Bangladesh Institute Of Medical Science And Technology Reachers Centre

Bangladesh Institute Of Medical Science And Technology Reachers Centre

Share

This page has been created for d advamcement in medical science Also technological matters!

Photos from Bangladesh Institute Of Medical Science And Technology Reachers Centre's post 09/09/2021

প্রথম স্থিরচিত্র টি তে দেখা যাচ্ছে পৃথিবীর অসংখ্য বিজ্ঞানীদেরকে একসংগে অবস্থান নিতে।
উনারা ভোট দিচ্ছিলেন যে প্লুটো কোন গ্রহ নয় কারণ প্লূটো নেপচুনের সংগে কক্ষপথ এ বিচ্যুতি দেখিয়ে চলমান।
গ্রহ হতে হলে ৩ টি শর্ত পূরণ করতে হয়।

যার ৩য় শর্ত টি প্লুটো পূরণ করতে পারে নি।

যাই হোক এটা বলা মূখ্য উদ্দেশ্য নয়।
আমাদের দেশে আমরা বিজ্ঞানী শব্দ টা শুনতে নিজেকে বিজ্ঞানী বলে প্রকাশ করতে যে ইতস্তত বোধ করি বা করা হয় সেটা কিন্তু মোটেও কাম্য নয়,
আপনিও যদি পাশের বাড়ির কাউকে বলেন যে আমি বিজ্ঞানী অনেক বিষয়ে গবেষণা করি, যদিওতেমন ফলাফল বা আবিষ্কার করতে এখনোও সমর্থ হয় নি,
তখন পাশের মানুষটি নাক ছিটকিয়ে মনে মনে তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ভরে অবলোকন করে এসব কিন্তু মোটেও উচিত নয়।
আপনি তাকে মন থেকে উতসাহিত করুন।
বিজ্ঞানী শব্দ টাকা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার শব্দগুলোর মতন সাধারণ ভাবে নিতে শিখুন।
তাহলে দেশে অনেক মেধাবী বিজ্ঞানীদের সমাগম দেখতে পারবেন।
তাদের আবিষ্কার এ আপনি যেমন গর্বিত হতে পারবেন তেমনিভাবে উপকৃত হবে সমগ্র মানবজাতি ✊

27/08/2021

মাত্র ৩৩ কোটি দিয়ে গবেষণায় কি ফলাফল আশা করতে পারেন???
উন্নত দেশে একজন গবেষকের বেতন ও এর থেকে প্রতি মাসে বহুগুণ।
একজন খেলোয়ারের বেতন ও এর থেকে শত শত গুণ বেশি।

14/08/2021

বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, "সে সেরা। আমি তার কাছে কিছুই না।"

"সায়েন্স ওয়ার্ল্ড" নামে একটি বিজ্ঞান ম্যাগাজিন ২০০৭ সালে জামাল নজরুল ইসলামকে নিয়ে একটি ফিচার ছাপিয়েছিল। বাংলাদেশের কোনো ম্যাগাজিনে উনাকে নিয়ে লেখা এটিই ছিলো প্রথম ও শেষ ফিচার।

"কৃষ্ণবিবর" নামে উনার একটি বই আছে যেটা বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর ।

শুধু এটাই নয়, "কৃষ্ণবিবর" "দ্য আল্টিমেট ফেইট অব ইউভার্স" "রোটেটিং ফিল্ডস ইন জেনারেল রিলেটিভিটি" বইগুলো অক্সফোর্ড কেমব্রিজ আর হার্ভার্ড এর মত বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও ১০০ টারও বেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো পড়ানো হয়।
কিন্তু যে দেশে তিনি জন্মেছিলেন, সেই বাংলাদেশের কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বই থেকে কোন লেকচার দেয়া হয় বলে আমার জানা নেই...

২০০১ সালে যখন পৃথিবী ধ্বংস হবার একটা গুজব উঠেছিল তখন জামাল নজরুল ইসলাম অংক কষে বলেছিলেন পৃথিবী তার কক্ষপথ থেকে ছুটে চলে যাবার কোনো সম্ভাবনা নেই।

স্টিফেন হকিং কে চিনে না এমন মানুষ খুব কম আছে। উনার লেখা "আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম" বইটি এক কোটি কপিরও বেশী বিক্রি হয়েছে সারাবিশ্বে । সে বইটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৮ সালে।

কিন্তু এই বইটি প্রকাশের প্রায় ৫ বছর আগেই ১৯৮৩ সালে জামাল নজরুল ইসলাম "দ্যা আল্টিমেট ফেইট অব দ্য ইউনিভার্স" বইটি লিখেছিলেন। দুটো বই-ই প্রায় একই সব টপিকের উপর লিখা। ব্লাকহোল, ওয়ার্ম হোল, সুপারনোভা, কসমিক রেডিয়েশন, প্যারালাল ইউনিভার্স, বাটারফ্লাই ইফেক্ট ইত্যাদি সব জোতিপদার্থর্বিজ্ঞানীয় ব্যাপারগুলোই ঘুরেফিরে দুটো বইতেই উঠে এসেছে। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে জামাল নজরুল ইসলামের বইটিকেই বিশ্বখ্যাত বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগন অধিক মূল্যায়ন করেছেন, যেটি প্রকাশিত হয়েছিল হকিং এর বইয়েরও প্রায় ৫ বছর পূর্বে।
অথচ হকিং এর বই নিয়ে যতটা না মাতামাতি সারাবিশ্বে হয়েছে, তার ছিঁটেফোঁটাও হয়নি জামাল নজরুল ইসলামের কোন বই নিয়ে.. কেনো? পরে বলছি।
বলা হয়ে থাকে, বিশ্বের ৭ জন শ্রেষ্ট বিজ্ঞানীর নাম বলতে গেলে সে তালিকায় নাকি জামাল নজরুলের নামও চলে আসবে।
বিশ্বের বুকে বাংলার গর্ব জামাল নজরুল ইসলাম

১৯৮১ সালে লন্ডনের লাখ টাকা বেতনের চাকরি এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে মাত্র ৩ হাজার (২৮ শত) টাকা বেতনের চাকরি নিয়ে তিনি চলে আসেন মাতৃভূমি বাংলাদেশে। বাংলাদেশের বিজ্ঞান শিক্ষা এবং বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তিনি। তাই সব সুযোগ সুবিধা ছেড়ে দেশে চলে এসেছিলেন।
সংগৃহীত: মহাকাশের যত কথা

07/08/2021

পানির গ্লাসে ছিল এসিড মিশ্রিত পানি।
পরকিয়ায় লিপ্ত স্বামী পিপাসিত স্ত্রীকে পানির বদলে এসিড পান করতে দেয়। ১৮ বছরে বয়সী স্ত্রী পপি রানী দাস তা জানতো না। অসুস্থ পপি রানী পানি ভেবে এসিড পান করে। তারপর যা হবার তাই হলো! তার মুখ, খাদ্যনালী ও পাকস্থলী পুড়ে গলে গিয়েছিল।

দীর্ঘ সাত বছর বাংলাদেশ এসিড সারভাইভার্স ফাউন্ডেশন হসপিটালে চিকিৎসা চলছিল তার। খেতে পারতো না, গিলতে পারতো না কোন খাবার। তাই বাইরে থেকেই একটা নলের সাহায্যে তরল খাবার শরীরে ঢোকানো হতো। জীবন ও মৃত্যুর মাঝামাঝি সময়ে, ২০০৯ সালে স্বামীর হাতে এসিড পান করে দগ্ধ হয়ে অনেক যন্ত্রণা সয়ে অনেকগুলো বছর হাসপাতালে আশাহীন জীবন কাটানোর পর শুরু এক নতুন অধ্যায়।

২০১৬ সালের শুরুতে বাংলাদেশে আগুনে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য ঢাকা সফর করেছিলেন কানাডার টরন্টোর প্লাস্টিক সার্জন ডা. টনি জং। ডা. টনি পপি রানীকে চিকিৎসা সেবা দেন। তিনি পপিকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, কানাডা ফিরে গিয়ে তিনি পপিকে কানাডাতে নিয়ে গিয়ে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন। সেই থেকে শুরু।

ডা. টনি কানাডা ফিরে গিয়ে শুরু করেন পপির জন্য তহবিল সংগ্রহের কাজ। দ্বারে দ্বারে গিয়ে এসিডে পপির পুড়ে যাওয়ার গল্প বলেন। কাজ হয়। এক বছরের চেষ্টায় পপি রাণী কানাডার টরন্টোর পিয়ারসন এয়ারপোর্টে নামলেন ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১৫ তারিখ।

ইতিমধ্যে ডা. টনি গঠন করলেন পপি ট্রিটমেন্ট ফান্ড। এক মাসের মধ্যেই টরন্টোর কয়েকটি ধনী পরিবারসহ অন্যান্য ডোনারের ডোনেশন সংগ্রহ হয় সাত লক্ষ মার্কিন ডলার। জার্মানির মিউনিখের অ্যানেস্থেসিস্ট ডা. ইনজি হ্যাসেলস্টেইনার ও তার বোনের প্রচেষ্টায় সংগ্রহ হয় আরও সাতাশ হাজার ইউরো।

দীর্ঘ মেয়াদি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের বাইরে পপির থাকার বন্দোবস্তে এগিয়ে আসেন কানাডার বাংলাদেশ কমিউনিটির মহৎপ্রাণ মানুষেরা। সেই সাথে টরন্টো জেনারেল হসপিটালের মেডিকেল টিমের স্পশালিস্ট ডাক্তার ও অ্যানেস্থেসিস্ট সবাই তাদের ফি পুরোটাই ফ্রি করে দেন। পপির অপারেশনের জন্য টরন্টো জেনারেল হাসাপাতালের অপারেশন থিয়েটার অফ টাইমের জন্য ব্যবহার করারও অনুমতি দেয়া হয়, যাতে কানাডার অন্যান্য নিয়মিত রোগীদের অপারেশন সেবার ব্যাঘাত না ঘটে। সেইসাথে অপারেশন চার্জও সম্পূর্ণ ফ্রি করে দেয়া হয় পপির জন্য। ডা, জিলবার্ট ও ডা. গোল্ডস্টেইনের তত্ত্বাবধানে পপির বাম বাহুর চামড়া থেকে নতুন কোষ উৎপন্ন করে নতুন করে খাদ্যনালী, পাকস্থলী, শ্বাসনালী পুন:নির্মাণ করা হয়। যুগান্তকারী সাফল্য আসে। এখন পপি স্বাভাবিকভাবে খাবার গিলে খেতে পারে। শক্ত খাবারের হজম প্রকৃয়া স্বাভাবিক হতে আরও কিছুদিন চিকিৎসা নিতে হবে।

কৃতজ্ঞতা- Dr. Soheli S Ripa, Montreal.
পোষ্টেড বাই #নদী

24/06/2021

নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত বাংলাদেশি ড. রুহুল আবিদ

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশি মার্কিনী অধ্যাপক ড. রুহুল আবিদ এবং তার অলাভজনক সংস্থা হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন ফর অল (হায়েফা)। ২০২০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত ২১১ ব্যক্তির মধ্যে তিনি একজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের আলপার্ট মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক ড. রুহুল আবিদ এবং তার অলাভজনক সংস্থা হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন ফর অল (হায়েফা) নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। ম্যাসাচুসেটস

বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জিন-ফিলিপ বেলিউ এই খবর নিশ্চিত করেছেন। ২০২০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত ২১১ ব্যক্তির মধ্যে ড. আবিদ একজন। ড. আবিদ ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে স্নাতক এবং জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোলিকুলার বায়োলজি ও জৈব রসায়নে পিএইচডি অর্জন করেছেন। পরে তিনি ২০০১ সালে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল থেকে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন। তিনি ব্রাউন গ্লোবাল হেলথ ইনিশিয়েটিভের একজন নির্বাহী সদস্যও। তার অলাভজনক সংস্থা হায়েফা বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিতদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। গত তিন বছরে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩০ হাজার পোশাক শ্রমিককে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। প্রায় ৯ হাজার সুবিধাবঞ্চিত নারী ও পোশাক শ্রমিককে জরায়ু ক্যানসার স্ক্রিনিং ও চিকিৎসা এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের দেড় হাজারেরও বেশি
মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। বর্তমানে সংস্থাটি দুটি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে করোনা সংক্রমণরোধে দক্ষতার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের পর ড. আবিদ সারাদেশে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে হায়েফা প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের ডা. রোজমেরি দুদার সঙ্গে তিনি ঢাকা, গাজীপুর এবং শ্রীপুরের তিনটি কারখানায় পোশাককর্মীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেন। ডা. আবিদ তার প্রতিষ্ঠান থেকে কাজের জন্য কোনো বেতন বা পারিতোষিক নেন না। নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, ২০২০ সালের পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের মধ্য থেকে আগামী অক্টোবরে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। ২০০৬ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক।

04/06/2021

As a kid d girl amazes d world which seems to be nothing to her actually💜💝🙂

মঙ্গল গ্রহে গিয়ে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে না যে মেয়েটি, তিনি হলেন এলিজা কার্সন, নাসার কনিষ্ঠতম সদস্য। এই মেয়ের আগ্রহ, তৃষ্ণা আর ডেডিকেশন দেখে মাত্র ১১ বছর বয়সে নাসা তাকে মনোনীত করে নেয় এবং ঘোষণা করে যে -সমস্ত অবস্থা অনুকূল হলে সে হবে ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানুষ।

এখন তার বয়স ১৭। যেহেতু সে মঙ্গলে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম তাই নাসার কাছে সে কোন প্রকার যৌনতা, বিয়ে বা সন্তানধারণের নিষেধাজ্ঞাপত্র তে সাক্ষর করেছে। ভাবতে অবাক লাগে, মানুষের স্বপ্ন কত বড় হতে পারে!!

এলিজা জানে যে, সে আর ফিরে আসবেনা এই পৃথিবীতে, আর মাত্র ১৪/১৫ বছর পরে একমাত্র নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে কোটি কোটি মাইল দূরের লোহার লালচে মরিচায় ঢাকা প্রচন্ড শীতল নিষ্প্রাণ গ্রহের ক্ষীয়মাণ নীল নক্ষত্রের নিচে হারিয়ে যাবে। সেই একা হারিয়ে যাওয়া তার কাছে কত বড় আনন্দ!! সেই আনন্দের কাছে পৃথিবীর এসব সাজানো সংসার প্রেম সন্তানাদি এসবের আনন্দ নির্বিঘ্নে বিসর্জন দিয়ে যাচ্ছে।

এলিজা কার্সন আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখায়।
সে বলে-
"Always follow your dream and don't let anyone take it from you"

29/05/2021

Hey we need one super expert software development engineer who can make anything like facebook,messenger,Tiktok apps also CMS like wordpress at small size initially and also all types of web & Andriod apps smothly...!!!

27/05/2021

মহাকাশে আমেরিকার স্যাটেলাইট আছে ১৬১৬ টি।
ভারতের স্যাটেলাইট ৮৮ টি।
পাকিস্তানের আছে ৩ টি।
কেনিয়ার স্যাটেলাইট আছে ১ টা।
ফুটবলের দেশ আর্জেন্টিনার স্যাটেলাইট আছে ১৮ টি।
ব্রাজিলের আছে ১৭ টি।

সাউথ কোরিয়ার আছে ২৭ টি।
স্পেনের আছে ২৪ টি।
থাইল্যান্ডের আছে ৯ টি।
জাপানের প্রায় ১৭২ টি।

পরমানু অস্ত্রের তালিকা করলে দেখা যায়, সব থেকে বেশি পরমানু অস্ত্র আছে সুপার পাওয়ার রাশিয়ার, প্রায় ৭ হাজারের উপর।
এরপর লিস্টে আসে আমেরিকা, প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পরমানু অস্ত্রের অধিকারী তারা (৬৬৫০ টি)।

ভারত এবং পাকিস্তানের পরমানু অস্ত্র যথাক্রমে ১৩০ এবং ১৪০ টি করে।

ইসরাইলের আছে ৮০ টি।
আর ফ্রান্সের আছে ৩০০ টি।

চীন এবং উত্তর কোরিয়ার আছে যথাক্রমে ২৭০ টি এবং ১৫ টি করে নিউক্লিয়ার উইপন্স।

মহাকাশে রুশ স্যাটেলাইট কয়টা আছে সেটা নিয়ে দ্বিমত থাকলেও ধরে নেয়া যায় এই সংখ্যা ১৪২ এর আশেপাশে হবে।
২০১৬ সালে রাশিয়া মহকাশে আরো ৭৩ টি মাইক্রোস্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে।

উইকিপিডিয়া ঘাটলেই দেখবেন ব্যালাস্টিক সাবমেরিন আছে এরকম ৬ টা এলিট দেশের তালিকায় ভারতের নামও আছে।

জাপান শান্তিপ্রিয় দেশ হয়েছে ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই। সেই জাপান ১৬ টা সাবমেরিন তৈরি করেছে।

ইন্ডিয়ার আছে ১৪ টা সাবমেরিন, আর
ইরানের আছে ৩১ টা সাবমেরিন।

রাশিয়া নিজের সাবমেরিন নিজেই বানায়।
এখন পর্যন্ত আছে ৬৩ টি, যার অধিকাংশই পারমানবিক শক্তিচালিত।

চীনের আছে ৬৯ টা সাবমেরিন।

অবরোধের মধ্যে থেকেও
উত্তর কোরিয়া ১৫ টা পরমানু বোমা
আর ৭৮ টা সাবমেরিনের অধিকারী।

স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে একটা দেশ পড়ে আছে ফুটবল আর ক্রিকেটের উন্মাদনা নিয়ে। ক্রিকেটে আমাদের অবস্থান ভালো হইলেও ফুটবলে আমাদের র‍্যাঙ্কিং হইলো ১৯৭।

৫০ বছর বয়সী দেশটার একটা ক্যাম্পাসও সারাবিশ্বে ১০০ সিরিয়ালে ঢুকতে পারে নাই।

লাল বাস আছে
শাটল আছে
প্যারিস রোড আছে
সংস্কৃতির রাজধানী আছে
সবই আছে।

শুধু নাই সাইন্টিফিক মেধা, যে মেধা দিয়ে একটা দেশ এগিয়ে যেতে পারে।

ভারতে মাহিন্দ্রা, মারুতি, সুজুকির মতো ব্রান্ড তৈরি হইলেও আমাদের দেশে এক "প্রগতি" ছাড়া আমি কোন ব্রান্ড পাই নি।

সেই প্রগতি আবার গাড়ি বানায় না,
তারা গাড়ির পার্টস জোড়া লাগায়।

অথচ দেশে আছে বুয়েট, রুয়েট, চুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠান। ঢাবির মতো প্রতিষ্ঠান আবিস্কারের জন্য বিখ্যাত নয়। তারা বিখ্যাত আন্দোলনের জন্য। যে কোন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঢাবির ছেলেরা গিয়ে রাস্তা ব্লক করে, সেটা নিউজ হবে। জাস্ট এইটুকু।

অথচ সুযোগ ও পরিবেশ তৈরি করে দিলে এই ঢাবি বিশ্বের ১০০ ক্যাম্পাসের মধ্যে যাওয়ার যোগ্যতা রাখে।

আমাদের ছেলেরা বুলেট ট্রেনের নকশা করে কিনা জানি না। তবে জাপানের বুলেট ট্রেন নিয়ে একটা প্রতিবেদন দেখেছিলাম। সেখানে বলা হয়েছিল জাপানীরা যাতায়াত ব্যবস্থাকে এতটা সংক্ষিপ্ত করে এনেছে যে, জাপানের যে কোন জায়গা থেকে টোকিওতে যেতে মাত্র ১ ঘন্টা সময় লাগে। সবই সুপার ফাস্ট বুলেট ট্রেনের বদৌলতে।
বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ঢাকায় পোছাতে এক ঘন্টা সময় লাগে এটাকি কল্পনা করা যায়?

আমরা ক্রিকেট খেলি,
বিশ্বকাপে বিভিন্ন দেশের পতাকা বানাই,
ইউটিউবার বানাই,
র‍্যাংকিং নিয়ে ফাইট করি।

দেশটাকে সুযোগ দেন, এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করে দেন।
৫২ সাল থেকে বেরিয়ে এসে ২০২১ সালের পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখুন। দেশটা এগিয়ে যাক। প্লিজ ...

যেন অন্ততঃ আগামী ১০ বছর পরে হলেও আমরা বলতে পারি, বঙ্গবন্ধু সিরিজের ৪ টা মিলিটারি স্যাটেলাইট আছে আমাদের। আছে ১০ টা সাবমেরিন। আমাদের পরমানু প্রকল্প আছে। কয়েকটা পারমানবিক শক্তিচালিত অত্যাধুনিক সাবমেরিন আছে। আছে ব্যালাস্টিক মিজাইল এবং ড্রোন প্রযুক্তি যা নিয়ে আমাদের বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত গবেষনা চালিয়ে আধুনিকায়ন করে চলেছে। আছে আমাদের শক্তিশালী আকাশ ও সমুদ্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
আমরা কারো কাছে মাথানত করতে আসি নাই। অনেক বড় শক্তিকে পরাজিত করার রেকর্ড এই আমাদের আছে। অনেক বড় স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার সাহস, সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা কিছুটা হলেও আমাদের আছে।
দরকার শুধু পদ্ধতিটা একটু পরিবর্তন করে পরিবেশটা তৈরি করে দেওয়া।

25/03/2021

This is a medical science & technolygy advancement related central rechers institute of Bangladesh....!!!
Anyone can join with us & be capable of involving with innovative reachers purpose wise playing role both over virtual & real platform based!!!🙂

Thnx everyone & Welcome to join with us u of all 💖

Photos from Bangladesh Institute Of Medical Science And Technology Reachers Centre's post 31/01/2021

Our newly targeted & desired medical science & technology related research platform's ist interested honoured individual is not anyone but our beloved medical professionalists Major dr.Rezaul Karim sir💚

Its an warm honour for our platform 😊🖐️😊

He has shown his interest to be a part(member) in our great work !!!
Thanks a lot sir..!!
Take so much love 🤎

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka