18/07/2025
আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করবার তাওফীক দান করুক।
আ'মিন
Only Quran And Sunnah should be our main guidebook
18/07/2025
আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করবার তাওফীক দান করুক।
আ'মিন
19/06/2025
স্বামীর প্রতি আনুগত্যের লেভেল কেমন হওয়া উচিত এই হাদিস গুলো দেখলেই অনেকটা বোঝা যায়।
স্বামীর প্রতিটি বৈধ আদেশ মান্য করা স্ত্রীর জন্য ফরজ
18/06/2025
হারামের সাথে বসবাস করতে করতে ইদানীং আমাদের ভয়ংকর হারাম বিষয়কেও অতি তুচ্ছ মনে হয়।
কথা:সংগৃহীত।
15/06/2025
বন্ধুরা সেই দিন (মহাবিচার দিবসে) হয়ে পড়বে একে অপরের শত্রু, তবে মুমিনরা ব্যতীত। [সূরা আয-যুখরুফ: ৬৭]
বন্ধুত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে মনীষীদেরও দিকনির্দেশনা রয়েছে, ইমাম গাজ্জালি (রহ.) কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হলে তিনটি গুণের দিকে লক্ষ রাখার কথা বলেছেন—১. নেককার ও পুণ্যবান, ২. চরিত্রবান, ৩. জ্ঞানী ও বিচক্ষণ।
হজরত ইমাম জয়নুল আবেদিন তাঁর ছেলে ইমাম মুহাম্মদ আল-বাকিকে উপদেশ দিতে গিয়ে পাঁচ ধরনের মানুষের সঙ্গে বন্ধু নির্বাচন করতে নিষেধ করেছেন—
১. মিথ্যাবাদী, ২. পাপী, ৩. কৃপণ, ৪. বোকা ও আর ৫. যারা স্বজনদের সঙ্গে প্রতারণা করে।
আমাদের প্রত্যেকেরই বন্ধুত্ব করতে হবে পরকালের কল্যাণে মহান আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার নিমিত্তেই। তাই পরকালের কল্যাণের জন্য এই দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ বন্ধু নির্বাচন করতে হবে পরিপূর্ণ ঈমানদার দেখে। এ ব্যাপারে কোরআনের নির্দেশ এসেছে,
তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ তাঁর রসূল এবং মুমিনবৃন্দ- যারা নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং বিনম্র। [৫:৫৫]
14/06/2025
হাশরে মহান আল্লাহ যাদের দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না এবং তাদেরকে গুনাহ হতে পবিত্রও করবেন না!
09/06/2025
দুনিয়ার অধিকাংশ মানুষ গতানুগতিক চলে। ভেড়ার মতো চলে। সকালে উঠে, রাত্রে ঘুমায়। খায়-দায়, বাজার করে। কেন বেঁচে আছি তাও বোঝেনা, কেন ম*রে গেলো তাও বোঝেনা!
— ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহি.)
06/06/2025
বই: চোখের গুনাহ
06/06/2025
আসসালামু আ'লাইকুম
গতকাল পেইজ থেকে একটি পোস্ট করা হয়েছিলো এই মর্মে যে- বৃহস্পতিবার হলো আরাফার দিন
তাই এই দিন যেনো সবাই সিয়াম রাখি
আসলে এখানে একটু ভুল হয়েছে। তাড়াহুড়োতে খেয়াল করা হয়নি। বৃহস্পতিবার ছিলো ৮ই জিলহজ্জ
আরাফার সিয়াম কোন তারিখে রাখতে হবে এই নিয়ে ইখতেলাফ রয়েছে। আমরা ব্যক্তিগতভাবে কমেন্টে দেওয়া মতকে দলিলের বিচারে,আকলের বিচারে অধিক শক্তিশালী মনে করি।
(👉👉কমেন্টে লিংক দেওয়া আছে)
আরাফার সিয়াম রাখতে হবে ৯ই জিলহজ্জ তারিখে ( যার যার দেশের/অঞ্চলের সময়ানুযায়ী)
সে হিসেবে আমরা বংগদেশে যারা আছি তাদের উচিত আজ শুক্রবার আরাফার সিয়াম রাখা এবং বেশি বেশি দুআ' করা
বৃহস্পতিবার যারা রেখেছেন, সমস্যা নেই। কারন জিলহজজের ৯ দিন এমনিতেই নফল সিয়াম সহ যেকোনা নেক আমল বেশি বেশি করার জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
আর যেহেতু জিলহজ্জের প্রথম দশদিন শেষের পথে
আজই শেষ দিন। আগামীকাল ঈদ। তাই আসুন আজ বেশি বেশি নেক আমল,নফল সালাত,দুআ' করি সবাই।
আজ যেহেতু আরাফার দিন।
তাই আসুন বেশি বেশি দুআ' করি।
04/06/2025
▌আগামীকাল বৃহস্পতিবার আরাফার দিন।
▌আসুন আগামীকাল সিয়াম(রোজা) রাখি।
👉👉 আজ রাতেই সাহরি খেতে হবে।
__________________________________
ইয়াউমুন নাহর আগে থেকেই দশ যিলহজ্জ ছিল। পরবর্তীতে ওইদিনে কুরবানী হওয়ার কারণে তার নাম হয়েছে নাহরের দিন।
ইয়াউমুত তালবিয়া আগে থেকেই ৮ জিলহজ্জ ছিল। হাজীদের তালবিয়ার কারণে নাম হয়েছে তালবিয়ার দিন।
আরাফার দিন আগে থেকেই ৯ যিলহজ্জ ছিল।
আরাফার মাঠে অবস্থানের কারণে সেই দিনকে আরাফার দিন বলা হয়।
যেমন আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস মানে ২১ ফেব্রুয়ারী। দিনটা আগে থেকেই ২১ ফেব্রুয়ারী ছিল পরে কোন কারণে দিনটার নাম হয়েছে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস।
আল্লাহর রাসূল আরাফার দিন বলেছেন আরাফার মাঠ বলেননি। আর দিন মানেই সময় বা তারিখ স্থান বা মাঠ নয়। তথা ফজিলত আরাফার দিনের আরাফার মাঠের নয়। আর ওই দিনটা আগে থেকেই নয় যিলহজ্জ ছিল। কোন বছর হজ্জ বন্ধ থাকলেও সেটা নয় যিলহজ্জ থাকবে।
নয় যিলহজ্জ বাদে অন্য দিনে আরফায় গেলে কোনো ফজিলত পাওয়া যাবে কি? হজ্জ হবে কি? হবেনা। তাহলে বুঝা গেল ফজিলতটা মূলত নয় যিলহজ্জ তারিখের। ওই দিনে আমাকে আরাফার মাঠে যেতে হয় এটা হাজীর একটা কাজ মাত্র। যখনি দিনের ফজিলত সাবিত হয়ে যাবে তখন অন্যান্য দিনের মত এটাও নিজ দেশের সাথে দিনে করলে পূর্ণ ফজিলত পাওয়া যাবে।
আর ৮ যিলহজ্জ সিয়াম রাখলে বুঝা যায় এটা আরাফার দিনের সিয়াম নয় আরাফার মাঠের সিয়াম। ভাবে মনে হবে, যেকোন দিন আরাফার মাঠে হাজীরা গেলে আরাফা হয়ে যাবে। কিন্তু আসলে এখানে মাঠের কোন ফজিলত নাই। ফজিলত সবটুকু দিনের। সেই দিনে হাজীদেরকে আরাফার মাঠে যেতে হয় সেটা তাদের জন্য খাস একটা কাজ। সেটার সাথে সিয়াম পালনকারীর আদতে কোন সম্পর্কই নাই।
কোনো মাঠে উপস্থিত না হয়ে সিয়াম রেখে কিভাবে সেই মাঠের ফজিলত পাওয়া যেতে পারে। সিয়াম রেখে দিনের ফজিলত পাওয়া যেতে পারে। ওই তারিখের ফজিলত পাওয়া যেতে পারে। মাঠের ফজিলত পেতে হলে মাঠে যেতে হবে। আর মাঠের যেহেতু আলাদা কোন ফজিলত সাবিত নাই।
সেহেতু দিনের ফজিলত পাওয়ার চেষ্টা করাই বেশী বুদ্ধিমানের কাজ।
আর এই দশ দিনের ফজিলত আগের উম্মত থেকে চলে আসতেছে।
এই দশ দিন সেই দশ দিন তুর পাহাড়ে কাটানো মূসা আঃ এর চল্লিশ দিনের শেষ দশ দিন।
এই দশ দিন সেই দশ দিন যার কসম আল্লাহ খেয়েছেম। এই দশ দিন সেই দশ দিন যা দুনিয়ার সবচেয়ে উত্তম দশ দিন। কিছু যঈফ সূত্রে ইতিহাস বলে আইয়ুব আঃ-এর কষ্ট দূর হওয়ার দিন। ফজিলত ও মহত্ত্ব পূর্ণ এই দশ দিন সারা দুনিয়াবাসীর জন্য। শুধু হাজীদের জন্য নয়।
মুহাম্মাদ ছাঃ এর শরীয়তে হাজীদের জন্য এই দশ দিনে অতিরিক্ত কিছু কাজ দেয়া হয়েছে মাত্র। কিন্তু এই দশদিনের ফজিলত আগের উম্মাত থেকে সারা দুনিয়াবাসীর জন্য অগণিত দলীল দিয়ে প্রমাণিত।
সুতরাং আরাফার দিনের ফজিলত মূলত অবশ্যই ৯ যিলহজ্জের ফজিলত। যা আরাফার মাঠে হাজীদের বসার সূচনা হওয়ার আগে থেকেই ফজিলতপূর্ণ দিন।
Rahul Hossain-Ruhul Amin
04/06/2025
আগামীকাল থেকে শুরু হবে ফরজ তাকবীর দেওয়া
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
ওয়া লিল্লাহিল হামদ
‘আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহজ্জের ৯ তারিখ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একাকী বা জামাতে নামাজ আদায়কারী, নারী অথবা পুরুষ — প্রত্যেকের জন্য একবার তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা ওয়াজিব। পুরুষরা উচ্চ আওয়াজে বলবে, আর নারীরা নিচু আওয়াজে।’
[মাজমু‘উ ফাতাওয়া, ২৪/২২০; যাদুল মা‘আদ, ২/৩৬০; রাদ্দুল মুহতার, ৩/৬১]
এক ছোট শিশু মসজিদে ফজরের নামাজে যাওয়ার সময়, রাস্তায় একদল পথের কু'কু'র ছেলেটার দিকে এগিয়ে আসে, ছেলেটা তীব্রস্বরে চিৎকার করে বলে:
“আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল।”
তারপর কু'কু'রগুলো তাকে একা ছেড়ে দেয়। সুবহানাল্লাহ।