ম্যাজিক স্কুল Magic school

ম্যাজিক স্কুল Magic school

Share

NO.1 ম্যাজিক শেখার স্কুল

13/09/2017

কে কোন ধরনের ম্যাজিক শিখতে চান? যানাবেন তাহলে আমি সে অনুযায়ী আপনাদের শেখাবো।

Photos 29/07/2016

White Magic:

ভালোবাসার মানুষকে কাছে পাবার বশীকরণ বিদ্যা:

উপকরণ: (১) আপেল (২) সাদা কাগজ (৩) ফুলের পাপড়ি।

প্রণালী: প্রথমে সাদা কাগজে আপনি যাকে চান তার নাম লিখুন।এরপর আপেলটিকে সমান দুই ভাগে ভাগ করুন।এরপর ফুলের পাপড়ি আপেলের দুই ভাগে রাখুন এরপর ওই সাদা কাগজের শেষে আপনার নাম লিখুন। এটি ভাজ করুন।,ভাজ করে আপেলের মাঝখানে ঢুকান আপেলটি জোড়া লাগিয়ে দিন শক্ত করে বাধুন লাল তাগা বা ঘুন্সি দিয়ে।আর বাধার সময় বার বার পাঠ করুন ( যাকে চান তার নাম ধরে বলুন আমার কাছে আসো,আমি তোমার হৃদয়ে থাকতে চাই) কয়েকবার পাঠ করুন।এরপর আপেলটি আপনার ঘুমানোর বালিশের নিচে রেখে দিন এভাবে এক থেকে দুই দিন বালিশের নিচে রেখে ঘুমান তারপর নিজেই এর প্রভাব দেখতে পাবেন কিছু দিনের মধ্য।
কাজ হলে আমাকে জানাবেন আর না হলেও জানাবেন আন্য উপাই বলে দেব।

★ সবার ক্ষেত্রে এটি কাজ নাও করতে পারে। সর্বদা ভালো কাজ করুন নামাজ পড়ুন সকল প্রকার খারাপ কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখুন ইনশাআল্লাহ কাজ হবেই। এটি খারাপ কাজে ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

27/07/2016

Black Magic পোষ্ট করব নাকি White Magic পোষ্ট করব? মতামত দিন তাহলে সেটাই পোষ্ট করাহবে

Photos 12/05/2015

#ম্যাজিক

**চুম্বকিয় হাত 1ম পর্ব **
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
1.কিছু তাস
2.আঠাঁ
3.ধারালো ছুঁরি বা ব্লেড।

যেভাবে করবেন: পথমে আপনি একটা কার্ডের মাঝখানে দারালো ছুরি বা ব্লেড দিয়ে চারকোনা আকারের জানালা কাটুন ,সম্পূর্ণ না ঠিক 1 নং ছবিতে যেমন দেখানো হয়েছে।এবার অন্য আর একটি কার্ড নিয়ে কাটা কার্ডটির সাথে ভলোকরে এটে দিন।যেমনটা চিত্র 2 এ দেখানো হয়েছে।জোড়া লগনোর পর সমনে থেকে চিত্র 3 এর মত দেখাবে। এবার কার্ডের কাটা অংশে আপনার মাঝের দুই আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিয়ে ধরেন , যেমনটা চিত্র 4 এ দেখানো হয়েছে।এবার কার্ডটি উপরে তুলুন তাহলে মনে হবে কার্ডটি চম্বুকের মত আপনার হাতের সাথে লেগে উঠেঁ আসছে।অন্যভাবে আপনি জোড়া লাগানো কার্ডটি টেবিলের মাঝে রেখে তার চারিপাশে কার্ড সাজিয়ে দিন গোল করে ঠিক যেমন চিত্র 5 এ দেখানো হয়েছে।এরপর মাঝের ছেঁড়া অংশটুকু দুই আঙ্গুলের মাঝে রেখে আস্তে আস্তে উচুঁ করুন যেটি চিত্র 6 এর সহায্যে দেখনো হয়েছে তাহলে সবাই অবাক হয়ে যাবে আপনার হাতের ক্ষমতা দেখে।

**ভলো লাগলে লাইক আর thanks জানাতে ভুলবেন্না।

12/05/2015

NEXT ম্যাজিক...( আপনার হাতকে করে তুলুন চম্বুক)।শিখতে চাইলে লাইক আর কমেন্টস এ জানান। 50 লাইক পড়লেই আমি শেখাবো..

Photos 11/05/2015

#ম্যাজিক

*মজার একটি ম্যাজিক*

দর্শকদের সামনে যা করবে
(ক) একটি ম্যাচবাক্স পকেট থেকে বের করো।

(খ) ম্যাচকাঠির ড্রয়ার বা ট্রেটা আঙুল দিয়ে ঠেলে বের করো।

(গ) ট্রে-ভর্তি ম্যাচকাঠিগুলো টেবিলের ওপর ঢেলে দাও।

(ঘ) খালি ট্রেটা সবার সামনে ম্যাচবাক্সের মধ্যে ঢুকিয়ে দাও।

(ঙ) হাতের আঙুলে একটা তুড়ি বা হাততালি দিয়ে ট্রেটা ঠেলে দেখাও, খালি ট্রেটা ম্যাচকাঠিতে ভরে গেছে। শুরুতে যে কাঠিগুলো টেবিলে ঢেলে রেখেছিলে, সেগুলো তখনো সেখানে পড়ে আছে।

(চ) ভরা ম্যাচবাক্সটা বাঁ হাত ধরে ডান হাতে এমন একটা ভঙ্গি করো, যেন ম্যাজিকটা এখানেই শেষ।

(ছ) দর্শকেরা ‘ওয়াও’ বা অন্য কোনো প্রশংসাসূচক শব্দ উপহার দিয়ে হাততালি দিলে তোমার ম্যাচবাক্সটি পকেটে রেখে দাও।

তোমার প্রস্তুতি

১ নম্বর ছবি ড্রয়ারের পিঠে আঠা দিয়ে লাগানো অর্ধেক কাঠির সারি১ নম্বর ছবি ড্রয়ারের পিঠে আঠা দিয়ে লাগানো অর্ধেক কাঠির সারিএকটা সুন্দর ম্যাচবাক্স নাও। আজকাল ম্যাচবাক্সের উভয় পিঠে একই রকম প্রিন্ট পাওয়া যায়। কোনো এলাকায় যদি এমন বাক্স না পাওয়া যায়, তাহলে উভয় পিঠে একই রকম ছবি লাগিয়ে নিতে হবে। আর লম্বালম্বি একপ্রান্তে ছোট্ট একটা দাগ লাগিয়ে নেবে, যা শুধু তুমি ছাড়া আর কারও চোখে পড়বে না। তোমার বাক্স তৈরির কাজ হয়ে গেল।

এবারে ট্রে বা ড্রয়ার তৈরির কাজ। ড্রয়ারটি উপুড় করে রাখো। ১২-১৩টা ম্যাচকাঠি নাও। কাঠিগুলোর মাঝামাঝি কেটে ফেলো। বারুদের দিকটা রেখে নিচের অর্ধেক ফেলে দাও। বারুদসহ কাঠির অর্ধেকটা উপুড় করা ড্রয়ারের পিঠে পাশাপাশি সাদা গ্লু (আইকা বা ফেভিকল) দিয়ে লাগিয়ে নিতে হবে। লাগানোর কাজে বিশেষ যত্ন নিতে হবে, যেন সবকিছু শুকিয়ে গেলে ড্রয়ারটা যখন বাক্সের মধ্যে পুরে দেওয়া হবে, তখন তা সরসর করে ঢুকতে ও বের হতে পারে। এ জন্য কী করতে হবে? প্রতিটি অর্ধেক করে কাটা কাঠির কাটা দিকটা ব্লেড দিয়ে একদিকে ঢাল করে কাটতে হবে। বারুদের পাশটাও যতটুকু চোখে পড়ে, সেটুকু রেখে বাকিটা চেঁছে ফেলে দিতে হবে। ঢাল করা কাঠির পাতলা দিকটা বারুদ পর্যন্ত ড্রয়ারের সঙ্গে আঠা দিয়ে লাগিয়ে একটা শক্ত মলাটের বই চাপা দিয়ে পুরো জিনিসটা এক দিন ছায়ায় শুকিয়ে নাও। প্রথম দিকে বেশ কয়েকবার ট্রেটা ধীরে ধীরে বাক্সের মধ্যে ঢোকাও এবং বের করো। কোথাও বাধাপ্রাপ্ত হলে জোরাজুরি কোরো না। সাবধানে ত্রুটিটি সেরে ফেলো। সব ঠিকমতো তৈরি হলে শুরু হবে তোমার অনুশীলন আর অনুশীলনের পালা। তুমি কী কথা বা গল্প বলে ম্যাজিকটি করবে, তার একটা স্ক্রিপ্ট লিখে নাও। আয়নার সামনে বসে পড়ো। প্রয়োজনে তোমার কথা, গল্প ও ম্যাচবাক্স চালনা পরিবর্তন করে একসময় চূড়ান্ত সুন্দর একটি জাদু তৈরি হয়ে যাবে। সব মিলিয়ে যা করবে, তার নামই উপস্থাপনা। কৌশলযুক্ত ম্যাচবাক্সটি তোমার যন্ত্র। শুধু বাদ্যযন্ত্র দিয়ে যেমন মধুর সুর বের হয় না; শিল্পীকে মধুর করে বাজাতে শিখতে হয়। জাদুর ক্ষেত্রেও তেমনই।২ নম্বর ছবি সাধারণ ফাঁকা বাক্স। একপ্রান্তে কলমের একটা ডট

আমি এখন প্রদর্শন কৌশলটা শিখিয়ে দিচ্ছি। অনুশীলনের মাধ্যমে একে সুন্দরতর করার দায়িত্ব জাদুশিল্পী হিসেবে তোমার। আঠা দিয়ে পিঠে সেঁটে দেওয়া কাঠিসহ ড্রয়ারটা চিত করো। ফাঁকা ড্রয়ারে লুজ করে কিছু স্বাভাবিক কাঠি রাখো। বাক্সের যেদিকে ডট দেওয়া, সেদিকটা ঘুরিয়ে তলের দিকে নাও। এবার ড্রয়ারটা বাক্সের ভেতরে ঢুকিয়ে দাও। তাহলে কী হলো? ড্রয়ারের খোলের মধ্যে লুজ কিছু কাঠি। ম্যাচবাক্সটি পকেট থেকে বের করো। ড্রয়ারের যেদিকে আঠা দিয়ে কাঠি লাগানো নেই, সেদিকে অর্ধেকের সামান্য কম বের করে উপুড় করে ঝাঁকি দিলে লুজ কাঠিগুলো টেবিলে পড়ে যাবে। দর্শকও দেখবেন একটা সাধারণ ম্যাচবাক্স এবং তার ড্রয়ারের উভয় দিক।

৩ নম্বর ছবি ডট দাগ দেওয়া প্রান্তে আঠা দিয়ে লাগানো কাঠির দিকটা দেখে মনে হচ্ছে বাক্সভরা কাঠিএবার বাক্সের বিষয়ে কোনো কথা না বলে ড্রয়ারটা বাক্সের ভেতরে পুরে দিয়েই বাক্সটা সামান্য ওপরে ছুড়ে দুই হাতে ধরে নাও। দর্শকেরা যেন বুঝতে না পারেন তুমি ডট দেওয়া দিকটা ঘুরিয়ে একটু আগের সাধারণ দিকটার দিকে কাঠি লাগানো ট্রের দিকটা নিয়ে এসেছ। এবার একটা তুড়ি দাও। যেন এই মুহূর্তেই তুমি ম্যাজিকটা করে ফেললে। ডটের উল্টো দিক থেকে তর্জনী ঢুকিয়ে এক ঠেলায় মাপা প্রায় অর্ধেকটা ট্রে বের করে ফেলো। বারবার অনুশীলন এ কাজে তোমাকে সাহায্য করবে। ট্রের পিঠে লাগানো কাঠি দেখে দর্শকেরা ভাববেন, এক তুড়িতে ম্যাচবাক্স কাঠিতে ঠেসে ভরে গেছে।

ম্যাজিক শেষ হয়ে যাওয়ার ভঙ্গি করো। তুমি যত বিশ্বাসযোগ্যভাবে ম্যাজিকটি করতে পারবে, দর্শক তত জোরে বাহবা দেবেন। এক চাপে ভরা (?) ম্যাচের ট্রেটি বাক্সের মধ্যে ঢুকিয়ে পকেটে রেখে দাও। ম্যাজিকটি শেষ হয়ে গেল। কিন্তু দর্শকের বিস্ময় আর মুগ্ধতার সুরটি অনেকক্ষণ ধরে মুখে মুখে বাজতে ।

*ভালো লাগলে লাইক আর কমেন্টস করে সাথে থাকুন

Photos 10/05/2015

#ম্যাজিক
***পানির উপরে ভাসবে সুই***
এই ম্যজিকটি দেখানোর জন্য প্রথমেই
আপনার
যা যা প্রয়োজন হবে:
●১.একটি গ্লাস বা মগ ভর্তি পানি;
●২.একটি টিসু/ পাতলা কাগজ;
●৩.একটি সুই(সবচেয়ে ছোট আকারের)।
কার্যপ্রনালী: প্রথমেই মগ বা গ্লাস ভর্তি
পানির
মধ্যে টিসুটি রাখুন। তারপর টিসুটির উপর
সুইটি রাখুন
প্রায় .৩০/.৪৫ সেকেন্ড। এবার
ধীরে ধীরে হালকা কোন কাটি দিয়ে নীচের
দিকে টিসুটি নিয়ে নিন। তারপর
কাটি দিয়ে আস্তে আস্তে টিসুটি তুলে আনুন।
সাবধান পানিতে যেন খুব বেশী নাড়া-
চড়া না হয় এবং সুইয়ের সাথে যেন
কাটি না লাগে । এবার দেখেবেন
পানিতে ভাসছে আপনার সুইটি। কাজ গুলো
একটু
সাবধানে করতে হবে যাতে
পানি সহজে নড়তে না পারে।
ম্যাজিকটি কেমন লাগল জানাবেন । আর
কোন
সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন ।

Photos 17/02/2015

Magic # # # অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার অধিকারী হোন # # #
কিছু কিছু ব্যাপারে বিজ্ঞান নিশ্চুপ। এসব বিষয়ে বিজ্ঞান না পারে তথ্য প্রমাণের সাহায্যে সত্য ও পরীক্ষিত বলে প্রমাণ দিতে না পারে অস্বীকার করতে। তেমনই একটি বিষয় নিয়ে আজ আলোচনা করতে যাচ্ছি। মনে রাখবেন প্রাকটিস ও ধর্য্য ছাড়া অন্যসব বিষয়ের মতো এ ধরনের বিষয় রপ্ত করা অসম্ভব।


একটি কৃস্টালের তৈরী বল জোগাড় করুন। কৃস্টালের বলটি অবশ্যই স্বচ্ছ হতে হবে। কৃস্টালের বল না পাওয়া গেলে দাগ বা খুঁত বিহীন কাঁচের গোলক হলেও চলবে। গোলক পাওয়া সম্ভব না হলে ঝকঝকে কাঁচের পানি পূর্ণ পেয়ালা সিল্কি কাপড়ের উপর রেখেও শুরু করতে পারেন।

এবার একটি বদ্ধ ঘরে পদ্মাসনে বসে পড়ুন। পদ্মাসনে বসতে অসুবিধা হলেও আপত্তি নেই। বসার পরে খেয়াল রাখুন মাংস পেশি বা রগে যেন টান না পড়ে কারণ এগুলো আপনার মনযোগের বিঘ্ন ঘটাতে পারে। মনে রাখবেন ঘরটি হতে হবে নীরব, হৈ চৈ বিহীন কোনো প্রকার কোলাহলমুক্ত। ঘরটি অন্ধকারাছন্ন হতে হবে। ঘরে মৃদু আলো থাকতে পারে তবে লক্ষ্য রাখুন লাইটের আলো যেনো কৃস্টাল বলটিতে সরাসরি প্রতিফলিত না হয়।
এবার কৃস্টাল বলটি দু’হাতের তালুর মধ্যে রাখুন। কৃস্টাল বলটির দিকে মনযোগ দিয়ে তাকিয়ে থাকুন। শুধু বলের উপর নয় বলের ভিতর তাকিয়ে থাকুন। আপনার মন থেকে সমস্ত চিন্তা ভাবনা ঝেরে ফেলুন। একদম কিছুই ভাববেন না। দৃষ্টি রাখুন বলটির কেন্দ্রস্থলে। ধীরে ধীরে আপনি প্রবেশ করতে যাচ্ছেন অতিন্দ্রীয়র জগতে। আপনার তখন মনে হতে পারে কৃস্টাল বলের আয়তন বাড়ছে। আপনি যেনো শুন্যে হারিয়ে যেতে বসেছেন। আর সেই মূহুর্তে একটি ঝাটকা লাগতে পারে।


এমন অবস্থা নিয়ে তিব্বতিয় সাধন লামা লবসাঙ “ডক্টর ফ্রম” গ্রন্থে লিখেছেন- “আমি কৃস্টাল বলে দৃষ্টি কেন্দ্রীভূত করলাম। মন তখন একদম হাল্কা। হঠাৎ অনুভব করলাম, আমার হাতের তালুর কৃস্টাল বলের আয়তন বাড়ছে। আমার মনে হলো, আমি এর ভিতর পড়ে যাবো। লাফিয়ে উঠলাম। সমস্ত অনুভূতি বিলীন হয়ে গেলো। দেখলাম হাতে একটা সচ্ছ কৃস্টাল বল ছাড়া কিছুই নেই”

**কিছুকথা.....** শুধু রহস্যময় তিব্বতীয় সাধকরা কৃস্টাল বল ব্যবহার করতেন না। অতীন্দ্রীয় সাধকরা কোন না কোন ভাবে এ পদ্ধতির প্রয়োগ করতেন। ব্যাবিলনের উজ্জ্বল ধাতব পেয়ালায় পানি ভরে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে সাধকরা পৌঁছতে পারতেন অতিন্দ্রীয় উপলব্ধীর জগতে। জেনেসিসে উল্লেখ করা হয়েছে হজরত ইউসুফ (আঃ) রূপার পেয়ালায় পানি ভরে তা ধ্যান করার সময় ব্যবহার করতেন। গ্রীকরাও যে ধাতব পেয়ালায় পানি নিয়ে এর চর্চা করতেন তার প্রমান মেলে। পীথাগোরাস কৃস্টাল বলের পরিবর্তে ব্যবহার করতেন আয়না। গ্রীক অকাল্টবিদরা অনেক সময় স্বচ্ছ ঝর্ণার পানিতে আয়না দিয়ে রোগীর রোগের অবস্থা জানাতেন।

প্রাচীন মিশরীয় অকাল্ট সাধকরা দিব্যদৃষ্টির জন্য ব্যবহার করতেন আয়না। আরব সাধকরা আয়নার সাথে ব্যবহার করতেন রূপার পেয়ালা। ভারত, চীন ও আফ্রিকায়ও প্রাচীন সাধকরা রূপা বা কাঁসার পাত্রে পানি ব্যবহার করতেন। অতীন্দ্রিয় সাধকদের মধ্যে আমিরিকার মায়া সভ্যতায়ই প্রথম মসৃণ কৃস্টাল ব্যবহৃত হতো। অষ্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরাও মসৃণ কোয়ার্জ খন্ড ব্যবহার করতেন। বিখ্যাত জ্যোর্তিবিদ নস্ট্রাডামাস ব্যবহার করতেন কালো আয়না। নস্ট্রাডামাস একদিন ফ্রান্সের তৎকালীন রাণীকে তার কালো আয়নায় ভবিষ্যত রাজার মুখ দেখান। রাণী প্রথম এলিজাবেথের ব্যাক্তিগত এস্ট্রলজার ড. জন ডি এর কৃস্টাল বলই প্রথম ইতিহাসে খ্যাতি লাভ করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমেরিকান ভবিষ্যত দ্রষ্টা জীন ডিক্সনের কৃস্টালের কথা চরম আলোচনায় আসে।

যাই হোক, প্রসংগে আসি, আপনি প্রথম বৈঠকে যদি কৃস্টাল বলের শুণ্যতায় নিমজ্জিত হতে গিয়ে ঝাঁকুনি খেয়ে বাস্তবে ফিরে এসেছেন। যদি এমন ঘটে থাকে তাহলে আপনি সত্যিই ভাগ্যবান। তাহলে আপনার অতীন্দ্রীয় উপলব্ধির ক্ষমতা অসাধারণ। আর যদি ব্যতিক্রম ঘটে যে আপনি কোনো উপলব্ধি করতে সক্ষম হচ্ছেন না তাহলে দয়া করে ধৈর্যহীন হবেন না। হতাশ হবেন না। বার বার প্রাকটিস করুন। কৃস্টাল বলের প্রভাবে আপনি অতীন্দ্রিয় জগতে প্রবেশ করবেনই।

এরপরও কোনো ফল না পেলে আর একটু ধীরে ধীরে অগ্রসর হন। এক সপ্তাহ সাস্থের প্রতি নজর দিন। দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন। কারো উপর রাগ করবেন না। কাউকে বকবেন না। নিরামিষ খাদ্য খাবেন। প্রচুর ফলমূল ও দুধ খাবেন। কৃস্টাল বলটি হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করুন। তাতে কিছু দেখতে চেষ্টা করবেন না। শুধু নাড়াচাড়া করবেন। এভাবে নাড়াচাড়া করলে আপনার চুম্বক শক্তির একটা প্রভাব পরবে কৃস্টালে। কৃস্টাল অনুভবের সাথে আপনার একাত্ব হতে সুবিধা হবে। রাতে ঘুমুবার সময় কৃস্টালটা আপনার বালিশের নীচে রাখুন। তবে যখন আপনি কৃস্টাল বলটি নাড়াচারা করছেন না তখন অবশ্যই কৃস্টাল বলটি কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন আর কোনো ভাবেই যেনো কৃস্টালে সরাসরি সুর্যের আলোক রশ্মি না পড়ে। কৃস্টালকে নিরাপদ যায়গায় রাখবেন যাতে অন্যকেউ তা স্পর্শ করতে না পারে।

এক সপ্তাহ পরে আপনি আবার আগের নীয়মে কৃস্টাল বলটি নিয়ে বসুন। কিছুক্ষণ আল্লাহর কথা ভাবুন। ভাবুন গ্রহ, গ্রহ, তারা, চন্দ্র খচিত আকাশের নীলিমার গভীরতা ও বিশালতার কথা। এ ভাবনা অল্পসময়ের মধ্যে শেষ করুন। এবার আস্তে করে কৃস্টাল বলটি কয়েক সেকেন্ডের জন্য কপালের মাঝখানে ঠেকান। আস্তে আস্তে কৃস্টাল বলটি সহ হাত নামিয়ে নিন। তালুতে কৃস্টাল বলটি রেখে আরাম করে বসুন।

এবার কৃস্টাল বলটির উপর দৃষ্টি বুলান। দৃষ্টিকে গভীরভাবে নিমগ্ন করুন। ভাবুন আপনি এক অস্তিত্বহীন শুন্যের দিকে তাকিয়ে আছেন। মনকে চিন্তা-ভাবনা শুন্য করে ফেলুন। কোনো কিছু দেখতে বা উপলব্ধি করতে চেষ্টা করবেন না। কোনো গভীর আবেগ অনুভূতির প্রশ্রয় দিবেন না।

প্রথম রাতের জন্য ৭ থেকে ১০ মিনিটই যথেষ্ট। আস্তে আস্তে কৃস্টালের কেন্দ্রে গভীরভাবে দৃষ্টি নিবদ্ধ করার সময় বাড়ান। এমন ভাবে সিডিউল করুন যাতে আপনি সপ্তাহের শেষ দিনে ৩০ মিনিট পর্যন্ত দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে পারেন।

পরবর্তি সপ্তাহে বসার সাথে সাথে মনকে চিন্তাশুন্য করে ফেলুন। কৃস্টালের মধ্যে অন্তহীন শূণ্যতার কল্পনা করে একাগ্রচিত্তে দৃষ্টি রাখুন। ধীরে ধীরে মনে হবে কৃস্টালের উপরিভাগ ঢেউয়ের মত দুলছে। কৃস্টালের বলটি বড় হতে হতে বিশাল আকার ধারণ করেছে। মনে হবে আপনি যেন গোলকের শূণ্যতার মধ্যে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন বা বিশাল শুণ্যতার মাঝে হারিয়ে যাচ্ছেন। এমনই হবে। বিস্মিত হবেন না। ভয় পাবেন না। আপনার বিস্ময় বা ভয় সব কিছুকে মূহুর্তেই বিলীন করে দিতে পারে। ঐ রাতে আপনি কিছুই দেখতে পাবেন না। যদি আপনি ভয়ে কেঁপে ওঠেন বা তন্দ্রামগ্ন মানুষের মতো ঝাঁকি খেয়ে ওঠেন তাহলে বিশ্রাম নিন। সে দিন আর কৃস্টালের বল নিয়ে কাজ নেই।

পরেরদিন আবার আগের মতো কৃস্টালের বল নিয়ে বসুন। এভাবে অভ্যাস গড়ে তুলুন। দেখবেন বসার পর মন চিন্তাশূণ্য করার সাথে সাথে মনে হবে কৃস্টালের বল আয়তনে বেড়ে যাচ্ছে। মনে হবে তাতে প্রাণ এসেছে।

এভাবে ৪০ দিন করার পর দেখতে পাবেন কৃস্টালে ভুবনে যেনো সাদা ধোঁয়া আসছে। আপনি ভয় না পেলে সাদা ধোঁয়া সরে যাবে। আপনি গোলকের শূণ্যতায় দেখতে পাবেন হয়তো নিজের জীবনের কোনো ঘটনা। প্রথমদিকে সাধারণত অতীতের ঘটনাই ভেসে উঠবে। এ অবস্থায় আপনি তখন প্রবেশাধীকার পেলেন অকাল্টের সীমানায়। আপনার চর্চা অব্যাহত রাখুন। প্রতিদিন একের পর এক নিজের বিষয় দেখতে থাকুন। দেখেতে দেখতে ও অবিরত চর্চার মাধ্যমে আপনি অভ্যস্থ হয়ে পড়বেন।

এখন আপনি আপনার ইচ্ছে অনূসারেই নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন দৃশ্যবলি। দৃঢ়তা ও বিশ্বাসের সাথে নিজে নিজে বলুন “আজকে আমি এই জিনিস দেখবো।” বিশ্বাস করুন তখন আপনি যা দেখতে চাইবেন তাই দেখতে পাবেন। আপনার দেখতে চাওয়ার ইচ্ছেই হবে শেষ কথা। ভবিষ্যৎ সর্ম্পকে দেখতে চাইলে সম্ভব্য বিষয়ের সকল তথ্য সংগ্রহ করুন। দৃঢ়তার সাথে মনে মনে বলুন “আমি এই বিষয়টি জানতে চাই”।

কৃস্টালের প্রতি আপনার একটি কমান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এবার আপনি কি অন্যকারও সম্পর্কে কিছু জানতে চান?
কৃস্টালের বলের সাহায্যে অপরের সম্পর্কে জানার কৌশল আমি পরবর্তি পর্বে দেবো। মনে রাখবেন এগুলোর জন্য দরকার বিশ্বাস, প্রাকটিস ও ধর্য্য।

Photos 16/02/2015

আপনারাকি Black Magic শিখতেচান?কিছু অবাক করা Black Magic আছে আমারকাছে

10/09/2013

আপনারা কি আরও ম্যাজিক শিখতে চান?তাহলে comments এ জানান

Photos 11/03/2013

বিদ্যুৎ চমকানো ও বজ্রপাত :
চিরুনী দিয়ে যখন চুল আচড়ানো হয় তখন ইলেকট্রন জাম্প করে চুল থেকে চিরুনীতে আসে । এইসময় এক ধরনের আলোর ঝলকানি দেখা যায় । একে বলা হয় স্পার্ক । ইলেকট্রনের জাম্প দেয়ার কারনে স্পার্ক হয় । অন্ধকার ঘরে আয়নার সামনে দাড়িয়ে প্লাস্টিকের চিরুনী দিয়ে শুকনা চুল আচড়ালে স্পার্ক দেখা যায় । আকাশে যখন মেঘ জমে তখন মেঘে মেঘে ঘর্ষণের ফলে স্থির বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় । তখন ইলেকট্রন মেঘের এক স্তর থেকে আরেক স্তরে জাম্প করার সময় স্পার্ক বা বিদ্যুৎ স্ফুলিঙ্গের সৃষ্টি হয় । আর এটাই হল বিদ্যুৎ চমকানো । এভাবে মেঘের স্তরের নীচে ঋণাত্মক চার্জ জমা হতে থাকে এবং যখন ভূপৃষ্ঠের ধনাত্মক চার্জ এবং মেঘের স্তরের ঋণাত্মক চার্জের মধ্যকার ব্যবধান অনেক বেড়ে যায় তখন প্রচন্ড আলোর ঝলকানি সহ ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে । এটাই হল বজ্রপাত ।
আশা করি এই ছোট্ট এবং সহজ একটি ম্যাজিকের মাধ্যমে প্রকৃতির একটি অসাধারণ ঘটানাকে বুঝতে পারছেন । ধন্যবাদ ।

Photos 02/03/2013

এখন লিখতে পারবেন রক্তের অক্ষরে নয়, কলমের কালি দিয়েও নয়, লেখা হবে আগুনের কালিতে !!!!!!ভাল লাগলে লাইক,ও কমেন্টস দিতে ভুলেবেন না.এতে করে নিয়মিত পোস্ট পাওা যাবে।.......





আমরা সাধারণত লেখার জন্য কলম ব্যবহার করি আবার অনেক সময় পেন্সিল দিয়েও লিখি । আজ আমরা লিখব আগুনের সাহায্য। কি করে লিখব ? চলুন দেখি -
দরকার :
• ১। একটি বিকার ।
• ২। ১০ গ্রাম সোডিয়াম নাইট্রেট ।
• ৩। ফিল্টার পেপার/ব্লটিং পেপার/পোর্চমেন্ট পেপার ।
• ৪। শুষ্ককারী যন্ত্র (হেয়ার ড্রাইয়ার হলে চলবে)
• ৫। নাড়ন কাঠি/গ্লাস রড ।
• ৬। লাইটার
• ৭। ছোট রং তুলি ।
• ৮। পানি ।
• ৯। একটি পেন্সিল ।
• ১০। শুকনা কাঠি ।
সতর্কতা :
• ১। চোখে গগলস পড়ে নিতে হবে ।
• ২। যে কক্ষে পরীক্ষা করা হবে সে কক্ষের ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা ভাল
হতে হবে কারণ পরীক্ষার সময় প্রচুর ধোঁয়া উৎপন্ন হতে পারে ।
কি করতে হবে :
প্রথম ধাপ : বিকারের মধে সামান্য পানি (কমপক্ষে ১০ মি.লি.) নিয়ে তার মধ্যে ১০ গ্রাম সোডিয়াম নাইট্রেট যোগ করে নাড়ন কাঠির সাহায্যে নাড়িয়ে তা ভালভাবে দ্রবীভূত করি । তারপর উহাতে আর একটু সোডিয়াম নাইট্রেট যোগ করে নাড়াই। যদি তা দ্রবীভূত না হয় তবে আর যোগ করতে হবে না । কিন্তু যদি দ্রবীভূত হয় তখন আর একটু যোগ করতে হবে । এভাবে দ্রবণ প্রস্তুত করতে হবে ।
দ্বিতীয় ধাপ : এখন রং তুলি ঐ দ্রবণের মধ্যে ডুবিয়ে ডুবিয়ে পেপারেরর মধ্যে যা লিখতে চাই তা লিখি । দরকার হলে লেখাগুলোর উপর দিয়ে আবার লিখতে হবে যেন সব জায়গায় ভালভাবে দ্রবণ পড়ে । খেয়াল রাখতে হবে যেন লেখার মধ্যে একটি বর্ণের সাথে অপর বর্ণের যোগসূত্র থাকে অর্থাৎ কোন ফাঁকা যেন না থাকে এবং পেপারের একেবারে প্রান্ত থেকে লেখা শুরু করতে হবে । যেখান থেকে লেখা শুরু করব সেখানে পেন্সিল দিয়ে একটি চিহ্ন দিতয়ে রাখতে হবে । এরপর পেপারটিকে শুকিয়ে নেই । এতে লেখাগুলো অদৃশ্য হয়ে যাবে ।
তৃতীয় ধাপ : এখন শুকনো কাঠিটি লাইটার দিয়ে একপ্রান্তে আগুন জ্বালাই এবং ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দেই । তখন কাঠিটি শিখাহীন লালাভ জ্বলতে থাকবে স্ফুলিঙ্গের মত । এই লালাভ স্ফুলিঙ্গকে পেপারের যেখান থেকে লেখা শুরু করেছি সেখানে ভালভাবে স্পর্শ করে ধরি। তখন পেপারে লালাভ স্ফুলিঙ্গের আকারে আগুন লেখা বরাবর চলতে থাকবে এবং ধোঁয়া তৈরি হবে । ফলে কাগজে কাল পোড়া দাগ পড়বে যেরকম লেখা হয়েছিল ঠিক সেরকম এবং লেখাগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
কেন এমন হয় :
আমরা জানি অক্সিজেন দহনে সাহয্য করে । সোডিয়াম নাইট্রেট দ্রবণ দিয়ে লেখার উপর যখন আগুনের স্ফুলিঙ্গ ধরা হয় তখন সোডিয়াম নাইট্রেট বিক্রিয়া করে সোডিয়াম নাইট্রাইট ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। এই অক্সিজেনই লেখা বরাবর আগুনকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এতে করে আগুন অন্যদিকে নাগিয়ে লেখা বরাবর চলতে থাকে এবং কাগজ পুড়ে কাল লেখা স্পষ্ট হয়ে উঠে ।
9*********বিষয় : মন্ত্রের সাহয্যে মোমবাতি নেভানো
একটি জলন্ত মোমবাতি আমরা বিভিন্নভাবে নেভাতে পারি । যেমন -ফুঁ দিয়ে , বাতাস করে, পানি ঢেলে ইত্যাদি । কিন্তু আজ আমরা মোমবাতির আগুন নিভাব মন্ত্রের সাহায্যে । চলৃন দেখি -
<
দরকার :
১। একটি কাঁচের বোল ।
২। একটি লাইটার বা ম্যাচ ।
৩। একটি ছোট সাইজের মোমবাতি ।
৪। ১০০ মি.লি. ভিনেগার ।
৫। ০.৫ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ।
সতর্কতা : এই পরীক্ষাটি ১৩ বছরের নীচে কেউ করতে যাবেন না এবং সাথে অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক কাউকে রাখবেন ।
কি করবেন :
১। প্রথমে মোমবাতিটি বোলের মাঝখানে রাখুন ।
২। তারপর ১০০ মি.লি. ভিনেগার বোলের মধ্যে সতর্কতার সহিত ঢালুন । একটু মিষ্টি গন্ধ পেতে পারেন এতে ভয় পাবেন না ।
৩। এরপর লাইটারের সাহায্যে মোমবাতিটি জ্বালিয়ে দিন ।
৪। তারপর ০.৫ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ঢেলে দিন এবং একটু দূরে সরে গিয়ে নীচের মন্ত্রগুলো মনে মনে পড়ে হাতের মুঠোয় ফুঁ দিয়ে বোলের দিকে ছুঁড়ে মারুন ।
মন্ত্র : '' বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিত্তিক বাংলা ব্লগ টেকটিউনস আমার প্রিয় ব্লগ । এখানকার মডারেটর, টিউনার ও কমেন্টার সবাই সবার খুবই আপন । যারা টেকটিউনসের প্রতি অভিমান করেছে তাদের অভিমান ভেঙ্গে যাক । আর যারা টেকটিউনসের সাফল্যে ইর্ষান্বিত তাদের হিংসার আগুন নিভে যাক ।''
(এসময় বোলের মধ্যে প্রচন্ড বুদবুদ সৃষ্টি হতে পারে । এতে ভয় পাবার কিছু নেই ।)
মন্ত্র কিভাবে কাজ করে :
আমরা জানি অক্সিজেন গ্যাস আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস আগুন নেভাতে সাহায্য করে । মন্ত্রের প্রভাবে বোলের মধ্যে রাখা ভিনেগার (দূর্বল এসিড) ও বেকিং পাউডার (বাই কর্বনেট) এর মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে এবং অদৃশ্য কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় । এগ্যাস যখন মোমবাতির আগুনের শিখার চারপাশে ঘিরে ধরে তখন অক্সিজেনের অভাবে মোমবাতির আগুন নিভে যায় ।******

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka