Bar professional Career Academy

Bar professional Career Academy

Share

#Online platform for law graduates who are highly dedicated to build up their career as an Advocate.

23/06/2024

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর প্রিলি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক ★অনলাইন প্রাইভেট ব্যাচ★ শুরু করতে যাচ্ছি।
আজকে থেকেই অনেকে জয়েন করবে ক্লাসে।

আগ্রহীরা নিন্মোক্ত প্রদত্ত ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করবেন।

★★ কোর্স আউটলাইন ও ক্লাস সিডিউল★★

(১) তামাদি আইন - ক্লাস- ৩ টি
(২) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন -ক্লাস- ৪ টি
(৩) দেওয়ানি কার্যবিধি - ক্লাস- ৮ টি
(৪) পেনাল কোড - ক্লাস- ৫ টি
(৫) ফৌজদারি কার্যবিধি - ক্লাস- ৮ টি
(৬) সাক্ষ্য আইন - ক্লাস - ৪ টি
(৭) বার কাউন্সিল অর্ডার - ক্লাস - ৩ টি
[মোট ক্লাস হবে - ৩৫ টি ]
★ক্লাস টাইম #শুক্রবার_সোমবার রাত (৯:৩০ - ১১:৩০)★
প্রতিটি কোর্স শেষে থাকবে বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট
সবগুলো কোর্স শেষ হওয়ার পরে থাকবে ৩০০ মার্কস এর ২ টি পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট ও ১ টি ফাইনাল মডেল টেস্ট।

ফাইনাল মডেল টেস্টে সর্বোচ্চ মার্কসধারী তৃতীয় স্থান পর্যন্ত অর্জনকারীদের দেয়া হবে প্রাইজ মানি।
★★★ প্রাইজ মানি★★★

প্রাইজ মানি- ১ম প্রথম স্থান অধিকারী- ১৫০০৳
২য় স্থান অধিকারী - ১০০০৳
তয় স্থান অধিকারী - ৫০০৳

★★★ কোর্স ফি - এককালীন পেমেন্ট- ৪৫০০৳
২ কিস্তিতে - ৫৫০০৳
★★★ পেমেন্ট মাধ্যম - বিকাশ/ নগদ - 01884497178
প্রয়োজনীয় কথা বলার জন্য মোবাইল করুন - 01331445215

★★ক্লাস মাধ্যম - Zoom Apps/ Secret Messenger Group/ What's App Group★★

এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যতটুকু ঠিক ততটুকু নোট করে পড়ানো হবে।

নিয়মিত ক্লাস এবং পড়াশোনা করলে অল্পদিনেই বার প্রিলি পাশ সুনিশ্চিত ইনশাআল্লাহ।

সিব্বির আহম্মেদ (সীমান্ত)
এ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা
এল এল বি (অনার্স) (ফার্স্ট ক্লাস),
এল এল এম (ফার্স্ট ক্লাস),
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

★বি: দ্র ঃ কোন প্রকার লেকচারশীট দেওয়া হবে না। নোট করে যা পড়ানো হবে এর মাঝেই সব কমন পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।

Photos from Bar professional Career Academy's post 18/02/2024

বার লিখিত পরীক্ষার্থীদের ভাইভার তারিখ ঘোষিত হয়েছে।। ভাইভা শুরু ২৬/২/২৪ তারিখ হতে । সবার জন্য রইল শুভকামনা।

15/02/2024

আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষা এখন আগের মতো নেই যেটা আমরা সবাই জানি। এইবার লিখিত পরীক্ষার অংশগ্রহণ করেছিলেন ১৩০০০ পরীক্ষার্থী তন্মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ২৫৩৯ জন। আর থার্ড এক্সামিনারে পেন্ডিং আছেন ৩৪৫ জন । বুঝতেই পারছেন আইনজীবী হওয়ার জন্য এখন আর গতানুগতিক পড়াশোনা করলে চলবে না।

আপনারা জানেন হয়তো, বিজ্ঞ আইনজীবীদের বলা হয় বিজ্ঞ কৌশুলী। অতএব, আইনজীবী হওয়ার জন্য আপনাদের পড়াশোনাটাও করতে হবে কৌশলে। যারা পরীক্ষার্থী ছিলেন তারা সবাই জানেন বিগত দুই সাল অর্থাৎ ২০২১, ২০২৩ এবং এইবারের অর্থাৎ ২০২৩ এর প্রিলিমিনারি এবং লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নগুলো গতানুগতিক কোন প্যাটার্নে ছিলো না। প্রফেশনাল স্ট্যান্ডার্ড রক্ষা করার জন্যই মূলত বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এমনভাবে প্রশ্ন প্যাটার্ন তৈরি করে পরীক্ষাগুলো নিচ্ছেন যেন কেবল যোগ্য ও দক্ষ ক্যান্ডিডেট প্রিলি, লিখিত এবং ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী পেশায় নিজেদের নাম লিখাতে পারে। অতএব পরীক্ষায় ভালো করতে হলে আপনাদেরকেও স্মার্ট ওয়েতে পড়াশোনা করার কোনো বিকল্প নেই ।

যেহেতু আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষা প্রতিবছর নেওয়ার জন্য মাননীয় অ্যাটর্নি জেনারেল, আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন স্যার কথা দিয়েছিলেন এবং সে মোতাবেক তিনি তার কথা রেখেছেন আমরা আশা করতে পারি এই বছরই আরেকটি নতুন সার্কুলার আসবে।

শীঘ্রই বারের প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রাইভেট ব্যাচ শুরু করবো। যারা কোর্টে নিয়মিত প্র্যাকটিস করেন শিক্ষানবিশ হিসেবে তারা চাইলে সরাসরি ক্লাস করতে পারবেন। যারা নিয়মিত কোর্ট প্র্যাকটিস করেন না, তারা অনলাইনে জুম এ্যাপস ডাউনলোড করে প্রাইভেট গ্রুপে যুক্ত হয়ে ক্লাস করতে পারবেন।

>>> আপনাদের সামর্থ্যের মধ্যেই কোর্স ফি সীমাবদ্ধ রাখা হবে। এইটা নিয়ে কোন চিন্তার কারন নাই।
>>> নোট করিয়ে ব্যাচে পড়ানো হবে।
>>> সপ্তাহে ৫ দিন পড়ানো হবে আপনাদের সুবিধা অনুযায়ী
>>> টেকনিক্যালি পড়ানো হবে
>>> ক্লাস শেষে প্রাইভেট গ্রুপে প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন এবং যার যতো ইচ্ছা প্রশ্ন করবেন সবাই উত্তর পাবেন
ইনশাআল্লাহ ।
>>> যারা চান নোট নিবেন তাদেরকে হ্যান্ড নোট সরবরাহ করা হবে কোনো ফি ব্যতীত।
>>> মোট ৩০ টি ক্লাস থাকবে
>>> মোট ১৪ টি মডেল টেস্ট ( পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট -০৭ টি)
এবং (বিষয়ভিত্তিক - ০৭ টি)
অর্থাৎ ০৩ মাসের মধ্যেই ইনশাআল্লাহ আপনার টোটাল কোর্স সম্পন্ন হয়ে যাবে।

****** আপনাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে
২ দুই ধাপে কোর্স ফি - ৪০০০৳। দুই ধাপে পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে ১ম মাসে ২০০০৳ এবং ২য় মাসে ২০০০৳।

এককালীন পেমেন্ট - ৩০০০৳ *****

আপনারা যারা আগ্রহী তারা কমেন্ট সেকশনে অথবা ফোন কলে যোগাযোগ করুন। আপনাদের জন্য কয়েকটি ফ্রী সেশন থাকবে সেই সেশনে আমি অনলাইনে ক্লাস নিবো। ভালো লাগলে এডমিশন নিবেন, সেই ক্ষেত্রে যাদের বিশেষ ছাড় লাগবে তারা আমাকে পার্সোনালি জানাবেন আমি তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করে দিবো ইনশাআল্লাহ।

আপনাদের জন্য রইলো শুভকামনা । আল্লাহ আপনাদের উত্তম রিজিক দান করুন ।

আপনাদের স্বপ্ন পূরণে সাথে আছি,

SIBBIR AHMMED SHIMANTO
Advocate
District & Session Judge Court, Dhaka
LL.B (Hon's), (First Class), Jagannath University
LL.M, ( First Class), Jagannath University

যোগাযোগ :
চেম্বার : #রুম- ২০৩, প্রথম ফ্লোর, রহমান ম্যানশন (এক্সটেনশন), ২৩/১, কোর্ট হাউজ স্ট্রিট, কোতোয়ালি, ঢাকা ১১০০।
ফোন কল : 01331445215

Photos from Bar professional Career Academy's post 15/02/2024
Photos from Bar professional Career Academy's post 15/02/2024

আইনজীবী তালিকাভুক্তি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।

যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা ভাইবার জন্য নিয়মিত আইনের বেসিক বিষয়গুলো পড়ুন। বিশ্বাস করুন অনেক গভীর কোন কিছু পড়তে হবে না, শুধুমাত্র আইনের বেসিক বিষয়গুলো নিয়ে যেগুলো প্রিলির জন্য আপনারা পড়েছিলেন সেগুলোই একটু চোখ বুলান নিয়মিত । ইনশাআল্লাহ ভাইভাতে পাস করে নিজেকে বিজয়ী করবেন ইনশাআল্লাহ।

যারা ভাবছেন যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন মানেই অ্যাডভোকেট হয়ে গিয়েছেন, ভাইভাতে তাদেরকে পাশ করাবে। কোন প্রশ্নের উত্তর না পারলেও পাস করাবে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনায় এনে তারা ভুল করবেন। সফল না হওয়া পর্যন্ত নিজেকে পড়াশুনায় মনোযোগী রাখুন।

যারা অকৃতকার্য হয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলবো আপনারা হতাশ হবেন না। ধৈর্য ধরুন। আরো শক্তভাবে ধৈর্য ধরুন। নিশ্চয় আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী। আপনাদের জন্য পরবর্তীতে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে। হতাশ হয়ে নিজেকে গুটিয়ে ফেলে নিজের গন্তব্য থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখে মূলত কোন বুদ্ধিমান এর কাজ হবে না। আল্লাহর নামে নতুন করে শুরু করুন। প্রবাদে আছে "Failure is the pillar of success" আজকে আপনি ব্যর্থ হয়েছেন পরবর্তীতে সফল হওয়ার জন্যই। অতএব নিজেকে সুস্থ রাখুন, পরিকল্পনামাফিক এগিয়ে যান। যাদের স্বপ্ন আইনজীবী হবেন তা বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য নিয়মিত পড়াশোনা করুন। অল্প পড়ুন। গুছিয়ে পড়ুন। প্রয়োজনে নোট করে পড়ুন। পড়াশোনার দিক থেকে একটু কৌশুলী হওয়ার চেষ্টা করুন। আল্লাহর রহমতে আপনি পরবর্তীতে নিশ্চয়ই বিজয়ী হবেন। হতাশা শুধুমাত্র নিজেকে নিয়ে যায় অন্ধকারের দিকে। আপনারা নিশ্চয়ই ভালো পড়াশোনা করেছেন, হয়তো আপনাদের সময়টা খারাপ ছিলো । নিজের ব্যর্থতা গুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। দয়া করে সফলতা ধরা না দেয়া পর্যন্ত সময় করে অল্প হলেও নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যান । আপনি পারবেন, অবশ্যই পারবেন এবং আপনার দ্বারাই সম্ভব। আল্লাহ আপনাদের উত্তম রিজিক দান করুন।

28/12/2023

বাণিজ্যিক ব্যাংকের নামের শেষে ‘পিএলসি’ কেন?

উত্তরঃ
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক কোম্পানিগুলোর নাম আংশিক পরিবর্তন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর ০৪ জারি করে বাংলাদেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়। ঐ সার্কুলারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ১১ ক (ক) ধারার বিধান অনুসারে, বাংলাদেশে নিবন্ধিত সীমিতদায়(লিমিটেড) পাবলিক ব্যাংক কোম্পানির নামের শেষে ‘পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি’ বা ‘পিএলসি’ লিখতে হবে। খুব সহজ করে বললে যেসব ব্যাংকের নামের শেষে ‘লিমিটেড’ শব্দটি আছে, ঐসব ব্যাংক ‘লিমিটেড’ শব্দটি বাদ দিয়ে নামের শেষে ‘পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি’ বা সংক্ষেপে ‘পিএলসি’ লিখবে।

কোম্পানি আইনের উপরি উক্ত বিধান পরিপালন করতে ব্যাংক কোম্পানির নাম ও মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন বা সংঘস্মারক পরিবর্তন করতে হবে। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আইনানুগ আনুষ্ঠানিকতা সম্পাদনের জন্য বিআরপিডি সার্কুলারে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কোম্পানিগুলোকে প্রাধিকার প্রদান করা হয়েছে।

মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিকে সংক্ষেপে পিএলসি এবং প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিকে এলটিডি দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। এই দুই ধরনের প্রতিষ্ঠানের মৌলিক পার্থক্য হলো প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার সহজে হস্তান্তরযোগ্য নয়, ব্যক্তিগতভাবে তা ক্রয়-বিক্রয় হতে পারে সাধারণ মানুষ এর শেয়ার ধারণ করতে পারে না যার সর্বোচ্চ শেয়ারহোল্ডার থাকবে ৫০ জন। অন্যদিকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার সহজে ক্রয়-বিক্রয় করা যায় এবং সাধারণ মানুষ অতি সহজে এর শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে যার শেয়ারহোল্ডার পঞ্চাশের বেশী হবে (আনলিমিটেড)। আমাদের দেশের বেশির ভাগ ব্যাংক তাদের নামের শেষে লিমিটেড শব্দটি ব্যবহার করে। লিমিটেডকে অনেক সময় এলটিডি দিয়ে প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ এটি প্রাইভেট কোম্পানি। বিশেষজ্ঞগণ তাই মনে করেন আমাদের দেশের ব্যাংকের নামের সঙ্গে লিমিটেড শব্দ ব্যবহার বহুল প্রচলিত একটি ভুল।

পিএলসি বলতে বৃহৎ পরিসর এবং এলটিডি বা লিমিটেড বলতে স্বল্প পরিসর বোঝায়। ব্যাংক এর ক্ষেত্রে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি(পিএলসি) বলতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানকে বুঝায় না, বরং পিএলসি যুক্ত ব্যাংক বলতে বৃহৎ পরিসরের এবং বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার নিয়ন্ত্রিত একটি ব্যাংককে বুঝায় যেখানে অতি সহজে শেয়ার মার্কেট থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মালিকানা শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। এটি হতে পারে সরকারি বা বেসরকারি। উল্লেখ্য, পিএলসি যুক্ত ব্যাংকের মধ্যে যাদের ৫১% শেয়ার সরকারের মালিকানায় থাকবে তারা সরকার নিয়ন্ত্রিত বা সরকারি ব্যাংক।

বিশ্বের অনেক দেশের ব্যাংকের নামের শেষে সংশ্লিষ্ট দেশের নিজস্ব ভাষায় অথবা ইংরেজিতে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি লেখা হয়। যেমন জার্মানির ব্যাংকের নামের শেষে জিএমবিএইচ (GmbH) লেখা হয় যার জার্মানি ভাষায় অর্থ হচ্ছে ‘Gesellschaft mit beschränkter Haftung’ বা ইংরেজিতে ‘Company with Limited Liability.’ সিঙ্গাপুরের ব্যাংকগুলোর নামের শেষে LLC অর্থাৎ ‘Limited Liability Company’ বা ‘Company with Limited Liabilit’ উল্লেখ করা হয়। মালয়েশিয়ান ব্যাংকগুলোর নামের শেষে Berhad (BHD) যার অর্থ private limited company উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে তপশিলি ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৬১টি। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে ছয়টি রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক, তিনটি বিশেষায়িত ব্যাংক, ৪৩টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক। কোম্পানি আইনের এই নতুন বিধান পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে নিবন্ধিত সব সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং আবশ্যিকভাবে এসকল ব্যাংকের শেয়ার অনুমোদিত শেয়ার মার্কেটে ক্রয়-বিক্রয় হতে হবে।

আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণেই ব্যাংক কোম্পানির নাম পরিবর্তন আবশ্যক হয়ে পড়েছে। কোম্পানি আইন, ২০২০ জারির মাধ্যমে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধন ও কয়েকটি নতুন ধারা সংযোজন করা হয়েছে। ‘লিমিটেড কোম্পানি শনাক্তকরণ’ সংক্রান্ত একটি নতুন ধারা যোগ করা হয়েছে (ধারা ১১ ক)। ঐ ধারার বিধান মোতাবেক সীমিতদায় পাবলিক কোম্পানির ক্ষেত্রে কোম্পানির নামের শেষে ‘পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি’ বা ইংরেজিতে ‘পিএলসি’ লিখতে হবে [ধারা ১১ ক (ক)]। ‘পিএলসি’ হচ্ছে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির সংক্ষিপ্ত রূপ। অন্যদিকে, ১১ ক (খ) ধারায় বলা হয়েছে, সীমিতদায় প্রাইভেট কোম্পানির ক্ষেত্রে কোম্পানির নামের শেষে ‘সীমিতদায়’ বা ইংরেজিতে ‘এলটিডি’ লিখতে হবে। আর এক ব্যক্তি কোম্পানির ক্ষেত্রে কোম্পানির নামের শেষে ‘এক ব্যক্তি কোম্পানি’ বা ইংরেজিতে ‘ওয়ান পারসন কোম্পানি’ বা সংক্ষেপে, ‘ওপিসি’ লেখার বিধান কোম্পানি আইনে সংযোজন করা হয়েছে [ধারা ১১ ক (গ)]। এক ব্যক্তি কোম্পানি গঠন, নিবন্ধন ও পরিচালনা সংক্রান্ত একটি নতুন খণ্ড (দশম-ক) কোম্পানি আইনে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

কোম্পানি আইনের বিধান অনুসারে, কোনো কোম্পানি বিশেষ সিদ্ধান্তক্রমে কোম্পানির নাম পরিবর্তন করতে পারে। তবে নাম পরিবর্তনের বিষয়ে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধকের (আরজেএসসি) অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে নিজ নিজ ব্যাংকের বিশেষ সাধারণ সভায় ব্যাংক কোম্পানির নাম পরিবর্তন ও তদনুযায়ী সংঘস্মারকে নাম পরিবর্তনের বিষয়ে বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে; বিশেষ সিদ্ধান্তের অনুলিপি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তিপত্রসহ আরজেএসসি বরাবর আবেদন করতে হবে। কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ধারা ১১ (৭) মোতাবেক আরজেএসসি নিবন্ধন বইয়ে কোম্পানির নতুন নাম লিপিবদ্ধ করবেন এবং পরিবর্তিত নামে সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন বা নিবন্ধনপত্র ইস্যু করবেন। সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন প্রদানের পর কোম্পানির নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সমাপ্ত হবে।

বাস্তবতা হচ্ছে—ব্যাংকের নামের শেষে পিএলসি যুক্ত করার ফলে নতুনভাবে একটি ব্যাংকের সুমান বৃদ্ধি বা হ্রাস, উন্নত বা অনুন্নত প্রকাশ পায়

লেখক : KSM Noman ভাই ।

20/09/2023

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের পদায়ন ও ক্ষমতা :

জুডিশিয়াল সার্ভিস সম্পর্কিত ধারনা:

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসটি এখন সাংবিধানিকভাবে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন ১লা নভেম্বর ২০০৭ থেকে যা লিডিং কেইস মাসদার হোসেন মামলার রায়ের মাধ্যমে আপিল বিভাগ কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত । জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য এখন রয়েছে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) । জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রতিটি সদস্য নিয়োগ পান সহকারী জজ হিসেবে , যা ১০০ মার্কস এর প্রিলি , ১০০০ মার্কস এর রিটেন এবং ১০০ মার্কাস এর ভাইভা পরীক্ষার প্রতিটি ধাপে উত্তীর্ন হয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত
হতে হয় ‌। ১লা নভেম্বর ২০০৭ এর পূর্বে যা বিসিএস (বিচার) পরীক্ষা দিয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত হতে হতো ।

বিশ্লেষিত আইন : The Code of Criminal Procedure, 1898 (CrPC), The Code of Civil Procedure (CPC)ও The Civil Courts Act, 1881 (CCA)

নিম্নোক্ত আলোচনা এই আইনের কতিপয় ধারার বিশ্লেষন ।

আদালত মূলত ২ ধরণের......
১. দেওয়ানি আদালত(Civil Court)
২. ফৌজদারি আদালত(Criminal Court)

দেওয়ানি(Civil) আদালতের বিচারকদের পদক্রম (ধারা -৩ CCA)

(১) সহকারী জজ(Assistant Judge)
(২) সিনিয়র সহকারী জজ(Senior Assistant Judge)
(৩) যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge)
(৪) অতিরিক্ত জেলা জজ (Additional District Judge)
(৫) জেলা জজ (District Judge)

@@@ ফৌজদারি(Criminal) আদালত ২ ধরণের (ধারা - ৬, CrPC)

➡️দায়রা আদালত(Court of Sessions) ও
➡️ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ( Court of Magistrates)

দায়রা আদালতের পদক্রম ও প্রকারভেদ
৩ প্রকার --- (ধারা -৯, CrPC)
১. দায়রা জজ
২. অতিরিক্ত দায়রা জজ
৩. যুগ্ম দায়রা জজ

@ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আবার ২ প্রকার

১. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) , যারা সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ মোতাবেক রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণয়নকৃত বিধি অনুযায়ী বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে নিয়োজিত আছেন এমন সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগের
পান । (ধারা - ৬ ও ১১(১), CrPC)

২. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Executive Magistrate) , যারা সরকার কর্তৃক বিসিএস ( প্রশাসন) এ নিয়োজিত আছেন তাদের মধ্য থেকে । ( ধারা- ৬ ও ১০(৫), CrPC)

@জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের পদক্রম ও প্রকারভেদ

- ৪ প্রকার (ধারা -৬ CrPC)

১. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট >অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (জেলার এখতিয়ারে)

চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট > অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (মহানগর এলাকার এখতিয়ারে)>

২. প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (জেলার এখতিয়ারে মূলত এই পদের নাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (মহানগর এলাকার এখতিয়ারে)>

৩. দ্বিতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (শুধু জেলার এখতিয়ারে, প্র্যাকটিসে এই পদের নাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট)>

৪. তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ( শুধু জেলার এখতিয়ারে, প্র্যাকটিসে তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বলে কোন ম্যাজিস্ট্রেশিয়াল পদ নাই)

(চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুধু মহানগর এলাকায় আলাদাভাবে রয়েছে যারা প্রত্যেকেই প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট , যদিও আলাদাভাবে CrPc আইনে ইনারা যে প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার উল্লেখ নেই কিন্তু CrPC আইন ব্যাখ্যা করলে তা সহজে বোঝা যায়)

উপরোক্ত ১-৪ পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সবাই জুডিশিয়াল(বিচারিক) ম্যাজিস্ট্রেট ।

@@@ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সাথে দায়রা আদালতের ক্ষমতার পার্থক্য:-

➡️ম্যাজিস্ট্রেট আদালত :
ধারা-32 , CrPC অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত উপরোক্ত সকল প্রকারের প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটদের বিচারিক দন্ড দেয়ার ক্ষমতা সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং নির্জন কারাবাস ।

২য় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের বিচারিক দন্ড দেয়ার ক্ষমতা সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, ৫,০০০ টাটা অর্থদণ্ড এবং নির্জন কারাবাস।

৩য় শ্রেনীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের বিচারিক দন্ড দেয়ার ক্ষমতা সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২,০০০ টাকা অর্থদণ্ড।

➡️দায়রা আদালত :

∆যুগ্ম দায়রা জজ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও যেকোনো পরিমাণ জরিমানা করতে পারে।
∆অতিরিক্ত দায়রা জজ ও
∆দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ডসহ যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারে।

এখন, অপরাধ যত বড়ই হোক না কেন সকল মামলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেই দায়ের করতে হয়(থানা যদি মামলা না নেয়)। ম্যাজিস্ট্রেট আসামীদের হাজির করে ক্ষমতা থাকলে নিজেই বিচার করতে পারে, না থাকলে যে আদালত ক্ষমতাসম্পন্ন সেই আদালতে বিচারের জন্য পাঠায়।

ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচারের জন্য নথি দায়রা আদালতে পাঠালেই কেবল সেই সব মামলার বিচার দায়রা আদালত করতে পারবেন এছাড়া সেসব মামলার বিচার করার জন্য আমলে নেওয়ার ক্ষমতা দায়রা আদালতের নেই । ( ধারা- ১৯৩, CrPC)

@@@ দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা:

দেওয়ানি আদালত মূলত জমি-জমা, সম্পত্তি, টাকা, পদ বা অফিস, আইনগত পরিচয় ইত্যাদি বিষয়ের মামলা বিচার করে।
ধারা- ৯, CPC অনুযায়ী পদ/অফিস ও সম্পত্তির অধিকারের সাথে জড়িত প্রশ্নে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তাকেই বলে দেওয়ানি মোকদ্দমা।

(১) সহকারী জজ ১৫ লাখ টাকা মূল্যের সম্পত্তি বিষয়ক মামলা, এবং পারিবারিক মামলার বিচার করেন।

(২) সিনিয়র সহকারী জজ ২৫ লাখ টাকা এবং

২৫ লাখ টাকার অধিক সম্পত্তির মূল্যের মামলা , যুগ্ম জেলা জজ বিচার করতে পারেন। অতিরিক্ত জেলা জজ ও জেলা জজ আপিল ও রিভিশন মামলার বিচার করে থাকেন সাধারণ তবুও যেকোনো মূল্যের মামলার বিচার করার ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ ও জেলা জজের আছে ।

**** উপরের দেওয়ানি আদালতের বিচারকগণের সাথে ফৌজদারী আদালতের বিচারকগণ পদমর্যাদায় কে কার সমমান?
১.সহকারী জজ = জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

২.সিনিয়র সহকারী জজ = সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট = ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

৩. যুগ্ম জেলা জজ = যুগ্ম দায়রা জজ। =
অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট = অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

৪. অতিরিক্ত জেলা জজ = অতিরিক্ত দায়রা জজ =
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট = চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

৫. জেলা জজ = দায়রা জজ

# # # ডুয়াল ক্ষমতা একসাথে চর্চা করেন :

যুগ্ম, অতিরিক্ত ও জেলা জজেরা একই সাথে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত হিসেবে বিচার করতে পারে। দেওয়ানি ও ফৌজদারি ক্ষমতার সংমিশ্রণে একই ব্যক্তির পদের নাম তখন হয়-
•••যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ
(Joint District and Sessions Judge)
•••অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ
(Additional District and Sessions Judge)
•••জেলা ও দায়রা জজ
(District and Sessions Judge)

মজার ব্যাপার হলো অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যথাক্রমে যুগ্ম দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ পদমর্যাদার হলেও তারা কেবল ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাই প্রয়োগ করতে পারে । ( সেই ক্ষেত্রে ৫ বছর জেল দিতে পারে যা ধারা ৩২, CrPC অনুযায়ী সাধারণ দন্ড দেয়ার ক্ষমতা আর সরকার কর্তৃক ২৯গ ধারায় বিশেষ ভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত জেল দিতে পারে। আর অর্থদন্ড as usual ধারা- ৩২ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা করতে পারে ।

জেলার প্রধান বিচারক হচ্ছেন "জেলা ও দায়রা জজ।" একটি জেলায় অবস্থিত সকল ম্যাজিস্ট্রেট ও জজগণ প্রশাসনিকভাবে "জেলা ও দায়রা জজ"-এর অধীনস্থ থাকেন।

@@@ বিশেষ আদালত:
প্রচলিত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতের পাশাপাশি বিশেষ ধরনের মামলা পরিচালনার জন্য বিভিন্ন বিশেষ আইনের অধীনে গঠিত ট্রাইবুনাল বা আদালতের বিচারকগণ সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের দ্বারা বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে নিয়োজিত বিচারকগণের মধ্য হতে উক্ত বিশেষ আইনের বিশেষ বিধান অনুযায়ী নিয়োগ প্রাপ্ত হোন ও উক্ত বিশেষ আইনে বর্ণিত ক্ষমতা ব্যবহার করেন ।

লেখক :
এ্যাডভোকেট
সিব্বির আহম্মেদ সীমান্ত
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা ।

21/08/2023

এ্যাডভোকেটশিপ পরীক্ষার প্রস্তুতি মূলক প্রশ্ন :

ম্যাজিস্ট্রেট আদালত -----------
ক. খালাসের আদেশ দান করেন
খ. খালাসের রায় ঘোষণা করেন
গ. খালাসের আদেশ ও রায় ঘোষণা করেন
ঘ. শুধু রায় ঘোষণার মাধ্যমে খালাস প্রদান করেন

সঠিক উত্তর কমেন্টে জানান ।

নিয়মিত এই পেইজে যুক্ত থাকুন বার প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কুইজের উত্তর জানতে ।

এ্যাডভোকেট সিব্বির আহম্মেদ সীমান্ত
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা

12/08/2023

To whom it may concern!

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00