Adv. Ashraful Alam

Directions Contact the school

Adv. Ashraful Alam বার কাউন্সিল পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য যোগাযোগ
Md. Ashraful Alam
LL.B & LL.M. Advocate
Mobile No- 01727867215

শুধু নির্যাতনের অভিযোগ থাকলেই ধারা ১১(গ) এর মামলা হয় না:কোনো স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য মারধর করা হয়েছে—এমন অভিযোগ করলেই   এর...
28/09/2026

শুধু নির্যাতনের অভিযোগ থাকলেই ধারা ১১(গ) এর মামলা হয় না:
কোনো স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য মারধর করা হয়েছে—এমন অভিযোগ করলেই এর ধারা ১১(গ) অনুযায়ী মামলা গ্রহণ বা Charge frame করা যাবে না। এই ধারায় অভিযোগ টিকিয়ে রাখতে দুটি বিষয় প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে: প্রথমত, #যৌতুক দাবি করা হয়েছিল; দ্বিতীয়ত, সেই যৌতুকের দাবি পূরণ না করায় স্ত্রীকে “ ” করা হয়েছিল। এই দুইটির যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে ধারা ১১(গ) এর অধীনে cognizance বা charge frame করা যায় না।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো “simple hurt” কথাটির আইনগত অর্থ। Penal Code এর Section 319 অনুযায়ী bodily pain, disease বা infirmity সৃষ্টি হলে তা “hurt”। আদালত স্পষ্ট করেছেন, শুধু মানসিক কষ্ট বা emotional pain এই অর্থে hurt নয়। আবার কোনো আঘাত simple না grievous, সেটি সাধারণ অনুমান দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না; এর প্রকৃতি নির্ধারণে medical evidence গুরুত্বপূর্ণ।

তাহলে বাস্তবে প্রশ্ন আসে, শুধু FIR বা সাক্ষীদের বক্তব্যে কি বলা যাবে যে স্ত্রীকে মারধর করে simple hurt করা হয়েছে?

এই মামলার সিদ্ধান্ত হলো, ধারা ১১(গ) এর মতো অভিযোগে বিষয়টি এত সহজ নয়। Section 32 অনুযায়ী alleged injury-এর বিষয়ে victim-এর medical examination সরকারী হাসপাতাল অথবা সরকার কর্তৃক এ উদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোনো বেসরকারি হাসপাতালে হতে হবে এবং সেই examination-এর ভিত্তিতে Medical Officer-এর certificate থাকতে হবে। Tribunal charge frame করার সময় অন্যান্য prosecution materials-এর পাশাপাশি এই দুইটি বিষয় অবশ্যই সন্তুষ্টির সঙ্গে বিবেচনা করবে। এমন medical examination certificate ছাড়া ধারা ১১(গ) বা ১১(গ)/৩০ এর charge frame করা যাবে না।

একজন litigant-এর জন্য এর practical significance অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন FIR-এ বলা হলো, “যৌতুক না দেওয়ায় মারধর করা হয়েছে”, কিন্তু কোথায় চিকিৎসা নেওয়া হয়েছে, সেই চিকিৎসা Section 32 অনুযায়ী স্বীকৃত হাসপাতালে হয়েছিল কি না, injury certificate আছে কি না—এসবের কোনো আইনসম্মত ভিত্তি নেই। সেক্ষেত্রে শুধু মৌখিক অভিযোগের ওপর নির্ভর করে ধারা ১১(গ) এর বিশেষ আইনের কঠোর বিধান প্রয়োগ করা যাবে না। আদালতও বলেছেন, প্রয়োজনীয় medical foundation ছাড়া এই বিশেষ আইনকে হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আবার এর অর্থ এই নয় যে যৌতুকের অভিযোগে medical certificate না থাকলে ভুক্তভোগীর কোনো আইনগত প্রতিকার নেই। আদালত উল্লেখ করেছেন, যৌতুক দাবির অভিযোগ প্রমাণিত হলে Joutuk Nirodh Ain, 2018 এর Section 3 অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আর simple hurt প্রমাণিত হলেও যৌতুকের demand প্রমাণিত না হলে বিষয়টি Penal Code-এর সংশ্লিষ্ট বিধানের অধীনে পড়তে পারে। অর্থাৎ অভিযোগের প্রকৃতি অনুযায়ী সঠিক আইনগত provision নির্বাচন করাও গুরুত্বপূর্ণ।

এই মামলায় alleged victim-কে একটি private hospital-এ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল এবং discharge ও injury certificate-ও পরে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু আদালত দেখেন, ওই হাসপাতালের সাধারণ licence থাকলেও Section 32(1) অনুযায়ী অপরাধের victim-এর medical examination করার জন্য Government recognition ছিল না। ফলে সেই documents দিয়েও prosecution-এর মৌলিক ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হয়নি।

ফলাফল: High Court Division charge-এর order বাতিল করে accused appellants-দের discharge করেন এবং bail bond থেকে অব্যাহতি দেন।

এই নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হলো Uthpal Kumar Roy and others Vs. Meghnad Shaha and another, Criminal Appeal No. 1660 of 2016, 15 SCOB [2021] HCD 77.

Legal Takeaway: ধারা ১১(গ) এর মামলায় শুধু “মারধর হয়েছে” বলা যথেষ্ট নয়। যৌতুকের দাবি, simple hurt এবং Section 32 অনুযায়ী বৈধ medical examination ও certificate—প্রতিটি বিষয়ই আইনের কাঠামোর মধ্যে যাচাইযোগ্য হতে হবে। বিশেষ আইনের কঠোরতা যেমন বাস্তব নির্যাতনের প্রতিকার নিশ্চিত করে, তেমনি তার প্রয়োগও statutory requirements মেনেই হতে হবে।
©
সংগ্রহ করা কপি পোস্ট ।
সবার উপকারে আসবে।



25/09/2026
বার MCQ পরীক্ষা প্রস্তুতি। MCQ ব্যাচে ভর্তি চলমান-----বেসিক থেকে শুরু করতে চাচ্ছেন যুক্ত হতে পারেন দুরন্ত ল একাডেমিতে। য...
25/09/2026

বার MCQ পরীক্ষা প্রস্তুতি।
MCQ ব্যাচে ভর্তি চলমান-----
বেসিক থেকে শুরু করতে চাচ্ছেন যুক্ত হতে পারেন দুরন্ত ল একাডেমিতে। যোগাযোগ 01727-867215


゚

🚨 খতিয়ানে আপনার নাম আছে, কিন্তু দাগের তথ্য ভুল—তাহলে কী করবেন?অনেকে খতিয়ানে নিজের নাম দেখেই নিশ্চিন্ত হয়ে যান। কিন্তু শু...
25/09/2026

🚨 খতিয়ানে আপনার নাম আছে, কিন্তু দাগের তথ্য ভুল—তাহলে কী করবেন?

অনেকে খতিয়ানে নিজের নাম দেখেই নিশ্চিন্ত হয়ে যান। কিন্তু শুধু নাম থাকলেই যে জমির সব তথ্য সঠিক থাকবে—এমনটা নয়।

বিশেষ করে পুরোনো রেকর্ড থেকে নতুন রেকর্ডে তথ্য ওঠার সময় দাগ নম্বর, জমির শ্রেণি, জমির পরিমাণ বা অন্যান্য বিবরণে ভুল থাকতে পারে।

❗ এমন ভুল ভবিষ্যতে জমি বিক্রি, নামজারি, উত্তরাধিকার বা বিরোধের সময় বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।

✅ তাই খতিয়ান হাতে পাওয়ার পর কয়েকটি বিষয় খেয়াল করুন—

১️⃣ আপনার নামের বানান সঠিক কি না
২️⃣ দাগ নম্বর সঠিকভাবে লেখা হয়েছে কি না
৩️⃣ জমির পরিমাণ বাস্তব ও পূর্বের বৈধ কাগজপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না
৪️⃣ জমির শ্রেণি ঠিক আছে কি না
৫️⃣ সংশ্লিষ্ট মৌজার তথ্য সঠিক কি না
৬️⃣ একই দাগে অন্য কারও অস্বাভাবিক মালিকানা দেখানো হয়েছে কি না
৭️⃣ কোনো তথ্য নিয়ে সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যাচাই করুন।

⚠️ মনে রাখবেন—খতিয়ানে ভুল ধরা পড়ার পর সেটিকে অবহেলা করা ঠিক নয়।

ভুল তথ্য ভবিষ্যতে বিরোধের কারণ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে বিষয়টি যাচাই করুন এবং আইনগতভাবে সংশোধনের প্রয়োজন হলে যথাযথ পদক্ষেপ নিন।

📌 জমির কাগজে ছোট একটি ভুলও ভবিষ্যতে বড় সমস্যায় পরিণত হতে পারে। তাই কাগজ দেখুন, বুঝুন এবং যাচাই করুন।

👉 পোস্টটি শেয়ার করে অন্য জমির মালিকদেরও সচেতন করুন।

#ভূমি_সচেতনতা #জমি_জমা #খতিয়ান

একজন মানুষ মারা গেলে তার জমি-সম্পত্তি কীভাবে ওয়ারিশদের মধ্যে ভাগ হবে—এটা কি আপনি জানেন?অনেকেই মনে করেন, ছেলে-মেয়ে আছে মা...
25/09/2026

একজন মানুষ মারা গেলে তার জমি-সম্পত্তি কীভাবে ওয়ারিশদের মধ্যে ভাগ হবে—এটা কি আপনি জানেন?

অনেকেই মনে করেন, ছেলে-মেয়ে আছে মানেই ছেলে অর্ধেক আর মেয়ে অর্ধেক পাবে। কিন্তু ফারায়েজের হিসাব এতটা সরল নয়।

কে কতটুকু পাবেন, তা নির্ভর করে মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া ওয়ারিশদের ওপর।
স্ত্রী, স্বামী, বাবা, মা, ছেলে, মেয়ে—কে জীবিত আছেন, তার ওপর অংশ পরিবর্তিত হতে পারে।

যেমন,

একজন ব্যক্তি ১০০ শতাংশ জমি রেখে মারা গেলেন। তাঁর ওয়ারিশ ১ জন স্ত্রী, ১ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে। এখন কে কতটুকু জমি পাবেন?

চলুন খুব সহজভাবে হিসাবটা বুঝি।

মৃত ব্যক্তির স্ত্রী জীবিত থাকলে, সন্তান থাকায় স্ত্রী পাবেন ১/৮ অংশ।

অর্থাৎ,

১০০ × ১/৮ = ১২.৫০ শতাংশ

তাহলে স্ত্রী পেলেন ১২.৫০ শতাংশ।

অবশিষ্ট থাকল:

১০০ − ১২.৫০ = ৮৭.৫০ শতাংশ

এখন এই অবশিষ্ট সম্পত্তি ছেলে ও মেয়ের মধ্যে বণ্টন হবে ২ : ১ অনুপাতে।

অর্থাৎ মোট অংশ = ৩ অংশ।

ছেলের অংশ:

৮৭.৫০ × ২/৩ = ৫৮.৩৩ শতাংশ (প্রায়)

মেয়ের অংশ:

৮৭.৫০ × ১/৩ = ২৯.১৭ শতাংশ (প্রায়)

চূড়ান্ত হিসাব:

স্ত্রী = ১২.৫০ শতাংশ
ছেলে = ৫৮.৩৩ শতাংশ (প্রায়)
মেয়ে = ২৯.১৭ শতাংশ (প্রায়)

মোট = ১০০ শতাংশ

তবে মনে রাখবেন, ফারায়েজের হিসাব শুধু “ছেলে-মেয়ে” দেখেই করা যায় না। মৃত ব্যক্তির বাবা-মা, স্বামী/স্ত্রী, অন্যান্য সন্তান বা অন্য কোনো ওয়ারিশ জীবিত আছেন কি না, তার ওপর হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

তাই কোনো সম্পত্তি ভাগ করার আগে সম্পূর্ণ ওয়ারিশের তালিকা দেখে হিসাব করা জরুরি।

আইন জানুন, সচেতন হোন।
আইন জানাটা বিলাসিতা নয়—নিজে জানুন, অন্যকে জানান।

#ফারায়েজ #ওয়ারিশ #উত্তরাধিকার #জমিরহিসাব #আইনজানুন #সচেতনহোন

কি একটা অবস্থা
25/09/2026

কি একটা অবস্থা

✍️✍️পুরাতন দলিল তল্লাশি করবেন কিভাবে?✍️✍️জমির দলিল তল্লাশি কি এবং কেনো?তল্লাশি মানে খোঁজা-খুঁজি করা। যখন একটা দলিল সাব-র...
25/09/2026

✍️✍️পুরাতন দলিল তল্লাশি করবেন কিভাবে?
✍️✍️জমির দলিল তল্লাশি কি এবং কেনো?
তল্লাশি মানে খোঁজা-খুঁজি করা। যখন একটা দলিল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করা হয় তখন তা অনুমোদন হলে বালাম বহিতে লিপিবদ্ধ করা হয়। এরপর দলিলটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে দুটি সূচি তৈরি করা।
✍️একটি সূচি তৈরি করা হয় দাতা/গ্রহীতার নাম,বাবার নাম দিয়ে। আর একটি সূচি তৈরি করা হয় জমির মৌজার নাম দিয়ে। অফিসিয়ালি এই সমস্ত কাজ সম্পন্ন হওয়ার জন্য একটি দলিল সম্পাদন হওয়ার পর তা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রেজিস্ট্রি অফিসে জমা থাকে।
✍️✍️পুরাতন দলিল বের করার নিয়ম।
✍️পুরাতন দলিল তল্লাশি করার নিয়ম
আপনি যদি কোন জমি ক্রয় করতে চান তাহলে জমির মালিকানা যাচাই করতে হতে পারে। এজন্য যার জমি ক্রয় করতে চান তার পুরাতন দলিল তল্লাশি করে দেখা উচিৎ। বাংলাদেশ সরকা্রের ভূমি মন্ত্রনালয় এখনো অনলাইন সিস্টেমের এই সাইটি উন্নতি করেনি। তাই বাংলাদেশের কোন দলিলের তথ্য এইভাবে জানা সম্ভব নয় কিন্তু ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দলিল তল্লাশি করা যায়।
✍️এই ক্ষেত্রে দুটি অবস্থা হতে পারে। এক যদি মূল দলিল থাকে এবং দুই যদি মূল দলিল না থাকে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে তল্লাশি অপরিহার্য কেননা সূচিপত্র তল্লাশি করে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে, কাঙ্খিত দলিলটি আপনার প্রয়োজন।
✍️যদি মূল দলিল থাকেঃ রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষ হলে মূল দলিলের শেষ পৃষ্ঠার উল্টো দিকে “দলিলটি কত সালের, কত নম্বার বালাম বইয়ের কত পৃষ্ঠা থেকে কত পৃষ্ঠায় নকল করা হয়েছে” তা লিখে সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষর করা হয়। দলিলে এই তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সহজেই নকল উঠানো যায়। এই ক্ষেত্রে তল্লাশির প্রয়োজন হয় না।

#জমি #কাগজপত্র #জমির #আদালত #আইন #খতিয়ান #ভূমিসেবা #ভূমি #মামলা #ডকুমেন্ট #নামজারি #দলিল #খতিয়ান

24/09/2026

বার MCQ পরীক্ষা প্রস্তুতি।
MCQ ব্যাচে ভর্তি চলমান-----
বেসিক থেকে শুরু করতে চাচ্ছেন যুক্ত হতে পারেন দুরন্ত ল একাডেমিতে। যোগাযোগ 01727-867215

শত্রুকে ধ্বংস করার সর্বশ্রেষ্ঠ উপায় হলো তাকে বন্ধু বানিয়ে ফেলা- আব্রাহাম লিংকন
24/09/2026

শত্রুকে ধ্বংস করার সর্বশ্রেষ্ঠ উপায় হলো তাকে বন্ধু বানিয়ে ফেলা

- আব্রাহাম লিংকন

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv. Ashraful Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Adv. Ashraful Alam:

Shortcuts

Share