Begins Hear Our Life

Begins Hear Our Life

Share

This page is educational page.We can learn education.This page useable general knowledge, math, English, all educational subject.

So we think significant this page.

15/10/2021

ভাবুন তো.......
আপনি ফজরের কয়েক মিনিট আগে উঠলেন❤️
তাহাজ্জুদ পড়লেন❤️
হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলো❤️
আপনার মনে পড়ে গেল যে বৃষ্টির সময় দোয়া কবুল হয়❤️
নামাজ টা পড়ে আল্লাহর কাছে মোনাজাতে অশ্রুসিক্ত নয়নে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন❤️
ফজরের আজান দেওয়ার আগেই আপনি ফজর টা পড়ে নিলেন❤️
যখন আপনি আবার মোনাজাত করবেন তখনই আজান দিল❤️
আপনার মনে পড়ে গেল যে আজান ও ইকামত এর মাঝে দোয়া কবুল হয়❤️
বৃষ্টি, আজান ও ইকামত ও ফরজ নামাজ এর মোনাজাতে আপনি আবার কাঁদলেন❤️
আপনার রব আপনার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে একদম নিষ্পাপ করে দিলেন❤️
আপনার ডাক এলো❤️
আপনি বিজয় এর হাঁসি নিয়ে রবের কাছে চলে গেলেন❤️
একটি সুন্দর মৃত্যুর প্রতীক্ষায়..................

আল্লাহ যেন আমাদের এরকম মৃত্যু ই দান করুন আমীন
©

27/09/2021

শুরুর পথচলা (১৯৭৯-১৯৯৯) সম্পাদনা
বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) সহযোগী সদস্যে পরিণত হয়। পরবর্তীতে রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতআইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ আত্মপ্রকাশ করে। ৪ ম্যাচের ২ টিতে জয়লাভ করে এবং ২ টিতে তারা হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়। গাজী আশরাফ হোসেন লিপু'র নেতৃত্বে এশিয়া কাপে ক্রিকেটে ১৯৮৬ সালের ৩১শে মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে অংশগ্রহণ করে।

১৯৮৬ সালের এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখে। এটা সেই দলের ছবি।
আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালের এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ করে। এটাই ছিল বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। ভয়াবহ বন্যা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আয়োজক হিসেবে সফলতার পরিচয় দেয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম জয়ের দেখা পায় ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘ ২২ খেলায় হারের পর মোঃ রফিকের অসাধারণ নৈপুণ্যে (৭৭ রান ও ৩টি উইকেট) কেনিয়ার বিপক্ষে ভারতে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশ এই জয়লাভ করে।[১] আতহার আলী খান-মোহাম্মদ রফিক জুটি ১৩৭ রান গড়েছিল। আতহার আলী খান করেন ৪৭ রান।[২] পরবর্তীতে অক্টোবর মাসে আইসিসি নক-আউট ট্রফি আয়োজন করে বাংলাদেশ যেখানে সকল টেস্ট খেলুড়ে দল এই একদিনের আন্তর্জাতিক নক-আউট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জেতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায় এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার নিয়মিত সদস্য পদ লাভ করে। প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেই বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় বাংলাদেশ। দলের অসাধারণ ফিল্ডিং এবং খালেদ মাহমুদের ব্যক্তিগত বোলিং (৩/৩১) নৈপুণ্যে বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তানকে ৬২ রানে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা বিবেচিত হন খালেদ মাহমুদ। স্কটল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারানোর পরও বাংলাদেশ বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে যেতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু এই জয় বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক টেস্ট দলের সদস্য হতে সহায়তা করে।

টেস্ট দল হিসাবে প্রথম পর্যায় (২০০০-২০০৩) সম্পাদনা
২০০০ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নাইমুর রহমানের অধিনায়কত্বে প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট অঙ্গনে পা রাখে। ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি (১৪৫) করে অস্ট্রেলিয়ার চার্লস ব্যানারম্যান ও জিম্বাবুয়ের ডেভিড হটনের পাশে নাম লেখান আমিনুল ইসলাম। অধিনায়ক নাইমুর রহমানের ১৩২ রানে ৬ উইকেট অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে কোনো বোলারের সেরা বোলিং। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে হেরে যায়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বোর এসএসসিতে অভিষেক টেস্টে ১৭ বছর ৬১ দিন বয়সে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েন মোহাম্মদ আশরাফুল। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচি টেস্টে প্রথমবারের মতো প্রথম ইনিংসে লিড নেয় বাংলাদেশ। মুলতানে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে জিততে জিততে ১ উইকেটে হেরে বসে তারা। এই সিরিজে বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম হ্যাট্রিক করে অলোক কাপালি। টানা ২১ টেস্ট হারার পর হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বে ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে ২য় টেস্টে ড্র করতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ যদিও খারাপ আবহাওয়ার কারণে ৩দিন খেলা বন্ধ থাকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০০৪ সালে সেন্ট লুসিয়া টেস্টে তিন ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরির কল্যাণে প্রথম নিজেদের কৃতিত্বে ড্র করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে হাবিবুল বাশার ও মোহাম্মদ রফিকের পর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন খালেদ মাসুদ। চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ ২০০৫ সালে। ম্যাচ সেরা হন এনামুল হক জুনিয়র। সিরিজের অপর টেস্টটিও অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়। টেস্ট ইতিহাসে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে প্রথম ইনিংসে ১৫৮ রানের লিড নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩ উইকেটে পরাজয় হয় বাংলাদেশের। ২০০৯ সালে দেশের বাইরে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের। শীর্ষস্থানীয় সব খেলোয়াড় ধর্মঘটে যাওয়ায় নতুন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দুই টেস্টেই জয় পায় বাংলাদেশ।

27/09/2021

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে। সেবারের টুর্নামেন্টে ৪ ম্যাচের ২ টি ম্যাচে তারা জয়লাভ করে এবং বাকি ২ টি ম্যাচে পরাজয় বরণ করে। এর সাত বছর পর ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে ক্রিকেটে তারা তাদের সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচটি খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জেতে এবং এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। বিশ্বকাপে তারা পাকিস্তান এবং স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করে।

১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আইসিসি ওয়ানডে খেলুড়ে দেশ হিসেবে ওয়ানডে খেলে আসছে। ২০০০ সালের ২৬ জুন তারা দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আইসিসি'র সদস্যপদ লাভ করে। ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা মোট ১১৯ টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে এবং ১৪ টি ম্যাচে জয়লাভ করে। তারা সর্বপ্রথম টেস্ট জেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। পরবর্তী টেস্ট দু'টো জিতে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে । জানুয়ারি, ২০২১ সালে বাংলাদেশ আইসিসি র‍্যাংকিং অনুযায়ী টেস্টে ৯ম, ওডিআইয়ে ৭ম এবং টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকের রেটিংয়ে ৮ম স্থানে অবস্থান করছে।

26/06/2020

@সিঁড়ি সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য:-
( পর্ব:-০২)
#গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর:-

প্রশ্ন:-সিঁড়ি কাকে বলে?

উত্তর:-ভবনের এক তলা থেকে অন্য তলায় নিরাপদে ও অনায়সে যাতায়াতের জন্য কতগুলো ধাপের সাহায্যে যে পথ নির্মাণ করা হয় তাকে সিঁড়ি বা স্টেয়ার বলে।
...
প্রশ্ন:-একটি উত্তম সিঁড়ির কি কি বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন?

উত্তর:-একটি উত্তম সিঁড়ির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক-
১। অবস্থান
২। সিঁড়ির প্রস্থ
৩। ফ্লাইটের দৈর্ঘ্য
৪। সিঁড়ির ঢাল
৫। হেড রুম
৬। নির্মাণ সামগ্রী
৭। ব্যালাস্ট্রেড ও হ্যান্ড রেইল
৮। স্টেপ আকার
৯। ল্যান্ডিং
..
প্রশ্ন:-ট্রেড এবং রাইজার সংখ্যা নির্ণয়ে পদ্ধতি গুলো কি?

উত্তর:-১.রাইজারের সংখ্যা =প্রতি ফ্লাইটের উচ্চতা/রাইজারের উচ্চতা
২.ট্রেডের সংখ্যা=প্রতি ফ্লাইটের রাইজারের সংখ্যা-১.
..
প্রশ্ন:-১টি ফ্লাইটে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কতটি ধাপ থাকা উচিত?

উত্তর:-প্রতি ফ্লাইটে ধাপের সংখ্যা ১০ থেকে ১২ টি তবে সর্বোচ্চ ১৫ টি এবং সর্বনিম্ন ৩ টির কম হবে না।
..
প্রশ্ন:-সিঁড়ির অবস্থান কোথায় হওয়া উচিত?

উত্তর:-আবাসিক দালানের ক্ষেত্রে সিঁড়ির অবস্থান কেন্দ্রস্থলে এবং পাবলিক বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে সিঁড়ির অবস্থান রাস্তার দিকে হওয়া উচিত।
..
প্রশ্ন:-সিঁড়ির বিভিন্ন অংশগুলোর নাম লিখ।

উত্তর:-বিভিন্ন অংশের নাম গুলো হল-
১.স্টেপ বা ধাপ
২.ট্রেড
৩.রাইজার
৪.ফ্লাইট
৫.নোজিং
৬.ল্যান্ডিং
৭.সফিট
৮. ঢাল
৯.হ্যান্ড রেইল
১০.হেড রুম ইত্যাদি।
..
প্রশ্ন:-ট্রেড ও রাইজার কাকে বলে?সিঁড়ির ট্রেড ও রাইজার সাধারণত কত ধরা হয়?

উত্তর:-সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করার সময় সিঁড়ির যে সমতলে পা রেখে ওঠানামা করা হয় তাকে ট্রেড বলে।
ধাপের লম্ব অংশ এবং যা ট্রেড কে সাপোর্ট প্রদান করে তাকে রাইজার বলে।
ট্রেড ১০" এবং রাইজার ৬"।

প্রশ্ন:-ACI কোড অনুযায়ী ট্রেড ও রাইজারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মান কত?

উত্তর:-আবাসিক দালানের সিঁড়ির রাইজারের পরিমান ১৫ সে.মি থেকে ১৮ সে.মি এবং ট্রেডের পরিমান ২৩ সে.মি থেকে ২৭ সে.মি রাখা হয়।
পাবলিক বিল্ডিং এ রাইজার ১৪ থেকে ১৫ সে.মি এবং ট্রেড ২৫ থেকে ৩০ সে.মি রাখা হয়।
...
প্রশ্ন:-আবাসিক দালানের জন্য সিঁড়ির ফ্লাইটের প্রস্থ ও হেডরুম এর ন্যুনতম পরিমাপ কত হওয়া উচিত?

উত্তর:- প্রস্থ ৯০ সে. মি বা ৩ ফুট এবং হেডরুম ২.১০ মি বা ৭ ফুট হওয়া উচিত।
...
প্রশ্ন:-বিভিন্ন প্রকার সিঁড়ির নাম লিখ।

উত্তর:- ১.একমুখী সি

26/06/2020

একটি বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ক্রমানুসারে
কাজের ধাপ:-

ইংরেজীতে একটা কথা আছে- “A stitch in time saves
nine” যাকে বলে সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়ের দশ ফোঁড়।
জীবনের চলার পথে মানুষকে প্রতিটি কাজ সঠিক সময়ে
সঠিক ক্রমানুসারে করতে হয়। না হলে পা পিছলে আছাড়
খাবার ভয় থাকে। সে রকম শুধু ইটের পর ইট গাঁথলে বাড়ি
তৈরী হয় না। এর জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের
কর্মকান্ড। কোনো কোনো কাজ শুরু হয় আরেকটি কাজ
শেষ হবার পর আবার কোনো কোনোটি আরেকটি কাজের
সাথে সমান্তরালে চলতে থাকে। কোন কাজ কখন শুরু
হবে তা নির্ধারণের জন্য আসলে একটি নির্মানক্রমের
প্রয়োজন হয়। এই নির্মানক্রম কে ইংরেজিতে
প্রকৌশলীরা ‘কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স’ বলে থাকেন।
বাড়ি তৈরীর নির্মানক্রম কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ।
২) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ।

এই দুই অংশ কে কয়েকটি ধাপে বা পর্যায়ে ভাগ করা
যেতে পারে:-

ক) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ:-
১- সরঞ্জাম সন্নিবেশ বা সাইট মোবিলাইজেশন।
২- ভূমি জরিপ ও ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা।
৩- আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, প্লাম্বিং এবং
ইলেকট্রিক্যাল নকশা চুড়ান্ত করা।
৪- ভবনের লে-আউট ও লেভেল দেয়া।
৫- পাইলিং করা (যদি প্রয়োজন হয়) ও মাটি কাটা।
৬- ফাউন্ডেশনের নিচে ব্লাইন্ড বা লীন কংক্রীট
ঢালাই ও ইটের সোলিং করা।
৭- ফাউন্ডেশন ঢালাই।
৮- কলাম ঢালাই।
৯- বীম ও ছাদ ঢালাই।
১০- মেঝেতে ইটের লে-আউট দেয়া।
১১- ইটের গাঁথুনী করা।

খ) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ:-
১- দরজার চৌকাঠ লাগানো।
২- জানালার গ্রীল লাগানো।
৩- বাথরূম ও কিচেন সহ ছাদের বাগানের স্যানিটারী ও
প্লাম্বিং এর সব ধরণের পাইপ ফিটিং করা।
৪- বৈদ্যুতিক সুইচবোর্ডের দেওয়ালের ভিতরের অংশ
লাগানো।
৫- ভিতরের প্লাষ্টার করা।
৬- বাইরের দিকের প্লাষ্টার করা।
৭- কিচেন ও বাথরূমের বেসিন বা সিঙ্কের স্ল্যাব
ঢালাই ও কনসিল অংশ লাগানো।
৮- থাই-এলুমিনিয়াম জানালা বা দরজা লাগানো (গ্লাস
সহ)।
৯- বাথরূম ও কিচেনের দেওয়ালের টাইলস লাগানো।
১০- সিলিং রং এর ১ম কোট দেয়া (সিলার বা পুটি সহ)।
১১- ঘরের ভিতরে বা বাইরে মেঝেতে ও সিড়িতে বা
লিফটের দেওয়ালে টাইলস বা মার্বেল লাগানো।
১২- বৈদ্যুতিক তার টানা।
১৩- বাইরের ও ভিতরের দেওয়ালের রং এর ১ম কোট
দেয়া।
১৪- দরজার পাল্লা ফিটিং করা।
১৫- বাথরূম ও কিচেনের ফিটিংস লাগানো।
১৬- বৈদ্যুতিক সুইচ বা সকেট লাগানো।
১৭- টাইলসের পয়েন্টিং করা।
১৮- ছাদের উপরের বাগানে মাটি ভরা ও সুইমিং পুলের
টাইলস লাগনো।
১৯- বেজমেন্ট বা ছাদের উপর পেটেন স্টোন করা।
২০- কাঠের বার্নিশ ও দেওয়ালের চুড়ান্ত রং করা।

16/06/2020

রাত যত গভীরতা হয়,
আল্লাহ তখন ১ম আসমানে
আসেন ও ডাকেন অভাগী,এতিম, অসহায় দের ✅আল্লাহ বলে আমি সব দিবো✅🙏

16/06/2020

গুরুত্বপূর্ণ সাল সমূহঃ

☞নোবেল চালু → ১৯০১
☞ফিফা গঠিত → ১৯০৪
☞বঙ্গভঙ্গ → ১৯০৫
☞বঙ্গভঙ্গ রদ → ১৯১১
☞টাইটানিক ধংস → ১৯১২
☞রবীন্দ্রনাথের নোবেল লাভ → ১৯১৩
☞১ম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় → ১৯১৪
☞রুশ বিপ্লব → ১৯১৭
☞১ম বিশ্বযুদ্ধ শেষ → ১৯১৮
☞২য় ভার্সাই চুক্তি → ১৯১৯
☞ম্যাগনাকার্টা → ১২১৫
☞উত্তর আমেরিকা আবিস্কার → ১৪৯২
☞শিল্প বিপ্লব → ১৭৬০
☞আমেরিকা মুক্ত → ১৭৭৬
☞১ম ভার্সাই চুক্তি → ১৭৮০
☞ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ → ১৮০০
☞ট্রাফালগার যুদ্ধ → ১৮০৫
☞ওয়াটার লুর যুদ্ধ → ১৮১৫
☞দাশ প্রথার বিলোপ → ১৮৬৩
☞আব্রাহাম লিংকন মারা যান → ১৮৬৫
☞সুয়েজ খাল খনন → ১৮৬৯
☞ফরাসি বিপ্লব → ১৭৮৯
☞দুই জার্মানী একত্রিত হয় → ১৯৯০
☞শিমন পেরেজ+ইয়াসির আরাফাত নোবেল পান → ১৯৯৩
☞নেলসন ম্যান্ডেলা প্রেসিডেন্ট হন → ১৯৯৪
☞সিটি বিটি সই হয় → ১৯৯৬
☞সিটি বিটি অনুমোদন → ২০০০
☞জাতিসংঘ নোবেল পায় → ২০০৭
☞দঃ সুদান স্বাধীন হয় → ২০১১
☞এপিজে আঃ কালাম মারা যান → ২০১৫
☞মোঃ আলী মারা যান → ২০১৬
☞ফিডেল কাস্ত্রো মারা যায় → ২৫ নভেম্বর,২০১৬
☞ঢাবি স্থাপিত → ১৯২১
☞হিটলার জার্মান চ্যান্সলর হন → ১৯৩৩
☞২য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু → ১৯৩৯
☞ছিয়াত্তরের মনবন্তর → ১১৭৬ (বাংলা)
☞২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ → ১৯৪৫
☞জাতিসংঘ → ১৯৪৫
☞দেশ বিভাগ → ১৯৪৭
☞আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ → ১৯৪৮
☞বিবিসি বাংলার যাত্রা → ১৯৪৯
☞এভারেস্ট বিজয় → ১৯৫৩
☞সুয়েজ খাল জাতীয়করন → ১৯৫৬
☞চাঁদে ১ম মানুষ যায় → ১৯৬৯
☞তাইওয়ান স্বাধীনতা হারায় → ১৯৭১
☞ইরানে ইসলামী বিপ্লব → ১৯৭৯
☞আঃ ছালাম ও মাদার তেরেসার নোবেল লাভ → ১৯৭৯
☞ফকল্যান্ড যুদ্ধ → ১৯৮২

16/06/2020

১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর প্রকল্পের নাম কী?
উত্তর : পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প।

২. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর : ৬.১৫ কিলোমিটার।

৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর প্রস্থ কত?
উত্তর : ৭২ ফুটের চার লেনের সড়ক।

৪. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে রেললাইন স্থাপন হবে কোথায়?
উত্তর : নিচ তলায়।

৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট কত কিলোমিটার?
উত্তর : ৩.১৮ কিলোমিটর।

৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক কত কিলোমিটার?
উত্তর : দুই প্রান্তে ১৪ কিলোমিটার।

৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসন হয়েছে কত কিলোমিটার?
উত্তর : দুই পাড়ে ১২ কিলোমিটর।

৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় কত?
উত্তর : মূল সেতুতে ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসন ব্যয় কত?
উত্তর : ৮ হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

১০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে জনবল কতজন?
উত্তর : প্রায় ৪ হাজার।

১১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট পিলার কয়টি?
উত্তর : ৮১টি।

১২. প্রশ্ন : পানির স্তর থেকে পদ্মা সেতুর উচ্চতা কত?
উত্তর : ৬০ ফুট।

১৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা কত?
উত্তর : ৩৮৩ ফুট।

১৪. প্রশ্ন : প্রতি পিলারের জন্য পাইলিং কয়টি?
উত্তর : ৬টি।

১৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর মোট পাইলিং সংখ্যা কত?
উত্তর : ২৬৪টি।

১৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে কবে?
উত্তর : ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে।

১৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে কী কী থাকবে?
উত্তর : গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অপটিক্যাল ফাইবার লাইন পরিবহন সুবিধা।

১৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ধরন কেমন?
উত্তর : দ্বিতলবিশিষ্ট এই সেতু কংক্রিট আর স্টিল দিয়ে নির্মিত হবে।

১৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর পিলার সংখ্যা কত?
উত্তর : ৪২টি।

২০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে চুক্তিবদ্ধ কোম্পানির নাম কী?
উত্তর : চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড।

12/06/2020

নতুন বিল্ডিং নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয়:
...................................................................................
১। যে কোন বিল্ডিং-এর নকশা তৈরি করার পূর্বেই স্ট্রাকচারাল নকশার বিধিগুলোর অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে সঠিক স্ট্রাকচারাল নকশা না হলে ভূমিকম্পরোধক বিল্ডিং হবে না।

২। বিল্ডিং ডিজাইনের আগেই অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটির গুনাগুণ বিশ্লেষণ ও মাটির ধারণক্ষমতা নির্ভুলভাবে নির্ণয়পূর্বক রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।

৩। বিল্ডিং নির্মাণের সময় অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের (সিভিল ইঞ্জিনিয়ার) তদারকি রাখতে হবে যাতে গুণগত মান ঠিক থাকে।

৪। সঠিক অনুপাতে গুনগতমানের সিমেন্ট, রড, বালির ব্যবহার হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। কংক্রিটের চাপ বহন ক্ষমতা কোনো অবস্থাতেই ৩০০০ পিএসআই-এর নিচে নামানো যাবেনা । তার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে নির্মানাধীন সাইটে দায়িত্বে নিয়োজিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে কিউব অথবা সিলিন্ডার টেস্ট করতে হবে। কংক্রিটের মিক্সাচারে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ঢালাইর পরে পানির ব্যবহার করে কংক্রিটের কিউরিং করতে হবে।

৫। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রড পরীক্ষাপুর্বক ব্যবহার করতে হবে। রডের বহন ক্ষমতা ৬০ হাজার পিএসআই-এর কাছাকাছি থাকতে হবে। স্ক্র্যাপ বা গার্বেজ থেকে প্রস্তুতকৃত রড ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে ।

৬। বিল্ডিং-এর প্ল্যান ও এলিভেশান দুই দিকই সামাঞ্জ্য থাকতে হবে।

৭। নির্ধারিত ডিজাইনের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ফ্লোর নির্মাণ করবেন না। বিল্ডিং কোড অনুসারে এক্সপানশান ফাঁক রাখতে হবে।

৮। বেশি পরিমান সরু ও উঁচু বিল্ডিং-এর পাশ হঠাৎ করে কমাবেন না। যদি কমাতে হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইনামিক বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

৯। বিল্ডিং-এর উচ্চতা যদি ভবনের প্রস্থের ৪ (চার) গুণের অধিক হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইমানশন বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

১০। সেটব্যাক বা হঠাৎ করে বিল্ডিং-এর পাশের মাপঝোপ কমানো যাবেনা। যদি কমাতেই হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ করে সাইট অ্যাফেক্ট জেনে ডিজাইন করতে হবে।

১১। জটিল কাঠামোগত প্লানের জন্য অবশ্যই ত্রিমাত্রিক ভূমিকম্প বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

১২। শেয়ার ওয়াল বা কংক্রিটের দেয়াল সঠিক স্থানে বসিয়ে ভূমিকম্পরোধ শক্তির পরিমাণ বাড়াতে হবে।

১৩। সাপ্রতিক সময়ে যে হারে বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, তা মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প হলেই ধ্বসে যাবে। সুতরাং বিম, কলাম ও স্ল্যাব বিশিষ্ট বিল্ডিং তৈরি করতে হবে।

১৪। দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারকে বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে বিল্ডিং-এর প্ল্যান/ ডিজাইন করে ভূমিকম্প রোধক বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে।

১৫। নিচের তলা পার্কিং-এর জন্য খালি রাখতে হলে, ঐ তলার পিলারগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করতে হবে। প্রয়োজনমতো কংক্রিটের দেওয়াল দিয়ে পিলারগুলোতে বেষ্টনীবদ্ধ করতে হবে।

১৬। বিল্ডিং-এর বিমের থেকে পিলারের শক্তি বেশি করে ডিজাইন করতে হবে। কমপক্ষে ২০% বেশি করতে হবে।

১৭। মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে যথাযথ ফাউন্ডেশন প্রকৌশলগতভাবে যাচাই বাছাই করে ডিজাইন করতে হবে।

১৮। ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়ালগুলো ভূমিকম্পের জন্য আদৌ নিরাপদ নয়। তাই এই দেয়ালগুলো ছিদ্রযুক্ত ইটের ভিতরে চিকন রড দিয়ে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে তৈরি করে লিন্টেলের সাথে যুক্ত করে দিতে হবে। সবদিকে লিন্টেল দিতে হবে। বিশেষ করে দরজা বা জানালার খোলা জায়গায় চিকন রড দিয়ে ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়াল যুক্ত করতে হবে।

১৯। মনে রাখতে হবে, নতুন বিল্ডিং নির্মাণে ভূমিকম্প-প্রতিরোধক নিয়মাবলি প্রয়োগ করলে, শুধুমাত্র ২-৩% নির্মাণ খরচ বৃদ্ধি পায়।

12/06/2020

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কি ? সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কি কি বিষয় নীয়ে কাজ করে ?
সংজ্ঞা:
ডিজাইন, কনস্ট্রাকশন এবং রক্ষণাবেক্ষন এর প্রকৌশলী বিজ্ঞান।
প্রকৌশল জ্ঞান এর মা বলা হয়। সবচেয়ে পুরান, বড় এবং সকল প্রকৌশল জ্ঞানের সমন্বয়।
এর ভাগগুলি নিচে দেয়া হলো:
1. মৃত্তিকা প্রকৌশল
2. স্ট্রাকচারাল প্রকৌশল
3. পরিবহন প্রকৌশল
4. পানি সম্পদ প্রকৌশল
5. পরিবেশ প্রকৌশল
6. ভুমিকম্প প্রকৌশল
7. নগর উন্নয়ন বা নকশা

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বা পুরকৌশলী কি করে থাকে?
পরিকল্পনা, ডিজাইন, গঠন এবং রক্ষনাবেক্ষন করার কাজ করের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জরিপের কাজ করে থাকে, প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন দেয়, এমনকি প্রকল্প ব্যবস্হাপক এর কাজও করে থাকে।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর
যেহেতু সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর বাড়ছে তাই এর অনেক শাখা বের হয়েছে। এদের উল্লেখযোগ্য হলক স্ট্রাকচারাল, জিওটেক , ট্রান্সপোর্টসন, হাইড্রলিক,এনভায়রনমেনটাল , ইত্যাদি ।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর গুরুত্ত্ব এবং প্রয়োগ
সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর গুরুত্ত্ব বাড়ছে। বর্তমানে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণ নিয়েও কাজ করে। তারা আগুনে ক্ষয় ক্ষতি যেন কম হয় সেই বিষয়েও কাজ করে। পুরাতন মিশর এর পিরামিড বা রাস্তা নির্মাণে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর ভূমিকা উল্ল্যেখযোগ্য অবদান ছিল। প্রকৌশল বিজ্ঞান এর মধ্যে সবচেয়ে পুরানো হলো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। পানি,বাতাস এবং মাটি পরিশোধনের বিভিন্ন উপায় নিয়েও সজাগ।
***সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রধান শাখাগুলি***
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রধাণ ৭ টি শাখা আছে নিচে এগুলো নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল
****স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং****
বাড়ি,হোটেল, পার্ক, ব্রীজ, বিল্ডিং ইত্যাদির উপরে নিজস্ব ভার বা বাইরের ভার প্রতিরোধ ক্ষমতা সহ বাতাস,পানি,ভুমিকম্প,তাপমাত্রা ইত্যাদির প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য সিমেন্ট,বালি,রি-ইনফোর্সমেন্ট,কাঠ, অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে সঠিক ডিজাইন করা হলো এই শাখার কাজ।
এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং****
পরিবেশ তথা বাতাস এবং পানির দুষণ রোধ, বিশুদ্ধকরণ ইত্যাদি করা এই শাখার কাজ। বর্তমানে এটি একটি গুরুত্বপুর্ন শাখা। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বর্জ্য, মল ইত্যাদি অপসারণ এবং বিশুদ্ধকরণ করা নিয়ে আলোচনা করা হয় এই শাখাতে।
****জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং****
প্রায় সকল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাতেই এটি কাজে লাগে। কারণ বেশির ভাগ স্ট্রাকচার ভুমির উপর অবস্থিত। মাটি বা পাথরের এর উপর স্ট্রাকচার এর প্রভাব এবং এদের বৈশিষ্ঠ্য নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি। ভুগর্ভের সিপেজ,ভুমিকম্পের প্রভাব, স্থিতিশিলতা ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাটি। বাধ, রিটেইনিং ওয়াল, ফাউন্ডেশন ইত্যাদির আংশিক ডিজাইন করা হয় এই শাখার মাধ্যমে।
****ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং****
পানি আমাদের জিবনে অনেক গুরুত্বপুর্ন এটা আমরা সবাই যেমন জানি, তেমনি এটাও ঠিক যে এটি অত্যান্ত্য সাধারণ একটি কথা। আবার এই পানি আমাদের মরণও ডেকে নিয়ে আসে। তাও আমরা জানি। পানি সম্পদ প্রকৌশল পানির ভৌত অবস্থা নিয়ে আলোচনা করে। বন্যা, শহরের-কারখানা-সেচ এর পানি সরবরাহ, নদি ভাঙ্গন রোধ, নদির শাষন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা এবং ডিজাইন করে থাকে। হাইড্রলিক পাওয়ার, বাধ, খাল, পানিধস ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি।
****ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং****
কোন সমাজের বৈশিষ্ঠ্য বা গুন এর যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে। কোন সমাজের উন্নয়ন অনেকটা প্রভাবিত হয় এই যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর। মানুষ, মালামাল ইত্যাদি পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে গবেষনা, ডিজাইন, সমস্যা, সমাধান নিয়ে কাজ করে ট্র্যান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং। অল্প রাস্তায় অধিক পরিবহন সুবিধা, দুর্ঘটনা কমানো, খরচ কমানো ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এই শাখাটি।
****কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং****
এই শাখাতে আলোচনা করা হয় যে কি ভাবে একটি কাঠামো গঠন করতে হবে। অর্থের ব্যবহার, সময়ের সংক্ষেপন, প্রয়োজনীয় মালামাল-যন্ত্রপাতি ইত্যাদির যোগান, কাঠামো গঠনের পদ্ধতি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করা হয় শাখাতে।
****আরবান এবং কম্যিনিটা প্লানিং****
নগরায়ণ এবং শহর পরিকল্পনা করা হয় মুলত একটি গোষ্ঠি নিয়ে কাজ করা। একটি গোষ্ঠি বা জোট এ কি কি লাগতে পারে এবং কিভাবে লাগাতে হবে তা নিয়ে গবেষণা করা হয় এই শাখাতে

12/06/2020

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কোথায় কাজ করেন?
অবগকাঠামোগত নির্মাণের যেকোন কাজ ও প্রকল্পের সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা যুক্ত থাকেন। যেমন:

ব্যক্তিগত বাড়ি নির্মাণ
আবাসন প্রকল্প
অফিস নির্মাণ প্রকল্প
বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প
সড়ক-মহাসড়ক নির্মাণ ও মেরামত প্রকল্প
রেলপথ নির্মাণ ও মেরামত প্রকল্প
সেতু নির্মাণ প্রকল্প
বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প
কলকারখানা নির্মাণ প্রকল্প
বন্দর নির্মাণ প্রকল্প
আমাদের দেশে সরকারি বহু প্রতিষ্ঠানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পদ রয়েছে। যেমন:

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)
সড়ক ও জনপথ বিভাগ
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের মতো প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষও বিভিন্ন প্রকল্পে নিয়মিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দিয়ে থাকে। এছাড়া, সামরিক বাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

বর্তমানে বহু নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করতে পারবেন। বিশেষ করে আবাসন বা রিয়েল এস্টেট খাতে এ পেশাজীবীদের চাহিদা লক্ষণীয়।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কী ধরনের কাজ করেন?
অবকাঠামো নির্মাণের জন্য পরিচালিত জরিপের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করা;
সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রকল্প পরিকল্পনা তৈরি করা;
প্রকল্পের বাজেট, ঝুঁকি, পরিবেশের উপর প্রভাব ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় খতিয়ে দেখা;
প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকারি অনুমোদনের দরকার হলে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া;
কম্পিউটার মডেল বানানো;
প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাঁচামালের খরচ, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় কর্মীসংখ্যার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানানো;
প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করা;
প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রীর মান নিশ্চিত করা;
প্রকল্প চলার সময় নির্মাণ সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ডের তদারকি করা;
প্রকল্পে নিযুক্ত কর্মীদেরকে উপযুক্ত নির্দেশনা দেয়া;
প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত অবহিত করা;
প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে কর্তৃপক্ষকে কারিগরি পরামর্শ দেয়া।
একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আপনার অবশ্যই বিএসসি ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীরা উপ-সহকারী ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারেন।

বয়সঃ প্রকল্পভেদে বয়সের সীমা নির্ধারিত হয়। সাধারণত আপনার বয়স কমপক্ষে ২২ বছর হতে হবে।

অভিজ্ঞতাঃ এ পেশায় অভিজ্ঞদের প্রাধান্য রয়েছে। বিশেষ করে বড় প্রকল্পগুলোতে কাজ করার জন্য অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেই।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?
এ পেশায় কাজ করতে হলে গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে ভালো জ্ঞান থাকা আবশ্যক। পাশাপাশি নকশা ও মডেলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ হতে হবে আপনাকে। যেমন:

AutoCAD
AutoCAD Civil 3D
Revit
InfraWorks
SAP 2000
ETABS
কারিগরি জ্ঞানের পাশাপাশি আরো কিছু দক্ষতা দরকার হবে আপনার। যেমন:

চিন্তাভাবনায় সৃজনশীলতা থাকা;
আঁকাআঁকির দক্ষতা;
বিশ্লেষণী ক্ষমতা;
খুঁটিনাটি বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারা;
প্রকল্প ব্যবস্থাপনা;
কর্মী ব্যবস্থাপনা;
আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কারিগরি সমস্যা সমাধানের দক্ষতা;
জরুরি অবস্থায় মানসিক চাপ সামলে সিদ্ধান্ত নিতে পারা।
কোথায় পড়বেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং?
বাংলাদেশের প্রায় সব সরকারি-বেসরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয়। পাশাপাশি ভোকেশনাল বা পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটগুলো থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি নেবার ব্যবস্থা রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট (IEB) অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়া শ্রেয়। এর কারণ হলো, কিছু কিছু জায়গায় আইইবির অনুমোদনহীন সার্টিফিকেটধারী ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগ পেতে সমস্যা হয়।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় কেমন?
প্রতিষ্ঠান ও কাজ ভেদে এন্ট্রি লেভেলে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় সাধারণত ৳২০,০০০ থেকে শুরু করে ৳৫০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে। সরকারি খাতে জাতীয় বেতন স্কেল অনুসরণ করে সাধারণত ৯ম জাতীয় গ্রেডে ৳৩২,০০০ স্কেলে নিয়োগ দেয়া হয়, যা পরবর্তীতে পদোন্নতির সাথে সাথে বেড়ে যায়।

চাকরির পাশাপাশি অনেক সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করে মাসে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করে থাকেন। তবে এর জন্য কারিগরি কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?
সরকারি-বেসরকারি প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে সহকারী ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে আপনার ক্যারিয়ার শুরু হবে। চাকরির ৩-৫ বছরের মধ্যে পদোন্নতি পাবেন। এ ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরকারি পদ হলো প্রধান প্রকৌশলী। প্রাইভেট ফার্ম বা কোম্পানির ক্ষেত্রে একজন ব্যবস্থাপনা নির্বাহী হিসাবে নিয়োগ পেতে পারেন।

বেসরকারি খাতে অনেকে কনসালট্যান্ট ফার্ম বা নির্মাণ প্রতিষ্ঠান তৈরি করে স্বাধীনভাবে কাজ করেন।

11/06/2020

ঢাকা হতে দেশের সব কয়টি জেলার দূরত্ব জেনে নিন।

১| নারায়ণগন্জ ------------ ১৭ কিঃমিঃ
২| মুন্সি গন্জ --------------- ২৭ কিঃমিঃ
৩| মানিক গন্জ -------------- ৬৪কিঃমিঃ
৪| গাজীপুর -------------------৩৭ কিঃমিঃ
৫| নরসিংদী ------------------৫২কিঃমিঃ
৬| ময়মনসিংহ ---------------১২২কিঃমিঃ
৭| কিশোর গন্জ ------------১০২ কিঃমিঃ
৮| নেত্রকোণা ---------------১৫৯কিঃমিঃ
৯| টাংগাইল -----------------৯৮কিঃমিঃ
১০| জামালপুর ---------------১৮৭ কিঃমিঃ
১১| শেরপুর --------------------২০৩ কিঃমিঃ
১২| ফরিদপুর -----------------১৪৫ কিঃমিঃ
১৩| মাদারীপুর -----------------২২০কিঃমিঃ
১৪| গোপালগন্জ ---------------২৩২ কিঃমিঃ
১৫| রাজবাড়ি----------------- ১৩৬কিঃমিঃ
১৬| শরিয়তপুর ---------------২৩৮ কিঃমিঃ
১৭| চট্টগ্রাম --------------------২৬৪ কিঃমিঃ
১৮| কক্সবাজার-------------- ৪১৪ কিঃমিঃ
১৯| নোয়াখালী ------------- ১৯১কিঃমিঃ
২০| লক্ষীপুর -----------------২১৬ কিঃমিঃ
২১| ফেনী -------------------১৫১ কিঃমিঃ
২২| কুমিল্লা -----------------৯৭ কিঃমিঃ
২৩| চাঁদপুর ----------------১৬৯ কিঃমিঃ
২৪| ব্রাক্ষণবাড়ীয়া------------১২৭ কিঃমিঃ
২৫| সিলেট------------------ ২৭৮কিঃমিঃ
২৬| সুনামগন্জ------------- ৩৪৬কিঃমিঃ
২৭| মৌলভীবাজার ----------- ২১৪কিঃমিঃ
২৮| হবিগন্জ--------------- ১৭৯কিঃমিঃ
২৯| রাংগামাটি---------------৩৪০কিঃমিঃ
৩০| খাগড়াছড়ি--------------২৭৫ কিঃমিঃ
৩১| বান্দরবান--------------৩৩৮ কিঃমিঃ
৩২| রাজশাহী---------------২৭২ কিঃমিঃ
৩৩| নওগাঁ----------------- ২৮৩কিঃমিঃ
৩৪| চাঁপাইনবাবগন্জ-------৩২০ কিঃমিঃ
৩৫| নাটোর---------------- ২২৩ কিঃমিঃ
৩৬| পাবনা--------------- ১৬১কিঃমিঃ
৩৭| সিরাজগন্জ------------ ১৪২ কিঃমিঃ
৩৮| বগুড়া--------------- ২২৮কিঃমিঃ
৩৯| জয়পুরহাট------------২৮০ কিঃমিঃ
৪০| রংপুর----------------- ৩৩৫ কিঃমিঃ
৪১| গাইবান্ধা---------------৩০১ কিঃমিঃ
৪২| কুড়িগ্রাম---------------৩৯৪কিঃমিঃ
৪৩| লালমনিরহাট----------৩৯০কিঃমিঃ
৪৪| দিনাজপুর--------------৪১৪ কিঃমিঃ
৪৫| নীলফামারী-----------৩৯৬কিঃমিঃ
৪৬| পঞ্চগড়---------------৪৯৪ কিঃমিঃ
৪৭| ঠাকুরগাঁও-------------৪৫৯ কিঃমিঃ
৪৮| খুলনা---------------- ৩৩৫ কিঃমিঃ
৪৯| বাগেরহাট ------------৩৭০ কিঃমিঃ
৫০| সাতক্ষীরা------------৩৪৩ কিঃমিঃ
৫১| যশোর----------------২৭৩ কিঃমিঃ
৫২| মাগুড়া---------------২০১ কিঃমিঃ
৫৩| নড়াইল-------------- ৩০৭কিঃমিঃ
৫৪| কুষ্টিয়া-----------------২৭৭কিঃমিঃ
৫৫| ঝিনাইদহ--------------২২৮ কিঃমিঃ
৫৬ |চুয়াডাংগা---------------২৬৭ কিঃমিঃ
৫৭| মেহেরপুর--------------- ২৯৬ কিঃমিঃ
৫৮| বরিশাল-----------------২৭৭ কিঃমিঃ
৫৯| ঝা্লকাটি----------------২৯০ কিঃমিঃ
৬০| পিরোজপুর--------------৩০৪ কিঃমিঃ
৬১| ভোলা-------------------৩১৭কিঃমিঃ
৬২| পটুয়াখালী---------------৩১৯ কিঃমিঃ
৬৩| বরগুনা------------------৩৬১ কিঃমিঃ

®®®®®®

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka