02/11/2023
🟢প্রাথমিক প্রথম ধাপের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক।
🚇 বঙ্গবন্ধু টানেল
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেল হলো কর্ণফুলী নদীর নিচে অবস্থিত নির্মাণাধীন সড়ক সুড়ঙ্গ পথ। এটিই বাংলাদেশের দীর্ঘতম সুড়ঙ্গ পথ।বঙ্গবন্ধু টানেলের অপর নাম হচ্ছে কর্ণফুলী টানেল।
🔷 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮ অক্টোবর,২০২৩ টানেলটি উদ্বোধন করেন।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৪৩ কিলোমিটার।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প পরিচালকের নাম জনাব হারুনুর রশিদ চৌধুরী।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পের সর্বপ্রথম যাত্রা শুরু হয় ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ সালে।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেলের নির্মাণ কাজ উদ্ভোদন করা হয়২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ সালে।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেলের নির্মাণ কাজ উদ্ভোদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেল চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেল সংযুক্ত হচ্ছে পতেঙ্গা ৪১ নং ওয়ার্ডের নেভাল একাডেমির বন্দর অঞ্চল থেকে চট্টগ্রামের আনােয়ারা পর্যন্ত।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেলে ২ লেনের রাস্তা রয়েছে।
🔷 কর্ণফুলী টানেলের মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯২ কিলোমিটার।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেলের মোট ৮টি বায়ুচলাচল ফ্যান রয়েছে।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেলের জেট ফ্যান সংখ্যা ১২৬ টি।
🔷বঙ্গবন্ধু টানেলের যানবাহন চলাচল ক্ষমতা প্রতি ঘন্টায় প্রায় ৮,০০০ টি।
🔷বঙ্গবন্ধু টানেলের যানবাহনের গতিসীমা ৬০ কি.মি./ ঘন্টা।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেলের মোট ব্যয় প্রায় ১০ হাজার ৬৮৯.৭১ কোটি টাকা।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেলের ইংরেজি অপর নাম Two towns-one city।
🔷বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী দেশ হচ্ছে “চীন”।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেলের সুবিধা হচ্ছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য ঢাকা এবং কক্সবাজারের মধ্যে ভ্রমণের সময় কমিয়ে দেবে, যা স্থানীয় পর্যটন খাতে অনন্য পরিবর্তন আনবে।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেল অর্থায়নে সহযােগিতায় ছিলো চীনের এক্সিম ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সরকার।
🔷 বঙ্গবন্ধু টানেলে সারাদিনে প্রায় ১৭ হাজার ২৬০টি গাড়ি চলাচল করতে পারবে।