27/05/2021
মহাকাশে আমেরিকার স্যাটেলাইট আছে ১৬১৬ টি।
ভারতের স্যাটেলাইট ৮৮ টি।
পাকিস্তানের আছে ৩ টি।
কেনিয়ার স্যাটেলাইট আছে ১ টা।
ফুটবলের দেশ আর্জেন্টিনার স্যাটেলাইট আছে ১৮ টি।
ব্রাজিলের আছে ১৭ টি।
সাউথ কোরিয়ার আছে ২৭ টি।
স্পেনের আছে ২৪ টি।
থাইল্যান্ডের আছে ৯ টি।
জাপানের প্রায় ১৭২ টি।
পরমানু অস্ত্রের তালিকা করলে দেখা যায়, সব থেকে বেশি পরমানু অস্ত্র আছে সুপার পাওয়ার রাশিয়ার, প্রায় ৭ হাজারের উপর।
এরপর লিস্টে আসে আমেরিকা, প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পরমানু অস্ত্রের অধিকারী তারা (৬৬৫০ টি)।
ভারত এবং পাকিস্তানের পরমানু অস্ত্র যথাক্রমে ১৩০ এবং ১৪০ টি করে।
ইসরাইলের আছে ৮০ টি।
আর ফ্রান্সের আছে ৩০০ টি।
চীন এবং উত্তর কোরিয়ার আছে যথাক্রমে ২৭০ টি এবং ১৫ টি করে নিউক্লিয়ার উইপন্স।
মহাকাশে রুশ স্যাটেলাইট কয়টা আছে সেটা নিয়ে দ্বিমত থাকলেও ধরে নেয়া যায় এই সংখ্যা ১৪২ এর আশেপাশে হবে।
২০১৬ সালে রাশিয়া মহকাশে আরো ৭৩ টি মাইক্রোস্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে।
উইকিপিডিয়া ঘাটলেই দেখবেন ব্যালাস্টিক সাবমেরিন আছে এরকম ৬ টা এলিট দেশের তালিকায় ভারতের নামও আছে।
জাপান শান্তিপ্রিয় দেশ হয়েছে ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই। সেই জাপান ১৬ টা সাবমেরিন তৈরি করেছে।
ইন্ডিয়ার আছে ১৪ টা সাবমেরিন, আর
ইরানের আছে ৩১ টা সাবমেরিন।
রাশিয়া নিজের সাবমেরিন নিজেই বানায়।
এখন পর্যন্ত আছে ৬৩ টি, যার অধিকাংশই পারমানবিক শক্তিচালিত।
চীনের আছে ৬৯ টা সাবমেরিন।
অবরোধের মধ্যে থেকেও
উত্তর কোরিয়া ১৫ টা পরমানু বোমা
আর ৭৮ টা সাবমেরিনের অধিকারী।
স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে একটা দেশ পড়ে আছে ফুটবল আর ক্রিকেটের উন্মাদনা নিয়ে। ক্রিকেটে আমাদের অবস্থান ভালো হইলেও ফুটবলে আমাদের র্যাঙ্কিং হইলো ১৯৭।
৫০ বছর বয়সী দেশটার একটা ক্যাম্পাসও সারাবিশ্বে ১০০ সিরিয়ালে ঢুকতে পারে নাই।
লাল বাস আছে
শাটল আছে
প্যারিস রোড আছে
সংস্কৃতির রাজধানী আছে
সবই আছে।
শুধু নাই সাইন্টিফিক মেধা, যে মেধা দিয়ে একটা দেশ এগিয়ে যেতে পারে।
ভারতে মাহিন্দ্রা, মারুতি, সুজুকির মতো ব্রান্ড তৈরি হইলেও আমাদের দেশে এক "প্রগতি" ছাড়া আমি কোন ব্রান্ড পাই নি।
সেই প্রগতি আবার গাড়ি বানায় না,
তারা গাড়ির পার্টস জোড়া লাগায়।
অথচ দেশে আছে বুয়েট, রুয়েট, চুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠান। ঢাবির মতো প্রতিষ্ঠান আবিস্কারের জন্য বিখ্যাত নয়। তারা বিখ্যাত আন্দোলনের জন্য। যে কোন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঢাবির ছেলেরা গিয়ে রাস্তা ব্লক করে, সেটা নিউজ হবে। জাস্ট এইটুকু।
অথচ সুযোগ ও পরিবেশ তৈরি করে দিলে এই ঢাবি বিশ্বের ১০০ ক্যাম্পাসের মধ্যে যাওয়ার যোগ্যতা রাখে।
আমাদের ছেলেরা বুলেট ট্রেনের নকশা করে কিনা জানি না। তবে জাপানের বুলেট ট্রেন নিয়ে একটা প্রতিবেদন দেখেছিলাম। সেখানে বলা হয়েছিল জাপানীরা যাতায়াত ব্যবস্থাকে এতটা সংক্ষিপ্ত করে এনেছে যে, জাপানের যে কোন জায়গা থেকে টোকিওতে যেতে মাত্র ১ ঘন্টা সময় লাগে। সবই সুপার ফাস্ট বুলেট ট্রেনের বদৌলতে।
বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ঢাকায় পোছাতে এক ঘন্টা সময় লাগে এটাকি কল্পনা করা যায়?
আমরা ক্রিকেট খেলি,
বিশ্বকাপে বিভিন্ন দেশের পতাকা বানাই,
ইউটিউবার বানাই,
র্যাংকিং নিয়ে ফাইট করি।
দেশটাকে সুযোগ দেন, এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করে দেন।
৫২ সাল থেকে বেরিয়ে এসে ২০২১ সালের পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখুন। দেশটা এগিয়ে যাক। প্লিজ ...
যেন অন্ততঃ আগামী ১০ বছর পরে হলেও আমরা বলতে পারি, বঙ্গবন্ধু সিরিজের ৪ টা মিলিটারি স্যাটেলাইট আছে আমাদের। আছে ১০ টা সাবমেরিন। আমাদের পরমানু প্রকল্প আছে। কয়েকটা পারমানবিক শক্তিচালিত অত্যাধুনিক সাবমেরিন আছে। আছে ব্যালাস্টিক মিজাইল এবং ড্রোন প্রযুক্তি যা নিয়ে আমাদের বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত গবেষনা চালিয়ে আধুনিকায়ন করে চলেছে। আছে আমাদের শক্তিশালী আকাশ ও সমুদ্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
আমরা কারো কাছে মাথানত করতে আসি নাই। অনেক বড় শক্তিকে পরাজিত করার রেকর্ড এই আমাদের আছে। অনেক বড় স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার সাহস, সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা কিছুটা হলেও আমাদের আছে।
দরকার শুধু পদ্ধতিটা একটু পরিবর্তন করে পরিবেশটা তৈরি করে দেওয়া।