24/10/2024
পাবলিক স্পিকিং-এ দক্ষতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত চর্চাটা অত্যন্ত জরুরি। একজন ভালো বক্তা হবার জন্য ঠিকঠাক প্রস্তুতি প্রয়োজন। বক্তব্যের বিষয়বস্তু সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান অর্জন করলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। প্রতিটি বক্তব্যের আগে ভালো করে জেনে নিন— আপনি যেখানে কথা বলতে যাচ্ছেন, সেখানকার শ্রোতারা আপনার কাছে কী শুনতে চায়। সেটাকে সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় তা উপস্থাপন করতে পারলেই খেল খতম!
নিজের বক্তব্য প্র্যাকটিস করার জন্য আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলুন, বন্ধুদের সামনে বা ভিডিও রেকর্ড করে দেখুন কীভাবে উন্নতি করা যায়। আই কন্টাক্ট বজায় রাখুন এবং বডি ল্যাংগুয়েজ স্বাভাবিক রাখুন।
নার্ভাসনেস কাটিয়ে ওঠার জন্য কিছু Deep Breathing Technique ফলো করা যেতে পারে। এটা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। ছোট ছোট মাইলস্টোন সেট করুন—প্রথমে ছোট ছোট বক্তৃতা দিয়ে শুরু করুন। এরপর ধীরে ধীরে বক্তব্যের দৈর্ঘ্য বাড়ান।
প্রথম দিকে নার্ভাসনেস থাকলেও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তা আস্তে আস্তে কেটে যাবে। আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য ইতিবাচক চিন্তা করুন—নিজেকে বলুন আপনি এটি করতে পারবেন। সফল বক্তারা বিশ্বাস রাখেন যে বক্তব্যে তাদের মেসেজটা গুরুত্বপূর্ণ এবং অডিয়েন্স তা শুনতে আগ্রহী।
05/07/2024
কীভাবে পাবলিক স্পিকিং-এ ভালো করা সম্ভব?
আমাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে ভালো করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে পাবলিক স্পিকিং। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ পাবলিক স্পিকিং কে চ্যালেঞ্জিং মনে করেন। পাবলিক স্পিকিং তাদের কাছে এক আতঙ্কের নাম।
কিন্তু মজার বিষয় কী জানেন?
এই আতঙ্ককেই কাটিয়ে উঠে আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন দক্ষ পাবলিক স্পিকার। বিশ্বসেরা পাবলিক স্পিকারদের বলতে শুনবেন যে তারাও একসময় পাবলিক স্পিকিং-কে ভয় পেতেন। তবে তারা কীভাবে আজ এত ভালো বক্তা?
এর উত্তর হলো পাবলিক স্পিকিং এর ভয় দূর করতে কিছু ধাপ এবং কৌশল রয়েছে যা অনুসরণ করে তারা আজ এ পর্যন্ত এসেছেন।
আজ আলোচনা করবো ৫টি বিষয় সম্পর্কে যা আমাদেরকে একজন আত্মবিশ্বাসী বক্তা হতে সাহায্য করবে....
১। প্রথম পদক্ষেপটি খুব গুরুত্বপূর্ণ
বলা হয় ব্যক্তির ১ম পদক্ষেপটিই তাকে ৫০% সফলতার দিকে নিয়ে যেতে সক্ষম। তাই প্রথম প্রথম নিজের ভয় কাটাতে আপনার বন্ধুদের সভায় বা ছোটখাটো সভায় স্পিচ দেয়ার চেষ্টা করুন। নিজের কমফোর্ট জোন থেকে বের হয়ে আসুন। দেখবেন ধীরে ধীরে আপনি ভয় কাটিয়ে উঠছেন।
২। আপনার টপিক সম্পর্কে জানুন
আপনি কোনো বিষয়ের উপর যত জানবেন, ততই আপনার জন্য সেই বিষয় নিয়ে কথা বলা সহজ হবে। তাই কোন টপিক এর উপরে স্পিচ দেয়ার আগে আপনার টপিকটি সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন। এতে আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যাবে।
৩। বেশি বেশি অনুশীলন করুন
যে কোন দক্ষতা আয়ত্ত্ব করতে অনুশীলন এর কোনো বিকল্প নেই। আপনার স্পিচ দেয়ার আগে বার বার সম্পূর্ণ স্পিচটি অনুশীলন করুন। যত বেশি অনুশীলন করবেন তত ভালো স্পিচ দিতে সক্ষম হবেন।
৪। আপনার সফলতা কে ভিজুয়ালাইজ করুন
আমরা সবচেয়ে বেশি ভাবি ব্যর্থতা নিয়ে। "আমি যদি না পারি!" "আমার যদি কোনো ভুল হয়ে যায়! " ইত্যাদি চিন্তা আমাদের আত্মবিশ্বাসকে ভেঙ্গে দেয়। তাই, প্রথমেই মনের মধ্যে ইতিবাচক ধারনা পোষণ করতে হবে। এতে করে আপনার সফলতার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।
৫। শ্রোতাদের নিয়ে দুশ্চিন্তা নয়; বরং কন্টেন্ট এর উপর ফোকাস করুন
একটি বিষয় জেনে রাখুন, আপনার শ্রোতাদের মনোযোগ থাকবে আপনি কী ধরনের নতুন তথ্য তাদেরকে দিচ্ছেন তার উপর। আপনি কীভাবে তা উপস্থাপন করছেন তা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। তাই, আপনি আপনার বক্তব্যের বিষয়বস্তুর উপরে আপনার প্রধান ফোকাস রাখুন। দুশ্চিন্তা আপনার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিবে।
সবশেষে একটি কথা মনে রাখবেন। আপনি যখন বক্তব্য রাখবেন, আপনার দর্শক কিন্তু জানবেন না যে আপনি কতখানি নার্ভাস (যতক্ষণ পর্যন্ত তা আপনি দিচ্ছেন)। আর যদি আপনার শ্রোতারা বুঝতে ও পারেন, তবে তারা সকলেই আপনার সফলতাই চাইবেন। অর্থাৎ, কেউ আপনার বিপরীতে নয় বরং সবাই আপনার সাথেই আছেন। সুতরাং, চিন্তা কীসের! আজই শুরু করে দিন....
এরকম পাবলিক স্পিকিং এর উপর আরও টিপস জানতে স্কুল অব পাবলিক স্পিকিং এর পেইজে চোখ রাখুন। লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে পাশে থাকুন!
26/06/2024
Over- communication বা অতি যোগাযোগ কী?
অতি যোগাযোগ হলো এমন একটি পরিস্থিতি যখন কেউ কোন বিষয় সম্পর্কে স্বচ্ছ এবং বিস্তৃত ধারণা প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে স্বাভাবিক এর চেয়ে বেশি তথ্য প্রদান করে থাকে। সাধারণত কর্মক্ষেত্রে এই অতি-যোগাযোগ নানানভাবে সহায়তা করে থাকে। মূলত লিডারশিপ এর ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি।
অতি-যোগাযোগ সম্পর্কে ভুল ধারণাঃ
আমরা অনেকেই মনে করে থাকি যে অতি-যোগাযোগ মানে অপ্রয়োজনীয় বা অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা বলা। তবে মূলত এটি একটি ভুল ধারণা। অতি-যোগাযোগ বলতে অতিরিক্ত অপ্রয়োজনীয় আলাপ না বরং প্রয়োজনীয় তথ্যকে বিস্তৃত আকারে প্রকাশ করা বুঝায়। আপনি যদি সঠিক স্থানে অতি-যোগাযোগ কাজে লাগাতে পারেন তবে কর্মক্ষেত্রে আপনি অনেকটাই এগিয়ে থাকতে পারবেন। আসুন জেনে নেই কিভাবে আমরা ৫ টি কার্যকর উপায়ে over-communication ব্যবহার করতে পারি-
১. আপনার বার্তা সহজবোধ্য রাখুন
আপনি যা বলতে চাচ্ছেন তা যেন সহজবোধ্য এবং সংক্ষিপ্ত হয়। প্রতিটি বিষয় বিস্তৃত না করে বরং আপনার উদ্দেশ্য, লক্ষ্য এবং অগ্রাধিকারগুলোকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।
আপনি যখন আপনার যোগাযোগের ক্ষেত্রে সতর্কভাবে পয়েন্ট বা শব্দগুলো জন্য বেছে নিবেন, আপনার কথাগুলো তখন আরও প্রভাবশালী এবং স্পষ্ট হবে।
২. সহকর্মীদের সাথে সংক্ষিপ্ত তবে নিয়মিত চেক ইন এ থাকুন।
দীর্ঘ সময় ধরে একটি বিষয় নিয়ে কথোপকথন হলে আপনি নিজের এবং আপনার শ্রোতার ফোকাস হারিয়ে ফেলতে পারেন। ফলে সময় এবং মনোযোগ দুটোই নষ্ট হবে। এর পরিবর্তে যদি আপনি সংক্ষিপ্ত সময়ে আপনার বক্তব্য প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর আপনার কর্মী বা সহকর্মীদের সাথে চেক ইন এ থাকেন তাহলে আপনার বক্তব্যের প্রভাব সহজেই তাদের উপর পরবে।
৩. সহকর্মীদের সাথে ইনফরমাল
১:১ কথোপকথন করুন।
কর্মক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদের প্রফেশনালিজম বা ফরমালিটি মেনে চলতে হয়। তবে কমিউনিকেশন এর ক্ষেত্রে কখনো কখনো ইনফরমাল বা কাজের বাইরে কথা বললে সহকর্মীদের মাঝে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এতে কাজের ক্ষেত্রে ও মন স্বতঃস্ফূর্ত থাকে। তাই, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে, দুশ্চিন্তামুক্ত ভাবে আপনার সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করুন।
৪. একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করুন
যোগাযোগ এর বিভিন্ন মাধ্যম এর ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহার ও কার্যকারিতা থাকে। কাজের ক্ষেত্রে সাধারণত টিম মিটিং এর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং আপডেট আদান প্রদান হয়ে থাকে। তবে মিটিং এর বাইরে ও টিম এর অন্যান্য সদস্য দের সাথে দ্রুত তথ্য আদান প্রদান করতে ইমেইল বা অন্য কোনো যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারেন। নিজের যোগাযোগ মাধ্যম গুলোকে ফ্লেক্সিবল রাখুন। সহকর্মীদের থেকে তাদের যোগাযোগ মাধ্যম গুলো জেনে নিন।
৫. কোন সংবাদ প্রকাশ করার জন্য অপেক্ষা করবেন না
ভালো যোগাযোগ এর গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলোর মধ্যে একটি হলো যে কোনো সংবাদ সময়মত পরিবেশন করা। ভালো বা খারাপ যেরকম খবর ই হোক না কেন, সেটা শেয়ার করার জন্য কখনো অপেক্ষা করবেন না। অনিশ্চয়তার মুহূর্তগুলোতে স্বচ্ছ যোগাযোগ কর্মীদের মাঝে বিশ্বস্ততা বাড়িয়ে তোলে এবং দুশ্চিন্তা থেকে বেড়িয়ে আসতে সাহায্য করে। তাই আপনার সহকর্মীদের কে সকল বিষয়ে অবগত রাখুন।
Over-communication কেন গুরুত্বপূর্ণ?
আপনার মনে হতে পারে, "আমি একবার যা বলার তা তো বলেই দিয়েছি। তাহলে কেন তা আমি পুনরাবৃত্তি করে নিজের সময় নষ্ট করব?"
কিন্তু আপনি জানেন কি যে সঠিকভাবে ওভার-কমিউনিকেশন ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আপনার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা গুলোকে শক্তিশালী করে তুলতে পারবেন এবং নিশ্চিত হতে পারবেন যে সবাই আপনার বার্তাটি শুনেছে এবং বুঝতে পেরেছে।
মূলত, অতি-যোগাযোগ সহকর্মীদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি রোধ করতে পারে এবং নিশ্চিত করে যেন সবাই সঠিক তথ্য লাভ করে।
30/04/2024
As we enjoy the fruits of labor, let's remember those who toil to make it possible. Happy May Day!
10/04/2024
Eid Mubarak! May this special day bring peace, happiness, and prosperity to everyone celebrating.
05/04/2024
The Magic Box is coming....
01/04/2024
Ways of proper communication.
11/03/2024
Mr. Mashrafi Islam Turzo, Chief Operating Officer at School of Public Speaking, was featured in The InCAP, an international magazine. We are immensely proud of you.
09/03/2024
Express yourself confidently towrds other's by public speaking for overcoming communication barriers.
12/01/2024
From study table to workstation, a time clock always beeping with ticktock sound. It’s nothing but running in the race to achieve our dream. For gaining eligibility to stand in the highest peak we must make our time perfectly.
But what is the perfection of time management? Are we following the right track to reach our destination? Is there any tool to make it easy? If you want to know the answers, join the next session of School of Public Speaking.
The event will be conducted by our COO, Mashrafi Islam Turzo. He has already gained lots of certificates, awards, appreciation before stepping into his dream career. In the session, he will talk about his own tricks that helped him score exceptionally. So, let's grab this opportunity to learn about time management!
Date: Friday, 19 January, 2024
Time: 9:30 PM
Platform: Google Meet
Registration Fee: 50 BDT
Payment Numbers:
Bkash - 01907162781
Nagad - 01518914664
Rocket - 019071627812
Registration Link: https://forms.gle/yPLNx8b6geDPrv4b9