Accounting & Excel with Johurul

Accounting & Excel with Johurul

Share

I am Md. Johurul Islam, MPA (DU), CMA (ANZ), CGIA (USA), ACCA (Final), CA partly Qualified.

16/09/2025

''বর্তমান সময়ে মিথ্যা বলা একটা আর্ট ও কঠিন সৌন্দর্য ।'' যা ছাড়া রাজনীতি, ব্যবসা, চাকরী সবকিছুই অচল।

অথচ আমাদের হাদিস- কোরান বলে:

মিথ্যা ভয়াবহ সামাজিক ব্যধি। মিথ্যাচর্চা সমাজে নানামুখী নৈরাজ্য সৃষ্টি করে। আল কুরআনে মিথ্যা পরিত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সত্যবাদিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘এবং তাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত যারা মিথ্যাবাদী। ’ (আলে ইমরান, আয়াত : ৬১)।
নবী (সা.) ইরশাদ করেন, ‘মিথ্যা পাপাচারের দিকে পথ দেখায়। আর পাপাচার জাহান্নামে নিয়ে যায়। মানুষ মিথ্যা বলতে থাকলে আল্লাহর কাছে মিথ্যুক হিসেবে তার নাম লেখা হয়। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৬২৯)।

02/09/2025

যে দেশে সরকারের ছত্রছায়ায় জজ মিয়া নাটক তৈরি হয়, পিলখানার মত ট্রাজেডি তৈরি হয়, হাজার হাজার মানুষকে গুম-খুন হতে হয়।

যে দেশের সরকারপক্ষ ও সরকারের এমপি-মন্ত্রীরা সরাসরি এই সকল অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে, আরার তাদের সহযোগিতা করার জন্য হাজারো অসৎ-জারজ আমলা থাকে, যেখানে সৎ-যোগ্য আমলারাই ভুক্তভোগী তাহলে সাধারণ জনগনের কিইবা করতে পারে।

আবার এই সকল রাজনৈতিক দলকে অন্ধ-কানা, বলদ-শিক্ষিত জনগন কতশত যুক্তি দিয়ে সাপোর্ট করে ও পীর বানায়া দেয়।

কত অবুঝ আর বে-আক্কল আমাদের দেশের জনগন, চোর-বাটপার-লুচ্যা-বদমায়েশকে ২০০-৫০০ টাকার বিনিময়ে জনপ্রতিনিধি বানায়। সৎ-যোগ্য ব্যক্তিকে টাকা খরচ না করার কারনে প্রতিনিধি বানায় না।

এই দেশের ও দেশের জনগনের ভাগ্যে কি ভালো কিছু আসলেই সম্ভব?

21/08/2025

ই-রিটার্ন সিস্টেমে ব্যক্তি রিটার্নে ফার্মের আয়ের ঘরে লস এর টাকা অংক বা নেগেটিভ এমাউন্ট বা টাকা অংক বসানো যাচ্ছে না। অথাৎ শুধুমাত্র পজিটিভ টাকার অংক বসানো যায় কিন্তু নেগেটিভ টাকার অংক বসানো যাচ্ছে না।

কারো সমাধান জানা থাকলে, দয়া করে পরামর্শ আশা করছি।

18/12/2024

স্বাধীনতার ইতিহাস বারবার লেখা হয়েছে কারও কারও মনের মাধুরী দিয়ে। কে কাকে হিরো বানাবে বা কে হিরো হবে। প্রকৃত ইতিহাসকে বারবার আড়াল করা হয়েছে।

কিন্তু সত্যকে চাপা দিয়ে রাখা যায় না, কোন না কোনভাবে তা উম্মোচন হবেই। জনগন যে কিছু জানে না, বোঝে না তা নয়।

এখন আবার শুরু হয়েগেছে কিছু অতিবুদ্ধিজীবীর কারবার। যারা বিগত ৫৩ বছরে বা*** চিরছে। সুযোগ পেলেই চুলকানি বাড়ে, চুলকাইয়া দেওয়ার জন্য। শিক্ষিত নামের সব কুলাঙ্গার। সঠিক ইতিহাস আর কখনোই লেখা হবে না, কারন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা বেশিরভাগই সুযোগসন্ধানী।

আবার বিতর্কের শুরুটা হয়েছে মুলতঃ ১৯৭২-৭৫ এ শেখ মুজিবুর রহমানের দূঃশাসনের কারনে। যদি তিনি তা না করতেন বা শুরুতেই ক্ষমতার বাহিরে থাকতেন। অথবা যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতেন, সু-ইতিহাস রচনা করতেন। তাহলে এত বির্তকের সৃষ্টি হত না।

এখন সঠিক বলা মানুষের বড়ই অভাব, কারন প্রত্যেকেই কোন না কোন দল বা কোন না কোন স্বার্থের মধ্যেই আটকে আছেন।

ফ্যাক্ট: দেশরুপান্তর পত্রিকার ১৫.১২.২০২৪ একটা কলাম।

বদলে যাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা! 16/12/2024

আমরা বয়স বুঝি না, চেতনাও বুঝি না। আমরা বুঝি যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছে তারাই মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে যারা যুদ্ধ করেছে তারাই প্রকৃতপক্ষে মুক্তিযোদ্ধা।

আজকে এই মহান দিনে আমরা চাই সকল ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের ও ঐ ভুয়া কোটায় যাদের সরকারি চাকরি হয়েছে তাদের সবাই বাদ দেওয়া হোক ও তাদের কাছ থেকে জরিমানা ও সুদসহ সকল বেতনভাতা ফেরত নেওয়া হোক এবং ভুয়া তালিকাভুক্তি ও চাকরি নেওয়ার জন্য কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।

আর যারা এই কাজের জন্য উৎসাহ দিয়েছে ও সহযোগিতা করেছে তাদেরকেউ আইনের আওতায় এনে কঠিনতম সাজা দেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ আর এই ধরনের কাজ করতে সাহস না করে।

বি:দ্র: আমাদের এলাকায় ৪-৫ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আছে, তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণের সোচ্চার হওয়া দরকার।

যতবার মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা আপডেট করেছে ততবারই ভুয়া মুক্তিযুদ্ধাদের তালিকা সমৃদ্ধ হয়েছে। জাতি হিসেবে আমরা দুই নাম্বারিতে সফল কিন্তু মুখে আমাদের বেশ সততার ফুলঝুরি।

https://www.facebook.com/share/p/1EwmiV97A1/

বদলে যাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা! বদলে যাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা!

23/11/2023

সমাজসেবক, দানশীল ও মেহনতী মানুষের বন্ধু

বর্তমান সমাজ,গ্রাম, মফস্বল শহর, জেলা শহর, রাজধানী যেখানেই বলি না কেন, সবজায়গাতেই বিগত দুই দশক যাবৎ নতুন একটি ট্রেন্ড চালু হয়েছে। যা হচ্ছে ঘরে ঘরে, মহল্লা-মহল্লায় সমাজসেবক, দানশীল ও মেহনতী মানুষের বন্ধু বহুত দেখা যায়।

দানশীল: এই ধরুন যেমন কিছু মানুষ আছে যারা জীবনে ফকিরকে ভিক্ষা দিছে বলে আমার মনে হয় না। আবার কিছু ধনী লোক জাকাত দেয় না। কিন্তু কাউকে কোন দিন দুই কেজি চাল দিলে তার ছবি তুলে রাখে বাইশজন মিলে। এরাই দিনশেষে দাতা বা দানবীর বা দানশীল হয়েগেছে। বড় বড় লিফলেট ছাপায় দানবীর টাইটেল দিয়ে ।আবার যারা প্রকৃতপক্ষে দান করে বা সঠিকভাবে জাকাত দেয় তারা কখনো কাউকে জানতেও দেয় না। এখানে পার্থক্য হলো চোর আর মানুষের। চোর বললাম এই কারনে এখন নিজেকে দাতা হিসেবে প্রচার করবে পরে ঠিকই দানের টাকা চুরি করবে।

সমাজসেবক : সমাজসেবা যে কতবড় মহান কাজ এর অর্থ বুঝা বড়ই দায়। অবশ্য এখনকার সমাজসেবক বড়ই আজব কারন তারা জানেই না সমাজ কি আর সেবা কি? মনে করুন ঘুষ-সুদ খেয়ে বা অবৈধ আয় করে মসজিদ বা মাদরাসায় বা এতিম খানায় বা ইসলামী জালসায় ৫০০০ টাকা দিয়ে নিজের নাম প্রচার করলো বিশিষ্ট সমাজসেবক। কি জে মজা। আবার কেউ এসব না করেই সমাজসেবক অর্থাৎ রাজনৈতিক নেতা বনে যায়।

আরেক শ্রেণির লোক আছে, তাদেরকে জিবনে কখনওই কারো উপকার করতে দেখি নাই। কিন্তু সমাজসেবার সার্টিফিকেট কিনে, পত্রিকায় প্রচার করে, ফেসবুকে প্রচার করে, পোস্টার বানিয়ে এলাকার দোকান-পাটে, দেয়ালে-ওয়ালে, বাড়ি-বাড়ি গিয়ে লাগিয়ে দেয়। মানুষকে বোঝাতে চায় আমি কততো ভালো কাজ করেছি, তাহার পুরস্কার পেয়েছি।

প্রশ্ন: সাটিফিকেট কিভাবে কিনে?
উত্তর : বর্তমানে সরকারি -বেসরকারী অনেক অফিসে টাকার বিনিময়ে সাটিফিকেট কেনা যায়। ঠিক সরকারি সেবা কিনতে যেমন টাকা লাগে। আবার কিছু সংগঠনও তৈরী হয়েছে যারা টাকার বিনিময়ে পুরস্কার বা সাটিফিকেট বিক্রি করে।

যেমন: অনেক থানা বা উপজেলা থেকে সাদা মনের মানুষের পুরস্কার দেয়। এমনও লোক এরকম পুরস্কার পায়, যেকিনা সাদার আসলে অর্থ কি সেটা জানে না। কিন্তু মানুষের পাছায় বাঁশ কিভাবে দিতে হয়, সেটা খুব ভালো করে জানে। এরকম বহুত পুরস্কার বা সাটিফিকেট বর্তমান সময়ে টাকা বিনিময়ে কিনতে পারা যায়।

আবার এই টাইপের লোকজন মনে করে, পাবলিক কিচ্ছু বোঝে না। ঠিক কাকের মতো চিন্তা। যেমন, কাক সাবান বা কোন কিছু মুখে করে নিয়ে গিয়ে চোখ বন্ধ করে একটা নিদিষ্ট স্থানে ছেড়ে দেয় এবং মনে মনে বলে কেউ দেখে নাই, আমি ছাড়া, পড়ে এসে খাবো।

পাবলিকও এসব দেখে খুব মজা নেয় এবং মজা পায়। কিযে আনন্দ আকাশে-বাতাসে। দিনের শেষে ফলাফল শুন্য। এতো কিছু করলাম টাকা পয়সা খরচ করে, প্রচার- প্রসার করে কিন্তু পাবলিক চিনলো চিটার বাটপার বলে।

Photos from Accounting & Excel with Johurul's post 24/07/2023

BASIS JOB FAIR

09/04/2023

বাংলাদেশের আয়কর নিয়ে কিছু কথা

বাংলাদেশ সরকারের আয়কর ও ভ্যাট থেকে বছরে যা আয় হয় তা বিগত ২০০৬-২০২২ পর্যন্ত যদি ধরি সেটা গড়ে জিডিপির ৮% এবং ২০২১ ও ২০২২ সালে যথাক্রমে ৭.৯%। যা উন্নত দেশগুলোতে গড়ে ২৫% থেকে ৫০% এবং কিছু উন্নয়নশীল দেশে গড়ে ১৫% থেকে ২৫%। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের গড়ে ১০% থেকে ১২%। সে তুলনায় আমাদের দেশে অনেক কমই বটে।

উন্নত দেশে আয়কর হার:
উন্নত দেশগুলোতে গড়ে প্রত্যেকের মাসিক আয় থেকে ২৫% থেকে ৩০% কেটে রাখে তাতেও ঐ লোকগুলোর কোন কষ্ট থাকে না যে আমার আয় থেকে সরকার এতগুলো টাকা কেটে নিয়ে গেল। কারন তাদের শেষ বয়সে সরকার তাদের সমস্ত দায়দায়িত্ব নেয় এবং সন্তানের লেখাপড়া সরকারের দায়িত্বে হয়, চিকিৎসাসহ আরো অনেক কিছুতই কোন ব্যয় করতে হয় না। বরং প্রতি শিশু সন্তানের জন্য প্রতি মাসে ৫০০-৭০০ ডলার করে পায়। যে কারনে মানুষগুলো অতি উৎসাহিত হয়েই আয়কর দিয়ে থাকে।

আসি আমাদের দেশের আয়কর নিয়ে:
আমাদের দেশে যাদের বছরে আয় ৪-৫ লাখ টাকা (বিশেষকরে চাকুরীজিবী) তাদের আয়কর দিতে হচ্ছে যা প্রতিষ্ঠান বাধ্যতামুলকভাবে কেটে নিচ্ছে। আবার গ্রামের অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আছে যাদের আয় বছরে ৪-৫ লাখ টাকার অনেক বেশি কিন্তু তারা আয়করের আওতায় নাই। গ্রামের কোন কোন ব্যক্তি যখন সেচ্ছায় আয়কর দিতে যায় বা একবার আয়কর দিয়েছে সে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয় তাতে তার মনে হয় জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করেছে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে। যে গ্রামের অনেক লোক আয়কর দেয়ার সার্মথ্য থাকলেও ভয়ে সেখানে যেতে চায় না।

আবার লোকজন আয়কর মেলায় গেলে যে সুবিধা পায়, মেলা শেষ হলে আয়কর অফিসে গেলে তাকে হাইকোর্ট -সুপ্রিমকোর্ট দেখানো হয়।

প্রাতিষ্ঠানিক আয়কর সম্পর্কে :
প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিকেই আয়কর দিতেই হয়। তারা সবসময় দিয়েই থাকে। কিন্ত যখন আয়কর অফিস থেকে লোকাল যাতায়াতেরমত খরচের বিলভাউচার চাওয়া হয়, তখন কয়েকজনই বা এই ভাউচার দিতে পারে আমি জানি না? না হলে এই ধরনের খরচগুলো আয় হিসেবে ধরে আয়কর নির্ধারণ করা হয়। যেমন ধরুন, একটা প্রতিষ্ঠানে ৫০ জন কর্মকর্তা -কর্মচারী আছে তাদের মধ্যে গড়ে ৪০ জনকেই বিভিন্ন কারনে বাহিরে যেতে হয়।গড়ে সবাই রিকশা ভাড়া, গাড়ি ভাড়া হিসেবে ২০০-২৫০ টাকার খরচ করে। এখন চিন্তা করুন এদের কাছ থেকে কি আয়কর কাটা সম্ভব? আর বছরে কি পরিমান ভাউচার হয় আদোও কি সকল ভাউচার কোথাও দেয়া সম্ভব কিনা? এই সকল খরচের জন্য হুদাই ৪-৫ লাখ টাকা আয়কর প্রদান করতে হয়।

মানুষের আয়কর ভীতি, সমস্যা ও সমাধান :
প্রথমত; আমাদের দেশে আয়কর দেয়ার পরও কোন ব্যক্তি কোন প্রকার সুযোগ-সুবিধা না। সরকারি যে কোন অফিসে গেলে সেবা পাওয়ার জটিলতা।
দ্বিতীয়ত; মানুষের আয়কর অফিসের ভীতি (হাইকোর্ট -সুপ্রিমকোর্ট দেখানো ও ঘুষ বানিজ্য)।
তৃতীয়ত; উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে অনেকেই সার্মথ্য থাকার পরও আয়করের আওতায় নেই (কারন হাইকোর্ট -সুপ্রিমকোর্ট দেখানো ও ঘুষ বানিজ্য)।
চতুর্থত; আয়কর অফিসের লোকজনের অসহযোগীতা ও অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ।

ইত্যাদি সমস্যাসমূহ দূরীকরণ ও আয়করদাতা তথা জনগনকে শিক্ষা, চিকিৎসাসহ যথোপযুক্ত সেবা প্রদান করলে আমার মনে হয় না কেউ আয়কর দিতে চাবে বা অপারগতা প্রকাশ করবে। আয়কর অফিসের লোকজন সঠিকভাবে আয়করদাতাদের সহযোগীতা করলে আমাদের দেশেও উন্নত দেশের মতই ২৫-৩০% আয়কর আদায় করা সম্ভব। এটা আমার বিশ্বাস।

03/11/2022

প্রাইভেট জব ও ভাইবা বিষয়ক কিছু কথা ও টিপস (Some words and tips about private jobs and Viva)

আমি কিছু বলতে চাই বিশেষ করে যারা একাউন্টিং ও ফাইন্যান্স এ কেরিয়ার গড়তে চায়। আমাদের দেশের অধিকাংশ ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে একটি ভালো চাকুরির আশা নিয়ে। ভালো চাকরি করবে ভালো কেরিয়ার গড়বে। কিন্তু বেশিরভাগ ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনা করে অনেক স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু যখন পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পায় না, ভাইবা দিতে গিয়ে বারবার ফিরে আসতে হয় কোন চাকরি হওয়া ছাড়াই। এবং অনেককেই বলতে শোনা যায়, মামা-খালু, সিনিয়র বড় ভাই ছাড়া চাকরি হওয়া প্রায় অসম্ভব। কথাটা যে সত্য নয়, তা কিন্তু নয়। আমাদের দেশে প্রাইভেট চাকরির প্রায় ৬০% কোন না কোন রেফারেন্স এর মাধ্যমেই হয়। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত; অনেকের সাথে এটা নাও মিলতে পারে। আবার যারা অনার্স -মাস্টার্স শেষ করে এসেছে, তাদের ৯০% ই ভাইবা বোর্ডে এসে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না। অথচ, তারা ঐ বিষয়গুলো ৫ বছর যাবৎ পড়াশোনা করে এসেছে। বাকী ১০% কিন্তু ঠিকই মামা-খালু, সিনিয়র বড় ভাই ছাড়াই চাকরি হচ্ছে।

বেশির ভাগ প্রাইভেট কোম্পানিগুলো সার্কুলারের মাধ্যমে অথবা অভ্যন্তরীন স্টাফদের দ্বারা সিভি সংগ্রহের মাধ্যমে ভাইবা নিয়ে থাকে। অভ্যন্তরীন স্টাফদের দ্বারা সিভি সংগ্রহের মাধ্যমে যারই চাকরি হলো, সেটা রেফারেন্স এর মাধ্যমে হলো বলে ধরে নেওয়া হয়। আসলে এখানে যে ভাইবা ভালো করেছে, তারই চাকরি হয়েছে। আবার সার্কুলারের মাধ্যমে সিভি সংগ্রহের করে ভাইবার মাধমে যে ভালো করেছে, তারই চাকরি হবে এটাই স্বাভাবিক, এখানে পক্ষপাত্তিতের কোন সুযোগ নাই। আসল কথা বা মোদ্দা কথা হচ্ছে, তারা যদি একাউন্টিং ও ফাইন্যান্স এর বেসিক জিনিসগুলো মাথায় রাখে তাহলে সহজেই ভাইবা ফেস করতে পারে এবং চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৯০% বেড়ে যায়।

কি কি জিনিসগুলো মনে রাখতে হবে তার হালকা একটু ধারনা দেই; যেমনঃ একাউন্টটিং ইকুয়েশন, ভাউচারের প্রকারভেদ, হিসাবের প্রকারভেদ, ক্যাশ বেসিস ও একুইরাল বেসিস কি, ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট এর কমপোনেন্ট কয়টি ও কি কি? ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট এর ইলিমেন্ট বা উপাদান কয়টি ও কি কি? জার্নাল কি? অবচয় কি ও এর প্রকারভেদ, ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার ও রেভিনিউ এক্সপেন্ডিচার কি ও এর পার্থক্য? ফিক্সড কস্ট ও ভেরিয়েবল ক্স্ট এর পার্থক্য? কিছু ফাইন্যান্সিয়াল রেশিও, প্রেজেন্ট ভ্যালু ও ফিউচার ভ্যালু নির্ণয়ের সূত্র, ফাইন্যান্স ম্যানেজারের কাজ কি? ফাইন্যান্সিয়াল উইং কয়টি? ব্যাংক রিকনসিলিয়েশন কি এবং এটা কেন করা হয় ইত্যাদি ছোট ছোট কিছু প্রাইমারি প্রশ্ন গুলোর উত্তর জানলেই ভাইবা ফেস করা ও চাকুরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকগুন বেড়ে যায়। অথচ এই বিষয়গুলোই ৫ বছর যাবৎ পড়াশোনা করে এসেছে কিন্তু কিছুই মনে নেই।

এটা আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লিখলাম। আশা করি অনেক ভাই-বোনদের উপকার হবে।

মোঃ জহুরুল ইসলাম
আরো গল্প পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুনঃ
://www.facebook.com/profile.php?id=100086444770082 #

Some words and tips about private jobs and Viva

I would like to say something especially to those who want to make a career in accounting and finance. Most of the boys and girls of our country study with the hope of a good job in the future. Good job will build good career. But most of the boys and girls study with many dreams. But when you don't get a job after completing your studies, you have to return again and again without getting any job to attend Viva. And many are heard to say, it is almost impossible to get a job without uncles and aunts, senior elder brothers. This words actually are not true that is not. About 60% of private jobs in our country are through some kind of reference.This is my personal opinion; It may not suit many. And those who have completed Honors-Masters, 90% of them cannot answer any question when they come to Viba board. However, they have been studying those subjects for 5 years. The remaining 10% are getting job without uncles and aunts, senior elder brothers.

Most of the private companies take viva either through circulars or through collection of CVs by internal staff. Anyone who is hired through CV collection by internal staff is assumed to be through reference. In fact, who did well here in viva, actually he got a job. Again, it is natural that the one who has done well on Viva by collecting CV through circular, will get the job, there is no chance of favoritism here. The real point is, if they keep in mind the basics of accounting and finance, they can easily face viva and the chances of getting a job increase by 90%.

Let me give you a light idea of ​​what things to remember; For example: accounting equation, types of vouchers, types of accounts, cash basis and accrual basis, what are the components of financial statement? What are the elements or components of the financial statement? What is a journal? What is depreciation and its types, Capital Expenditure and Revenue Expenditure and its difference? Difference between fixed cost and variable cost? Some financial ratios, present value and future value formula, what is the job of finance manager? How many financial wings? If you know the answers to some primary questions like what is bank reconciliation and why it is done, the chances of getting a job will increase many times. But these subjects have been studying for 5 years but I don't remember anything.

I wrote this from my personal experience. Hope many brothers and sisters will benefit.

Md. Johurul Islam

For more stories, click here:
://www.facebook.com/profile.php?id=100086444770082 #

Johurul's Writing & Blogs I am Md. Johurul Islam, MPA (DU), CMA (ANZ), CGIA (USA), ACCA (Final), CA partly Qualified.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka
1216