#আকিদাঃ
#আল্লাহ_তাআলা_আকার_নাকি_নিরাকার:
এ হাদিসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আল্লামা আইনী রাহি. লিখেন,
অর্থ: "ইবনে আব্বাস রাযি. বলেন, তারা হলো খারেজি। বলা হয়, ইসলামে সর্বপ্রথম বেদাআত হলো খারেজিদের বেদআত। তারা আলী রাযি. এর শাসনামলে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এরপর বিভিন্ন জায়গায় বিস্তৃত হয়ে নিজেরদের বাতিল মত প্রকাশ করেছিল। এরপর আত্মপ্রকাশ করেছে কাদরিয়ারা। এরপর মুতাজিলা। এরপর জাহমিয়া এবং অন্যান্য বাতিল মতবাদ। রাসূল স. যাদের ব্যাপারে ভবিষ্যৎবাণী করে গেছেন যে, উম্মাহ ৭৩ দলে বিভক্ত হবে'।^৫ (উমদাতুল কারী ১৮/১৩৯।)
কুরআনের যে আয়াতগুলোতে বাহ্যিকভাবে আল্লাহর হাত, পায়ের কথা রেয়েছে, সেগুলো দ্বারা এটা বলার কোনো সুযোগ নেই যে, আমাদের মতো আল্লাহর সাথে মাখলুকের কোনো সাদৃশ্য নেই।এ আয়াতগুলোর ব্যাপারে আমরা এখন সালাফে সালিহীন এর কিছু বক্তব্য আপনাদের সামনে পেশ করছি।
ইমাম বুখারী রাহি. এর উস্তাদ প্রখ্যাত মুহাদ্দিস সুফিয়ান বিন উয়াইনা রাহি. বলেন,
অর্থ: " আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবে তার গুণাবলি সংক্রান্ত যে আয়াতগুলো উল্লেখ করেছেন, সেগুলোর তাফসির হলো তেলাওয়াত করা এবং চুপ থাকা'।^৬(ফাতহুল বারী: ১৩/৪০৬।)
তেলাওয়াত করার অর্থ হলো, আল্লাহ তাআলা তাঁর যাত বা সিফাতের ব্যাপারে যা কিছু পবিত্র কুরআনে বলেছেন,সব সত্য।চুপ থাকার অর্থ এই নয় যে, এগুলো সত্য বলে বিশ্বাস করবেন না।
ইমাম তিরমিযী রাহি. এ ব্যাপারে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন,
অর্থ: "আহলে ইলমরা এ হাদীস এবং আল্লাহর সিফত সংক্রান্ত অন্যান্য মুতাশাবিহ বর্ণনা ও প্রত্যেক রাতে আল্লাহ অবতীর্ণ হওয়ার ব্যাপারে বলেন,এখনে রেওয়ায়াত দ্বরা এগুলো প্রমাণিত হয়েছে এবং আমরা এগুলোর উপর ঈমান এনেছি। এগুলোর ব্যাপারে সন্দেহ করা যাবে না এবং জিজ্ঞাসা করা যাবে না, কীভাবে? এমনিটি বর্ণিত হয়েছে মালিক,সুফিয়ান বিন উয়াইনা এবং আবদুল্লাহ বিন মুবারক রাহি. থেকে।এ সমস্ত ব্যাপারে তারা বলেন, কোনো ধরণের ব্যাখ্যা ছাড়া এগুলো ছেড়ে দিন।এমনটাই হলো আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহর মত'।^৭(জামে তিরমিযী: হাদীস নং ৬৬২)।
___আকিদা
বিভ্রান্তি ও নিরসন
মুফতি সায়্যিদ মুহাম্মাদ ফয়জুল কারীম
মুজাহিদ প্রকাশনী
পৃঃ ১৭, ১৮ ও ১৯।
পোস্টঃ মোঃ আরিফুল ইসলাম
English Tutorial Home - TEH
English is not only an international language but also it is an important media of Information & Communication Technology. Basic English Learning point.
so, Listening & Speaking in English are the most important for all. Speaking English learning point. English Grammatical Learning point.
#আকিদাঃ
আল্লাহ তাআলা আকার নাকি নিরাকারঃ
আল্লাহ আকার নাকি নিরাকার? বর্তমানে এটা নিয়ে আলোচনা তুমুল আকার চলছে। কিছু ভাই খুব জোরে শোরে প্রচার করছেন যে, আল্লাহর আকার রয়েছে। তারা দেহবাদী আকিদায় বিশ্বাসী। এ ক্ষেত্রে তারা কুরআনের কিছু আয়াতের বাহ্যিক অর্থ উদ্দেশ্য নিয়ে দলিল পেশ করেন। এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করার পূর্বে মৌলিক কিছু কথা পাঠকের সামনে তুলে ধরছি।
আমরা দেখি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুস্পষ্টভাবে আল্লাহর সত্তা নিয়ে গবেষণা করতে আমাদের নিষেধ করেছেন। ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত,
অর্থঃ ‘‘তোমরা প্রত্যেক বস্তু নিয়ে গবেষণা করো,কিন্তু আল্লাহর সত্তা নিয়ে গবেষণা করো না’’। (আল-আসমা ওয়াস সিফাত,বায়হাকি: হাদিস নং ৬১৮)
সালাফে সালেহিন থেকে আমরা দেখতে পাই যে,তারা এ সমস্ত মতাশাবিহ আয়াত নিয়ে আলোচনা করাকে পছন্দ করতেন না।মুতাশাবিহ আয়াতের উপর ঈমান আনার নির্দেশ আল্লাহ তাআলা আমাদের দিয়েছেন।
তিনি বলেন,
অর্থঃ ’ তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ। আর অন্যগুলো রূপক। সুতরাং যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে,তারা অনুসরণ করে ফৎনা বিস্তার এবং অপব্যাখ্যার উদ্দেশ্য তন্মধ্যেকার রূপকগুলোর। আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যাতীত কেউ জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। আর বোধশক্তি সম্পন্নেরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা গ্রহন করে না’’।^৩(সূরা আলে ইমরান: আয়াত নং ৭)
এখানে আল্লাহ তাআলা সুস্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন যে, যাদের অন্তরে বক্রতা রয়েছে,তারা ফিতনা সৃষ্টি করার জন্য মুতাশাবিহ আয়াতের ব্যাখ্যার গলি ঘুপচি আবিষ্কার করে। মুতাশাবিহ আয়াতের ব্যাখ্যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ জানেন না।জ্ঞানীরা নতশিরে বলবে যে, আমরা ঈমান এনেছি। তারা এরচেয়ে সামনে অগ্রসর হবে না।
আয়েশা রাযি. বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বোক্ত আয়াতগুলো তেলাওয়াত করলেন,এরপর বললেন,
অর্থঃ‘‘ কাউকে যদি তুমি মুতাশাবিহ আয়াত নিয়ে ব্যস্ত হতে দেখো, তাহলে মনে রাখবে তাদের নাম আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে উল্লেখ করেছেন। সুতরাং তোমারা তাদের পরিত্যাগ করবে’’।^৪(সহীহ বুখারী: হাদিস নং ৪৫৪৭)
___আকিদা
বিভ্রান্তি ও নিরসন
মুফতি সায়্যিদ মুহাম্মাদ ফয়জুল কারীম
পৃঃ ১৫ ও ১৬
পোস্টঃ মোঃ আরিফুল ইসলাম
আল্লাহর তাআলার আকিদাঃ
সবকিছু আল্লাহর পূর্ব নির্ধারিত তাকদীর এবং ইচ্ছে অনুসারে চালিত হয়।আল্লাহর ইচ্ছাই কার্যকর হয়ে থাকে।বান্দার ইচ্ছা কেবল ততটুকুই কার্যকর হয়,আল্লাহ যতটুকু তাদের জন্য ইচ্ছা করেন। সুতরাং তিনি বান্দাদের জন্য যা চান,তাই হয়।আর যা চান না,তা হয় না।
আল্লাহ তাআলা নিজ দয়ায় যাকে চান,হেদায়াত দেন,বিপদে বাঁচান এবং নিরাপত্তা ও সুস্থতা দান করেন।আর তিনি যাকে চান,সম্পূর্ণ ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে তাকে গোমরাহ ও অপমানিত করেন,নানারূপ পরীক্ষায় ফেলেন।
আল্লাহ তাআলার ইচ্ছার গন্ডিতেই তাঁর ইনসাফ ও অনুগ্রহের মাঝেই সবাই আবর্তিত হয়ে থাকে।আল্লাহ তাআলা কারও প্রতিপক্ষ ও প্রতিদ্বন্ধী এবং শরীক ও সমক্ষ হওয়ার অনেক উর্ধ্বে।
কেউ তাঁর কোনো ফায়সালা রদ করতে পারে না। এমনভাবে কেউ তাঁর কোনো হুকুম মুলতবিও করতে পারে না। তাঁর কোনো ফরমান ও আদেশকে পরাভূত ও প্রভাবিত করার কেউ নেই।
(তাওহীদ সংক্রান্ত) উপরোক্ত বিষয়গুলোর প্রত্যেকটির উপর আমরা দৃঢ় ঈমান এনেছি। আমরা দৃঢ় প্রত্যয় পোষণ করছি যে, সব কিছুই আল্লাহর পক্ষ থেকেই
আল্লাহর ব্যাপারে ইমাম তাহাবি রাহি. মৌলিকভাবে মোটাদাগে যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন,সেগুলো আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহর স্বীকৃত আকিদা। ইসলামের ইতিহাসে বিভিন্ন বাতিল ফিরকা আত্মপ্রকাশ করেছে,যারা এখানের কয়েকটি বিষয়ে বিরোধিতা করে বাতিল হিসেবে ইতিহাসে ঠাঁই পেয়েছে।
সদরুদ দীন মুহাম্মাদ বিন আলা আস সালেহি দিমাশকি রাহি. ‘শারহুল আকিদাতিত তাহাবিয়্যাহ’ গ্রন্থে প্রত্যেকটি আকিদা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। আলোচনা দীর্ঘ হয়ে যাওয়ার ভয়ে আমরা সেদিকে যাচ্ছি না।
___আকিদা
বিভ্রান্তি ও নিরসন
মুফতি সায়্যিদ মুহাম্মাদ ফয়জুল কারীম
পৃঃ ১৪
পোস্টঃ মোঃ আরিফুল ইসলাম
আল্লাহর ব্যাপারে আকিদাঃ
আকিদার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো,আল্লাহর জাত,তাঁর আসমা ও সিফাতের(নাম ও গুণাবলীর) ব্যাপারে আমাদের আকিদা কী? আকিদার ক্ষেত্রে আমরা আমাদের সালাফদের অনুসরণ করি।নতুন করে কোনো আকিদা আমাদের নেই। আল্লাহর ব্যাপারে আমাদের আকিদা কী?
এ ব্যাপারে প্রথমে আমরা ইমাম তাহাবি(রাহি)এর বক্তব্য উল্লেখ করব। মহান আল্লাহর ব্যাপারে তিনি আকিদার ২৮ টি দিক তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, 'নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা এক।তাঁর কোনো শরীক নেই। তাঁর মতো কিছুই নেই। কোনো কিছু তাঁকে অক্ষম করতে পারে না। তিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তিনি আদিহীন অনাদি। তিনি অন্তহীন চিরন্তন,অর্থাৎ তাঁর আগেও কেউ নেই, কিছু নেই, তাঁর পরেও নেই। তাঁর বিনাশ নেই, অর্থাৎ তিনি অক্ষয়,অব্যয় ও অবিনাশী। তাঁর বিলোপ নেই অর্থাৎ ক্ষয় নেই,লয় নেই,পতন নেই। তিনি যা চান,কেবল তাই হয়। তিনি ধারণ,কল্পনা ও অনুমানের বাইরে এবং আকল বুদ্ধির অগম্য অর্থাৎ তিনি বুদ্ধি গ্রাহ্য নন।তিনি সৃষ্টির সদৃশ নন।তিনি শাশ্বত ও চিরঞ্জীব। তাঁর কোনো মৃত্যু নেই। তিনি চিরস্থায়ী, গোটা সৃষ্টিলোককে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে আছেন। তিনি শ্রষ্টা,কোনো ধরণের উপকরণ ছাড়াই। সকলকে রিজিক তিনিই দেন। অথচ তাঁর কোনোই কষ্ট হয় না। তিনি নির্ভয়ে মৃত্যুদাতা,কোনো ধরনের কষ্ট ছাড়াই তিনি সকলকে পুনরুজ্জীবিত করেন। সমগ্র সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করার আগেই তিনি তাঁর সমস্ত গুণাবলীসহ অনাদিকাল থেকেই শাশ্বত সত্তারূপে বিদ্যমান আছেন।
___আকিদা
বিভ্রান্তি ও নিরসন
মুফতি সায়্যিদ মুহাম্মাদ ফয়জুল কারীম
পৃঃ ১১ ও ১২
পোস্টঃ মোঃ আরিফুল ইসলাম
27/10/2022
আলহামদুলিল্লাহ। তিনদিনের সফর।
22/10/2022
"মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে রপ্তানি রাড়ে। "
এভাবে অন্য দেশগুলোকে আমরা সম্পদশালী করি।
"মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি করলেই মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না"
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
Opening Hours
| Monday | 07:00 - 10:00 |
| Tuesday | 07:00 - 10:00 |
| Wednesday | 07:00 - 10:00 |
| Thursday | 07:00 - 10:00 |
| Friday | 06:30 - 12:15 |
| Saturday | 07:00 - 10:00 |
| Sunday | 07:00 - 10:00 |