১৬ ডিসেম্বর মানে শুধু ছুটি না—এই দিনটা আমাদের মাটি, মানুষ আর লাল-সবুজের কাছে দায়বদ্ধ থাকার শপথ।
ত্রিশ লক্ষ বীর শহীদ আর দুই লক্ষাধিক মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত এই মহান স্বাধীনতা 🇧🇩 ।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা 🖤💜🇧🇩🇧🇩
Sociology সমাজবিজ্ঞান
সমাজবিজ্ঞানের প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন🥰
26/10/2025
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র!
এই নক্ষত্রদ্বয়ের মধ্যে প্রথম জন হলেন, উপমহাদেশের অন্যতম ও বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সমাজবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এ আই মাহবুব উদ্দীন স্যার। যিনি সমাজবিজ্ঞান বিভাগে পড়তে আসা নবীন ছাত্রছাত্রীদের ট্রাডিশনাল চিন্তাধারাকে ভেংগে চুরমার করে দিয়ে সমাজবিজ্ঞান বোঝার জন্য প্রস্তুত করে দেন।
সমাজের সাধারন সদস্য হিসেবে ট্রাডিশনাল বিশ্বাস, নীতি-নৈতিকতার ধারনা নিয়ে সমাজবিজ্ঞান পড়তে আসা নবীন ছাত্রছাত্রীদের চিন্তার ধাঁধা ও দ্বন্দ্বে ফেলে দেয়া, চমৎকার বাচনভঙ্গির অধিকারী ও প্রচারবিমুখ এই সমাজবিজ্ঞানীকে বেশিরভাগ প্রথম সেমিস্টারের স্টুডেন্টরা বুঝতে না পারলেও সময়ের পরিক্রমায় স্যার প্রায় সব ছাত্রছাত্রীদের হৃদয়ে প্রিয় শিক্ষক হিসেবে স্থান করে নেন।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আরেক উজ্জ্বল নক্ষত্র, আমার অসম্ভব প্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব হলেন প্রফেসর ড. এ এস এম আমানউল্লাহ স্যার। স্যারের সম্পর্কে বলতে গেলে বিশাল এক প্রবন্ধ লিখতে হবে। সংক্ষেপে বলি, জাতিসংঘ থেকে শুরু করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউএনএইডস সহ অসংখ্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য বিষয়ক নানা প্রকল্পে উপদেষ্টা ও বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন এই সমাজবিজ্ঞানী।
বাংলাদেশে এইডস নিয়ে যত কাজ হয়েছে তার সিংহভাগের পিছনে স্যারের নেতৃত্ব ও অবদান রয়েছে। হার্ভার্ড, এমআইটি সহ অসংখ্য বিশ্ববিখ্যাত জার্নালে প্রকাশিত অসংখ্য পেপারের লেখক, ছাত্রছাত্রীদের মেন্টর এই স্যার প্রতিদিন কমপক্ষে এক গ্যালোন লাফিং গ্যাস নিয়ে ক্লাসে প্রবেশ করেন। ;) দীর্ঘ দুই ঘন্টা ব্যাপী স্যারের ক্লাসে বোরিং হওয়াতো দুরের কথা স্যারের চমৎকার অভিনয় ও লেকচারে হাসতে হাসতে সবার পেটে খিল ধরে যায়।
প্রায় পাঁচ হাজার ডাক্তার ও হেলথ প্রফেশনালকে ট্রেনিং দেয়া গ্লোবাল সিটিজেন এই স্বাস্থ্য সমাজবিজ্ঞানী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বড় সামাজিক ট্যাবু সেক্স, সমকামিতা, ট্রান্সজেন্ডার ও যৌনস্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা কিন্তু মার্জিত ও মজার ভংগিতে আলোচনা করে লজ্জাবতী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রছাত্রীদের ম্যাচুরিটি এনে দেন। ;) এভাবে সমাজের অসংখ্য বিচিত্র বিষয়কে সমাজবিজ্ঞানের চোখ দিয়ে দেখার ও বিশ্লেষণ করার যোগ্যতা তৈরি করেন।
Sociology সমাজবিজ্ঞান 🥰
সবাই আর একটু সচেতন হই Sociology সমাজবিজ্ঞান ♥️
14/10/2025
কেমন আছেন সবাই ♥️
সমাজবিজ্ঞান পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ 💝💝💝
03/02/2025
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের পথিকৃৎ অধ্যাপক ড. এ. কে. নাজমুল করিম ,,,
দেশের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের নাজমুল করিম (১৯২২-১৯৮২) বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের জনক
হিসেবে পরিচিত। ড. নাজমুল করিম ১৯৪৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক এবং ১৯৪৬ সালে স্নাতকোত্তর
ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৩ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান রাজ্য বৃত্তি লাভ করেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার সুযোগ পান। যুক্তরাষ্ট্রের
কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে যুগপৎ ‘সরকার’ ও ‘সমাজবিজ্ঞান’ এই দুটি বিষয়ে এম. এ. ডিগ্রি এবং ১৯৬৪ সালে রকফেলার বৃত্তি
পেয়ে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের
শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনেস্কোর যৌথ সহযোগিতায় ১৯৫৭ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৫৮ সালে অধ্যাপক ড. নাজমুল করিম এই নতুন বিভাগ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সমাজ গবেষণার আদি সূচনা হয়েছিল ড. নাজমুল করিমের হাত ধরেই। অধ্যাপক নাজমুল করিম
সমাজবিজ্ঞানকে সকলের পাঠযোগ্য করার উদ্দেশ্যে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বই লিখেছেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘সমাজবিজ্ঞান সমীক্ষণ’
বইটি। তাছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই নাজমুল করিম দুটি প্রবন্ধ ‘ধর্মের বিবর্তন ও মার্কসবাদ’ এবং ‘ভূগোল ও ভগবান’
২
প্রকাশ করে বিদ্বৎকুলের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর এম. এ. অভিসন্দর্ভ ‘চেঞ্জিং সোসাইটি ইন ইন্ডিয়া এন্ড পাকিস্তান’ গ্রন্থাকারে
১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয়। তাছাড়া তাঁর পিএইচডি অভিসন্দর্ভ ‘মর্ডান মুসলিম পলিটিকাল এলিট ইন বেঙ্গল’ ১৯৮০ সালে ‘ডাইনামিক্স
অব বাংলাদেশ সোসাইটি’ নামে প্রকাশিত হয়। ১৯৬০ এবং ১৯৬২ সালে সমাজবিজ্ঞানের দুজন শিক্ষক অধ্যাপক পেরি বেসাইনি ও
অধ্যাপক ড. জন ই ওয়েন কর্তৃক যে দুটি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশিত হয় তাতেও নাজমুল করিম মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। প্রথম গ্রন্থের
সমাজবিজ্ঞানের পদ্ধতি সংক্রান্ত প্রথম প্রবন্ধ এবং দ্বিতীয় গ্রন্থের সমাজতত্ত¡ অংশের প্রথম প্রবন্ধ ও ক্ষেত্র-গবেষণা অংশের দ্বিতীয় প্রবন্ধের
লেখক ছিলেন নাজমুল করিম। তিনি এই সকল প্রবন্ধে সমাজতাত্তি¡ক পদ্ধতি, উন্নয়নের লক্ষ্য ও সামাজিক স্তরবিন্যাস সম্পর্কে মতামত
ব্যক্ত করেন, যা বাংলাদেশের সমাজের জন্য উপযোগী বলে বিবেচিত। তাছাড়া তিনি দেশ-বিদেশে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সেমিনারে বেশকিছু
গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছিলেন যা বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
শিক্ষায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার অধ্যাপক নাজমুল করিমকে ২০১২ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করেন।
বাংলাদেশের সমাজ গবেষণায় এবং সমাজবিজ্ঞান শিক্ষা বিকাশের ক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. নাজমুল করিম পথিকৃৎ হিসেবে অগ্রগণ্য
03/02/2025
আমাদের সমাজবিজ্ঞান পরিবার 💝💝💝
কেমন আছেন সবাই,,,,, 💝
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়ের সাহসী সন্তানদের স্যালুট 💝
06/08/2024
Congratulation 💝
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka