Let's Play

Let's Play

Share

if you learning or known something you may like my page..!

13/06/2020

🌀 আসসালামু আলাইকুম আমার একটা প্রশ্ন ছিলো,,,, Facebook এ এক আপুর সাথে কথা হলো,, সে বিবাহিত কিন্তু বিয়েটা তার অমতে হওয়ায় সে তার স্বামির উপরে খুশি নয়,,,তার সাথে রাগারাগি করে খারাপ ব্যবহার করে,,তার কোনকিছুতেই সে খুশি হতে পারে না,,, তার স্বামী বিদেশ থাকে ফোন দিলেও বিরক্ত হয় না অজুহাতে ফোন কেটে দেয় কথা বলে না,,,এখম সে জিজ্ঞাসা করছে কি করবে কি করলে তার স্বামী প্রতি থেকে এমন খারাপ ব্যবহার দূর হবে স্বামীর প্রতি খুশি থাকবো,,,এর কি কোনো উপায় বলতে পারবেন?

🔵 উত্তর: এখানে অামরা কেবল তাদের ভালোবাসা বৃদ্ধির অামল বলে দিচ্ছি। পরবর্তীতে সময় করে স্ত্রী তার স্বামীর অানুগত্য না হলে কী কুফল তা পোস্ট করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

🌺 অামল:
♦ শুক্রবার অর্ধরাত অতিবাহিত হবার পর অজু করে নিম্নোক্ত দুআটি তিনবার পড়বেঃ

فَإِنْ تَوَلَّوْا فَقُلْ حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ

বাংলা উচ্চারণঃ ফাইন তাওয়াল্লাও ফাক্বুল হাছবিয়াল্লাহু লা-ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়াহুয়া রাব্বুল আরশিল আজীম।

তারপর পড়বেঃ
اَللَّهُمَّ اَنْتَ الرَّبُّ حَسْبِىْ مِنْ فُلَان بن فلان اِعْطِفْ قَلْبَهَ اِلَىَّ وَذِلِّلْهَ اِلَىَّ

বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতার রাব্বু হাছবী মিন [ফুলান বিনত ফুলান] ই’তিফ ক্বালবাহা ইলায়্যা ওয়াজিল্লিলহা ইলায়্যা।

বিঃদ্রঃ যখন ফুলান বিন ফুলান এর স্থলে আসবে, তখন স্বামীর নাম ও তার মায়ের নাম উচ্চারণ করতে হবে।

13/06/2020

⭕প্রশ্নঃ বিবাহের আগে কনে দেখার নিয়ম কি ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে...!!

👉 এম,ডি অামিনুল ইসলাম সোহাগ

🔴 উত্তর:

⬛ বিয়ের পূর্বে কনে দেখা ও ইসলামী দৃষ্টিকোণ

🌳কনে দেখা, প্রথা বনাম সুন্নাহ🌳

♦ আমাদের সমাজের একটা বড় সমস্যা হলো, আমরা যে কোন জায়েজ মুস্তাহাব কাজকে নিজস্ব একটা রুপ দান করি। এটাকে সাহাবা বা রাসূলের সুন্নাহ মোতাবেক নয়, বরং নিজেদের মত ও পথ অনুযায়ী চলতেই যেন আমাদের প্রবল আগ্রহ। এই প্রবণতার খেসারত স্বরুপ অনেক হালাল ও মুস্তাহাব কাজকেও বেদাত বা অপসংস্কৃতি বানিয়ে ছেড়েছি।

🔵 বিয়ের কনে দেখার ক্ষেত্রে আমরা দু ধরনের সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত।

👉১- ওয়েস্টার্ন
👉২- হিন্দুয়ানী প্রথা।

🌻 ওয়েস্টার্ন ধারাটা গড়ে উঠেছে খুব বেশিদিন হয় নি। পাত্র পাত্রীর হোটেল রেস্টুরেন্ট সাক্ষাৎ, আড্ডা, একান্তে মিলিত হওয়া। ঘুরতে যাওয়া.... নানা কায়দায় পাত্র পাত্রী একে অন্যকে নিরীক্ষা করে। ইসলামপূর্ব জাহেলি যুগেও কোন কোন গোত্রে এই 'টেস্টিং প্রোসেস' বিদ্যমান ছিল।* ওয়েস্টার্ন কালচারে এটা পারিবারিক বিয়ের ভদ্রোচিত নমুনা। আর লাভ ম্যারেজ? জঘন্য সব পাপে লিপ্ত হওয়ার পর সেটাকে জায়েজ করার জন্যে একটা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন!

🌻 দ্বিতীয় এই ধারাটির চল সবচেয়ে বেশি। ননপ্রাক্টিসিং মুসলিম তো বটেই, প্রাক্টিসিং মুসলিমদের মাঝেও এটা দেখা যায়। তা হলো, ঘটা করে ছেলে, ছেলের বন্ধু ভাই বাবা মা সব হাজির হওয়া। এটা সম্ভবত হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত প্রথা। এর কারণে, শরীয়তের বিধান লংঘনের পাশাপাশি বেশ কিছু সামাজিক সমস্যাও রয়েছে।

👉১- মেয়ের পরিবারের অর্থ খরচ করে আয়োজন
👉২- ছেলের পরিবারের ইজ্জত রক্ষার্থে ব্যপক উপহার
👉৩- মেয়েকে মানসিক অস্বস্তি ও চাপের সম্মুখীন করা
👉 ৪- সবচেয়ে বিশ্রী ও ভয়ানক ব্যাপার ঘটে, যখন বিয়েটা হয় না।

💎 সামাজিকভাবে হেনস্তা ও গ্লানির শিকার হতে মেয়ে ও মেয়ের পরিবারকে। এই সামগ্রিক 'আযাব' আমাদের নিজেদের তৈরি করা 'কুপ্রথা' থেকেই জন্ম নেয়!
(*সহীহ বুখারি- ৫১২৭)

🌺কেমন ছিল "তাদের" কনে দর্শন?🌺

🌱 সাহাবাদের আমল আর রাসূল সা. এর বাণী বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, সাহাবাদের দর্শন ছিল নিতান্তই সাদামাটা। সেটার স্থায়িত্ব ছিল খুব সামান্য সময়ের জন্যে। অনেক মুহাদ্দিস বলেছেন, ক্ষণিকের দৃষ্টি বা আচমকা দৃষ্টিপাত। দীর্ঘক্ষণ কথাবার্তা বা আয়োজন করে আলাপচারিতার নজীর নেই।

🍀 কখনো এমন হয়েছে, "আমি আপনার ব্যাপারে জেনেছি। আপনাকে বিয়ে করতে আগ্রহী! এর উত্তর "আমার ইদ্দতের দুমাস বাকী আছে। এরপর".. ব্যস! এই প্রয়োজনীয় কথাই শেষ!

#বিয়ের জন্যে যে মেয়ে দেখা যায়, এটাতেও অনেক সাহাবীয়া অবাক হয়েছেন। যেমন দেখুন,
মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে এক মহিলাকে বিবাহ করার ব্যাপারে তাঁর সাথে আলাপ করলাম। তিনি বলেনঃ তুমি যাও এবং তাকে দেখে নাও। হয়তো তাতে তোমাদের উভয়ের মধ্যে ভালোবাসার সৃষ্টি হবে। অতএব আমি এক আনসার মহিলার নিকটে এসে তার পিতা-মাতার নিকট তাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দিলাম এবং সাথে সাথে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদীসও তাদের অবহিত করলাম। কিন্তু মনে হলো তার পিতা-মাতা এটা অপছন্দ করলো। রাবী বলেন, মেয়েটি পর্দার আড়াল থেকে উক্ত হাদীস শুনে বললো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে পাত্রী দেখার আদেশ দিয়ে থাকলে আপনি দেখে নিন। অন্যথায় আমি আপনাকে শপথ দিচ্ছি (যেন না দেখেন)। কনে যেন ব্যাপারটিকে অভিনব মনে করলো। রাবী বলেন, আমি তাকে দেখে নিলাম এবং তাকে বিবাহ করলাম। পরে মুগীরাহ (রাঃ) তাদের উভয়ের মাঝে সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন।

তিরমিযী ১০৮৭, নাসায়ী ৩২৩৫, দারেমী ২১৭২, ইবনে মাজা ১৮৬৬ সহিহ

🔵 পাত্র/পাত্রীর ব্যাপারে খোজ নেয়া

🌹 বিয়ের পূর্বেই পাত্র-পাত্রী দেখে সকল দিক গভীরভাবে তলিয়ে দেখা জরুরী, যেন পরবর্তীতে এ সংক্রান্ত কোন সমস্যা দাম্পত্য জীবনকে দুর্বিষহ না করে তোলে। এ জন্য ইসলাম এর প্রতি যথেষ্ঠ গুরুত্ব দিয়েছে।

- সাহাবী আবু হুরায়রা রা. এর বর্ণনায় এসেছে, এক ব্যক্তি মহানবীর সা. নিকট এসে বলল, আমি একজন আনসারী রমণীকে বিয়ে করতে চাচ্ছি। এ কথা শুনে মহানবী সা. বললেন, মেয়েটিকে দেখে নাও। কেননা আনসারীদের কারো চোখে আবার সমস্যা থাকে। (মুসলিম:১424)

পাত্র বা পাত্রীর ব্যাপারে আগেই সব জেনে নিবে। বিয়ের ক্ষেত্রে কারো দোষ বা ত্রুটি থাকলে সেটা উল্লেখ করলে গীবাহ হবে না।

🌋 কনে দেখার শরয়ী বিধান...🌋

কনে দেখাকে মুস্তাহাব বলা হয়েছে। কেও কেও অবশ্য সুন্নাতও বলেছেন। ইসলাম কনে দেখাকে জায়েজ করেছে, উৎসাহিতও করেছে। উম্মাহর সিংহভাগ আলেমের মতও তাই। বিয়ের পূর্বে কনেকে এক নজর দেখে নেয়া। এটা কখন? যখন বিয়ের ইচ্ছা প্রবল হয়। অনেকে বলেছেন, এটা তখন যখন বিয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে কনের বাড়িতে পৌঁছে। অর্থাৎ পাক্কা এরাদা ও স্থির সিদ্ধান্তের পরেই কনে দেখার সুযোগ।

- এক হাদীসে সাহাবী হযরত জাবির রা. বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় তখন সে যেন তার এমন কিছু দেখে, যা তাকে তার সাথে বিয়েতে উৎসাহিত করে’ (আবু দাউদ : ২০৮২, মুসনাদে আহমদ - ১৪৫৮৬- হাসান)

-অন্য বর্ণনায় হযরত মুগিরা বিন শো’বা রা. বলেন, আমি জনৈক নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিলাম। এটা শুনে রাসূলূল্লাহ্ সা. আমাকে জিজ্ঞাস করলেন, তুমি কি তাকে দেখেছ? আমি বললাম, না দেখিনি। তখন তিনি নির্দেশ দিলেন যে, তুমি তাকে দেখে নাও। তোমার এই দর্শন তোমাদের মাঝে দাম্পত্য জীবনের প্রণয়-ভালোবাসা গভীর হবার বড় সহায়ক হবে। (তিরমিযী: ১০৮৭- সহীহ)

🔅 উপরোক্ত হাদীসগুলোর ভাষ্য এক ও অভিন্ন। তা হচ্ছে বিয়ের পূর্বে বর কনেকে দেখে নেয়া। তো মেয়ে দেখার শরীআত সম্মত নিয়ম হলো দীনদারীকে প্রাধান্য দিয়ে আনুসাঙ্গিক সকল বিষয় প্রথমে দেখে নিবে। অন্যথায় তার সোনার সংসারে সুখের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়।

- আল্লাহর নবী সা: বলেন, যার দ্বীন ও চরিত্র তোমাদের মুগ্ধ করে, তার সাথে (তোমাদের ছেলেদের কিংবা মেয়েদের) বিয়ে দাও। যদি তা না করো তবে পৃথিবীতে ফিতনা, ফাসাদ ও অশান্তি সৃষ্টি হবে।’

(ইবনে মাজাহ -১৯৬৭ তিরমিজি ১০৮৪- হাসান)

🌲 অত:পর যেভাবে পাত্রী দেখবে...🌲

গোপনে দেখা মানে এই না যে তার সাথে নির্জনে মিলিত হওয়া। বরং অভিভাবকের উপস্থিতিতে অথবা মেয়ের মাহরাম ভাই বা বৃদ্ধা দাদী নানীর উপস্থিতি মেয়েকে দেখে নিবে। এটা খুব বেশি প্রলম্বিত করার প্রয়োজন নেই। কেও হয়ত ভ্রুকুচকাতে পারেন, মাত্র কয়েক মিনিটে মেয়ের অবস্থা জানা সম্ভব? এভাবে বিয়ে হয়?

কয়েক মিনিট কেন? দীর্ঘ প্রেম করে একে অন্যকে গভীরভাবে চেনার পর যখন বিয়ে করে, তখনও অনেকে অভিযোগ করেন "বিয়ের আগে তোমাকে চিনতে পারিনি"... আসলে অফিসিয়াল এই দেখায় কাউকে চিনে ফেলা সম্ভব না। যেটা সম্ভব না সেটার অজুহাতে প্রলম্বিত করারও প্রয়োজন নেই। শরীয়ত দেখার অনুমতি দিয়েছে ঘাটাঘাটি করার জন্যে না। বরং হাদিস থেকে প্রতিভাত হয়, কনের প্রতি আগ্রহী হওয়ার জন্যে। আর সেটা সম্ভবত কয়েক মুহুর্তের স্থায়ীত্বের মাধ্যমেই সুদৃঢ় হয়। বেশি খুঁটিয়ে দেখতে গেলে নেগেটিভ মাইন্ড কাজ করে। এতে মূল মাকসাদ 'কনের প্রতি আগ্রহী' হওয়ার উল্টোটা হয়। কনের ভালোমন্দ জানার জন্যে খোজ নেয়া যায়। তাছাড়া সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে "এস্তেখারা'' তো করে নিতে হবেই।

💨 ঘটা করে কনে দেখা...💨

🌠 আমাদের দেশে ঘটা করে কনে দেখতে গিয়ে, বরের পাশাপাশি বাবা বন্ধুরাও কনে দেখে।
বর ছাড়া অন্য কোন পুরুষের কনে দেখা শরীআতে নিষিদ্ধ। চাই সে বরের পিতা বা অন্য কোন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হোক না কেন। তাদের কেউ বরের পক্ষ হয়ে কনে দেখলে কবীরা গুনাহ হবে। সুতরাং আমাদের দেশে বাবা, ভাই, বন্ধু-বান্ধব মিলে ঘটা করে মেয়ে দেখার যে প্রচলন চালু আছে তা শরীআতের দৃষ্টিতে নাজায়িজ ও হারাম। পুরুষ সদস্য বাদ দিয়ে শুধু নারী সদস্য নিয়েও ঘটা করে মেয়ে দেখাও ঠিক নয়। কেননা এভাবে ঘটা করে কনে দেখার পর যদি কোন কারণবশতঃ বিয়ে না হয়, তাহলে এটা ঐ মেয়ে পক্ষের জন্য রীতিমত বিপদ হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তী সময়ে অন্যরা মেয়ের ব্যাপারে নানা রকম সন্দেহের মধ্যে পড়ে। ফলে এই মেয়ে বিয়ে দেয়া কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। আর কোন মানুষকে এভাবে বিপদে ফেলা ইসলাম সম্পূর্ণ নিষেধ করেছে।

[মুসলিম:১/৪৫৬; আবু দাউদ:১/২৮৪; তিরমিযী:১/২০৭;ফাতওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ৩/২১২]

⚫ কনের কতটুকু দেখা জায়েজ?⚫

👉 ১- কনে দেখার ক্ষেত্রে কেবল মাত্র কনের হাত ও মুখই দেখা যেতে পারে। অবশ্য কাপড়ের উপর দিয়ে যদি শরীরের সামগ্রিক অবয়ব দেখে নেয়া হয়, তাহলে কোন অসুবিধা নেই। কেবল মাত্র বিয়ে করার উদ্দেশ্যেই কনে দেখতে পারবে এছাড়া নয়। বিয়ে করার উদ্দেশ্যে কনে দেখার সময় যদি কামোত্তেজনার সৃষ্টি হয়, তাতেও কোন আপত্তি নেই। কেননা এটাতো শরীআত অনুমোদিত একটি প্রয়োজন।

👉 ২- অবশ্য ইমাম আবু হানীফা রহ. এর মতে ,হাত ও চেহারার বাইরে পা ও দেখা বৈধ।

( আল জাওহারাতুন নায়্যিরাহ ৬/১৬৩ আল মাবসুত লিসারাখসী ১২/৩৭১)

👉 ৩- আর যদি মেয়েরা কনে দেখে, তাহলে প্রয়োজনে শরীআতের সাধারণ রীতি অনুযায়ী সতরের অংশটুকু বাদ দিয়ে অবশিষ্ট পূর্ণ শরীর দেখতে পারবে।

এমনকি কোন অঙ্গ সম্পর্কে সন্দেহ দেখা দিলে নির্ভরযোগ্য কোন নারীর মাধ্যমে তা যাচাই করে নিতে পারবে। তবে সেটা যেন ভদ্রতার মাত্রা ছাড়িয়ে না যায়।

👉 ৪- যদি পাত্র পাত্রীকে একবার দেখেই পরিতৃপ্ত হয়ে যায়, তবে তার জন্য একবারের অতিরিক্ত দেখা হারাম। কারণ এই দেখা হালাল করা হয়েছে অনিবার্য প্রয়োজনে। সুতরাং এখানে অনিবার্য প্রয়োজন বিবেচ্য!

[হিদায়া:৪/৪৪৩;আল মুগনী:৭/৭৪;] (রাদ্দুল মুহতার : ৬/৩৭০ ৫/২৩৭)।

🔰পাত্রী কি সাজগোজ করতে পারবে?🔰

হ্যা, পাত্রী পাত্রের সামনে যাওয়ার আগে সাধারণ সাজগোজ করতে পারবে। কিন্তু সেটা এই পর্যায়ে নয়, যেটা একধরনের ধোঁকা হয়ে যায়। যেমন, অতিরিক্ত মেকাপ এর ফলে তার বাস্তব আকৃতিই বদলে যায়। ফলে পাত্র সাময়িক ধোকায় পরে রাজী হয়ে যায় বটে, কিন্তু পরবর্তীতে সংসারে অশান্তি হয়। হয়ত, এর বাড়াবাড়ি পর্যায়ের মেকাপ না করলেও এখানেই বিয়ে হত। কিন্তু এটার কারণে সম্পর্কে মাধুর্যতা থাকে না। যে হাদিসে রাসূল সা. পাত্রকে পরামর্শ দিয়েছেন পাত্রী দেখতে। সেখানে এটাও বলেছেন, "দেখে নেয়ার দ্বারা সুসম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক হয়"! সুতরাং এর উলটা যেন না হয়, এ ব্যাপারেও খেয়াল রাখতে হবে। অর্থাৎ দেখে বিয়ে করে পরে ধোকা খেল। সুসম্পর্ক তো দূরের কথা, সাধারণ সম্পর্কও আর থাকে না। তবে স্বাভাবিক পর্যায়ের সাজগোজ ও নিজেকে আকর্ষিত ও মোহনীয় করতে পারবে।

মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হয়েছে 'সুবাইয়া'হ বিনতে আবি বারযাহ' রা. এর স্বামী এন্তেকালের পর দ্বিতীয় বিয়ের সময়, যখন আবু সানাবেল রা. তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ঐ সময়ে তিনি খেজাব লাগিয়েছিলেন ও সুরমা দিয়েছিলেন।

(আহমদ- ২৭৪৩৮- সহীহ)

এথেকে বোঝা যায়, সাধারণ সাজগোজ করা যাবে। যাতে বাড়াবাড়ি পর্যায়ে না হয়, এতে ধোকা খাওয়ার আশংকা আছে।

অন্যান্য সূত্র....

- ফাতহুল বারী- ৯/২১০
- ফাতহুল মুলহিম ৬/৩৯২
- শারহু সাহিহীল বুখারী লি ইবনে বাত্তাল ৭/২৩৭
- আলমিনহাজ ৯/২১০
- আশশারহুল কাবীর লি আবুল ফারজ ২/৩৪১
- এলাউস সুনান ১৭/৩৮২
- বাহরুর রায়েক ৩/৮৭
- হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগা ২/১৯২
- আহকামুল আওরাহ ফি ফিকহিল ইসলামী ১/৩২৯
- আহকামুন নাযর লি ইবনিল কাত্তান ৬৭-৬৮
- শারহুস সুন্নাহ - ৯/১৭
- আন নিহায়াহ ফি গারিবীল হাদিস- ১/৬২
- হাশিয়াতুস দাসুকী - ৭/৩৩১

09/06/2020

★ #প্রশ্নঃঅনেকে অনলাইনে বা অফলাইনে দাবা,ক্যারাম,লুডু খেলে থাকে এগুলো খেলা জায়েয আছে কি না???

#উত্তরঃ
الجواب باسم ملهم الصدق والصواب:-
★দাবা,লুডু ও ক্যারাম আমাদের সমাজে প্রচলিত তিনটি খেলার নাম তিনটিই গুটি দিয়ে খেলা হয় পাশা খেলা এগুলোর সমগোত্রীয় খেলা। এসকল খেলাগুলোর উৎপত্তি ভারতীয় উপমহাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার..!!

★এসকল খেলাগুলো সম্পূর্ণ হারাম অনলাইনে হোক বা অফলাইনে হোক চাই জুয়ার দ্বারা হোক বা জুয়া ছাড়া এমনিই হোক না কেন সর্বাবস্থায় হারাম কেননা হাদিসে কঠোরভাবে এসমস্ত খেলা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ এসেছে যেমনঃ-

حدثنى عن مالك عن موسي بن ميسرة عن سعيد بن ابي هند عن ابي موسي العشري ان رسول الله صلي الله عليه وسلم قال من لعب بالنرد فقد عصي الله ورسوله
★অর্থ্যাৎ যে ব্যাক্তি পাশা বা দাবা খেলল সে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের অবাধ্য হলো।মুয়াত্তায়ে মালিক হাদীস নং ৭৬৯ সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং ৪৯৩৮

وحدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر انه كان إذا وجد أحدا من اهله يلعب بالنرد ضربه وكسرها
★অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাদিআল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত নিশ্চয় তিনি তার পরিবারের কাউকে দাবা বা পাশা খেলতে দেখলে তাকে মারতেন এবং দাবা ভেংগে ফেলতেন মুয়াত্তায়ে মালিক আওযাযুল মাসালেক, শায়খূল হাদীস আল্লামা যাকারিয়া কান্ধলভী ১৭/৫৩

★সহিহ হাদিসে আছে নবী সঃ বলেছেন যে ব্যাক্তি পাশা বা দাবা খেলল সে যেন তার হাত শুকরের মাংস ও রক্তে ডুবালো عن ابيه ان النبي ص.قال من لعب بالنردشير فكانما صبغ يده في لحم خنزير ودمه সহিহ মুসলিম হা,২২৬০ সুনানে আবু দাউদ হা,৪৯৩৯ তালখীসুল হাবির ৪/৬৩

★শায়খুল হাদীস আল্লামা ইবনে তাইমিয়্যা রহঃ বলেন ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহঃ বলেছেন দাবা বা পাশা খেলোয়াড়দের কে তোমরা সালাম দিওনা কারণ সে প্রকাশ্যে জঘন্য পাপে লিপ্ত মাজমাউল ফাতাওয়া ৩২/২৪৫ সুতরাং এটি পরিস্কার যে দাবা-লুডু ক্যারাম সব একই খেলা এগুলো সব হারাম।

★আলী রাঃ বলেন দাবা অনারবদের জুয়া খেলা।এর দ্বারা দাবাসহ অনারবীয় খেলাগুলো অর্থাৎ লুডু,ক্যারাম ইত্যাদি হারাম প্রমানিত হচ্ছে কেননা এগুলো অনারবীয় এবং গুটি দিয়ে খেলা হয় ।।ফুকাহায়ে কেরাম বলেছেনঃ- পাশা বা দাবার ন্যায় গুটি দিয়ে খেলা অন্যান্য খেলাগুলোও হারাম আল মুগনী ১৩/১৫৪ আল ফুরু ৬/৫৭৩ আল ইনসাফ ১২/৫২-৫৩.

08/06/2020

#প্রশ্নঃটুপি ছাড়া নামাজ পড়লে কি কোনো প্রকার গুনাহ হবে..??

★উত্তরঃ
আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, يا بَني آدَمَ خُذوا زينَتَكُم عِندَ كُلِّ مَسجِدٍ ‘তোমরা নামাজের সময় তোমাদের সর্বোৎকৃষ্ট পোশাক পরিধান করো’। (সূরা আরাফ : ৩১) এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, নামাজ আদায় করার ক্ষেত্রে পোশাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাসূলুল্লাহ ﷺ মাথা ঢেকে নামাজ আদায় করতেন, আমাদেরও তাই করা উচিত। সাহাবায়েকেরাম ও তাবিঈগণও এ বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতেন। যেমন,

إن ابن عمر رضي الله عنه قال لغلامه نافع لما رآه يصلي حاسر الرأس: أرأيت لو خرجت إلى الناس كنت تخرج هكذا؟ قال: لا قال: فالله أحق من يتجمل له
একদা ইবনে ওমর রাযি. তার গোলাম নাফে’কে খালি মাথায় নামাজ আদায় করতে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি যদি সেসব সম্ভ্রান্ত লোকদের নিকট গমন করতে তাহলে কি এভাবে খালি মাথায় গমন করতে? নাফে’ বললেন, না। যেতাম না। তখন ইবনে ওমর রাযি. বললেন, তাহলে আল্লাহ তো তাদের চেয়েও তোমার সৌন্দর্য্যের বেশি হকদার। (হিজাবুল মারআতি ওয়া লিবাসুহা ফিস স্বালাতি ২/৩)
হাসান বসরী রহ. বলেন-وكان القوم يسجدون على العمامة والقلنسوةতাঁরা (সাহাবায়ে কেরাম গরমের দিনে) পাগড়ি বা টুপির উপর সিজদা করতেন। (সহীহ বুখারী, কিতাবুস সালাত)

উল্লেখ্য, হাসান বসরী রহ. অনেক বড় মনীষী তাবেয়ী, যিনি অনেক সাহাবীকে দেখেছেন এবং তাদের সাহচর্য গ্রহণ করেছেন।

যুহাইর রহ. বলেন, আমি প্রখ্যাত তাবেয়ি আবু ইসহাক সাবিয়ীকে দেখেছি, তিনি আমাদের নিয়ে নামাজ পড়েছেন। তিনি মাটি থেকে টুপি উঠিয়ে মাথায় পরেছেন।(তাবাকাতে ইবনে সাদ ৬/৩১৪)

তাই ফুকাহায়ে কেরাম নামাজে টুপি পরা সুন্নত বলেছেন এবং অবহেলা করে টুপি না পরে নামাজ পড়াকে মাকরুহ বলেছেন, যদিও নামাজ আদায় হয়ে যাবে। (ফাতাওয়া কাজিখান ১/১৩৫)

আল্লামা হাসকাফী রহ. দুররে মুখতার (১/৬৯১) কিতাবে লিখেন, و صلوته حاسرا اي كاشفا راسه للتكاسل

★অলসতাবশত: খালি মাথায় নামাজ পড়া মাকরুহ...!!

06/05/2020

★সমস্ত কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল...!!!

আল হাদিস...!!

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00