17/01/2024
আজকের পোস্টটিতে কি কি থাকছেঃ
১০৫ থেকে ১১২ পৃষ্ঠায়, পবিত্র কুরআন শরীফ এর পারা ১ এর ২ নম্বর সুরা আল বাক্বারাহ্ (বাংলা অর্থঃ বকনা—বাছুর) এর ১১২ নম্বর আয়াত থেকে পারা ১ এর ২ নম্বর সুরা আল বাক্বারাহ্ (বাংলা অর্থঃ বকনা—বাছুর) এর ১২০ নম্বর আয়াতের ১,৯৭০ থেকে ২,১১৯ পর্যন্ত (১৫০ টি) শব্দ।
কোন্ অংশে কি আছেঃ
1. # -- আল কুরআনের শব্দের ধারাবাহিক নম্বর (যেমনঃ ১ থেকে শুরু করে ৭৭,৮৭৮ পর্যন্ত)
2. আরবি শব্দ -- ধারাবাহিকভাবে আল কুরআনের আরবি শব্দ আরবিতে লেখা
3. ধারণাগত বাংলা উচ্চারণ -- আরবি শব্দের উচ্চারণ বাংলায় লেখা ( যেমনঃ আল্.হাম্.দু )
4. বাংলা অর্থ (অতিরিক্ত ব্যখ্যা সহ) -- (যেমনঃ সকল প্রশংসা)
5. পারাঃসূরাঃআয়াত -- পারা নম্বরঃসূরা নম্বরঃআয়াত নম্বর (যেমনঃ P-1: S-2: A-27 মানে শব্দটি আল কুরআনে পারা ১ এর ২ নম্বর সূরার ২৭ নম্বর আয়াত)
6. বার -- হুবহু এই শব্দটি আল কুরআনে মোট কতবার আছে (যেমনঃ ৯৪০ মানে শব্দটি আল কুরআনে মোট ৯৪০ বার হুবহু এই একইভাবে আছে)।
বাংলায় বাক্য সাজানোর নির্দেশনাঃ
পবিত্র কুরআন শরীফের বড় আয়াতগুলো পড়ে একবারে সম্পূর্ণ আয়াতের বাংলা অর্থ বোঝা বেশ কষ্টকর। এজন্য আমরা বিরাম চিহ্ন (দাড়ি,কমা, প্রশ্নবোধক ইত্যাদি) ব্যবহার করেছি। কাজেই ছোট ছোট অংশের শব্দগুলো সাজিয়ে অর্থ বুঝতে সহজ হবে। যেমনঃ শব্দ # ১+ শব্দ #২+ শব্দ #৩ + শব্দ # ৪ এর বাংলা অর্থ যথাক্রমেঃ নামে (শুরু করছি) + আল্লাহ্র + (যিনি) পরম করুণাময় + অসীম দয়ালু। এই অংশটুকু সাজালে হবে এরকমঃ আল্লাহ্র নামে শুরু করছি যিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।
প্রতি পেইজে শব্দগুলোতে মোটা ও চিকন ফন্ট ব্যবহারের কারণঃ
মোটা ফন্ট মানে আরবি শব্দটি হুবহু এইভাবে এই জায়গায় প্রথম আল কুরআনে ব্যবহৃত হয়েছে (অর্থাৎ মোটা ফন্টে লেখা এই আরবি শব্দটার বাংলা অর্থ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মনে গেঁথে নিতে হবে)। যেমনঃ “আরবি শব্দ # ৩” “আররাহ্.মা-নি” “(যিনি) পরম করুণাময়” এটা মোটা ফন্টে লেখা মানে, “আররাহ্.মা-নি” আরবি শব্দটা ৩ নম্বর শব্দে আল কুরআনে প্রথমবার ব্যবহার করা হয়েছে।
চিকন ফন্ট মানে শব্দটি আগে আল কুরআনের অন্য জায়গায় হুবহু এই ভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে পুনরায় হুবহু একইভাবে আরবি শব্দটা আবার ব্যবহৃত হল (অর্থাৎ চিকন ফন্টে লেখা এই আরবি শব্দটার বাংলা অর্থ না দেখে মনে করতে পারি কিনা, সেই চেষ্টা করতে হবে)। যেমনঃ “আরবি শব্দ # ৯” “আররাহ্.মা-নি” “(যিনি) পরম করুণাময়” এটা চিকন ফন্টে লেখা মানে, “আররাহ্.মা-নি” আরবি শব্দটা ৯ নম্বর শব্দে আল কুরআনে পুনরায় ব্যবহার করা হয়েছে, এবং এইখানে সহ ভবিষ্যতে যতবার “আররাহ্.মা-নি” আরবি শব্দটা আসবে তার প্রত্যেকবারই এটা হালকা ফন্টে লেখা আছে।
শব্দের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন কালার করার কারনঃ
আরবি শব্দের মাধুর্য হল আরবি একটা শব্দে একগুচ্ছ বাংলা শব্দ থাকে। এমনও হতে পারে আরবিতে একটা শব্দ কিন্তু সেটা ভাংলে বাংলায় সম্পূর্ণ একটা বাক্য হয়ে যায়!
আরবি শব্দের কালার অনুযায়ী বাংলা অর্থের কালার মিলিয়ে পড়লে, আরবি শব্দের ঐ অংশটুকুর বাংলা অর্থ অনুধাবন করা সহজ হয়। যেমনঃ “আরবি শব্দ #৬” এর “লিল্লাহি” এর বাংলা অর্থ “আল্লাহ্র জন্য” (এখানে আরবি শব্দে “লি” নীল রঙের আছে একইভাবে বাংলা অর্থে “জন্য” নীল রং করা আছে। এর মানে আরবি “লি” এর বাংলা অর্থ “ জন্য।
আরবি শব্দতে কালার আছে, বাংলা অর্থেও সেই একই কালার আছে কিন্তু কোথাও কোথাও আরবি উচ্চারনে সেই কালার না থাকার কারনঃ
আরবিতে শব্দের শেষে “و “ বা “وا “ কালার করা থাকলে সেই অনুসারে বাংলা অর্থের সেই অংশে সেই একই কালার ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু আরবিতে শব্দের শেষে “و “ বা “وا “ কে বাংলা উচ্চারণ লেখার ক্ষেত্রে “ূ “ (দীর্ঘ ঊ কার) দেয়া হয়েছে। শুধু “দীর্ঘ ঊ কারকে” (ূ) কালার করা যায় না বিধায় বাংলা উচ্চারণে এই কালার দেয়া হয় নি। যেমনঃ “আরবি শব্দ # ৭২” আরবি বর্ণে লেখা “كَفَرُوا” তে শেষের “وا “ কালার করা আছে ও বাংলা অর্থে “وا “ এর অর্থ হিসেবে “তারা” কালার করা আছে, কিন্তু বাংলা উচ্চারনে “কাফারূ” তে দীর্ঘ ঊ কারকে” (ূ) কালার করা নেই। কারণ শুধু দীর্ঘ ঊ কারকে” (ূ) বাংলা শব্দে কালার করা যায় না। এজন্য বাংলা উচ্চারনে কালার করা নেই।
অনুরূপভাবে আরবিতে শব্দের শেষে “ي “ কালার করা থাকলেও এবং বাংলা অর্থে “ي “ এর সাথে সম্পর্কিত অর্থ কালার করা হলেও, বাংলা উচ্চারণের ক্ষেত্রে শেষে থাকা “ী “ কালার করা সম্ভব হয় নি।
আরবি থেকে বাংলা উচ্চারনে অনুসৃত নীতিঃ
আরবি বর্ণ “আলিফ “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ আ “
আরবি বর্ণ “আঈন “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ আ’ “ {অর্থাৎ আ এর উপর একটা কমা}
আরবি বর্ণ “হামযাহ্ “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ আ “
আরবি বর্ণ “তা “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ ত “
আরবি বর্ণ “ত্ব “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ ত় “ {অর্থাৎ ত এর নীচে একটা ফোঁটা}
আরবি বর্ণ “ছা “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ ছ “
আরবি বর্ণ “সীন “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ স “
আরবি বর্ণ “স্বোয়দ “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ স় “ {অর্থাৎ স এর নীচে একটা ফোঁটা}
আরবি বর্ণ “শীন “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ শ “
আরবি বর্ণ “জীম “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ জ “
আরবি বর্ণ “জ্ব “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ জ় “ {অর্থাৎ জ এর নীচে একটা ফোঁটা }
আরবি বর্ণ “যাল “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ য “
আরবি বর্ণ “ঝা “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ ঝ “
আরবি বর্ণ “ক্বফ “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ ক় “ {অর্থাৎ ক এর নীচে একটা ফোঁটা }
আরবি বর্ণ “কাফ “ এর উচ্চারনে লেখা হয়েছে “ ক “
পুরনো পোস্ট ডাউনলোড করার নির্দেশনাঃ
যারা আরবি দেখে পড়তে পারেন, তারা আরবি শব্দ ও প্রতি শব্দে বাংলা অর্থ সহ প্রথম ভার্শনে প্রকাশিত পুরো ৩০ পারা কুরআন শরীফ পারাভিত্তিক ডাউনলোড করতে চাইলে, নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন।
https://cutt.ly/AlQuranWordMeaning
আর যারা আরবি দেখে পড়তে পারেন না, তাদের জন্য চলমান দ্বিতীয় ভার্শনে প্রতিটা আরবি শব্দে ধারাবাহিক ভাবে বাংলায় উচ্চারণ যোগ করা হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, প্রকাশিত উচ্চারণ গুলো যারা আরবি পড়তে পারেন না, তাদেরকে উচ্চারণ সম্পর্কে একটা ধারণা দেবে। তবে সঠিক উচ্চারণ শেখা ও সঠিকভাবে কুরআন শরীফ শেখার জন্য স্থানীয় কোন ভালো ক্বারির কাছ থেকে ৫-৬ মাস সময় দিয়ে ভালো করে শিখে নেবেন, এই অনুরোধ রইলো। দ্বিতীয় ভার্শনে প্রতি পারা প্রকাশনা শেষ হলে, সেই পারার প্রতিটা আরবি শব্দের বাংলা উচ্চারণ আর বাংলা অর্থ সহ ডাউনলোড করতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন।
https://cutt.ly/AlQuranWordMeaningV2
পুরনো পোস্ট সার্চ করার নির্দেশনাঃ
ভার্শন ২ এর পূর্বে প্রকাশিত নির্দিষ্ট পেজ, নির্দিষ্ট পারা, নির্দিষ্ট সুরা বা নির্দিষ্ট সুরা এর নির্দিষ্ট আয়াত খুঁজে পেতে শব্দার্থে আল কুরআন পেজের উপরের ডানদিকে সার্চ অপশনে গিয়ে লিখুনঃ
নির্দিষ্ট পেজ যেমনঃ v2page2 বা v2page35 বা v2page881 বা বা v2page1089 ইত্যাদি লিখুন।
নির্দিষ্ট পারা যেমনঃ v2para3 বা v2para26 ইত্যাদি লিখুন।
নির্দিষ্ট সুরা যেমনঃ v2sura8 বা v2sura55 বা v2sura107 ইত্যাদি লিখুন।
নির্দিষ্ট সুরা এর নির্দিষ্ট আয়াত যেমনঃ v2sura7ayat13 বা v2sura27ayat43 ইত্যাদি লিখুন।
; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; #শব্দার্থেআলকুরআন; #শব্দার্থে_আল_কুরআন; #আলকুরআন; ুরআন;