ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family

Share

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family

04/06/2026

অভিনন্দন নয়ন ত্রিপুরা 🥊

আগামী ৩১শে অক্টোবর থেকে ১৩ই নভেম্বর পর্যন্ত সেনেগালে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের গ্রীষ্মকালীন যুব অলিম্পিক গেমস(2026 Summer Youth Olympic Games, Dakar) এ বাংলাদেশের হয়ে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন বান্দরবানের প্রতিশ্রুতিশীল বক্সার নয়ন ত্রিপুরা।

এই প্রথমবার আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) আফ্রিকান মহাদেশে কোনো অলিম্পিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে যাচ্ছে। ঐতিহাসিক এই আসরে দেশ ও জাতিকে প্রতিনিধিত্ব করবেন নয়ন ত্রিপুরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family এর পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল 👏

31/05/2026

অভিনন্দন ড. সজীব ত্রিপুরা 🎊

দীর্ঘ গবেষণা ও কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family এর পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আপনার এই অসাধারণ সাফল্য আমাদের গর্বিত করেছে। আপনার এই মেধা ও গবেষণা আগামী দিনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আপনার জ্ঞান ও গবেষণার যাত্রা আরও সমৃদ্ধ হোক।

“এটা আমার তৃতীয় স্বপ্ন ছিল। প্রথম ছিল ইঞ্জিনিয়ার হওয়া, যেটা চারটা বাঁশের বেড়া, দুইটা গাছের খুটির উপর তক্তা দিয়ে তৈরি হাই ও লো বেঞ্চ সম্বলিত ক্লাসরুম, উপরে টিনের ছাদ দ্বারা সদ্য নির্মিত " সিন্দুকছড়ি মুখ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় দেখেছিলাম, পূর্ন হয়েছিল ২০১০ সালে, চট্টগ্রাম বিশ্বিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর সার্টিফিকেট পাওয়ার পর। দ্বিতীয় স্বপ্নটি ছিল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া, যে স্বপ্নটি দেখেছিলাম ২০০৪ সালে গাজীপুর এডভ্যান্টিস্ট সেমিনারি স্কুল এন্ড কলেজে ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় রাঙামাটিতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে বলে দৈনিক পত্রিকায় খবর দেখার পর, যা পূর্ন হয়েছিল ২০১৬ সালে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করার মাধ্যমে। আর তৃতীয়টি ছিল পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে ড. সজীব ত্রিপুরা হওয়া, যেটা চট্টগ্রাম বিশ্বিদ্যালয়ের নুর ভবন কটেজে পড়ার টেবিলে বসে পড়ার সময় আমার এডভ্যান্স ইংলিশ ডিকশনারির কভার পেইজে ভুলবশত নিজের নাম ড. সজীব ত্রিপুরা লিখে ফেলার পর (১ম বর্ষ, ২০০৭ সাল), যা আজ ৩০ মে ২০২৬ সালে পূরণ করতে পারলাম সকলের সহযোগিতা ও আশীর্বাদে। অন্য দশজনের এইরকম যাত্রা তুলনামূলক ভাল হলেও আমার ক্ষেত্রে ছিল চরম।

শুরু থেকে এই পর্যন্ত চরম সংগ্রাম করতে হয়েছে আমার - প্রাকৃতিক পরিবেশের বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থার সাথে, আর্থিক দুরাবস্থার সাথে, শারীরিক দুরাবস্থার সাথে.....| কারণ ২০০৬/২০০৮ সাল পর্যন্ত আমাদের এলাকা ছিল উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত একটি প্রত্যন্ত, অন্ধকার ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন এলাকা, গ্রামীণ জনপদ, নিদির্ষ্ট কোন রাস্তা ছিলনা, যে যে পথে ভাল মনে করেন সে পথে হাঁটে, বর্ষায় বেশির ভাগ পথ থাকত হাঁটু অবধি গরু-মহিষ চলাচলের কাদামাক্ত, নোংরা-পিছলা, বই-সেন্ডেল-ও- ফুলপ্যান্ট পলিথিনের ভিতরে করে নিয়ে হেঁটে যেতাম "সিন্দুকছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে" ও "সিন্দুকছড়ি নিম্ন মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে"। স্কুলের নিচের খালে ও পুকুরে গিয়ে হাঁটু পর্যন্ত কাদা মাটিকে ধুয়ে, তারপর ফুলপ্যান্ট, সেন্দেল পড়তাম। কোনদিন দুপুরের টিফিন/লাঞ্চ খেয়েছি মনে পড়েনা: প্রথমত ঘর তিন কিলো দূরে+ গ্রামীণ কৃষক পরিবার টিফিন কি জিনিস জানেই না+ তখন সিন্দুকছড়ি বাজারে গুটিকয়েক চা, চানাচুর ও বেলা বিস্কুট বিক্রেতা ছাড়া অন্য কোন দোকান ছিল না। গুইমারা-সিন্দুকছড়ি-মহালছড়ি সংযোগ সড়কটি ছিল ভাঙ্গা কাঁচা রাস্তা, দিনে মাত্র একটা চাঁদের গাড়ি আসত- যেত। তাই সকাল ৭-৮ টায় এক মুঠো পানি-ভাত যা খেয়ে যেতাম তা দিয়েই বিকাল ৪/৫টা পর্যন্ত স্কুলে কাটিয়েই ঘরে ফিরতাম। এখনও স্পষ্ট মনে পড়ে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মংমং মারমা স্যার মাত্র মাসিক ১৫০ টাকায়, একদম কাঁচা বাংলাও বলতে পারেনা ছেলে ( তখনকার আমার নাম খুবেন্দ্র ত্রিপুরা) কে ইংলিশ গ্রামার সম্পূর্ণ ও সফলভাবে শিখিয়েছিলেন, তাও আবার আমি একলা ছাত্র, কারণ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা সবাই শুধু অংকই প্রাইভেট পড়ত নোভেল চাকমা স্যারের কাছে। মংমং স্যারের আগে-পড়ে আমি মনে হয় খুব বেশি ইংলিশ শিখিনাই। স্যারের প্রতি আমি চির কৃতজ্ঞতা, প্রণাম ও ঋনী থাকবো আজীবন।
মাঝখানের অনেক উঠনপতন, দুর্যোগ মোকাবিলা, সংগ্রাম, সাহস, ধৈর্য ও যন্ত্রণা সহ্যের কথা আরেকদিন বলব। আজ শুধুই আজকের কথাই বলি।

বিদেশে কাঙ্ক্ষিত প্রফেসরদের ম্যানেজ করে স্কলারশিপ নিয়ে পিএইচডিতে ভর্তি হতে পারাটা খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল। এরপর এখানে এসে প্রফেসরের চিন্তা চেতনা বুঝতে পারা+ চাইনিজ ইউনিভার্সিটির পোর্টাল বুঝাটা আরও কষ্টের ছিল। কথা ও এম্যাপ না বুঝার কারণে কোথাও একলা বের হতেই পারি নাই পথ হারানোর ভয়ে। কেবল আমার ইয়ানটা ডরমিটরির বিল্ডিং ৩ এর ২১২ নং কক্ষ এবং বেম্বু ক্যাম্পাসের ইন্টেলিজেন্স ট্রান্সপোর্টেশন্স বিল্ডিং এর J1305 নং ল্যাব রুমই ছিল আমার জগৎ। কত অগণিত রাত জেগে জেগে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছিল, শুধু সাদা চুনের ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতো, চোখ প্রচণ্ড জ্বলে, পানি বেরিয়ে আসে, কিন্তু ঘুমাতে পারিনা এক ফোঁটাও। কারণ সাপ্তাহিক রিসার্চ মিটিংয়ে প্রগ্রেস অবশ্যই দেখাতে হবে সবার সামনে, ডেইলি কি কি করেছে সেটা প্রফেসরের ইমেইলে পাঠাতে হবে দিনশেষে। আর আমি এদিকে ChatGPT, GitHub... ঘেঁটে মেতে প্রজেক্ট, সোর্স কোড কম্পাইল, এক্সকিউট করতে করতে ক্লান্ত তবুও কাঙ্ক্ষিত টার্গেট ফলাফল আনতে পারি না, এর উপর Nvidia সংযুক্ত ভালো কনফিগারেশনের কম্পিউটার না থাকায় Pytorch সহ অনেক লাইব্রেরি ও প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামিং কোড রান করতে পারিনা। আমার প্রফেসরের ডিকশনারিতে আবার না বলে কোন শব্দ নাই। শিডিউলে যার প্রেজেন্টেশন তাকে অবশ্যই ওইদিন মিটিংয়ে প্রেজেন্টেশন দিতেই হবে। কোন অজুহাত চলবে না। না হলে ওই মাসের স্কলারশিপ এভালুয়েশন নাম্বার দিবে না। সুতরাং ওই মাসের স্টাইপেন পাবেনা। কিভাবে চলবে সেটা তোমার ব্যাপার। সুতরাং অজুহাত দেখানোর বা পিছনে ফিরে আসার আর কোন সুযোগ নাই। অতঃপর কয়েকটা জার্নাল থেকে বারবার রিজেক্টশন খাওয়া! চরম অস্থিতিশীলতার মধ্যে বাবাকে ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ তে হারানো। কি অমানবিক অতীত!

তবে Nvidia, SSD card o Ram সহ সিস্টেম রিকোয়ারম্যান, রিসার্চ মেটেরিয়েলস ও টুলস কিনতে সবার আগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে এগিয়ে এসেছেন আমার প্ররম শ্রদ্ধাভাজন আত্মীয় এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা মামু, কুমৈ এসপি ত্রিপুরা, জয় প্রকাশ ত্রিপুরা, এখানে ভর্তি হওয়ার সময় (২০২২ সাল জুন মাস) মোবাইল নেটওয়ার্ক বিহীন মহালছড়ি-রাঙ্গামাটি রোডে লোকাল বাসে ছিলাম -কুতুকছড়ি এলাকায় পৌঁছে একটু নেট পেয়েই মোবাইলে তাকিয়ে দেখি হঠাত ভর্তির টাকা পাঠাতে মেইল দিয়েছে ২ ঘন্টার মধ্যে - তখন আমার পরম বন্ধু জসিম ত্রিপুরাকে কল দিলে সে পাশে দাঁড়িয়েছে আমার, করোনার তান্ডব শেষে ২০২৩ সালের মে মাসে চায়নায় আসার জন্য তৈরি হচ্ছিলাম - তখন আমার আর্থিক অবস্থার নাজুক অবস্থা দেখে নিজের প্রবিডেন্ট ফান্ড থেকে লোন নিয়ে ফ্লাইট টিকেট কেটে দিয়েছিলেন অমল বিকাশ ত্রিপুরা দাদা - আগে এক ঘরে থাকার সময় থেকে ওনিই মূলত সবচেয়ে বেশিই পেরা দিয়ে আসছি্লেন আমাকে পিএইচডি করাতে, ওনার টেন্টেনে অবস্থা দেখলে বুঝার বাকি নাই ওনি যে কোন উপায়ে আমাকে পিএইচডি করিয়ে ছাড়বেই ছাড়বে, তাইতো কোন অজুহাতে আমি যেন পিএইচডির এই যাত্রা বাতিল না করি, সেজন্য ফ্লাইট টিকেট কেটে রেখে দিয়েছেন। এছাড়াও আমার পরিবারের সবাই বিশেষ করে জৈষ্ঠ ভ্রাতা প্রতিরঞ্জন অন্যতম, সঙ্গীনী কোয়েল ও অবুঝ মেয়ে তৈকথা, শ্বশুর বাড়ীর সবাই, নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা স্যার, অনামিকা আন্টি, আন্টি সাগরিকা রোয়াজা, প্রীতি কান্তি আংকেল, প্রশান্ত স্যার, আমা নিরুপমা, আন্টি খুকিবালা, প্রেম, উসান, সুমন এবং আমার প্রিয় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তখনকার মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলরসহ সকল সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারি ও প্রানপ্রিয় শিক্ষার্থীরা, দেশের ও এখানকার আরো অনেক সিনিয়র (বিশেষ করে মুকুট সিকদার দাদা), বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাংখীবৃন্দ বিভিন্নভাবে আর্থিক, মানসিক সহযোগিতা দিয়েছিলেন। আমি তাঁদের সবার উদ্দেশ্যে আমার এই অর্জনকে উতসর্গ করছি আর সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।”

📣 ড. সজীব ত্রিপুরা
Sajib Tripura Khuben
সহকারী অধ্যাপক
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগ
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

Photos from ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family's post 29/05/2026

সুস্থ সমাজব্যবস্থা গড়তে
মাদকের অপব্যবহার রোধে
সোচ্চার হই একসাথে

Photos from ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family's post 24/05/2026

বান্দরবান জেলার থানচিতে বিজয় বরুয়া নামে এক কুলাঙ্গার কর্তৃক ৫ বছরের ত্রিপুরা শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, স্থানীয় লোকজন ধর্ষণকারীর বিচার চাইতে গেলে নিরাপত্তা বাহিনী বিজিবি নাকি ধর্ষকের পক্ষে অবস্থান নেয়। এবং তাদেরকে নাকি বন্দুক তাক করে রেখেছিলো।

আমরা এমন এক রাষ্ট্রে বসবাস করছি যেখানে অপরাধীরা অপরাধ করেই যাবে তাদের কিছু বলা যাবে না। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ/বিচার চাইতে গেলেই নানান ট্যাগ দেওয়া হয়।

নিরপত্তাবাহিনীরা রাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এটাই তো আশা করি আমরা। কিন্তু আজকে শুনলাম জাকির নামে এক বিজিবি সদস্য নাকি ধর্ষণকারীর বিচার চাইতে যাওয়া লোকদের দিকে বন্দুক তাক করে রেখেছিল যেটা খুবই দুঃখজনক।

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

20/05/2026

বাংলাদেশে ধর্ষ*ণের ঘটনাগুলো পড়ার সময় মেয়েরা কিভাবে নিজের সাইকোলজির সাথে ডিল করে আমি জানি না ।

কিন্তু ছোট্ট শিশু রামিসার ঘটনা পড়ার সময় একজন শক্ত মানসিকতার পুরুষ হয়েও আমার রীতিমত আতঙ্কে শরীর কাঁপছিলো ।

বড় বোনের সাথে একসাথে স্কুলে যায় রামিসা ।
যে সময়ে রামিসার স্কুলে যাওয়ার কথা , সে সময়ে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না ।

মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে হঠাৎ পাশের ফ্ল্যাটের সামনে রামিসার একটা জুতো পড়ে থাকতে দেখে তার মায়ের সন্দেহ হয় ।

ফ্ল্যাটের দরজায় নক করলেন । ভেতর থেকে কোনো রেসপন্স নেই । তিনি দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করলে বরং ভেতর থেকে দরজা আরও শক্ত করে লক করে দেওয়া হয় ।

তখন রামিসার মা'র সন্দেহ হয় । তিনি চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন । দরজা ভাঙার চেষ্টা করেন । ভাঙতে পারেন নি ।

পরে ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ আসে । দরজার ভাঙার পর যে দৃশ্য দেখা যায় তাতে সবারই গা শিউরে উঠে ।

পুরো রুমে রক্তের দাগ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে । রক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখা গেলো আলাদা করে খাটের নিচে ছোপ ছোপ রক্ত জমে আছে ।

তখন খাটের নিচ থেকেই ছোট্ট শিশু রামিসার পা ধরে টেনে তার রক্তাক্ত দেহ বের করে আনা হয় ।

কিন্তু আস্ত দেহ পড়ে আছে মাথা ছাড়া!

Can you imagine how horrific this picture is?

তাজা রক্ত রামিসার যে দেহ থেকে গড়িয়ে পড়ছে ফ্লোরে - সে দেহে রামিসার মাথা ছিলো না ।

পৃথিবীর এমন কোনো শক্ত মানসিকতার মা রয়েছে যে এই দৃশ্য সহ্য করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে?

রামিসার মা ও পারে নি । তিনি জ্ঞান হারালেন ।

পুলিশ খুঁজতে খুঁজতে রামিসার মাথা খুঁজে পেলেন বাথরুমে।

ধর্ষ*কের পরিকল্পনা ছিলো মাথা থেকে শরীর আলাদা করে ফেলে শরীর এক জায়গায় ফেলবে , মাথা আরেক জায়গায় ফেলবে । যাতে ধ*র্ষণের আলামত খুঁজে না পাওয়া যায়।

এই ধর্ষ*কের নাম সোহেল রানা ।
একজন রিকশা মেকানিক । মাত্র দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে উঠেছে ।

আশ্চর্যের বিষয় হইলো - যখন সে রামিসাকে ধ*র্ষণ করে তখন তার স্ত্রী সাথেই ছিলো । সে সোহেল রানাকে সাহায্য করেছে।

এমনকি ধ*র্ষণ থেকে শুরু করে শেষ অবধি রামিসার দেহ থেকে মাথা আলাদা করার সময় পর্যন্ত ।

এখানেই শেষ না।

রামিসার মা যখন বন্ধ দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিলো , ধর্ষ*কের স্ত্রী স্বপ্না তখন গ্রিল কেটে সোহেল রানাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করছিলো ।

রামিসাকে হ*ত্যা করা হয় মূলত যৌন বিকৃত মানসিকতা থেকে।

আতঙ্কের বিষয় হইলো রামিসাকে ধর্ষ*ণ করার সময় যৌনাঙ্গে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো , তখন লোক জানাজানির ভয়ে ধ*র্ষক সোহেল রানা তাকে মুখ চেপে ধরে হ*ত্যা করে।

ছোট্ট একটা শিশু , মাত্র সাত বছরের । সবেমাত্র ক্লাস টু তে পড়ে । সে জানেই না যৌনতা কি!

অথচ তাকে জীবন দিতে হইলো একজন নরপশুর যৌন লালসার কারণে ।

যে সময়ে তার মাথায় সুন্দর চুলগুলো পরিপাটি থাকার কথা - তার সে চুলগুলোতে লেগে আছে ছোপ ছোপ রক্ত।

যে চোখে তাকিয়ে সে মায়ের দিকে হাসতো - সে চোখ বিস্ফোরিত হয়ে আছে আতঙ্কে ।

শুনেছি রামিসার মা পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে বসে আছেন। কোনো শব্দ নেই । তার বাবা হাউমাউ করে কাঁদছেন ।

এতোদিন সযত্নে বড় করা ফুল পড়ে আছে রক্তা*ক্ত দেহে মাথা ছাড়া , এমন দৃশ্য মা বাবার মন থেকে মুছে দেওয়ার মতো শক্তিশালী কোনো রাবার পৃথিবীতে রয়েছে?

কিন্তু এইসব দৃশ্য আমাদের অপরিচিত নয় । বাংলাদেশের মানচিত্রে এমন বহু লাশ জমে আছে।

ধর্ষণের পর শিশুদের, মেয়েদের রক্তা*ক্ত লাশ পড়ে থাকে ধানক্ষেতে, ভেসে থাকে পুকুরে, পড়ে থাকে বাসে অথবা ফ্ল্যাটে ।

প্রতিবার ধর্ষ*ণের পর আওয়াজ উঠে , দ্রুত বিচার চাই । কিন্তু দ্রুত বিচার হয় না । আমরা ক্লান্ত হই ।

যাকে ধ*র্ষণ করা হয় - সে মারা যায় । খুব দ্রুত তাকে হ*ত্যা করা হয় । কিন্তু দেশের বিচার ব্যবস্থা ধর্ষকের আয়ু বাড়িয়ে দেয় ।

আছিয়াকে ধর্ষণের পর আছিয়া কতদিন বেঁচেছিলো ? তনুকে ধর্ষনের পর কতক্ষণ তনু বেঁচে ছিলো ?

কিন্তু তাদের ধর্ষকরা আজও জীবিত ।

উইলিয়াম গ্লাডস্টোনের একটা কথা আছে ।

"Justice delayed means justice denied. "

এবং কথা আমাদের জন্য পুরোপুরিভাবেই সত্যি ।

আসেন বাংলাদেশের ধর্ষণের বিচার নিয়ে মারাত্মক একটা হিসেব দেখাই ।

২০২২ সালে পড়েছিলাম প্রথম আলোতে , রেফারেন্স নেই কিন্তু পরিসংখ্যানটা এপ্রোক্সিমেটলি মনে আছে আমার !

২০০৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে যত ধর্ষণ হয়েছে তার সাজা হয়েছে মাত্র ৩% ধর্ষকের ।

২০০০ সাল থেকে ২০২২ সালের হিসেবটা আরও করুণ । ১৭ হাজার মামলার বিপরীতে সাজা হয়েছে মাত্র ২০০ জন আসামীর । শতকরা হার ১%!

কারণ ধর্ষণের শিকারের পরিবার দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অর্থাভাবে মামলা টানতে পারে না।

আবার বেশিরভাগ সময়ই ধর্ষকের পরিবার থেকেই ভিকটিমের পরিবারকে হ*ত্যা, সহিংস*তার হুমকি দেওয়া হয়।

এভাবেই চলছে।

এই দেশের বিচার ব্যবস্থার সিস্টেমের দরুণ ধর্ষকরা থানায় গিয়ে পুলিশের সাথে মশকরা করে। ধর্ষণ করে বের হয়ে এসে আবার ধর্ষণের হুমকি দেয়।

আমার কখনো কখনো মনে হয় একটা দুইটা মন্ত্রীর মেয়ে ধর্ষণ হইতো - তাহলে এটলিস্ট আমরা দেখতাম, ধর্ষণের বিচার ঠিক কতদিন আদালতে ঝুইলা থাকে...

সবশেষে আমরা জানি রামিসার ধর্ষ*কও বহুদিন বেঁচে থাকবে । আদালতে ঘুরবে, বাঁচবে , ফিরবে, খাবে , ঘুমাবে এমনকি জামিন হয়ে গেলোও আমি আশ্চর্য হবো না....

আইয়ামে জাহেলিয়াতের কাহিনী ধর্ম পড়ে জেনেছি ।
আর আইয়ামে জাহেলিয়াতের বাস্তবরূপ আসলে বাংলাদেশে দেখেছি।

একটা সময় লিখেছিলাম , মায়ের গর্ভ আর কবর ছাড়া মেয়েদের আর কোথাও নিরাপত্তা নেই ।

তারপর জানলাম গর্ভবর্তী মহিলাও ধর্ষি*ত হয় এদেশে। মৃত মেয়েকে দিয়েও যৌন লালসা মেটায় হাসপাতালের ডোম ।

একটা সময় রাগ করে মুখে বলতাম , এখন শুধু গভীর থেকেই মনে হয় ,

এদেশের মানচিত্রে আসলে ' মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়াটাই পাপ।

19/05/2026

দেশের পতাকা হাতে বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন দেখেন গতিমানব জীবন ত্রিপুরা। পাতাছড়ার বাসিন্দা কৃষক, দিন মজুর ধনজয় ত্রিপুরার কৃতি সন্তান উদীয়মান এই ক্রীড়াবিদের এগিয়ে যাওয়ার পথে প্রধান বাঁধা এখন দারিদ্র্যতা। সরকারি সহয়তা ও প্রশিক্ষণ পেলে বহুদূর এগিয়ে পারে খাগড়াছড়ির ভবিষ্যত উসাইন বোল্ট জীবন ত্রিপুরা।

18/05/2026

রাতের ভ্রমণে ১০টি সতর্কতা
বাদল সৈয়দ

সম্প্রতি আমাদের এক তরুণ সহকর্মী বুলেট বৈরাগী রাতে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। কুমিল্লা পৌঁছে সিএনজিতে বাড়ি যাওয়ার পথে তিনি ছিনতাইকারীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন।

এ ধরনের দুর্ভাগ্যজনক খবর আমরা প্রায়ই শুনি। সে প্রেক্ষিতে এই রাতে ভ্রমণের ব্যাপারে এই সতর্কতামূলক পোস্ট—

১) যথাসম্ভব ট্রেনে ভ্রমণ করুন। বাসের তুলনায় ট্রেন অপেক্ষাকৃত নিরাপদ।

২) একা ভ্রমণ না করাই ভালো। সম্ভব হলে সঙ্গে কাউকে রাখুন।

৩) নারী ও শিশু নিয়ে গভীর রাতে ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন।

৪) কোথায় যাচ্ছেন, কোন গাড়িতে উঠেছেন, সিট নম্বর কত—এসব তথ্য এবং গাড়ির ছবি ও নম্বর বিশ্বস্ত কাউকে পাঠিয়ে রাখুন।

৫) শেয়ারের গাড়ি বা সিএনজিতে উঠবেন না। চালকসহ গাড়ির ছবি তুলে পরিচিত কারো কাছে পাঠিয়ে দিন। ড্রাইভার ছবি তুলতে আপত্তি করলে সেই গাড়িতে না ওঠাই ভালো। উবার বা রাইড শেয়ার ব্যবহার করলে গাড়ির নম্বর মিলিয়ে নিন।

৬) বিশ্বস্ত কারো সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করুন। চলতি পথে প্রকাশ্যে টাকা-পয়সা বের করা থেকে বিরত থাকুন।

৭) অপরিচিত কারো ব্যাগ বহন করবেন না। কার ব্যাগে কী আছে, আপনি জানেন না। সাহায্য করতে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন। (এটি যেকোনো ভ্রমণের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য)

৮) অপরিচিত কারো দেওয়া খাবার বা পানি খাবেন না। ফোনে পর্যাপ্ত চার্জ আছে কি না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হোন।

৯) ভোর হওয়ার আগে গন্তব্যে পৌঁছে গেলে রেলস্টেশন বা বাস কাউন্টারে অপেক্ষা করুন। লোকজন চলাচল শুরু হলে বের হন।

১০) উটকে নিরাপদে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সেটিকে বেঁধে রাখা। তেমনি, রাতের ভ্রমণের ঝুঁকি এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সে সময় ভ্রমণ না করা।

বুলেট বৈরাগীর মা তাঁর অপেক্ষায় ছিলেন।
তাঁর স্ত্রী অপেক্ষায় ছিলেন।
তাঁর শিশুপুত্র বাবার অপেক্ষায় ছিল।
কিন্তু তিনি তাঁদের কাছে ফিরতে পারেননি।

একটি দুর্ঘটনার জের একদিন বা দুদিনে শেষ হয় না—যুগের পর যুগ এর ভার বইতে হয়। কখনো কখনো তা একটি পরিবারের ভবিষ্যৎই ধ্বংস করে দেয়।

তাই, দয়া করে সাবধান হোন।

আমি আমার অনুজ সহকর্মীর আকস্মিক প্রয়ানে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

ছবি: বুলেট বৈরাগী। প্রথম আলোর সৌজন্যে।

Photos from ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family's post 09/05/2026

Three more Feathers in our Cap.!

Congratulations to our 3 meritorious students on securing admission to the University of Dhaka, Session 2025-26. Your hard work and perseverance have paid off. We welcome you to the ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family and wish you excellence in every step ahead.

May “শিক্ষাই আলো” guide your path always ❤️

04/05/2026

অভিনন্দন অগ্রণী ব্যাংকের নতুন সিনিয়র অফিসার 🎊

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family এর সাবেক শিক্ষার্থী অসীম রয় ত্রিপুরা সম্প্রতি অগ্রণী ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার পদে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন।

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অংশীদার হওয়ার এই সুযোগ আপনার কর্মজীবনের এক অনন্য অর্জন। সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আপনি ব্যাংকিং খাতে সুনাম বয়ে আনবেন, এই কামনা করি।
আপনার আগামী দিনের পথচলা সফল ও মসৃণ হোক। অভিনন্দন আবারও 🎉

মাচাং অসীম রয় ত্রিপুরা
সিনিয়র অফিসার
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি

Photos from ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family's post 02/05/2026

ঢাকাস্থ ত্রিপুরা শিক্ষার্থীদের ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে “Football Unites the World” স্লোগানকে ধারণ করে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা শিক্ষার্থী’ ও ‘ব্রাদার হাউজ’ এর যৌথ উদ্যোগে অদ্য ২ মে, ২০২৬ শনিবার সকাল ৭ ঘটিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ হল মাঠ প্রাঙ্গণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family বনাম ‘ব্রাদার হাউজ’(মিরপুর, ঢাকা) এর মধ্যকার একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত ম্যাচটি ২-২ গোলের সমতায় শেষ হয়।

প্রথমার্ধের শুরু থেকেই নিজেদের মধ্যে দেওয়া-নেওয়ার মাধ্যমে অসাধারণ খেলতে থাকেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা একাদশের খেলোয়াড়েরা। জনি, সৈকত ও শোভনের নেতৃত্বে মাঝমাঠ দখলে নিয়ে উপর্যুপরি আক্রমণ করতে থাকে স্বাগতিক দল। কিন্তু অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হয় ফরোয়ার্ড খেলোয়াড়েরা। শুরুতেই ১-০ গোলের লিড নেওয়ার সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন স্বাগতিক দলের ফরোয়ার্ড মলয় বিকাশ ও গাঁঠি ত্রিপুরা।
অন্যদিকে কাউন্টার-অ্যাটাক থেকে লিড নেওয়ার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি ব্রাদার হাউজ একাদশের ফরোয়ার্ড খেলোয়াড় ডমিনিক, ধন ও জুয়েল ত্রিপুরা। এরপর বেশ কয়েকবার আক্রমণ করার চেষ্টা করলেও স্বাগতিক দলের রক্ষণভাগ টপকাতে পারেননি সফরকারী দলের ফরোয়ার্ড খেলোয়াড়েরা। ফলে প্রথমার্ধে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি নবাগত গোলরক্ষক অভয়কে। প্রথমার্ধের শেষের দিকে প্রতিপক্ষের বক্সে বেশ কয়েকবার আক্রমণ করলেও সেরকম কেউই গোলরক্ষকের পরীক্ষা নিতে পারেননি ক্লিন্টন, শোভন, জনি, সুমন্তরা। তাদের দূর্বল শটগুলো হাতের মোয়ার মতো খুব সহজেই তালুবন্দি করেন সফরকারী দলের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। ফরোয়ার্ড খেলোয়াড়দের গোল মিসের মহড়ার পর বিরতির আগে আর কোনো গোল না হলে গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় উভয় দলকে।

প্রথমার্ধে একছত্র আধিপত্য বিস্তার করা দলটি দ্বিতীয়ার্ধে এসে খেই হারিয়ে ফেলে। হঠাৎ এলোমেলো পাস আর অগোছালো ফুটবল খেলতে শুরু করে দলটি। সেই সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগায় ব্রাদার হাউজ একাদশের খেলোয়াড়েরা। অভিলাষ, নোকথাই, সত্যমনি আর গাব্রিয়েলের নেতৃত্বে মাঝমাঠ দখলে নিয়ে নেয় তারা। আক্রমণ শানাতে রাইট উইঙ্গার হিসেবে মাঠে নামেন যোসেফ ত্রিপুরা। মাঝমাঠ থেকে বাড়িয়ে দেওয়া বল নিয়ে বারংবার স্বাগতিকদের রক্ষণভাগ ভেদ করে বক্সে ঢোকার চেষ্টা করে বিপক্ষ দলের ডমিনিক, নিকেল ও যোসেফ ত্রিপুরা। ফলও পায় হাতেনাতে। রাইট ফ্ল্যাঙ্ক থেকে বাড়িয়ে দেওয়া বল নিয়ে সফরকারীদের ১-০ গোলের লিড এনে দেন ফরোয়ার্ড ডমিনিক। সাথে সাথেই গ্যালারিতে থাকা দর্শকেরা উল্লাসে মেতে উঠে। ১-০ গোলে লিড পেয়ে দলটি আরও চাঙা হয়ে ওঠে। অন্যদিকে ছন্নছাড়া দলটা ০-১ গোলে পিছিয়ে পড়ার যেন হঠা ঘুম ভাঙে.! নিজেদের রক্ষণভাগ আঁটসাঁট রেখে গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে দলটি। শোভনের বাড়িয়ে দেওয়া বল নিয়ে সফরকারীদের গ্যালারি স্তব্ধ করে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার সৈকত ত্রিপুরা। প্রতিপক্ষের গ্যালারিতে চিয়ারলিডিং করা দর্শকদের মাথায় হাত.! ১-১ সমতার পর যেন ম্যাচের প্রাণ ফিরে পেল।

সমতার পর উভয় দলই গোছানো ফুটবল খেলার চেষ্টা করে। আক্রমণ-প্রতি-আক্রমণ করতে থাকে উভয় দল। দ্বিতীয়ার্ধের শেষের দিকে থ্রো-ইন থেকে সত্যমনির বাড়িয়ে দেওয়া বল যায় ওঁৎ পেতে থাকা ফরোয়ার্ড খেলোয়াড় নিকেলের পায়ে। প্রথম টাচেই অসাধারণ হাফ-ভলিতে ২-১ করে ফেলেন বদলি খেলোয়াড় নিকেল। ব্রাদার হাউজের গ্যালারিতে উল্লাস শুরু হয় আবারও। ২-১ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর স্বাগতিক দলের খেলোয়াড়দের চোখেমুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। ম্যাচে ফেরা প্রায় অসম্ভব। কারণ ঘড়ির কাঁটায় তখন নির্ধারিত সময় শেষ হতে মাত্র পাঁচ মিনিট বাকি। তারপরও হাল ছেড়ে না দিয়ে গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে। অল-অ্যাটাকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। রক্ষণভাগে মাত্র তিনজনকে রেখে গোল শোধ করার জন্য আক্রমণভাগে যায় বাকি খেলোয়াড়েরা। নিচ থেকে বাড়ানো বল নিয়ে বক্সের বাইরে ওঁৎ পেতে থাকা জনির উদ্দেশ্যে বল বাড়ান অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার শোভন। জনি হাওয়ায় বল মারলেন। সমতায় ফেরার আশাটুকুও যেন সেখানেই শেষ হয়ে গেলো। ম্যাচ শেষ হতে মাত্র ২-৩ মিনিট বাকি তখন। দুই দলের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। একদল আক্রমণ করছে তো, সাথে সাথেই আর এক দল প্রতি-আক্রমণ করছে। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে শোভনের বাড়িয়ে দেওয়া বল থেকে ২-২ করে ফেলেন সৈকত। ম্যাচের সময় তখন আর মাত্র ৯০ সেকেন্ড বাকি। ২-২ গোলের সমতার পর নিজেদের রক্ষণভাগ আঁটসাঁট রাখে উভয় দল। আর কোনো ভুল করা যাবে না। শেষ মুহুর্তে ভুল করলেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে হবে এই ভয়ে। নির্ধারিত সময় শেষে আর কোনো গোল না হওয়ায় টানটান উত্তেজনাকর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র হয়।

উভয় দলই অসাধারণ খেলেছেন। প্রথম লেগ ২-২ গোলে ড্র হলেও দ্বিতীয় লেগে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার আশা ব্যক্ত করেন সফরকারী দলের অধিনায়ক মাচাং অভিলাষ ত্রিপুরা। অন্যদিকে স্বাগতিক দলের খেলোয়াড়েরাও দ্বিতীয় লেগে যেকোনো উপায়ে জয় পেতে মরিয়া হয়ে আছে। দ্বিতীয় লেগে কোন দল জয় পায় দেখা যাক।

এত সুন্দর আয়োজনের জন্য ব্রাদার হাউজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা শিক্ষার্থীদের অসংখ্য ধন্যবাদ। এই ধারা অব্যাহত থাকুক। এবং এই আয়োজনের পিছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করা সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
ঢাকাস্থ ত্রিপুরা শিক্ষার্থীদের ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন অটুট থাকুক আজীবন।

প্রীতি ফুটবল ম্যাচের কিছু স্থিরচিত্র নিচে দেওয়া হলো

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka