Zannah Academy -Learning Quran

Zannah Academy -Learning Quran

Share

আলিফ, বা থেকে কুরআন মাজীদ শেখার আদর্শ একাডেমি

07/02/2026

ভর্তির সিজনে অনেকেই একটা পরামর্শ চেয়ে ফি বছর মেসেজ দিয়ে থাকেন- বাচ্চাকে ইসলামিক স্কুলে পড়াবো, না মাদ্রাসায়??
এটার একটা সহজ উত্তর আমি প্রথম পেয়েছিলাম উস্তাদ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক এর একটা বক্তব্যে। এরপর আরও নানা বক্তব্য ও অভিজ্ঞতা থেকে যা বুঝেছি, তার সামারিটাই বলছি, ইনশাআল্লাহ।

প্যারেন্ট হিসেবে আমাদের প্রথমেই গোল ফিক্স করতে হবে- আমি আমার বাচ্চাকে কী বানাতে চাই?

বাচ্চাকে যদি হাফেয বা আলেম বানাতে চান, তাহলে তাকে মাদ্রাসায়ই পড়াতে হবে৷ এখানে মাদ্রাসার কোন বিকল্প নেই।

বিপরীতে বাচ্চাকে যদি দ্বীনি বুঝওয়ালা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, ব্যারিস্টার ইত্যাদি.... অর্থাৎ জেনারেল শিক্ষিত দ্বীনদার বানাতে চান, তাহলে তাকে ইসলামিক স্কুলে দিতে পারেন। দ্বীনের ভালো বুঝ ও চর্চা থাকলে সে দা'ঈও হতে পারবে।

এই হচ্ছে ক্লিয়ারকাট রাস্তা। এমন অনেক গার্ডিয়ান দেখেছি, যারা ইসলামিক স্কুলে কিছুদূর পড়ানোর পর মাঝপথে এসে খেই হারিয়ে ফেলেন, বাচ্চাকে এরপর কোথায় পড়াবেন?

এটা ইসলামিক স্কুলের একটা কমন সমস্যা। এই স্কুলিং সিস্টেমের কিছু নেগেটিভ দিক আছে, যেটা জেনে বুঝেই আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এগুলোর সদুত্তর আসলেই নেই, কেউ যদি সদুত্তর দিয়েও থাকে, তাহলে তা ভুজুংভাজুং ছাড়া কিছু নয়। সেগুলো হচ্ছে,

— ইসলামিক স্কুলগুলো সাধারণত ক্লাস ফাইভ বা সর্বোচ্চ এইট পর্যন্ত হয়। তো আপনার বাচ্চাকে ঐ পর্যন্ত তারা সাপোর্ট দিতে পারবে৷ কিন্তু ক্লাস ফাইভ বা এইটের পর আপনি বাচ্চাকে কোথায় পড়াবেন, কী পড়াবেন, এই প্ল্যান আপনাকে আগেই করে রাখতে হবে। তো এই প্ল্যানিংয়ে কোন ইসলামিক ওয়ে নেই। ক্লাস ফাইভ বা এইট পর্যন্ত ইসলামিক স্কুলে পড়ার পর এরপর আপনাকে জেনারেল স্কুলেই দিতে হবে, এটাই একমাত্র সম্ভাব্য সমাধান। কারণ ইসলামি স্কুলগুলোতে ক্লাস টেন বা SSC দেয়ার সুযোগ খুব কম৷ আর কলেজ? বাংলাদেশে অদ্যাবধি কোন ইসলামি কলেজ নেই৷ সুতরাং আপনাকে জেনারেল কলেজেই দিতে হবে। অর্থাৎ এতদিন সে যেমন একটা ইসলামি পরিবেশে পড়ে এসেছে, হুট করেই তাকে ওখান থেকে একটা সাধারণ পরিবেশে গিয়ে কোপ আপ করে নিতে হবে৷ সেখানে গিয়ে দ্বীন প্র‍্যাক্টিস ধরে রাখার জন্য সেইভাবে প্ল্যান-প্রোগ্রাম সেট করতে হবে।

— ইসলামিক স্কুলের আরেকটা নেগেটিভ সাইড হচ্ছে, হিফজ সিস্টেম। হিফয মাদ্রাসাগুলোতে যেখানে দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা কুরআন পড়ানো হয়; সেই জায়গাতে একটা ইসলামিক স্কুলে হিফযের জন্য স্কুলবিশেষ হিফজের জন্য সর্বনিম্ন ১ থেকে সর্বোচ্চ ৩-৪ ঘণ্টা বরাদ্দ থাকে। পাশাপাশি বাচ্চার মাথায় থাকে অনেকগুলো জেনারেল সাবজেক্ট পড়ার লোড। এ কারণে ক্বওমী/হিফজ মাদ্রাসায় যে হিফয শেষ করতে ২-৪ বছর লাগে, সেটাই ইসলামিক স্কুলে লাগে ৮-৯ বছর। এই লম্বা একটা সময় কুরআন হিফজের আগ্রহ ধরে রাখতে গিয়ে অল্পকিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বেশিরভাগই মাঝপথে হিফজ ছেড়ে দেয়৷ এমন ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে।

— অনেক স্কুল বলে থাকে, ইসলামিক স্কুল থেকে আলেম বানিয়ে দেবে। এটাও আরেক শুভঙ্করের ফাকি। আলেম হওয়ার জন্য যে ধারায় পড়া লাগে, যে কিতাবগুলো পড়াতে হয়, এগুলো ইসলামিক স্কুলে বাংলা, ইংরেজি, অংক, বিজ্ঞান ইত্যাদি সাবজেক্টের হিউজ লোডের সাথে একই ধারায় পড়ানো খুব কঠিন, এমন সিলেবাস বাংলাদেশের কোন স্কুলে আছে বলেও অদ্যাবধি দেখিনি।

বাচ্চাকে ইসলামিক স্কুলে পড়াতে হলে এই বড় ৩ টি সমস্যার কথা মাথায় রেখেই পড়াতে হবে। এই গোল ফিক্স রেখেই পড়াতে হবে যে, একটা বাচ্চা এভাবে জেনারেল শিক্ষিত দ্বীনদার বা জেনারেল দা'ঈ হতে পারবে, তবে আলেম হতে পারবেনা। হাফেজ হতে পারলেও তার জন্য প্রচুর অধ্যবসায় ও সবর রাখতে হবে, নচেৎ লম্বা একটা সময় হিফযের আগ্রহ ধরে রাখতে পারবেনা। তবে বেসিকে দ্বীনের যে গাথুনি হবে, তা দিয়েও আল্লাহ চাইলে বাকি জীবন দ্বীনের পথে থাকার চেষ্টা করতে পারবে।

এবার আসি মাদ্রাসা সিস্টেমে। আলিয়া মাদ্রাসার লাইনে যাচ্ছিনা, আলিয়া মাদ্রাসাও ইসলামিক স্কুলেরই আরেকটা ভার্শন বলা যায়। বলতে চাচ্ছি, ক্বওমী মাদ্রাসার কথা। বাচ্চাকে ক্বওমী মাদ্রাসায় পড়ানো হলে সে প্রথম ৩-৪ বছরে হিফয শেষ করবে। এরপর কিতাবখানায় ভর্তি হবে। কিতাবখানায় ৭-৮ বছরের মধ্যে দাওরা হাদিস শেষ হবে, অর্থাৎ আলেম হয়ে যাবে। এরপর তাখাসসুস অর্থাৎ স্পেশালাইজেশন করতে চাইলে, যেমন- মুফতি (ফতোয়া বিশারদ), মুহাদ্দিস (হাদিস বিশারদ) ইত্যাদি হতে চাইলে আরও ১-৩ বছর পড়তে হবে। মোটামুটি ১১-১৫ বছরের একটা চেইন সিস্টেম করা আছে, যেই সিস্টেমে আগানো হলে একটা বাচ্চা হাফেজ, আলেম, মুফতি/মুহাদ্দিস পর্যন্ত যেতে পারবে, ইনশাআল্লাহ।

মাদ্রাসা লাইনের এই চেইন সিস্টেমটা সুন্দর, মাঝপথে গিয়ে ধাক্কা খাওয়ার ভয় নেই, যে এখন বাচ্চাকে কোথায় পড়াবো? তবে, মাদ্রাসা সিস্টেমও সমস্যামুক্ত নয়। সেগুলো এরকম,

— পরিবেশ। আমরা জেনারেল শিক্ষিতরা বাচ্চাদের পড়ানোর জন্য যেমন সুন্দর একটা পরিবেশ চাই, এমন পরিবেশ ইসলামিক স্কুলে কমন হলেও মাদ্রাসার দৃশ্যটা বিপরীত। যেকোন এলাকার অধিকাংশ মাদ্রাসার পরিবেশই আমাদের পছন্দ হবেনা। আশার বিষয় হচ্ছে, সুন্দর পরিবেশওয়ালা মাদ্রাসা এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হচ্ছে, হয়েছেও। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় এখনও অপ্রতুল। একটা ভালো পরিবেশের মানসম্মত মাদ্রাসা খুজে বের করতে আপনাকে প্রচুর বেগ পোহাতে হবে।

— যেহেতু মাদ্রাসা লাইনের পড়াটাই ইসলামের উপর বিশেষায়িত পড়াশোনা, এ কারণে জেনারেল সাবজেক্টগুলোর উপর স্বাভাবিকভাবেই কম প্রেশার থাকে। ফলে একটা বাচ্চাকে অংক, ইংরেজিতে দক্ষ করতে চাইলে বা বিজ্ঞান শেখাতে চাইলে সেই বিষয়ে আপনাকে পার্সোনাল ইফোর্ট দিতে হবে। আলাদাভাবে বাচ্চাকে অন্য কোথাও বা ঘরে পড়িয়ে ব্যাকাপ দিতে হবে। নচেৎ ইংরেজি, অংক, বিজ্ঞান এগুলোতে দুর্বল থেকে যাবে। থাকাটাও স্বাভাবিক, যেহেতু তারা আরবি ও ইসলাম বিষয়ে দক্ষ হচ্ছে, অন্য বিষয়ে গ্যাপ থাকাটা অস্বাভাবিক না। যদিও এখনকার নতুন মাদ্রাসাগুলোতে এসব বিষয় মডিফাই করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তারপরও বাস্তবে সেরকম অগ্রগতির খবর আমরা পাইনা। এই বিষয়টায় আরও প্ল্যানমাফিক কাজ করা দরকার। স্কুলে যেখানে ৮০% জেনারেল শিখছে, ২০% ইসলাম। মাদ্রাসাগুলোতেও তেমন ৮০% ইসলাম শিখছে, বাকি ২০% জেনারেল, এই ২০% জেনারেল শিক্ষাকে কিভাবে ম্যাক্সিমাম প্রোফিটেবল করা যায়, এটা নিয়ে গবেষণা বিস্তৃত করা দরকার। অনেকে করছেনও, আলহামদুলিল্লাহ।

— আরেকটা বাস্তবিক সমস্যা অস্বীকার করার উপায় নেই। তা হচ্ছে, মাদ্রাসা শিক্ষার সামাজিক বা আর্থিক মূল্যায়ন। জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা শিক্ষকের জন্য তার পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে পরিবার নিয়ে চলার মত হ্যান্ডসাম এমাউন্টের একটা স্যালারির জব পাওয়া খুব কঠিন কিছু না। সেখানে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে হাফেজ বা আলেমদের আর্থিক মূল্যায়ন এখনও গড়পড়তার নিচে। মাদ্রাসা লাইনে সর্বোচ্চ ভালো ফলাফল করার পরও চাকরির বাজারে তাদের স্যালারি রেট খুবই কম। একই অবস্থা সামাজিক মূল্যায়নেও- একইরকম মেধাবী একজন ছাত্র ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার হলে বা ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে জব করলে যে সামাজিক মূল্যায়ন পেয়ে থাকে, ঠিক সমমেধার একজন ছাত্র হাফেজ বা আলেম হলে, সে যত ভালো রেজাল্টই করুক, তার সামাজিক মূল্যায়ন জেনারেল শিক্ষিতদের মত হয়না। ত্বলিবুল ইল্মদেরকে 'তালবে-আলেম', উলামায়ে কেরামকে 'মোল্লা/মুলবি' ইত্যাদি নামে অসম্মান করার যে রীতি বাংলাদেশে শত বছর ধরে চলে আসছে, তার খুব বেশি পরিবর্তন আজও হয়নি। জ্ঞানের মধ্যে সর্বোত্তম জ্ঞান হলো দ্বীনের জ্ঞান, সত্যিকার আলেমরা সরাসরি নবী-রাসূলদের ওয়ারিশ.... ইসলাম যাদেরকে এতখানি মর্যাদা দিয়েছে, সমাজের অধিকাংশের মূল্যায়ন সেখানে ঠিক বিপরীত। একজন হাফেজ বা আলেম কত বেশি মেধাবী, তা প্রমাণের জন্য এখনও তাদেরকে ইংরেজি, বিজ্ঞান বা সাহিত্যচর্চায় এগিয়ে গিয়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়। দুঃখজনক বাস্তবতা এটাই। অথচ তারা যে বিষয়ের বিশেষজ্ঞ, সেই বিষয়ের মূল্যায়ন করা হয় কম। যদিও এই চিন্তাধারা এই সময়ে এসে অনেকটা বদলেছে, বদলাচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ। তবে বিষয় হচ্ছে, সন্তানকে হাফেজ বা আলেম বানাতে চাইলে পরিবারের জেনারেল লাইনের উচ্চশিক্ষিতদের সমান সামাজিক ও আর্থিক মূল্যায়ন যে বাচ্চা পাবেনা, এটা মাথায় রেখেই প্ল্যান করতে হবে। শাইখ আহমাদুল্লাহ, আ ফ ম খালিদ হোসাইন, আব্দুল মালেক, আবু তাহের মিসবাহ (হাফিজাহুমুল্লাহ) সবাই হবেনা, এটাই সত্য। উদ্দেশ্য হবে আল্লাহর রেজামন্দি। দুনিয়াবি সম্মান ও খ্যাতি যদি আল্লাহ দিয়ে দেন, সেটা বোনাস; কিন্তু মাক্বসাদ নয়। বাচ্চাকে আখিরাতমুখী/ মুত্তাকী আলেম হওয়ার সবক পরিবার থেকে না দিতে পারলে সামাজিক চাপে আর হীনমন্যতাবোধ থেকে বরং দুনিয়াদারদের চেয়েও বেশি দুনিয়ামুখী হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় কিছু ক্ষেত্রে। এই হীনমন্যতাবোধ যেন তৈরি না হয়, সেই সবকটা পরিবার থেকে দিতে হবে। পরিবার ও এক্সটেন্ডেড পরিবারের প্রভাব ও পরিবেশ কিভাবে সামাল দেবেন, সে বিষয়েও অভিভাবককে প্ল্যান করে রাখতে হবে।

— আরেকটা সমস্যা হচ্ছে মেয়েদের উচ্চশিক্ষা বিষয়টি। বিশ্বের বেশিরভাগ মুসলিম দেশে নারীদের দ্বীনি শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্র অর্জনের সুযোগ যতটা সুলভ, বাংলাদেশে ততটাই দুর্লভ। দাওরা হাদিস পর্যন্ত অর্থাৎ আলেমা হওয়া পর্যন্ত পড়ার সুযোগ পর্যাপ্ত, আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু এরপর তাখাসসুস বা আরও উচ্চতর পড়াশোনার সুযোগ ছেলেদের জন্য থাকলেও মেয়েদের জন্য খুব খুব কম, পুরো ঢাকা শহরে হাতে গোণা ২/৩ টা মাদ্রাসায় আছে বোধহয়। সত্যি বলতে, শরীয়তের সীমারেখার ভেতরেও দ্বীনি লাইনে উচ্চশিক্ষা অর্জনে কেন যেন মেয়েদের কিছুটা অনুৎসাহিতই করা হয়, মেয়েদের জন্য দাওরা পর্যন্ত পড়াকেই যথেষ্ট মনে করা হয়। অথচ এই দেশেই জেনারেল লাইনের মেয়েরা অনার্স, মাস্টার্স, পিএইচডি পর্যন্ত করছে; সেখানে নারী আলেমাদের মধ্যে মুফতিয়া, মুহাদ্দিসা হাতে গোণা।

— সর্বশেষ মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার আরেকটি প্রতিবন্ধকতার কথা না বললেই নয়। তা হচ্ছে, দাওরা হাদীসকে যদিও মাস্টার্স সমমানের বলা হয়েছিলো, বাস্তবে দেশে-বিদেশে কোথাও তার প্রয়োগ নেই, আমি যতদূর জানি। দাওরা+ তাখাসসুস কমপ্লিট করার পরও একজন আলেমের জন্য সউদি, আযহার, মালয়েশিয়া বা বাইরের কোন ভার্সিটিতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য এপ্লাই করার অনুমতি নেই। ফলে, সেসব ভার্সিটিতে আবেদন করার জন্য আবার আলিয়া মাদ্রাসা থেকে আলিম (HSC) পরীক্ষা দিয়ে সেই সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। ছেলে বাচ্চাদের তাই বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠানোর ইচ্ছা থাকলে আগে থেকেই সেভাবে প্ল্যান করতে হবে। আর মেয়েদের ক্ষেত্রে যেহেতু মাহরাম ছাড়া বিদেশ সফর ও বিদেশে পড়াশোনা জায়েয নেই, তাই সেই আলোচনা অপ্রাসঙ্গিক। কারও সুযোগ হলে মাহরাম বাবা, ভাই বা স্বামীর সাথে যেতে পারবে।

মোটামুটি একটা রচনা লিখে ফেললাম একটু একটু লিখতে গিয়ে। এখন এই পুরো আলোচনা পড়ে তারপর আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, আপনার বাচ্চাকে মাদ্রাসায় দিবেন, না ইসলামি স্কুলে। টার্গেট ফিক্স করে না এগোলে পরে মাঝ সমুদ্রে গিয়ে দাপাদাপি করতে হবে। এজন্য আগে থেকে জেনে বুঝে হিসেব করে এগোলেই উত্তম, এরপর বাকিটা আপনার আর আপনার সন্তানের চেষ্টা, আর সবার উপর আল্লাহর ইচ্ছা ও কবুলিয়াত। আল্লাহ আমাদের সন্তানদের দ্বীনদার মুত্তাক্বী ও আখিরাতের সন্তান হিসেবে কবুল করুন। ©️
আমীন

25/12/2025

আমি আমার শত্রুর সাথেও
ইনসাফ করতে চাই।

-ওসমান হাদি



06/12/2025

আমরা সচেতন আছি তো বোনেরা.....!?

Photos from Zannah Academy -Learning Quran's post 13/11/2025

1️⃣

اَللّٰهُ- আল্লাহ

(অর্থ: একমাত্র সত্য উপাস্য, সকল সত্তার রব্ব)

আপনি কি কখনো গভীর নীরবতার মুহূর্তে ভেবেছেন- আমি কেন আছি, কে আমাকে সৃষ্টি করেছে, আমার জীবনের উদ্দেশ্য কী?

সেই উত্তর একটাই-আল্লাহ। তিনি একমাত্র সত্য উপাস্য, যার বাইরে আর কোনো ইলাহ নেই। তিনিই সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা এবং চূড়ান্ত বিচারক। আকাশ-জমিনের প্রতিটি কণা তাঁর ইচ্ছায় চলছে, আর তিনি ছাড়া কেউ কারো উপকার বা ক্ষতি করতে পারে না।

আল্লাহ তাআলা বলেন-

اَللّٰهُ لآَ إلٰهَ إِلَّا هُوَ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنٰى

অর্থ: "আল্লাহ-তায়ালা ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তাঁরই জন্য রয়েছে সব সুন্দর নাম।”
(সূরা ত্বাহা, আয়াত: ৮)

ইমাম কুরতুবী রাহ. বলেন-
"আল্লাহ নামটি সব নামের মূল, বাকি সব সুন্দর নাম এর অধীন। বান্দা যখন 'আল্লাহ' বলে ডাকে, তখন সে সমস্ত সুন্দর গুণাবলীর অধিকারীকেই ডাকে।" -(তাফসির কুরতুবী)

দোয়া কবুলে সর্বোত্তম উপায়-
আমল: দোয়ার শুরু ও শেষে তিনবার পড়ুন—
يَا اَللّٰهُ ~ ইয়া আল্লাহু

রাসূল ﷺ বলেছেন—

“যে ব্যক্তি আল্লাহর সর্বোত্তম নাম দিয়ে দোয়া করে, তা কবুল হয়।” (আবু দাউদ, হাদিস: ১৪৯৩)

ঈমান ও তাওহিদের দৃঢ়তা বৃদ্ধি-
আমল: ফজরের পর পড়ুন-
اَللٌٰهُ لَآَ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ
(আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হু আল-হাইইউল ক্বাইয়্যুম)

রাসূল ﷺ বলেছেন— "আয়াতুল কুরসি যে পড়বে, তার জন্য জান্নাতের পথে কোনো বাধা থাকবে না।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস: ৮১০)

06/11/2025

তাজওয়ীদ আমরা কেন পড়ব? কেন শিখতে হবে?

মহান আল্লাহ তাআলা জিবরাঈল (আঃ)-এর মাধ্যমে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যেভাবে কুরআন তিলাওয়াত শিখিয়েছেন, এবং নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কিরামদেরকে যেভাবে শিখিয়েছেন, সাহাবাগণ তাবেয়ীনদেরকে যেভাবে শিক্ষা দিয়েছেন—আমাদেরও সেই ধারাবাহিকতায় ঠিক তেমনি করে কুরআন তিলাওয়াত করা উচিত।
আর সেই তিলাওয়াত সঠিকভাবে করার জন্য তাজওয়ীদের জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য সামর্থ্যানুযায়ী তাজওয়ীদসহ কুরআন তিলাওয়াত করা ফরজে আইন।
যারা এখনো শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করতে পারেন না, তাদের জন্য শুদ্ধভাবে পড়ার চেষ্টা করা ফরজ হয়ে যায়। আর এই চেষ্টারই অংশ হলো তাজওয়ীদ শিক্ষা করা।

03/11/2025

৪০ হাদীস — জীবনের পূর্ণ দিশা

মাত্র চল্লিশটি হাদীস, অথচ এতে রয়েছে পুরো ইসলামী জীবনের ভিত্তি।
বিশ্বাস, আমল, চরিত্র ও আত্মশুদ্ধির প্রতিটি দিকের পথনির্দেশ।

প্রতিটি হাদীস যেন এক একটি আলো যা অন্ধকার হৃদয়কে জাগিয়ে তোলে এবং দুনিয়া ও আখিরাতের পথ দেখায়।

আসুন, ইমাম নববী (রহ.)-এর ৪০ হাদীস থেকে শিখি
নবিজির (ﷺ) বাণীর আলোয় জীবন গড়ার গল্প।

আলোচনা করবেন: Hadith Instructor— Nargis Sultana
বিষয়: Imam Nawawi’s 40 Hadith Series
📅 সময়: আজকে সন্ধ্যা ৭.০০ মি. থেকে শুরু হবে।

02/11/2025

আল্লাহর যে ৯৯টি নাম আছে প্রতিটি নাম এক একটি আলো, এক একটি রহমত, এক একটি শিক্ষা।
আমরা কি জানি? আমাদের জীবনের প্রতিটি দুঃখ-সুখ, ভয় বা আশা থেকে মুক্তি লাভের উপায়
এই নামগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে এবং আমাদের জন্য রয়েছে প্রশান্তি।

এখনই সুযোগ আপনার-
আল্লাহর সুন্দর নামগুলো জানতে, বুঝতে,
এবং নিজের জীবনে বাস্তবভাবে প্রয়োগ করতে।

আমাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু হচ্ছে
“আসমাউল হুসনা” রেকর্ডেড কোর্স।
(শুধুমাত্র বোনদের জন্য)

যারা চান আল্লাহকে আরও গভীরভাবে চিনতে তাদের জন্যই এই কোর্স ইন শা আল্লাহ।

-কোন মান্থলি ফি নেই
-শুধুমাত্র রেজিষ্ট্রেশন ফি দিয়েই শুরু করতে পারেন এই কোর্স।

📌ক্লাস শুরু হবে ৮ই নভেম্বর থেকে ইন শা আল্লাহ।

আগ্রহী হলে ইনবক্স করুন অথবা কমেন্ট চেক করুন ইন শা আল্লাহ।

01/11/2025

আপনি কি নবীজিকে ভালোবাসতে চান?

আপনি কাউকে ভালোবাসেন অথচ তাঁর সম্পর্কে জানেনই না, এটা কি ভালোবাসা হয় বলুন? হ্যাঁ ঠিক এভাবেই নবীজিকে ভালোবাসার জন্যেও নবীজিকে জানতে হবে। তাকে যতো গভীরভাবে জানতে পারব আমাদের অন্তরে তাঁর প্রতি ভালোবাসাও ততটাই গভীর হতে থাকবে।

আপনি কি রাসূলের জীবনী শুনতে চান? রাসূলের জীবনের পরতে পরতে লুকানো অজানা ঘটনাকে জানতে চান? আপনি কি চান রাসূলের জীবন সাগরের বিশালতায় অবগাহন করতে?

তাহলে আপনার জন্য, হ্যাঁ আপনি যদি একজন নারী হন তবে আপনার জন্য আমাদের এই আলোচনা "এসো সীরাত পড়ি"। ক্লাসের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বই এর প্রয়োজন নেই।

আর হ্যাঁ, সীরাত কী?
সীরাত হচ্ছে নবীজির জীবনী। তাঁর কথাবার্তা, আচার ব্যবহার, চাল চলন, তাঁর গোটা জীবনটাই সীরাত।

ক্লাস সংক্রান্ত -
* ক্লাস হবে জুমে। জুম আইডি জানিয়ে দেওয়া হবে।
* সপ্তাহে একদিন (শনিবার) ক্লাস হবে।
* ক্লাস সময় রাত ৯টা।

যা পড়ানো হবে -
* নবীজির জন্মপূর্ব আরবের অবস্থা
* আরব জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
* তাঁর পিতা-মাতা এবং বংশ পরিচয়
* জন্ম এবং শৈশব
* কৈশর, তারুণ্য এবং যৌবন
* প্রথম এবং সকল বিবাহের ইতিবৃত্ত
* নবুওয়াত, দাওয়াত এবং হিজরত
* রাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি এবং যুদ্ধবিগ্রহ
* নবীজির আচারব্যবহার এবং শিষ্টাচার
* কাফিরদের প্রতি নবীজির আচরণ এবং আমানতদারিতা
* নবীজির সংসার জীবন
* নবীজির মোজেজা
* নবীজীবনের শিক্ষা
* তাঁর ইন্তেকাল
* এক কথায় নবীজির পূর্ণ জীবনী

কোর্স ইন্সট্রাক্টর -
ডালিয়া হাসনা
-Zannah Academy Learning Quran

Photos from Zannah Academy -Learning Quran's post 19/10/2025

প্রিয় দ্বীনি বোনেরা!

আপনাদের মধ্যে যারা কুরআন তেলাওয়াতের সময় তাজওয়ীদ সমস্যা অনুভব করেন, বা কিছু শব্দ শুনেও বুঝতে পারেন না, তাদের জন্য আমাদের নতুন সমাধান আছে।

এখন থেকে কোনো শব্দের তাজওয়ীদ মনে না থাকলে সাথে সাথে পিডিএফ বই থেকে দেখে নিতে পারবেন এবং বিষয়টা সঙ্গে সঙ্গে ক্লিয়ার হবে।

Zannah Academy Syllabus প্রস্তুত হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। এতে থাকছে—

• আরবি হরফের সাথে বিভিন্ন আঙ্গিকে পরিচয়
৩ কালিমা

• সংক্ষিপ্ত ইস্তেগফার

• চিত্র সহ মাখরাজ

• নামাজের দু’আ অর্থ সহ

• ১১টি সূরা অর্থসহ

• বেসিক তাজওয়ীদ উদাহরণসহ

এক কথায়, “এক পিডিএফে অনেক বিষয়”।

পিডিএফটি মোবাইলেও রাখা যাবে যেকোনো সময় দেখে পড়া সম্ভব ইন শা আল্লাহ।

মূল্য: মাত্র ১৫০৳
পেমেন্টের পর অবশ্যই আমার হোয়াটসঅ্যাপে নক দিয়ে নিশ্চিত করবেন।

বিকাশ নম্বর:
01910200287 (personal)

Photos from Zannah Academy -Learning Quran's post 13/10/2025

কুরআনে বর্ণিত কয়েকটা ইস্তেগফার 🤍

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka