01/10/2025
তোমাদের সাথে একটা কঠিন বাস্তবতা শেয়ার করি।
চান্স পাওয়ার গল্পগুলো শুনে তোমরা মোটিভেটেট ফিল করো। মুদ্রার অন্য পিঠটাও জানা দরকার।
গতবছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন করেছিলো ১ লক্ষ ৪ হাজার ৪৪ জন। সরকারি মেডিকেলে সিট ছিলো মাত্র ৫৩৮০টি।
যারা অর্থনৈতিকভাবে সামর্থবান , তারা বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তি হয়েছে। বেসরকারি মেডিকেলে সিট সংখ্যা ৬১৬৮টি।
তার মানে দাঁড়ালো, ডাক্তার হবার স্বপ্ন দেখে ১,০০০ টাকা দিয়ে আবেদন ফর্ম কেনা ৯২,৪৯৯ জনের ডাক্তার হবার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। হ্যাঁ, সেকেন্ড টাইম পরীক্ষা দিয়ে ১৫০০ এর মতো চান্স পাবে। তারপরও ধরে নেয়া যায় যে, প্রায় ৯১ হাজার শিক্ষার্থী ডাক্তার হতে পারবে না!
এখানে মাত্র তিনটি রাস্তা। সরকারি মেডিকেল কলেজ, প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অথবা ডাক্তার হতে না পারা।
প্রতিবছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করা প্রায় ৯০% শিক্ষার্থী ডাক্তার হতে পারে না!
তুমি বিষয়টি কি বুঝতে পারছো?
বাস্তবতা হলো, প্রতিবছর মেডিকেল এডমিশন টেস্টে অংশ নেয়া অসংখ্য শিক্ষার্থী কয়েক মাস পর নিজের পছন্দের সাবজেক্ট না পেয়ে, পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় না পেয়ে, যে কোনো এক জায়গায় ভর্তি হয়। অনেক সময় সেটিও মিলে না।
এখন থেকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা পর্যন্ত তোমার হাতে কতো সময় আছে?
আমরা যদি ৭৫ দিন ধরি, তাহলে তোমার হাতে আছে মাত্র ১৮০০ ঘণ্টা।
এবারও ভর্তি পরীক্ষায় লক্ষাধিক অংশগ্রহণ করবে। সবার হাতেই ১৮০০ ঘণ্টা।
এই সময়টুকু যে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারবে, ‘টাইম ম্যানেজমেন্ট’ করতে পারবে, সে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে যাবে।
অনেকেই এই সময়েও প্রেম-ভালোবাসা করবে।অনেকেই এই সময় খেলা দেখবে, মুভি দেখবে, আড্ডা দিবে, ঘুরতে যাবে।
এর ফলে শুধু সময় না, তার জীবনের স্বপ্নটাই নষ্ট করবে।
সময় কিন্তু শুরু হয়ে গেছে অনেক আগেই । তোমার অধিকাংশ বন্ধুরা বাঁশি বাজার সাথে সাথে দৌড়ানো শুরু করেছে। এই রেইসে জিততে হলে তোমাকে অবশ্যই এমনকিছু করতে হবে, যা চান্স না পাওয়া ৯০ হাজার করবে না।
যাচ্ছেতাই ভাবে যদি সময় নষ্ট করো, তাহলে তুমি সেই ৯০% এর মধ্যেই থাকবে।
এজন্য তোমাকে এমনকিছু করতে হবে, যার কারণে তুমি ১০% এ আসতে পারো। সৃষ্টিকর্তা তোমাকে তখনই পুরষ্কৃত করবেন, যখন তোমার চেষ্টাটা হবে সবার চেয়ে তীব্র।