22/09/2025
Positive Thoughts
Your mind is a powerful thing. When you fill it with positive thoughts, your life will start change.
22/09/2025
19/09/2025
"জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে সমস্যা থাকবে, থাকবে দুশ্চিন্তা।"
এই পৃথিবীতে এমন কোনো মানুষ নেই যার জীবনে কোনো সমস্যা নেই। আমরা প্রত্যেকেই আমাদের নিজস্ব ল'ড়া*ই*য়ে প্রতিনিয়ত ব্যস্ত। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য হলো—এই ল'ড়া*ই আমাদের আরও শক্তিশালী করে।
মানুষের অন্তরে যত নেতিবাচক প্রবণতা রয়েছে, তা জয় করার জন্য প্রতিনিয়ত নিজেকে গড়ে তুলতে হয়। জীবনের পথে হাজারো বাধা আসবেই, কিন্তু সেগুলোর মোকাবিলা করতে হলে প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং অবিচল মনোভাব।
যারা হতাশার মাঝেও আশা খুঁজে পায়, যারা নিজেদের দুর্বলতাকে শক্তিতে পরিণত করতে জানে, তারাই জীবনের প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে। আর এই মানসিক শক্তি ও ইতিবাচকতার ফলেই আসে সত্যিকারের সফলতা।
তাই, যদি কখনো মনে হয় জীবন খুব কঠিন, যদি মনে হয় দুশ্চিন্তার পাহাড় জমে উঠছে—তখন নিজেকে স্মরণ করিয়ে দিন, "আমি পারব। আমার ভেতরের শক্তি অদম্য।"
সফলতা কেবল তাদেরই ধরা দেয়, যারা সাহস নিয়ে সবকিছু মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। আজ ল*ড়া*ই করুন, কাল জয়ের গল্প লিখুন। বাঁচুন বিশ্বাস নিয়ে, এগিয়ে চলুন সাহস নিয়ে।
কিছু মানুষকে দেখবেন তারা সবকিছুর ভেতরেই নেগেটিভ কথা বলবে, নেগেটিভ কিছু খুঁজে বেড়াবে। যদি কেউ সবকিছুতে এরকম করে তবে ধরে নিতে হবে তিনি আসলে মানসিকভাবে সুস্থ নন।
মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন বিষণ্ণতা (Depression), দুঃশ্চিন্তা (Anxiety), বা অবসেশনাল কমপালসিভ ডিসঅর্ডার (OCD)-এর কারণে মানুষ নেতিবাচক চিন্তায় আচ্ছন্ন থাকতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে, মস্তিষ্ক নেতিবাচক তথ্যগুলোকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয়, ফলে একজন ব্যক্তি স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও সবকিছুর নেতিবাচক দিক দেখতে শুরু করেন।
অতীতের খারাপ অভিজ্ঞতা, যেমন: বিশ্বাসঘাতকতা, ব্যর্থতা, বা কোনো আঘাতমূলক ঘটনা মানুষকে সতর্ক করে তোলে। এর ফলে, তারা ভবিষ্যতে একই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সবকিছুর মধ্যে নেতিবাচক দিকগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রতিরক্ষামূলক কৌশল (Defensive Mechanism)
আমাদের মস্তিষ্কের অ্যামিগডালা (Amygdala) নামক অংশটি ভয়, উদ্বেগ এবং নেতিবাচক আবেগ প্রক্রিয়াজাত করে। যখন এই অংশটি অতিরিক্ত সক্রিয় থাকে, তখন আমাদের নেতিবাচক বিষয়গুলোর প্রতি মনোযোগ বেড়ে যায়।
তবে আশার কথা হলো, এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। জ্ঞানীয় আচরণগত থেরাপি (Cognitive Behavioral Therapy - CBT)-এর মতো চিকিৎসা পদ্ধতি এবং নিয়মিত মাইন্ডফুলনেস (Mindfulness) অনুশীলনের মাধ্যমে নেতিবাচক চিন্তাধারার চক্র ভেঙে ইতিবাচক দিকগুলো দেখার অভ্যাস গড়ে তোলা যায়।
24/08/2025
"নিজের অস্তিত্বের মূল যে মানুষ ছোটো করে দেখে আত্ম-অবিশ্বাসের অবসাদেই সে নিজের সম্পদ উদ্ঘাটিত করতে ভরসা পায় না। বিশ্ব আপনার সমস্ত শক্তি দিয়ে প্রত্যেক মানুষকে গ্রহণ ও ধারণ করে, মানুষের অন্তরে এই মস্ত সত্যটির অনুবাদ হচ্ছে প্রেম। ব্যক্তিবিশেষকে সে ডাক দিয়ে বলে, ‘তুমি কারোর চেয়ে কম নও, তোমার মধ্যে এমন মূল্য আছে যার জন্যে প্রাণ দেওয়া চলে।’ মানুষ যেখানে আপন সীমা টেনে দিয়ে নিজেকে সাধারণের শামিল করে অলস হয়ে বসে থাকে প্রেম ব্যক্তিবিশেষের সেই সাধারণ সীমাকে মানে না, তাকে অর্ঘ্য দিয়ে বলে, ‘তোমার কপালে আমি তিলক দিয়েছি, তুমি অসাধারণ।’ সূর্যের আলো বৃষ্টির জল যেমন নির্বিচারে সর্বত্রই মাটির জড়তা ও দৈন্য অস্বীকার করে, মরুকে বারবার স্পর্শ করে, তাকে শ্যামলতায় পুলকিত করে তোলে, যে ভূমি রিক্ত তারও সফলতার জন্যে যেমন তাদের নিরন্তর প্রতীক্ষা, তার কাছেও যেমন পূর্ণতার দাবি, মানুষের সমাজে প্রেম তেমনি সব জায়গাতেই অসীম প্রত্যাশা জাগিয়ে রাখে। ব্যক্তিকে সে যে মূল্য দেয় সে মূল্য মহিমার মূল্য। অন্তর্নিহিত এই মহিমার আশ্বাসে মানুষের সৃষ্টিশক্তি নানাদিকে পূর্ণ হয়ে ওঠে; তার কর্মের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।" "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ".....
23/08/2025
যোগেই হবে রোগ মুক্তি ! যত দিন গড়িয়েছে ততই জটিল হচ্ছে মানুষের জীবন। বাড়ছে নানা রোগ। প্রতিনিয়ত সমস্যা বাড়ছে আমাদের জীবনে। অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া ও টেনশনে দুর্বিসহ আমাদের জীবন। এই সব থেকে মুক্তির জন্য যোগের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যার ফলে শরীরের সঙ্গে সুস্থ থাকবে মন।
১. যোগ শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে পারে। সেই সঙ্গে সারিয়ে তোলে নানা রোগ ।
২. মাথাব্যথা, পেশির দুর্বলতা, হাড়ের সমস্যা , রক্তচাপের সমস্যা, ডায়াবেটিস সব কিছুর নিরাময়ের জন্য যোগ ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারি।
৩. সকালে উঠে যোগাভ্যাস করতে পারলে সারা দিনভর মনে শান্তি বিরাজ করবে।
৪. অনেকেরই প্রায় দিন হজমে সমস্যা থাকে। সামান্য কিছুতেই গ্যাস-অম্বল হয়, ফলে নিয়মিত যোগ অভ্যাস করুন নিরাময়ের জন্য।
৫. নিয়মিত যোগাভ্যাস শরীরে অতিরিক্ত শক্তি দেয়। সেই সঙ্গে বাড়ায় কার্যক্ষমতা। তাই প্রতিদিন যোগ ব্যায়াম করুন।
৬. শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যার জন্য যোগ খুবই উপকারী।
৭. নিয়মিত ব্যায়াম মন, শরীরকে শান্ত করে। অতিরিক্ত উত্তেজনা কমায় ও রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৮. আপনার শরীর যদি সুস্থ থাকে তবেই ঘুম আসবে, তাই রোজ যোগ ব্যায়াম করুন।
৯. শরীরে অতিরিক্ত শক্তি আনতে সূর্য নমস্কারের কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।
তাই দীর্ঘ সময় সুস্থ থাকতে রোজ যোগ ব্যায়াম করুন।
25/07/2025
সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :
প্রিয় অভিভাবক,
কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার সন্তানের পরীক্ষা শুরু হবে। আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে, আপনাদের ছেলে-মেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে।
👉একটা বিষয় মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিতে বসবে, তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে, যার গণিত শেখার কোনো দরকার নেই।
👉একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে, যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই।
👉একজন সংগীতশিল্পী হবে, যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তাঁর ভবিষ্যতে কিছু আসে-যায় না ৷
👉একজন খেলোয়াড় হবে, তাঁর শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।
👉যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায়, সেটা হবে খুবই চমৎকার। কিন্তু যদি না পায়, তাহলে প্লিজ, তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কিংবা সম্মানটুকু কেড়ে নেবেন না।
👉তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়, এটা তো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
👉আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক, আপনি সব সময় তাকে ভালোবাসেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না!
👉 এই কাজটি করুন, যখন এটা করবেন দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে!।
12/07/2025
মানসিক শান্তি বজায় রাখতে এই মানুষ গুলো থেকে দূরে থাকুন,
আপনি যদি মানসিক শান্তি চান তাহলে অবশ্যই কিছু মানুষকে এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এদের সুখে রাখতে চাইলে, দিন শেষে নিজে মানসিক শান্তি খুজে পাবেন না। এ জন্য যেসব মানুষ মনে হয় আপনার জীবনে সমস্যা তৈরি করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলতে হবে।
মানুষ সামাজিক জীব। মানুষ নিয়ে মানুষকে বেঁচে থাকতে হবে। তবে নিজের মানসিক শান্তির জন্য কিছু মানুষ থেকে দূরে থাকতে হবে। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, আমাদের চারপাশের মানুষ আমাদের জীবনে প্রভাব ফেলে। এমনকি এ জন্য আপনি হতাশায়ও ভুগতে পারেন এবং আপনার অনেক সফলতাও হাতছাড়া হতে পারে। তাই, যারা জীবনে সমস্যা তৈরি করে এমন মানুষদেরকে এড়িয়ে চলুন।
# যে আপনার সামনে অন্য কাউকে নিয়ে নেগেটিভ গল্প করছে সে আপনার গল্পও অন্যের কাছে একই ভাবে করতে পারে। এ জন্য এসব মানুষকে এড়িয়ে চলুন।
# নেতিবাচক মানুষের সঙ্গে চলাফেরা করলে তা নিজের জীবনেও প্রভাব ফেলে। সব সময় নিজের মধ্যে নেগেটিভ বিষয় কাজ করে, এই জাতীয় লোকেরা কখনো আপনাকে লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারবে না; বরং আপনাকে সব সময় হতাশায় ফেলে দেবে।
# পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছে, যারা শুধু নিজের সমস্যার কথা বলতে ব্যস্ত। আপনারটা শোনার সময় বা আগ্রহ নেই। এদের থেকে চেষ্টা করবেন দূরে থাকতে।
# অলসতা প্রবন, এই গোষ্ঠীর আলাদা কোনো পরিচিতির দরকার নেই। এরা সব সময় নিজেরাও কাজ থেকে দূরে থাকে, সঙ্গে আপনাকেও কর্মবিমুখ করে রাখবে।
# কিছু মানুষ এমনভাবে আপনার সঙ্গে মিশবে যে আপনাকে তার আসল রূপ বুঝতে অনেক বেগ পেতে হবে। এ জন্য মানুষের সঙ্গে মেশার আগে চিন্তা করবেন আপনি তাকে সবসময় পাশে পাবেন কি না।
# এই প্রকৃতির মানুষ গুলা আপনার পা থেকে মাথা পর্যন্ত, সব সময় ভালো-মন্দ তুলে ধরবে আর দোষ খুজে ফিরবে। শুধু তা-ই নয়, আপনার খারাপ দিকগুলো তাচ্ছিল্য করবে।
# সবশেষে, কিছু মানুষ আছে যারা কখনোই ভালো শ্রোতা হয় না। এরা আপনার কথা মন দিয়ে শুনবে না। নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকবে সব সময়। দিন শেষে কোনো বিপদেও, আপনি এই প্রকৃতির মানুষকে পাশে পাবেন না।।
The only man who never makes a mistake is the man who never does anything.
01/06/2025
পিতামাতার ভালোবাসা – উপলব্ধি তখনই, যখন নিজে পিতা-মাতা হওয়া হয়
পিতামাতার ভালোবাসা কতটা গভীর, কতটা নিঃস্বার্থ — তা একজন মানুষ সত্যিকারের বুঝতে পারে তখনই, যখন সে নিজে পিতা বা মাতা হয়। ছোটবেলায় আমরা হয়তো ভাবি, কেন মা-বাবা এত শাসন করেন, এত চিন্তা করেন, বা কখনো কখনো কঠিন সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে, বিশেষ করে যখন আমরা নিজেদের সন্তানকে কোলে নিই, তখন বুঝতে পারি — সেই প্রতিটি চিন্তা, সেই প্রতিটি শাসনের পেছনে ছিল অগাধ ভালোবাসা।
একজন মা যখন সন্তানকে রাতজেগে ঘুম পাড়ান, একজন বাবা যখন ক্লান্ত শরীরে কাজ করে সংসার চালান, তখন তাদের একটিই চিন্তা — সন্তানের মঙ্গল। এই ভালোবাসা কোনো শর্তে বাঁধা নয়, এটি নিঃস্বার্থ, অবিচল। কিন্তু এই ভালোবাসার প্রকৃত গভীরতা অনুধাবন করতে হলে, নিজেই অভিভাবক হতে হয়। তখনই বোঝা যায়, কতটা ত্যাগ, কতটা সহনশীলতা আর ভালোবাসা লুকিয়ে আছে সেই সম্পর্কের প্রতিটি মুহূর্তে।
পিতামাতার ভালোবাসা যেন এক সাগর, যার তল খুঁজে পাওয়া যায় না — শুধু অনুভব করা যায়, যখন আমাদের হৃদয়ে একই অনুভব জন্ম নেয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka