Bansuri Gurukul, GOLN

Bansuri Gurukul, GOLN

Share

Bansuri Gurukul of Gurukul Online Learning Network, GOLN Here’s a glimpse of what you can expect:

1.

Welcome to Bansuri Gurukul, GOLN: Your Ultimate Guide to the Art of the Flute
URL: https://bansurigoln.com

"Bansuri Gurukul, GOLN," is an enriching online platform created to celebrate and teach the art of the Bansuri—also known as the bamboo flute. As an initiative of the Gurukul Online Learning Network (GOLN), Bansuri Gurukul is dedicated to providing high-quality, accessible education in flute

21/09/2025

পাটিয়ালা, শ্যাম চৌরাসিয়া, কাওয়াল বাচ্চা, ইটাওয়াহ, গোয়ালিয়র প্রভৃতি বড় ঘরানার বিশিষ্ট ওস্তাদরা দেশভাগের পর পাকিস্তানে গমন করেছিলেন। প্রশ্ন হচ্ছে, তাদের ঐতিহ্য ও ঘরানা সেখানে কতটুকু বিকশিত হয়েছে?

ওস্তাদ আমানত আলী, বড় ওস্তাদ ফাতেহ আলী, ওস্তাদ সালামত আলী খাঁ প্রমুখ শিল্পীদের যে মূল্যায়ন প্রাপ্য ছিল, তা কি পাকিস্তানে যথাযথভাবে হয়েছে? বাস্তবতা হলো, ভারতে তাদের সমমানের ওস্তাদরা যে সম্মান, জনপ্রিয়তা, আর্থিক স্বচ্ছলতা ও মর্যাদা অর্জন করেছেন, পাকিস্তানে তার অর্ধেকও শিল্পীরা পাননি।

প্রকৃতপক্ষে, এসব ওস্তাদ ও তাদের উত্তরসূরিদের সংগীত বৃহত্তর শ্রোতৃমণ্ডলীর কাছে পৌঁছেছে মূলত তখনই, যখন তারা ভারতের সংগীতশিল্প ও শিল্প-সংস্কৃতির অবকাঠামোর সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছেন।

ভারত রাষ্ট্র যে পরিমাণ বিনিয়োগ শাস্ত্রীয় ও উপশাস্ত্রীয় সংগীতের আন্তর্জাতিক বাজার গড়ে তোলার জন্য করেছে, পাকিস্তান তার সামান্য অংশও করতে পারেনি। বরং ভারতের সৃষ্ট বাজারে পাকিস্তানি অনেক শিল্পী সুযোগ পেয়েছেন—বিদেশে কনসার্ট, রেকর্ডিং, ফেলোশিপ ইত্যাদির মাধ্যমে।

ভারত শিল্প-সংস্কৃতি থেকে যে বিপুল বৈদেশিক রাজস্ব অর্জন করেছে, পাকিস্তানের আয় তার ০.০৫ শতাংশও নয়।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আলাপই করছি না, কারণ বড় ঘরাণার শিল্পীরা এদেশে বসতি গড়েননি। আমাদের দেশে যেসব শিল্পী ছিলেন, তারা হয় সংখ্যায় অল্প ছিলেন, নয়তো বিকশিত হওয়ার মতো পরিবেশ পাননি।

এখানেই পরিবেশগত পার্থক্যের তাৎপর্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একটি কট্টর, সাম্প্রদায়িক ও সাংস্কৃতিকভাবে রুদ্ধ রাষ্ট্রে সংগীত-সংস্কৃতি কখনো পূর্ণ বিকাশ লাভ করতে পারে না।

যদি সত্যিই সমৃদ্ধ সংগীতচর্চা ও শিল্প-সংস্কৃতি লালন করতে হয়, তবে প্রয়োজন একটি উদার, প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ ও রুচিশীল সমাজব্যবস্থা। এমন এক রাষ্ট্র গঠন করতে হবে, যেখানে শিল্প-সংস্কৃতিকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া হবে এবং তা নীতি ও পরিকল্পনার স্তরে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে।

21/09/2025

স্কুলে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের বিরোধিতা মূল রোগ নয়, এটা রোগের উপসর্গ মাত্র।

মূল রোগের চিকিৎসা করান; যদি পারেন।

02/08/2025

🎉 Happy Birthday, Ian Anderson! 🕊️

Wishing the legendary frontman of Jethro Tull a fantastic birthday! Your iconic flute riffs, poetic lyrics, and boundary-pushing performances have redefined the role of the flute in rock music. Thank you for decades of innovation, mystique, and musical magic. May the days ahead be as bold and brilliant as your sound! 🎶🌿

02/08/2025

🎂 Happy Birthday, Jeanne Baxtresser! 🎶

Wishing a truly inspiring artist and educator a joyous birthday! Your breathtaking artistry, pioneering work as Principal Flutist of the New York Philharmonic, and your dedication to nurturing the next generation of flutists continue to resonate across the world. May this day be filled with music, joy, and the deep appreciation you so richly deserve. Here's to many more years of brilliance and inspiration! 🌟💐

01/08/2025

আজ বাঁশির যাদুকর পণ্ডিত পান্নালাল ঘোষের জন্মদিন !!

‘মুঘল-এ-আজম’ (১৯৬০) ছবির মধুবালার ওপর চিত্রায়িত, লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া “মোহে পনঘাট পে নন্দলাল…” গানটি মনে আছে নিশ্চয়ই। এই গানে বাঁশির সুর তুলেছিলেন সংগীত পরিচালক নওশাদের আমন্ত্রণে আসা কিংবদন্তি বংশীবাদক পণ্ডিত পান্নালাল ঘোষ—ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর শিষ্য, যিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে বাঁশিকে একক ধ্রুপদী যন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
আজ, তাঁর ১১৪তম জন্মবার্ষিকীতে, শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেই বিস্মৃতপ্রায় মহান শিল্পীকে, যিনি বাঁশিকে নতুন মর্যাদা ও পরিচয় দিয়েছিলেন।

প্রারম্ভিক জীবন ও সংগীতের সূচনা:
১৯১১ সালের ২৪ জুলাই তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির বরিশালে, কীর্তনখোলা নদীর তীরে জন্ম নেন অমল জ্যোতি ঘোষ—পরে যিনি পান্নালাল ঘোষ নামে খ্যাত হন। তাঁর পিতামহ হরকুমার ঘোষ ছিলেন প্রখ্যাত ধ্রুপদী গায়ক, পিতা অক্ষয় কুমার ঘোষ একজন প্রসিদ্ধ সেতারবাদক, আর মা সুকুমারী ছিলেন দক্ষ কণ্ঠশিল্পী। চৌদ্দ বছর বয়সে তিনি বাঁশি শেখা শুরু করেন। তাঁর ছোট ভাই নিখিল ঘোষ পরবর্তীতে খ্যাতিমান তবলাবাদক হন।

বংশীবাদনের পাশাপাশি পান্নালাল শরীরচর্চাতেও পারদর্শী ছিলেন—১৯৩৬ সালে ব্যান্টম ভারোত্তলন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। কৈশোরে তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হন এবং পুলিশের চোখ এড়াতে ১৯২৬ সালে বরিশাল থেকে কলকাতায় চলে আসেন।

কলকাতা ও নিউ থিয়েটার্স:
কলকাতায় এসে তিনি নিউ থিয়েটার্স ফিল্ম কোম্পানিতে যোগ দেন। ১৯৩৫ সালে ‘অল বেঙ্গল মিউজিক কনফারেন্স’-এ প্রথম পুরস্কার পান। এখানে ওস্তাদ খুশি মহম্মদের কাছে মার্গসংগীত এবং গিরিজাশঙ্করের কাছে শিক্ষালাভ করেন। যদিও তাঁর প্রকৃত খ্যাতি আসে বংশীবাদক হিসেবে।

১৯৩৮ সালে সেরাইকেল্লার যুবরাজের নৃত্যদলের সঙ্গে ইউরোপ ভ্রমণ করেন এবং পরে দেশ-বিদেশের অসংখ্য কনফারেন্সে বাঁশি বাজিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন। অল ইন্ডিয়া রেডিওতেও তিনি একাধিক ঐক্যতানবাদনের নেতৃত্ব দেন।

চলচ্চিত্রে অবদান:
১৯৪০ সালে তিনি মুম্বাইয়ে পা রাখেন সংগীত পরিচালক হিসেবে। তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র ছিল স্নেহবন্ধন (১৯৪০)। পরবর্তী সময়ে আনজান (১৯৪১), বসন্ত (১৯৪২), দুহাই (১৯৪৩), নন্দকিশোর (১৯৫১), বসন্ত বাহার (১৯৫৬), এবং মুঘল-এ-আজম (১৯৬০)–সহ বহু ছবিতে তাঁর বাঁশির সুর বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে। আঁধিয়া (১৯৫২) ছবির আবহসংগীতে তিনি ওস্তাদ আলী আকবর খান ও পণ্ডিত রবিশঙ্করের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেন।
১৯৪৭ সালে আলাউদ্দিন খাঁর কাছে কিছুদিন শিক্ষালাভ করেন এবং তাঁরই অনুপ্রেরণায় সৃষ্টি করেন নতুন রাগ—নূপুরধ্বনি, চন্দ্রমৌলি, দীপাবলি, কুমারী প্রভৃতি। ফৈয়াজ খান ও ওঙ্কারনাথ ঠাকুরের মতো খ্যাতনামা কণ্ঠশিল্পীদের অনুরোধে তিনি খেয়ালের সঙ্গতও করেছেন বাঁশিতে। ১৯৪২ সালের ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের সময় বন্দি অবস্থায় অসুস্থ মহাত্মা গান্ধীকে বাঁশি শুনিয়ে তাঁর আশীর্বাদ পান।

বাঁশির আধুনিক রূপের উদ্ভাবন:
পান্নালাল ঘোষই বাঁশিকে আধুনিক রূপ দেন। তিনি ৩২ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের সাত ছিদ্রবিশিষ্ট বাঁশি উদ্ভাবন করেন, যা বাজানো সহজ এবং সব স্বর নিখুঁতভাবে প্রকাশ করতে সক্ষম। সপ্তম ছিদ্র যুক্ত করে তিনি আগেকার বাঁশির সীমাবদ্ধতা দূর করেন এবং বাঁশিকে সেতার, সরোদ, শানাই, সারেঙ্গীর সমকক্ষ স্থানে উন্নীত করেন, যা ধ্রুপদী সংগীতে একক যন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সম্মাননা ও ব্যক্তিগত জীবন:
তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সঙ্গীত নাটক আকাদেমি পুরস্কার ও পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন। তাঁর স্ত্রী পারুল ঘোষ ছিলেন বিখ্যাত নেপথ্য গায়িকা।

শেষ জীবন ও উত্তরাধিকার:
১৯৫৬ সালে তিনি আকাশবাণী দিল্লি কেন্দ্রে সংগীত নির্দেশক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬০ সালের ২০ এপ্রিল তিনি প্রয়াত হন।
বাঁশির সুরে যিনি গড়ে তুলেছিলেন এক নতুন ভাষা, সেই পান্নালাল ঘোষ ছিলেন কেবল একজন শিল্পী নন—ছিলেন এক যুগান্তকারী উদ্ভাবক ও সংগীত-দ্রষ্টা। তাঁর পথ অনুসরণ করেই আজ শাস্ত্রীয় সংগীতে বাঁশি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

゚ ゚ ゚ #পান্নালাল_ঘোষ

15/12/2024

It is with profound sorrow that we mourn the passing of Ustad Zakir Hussain, a maestro whose genius transcended boundaries, bringing Indian classical music to global prominence. His unmatched tabla artistry and groundbreaking collaborations enriched countless lives and inspired generations.

Ustad Zakir Hussain’s contributions, from classical to fusion, embody the timeless power of rhythm and melody. His legacy will continue to resonate in the hearts of music lovers worldwide.

Our thoughts and prayers are with his family and admirers during this difficult time.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


A3, Navana Sattar Garden, 86/1 New Eskaton Road
Dhaka
1000