TimeTube 36

TimeTube 36 চলতি পথে দেখা বিভিন্ন ঘটনার পেছনের ঘটনা, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিক্ষামূলক কন্টেন্ট উপহার দেয়াই আমাদের লক্ষ্য।
(1)

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও জাপান দুনিয়ায় অর্থনৈতিক ও সা ম রি ক দিক থেকে পরাক্রমশালী এই...
17/06/2025

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও জাপান দুনিয়ায় অর্থনৈতিক ও সা ম রি ক দিক থেকে পরাক্রমশালী এই সাতটি দেশের সংগঠন G-7 বা Group of - 7. এই জোটের অঘোষিত মোড়ল বলা চলে যুক্তরাষ্ট্রকে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দুনিয়ার অর্থনীতি ও সমরনীতি নিয়ন্ত্রণ করে।

বর্তমান দুনিয়ার যত যু দধ সবগুলোতেই যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত, তারা অর্থনৈতিক, সা ম রি ক, কূটনৈতিক সবদিক থেকে মিত্র দেশের পেছনে থাকে। যার ফলে গা লি খায় যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রকে নৈতিক ও অন্যান্য দিক থেকে সমর্থন যোগায় G-7 ভুক্ত অন্যান্য দেশগুলো।

জাপান, কানাডা, ইতালি এই দেশগুলো আপাতদৃষ্টিতে নি রি হ ও শান্তিপ্রিয় মনে হলেও দুনিয়ার বুকে চলমান প্রতিটা যু দধেই এই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন যুগিয়েছে।

আফ গানিস্তান, সি রি য়া , ই রা ক এই দেশগুলোতে শেষ হওয়া বছরের পর বছর ধরে চলা যু দধে মূলত নেতৃত্ব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই যু দধগুলোতে সামনে ছিল যুক্তরাষ্ট্র কিন্তু সাথে ছিল ন্যাটো জোট, যারা উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের উভয় তীরের কিছু আপাতদৃষ্টিতে নি রি হ ও শান্তিপ্রিয় দেশ।

যে দেশগুলো সর্বক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেয়া যু দধে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন যুগিয়েছে একই সাথে মাঠে সৈন্য ও রসদ যুগিয়ে সাহায্য করেছে। দিনশেষে কাঠগড়ায় উঠে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নাম, পা প করে ইউরোপের কিছু ও কানাডা, ইতালি, জাপানের মতো তথাকথিত সভ্য দেশ!
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সেই সকল দেশের নামও অ প রা ধীর কাতারে আলোচনায় থাকতে হবে।

আবু ফয়সাল
১৭.০৬.২০১৫।

ফুটবল বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ছিল, আছে এবং থাকবে। হামজা চৌধুরীর মতো ওয়ার্ল্ডক্লাস ফুটবলারদের  দেশের টানে ফিরে আসা...
10/06/2025

ফুটবল বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ছিল, আছে এবং থাকবে। হামজা চৌধুরীর মতো ওয়ার্ল্ডক্লাস ফুটবলারদের দেশের টানে ফিরে আসা নিঃসন্দেহে আশা জাগানিয়া। একই সাথে বর্তমান প্রেসিডেন্ট তাবিথ আওয়ালের ফুটবলে প্রাণ ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা, জাতীয় স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক মানের ড্রাসিংরুম নির্মাণ ও স্টেডিয়াম সংস্কার ফুটবলারদের মনোবল চাঙা করতে কার্যকর ভুমিকা রাখবে।

আজকের বাংলাদেশ বনাম সিঙ্গাপুর ম্যাচ শুরুর তিন চার ঘন্টা আগেই জাতীয় স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ হওয়া একই সাথে বিভাগীয় শহরগুলোতে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখানোর ব্যবস্থা রাখা বাংলাদেশ ফুটবলের পুনঃর্জাগরণের আশা দেখাচ্ছে।

বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের ভালো মানের ফুটবল খেলা ফিরিয়ে আনতে হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নির্মাণ জরুরি। একই সাথে ফুটবলকে দু র্নী তি মুক্ত করতেই হবে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বছরের পর বছর দেশের মানুষের আবেগ নিয়ে খেলে দেশকে হতাশা ছাড়া কিছুই দেয় নি। এই ক্রিকেট নিয়ে জাতি কিছু আশাও রাখে না। বাংলাদেশ ফুটবল এগিয়ে যাক, ফুটবল ফিরে পাক তার হারানো ঐতিহ্য।

বিশ টাকা ও পঞ্চাশ টাকার নতুন নোট হাতে পেলাম। ডিজাইন পছন্দ হয়েছে। বিশটাকার নোটে স্থান পেয়েছে ‘কান্তজিউ মন্দির’ ও পেছনে ‘প...
08/06/2025

বিশ টাকা ও পঞ্চাশ টাকার নতুন নোট হাতে পেলাম। ডিজাইন পছন্দ হয়েছে। বিশটাকার নোটে স্থান পেয়েছে ‘কান্তজিউ মন্দির’ ও পেছনে ‘পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার’। পঞ্চাশ টাকার নোটে স্থান পেয়েছে ‘আহসান মঞ্জিল’ ও জয়নুল আবেদীনের বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘সংগ্রাম’। তবে বিশ টাকার নোটে ব্রেইল মার্ক না থাকার কারণ বুঝলাম না।
বলতে হবে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কতসালে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ স্বীকৃতি লাভ করে?

06/06/2025

সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। এবারের ঈদ হোক সবার জন্য বরকতময় ও কল্যাণকর❤️
ঈদ মোবারক❤️

05/06/2025

পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাই, বিকল্প দ্রব্যের ব্যবহার বাড়াই, পরিবেশ দিবসে এটাই হোক অঙ্গীকার ✊✊

গ্রামীন ব্যাংকের পরীক্ষায় সীমাহীন দু র্নী তি! আজ গ্রামীন ব্যাংকের শিক্ষানবিশ অফিসার (৯ম গ্রেড) পদে পরীক্ষা ছিল। বিভাগীয় ...
30/05/2025

গ্রামীন ব্যাংকের পরীক্ষায় সীমাহীন দু র্নী তি!

আজ গ্রামীন ব্যাংকের শিক্ষানবিশ অফিসার (৯ম গ্রেড) পদে পরীক্ষা ছিল। বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ থাকায় আমি বগুড়ায় থাকি বলে কেন্দ্র দিয়েছিলাম রংপুর। পরীক্ষার সিট পড়ছিল রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মীরবাগ ডিগ্রি কলেজ। সকাল থেকে তুমুল বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঢাবির আরেক জুনিয়র মাসুদ রানাকে সাথে নিয়ে রংপুর যাই। দুজনের সিট একই কেন্দ্রে পাশাপাশি রুমে ছিল।

আমি ছিলাম ৪১৫ নম্বর ও মাসুদ রানা ৪১৬ নম্বর রুমে। ৪১৫ তে যে দুজন টিচার গার্ডে ছিলেন। তাদের একজন নাম আতাউল ইসলাম ( আইসিটি) পরীক্ষার শুরু থেকেই ফোন চাপছিলেন। পরীক্ষার আধাঘন্টা পার হওয়ার পর দুজন মেয়ে ক্যান্ডিডেট রুমে আসে। গার্ডরা তাদেরকে এ্যালাও করে বৃষ্টির অজুহাতে। আমি হালকা প্রতিবাদ করি, কিন্তু সবাই পরীক্ষা নিয়ে বিজি থাকার কারনে প্রতিবাদ জোড়ালো হয় নি। কিন্তু নোটিশ করি ঐ শিক্ষক ( আতাউল ইসলাম) ঐ দুই মেয়ে যারা পরে এসেছে তাদের প্রশ্নে উত্তর মার্ক করে দিচ্ছেন।

পরীক্ষা শেষে ঐ শিক্ষকের সামনে যাই আমি। দেখতে পাই ওনার বুক পকেটে একটা এ্যাডমিট কার্ডের ফটোকপি। আমি তার পকেটে এ্যাডমিট কার্ড কেন এটা জানতে চাইলে সে আমতাআমতা করতে শুরু করে। একপর্যায়ে রুমের সবাই সমস্বরে জানতে চাইলে সে রুম থেকে বের হয়ে যায় ও এ্যাডমিট দুটি ফেলে দিয়ে আসে।

আমরা সন্দেহ করি আতাউল ফোনে প্রশ্নের ছবি তুলে বাইরে পাঠায় ও উত্তর আসলে তার চুক্তিবদ্ধ ঐ দুজন ছাত্রীকে উত্তর বলে দেয়। শুধু ঐ রুমেই নয় পাশের রুম ৪১৬ এর প্রার্থীদের তথ্য মতে আতাউল ৪১৬ এর তিনজনকে এভাবে হেল্প করে।

আমরা যখন আতাউলের ফোন চেক করতে উদ্যত হই তখন রুমে আসে পরীক্ষা কমিটির সদস্য ঐ কলেজের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক রুহুল আমিন। তিনি এসে আমাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন, এই সুযোগে আতাউল কলেজ থেকে পালিয়ে যায়, রুহুল আমিন আতাউলকে পালাতে সাহায্য করে।

রুমে গার্ডদেয়া অপরজন শিক্ষককে আমরা এ বিষয়ে জিগ্যেস করলে তিনি নির্বিকার থাকেন। আমরা তার থেকে হাজিরা শিট নিয়ে যাচাই করলে বুঝতে পারি ঐ দুই মেয়ে ক্যান্ডিডেট এর সিট আসলে ৪১৫ নম্বর রুমেই নয় বরং অন্য কোন রুমে। আতাউলের সাথে কন্টাক্ট থাকায় আতাউল তাদেরকে ৪১৫ তে এনে বসিয়েছে।

এর পরে আমরা সবাই মিলে কলেজের প্রিন্সিপাল ও কেন্দ্রে গ্রামীন ব্যাংকের যিনি প্রতিনিধি তাদের সাথে দেখা করতে চাইলে অন্যান্য শিক্ষকরা আমাদের উল্টাপাল্টা বুঝানো শুরু করে। তবে আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকায় তারা বাধ্য হয় আমাদের নিয়ে বসে অভিযোগ শুনতে। আমরা গ্রামীন ব্যাংকের জোনাল অডিট অফিসার শাহজাহান চৌধুরীর উপস্থিতিতে প্রিন্সিপালের নিকট অভিযোগ ও আমাদের কাছে থাকা প্রমান উত্থাপন করি। তারা কোন অভিযোগের সদুত্তর দিতে না পারায় প্রিন্সিপাল ও গ্রামীন ব্যাংক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিতে বলে। তবে শুক্রবার হওয়ায় সকল অফিস বন্ধ থাকায় আমাদের পক্ষে সেটা করা সম্ভব হয় নি।

আমরা পরবর্তীতে কয়েকজন লোকাল সাংবাদিকদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলি। লোকাল সাংবাদিক কলেজের প্রিন্সিপালকে ফোন দিলে প্রিন্সিপাল আন্ডারগ্রাউন্ডে বিষয়টি ম্যানেজ করার কথা সাংবাদিককে বলে বলে আমরা ধারণা করি।

পরে কালবেলা ও আজকের খবর এর রংপুর প্রতিনিধিরা আমাদের সাথে দেখা করেন, আমরা তাদের বিস্তারিত ঘটনা জানাই, তারা নিউজ করার বিষয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেন।

এখন কথা হচ্ছে গ্রামীন ব্যাংকের মতো সনামধন্য একটা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষা এমন গ্রাম পর্যায়ের একটা কলেজে হবে কেন? যেখানে দায়িত্বরত শিক্ষক নামের কুলাঙ্গারদের সিস্টেম করার সু্যোগ থাকবে?

এটা ছিল মাত্র একটি কেন্দ্রের ঘটনা। আমার ধারণা সারাদেশের আরো অনেক কেন্দ্রেই এমন ঘটনা ঘটে থাকবে। গ্রামীন ব্যাংক কতৃপক্ষ এই ঘটনার দায় কোনভাবেই এড়াতে পারে না। তাদেরকে অবশ্যই আজকের এই পরীক্ষা বাতিল করতে হবে একই সাথে অভিযুক্ত কলেজের ঐ দুই শিক্ষক ও ক্যান্ডিডেটদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

আবু ফয়সাল
সাবেক শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এখন মাঝে মধ্যে আসা হয়। কিন্তু যতবার আসি ততবারই বুকের মধ্যে কেমন একটা হাহাকার করে ওঠে। আমাদ...
23/05/2025

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এখন মাঝে মধ্যে আসা হয়। কিন্তু যতবার আসি ততবারই বুকের মধ্যে কেমন একটা হাহাকার করে ওঠে। আমাদের সময়কার ক্যাম্পাস আর এখনকার ক্যাম্পাসের মধ্যে কতো পার্থক্য।
আমরা যে খুব বেশিদিন আগে ক্যাম্পাস ছেড়েছি তা নয়। এখনও আমাদের অনেক বন্ধুবান্ধব ক্যাম্পাসেই আছে। কিন্তু বিপ্লবোত্তর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর বিপ্লবপূর্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক তফাৎ।

আমাদের পুরো ক্যাম্পাস জীবন ছিল দূর্বিষহ, থার্ড ক্লাস লাইফ। থাকার জন্য ২ জনের রুমে ৭-৮ জন, ঘুমানোর জন্য এক বালিশ জায়গা, ক্যান্টিনের পঁচা খাবার, পড়াশোনা করার জায়গা নাই, রিডিং রুম, লাইব্রেরিতে সিট পাওয়ার প্রতিযোগীতা, দিনে বাধ্যতামূলক পলিটিক্যাল প্রোগ্রাম, রাতের বেলা গেস্টরুমে বাধ্যতামূলক নি র্যা ত ন, সবমিলিয়ে থার্ড ক্লাস ডগস লাইফ!

নতুন বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল গুলোতে আমাদের জুনিয়ররা হলে প্রসাশনের বরাদ্দ দেওয়া সিটে থাকছে, ক্যান্টিনগুলোতে খাবারের মান বেড়েছে, পড়াশোনা করার জায়গা পাওয়ার জন্য লাইব্রেরিতে আগের মতো লাইন নাই, বাধ্যতামূলক রাজনীতি নাই, যার যে দল পছন্দ সে সেই দল করছে, কোন জবাবদিহি নাই। নেই গেস্টরুম, নেই গণরুম। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন প্রাণ ফিরে এসেছে!

দেশের পট পরিবর্তন না হলে হয়তোবা আমরা ক্যাম্পাসে আরো দু-চার বছর থাকতে পারতাম, কিন্তু তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ইতিবাচক পরিবর্তন হতো না। আমাদের জুনিয়ররা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুন্দর লাইফ লিড করছে, বিশ্ববিদ্যালয় যতটা সম্ভব চেষ্টা করছে সবদিকে ভালো করার জন্য। এটা দেখার মধ্যেই আত্মতৃপ্তি।

আবু ফয়সাল
মল চত্তর, ঢাবি।
২৩.০৫.২০২৫।

22/05/2025

প্রায় তিন বছর হতে চললো বাংলাদেশের কোন ক্রিকেট ম্যাচ দেখি না। দেখি না বলতে দেখিই না, এক ওভারও না।
বছরের পর বছর ধরে দেশের মানুষের আবেগকে পুঁজি করে থার্ডক্লাস খেলা খেলে যাচ্ছে তথাকথিত টাইগার নামের বিড়ালরা। দেশের মানুষের লক্ষকোটি টাকা নষ্ট হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে লক্ষকোটি কর্মর্ঘন্টা। বিনিময়ে দেশের ক্রিকেট দিনদিন রসাতলে যাচ্ছে।

এই ক্রিকেট টিম না থাকলে দেশের কোন ক্ষতি হবে না,কারণ এতদিন থেকে কোন লাভও হয় নি। যে লেভেলের মিডিয়া এ্যাটেনশন ও ফান্ড ক্রিকেট টিম পায় তার অর্ধেকও যদি ফুটবল টিম পেত, তবে ফুটবল টিম অনেক উন্নতি করতো। যার যে দেশের খেলা পছন্দ সে সেই দেশের খেলা দেখুন। আবেগ দিয়ে দুনিয়া চলে না।
এদের ব্যান করার এটাই সময়।


আবু ফয়সাল
২২ মে, ২০২৫।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ২য় ফিল্ড মার্শাল খেতাব পেলেন জেনারেল আসিম মুনির। সম্প্রতি শেষ হওয়া ভারত-পাকিস্তান যু->
20/05/2025

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ২য় ফিল্ড মার্শাল খেতাব পেলেন জেনারেল আসিম মুনির। সম্প্রতি শেষ হওয়া ভারত-পাকিস্তান যু->

20/05/2025

রকমারি নামে অনেক পেজ থাকায় সঙ্গত কারণে আমার এই পেজের নাম পরিবর্তন করতে হয়েছে।
এখন থেকে TimeTube 36 এই নামে চলবে ইনশাআল্লাহ।

কি এক অ*সু*স্থ মানসিকতার মানুষ নামের নরকের কীট গড়ে উঠেছে আমাদের সমাজে! প্রগতিশীলতা আর নারীঅধিকারের নামে সমকামিতা, টান্সজ...
16/05/2025

কি এক অ*সু*স্থ মানসিকতার মানুষ নামের নরকের কীট গড়ে উঠেছে আমাদের সমাজে! প্রগতিশীলতা আর নারীঅধিকারের নামে সমকামিতা, টান্সজেন্ডার, বেশ্যাবৃত্তির মতো জঘন্য কাজকে আজ স্বাভাবিক হিসেবে দেখাতে চাচ্ছে তারা।

ধর্মের আলাপ নাই-বা টানলাম(এরা ধর্মে বিশ্বাসই করে না অধিকাংশ) স্বাভাবিক প্রকৃতিরও বিরুদ্ধে এরা। প্রগতিশীলতা ও তথাকথিত নারী স্বাধীনতার নামে সমাজে পশ্চিমাদের রিজেক্টেড কালচার ঢুকিয়ে দেয়ার এক ঘৃণ্য ষ*ড়%যন্ত্রে মেতেছে এরা।

এদের বয়ানে নারী অধিকার মানেই নারীদের উলঙ্গ জামা পরার অধিকার, পাব্লিক প্লেসে ধূমপান করার অধিকার, সমকামিতার বৈধতার অধিকার, নারী হয়ে জন্মেও নিজেকে পুরুষ দাবী করার এক বিকৃত মানষিকতা লালনের অধিকার, পতিতাবৃত্তিকে বৈধতা দেয়ার অধিকার!

এদের আজ ২০২৫ সালে ঠে-কিয়ে দেয়া ও দেশ থেকে নিঃশেষ না করা গেলে ভ*য়া-ব"হ ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য। ২০৫০ সালে যখন আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম দেশের নেতৃত্বে আসবে তখন তারা এই অসুস্থ মানসিকতার মানুষের দ্বারা যদি প্রভাবিত হয় একবার ভেবে দেখেছেন, সমাজের কি অবস্থা দাঁড়াবে তখন? আপনার ছেলে যখন অন্য এক ছেলের সাথে বা আপনার মেয়ে যখন অন্য এক মেয়ের সাথে রুম ডেট করবে বা আপনার ছেলে যখন হটাৎ শাড়ি পরে আপনাকে এসে বলবে আমি আজ থেকে মেয়ে, কি করবেন তখন?

এই বাস্তবতাটাই উপলব্ধি করেছেন ইলন মাস্ক। তাকে সাংবাদিক করা জিগ্যেস করেছিলেন আপনি কেন রাজনীতিতে আসলেন? তিনি জবাবে বলেছিলেন, তার এক ছেলে টান্সজেন্ডার! তিনি আমেরিকার মাটিতে সমকামীতা ও ট্রান্সজেন্ডার আইডিয়াকে ক*ব*র দিতে চান। যার ফলাফল দেখেন ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় এসেই নির্বাহী আদেশে সমকামিতা ও ট্রান্স আইডিয়া নি*ষি-দ্ধ করেছে।

সমাজ থেকে পশ্চিমাদের বর্জিত এই নোংরা অপসংস্কৃতি বন্ধ করার এখনই সময়। নইলে ভ*য়া-বহ ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য।

আবু ফয়সাল
১৬.০৫.২০২৫.

Address

Dhaka University
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TimeTube 36 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share