Learn Chemistry & More

Learn Chemistry & More

Share

রসায়ন এবং এর সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো সহজে বোঝার জন্য আমার এই পেইজের লেখাগুলো

18/01/2026

#ইসলামিকপোস্টঃ

সূরা হুমাযাহ

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
وَيْلٌ لِّكُلِّ هُمَزَةٍ لُّمَزَةٍ
01

প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ,
الَّذِي جَمَعَ مَالًا وَعَدَّدَهُ
02

যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে
يَحْسَبُ أَنَّ مَالَهُ أَخْلَدَهُ
03

সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে!
كَلَّا لَيُنبَذَنَّ فِي الْحُطَمَةِ
04

কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে।
وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحُطَمَةُ
05

আপনি কি জানেন, পিষ্টকারী কি?
نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ
06

এটা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি,
الَّتِي تَطَّلِعُ عَلَى الْأَفْئِدَةِ
07

যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে।
إِنَّهَا عَلَيْهِم مُّؤْصَدَةٌ
08

এতে তাদেরকে বেঁধে দেয়া হবে,
فِي عَمَدٍ مُّمَدَّدَةٍ
09

লম্বা লম্বা খুঁটিতে।

18/01/2026

✈️আন্তর্জাতিক অঙ্গন:

উইকিপিডিয়া বলছে-১৮০৩ সালে আমেরিকা ফ্রান্স থেকে "লুইসিয়ানা "অঞ্চল কিনেছে।সেটাতে আমেরিকাকে গুনতে হয়েছে বেশ কিছু ডলার।কত ডলার তার পরিমাণও দেয়া আছে-১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, তাদের তথা লুইসিয়ানার জায়গার আয়তন ছিলো মোট ২,১৪০,০০০ বর্গ কি.মি।আমাদের🇧🇩 আয়তনের প্রায় দ্বিগুণ (১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি)।
আরো জেনে অবাক হলাম, ফ্রান্সও সেটা দখল নিয়েছিলো ১৬৮২ সালে,ওটা ফ্রান্সেরও পৈত্রিক সম্পত্তি ছিলো না।সেটাও দখল করে পাওয়া।মূলকথা লুইসিয়ানা একক একটি দেশও হতে পারতো যদি ওরা স্বাধীনতার আন্দোলন করতো কিন্তু ওরা আমেরিকার একটি স্ট্যাট হয়ে সুখে শান্তিতে বাস করতে লাগলো।

"গ্রীনল্যান্ড" দ্বীপ নিয়ে শুল্ক যুদ্ধ চালু হয়েছে জানলাম।ঐদিকে ডেনমার্ক বলেছে তারা আমেরিকার কাছে গ্রীনল্যান্ড বিক্রি করবে না।ন্যাটোর সৈন্যরা সব যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে একীভূত আছে বলে।

দেখা যাক 🌍 জুড়ে এবার কি কি ঘটে?

🛸মঙ্গলের এলিয়েনরা ভাবছে এবার পৃথিবীতে আসবে হলিউডের কোনও মুভিতে সরাসরি অভিনয় করতে🤔
অস্কার কমিটিও ভাবছে, পুরষ্কার দিবে এহেন ছবি হলে।
আবার নোবেল কমিটির নিষেধ উপেক্ষা করেও মাচাদো তার পুরষ্কার দিয়ে দিয়েছে ট্রাম্প সাহেবকে।বিনিময়ে কেবল গুচি কিংবা অন্য কোনও ব্রান্ডের ব্যাগও পেয়েছেন কিন্তু তাতে কতো ডলার চেক আকারে গিয়েছে সেই সিক্রেট খবর এখনও আমরা নেটিজেনরা জানতে পারিনি।
আর আটক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট কি করছেন সে বিষয়েও আমরা জানতে উদগ্রীব।তার তেল কি তাকে সাদ্দাম হোসেনের মতো পরিণতি থেকে বাঁচাতে পারবেন?

দোয়াতে আমাকেও শামিল রাখবেন যাতে লিখে যেতে পারি এমন ধরনের লেখা আর হারিয়ে না যাই।

"আমি ভাইরাল হতে নয়,ইতিহাস গড়তে লেখি।"

15/01/2026

Inspiration from a remarkable Nobel Prize laureate: Martin Luther King Jr, who was born on this day in 1929.

11/01/2026

📘স্মৃতির ডায়েরি:১)
নতুন এ সিরিজে ছোট ছোট গল্প আকারে বিভিন্নভাবে আমার আম্মার সাথে আমার গল্প লিখবো।আম্মা মারা গিয়েছেন ২০২০ সালের ২২শে নভেম্বর।প্রথমে সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি যে,ভুল ত্রুটি বা কাউকে ব্যক্তিগতভাবে কথা বা লেখা দ্বারা আঘাত করে থাকলে অথবা কারো ব্যক্তিস্বাধীনতায় অযাচিতভাবে কোনও বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলে তার জন্য আমার মৃত মায়ের শিক্ষা দান নিয়ে তাকে বকাঝকা করবেন না।সদকায়ে জারিয়া হিসেবে সন্তানের কৃতকর্মের জন্য তিনি বারযাখের জীবনে কষ্টে থাকবেন এটা আমি কেনো যেকোনো মুসলিম সন্তান মেনে নিতে পারবে না।দেখবেন,জীবনের এমন সায়াহ্নে এসে কারো মা নাই কারো বাবা নাই হয়ে গিয়েছেন।আবার খেয়াল করে দেখবেন তিন প্রজন্মের হিসাবে দাদা দাদী,নানা নানী উনারাও পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গিয়েছেন বিভিন্ন সনে।এখানে প্রতিটি মানুষ এমন পরিস্থিতিতে আছেন যার আপনজন দুনিয়াতে নাই ।আবার সঠিক জীবনসঙ্গিনীর বদৌলতে তারা তাদের একাকিত্ব দূর করেছেন, নিজেরা বাবা মা হয়ে দায়িত্বের শৃঙ্খলাবদ্ধ।অনেকেই আছেন সব কিছু মিলিয়ে নিজেকে আনন্দিত রাখার জন্য, মানসিক প্রশান্তির নিমিত্তে প্রচুর ঘুরে বেড়ান দেশ বিদেশে।এতিম বা অনাথ হওয়াটায় মাথার উপর থেকে স্নেহের হাত চলে গিয়েছে সেটা মানুষ কখন বুঝতে পারে জানেন?যখন সে কঠিন বিপদে পড়ে তখন সে মায়ের নাম নেয় সবার আগে,এরপর বাবার নাম আসে।আল্লাহ তাআলা সেই জন্য মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের বেহেশত বলেছেন।এ সিরিজ ধরনের লেখনীতে আমার আম্মার জীবদ্দশায় কেমন ধরনের ছিলেন এবং আমি তার কাছে থেকে কতোটা উপকৃত হয়েছি সে বিষয়গুলো জানানোর চেষ্টা করবো।তবে আমার বাকি আত্মীয় স্বজনদের নাম, পেশা আমি এখানে উল্লেখ করবো না, শুধু আমার রিলেটিভ বলে গল্পগুলোয় তারা আসবে।কেননা তারা কেউ আমার মতো বেকার বসে থাকে না!

আমার মা আমাকে পড়াশোনা কমপ্লিট করার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন।আমি আজ যা কিছু পারি সেটা ভাষাগত দখলের কথাই যদি ধরেন অথবা এরকম একটা পেইজের আইডিয়া যদি বলেন তার পিছনে আমার বাবার কঠোর পরিশ্রমের অর্থ আর মায়ের সান্নিধ্যে থাকাটা ছিলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আমরা খুব প্রাচুর্যের মাঝে বড় হয়নি।অনেকজনের খানা একসাথে পাকানো একটি পরিবার যাকে মধ্যবিত্ত বলা যায়।কাজী নজরুল ইসলাম তার কবিতায় বলেছেন "হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছো মহান" আমরা সেসব বলতে পারতাম কি দৈনন্দিন জীবনে? তবে আমরা মানে ভাইবোনেরা খাওয়ার কষ্ট করি নাই।আমি সবার ছোট সন্তান বলে যা আবদার করতাম তা পূরণ করার চেষ্টা দেখতাম।এখনকার জেনারেশনদের জিনিসপত্র কেনার ও ব্যবসায়ীদের বেঁচার বাহুল্যতা দেখে একটা গল্প লিখে সিরিজের প্রথম পর্ব সমাপ্ত করবো।

প্রথমে জানতে চাই আপনারা কি ইরানী অস্কারজয়ী সিনেমা দেখেছেন যার নাম "চিলড্রেনস হ্যাভেন"?কাহিনীটা আমি জানি,কিন্তু এখানে সেটা উল্লেখ করবো না।যারা যারা দেখেননি গল্পটা বোঝার জন্য সিনেমাটা নেট থেকে দেখে নিতে পারেন।আমি আমার গল্পটা লিখবো।আমি তখন ক্লাস টু কি থ্রীতে পড়ি।আমার বাইরে যাওয়ার একমাত্র জুতাজোড়ার একটা ছিঁড়ে গিয়েছে।আম্মা আমাকে বাসার থেকে কাছের বাটার দোকানে নিয়ে জুতা কিনে দিবেন।কিন্তু আমি সেই ছিঁড়া জুতা কিভাবে পড়ে জুতা কিনতে যাই?আমার বড়বোন আমাকে জুতা সেলাই করার জন্য ২টাকা দিয়ে বললেন - দোকানের সামনে যে মুচি বসে তার কাছ থেকে জুতাটা সেলাই করে এরপর নতুন জুতা কিনতে যাও।তখন ২ টাকা দিয়ে মুচিরা একটি জুতা সেলাই করে।কিন্তু দুপুরের সময় দেখে হোক আর অন্য কোনও কারণে হোক মুচি সেদিন বসে নি।আমি মন খারাপ করে বাসায় এসে বললাম।এরপর আম্মা জুতার দোকানে নিয়ে গেলেন রিক্সায় করে।আমি পুরোটা সময় একটা ছিঁড়া জুতা পায়ের দুই আঙুল দিয়ে চেপে দোকানে গেলাম।এরপর আমি যখন জুতা কিনতে বসলাম দোকানে একটু ইতস্তত বোধ করলাম মনে মনে।না জানি দোকানদারেরা আমার জুতার ছিঁড়া অংশ দেখে ফেলে আর ভাবে আমরা কতো গরীব!দেখি লোকটা আম্মাকে প্রশংসা করছে এ কথা বলে যে,আপনার মেয়ের পায়ে এ জুতা মানিয়েছে ইত্যাদি।বাটাতে ফিক্সড দাম,তখন বাটা থেকে সবাই জুতা কিনতো আর এপেক্সও মার্কেটে আসে নি।ব্র্যান্ডকে প্রমোট করার জন্য লেখছি না,আমি অচেনা কারও কাছ থেকে অযথা অর্থ নিবো না এটা বোঝানোর জন্য লিখলাম।সময়টা নব্বইয়ের দশকে, নাইন্টিন কিডস বলে একটা টার্ম নেট দুনিয়া থেকে শিখেছি।
দেখেন,আমার তো দুই পায়ে কোনও সমস্যা ছিলো না।আমার বড় আপার সাথে এক আপু পড়তো,উনার এক পা কি যেনো কারণে (আগে জানতাম,অনেক বছর আগের জানা,তাই এক্সিডেন্টটা পুরোপুরি মনে নাই)উল্টো হয়ে গিয়েছিলো।তো সেই আপু সেন্ডেল পড়ে অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে আমাদের বাসার কাছের স্কুলে যেতেন।কারণটা ছিলো,উনার বাসার কাছের স্কুলে সেন্ডেল পড়া নিষেধ।কতোটা কষ্ট করে হেটে হেটে উনি স্কুলে যেতেন সেটা যেনো এখন স্মৃতির মানসপটে আমি আঁকতে পারছি।আমি ভালো আঁকিয়ে না,নতুবা স্কেচ করতে পারতাম আমাদের স্কুলে যাওয়ার দৃশ্যটা।

জানি না জুতা নিয়ে গল্পটা কার কেমন লেগেছে তবে আমরা তখন অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকতাম।আমরা আমাদের প্রয়োজনে জিনিসপত্র কিনতাম,বিলাসিতায় ডুবে থাকাটা আমাদের জন্য দুর্বোধ্য ছিলো।

"আমি ভাইরাল হতে নয়,ইতিহাস গড়তে লেখি।"

(চলবে)

10/01/2026

★)লেখা পোস্ট সংক্রান্ত অতীতের আভাস ও আগাম পূর্বাভাস :
Learn Chemistry & More পেইজের বৈচিত্র্যময়তা বিভিন্ন বিষয় কে নিয়ে। এখান থেকে আমরা শিখেছি রসায়ন বিজ্ঞান সহ বিজ্ঞানের এমন সব বিষয় যার সব পাঠ্যবইয়ে ছিলো না।ইসলাম ধর্মের নানাবিধ সচেতনতা মূলক পোস্ট যাতে আলেমগণের ভুল ধরার সুযোগ কম-লেখাগুলো লিখতে আমাকে সবচেয়ে বেশি সময় দিতে হয়েছে।জানেন তো,ধর্ম খুব সেনসেটিভ টপিক,এখানে ভুল লেখার খেসারত দিতে হয়।তারপরও যদি ইসলামিক পোস্টগুলোতে কোনও রকমের ভুল কেউ যদি বের করেন তবে কারেকশন সহ মন্তব্য তথা কমেন্টস আকারে সংশোধন করার সুযোগ আছে।পেইজটি সবার পড়ার জন্য উন্মুক্ত। এখানে ধর্ম নিয়ে বিদ্বেষ ছড়ানোর কোনও সুযোগ আমি রাখতে চাই না।মনে রাখতে হবে,ধর্ম পালনের সাথে, আমলের সাথে সম্পৃক্ত।ধর্ম যার যার,উৎসব তার তার।স্বধর্মের বিধি বিধান মেনে চলার স্বাধীনতা এদেশে সবচেয়ে বেশি।

এরপর আসি সিরিজ আকারে পোস্ট করা নানাবিধ বৈচিত্র্যময় বিষয়।ডিলিট যদি না করে থাকি তবে আপনি স্ক্রলিং করে পড়তে পারবেন -হীরার অন্ধকার ইতিহাস যেটা ১০ পর্বে সমাপ্ত।সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে যত্ন সহকারে নেটের সহায়তায় লেখা হয়েছে "মনের পড়া" সেটাও ১০ পর্বে এসেছে।এখানকার ইনফরমেশনগুলো আমি নেট থেকে পেয়েছি, আমি আগেও লিখেছি আমার কোনও ব্যক্তিগত সহকারী নেই।আমি নানান ব্যস্ততার পরে এখানে লেখা পোস্ট করি,এটা আমার একটা শখও বলতে পারেন।সেজন্য এখানে আমি প্রতিদিন সময়ও দিতে পারি না।তবে আমি চাই লেখাগুলো সবশ্রেণি,পেশার মানুষ পড়ুক।মমি সিরিজ পড়ে আপনি বা আপনারা কি জেনেছেন সেটা আমি বলতে পারি না।তবে এখানে মমি বানানোর প্রসেস, মিশরীয়রা কি ধরনের ক্যামিকেল ব্যবহার করতো তা আমি লিখতে গিয়ে জেনেছি,শিখেছি।এসব পরীক্ষায় আসবে না বলে মুখস্তের মতো কষ্টকর কাজে আর যাচ্ছি না।আন্তর্জাতিক লেখার মাঝে অনেক টপিকও এসেছে(মাঝে মাঝে ইংরেজি শব্দের আগমনে দুঃখ প্রকাশ করছি, শিক্ষা জীবনে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি শিখতে হয়নি কার বলেন তো?)।অন্ধকার জগত নিয়ে বিভিন্ন আঙ্গিকে আমি লিখেছি।যেখানে বিলাসিতাকে উপজীব্য করে দেখিয়েছি দুবাই -বিলাসিতার শহরের পিছনের অন্ধকার।আপনারা এতোটা সময় খুব সহজে আকৃষ্ট হতেন,একেকজনের দুবাই ট্যুরের ছবি দেখে,আফসোস করতেন কেনো যেতে পারছেন না,তারপর আপনারা দুবাইয়ের জিনিসপত্র কেনার জন্য অস্থির হয়ে যেতেন অনলাইনের মাধ্যমে।কিন্তু আজ আপনার হাতে টাকা আছে বলে আপনি বিলাসবহুল পণ্যে জীবনকে রাঙিয়ে তুলবেন অথচ দানের ব্যপারে এতো কার্পণ্য করেন সেটা কি আসলে মুসলমানদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হতে পারে?
এরই ধারাবাহিকতায় বড় একটা সিরিজ এসেছে যা ১৫টি পর্ব;এতে আমি জানিয়েছি অন্ধকার জগতের নানা দিক।তাতে উঠে এসেছে নারী পাচার,নারীদের সুরক্ষা, লাভ জিহাদ প্রভৃতি সূক্ষ্ম বিষয় যা সাধারণের দৃষ্টিসীমার বাইরে!
তবে এসবের সত্যতা নিয়ে অধিকতর তদন্ত কিছু হয়েছে কি না বা তার বিষয়ে কোনও অভিযোগ দাখিল হয়েছে কি না তাআমার জানা নেই। এটায় বাংলাদেশ, ভারত দুদেশের সম্পর্ক নিয়ে বলা হয়েছে।এমনিতেই ওসমান হাদী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র,গুলিতে নিহত হয়েছেন অতিরিক্ত ভারতের বিপক্ষে বক্তব্য প্রদানের জন্য।এবং তার প্রধান খুনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রকাশ করছেন না,ভারতে আছে কি নাকি দেশেই আত্মগোপনে আছে সেটা নিয়েও সন্দেহ দানা বাঁধে।

বিশ্বের ভয়ংকর অস্ত্রভান্ডার নিয়ে লেখাটা ছিলো(ডিলিট করেছি কি?)।তবে ফ্যাসিবাদ নিয়ে লেখাটা ডিলিট করে দিয়েছি।এসব লেখা পোস্ট করাটা আমার জানের জন্য হুমকিস্বরূপ,এরকম হুমকি আমি আগে সরাসরি পেয়েছিলাম,সেটাও আমার জানা আছে।সেটা অবশ্য ফেসবুকের দুনিয়ায় প্রবেশের আগের কথা!সে বিষয়ে এখানে আর না লেখি।তাকদ্বীরে লেখা ছিলো হায়াতের জিন্দেগি তাই বেঁচে আছি,আর দোয়া তো থাকে কাছের মানুষজনের।

নতুন গ্রহ নভেরা নিয়ে লেখাটায় বেশ মজার ছলে sci fi এর কাহিনীও চলে এসেছে।🛸

সবশেষে মুখোশের আড়ালে ছিলো অন্ধকার জগতের সবশেষ সিরিজ যা আমি সমাপ্ত করে দিয়েছি।এরপর সেটা নিয়ে আমার আর কোনও কাজ করার ইচ্ছা নাই।তারপরও যদি টপিকের ঘাটতি পরে তবে সেখান থেকে জীবিত চরিত্রগুলো নিয়ে ওটার আরেকটি সিজন লেখা আসতেও পারে!ভবিষ্যত কি হবে সেটা আগে থেকে অনুমান করা যায় না।🕰️

এটাকে ম্যাগাজিন ধরনের পেইজ ভাবতে পারেন যাতে উপরিউক্ত বৈচিত্র্যময় লেখা এসেছে।

আপনারা যারা পেশাজীবি অথবা স্টুডেন্ট প্রাত্যহিক জীবনের যাপিত কাজ ভ্লগ আকারে,রিলস বানিয়ে আপলোড করা দেখেন।সবারই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মতো ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট আছে, আবার সবাই পেইজ খুলেছেন জাকারবার্গ ফ্রী করে রেখে দিয়েছে দেখে।

আপনারা কি দেখেন সেটা আমিও খুঁজে বের করেছি।অবশ্যই আমি চাকরির পরীক্ষা দিতে দিতে না পাওয়ার পরে এসবে সময় ব্যয় করেছি।আমার জানাও ছিলো না ইনফ্লুয়েন্সার,ভ্লগার বলে কোনও প্রফেশন এদেশে এতোটা হিট হবে!কমবেশি আপনাদের রুচির প্রশংসা করতেই হয়।মানে,একজন কিভাবে খাবার খাচ্ছে,সারাদিন কি করছে,কোন মার্কেট থেকে কি কি কিনছে আবার সব বয়সীদের উদ্দেশ্যে তুমি করে বলছে,ঘন্টা খানেক ধরে সাজগোজ করছে সেটাও লাইভে দেখিয়ে দাওয়াত খেতে যাচ্ছে আপনাদেরকে না নিয়ে সেসবে ভিউয়ারস দেখি ৯০k থেকে লক্ষাধিক!এসব হয়েছে করোনার সময়ে সবাইকে হোম অফিস দেওয়ার বুদ্ধির সময় থেকে।এরপর যারা দেখতে ভালো তাদের দেখি কাজ করতে করতে এসির রুমেও মাথার ঘাম পায়ে ফেলে হালাল রুজি বলে কান্না করে!আবার একেকজনের বাসা বাড়ির ঝগড়া ফেসবুককে কাঁপিয়ে দিয়ে ডেঙ্গু জ্বরের মতো পরিস্থিতি হয়ে গিয়েছিলো!মানে জ্বরের সাথে গা ব্যথা,মাথা ব্যথাও ফ্রী।বেশ কয়েক বছর আগে স্কুলের এক গার্জিয়ান আপু বলছিলো ডেঙ্গুতে তার নাকি প্লাটিনামে বিশাল সমস্যা হয়ে গিয়েছে!সে নিয়ে ভাবী সম্প্রদায় সে কি চিন্তিত, পেপের পাতা খেলে কি ভালো হবে না কি করা যায় তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা।আমি কেমিস্ট্রি পড়ার সুবাদে পাশে বসে শুধু মনে মনে বলছিলাম,আপারা ঐটা প্লাটিনাম হবে না,রক্তের প্ল্যাটিলেট বা অণুচক্রিকা বলে।

ঐদিকে এসি আপারা বড়লোক্স বলে ইনকাম ট্যাক্স ঠিকমতো দেয় আর ক্রিম আপারা জেল খেটে আসে।অথচ মেইনস্ট্রিমের সবার ক্রাশ নায়িকা পূর্ণিমা অবধি ক্রিম আপাকে কপি করে টিকটক ধরনের রিলস বানায়!

অন্যের দোষ আসলে ধরতে হয় না।যার যা করতে মন চেয়েছে তাই তো করে এসেছে এতোটা কাল জু্ড়ে।তাহলে আপনারা এ বছরে নতুন কোনও প্রতিজ্ঞা করেছেন কি?সেটা কি আপনার অ্যাকাউন্টে জানাচ্ছেন সকলকে?এতো আপনার ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা না যে সবাই জেনে গেলে ডাকাত কিংবা ইনকাম ট্যাক্সের লোকেরা হানা দিবে?
বেশি বুদ্ধিমান লোকেরা নিজের নামে একা সম্পদ রাখে না।এরা বউদের বড়লোক বানিয়ে নিজেরা গরীবি হালতে থাকে!আবার উল্টো করে চিন্তা করেন,স্বামী যেনো তার ভাইবোনদেরকে দান করতে না পারে সেজন্য স্ত্রীরা সম্পদ নিজেদের নামে লিখে নেয়!এখানে সাধু সেজে চোর সেজে কে যে বসে আছে আর কে যে মাদার তেরেসার মতো নান সেজে থাকে সেটা বোঝা মুশকিল!

সামনে লেখা আসবে তবে সেটা আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে।ছোট ছোট গল্প আমার মায়ের সাথে স্মৃতিচারণ আকারে,এটা মোটামুটি নিশ্চিত!আর রাজনীতি নিয়ে লিখলে পেরেশানি আছে।
এটা মনে রাখতে হবে দেশের সব ভোটার কিন্তু ভার্সিটিতে পড়ে না!১৮ বছরের বড়রা ভোট দিতে যাবে ১২ ফেব্রুয়ারিতে। জাতীয় নির্বাচন আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, ছাত্রী সংসদ নির্বাচনে পার্থক্য আছে।৩০০ আসনের সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি, মন্ত্রীত্ব এসব বিশাল ব্যপার।এসব কাজে অনেক ধৈর্য্য লাগে। দূরদর্শিতা, মেধা সহ অনেক ধরনের যোগ্যতা লাগে সেটা আসলেই সবার মধ্যে বিদ্যমান থাকে না।

ভালো থাকুক দেশ,ভালো থাকুক সকলে।মারামারি, হানাহানির কবল থেকে সকলে মুক্ত থাকি।

যে বিনা কারণে একজনকে হত্যা করলো,সে যেনো সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করলো।এজন্য হত্যা,খুন, রাহজানি, ছিনতাই এসব কাজে নিজের মানবজীবনকে কলুষিত না করি।যার যতটুকু আয় আছে সে অনুযায়ী ব্যয় করি।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক হেদায়েত দান করুন,আমিন।

01/01/2026

২০২৬ এর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।

হাসিনা বাংলাদেশকে ধংস করে একদিন দেশ ছেড়ে চলে যাবে -দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। 30/12/2025

হাসিনা বাংলাদেশকে ধংস করে একদিন দেশ ছেড়ে চলে যাবে -দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। হাসিনা বাংলাদেশকে ধংস করে একদিন দেশ ছেড়ে চলে যাবে -দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। #খালেদাজিয়া #খালেদাজিয়ার.....

23/12/2025

আমরা আমাদের দেশের শান্তিরক্ষী মানুষজনকে লাশ হিসেবে এ দেশে পেয়েছি দক্ষিণ সুদানে,জাতিসংঘ মিশনে কাজ করতে গিয়ে।
তারা আমার পরিবারের সদস্য না কিন্তু তাদেরও পরিবার আছে এ দেশে।তাদের পরিবারে লাশ গ্রহণের যে দৃশ্য নিউজে দেখানো হয়েছে তাতে পাষাণেরও মনে হাহাকার হবে।কর্মরত,উপার্জনক্ষম ব্যক্তির লাশটা কি অন্যদের তুলনায় বেশি ভারী লাগে কিনা আমার জানা নেই। তবে পরিবারের অবলম্বনে যে কষ্ট হয় তা বেশ অনুমেয়।আমরা এ দেশের জনগণ শান্তিতে থাকতে চাই, যুদ্ধে যেতে চাই না।আমাদের দেশের মানুষ যদি শান্তি স্থাপন করতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরে আসে আকস্মিক হামলার কারণে তার জন্য দু:খ প্রকাশ বা কমপেনসেশন কি সব ঠিক হয়ে যায়!যে মা,বাবা তার জুয়ান সন্তানকে শৃঙ্খলিত বাহিনীতে পাঠিয়েছেন, কাবেল বানিয়েছেন বিদেশে পাঠানোর জন্য সিলেকশন হয়েছেন আরও প্রতিযোগীদেরকে পিছনে ফেলে- তারা তো এমন সন্তানের লাশ গ্রহণ করার কথা এভাবে কল্পনাও করেন নাই।আমাদের জানা আছে,এ ধরনের মিশনে গেলে জাতিসংঘ থেকে অনেক বেশি পরিমানে অর্থ দেওয়া হয়।তারপরও এভাবে মৃত্যু কেউ আশা করে না।
মৃত্যু আসবে জীবনের অবসান ঘটিয়ে এটাই চিরন্তন সত্য- কিন্তু এমন মৃত্যু যেনো কারো নসীবে না হয়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সহায় হোন।আমিন।

More than 5,600 military and police officers from Bangladesh are in seven United Nations Peacekeeping missions around the world — leaving their families behind to protect the most vulnerable.

We thank these brave women and men for their service and sacrifice.

https://www.un.org/en/peace-and-security/service-and-sacrifice

14/12/2025
The official website of the Nobel Prize - NobelPrize.org 14/12/2025

★★)Here is a summary of works of Susumu Kitagawa,Omar Yagni Nobel laureate of Chemistry,2025.

Metal–organic frameworks (MOFs) are porous materials in which metal ions and long carbon-based molecules form crystals with built-in cavities. By varying the building blocks, specific substances can be captured and stored inside the cavities. Following pioneering work by Richard Robson, around the turn of the millenium, Susumu Kitagawa and Omar Yaghi developed more flexible and stable MOFs. These are possible to use, for example, to harvest water from desert air, capture carbon dioxide, store toxic gases or catalyse chemical reactions.

All we Know that Nobel is the most prestigious awarded given by the six fields of great achievement every year.Chemistry related works,topics are always written in this page.so,its a tiny page for the world of knowledge.But gathering knowledge & spreading for the sake of mankind is one kind of attribution for the society.A wise man's knowledge should be published for the humanity, for saving lives of every corner of the world.Our all efforts must stop violence, stop thought reading technology, stop war & crimes.
Why not scientists emphasized treatment of fatal diseases like cancer,thalassemia,aids, unexpected Virus related problems that is outbreak naming Covid 19.So many valuable lives passed away & the world faced pandemic situation at this era.But after recovering the worlds situation people are doing same works as they did earlier.Vaccination is the only solution for prevent mortality?We are human being,when we die its upto Allah & His angel Azrail (as) works to sn**ch our soul from the body.The more you learn, the more you astonish.So keep learing as I always learn from different sourcees & accumulate some of knowledge to flourish from this page.May be One day my efforts'll be acclaimed by the authority.

United we stand,divided we fall.
Keep learning & have faith Almighty Allah.

The official website of the Nobel Prize - NobelPrize.org The Nobel Prize rewards science, humanism and peace efforts. This is one of the central concepts in the will of Alfred Nobel, and it also permeates the outreach activities that have been developed for the purpose of engaging, inspiring and spreading knowledge about the Nobel Prize as well as the dis...

09/12/2025

"স্ত্রীলোকের মস্তিষ্ক পুরুষের অপেক্ষা ক্ষিপ্রকারী,এ কথা অনেকেই স্বীকার করেন।পুরুষ কোন সিদ্ধান্ত উপনীত হইবার পূর্বে অনেক ভাবে-অনেক যুক্তি তর্কের সাহায্যে বিষয়টি বোধগম্য করে।কিন্তু রমণী বিনা চিন্তায় হঠাৎ সেই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়।"---মতিচূর:দ্বিতীয় খন্ড

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২) একজন মহীয়সী নারী যাকে নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।৯ডিসেম্বর, আজকের এ দিনে বেগম রোকেয়াকে স্মরণ করা হয় অবরোধবাসিনীদেরককে "জাগো গো ভগিনি " বলে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন দেখে।তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থায় নারীদেরকে শিক্ষার জন্য তিনি যে প্রচেষ্টা করেছিলেন তার ফলে যুগে যুগে মেয়েদেরকে শিক্ষিত করার জন্য নানা ধরনের বিদ্যালয়,বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে আমাদের মাঝে এখনও অমর হয়ে আছেন।মহান মানুষের মৃত্যু হয় কিন্তু তাদের কাজের হয় কি?তাদের রেখে যাওয়া মানবকল্যানের নিমিত্তে কাজগুলো জন্ম-মৃত্যুর দিবসে স্মরণ করা হয়।সারা বছর বিভিন্ন শ্রেণির পাঠদানে তা পড়ানো হয় যদি লেখনীতে কোনও দিক নির্দেশনা থাকে।

একজন বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন,সুফিয়া কামালের লেখা আজও স্কুল,কলেজের পাঠদানে পড়ানো হয়।কিন্তু এমন লেখিকা কি বিগত দশ বছরে তৈরি হয়েছে যার লেখা শিশু কিশোররা পড়বে?বই লিখলে টাকা আসে ঠিকই সেটা বইমেলার বেস্ট সেলার এমনকি এখন অনলাইনের বইটই অ্যাপ সহ নানামুখী প্ল্যাটফর্মকে একটু ফলো করলে জানা যায়।প্রথমে লিখতে লিখতে হাত চলে আসে,এর মাঝে দেশের প্রথিতযশা লেখক,কবি সাহিত্যিকদের লেখা পড়াও হয়েছে এমনকি গর্ব করে পরিচয় দেওয়ার মতো বুয়েট,মেডিক্যাল এর সার্টিফিকেটও থাকে তাদের ঝুলিতে।
কিন্তু সেটা কতোটা মননের সাথে সম্পৃক্ত,কতোটা দেশের উপকারের লক্ষ্যে লিখিত,কোন ক্যাটাগরিতে তাকে ফেলানো যায় সেটা কি আদৌ কালোত্তীর্ণ লেখা সেসব পড়ে শিশু কিশোররা কি শব্দার্থ,বাক্য রচনা, বড় প্রশ্ন এসব শিখে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দিয়ে আসবে তাতে আমার কিছুটা সন্দেহ জাগে।তবে তারা যদি লেখার মানকে অন্যকে উপহাস করা বাদ দিয়ে মৌলিক গল্প লিখতে পারে তবে রবীন্দ্র সাহিত্য না হলেও মানিকের মতোও হতে পারে।না হলে শামসুর রাহমান তো মারা গিয়েছেন সেই ২০০৬ সালে,"স্বাধীনতা তুমি" কবিতাটি পড়ি নাই এমন কেউ কি আছে?

বইমেলা কেবল বই,মানুষের, প্রকাশকের আর টাকর হিসাবের মেলা না হোক।মান সম্মত লেখা আসুক এ প্রজন্মের লেখক,লেখিকার দ্বারা যাতে তারা অস্থির সমাজকে সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে পারে।সব লেখাই যে শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে জ্বালো ধরনের হবে তাও না।

ভালো থাকুক দেশ আর দেশের মানুষ।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka