Ababil Academy

Ababil Academy A pre-school

27/02/2026

এক টুকরো রুটি
– লিও টলস্টয়
একদিন ভোরবেলা এক গরিব চাষী লাঙল নিয়ে মাঠে এসেছে জমি চাষ করতে। তার সঙ্গে আছে এক টুকরো রুটি, খিদে পেলে নাশতা করবে। গায়ের জামা খুলে তা দিয়ে রুটিখানা জড়িয়ে সে রেখে দিল এক ঝোপের আড়ালে। তারপর লাঙল চালাতে লাগল।
কিছুক্ষণ পর লাঙল টেনে ঘোড়াটা ক্লান্ত হয়ে উঠল, চাষীরও বেশ খিদে পেল। তখন চাষী ঘোড়াটা ছেড়ে নাশতা করবে বলে ঝোপের কাছে এল। কিন্তু জামাটা খুলেই সে অবাক! দেখে রুটির টুকরোটি সেখানে নেই। সে খোঁজাখুঁজি করতে লাগল, জামা তুলে ঝাড়ল কিন্তু রুটিখানা সত্যিই নেই। অবাক চাষী ব্যাপারটা কিছুই বুঝতে পারল না।
সে মনে মনে ভাবল, তাজ্জব ব্যাপার তো! কাউকে কোথাও দেখতে পেলাম না অথচ রুটিটা নেই! নিশ্চয়ই কেউ চুপিচুপি এসে ওটা নিয়ে পালিয়েছে।
আসলে চাষী যখন কাজে ব্যস্ত ছিল তখন এক শয়তান এসে এ-কাণ্ড করে গেছে। শয়তান তখনও ঝোপের আড়ালে বসে ছিল। কটি হারিয়ে চাষী কীভাবে গালাগালি করে তাই সে শুনবে। শুনে আমোদ পাবে।
রুটির টুকরোটি হারিয়ে চাষীর মনে খুব দুঃখ হল বটে কিন্তু সে মনে মনে বলল : যাকগে, কী আর করা যাবে। আমি তাই বলে খিদেয় মরে যাব না। যার দরকার ছিল নিশ্চয়ই এমনি কোনো লোক ওটা নিয়েছে। যেই নিয়ে থাক যেন লোকটার উপকার হয়।
এই বলে উঠে সে কুপের কাছে গেল। সেখান থেকে পানি খেয়ে বিশ্রাম করল কিছুক্ষণ। বিশ্রামের পরে আবার লাঙল জুতে জমি চাষ করতে লাগল।
এই দেখে শয়তানের কিন্তু মন খারাপ হয়ে গেল। মন খারাপ হবারই কথা। সে ভেবেছিল, রুটির টুকরোটি না-পেয়ে চাষী ভয়ানক রেগে যাবে। রেগে গিয়ে গালাগালি শুরু করবে যা তা বলে। কিন্তু চাষীকে দিয়ে সেরকম কোনো অন্যায় কাজই সে করাতে পারল না। শয়তান অবশেষে তাদের সরদারের কাছে গিয়ে সব খুলে বলল।
সরদার তার কথা শুনে ভয়ানক রেগে উঠল, তুমি চাষীকে রাগাতে পারলে না তো কী করে এলে? তুমি দেখছি নিজের কাজই বুঝতে পারো না! চাষী আর তাদের বউ-ঝিরা যদি এমন ভালোমানুষ হয়ে ওঠে তাহলে শয়তানদের ঠাই হবে কোথায় ? কাদের নিয়ে আমাদের কাজ-কারবার চলবে? এরকম করলে তো চলবে না। শিগগির আবার ফিরে যাও। গিয়ে ঠিকমতো কাজ করে এসো। যদি তিনবছর সময়ের মধ্যে তুমি এ-চাষীকে বিপথে না-আনতে পারে তবে তোমাকে আর দলে রাখব না, হুঁশিয়ার করে দিচ্ছি।
সরদারের কথায় শয়তান ভয় পেয়ে গেল। তক্ষুনি সে আবার নেমে এল পৃথিবীতে। এসে ভাবতে লাগল, কী উপায় সে করবে। কী করে লোকটাকে দিয়ে খারাপ কাজ করাবে। ভাবতে ভাবতে একটা মতলব শয়তানের মাথায় এল। চমৎকার মতলব!
সে একজন মজুর সাজল। মজুর সেজে কাজ করতে গেল সেই গরিব চাষীর বাড়ি। প্রথম বছরে সে চাষীকে পরামর্শ দিল শুধু নিচু জমিতে ফসল বুনতে। চাষী তার কথা শুনে নিচু জমিতে ফসল বুনল। ফলে কী হল?
সে বছর বৃষ্টি হল খুব কম। সবার ফসলই রোদে জ্বলেপুড়ে নষ্ট হয়ে গেল। এদিকে সেই গরিব চাষীর দ্বিগুণ ফসল ফলল সেবার। ফলে সারাবছর খেয়েও তার অনেক শস্য বেঁচে গেল। বাড়তি শস্য বিক্রি করে অনেক টাকা পেল সে।
পরের বছর চাষীকে শয়তান পরামর্শ দিল সবচেয়ে উঁচুভূমিতে ফসল বুনতে। চাষী তাই করল। সেবার কিন্তু গ্রীষ্মের সময় বৃষ্টি হল খুব বেশি। সবার ক্ষেতের ফসলই বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেল। আর চাষী উঁচুজমির ফসল আগের বছরের চেয়েও ভালো হল। এবার খেয়ে বেঁচে গেল আরও বেশি ফসল। এত বাড়তি ফসল দিয়ে চাষী কী করবে ভেবেই পেল না।
শয়তান তখন চাষীকে এক নতুন পথ বাতলে দিল। শস্য থেকে কী করে ভদকা মদ তৈরি করতে হয় তাই শিখিয়ে দিল তাকে।
চাষীর তখন মহানন্দ। ভদকা তৈরি করে সে নিজে তো খেতে লাগলই বন্ধুদেরও ডেকে খাওয়াতে লাগল।
শয়তান তখন মনের আনন্দে তার সরদারকে গিয়ে বলল, এতদিনে আমার মনের বাসনা পূরণ করে এসেছি। সেবার ঠকেছিলাম, এবার আর ঠকাতে পারেনি।
সরদার সহজ পাত্র নয়। সে বলল, দাঁড়াও, একবার আমার নিজের চোখে ব্যাপারটা দেখে আসতে দাও।
এই বলে সরদার নেমে এল চাষীর বাড়ি। এসে দেখল, চাষী তার সব ধনী–বন্ধুদের দাওয়াত করে এনেছে। বাড়িতে এনে ভদকা খেতে দিয়েছে। চাষীর বউ মেহমানদের ভদকা বিলিয়ে দিচ্ছে। ভদকার পাত্র নিয়ে একটি টেবিলের পাশ দিয়ে যেতে যেতে ধাক্কা লেগে তার খানিকটা মেঝেয় পড়ে গেল হঠাৎ। তাই দেখে চাষী রেগে বলে ওঠল, ও কী করেছ বোকা মেয়েমানুষ কোথাকার! একি তোমার ময়লা পানি পেয়েছ যে ইচ্ছেমতো খানিকটা মেঝেতে ঢেলে দেবে? যতসব বে-আক্কেলে মেয়েমানুষ।
শয়তান তখন সরদারকে ইশারায় ব্যাপারটা দেখিয়ে বলল, এবার দেখ, এ লোকই একদিন একমাত্র সম্বল তার রুটির টুকরোটি হারিয়ে একটুও অস্থির হয়নি। আর আজ ?
চাষী কিন্তু তখনও এই নিয়ে বউয়ের সঙ্গে রাগারাগি করেই চলেছে। বউয়ের হাত থেকে পাত্রটি ছিনিয়ে নিয়ে সে নিজেই তখন মদ বিলাতে শুরু করেছে। এমন সময় সেখানে এসে ঢুকল সে-গাঁয়েরই এক গরিব লোক। তাকে দাওয়াত করা হয় নি। মাঠে কাজ করে লোকটা বাড়ি ফিরছিল। যেতে যেতে এখানে এসে ঢুকেছে। ঘরে ঢুকেই সবাইকে অভিবাদন করে সে একপাশে বসে মদ খাওয়া দেখতে লাগল। সারাদিন কাজ করে লোকটা খুব পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে। তৃষ্ণাও পেয়েছে বেশ। সে ভাবছিল, এ-সময় একফোটা মদ পেলে বেশ হত। চেয়ে চেয়ে দেখে তৃষ্ণাটা তার বেড়েই চলেছে। কিন্তু চাষী তার দিকে একফোটা মদও দিতে রাজি নয়। সে বরং বলে উঠল, যাকে-তাকে ভদকা বিলানো আমার কাজ নয়।
চাষীর মুখে একথা শুনে শয়তানের সরদার খুব খুশি। কিন্তু শয়তান নিজে খুশি হয়েছে আরও বেশি। তাই হাসতে হাসতে সে সরদারকে বলল, চুপ করো একটু, আরও মজা দেখতে পাবে এক্ষুনি।
মেহমানরা সবাই ভদকা খেয়েছে। বাড়িঅলা চাষীও খেয়েছে মনের সুখে। ভদকা খেয়ে যত রাজ্যের সত্যিমিথ্যে আবোলতাবোল গল্প শুরু করেছে সবাই মিলে।
শয়তানের সরদার সব শুনছে আর মনে মনে শয়তানের বুদ্ধির প্রশংসা করছে। সে বলছে, একটু মদ খেয়েই যদি লোকগুলো শিয়ালের মতো একে অপরকে ঠকাতে চেষ্টা করে তাহলে আমাদের মুঠোর ভেতর এসে পড়তে আর বাকি কী?
শয়তান বলল, আরেকটু থামো। দেখে নাও এরপর কী মজা শুরু হয়। আরেক গ্লাস করে সবাইকে খেতে দাও। তখন দেখবে মজা। এখন ওরা শিয়ালের মতো লেজ নাড়ছে আর একে অপরকে খুশি করতে চাইছে। এরপর দেখবে, এরাই হয়েছে সব এক একটা ভয়ানক নেকড়ে বাঘ!
আরও এক গ্লাস করে সবাই যখন খেল তখন তাদের মুখে তুবড়ি ছুটছে। গল্প-গুজবের পরিবর্তে এবার আরম্ভ হয়েছে চিৎকার। রাগের মাথায় একজন আরেকজনকে যা-খুশি বলছে। একটু পরেই শুরু হল হাতাহাতি আর মারামারি। একজনের নাকের উপর আরেক জনের ঘুষি। বাড়িঅলাও এসে যোগ দিল মেহমানদের সঙ্গে। সে মারও খেল আচ্ছারকম।
শয়তানের সরদার অতি-আনন্দে তামাশা দেখতে লাগল। আর মনে মনে বলে উঠল, চমৎকার তো!
কিন্তু তখনও শয়তান বলছে, আরেকটু সবুর করো। আরেক গ্লাস পেটে পড়তে দাও, তারপর দেখবে মজা। এখন ওরা লড়াই করছে নেকড়ের মতো। এরপর করবে শূকরের মতো।
তৃতীয় গ্লাস খেয়ে সত্যিই লোকগুলো জানোয়ারের মতো ব্যবহার করতে লাগল। অদ্ভুত ধরনের চিৎকার শুরু করল তারা। অকারণে শুধুই চিৎকার করছে, কেউ কারোর কথায় কান দিচ্ছে না।
এরকমভাবে কিছুক্ষণ কাটিয়ে তারা বাড়ি ফিরতে লাগল। কেউ একাই টলতে টলতে হেলেদুলে চলতে লাগল, অনেকে দুজন বা তিনজনের দল বেঁধে বাড়িওলা চাষী দরজা অবধি এসেছিল তাদের বিদায় দিতে। সেখানে সে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল কাদায়। মাথা থেকে পা অবধি সারা গা তার লেপটে গেল কাদার ভেতর। মুখ গুঁজে পড়ে সে ঠিক শূকরের মতো ঘোঁত ঘোত করত লাগল।
তাই দেখে শয়তানের সরদার আরও খুশি। সে শয়তানকে বলল, ভারি মজার জিনিস তৈরি করেছ তুমি। রুটির ব্যাপারে যে ভুলটুকু করেছিলে, ভদকা তৈরি করে সে-ভুল শুধরে গেল তোমার। কিন্তু এখন বলো তো, কী করে এই আজব জিনিসটা তুমি তৈরি করেছ? প্রথমে বুঝি দিয়েছ শিয়ালের রক্ত, তাই শিয়ালের মতো করছিল লোকগুলো। তারপর বুঝি দিয়েছ নেকড়েবাঘের খানিকটা রক্ত, তাতেই নেকড়ের স্বভাব পেয়েছিল ওরা। আর সবশেষে দিয়েছ শূকরের রক্ত, তাই ঘোঁত ঘোঁত করছিল ওরা ঠিক শূকরের মতোই।
শয়তান মাথা নেড়ে বলল, না, সেসব কিছুই না। প্রথমে আমি শুধু বুঝতে পেরেছিলাম, চাষী তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফসল পেয়েছে। জানোয়ারের রক্ত মানুষের মধ্যে আগে থেকেই ছিল। যতক্ষণ অবধি সে শুধু প্রয়োজনীয় ফসল পেয়েছে ততক্ষণ সেই জানোয়ারের স্বভাব চাপা পড়েছিল। সে সময় চাষী তার শেষ সম্বল একটুকরো রুটি হারিয়েও কোনও অনাসৃষ্টি কাণ্ড বাধায়নি। কিন্তু যখন থেকে তার ফসল খেয়েদেয়ে বাড়তি হতে লাগল তখনই সেই বাড়তি ফসল দিয়ে সে আমোদ করার উপায় খুঁজতে লাগল। আমি তখনই তাকে সেই আমাদের পথ দেখিয়ে দিলাম, মদ পানের আনন্দ। তারপর যখন থেকে সে ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ দান এই ফসলকে মদে পরিণত করে তাই পান করতে লাগল তখন থেকেই তার ভেতরকার শিয়াল, নেকড়ে ও শূকর মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। সে যদি শুধু ভদকা খেতে শুরু করে তবে বন্যপই হয়ে উঠবে দুচার দিন পরে।
শয়তানের কথা শুনে এবার কিন্তু সরদারের মন খুশিতে ভরে উঠল। মনের খুশিতে শয়তানের বুদ্ধির তারিফ করতে করতে সে চলে গেল।

Power settles where confidence lives.@ Nati Shahin
18/01/2026

Power settles where confidence lives.
@ Nati Shahin

শুধু ওখানে দাঁড়িয়ে আমাকে পুড়তে দেখবে? আচ্ছা, ঠিক আছে কারণ আমি এটার ব্যাথা পছন্দ করি শুধু ওখানে দাঁড়িয়ে আমার কান্না শুনতে...
17/01/2026

শুধু ওখানে দাঁড়িয়ে আমাকে পুড়তে দেখবে? আচ্ছা, ঠিক আছে কারণ আমি এটার ব্যাথা পছন্দ করি শুধু ওখানে দাঁড়িয়ে আমার কান্না শুনতে পাবো? আচ্ছা, ঠিক আছে কারণ আমি তোমার মিথ্যা বলার ধরণ পছন্দ করি আমি তোমার মিথ্যা বলার ধরণ পছন্দ করি আমি তোমাকে বলতে পারি না এটা আসলে কেমন তা আমি কেবল তোমাকে বলতে পারি এটা কেমন লাগে আর এই মুহূর্তে, আমার শ্বাসনালীতে একটা স্টিলের ছুরি আছে আমি শ্বাস নিতে পারছি না, কিন্তু আমি এখনও লড়াই করতে পারছি যতক্ষণ পর্যন্ত ভুলটা সঠিক মনে হয়, ততক্ষণ আমি তার ভালোবাসা থেকে দূরে, তার ঘৃণায় মাতাল। মনে হয় আমি হাফিন& #39; পেইন্ট করছি, এবং আমি তাকে ভালোবাসি, যত বেশি আমি কষ্ট পাচ্ছি, আমার দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আর আমি ডুবে যাওয়ার ঠিক আগে, সে আমাকে পুনরুজ্জীবিত করে সে আমাকে ঘৃণা করে, এবং আমি এটা ভালোবাসি "অপেক্ষা করো! তুমি কোথায় যাচ্ছ?" "আমি তোমাকে ছেড়ে যাচ্ছি" "না, তুমি নেই, ফিরে এসো" আমরা আবার ফিরে যাচ্ছি, এখানে আমরা আবার যাচ্ছি এটা খুব পাগলাটে কারণ যখন সবকিছু ভালো চলছে, এটা দুর্দান্ত চলছে আমি সুপারম্যান তার পিছনে বাতাসের সাথে, সে লোইস লেন কিন্তু যখন সবকিছু খারাপ হয়, এটা ভয়াবহ, আমি খুব লজ্জা পাই, আমি চিৎকার করে বললাম, "ওই লোকটা কে?" আমি তার নামও জানি না আমি তার উপর হাত রাখলাম, আমি আর কখনও এত নীচে নামব না আমার নিজের শক্তি সম্পর্কে আমি জানি না শুধু সেখানে দাঁড়িয়ে আমাকে জ্বলতে দেখব? আচ্ছা, এটা ঠিক আছে কারণ আমি যেভাবে ব্যথা করে তা পছন্দ করি শুধু সেখানে দাঁড়িয়ে আমার কান্না শুনতে পাব? আচ্ছা, এটা ঠিক আছে কারণ আমি যেভাবে তুমি মিথ্যা বলছো তা আমি ভালোবাসি তুমি যেভাবে মিথ্যা বলছো তা আমি ভালোবাসি তুমি কখনো কাউকে এত ভালোবাসোনি যখন তুমি তাদের সাথে থাকো তখন তুমি কি নিঃশ্বাস নিতে পারো? তুমি দেখা করো আর কেউই জানো না ওদের কী হয়েছে। হ্যাঁ, ওরা ঠান্ডা, ওদেরকে আগে থেকেই ভালোবাসতো। এখন ওদের দিকে তাকিয়ে থাকতে তোমার বিরক্ত লাগছে? তুমি শপথ করেছো যে কখনো তাদের মারবে না, কখনো তাদের আঘাত করার জন্য কিছু করবে না। এখন তুমি একে অপরের মুখে আছো, থুতু দিলে তোমার কথায় বিষ ঢেলে দাও। তুমি একে অপরের চুল ঠেলে, টেনে ধরে, আঁচড়ে, নখ কামড়ায়, ছুঁড়ে ফেলো, পিন দিয়ে দাও। যখন তুমি তাদের মধ্যে থাকো তখন তাদের মধ্যেই এতটাই হারিয়ে যাও যে ক্রোধই তাদের দখলে নিয়ে যায়, এটা তোমাদের দুজনকেই নিয়ন্ত্রণ করে। তাই তারা বলে তোমাদের আলাদা আলাদা পথে চলে যাও। মনে করো যে তারা তোমাদের চেনে না কারণ আজ, ওটা গতকাল ছিল গতকাল শেষ, এটা একটা ভিন্ন দিন। ভাঙা রেকর্ড খেলার মতো শোনাচ্ছে, কিন্তু তুমি তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছো। পরের বার, তুমি সংযম দেখাবে। তুমি আর কোন সুযোগ পাবে না। জীবন কোন নিন্টেন্ডো খেলা নয়, কিন্তু তুমি আবার মিথ্যা বলেছো। এখন তুমি তাকে জানালা দিয়ে বের হতে দেখতে পাবে। মনে করো সেজন্যই তারা এটাকে জানালার কাঁটা বলে। শুধু সেখানে দাঁড়িয়ে আমাকে পুড়তে দেখবে? আচ্ছা, এটা ঠিক কারণ আমি যেভাবে ব্যাথা পাচ্ছি তা পছন্দ করি। শুধু সেখানে দাঁড়িয়ে আমার কান্না শুনতে পাব? আচ্ছা, ঠিক আছে কারণ তুমি যেভাবে মিথ্যা বলো, আমি যেভাবে মিথ্যা বলো, আমি যেভাবে মিথ্যা বলো, আমি যেভাবে মিথ্যা বলো, আমি যেভাবে মিথ্যা বলো, এখন আমি জানি আমরা এমন কিছু বলেছি, এমন কিছু করেছি যা আমরা বোঝাতে চাইনি। তারপর আমরা একই প্যাটার্নে, একই রুটিনে ফিরে যাই কিন্তু তোমার মেজাজ ঠিক আমার মতোই খারাপ। তুমি আমার মতোই, ভালোবাসার ক্ষেত্রে, তুমি ঠিক ততটাই অন্ধ। বাবু, প্লিজ ফিরে এসো, এটা তুমি ছিলে না, বাবু, এটা আমি ছিলাম। হয়তো আমাদের সম্পর্ক যতটা পাগলাটে মনে হয় ততটা নয়। হয়তো এমনই হয় যখন টর্নেডো আগ্নেয়গিরির সাথে মিলিত হয়। আমি শুধু জানি আমি তোমাকে এত ভালোবাসি যে দূরে চলে যেতে পারি না, যদিও ভেতরে এসো, ফুটপাথ থেকে তোমার ব্যাগগুলো তুলে নাও। আমি যখন কথা বলি, তখন কি তুমি আমার কণ্ঠে আন্তরিকতা শুনতে পাও না? তোমাকে বলেছি এটা আমার দোষ, আমার চোখের পাতায় দেখো পরের বার যখন আমি খারাপ হবো, আমি আমার মুঠোয়াটা ড্রাইওয়ালের দিকে তাক করবো "পরের বার? পরের বার আর হবে না" আমি ক্ষমা চাই, যদিও আমি জানি এটা মিথ্যা আমি খেলায় ক্লান্ত, আমি শুধু তাকে ফিরে চাই আমি জানি আমি একজন মিথ্যাবাদী, যদি সে আবার কখনও চলে যাওয়ার চেষ্টা করে আমি তাকে বিছানার সাথে বেঁধে এই বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেব। শুধু সেখানে দাঁড়িয়ে আমাকে জ্বলতে দেখবো? আচ্ছা, ঠিক আছে কারণ আমি যেভাবে ব্যাথা পায় শুধু সেখানে দাঁড়িয়ে আমার কান্না শুনতে পাবো? আচ্ছা, ঠিক আছে, কারণ তুমি যেভাবে মিথ্যা বলো আমি যেভাবে মিথ্যা বলো আমি যেভাবে মিথ্যা বলো আমি যেভাবে মিথ্যা বলো আমি যেভাবে মিথ্যা বলো

17/01/2026
রুমি একবার পানির খোঁজে এক তৃষ্ণার্ত মাছের গল্প বলেছিলেন। মাছটি তার অদম্য তৃষ্ণা থেকে মুক্তি পেতে মরিয়া হয়ে সর্বত্র অক্...
01/01/2026

রুমি একবার পানির খোঁজে এক তৃষ্ণার্ত মাছের গল্প বলেছিলেন। মাছটি তার অদম্য তৃষ্ণা থেকে মুক্তি পেতে মরিয়া হয়ে সর্বত্র অক্লান্তভাবে সাঁতার কাটছিল। সে জল থেকে লাফিয়ে উঠে পৃষ্ঠের উপরে জল খুঁজছিল, কিন্তু কোন লাভ হয়নি। অবশেষে, মাছটি ক্লান্ত এবং ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল, এবং তার ক্লান্তিতে, সে এক মুহূর্তের জন্য থামে। নীরবতার সেই মুহূর্তে, সে বুঝতে পারে যে সে যে জলের সন্ধানে ছিল সেই জলেই সাঁতার কাটছিল। রুমি উপসংহারে বলেছিলেন, "সত্য এবং অর্থের সন্ধানে, আমরা প্রায়শই ভুলে যাই যে আমরা যে উত্তরগুলি খুঁজছি তা আমাদের মধ্যেই রয়েছে, যেমন মাছের কাছে জল। আমরা সর্বত্র উন্মত্তভাবে অনুসন্ধান করি, যখন আমাদের যা করতে হয় তা হল আমাদের সত্তার সারাংশ মনে রাখা। ভিতরে তাকান, এবং আপনি যে জ্ঞান, ভালবাসা এবং উদ্দেশ্য খুঁজছেন তা খুঁজে পাবেন।" এই গল্পটি আমাদের আত্মদর্শনের গুরুত্ব শেখায় এবং মনে রাখে যে জীবনের প্রশ্নের উত্তরগুলি প্রায়শই আমাদের মধ্যেই পাওয়া যায়।

19/11/2025
19/11/2025
19/11/2025
05/11/2025

Salauddin Ahmed KhanBadda Society

Kajol Suborno
02/03/2025

Kajol Suborno

02/03/2025

এ কাজটা সুন্দর হইছে !
আরও সুন্দর হইত যাদের পণ্য ভাসছে -
তাদের একটা মোটা অংকের জরিমানা করা হলে ...

Address

Ja-120 Middle Badda
Dhaka
1212

Telephone

+8801839899207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ababil Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category