে ওদের মতো নয়, এমন সিনিয়রদের নিয়ে ট্রল করে। কোনটা খ্যাত মার্কা এন্ড্রয়েড, কার পোশাক আনস্মার্ট, কোন বাইক আর চলে না, কে কতটা ছ্যাবলা...এসব আর কি!

এসব কিশোর প্রজন্ম নিজেদের এতটাই স্মার্ট মনে করে, অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা রাখার কারণই খুঁজে পায় না।এনিওয়ে, ওদের স্মার্টনেসকে আমরাই না-হয় সম্মান করলাম। আমার দু:খ অন্য জায়গায়।

কিশোররা কেবল বয়সের ফাঁদে জড়িয়ে সর্বস্ব হারিয়ে ফেলছে।

এই কিশোরদের সার্কেলটা খেয়াল করুন। স্কুলের চৌহদ্দি, আশেপাশের কিছু বন্ধু, আত্মীয়স্বজন। এরা আড্ডা দিলে এই সার্কেলের মধ্যেই দিতে হয়, প্রেমিক-প্রেমিকা খুঁজে ফিরে এই সার্কেলেই। একজন কিশোর তার এই সার্কেলের বাহিরের বিশাল দুনিয়াকে দেখতে পায় না।

আমি হামেশাই দেখছি, স্কুলগামী কিশোরী যে ভ্যানে যাতায়াত করে, সেই ভ্যানওয়ালার সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছে। যে দোকানে টিফিন কিনে, সে দোকানীর সাথে সম্পর্ক করছে। যে তাকে একটা এন্ড্রয়েড কিনে দিচ্ছে, বিনিময়ে তাকে জীবনটা দিয়ে দিচ্ছে। স্কুলের সমবয়সী বন্ধু-বান্ধবীরা সম্পর্কে জড়াচ্ছে। কাজিনদের সাথে সম্পর্ক করছে। তাদের কাছে এর বাইরে কোনো স্পেস নাই।

গ্রামীণ জীবন থেকেই বলি।
স্কুলের আশেপাশে কয়টা গ্রামই থাকে আর! স্কুলের বাচ্চারা যখন প্রেম করছে, তখন তাদের চয়েজ এরিয়া সে স্কুল অথবা আশেপাশের গ্রাম। এরা কলেজ পর্যন্ত যদি অপেক্ষা করত, তাহলে তাদের পছন্দের এরিয়া পুরো উপজেলায় বিস্তৃত হতো। এরা যদি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা উচ্চতর অধ্যয়ন পর্যন্ত সামলিয়ে নিতে পারত, অনেক কোয়ালিটি চুজিংয়ের স্পেস থাকতো।

এরা জীবনের মানে বুঝেছে—সামনে যা পাও, সেটাই পৃথিবী। এরা ছোট্ট মুদি দোকানটাকে দেখেছে, সুপারশপ দেখেনি। মুদি দোকানের গুটিকতক পণ্যের মধ্য থেকেই বাজার করছে, একটু দূরে শহরের সুপারশপটা কখনো এরা দেখতে চায় না। মুদি দোকানের পণ্য চয়েজ আর সুপারশপের পণ্য চয়েজ কখনো কি সমান হতে পারে?

স্কুলগুলোতে গিয়ে বাচ্চাদের প্রেম করার জন্য একটু সময় নেওয়ার অনুরোধ করি। তাদের আরেকটু পরিণত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলি। স্কুলের সময়টাতেই নিজেকে কারও কাছে আত্মসমর্পণ না করিয়ে বেটার সময়ের অপেক্ষা করতে বলি। তাদের বলি—স্কুলের প্রেমিক-প্রেমিকা মাধ্যমিকের গণ্ডি নাও পেরুতে পারে, অন্তত স্নাতকে পৌঁছে যাও, স্নাতক পর্যন্ত ধৈর্য ধরো। সেখানে গেলে সবাইকে স্নাতক অবস্থায় পাবে, তোমাদের চয়েজের মানের পরিবর্তন হবে। কুয়োর মধ্যে এক বালতি পানি না খুঁজে, সমুদ্রে যাও না কেন?

এতক্ষণ পড়ে নিশ্চয় আপনাদের মেজাজ গরম হয়ে গেছে। শরিয়াহকে উপেক্ষা করে প্রেমের পক্ষে ওকালতি করছি স্কুলগুলোতে!

নাহ! মোটেও তা নয়।

আধুনিক জাহেলিয়াত সম্পর্কে ধারণাই নাই আমাদের। এদের ট্যাকটিক্যালি হ্যান্ডেল করা ছাড়া উপায় নাই। কোনো নসিহতে তারা প্রেমের নামে এই ভয়ংকর জাহেলিয়াত থেকে ফিরবে না। এদের কাছে প্রেম পবিত্র, মহান। তাদের ভাষায়—প্রেম স্বর্গ থেকে এসে জীবনে অমর হয়ে রয়।

এদের একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সামলিয়ে থাকার অনুরোধ জানিয়ে মূলত কিছু সময় নিতে চেয়েছি। কারণ, সামনে তাদের জন্য অনেক দাওয়াহ স্টেশন অপেক্ষা করছে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়-মাদরাসায় জীবনের বোধ বদলে দেওয়ার মতো ম্যাকানিজম আছে। অনেক দাওয়াহ গ্রুপের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ আছে। আল্লাহ চাইলে একটা ফানুসের জীবনবোধের পরিবর্তে তারা একটা মিনিংফুল জীবনবোধের সন্ধান পাবে ইনশাআল্লাহ।

টিনএজকে আমাদের ডিল করতেই হবে৷ এক মোহাচ্ছন্ন পৃথিবী থেকে তাদের যতটা সম্ভব বিরত রাখতেই হবে।

এটা আমার ব্যক্তিগত বোধ। আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা আছে, স্বীকার করি। ভিন্নমতকে সম্মান করি। প্রজন্ম নিয়ে পেরেশানি থেকে কথাগুলো লিখলাম। একটা জনপদকে অধ্যয়ন করছি। বোধগুলো তুলে ধরলাম। আল্লাহ তায়ালা আমাদের কিশোরদের সেভ করুন। হেরার আলোয় আলোকিত প্রজন্ম তৈরি হোক।

অবস্থা খুব ভয়াবহ!
আপনাদের পায়ে পড়ি ভাই কিশোরদের বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।

চলবে..

কপিরাইট :
Tasawwuf---তাসাউফ

প্রেমরোগ সিরিজ (পর্বঃ ৪ ) হে বোন, তুমি কি জানো, তুমি কতো মূল্যবান? রাস্তার অচেনা-অপরিচিত ছেলেরা যেমন তোমার নন-মাহরাম, ...

03/02/2023

প্রেমরোগ সিরিজ (পর্বঃ ৪ )

হে বোন, তুমি কি জানো, তুমি কতো মূল্যবান?

রাস্তার অচেনা-অপরিচিত ছেলেরা যেমন তোমার নন-মাহরাম, ঠিক তেমনিভাবে ক্লাসমেট হওয়া সত্বেও তারা নন-মাহরাম। অথচ তুমি তাদের সাথে বসে আড্ডাবাজি করো, অনলাইনে চ্যাটিং এ ব্যস্ত থাকো!

কী লাভ হলো তাহলে হিজাব-নিকাব গায়ে জড়িয়ে? এটা কে পর্দা বলে না বোন। প্রকৃত দ্বীনদার হতে শিখো। আল্লাহ তোমাকে দ্বীনের বুঝ দিয়েছেন তবুও কেন ছদ্মবেশী দ্বীনদার হয়ে আছো? এভাবে নিজেকে ধোঁকা দিও না।

আজ থেকে ওয়াদা করো, তুমি প্রকৃত দ্বীনদার হতে চেষ্টা করবে। ভালোভালো মেয়েদের সাথে মিশবে, ছেলেদের থেকে নিজেকে পৃথক রাখতে সাধ্যমত চেষ্টা করবে। আল্লাহ সহজ করে দিবেন ইন শা আল্লাহ।

ধৈর্য ধরো বোন, এভাবে ছেলেদের সাথে মাখামাখি করা তোমার রব্ব যে খুবই অপছন্দ করেন। রব্বের অপছন্দের কাজ করে তুমি কেনো নিজেকে জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিবে? তুমি তো জানো এই দুনিয়া স্বল্প সময়ের স্থান মাত্র, অন্যদিকে পরকাল চিরস্থায়ী।

"আমি আমার বান্দাদের জন্য এমন কিছু নেয়ামত রেখেছি, যা কোনো চক্ষু কোনো দিনে দেখেনি, কোনো কান কোনোদিন শুনেনি, এমন কি কোনো মানুষের অন্তরে ও তা উদিত হয়নি।"
(সহীহ মুসলিম : ২৮২৪)

#অবৈধ_প্রেম_মানেই_যিনা

চলবে ইনশাআল্লাহ....
কপিরাইট :Tasawwuf--তাসাউফ

03/02/2023

প্রেমরোগ সিরিজ (পর্বঃ ৩)

একজন বেগানা ছেলে/মেয়ের মায়ায় জড়িয়ে পরকাল হারাবেন না।

আজ যে মেয়েটি/ছেলেটি কষ্ট পাবে বলে হারাম থেকে বের হতে চাচ্ছেন না। দু'দিন পর আপনি মারা গেলে দুনিয়ার নিয়মে সেও ভুলতে শুরু করবে আপনার স্মৃতি! অথচ তাকে কতই না ভালোবাসেন!!

এরপর হয়তো সে অতীতের ভুলের জন্য তাওবা করে দ্বীনের পথে আসবে। কিন্তু আফসোস, আপনি হারামে জড়িত অবস্থায় পারি জমিয়েছেন আপনার চূড়ান্ত গন্তব্যে...

আপনি জানেন এই সুন্দর পৃথিবী, এতো সুন্দর মানুষগুলো ছেড়ে যে কোনো সময় চলে যেতে পারেন মহান রবের কাছে।

তবুও কি আপনি রব্বের নির্দেশ মানবেন না?

এই মরীচিকাময় মারা ভরা পৃথিবীতে সব কিছুই মিছে। কেউ কাউকে মনে রাখে না। মনে রাখে ততক্ষণ যতক্ষণ প্রয়োজন। কবরে রেখে আসার পর সবাই ধীরে ধীরে ভুলে যাবে।

ওয়াল্লাহি, দুনিয়াতে যত প্রকার ভালোবাসা আছে সব আপেক্ষিক। আজ কাউকে যেই কারণে খুব ভালো লাগবে, সেই একই কারণে তাকেই কাল অসহ্য মনে হবে। দুনিয়া এই নিয়মেই চলে। মেনে নিন। যার জন্য আপনার পরকাল নষ্ট করছেন সে অনেক মানুষের মধ্যে একটা স্যাম্পল মাত্র। এর বেশি কিছু না।

তবুও আপনি কেন এতোটা উদাসীন?

“সেই ব্যক্তি বুদ্ধিমান যে নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং মৃত্যুর পরবর্তী সময়ের জন্য কাজ করে। আর সেই ব্যক্তি নির্বোধ ও অক্ষম যে তার নফসের দাবির অনুসরণ করে আর আল্লাহ তা'আলার নিকটে বৃথা আশা পোষণ করে।"
(ইবনু মাজাহ: ৪২৬০)

চলবে ইনশাআল্লাহ.... -তাসাউফ
কপিরাইট : Tasawwuf

03/02/2023

প্রেমরোগ সিরিজ (পর্বঃ ২)

ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ) যখন বিয়ে করতে মনস্থির করেন তখন তার চাচিকে বলেন, ওই শায়েখের বাড়িতে দু'জন বিবাহযোগ্য মেয়ে আছে, আপনি তাদের দেখে আসুন এবং তাদের সম্পর্কে আমাকে জানান।
চাচি মেয়ে দুটিকে দেখে আসার পর ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের কাছে তাদের বর্ণনা দিতে শুরু করলেন। তিনি বাড়ির ছোট মেয়ের ব্যপারে অনেক প্রশংসা করলেন। ফর্সা চেহারা, তার চোখ ও চুলের সৌন্দর্য,দীর্ঘতা বর্ণনায় পঞ্চমুখ হলেন।
ইমাম আহমদ তখন তাকে বড় মেয়েটির ব্যাপারে বলতে বললেন। বড় মেয়েটির ব্যাপারে তিনি অনেকটা তাচ্ছিল্যের সঙ্গে কথা বললেন। অবিন্যস্ত চুল, খর্বকায় উচ্চতা, শ্যাম বর্ণ এবং একটি চোখে ক্রটি থাকার কথা উল্লেখ করলেন।
এরপর ইমাম আহমদ তাকে দুজনের দ্বীনদারির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন। জবাবে চাচি বললেন, বড় মেয়েটি দীনদারির দিক থেকে ছোট মেয়ের তুলনার বেশ এগিয়ে।

একথা শুনে ইমাম আহমদ বললেন, তাহলে আমি বড় মেয়েটিকেই বিয়ে করব।
বিয়ের ত্রিশ বছর কেটে যাওয়ার পর ইমাম আহমদের স্ত্রী মৃত্যুবরণ করলেন। দাফনের সময় ইমাম আহমদ বললেন, "ইয়া উম্মে আবদুল্লাহ! মহান আল্লাহ তোমার কবর শান্তিময় রাখুন। দীর্ঘ ত্রিশ বছরের বৈবাহিক জীবনে আমাদের মধ্যে একবারও ঝগড়া-বিবাদ হয়নি।"
একথা শুনে তাঁর এক ছাত্র অবাক হয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, "ইয়া শায়েখ! এটা কিভাবে সম্ভব?"
জবাবে ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল বললেন, "যখনই আমি তার প্রতি রেগে যেতাম তখন তিনি চুপ থাকতেন, আর যখন তিনি আমার প্রতি রেগে যেতেন তখন আমি চুপ থাকতাম। তাই আমাদের মধ্যে কখনোই ঝগড়া-বিবাদ হয়নি।"
[ আল ইলমু ওয়াল উলামা : ৩৩৬ ]

চলবে ইনশাআল্লাহ.....
কপিরাইট : Tasawwuf

03/02/2023

প্রেমরোগ সিরিজ (পর্বঃ ১)

প্রিয় ভাই, এই যৌবন যেন তোমার জাহান্নামের কারণ না হয়...

আজকাল প্রায় সময়-ই একটি বিষয় দেখা যায়, অবসরে কিংবা ক্লাসের ফাঁকে দু-তিনজন যুবক একসাথে হতেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের আলোচনার মূল টপিক হয়ে উঠে একটি মেয়ে। আর তা কতোটা নোংরা ভাষায় হয়ে থাকে তা কেউ একবার শুনলেই বুঝতে পারবেন। আবার ক্লাসের ম্যাডাম একটু ফর্সা হলেই, রাস্তায় হঠাৎ চোখে পড়া মেয়েটি স্টাইলিশ হলেই, খেলা দেখতে আসা অর্ধ-উলঙ্গ মেয়েটির উপর ক্যামেরা ধরতেই তারা তাৎক্ষণিকভাবে চরিত্রহারা হয়ে উঠে। কী অদ্ভুত আচরণ!

এই ঈমাণ নিয়ে তুমি কীভাবে জান্নাতের স্বপ্ন দেখছো? তুমি কী ভুলে গেছো এটা তোমার রব্বের কাছে কতটা জঘন্যতম অপরাধ? যৌবনের সময়টা হেসে খেলে নষ্ট করে ফেলো না ভাই, এই সময়টাই তোমার জন্য সম্পদ। যৌবন চলে গেলে তুমি নিশ্চয়ই বুঝবে, তাই যৌবন থাকতে ফিরে আসো ভাই!

“দুই চক্ষুর যিনা হচ্ছে- দেখা, দুই কানের যিনা হচ্ছে- শুনা, জিহ্বার যিনা হচ্ছে- কথা, হাতের যিনা হচ্ছে- ধরা, পায়ের যিনা হচ্ছে- হাঁটা, অন্তর কামনা-বাসনা করে; আর যৌনাঙ্গ সেটাকে বাস্তবায়ন করে অথবা করে না।”
[সহীহ মুসলিম: ২৬৫৭]

"কিছু যুবক বলে থাকে তারা মেয়েদের চরিত্র ও ভদ্রতা ছাড়া আর নাকি কিছুই দেখে না। মেয়েদের সাথে তারা নাকি বন্ধুর মতোই কথা বলে এবং মেয়েদের বন্ধুর মতোই ভালোবাসে। মিথ্যা কথা! আল্লাহর শপথ, এসব মিথ্যে কথা! যুবকেরা তাদের আড্ডায় তোমাকে নিয়ে যে ধরনের কথা বলে তা যদি শুনতে পেতে, তাহলে তুমি ভয়ে চমকে উঠতে।"
--- শাইখ আলি তানতাবি (রাহিঃ)
কপিরাইট : Tasawwuf

03/02/2023

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daily Hadith & Verse. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category