IYF - DHAKA

IYF - DHAKA

Share

Spiritual improve for Universities, Colleges Students
spiritual training, Spiritual tours, Yoga retr

10/12/2025
04/11/2024

💥 শ্রীল প্রভুপাদের তিরোভাব তিথি বিরহ মহোৎসব ২০২৪।
🏵 এই মহান আচার্যের জীবনী:- 🏵
***************************************

👉 ১৮৯৬ → সালের ১লা সেপ্টেম্বর অভয়চরণ দে (বাল্যকালের নাম) ১৫১ নং হ্যারিসন রোডের উত্তর কলকাতায় শ্রীযুক্ত গৌরমোহন দে এবং রজনী দেবীর গৃহে অার্বিভূত হন। গৌরমোহন দে ছিলেন সম্ভ্রান্ত সুবর্ণবনিক সমাজের একজন স্বচ্ছল কাপড় ব্যবসায়ী।🙏

👉 ১৯০১→ সালে যখন তাঁর পাঁচ বছর তখনই গৌরমোহন দে তাঁকে মতিলাল শীল ফ্রি স্কুলে ভর্তি করে দেন। শৈশব থেকেই প্রভুপাদ ছিলেন অসাধারণ বুদ্ধি ও তীক্ষ্ণ মেধাসম্পন্ন কৃতি ছাত্র।🙏

👉 ১৯০২→ ছ' বছর বয়সে তিনি তাঁর পিতার কাছে পূজা করার জন্য ভগবানের শ্রীবিগ্রহ চেয়েছিলেন। তাঁর অনুরোধে গৌরমোহন ছোট রাধাকৃষ্ণের যুগল মূর্তি তাঁকে কিনে দেন। 🙏

👉 ১৯১৭→ সালে তিনি কলকাতার স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কটিশ চার্চ কলেজে ভর্তি হন।ঐ কলেজে সুভাষচন্দ্র বসুর এক ক্লাস নীচে অভয়চরণ পড়তেন।🙏
কলেজে অধ্যয়ন করার সময়েই অভয়চরণের পিতার পরিচিত এক বণিক পরিবারের কন্যা রাধারাণী দত্তের সঙ্গে তাঁর বিবাহের আয়োজন করেন। 🙏

👉 ১৯২০→ সালে কলেজে তাঁর চর্তুথ বর্ষের পাঠ শেষ করে পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে উর্ত্তীণ হয়েছিলেন, কিন্তু তারঁ প্রাপ্য ডিগ্রী তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।🙏

👉 ১৯২২→ সালে কলকাতায় তাঁর গুরুমহারাজ শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ লাভ করেন।🙏

👉 ১৯৩২→ সালে তাঁর গুরুমহারাজ তাকে শিষ্যত্ব হিসেবে গ্রহণ করেন। শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর শ্রীল প্রভুপাদকে একসাথে হরিনাম দীক্ষা ও গায়িত্রী/ব্রাহ্মণ দীক্ষা প্রদান করেন।

👉 ১৯৩৫→ সালের ২৫ ফ্রেব্রুয়ারি শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত ঠাকুরের ৬২ তম জন্মবার্ষিকীর তাঁর গুরুভ্রাতাদের এক সম্মেলনে শ্রীল প্রভুপাদ একটি কবিতা ও প্রবন্ধ পাঠ করেছিলেন। সেখানে লিখা ছিল এরকম,
|| পরম ব্রহ্ম পরমপুরুষ প্রমাণ করিলে তুমি
নির্বিশেষের নির্বাণ-বাদ ত্যজিল ভারত ভূমি ||
তারপর গুরুদেব সন্তুষ্ট হয়ে গৌড়ীয় মঠের মুখপাত্র 'দ্য হারমোনিষ্ট' এর সম্পাদককে বলেছিলেন- "ও যা লেখে, তাই ছাপিও।"🙏

👉১৯৩৫→ সালের নভেম্বরে বৃন্দাবনে রাধাকুন্ডে তাঁর গুরুমহারাজের সাথে দেখা হয়েছিল। সেখানে প্রভুপাদকে বলেছিলেন, "যদি তুমি কোনদিন অর্থ সংগ্রহ করতে পার, পারমার্থিক বই ছাপিও।"🙏

👉 ১৯৩৯→ সালে অভয়চরণের প্রথম গ্রন্থ "গীতোপনিষদের সূচনা" স্বীকৃতি লাভ করে।

👉১৯৪৪→ সালে প্রভুপাদ এককভাবে একটি ইংরেজি পাক্ষিক পত্রিকা "Back to Godhead" প্রকাশ করতে শুরু করেন। এমনকি তিনি নিজ হাতে তা বিতরণও করতেন।🙏

👉১৯৪৭→ সালে শ্রীল প্রভুপাদের দার্শনিক জ্ঞান ও ভক্তির উৎকর্ষতার স্বীকৃতিরূপে 'গৌড়ীয় বৈষ্ণব সমাজ' তাঁকে "ভক্তিবেদান্ত"উপাধিতে ভূষিত করেন।🙏

👉১৯৫০→ সালে ৫৪ বছর বয়সে, সংসার জীবন থেকে অবসর গ্রহণ করে চার বছর পর বানপ্রস্থ আশ্রম গ্রহণ করেন এবং শাস্ত্র অধ্যয়ন, প্রচার ও গ্রন্থ রচনার কাজে মনোনিবেশ করেন।
(তার আগে প্রভুপাদ এক ছোট ফার্মাকিউটিক্যাল ব্যবসার মালিক ছিলেন)🙏

👉 ১৯৫৩→ সালের ১৬ই মে ঝাঁসিতে ছবির মত সুন্দর ভারতীভবনে প্রভুপাদ "ভক্তসঙ্গ" নামে একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।🙏

👉 ১৯৫৬→ সালের শুরুতে অভয় নিউ দিল্লীতে তাঁর "ভগবৎ-দর্শন" পত্রিকাটি প্রচার করা শুরু করেন।🙏

👉 ১৯৫৯→ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর মথুরার কেশবজী গোড়ীয় মঠে তিনি তাঁর জ্যৈষ্ঠ গুরুভ্রাতা শ্রীল ভক্তিপ্রজ্ঞান কেশব মহারাজের কাছে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন।🙏

👉 ১৯৬২→ সালে শ্রীল প্রভুপাদের ভাষ্যকৃত শ্রীমদ্ভাগবতের প্রথম স্কন্ধ ছাপাখানায় ছাপা হয়েছিল।

👉 ১৯৬৪→ সালের জুন মাসে নতুন দিল্লীর পার্লামেন্ট ভবনে শ্রীল প্রভুপাদ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

👉 ১৯৬৫→ সালের ১৩ আগস্ট 'জলদূত' নামক স্টীম নেভিগেশন কোম্পানির একটি মালবাহী জাহাজে প্রাশ্চাত্যে কৃষ্ণভক্তি প্রচার হেতু নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে সকাল ৯ ঘটিকায় কলকাতা ত্যাগ করেন।🙏

👉 ১৯৬৫→ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দীর্ঘ ৩৫ দিন পর সকাল ৫:৩০ ঘটিকায় ঐ জাহাজ বোস্টন কমনওয়েলথ জেটিতে পৌঁছে, তারপর অন্তিমে নিউ ইয়র্ক শহরে ব্রুকলীন বন্দরে নোঙ্গর ফেলেছিলেন।

👉 ১৯৬৫→ সালের ২২ সেপ্টেম্বর 'Butlar Eagle' পত্রিকায় শ্রীল প্রভুপাদ সম্বন্ধে একটি প্রবন্ধ বেরোয়। এটিই ছিল আমেরিকা প্রচারের প্রথম সংবাদ। পত্রিকায় প্রভুপাদকে "বৈকুন্ঠ দূত" হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছিল।🙏

👉 ১৯৬৬→ সালের জুলাই মাসে শ্রীল প্রভুপাদ আমেরিকার মাঠিতে "আন্তর্জান্তিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) প্রতিষ্ঠা করেন।
(উক্ত সংঘের মূল উদ্দেশ্য ছিল ৭ টি, যার নির্দেশনা ছিল প্রকৃত চিন্ময় স্বরূপের চিত্ত উৎঘাটন)🙏

👉 ১৯৬৬→ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমীর পরের দিন তিনি পাশ্চাত্যে প্রথম দীক্ষা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন ও এগোর জনকে দীক্ষা দেন।

👉 ১৯৬৭→ সালের ৯ই জুলাই সানফ্রানসিস্কো শহরের রাজপথে শ্রীল প্রভুপাদ পাশ্চাত্যের প্রথম রথযাত্রা অনুষ্টান পরিচালনা করেন।

👉 ১৯৬৭→ সালের ২৫ জুলাই শ্রীল প্রভুপাদের শরীর ভেঙ্গে পড়েছিল বলে তিনি ভারতে ফিরে আসেন। 🙏

👉 ১৯৬৯→ সালের ১৪ ডিসেম্বর তিনি শ্রী শ্রী রাধা-লন্ডনেশ্বর শ্রী বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন।🙏

👉 ১৯৭০→ সালের জুলাই মাসে প্রভুপাদ ইসকনের প্রকাশনা সংস্থা "ভক্তিবেদান্ত বুক টাস্ট্র" স্থাপন করেন। বর্তমানে রুশ ও চীনা ভাষাসহ পৃথিবীর ৫০ টির ও বেশি ভাষায় সেখানে প্রভুপাদের গ্রন্থগুলি ছাপাচ্ছে।🙏

👉 ১৯৭০ - ১৯৭৫→ সালের মধ্যে প্রভুপাদ বিশ্বময় ব্যাপকভাবে কৃষ্ণভাবনা প্রচারের উদ্দেশ্য ভ্রমণ করেন। বিশ্বময় সংঘের মন্দিরগুলির পরিচালনার জন্য তিনি একটি পরিচালক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন তাঁর প্রধান শিষ্যদের নিয়ে।🙏

👉 ১৯৭২→ সালে আমেরিকার ডালাসে গুরুকুল বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে বৈদিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন করেন।
(প্রথমে তিনজন ছাত্র নিয়ে গুরুকুল প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, বর্তমানে ১৫ টি গুরুকুলসহ ছাত্র সংখ্যা সহস্রাধিক)🙏

👉 ১৯৭২→ সালেই পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় শ্রীধাম মায়াপুরে শ্রীল প্রভুপাদ মূল কেন্দ্রটি স্থাপন করেন।🙏

👉 ১৯৭৪→ সালে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার পার্বত্য ভূমিতে গড়ে তোলেন নব-বৃন্দাবন, যা হলো বৈদিক শাস্ত্রের প্রতীক।

👉 ১৯৭৬→ সালে শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর কতিপয় বৈজ্ঞানিক শিষ্যকে নিয়ে ইসকনের বিজ্ঞান ও শিক্ষা বিভাগ "ভক্তিবেদান্ত ইনস্টিটিউট" প্রতিষ্ঠা করেন। এবং
👉 ১৯৭৭→ সালের ১৪ই নভেম্বর কার্তিক মাসে গৌর-চতুর্থীর দিন সন্ধ্যা ৭:৩০ ঘটিকায় বৃন্দাবনের কৃষ্ণ-বলরাম মন্দিরে শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর শিষ্যদের অন্তিম শিক্ষা প্রদান করে এই জড় জগৎ থেকে বিদায় নিয়ে ভগবানের নিত্যলীলায় প্রবিষ্ট হয়েছিলেন।🙏

💥 শ্রীল প্রভুপাদের পৃথিবী পরিভ্রমন :- 💥
👉 ১৩ আগষ্ট যাত্রারম্ভ।
👉 ৭০ বছর বয়স।
👉 ৪০ টাকা সম্বল।
👉 ৪৩ বছরের প্রস্তুতি।
👉 ৩৮ দিন মালবাহী জাহাজে অবস্থান।
👉 ২ বার হার্ট অ্যাটাক।
👉 ১৭ সেপ্টম্বর আমেরিকা পদার্পন।
👉 ১৪ বার পৃথিবী পরিভ্রমন।
👉 ১০৮ টি মন্দির প্রতিষ্ঠা।

💥 শ্রীল প্রভুপাদ বলেছিলেন, "এই বৃদ্ধ বয়সে আমি এখানে দর্শনীয় স্থানাদি দর্শন করতে আসিনি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে আসিনি। মানুষের প্রকৃত সুখ বিধান করতে পারে, কৃষ্ণতও্ব বিজ্ঞান তা প্রদান করার জন্য আমি এসেছি" ।🙏

💥" আমি বৃন্দাবনে এসেছি দেহত্যাগ করার জন্য।তোমাদের তার জন্য অনুশোচনা করা উচিত নয় কেননা গ্রন্থাবলীর মধ্যে আমি তোমাদের জন্য সবকিছু প্ৰদান করেছি। তোমরা যদি কেবল আমার গ্ৰন্থাবলী পাঠ কর, আর তোমাদের গুরু ভ্ৰাতাদের সঙ্গে সহযোগিতা কর, তাহলে সব কিছুই সুন্দরভাবে চলবে। আমার গ্ৰন্থাবলীর মধ্যে আমি রয়েছি। আমার গ্ৰন্থাবলী পাঠ কর আর সবাই সবাইকে সহযোগিতা কর ''।।🙏

( এ.সি ভক্তিবেদান্ত স্বামী শ্রীল প্রভুপাদ )🙏

জগৎগুরু শ্রীল ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কি জয়!🙏

💥 প্রতিদিন সন্ধায় ভগবানকে প্রদীপ দান করে, ভগবান দামোদরের কৃপা লাভ করে আপনার সুদুর্লভ মানব জীবন ধন্য করুন 🙏

💥 কার্তিক মাস সকল বৈষ্ণবদের জন্য একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মাস। শাস্ত্রে উল্লেখ আছে যে আমাদের হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা উচিত। সুতরাং, এই সর্বাধিক শুভ মাসে, যদি আমরা আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মের মাধ্যমে এবং হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করার মাধ্যমে ভগবান এবং তাঁর শুদ্ধ ভক্তদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম হই, তাহলে আমরা দুঃখজনক এই প্রাকৃত জগত থেকে নিজেদের মুক্ত করার যোগ্য হব। আধ্যাত্মিক অনুশীলন আমাদের বর্তমান দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থাকে নিত্য সুখে পরিণত করবে। 🙏

27/10/2024

আগামী ২৮ অক্টোবর ২০২৪ সোমবার রমা একাদশী কৃপা করে সকলে একাদশী ব্রত পালন করবেন।

রমা একাদশী ব্রত মাহাত্ম কথা:

এক সময় যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন---হে জনার্দন! কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম কি এবং তার মহিমা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন--হে রাজন! মহাপাপ বিনষ্টকারী এই একাদশী 'রমা' নামে বিখ্যাত। আমি এখন সেই মাহাত্ম্য বর্ণনা করছি, আপনি তা মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করুন।
পুরাকালে মুচুকুন্দ নামে এক সুপ্রসিদ্ধ রাজা ছিলেন। দেবরাজ ইন্দ্র, যম, বরুন ও ধনপতি কুবেরের সাথে তার বন্ধুত্ব ছিল। ভক্ত শ্রেষ্ঠ বিভীষণের সাথেও তার অত্যন্ত সদ্ভাব ছিল। তিনি ছিলেন বিষ্ণু ভক্ত ও সত্যপ্রতিজ্ঞ। এই রূপে তিনি ধর্ম অনুযায়ী রাজ্য শাসন করতেন l চন্দ্রভাগা নামে তার একটি কন্যা ছিল। চন্দসেনের পুত্র শোভনের সাথে তার বিবাহ হয়েছিল। শোভন এক সময় তার শ্বশুর বাড়িতে এসেছিল। দৈবক্রমে সেই দিন ছিল একাদশী তিথি। স্বামীকে দেখে পতি পরায়না চন্দ্রভাগা মনে মনে চিন্তা করতে লাগল---হে ভগবান! আমার স্বামী অত্যন্ত দুর্বল। তিনি ক্ষুধা সহ্য করতে পারেন না। এখানে আমার পিতার শাসন খুবই কঠোর। দশমীর দিন তিনি নাগরা বাজিয়ে ঘোষণা করে দিয়েছেন যে একাদশীতে আহার নিষিদ্ধ। আমি এখন কি করি!
রাজার নিষেধাজ্ঞা শুনে শোভন তার প্রিয়তমা পত্নীকে বলল---হে প্রিয়ে, এখন আমার কি কর্তব্য তা আমাকে বলো। উত্তরে রাজকন্যা বলল---হে স্বামী! আজ এই গৃহে এমনকি রাজ্য মধ্যে কেউই আহার করবে না। মানুষের কথা তো দূরে থাকুক, পশুরা পর্যন্ত অন্ন জল মাত্র গ্রহণ করবে না। হে নাথ! যদি তুমি এ থেকে পরিত্রাণ চাও তবে নিজগৃহে প্রত্যাবর্তন করো। এখানে আহার করলে তুমি সকলের নিন্দা ভাজন হবে এবং আমার পিতাও ক্রুদ্ধ হবেন। এখন বিশেষ ভাবে বিচার করে যা ভালো হয়, তুমি তা ই করো। সাধ্বী স্ত্রীর এই কথা শুনে শোভন বলল---হে প্রিয়ে! তুমি ঠিক বলেছ। কিন্তু আমি গৃহে ফিরে যাব না। এখানে থেকে একাদশী ব্রত পালন করব। ভাগ্যে যা লেখা আছে তা অবশ্যই ঘটবে।
এই ভাবে শোভন ব্রত পালনে বদ্ধপরিকর হলেন।
সমস্ত দিন অতিক্রান্ত হয়ে রাত্রি শুরু হল। বৈষ্ণব দের কাছে এই রাত্রি সত্যি ই আনন্দকর। কিন্তু শোভনের পক্ষে তা ছিল বড়ই দুঃখদায়ক। কেননা ক্ষুধা তৃষ্ণায় সে ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ল। এই ভাবে রাত্রি অতিবাহিত হলে সূর্যোদয় কালে তার মৃত্যু হল। রাজা মুচুকুন্দ সাড়ম্বরে তার শবদাহ কার্য সুসম্পন্ন করলেন। চন্দ্রভাগা স্বামীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সমাপ্ত করে পিতার আদেশে পিতৃগৃহেই বাস লাগল।
কালক্রমে রমা ব্রত প্রভাবে শোভন মন্দরাচল শিখরে অনুপম সৌন্দর্যবিশিষ্ট এক রমনীয় দেবপুরী প্রাপ্ত হলেন। এক সময় মুচুকুন্দ পুরের সোমশর্ম্মা নামে এক ব্রাহ্মণ তীর্থভ্রমন করতে করতে সেখানে উপস্থিত হলেন।সেখানে রত্নমন্ডিত বিচিত্র স্ফটিক খচিত সিংহাসনে রত্নালংকারে ভূষিত রাজা শোভনকে তিনি দেখতে পেলেন। গন্ধর্ব ও অপ্সরাগণ দ্বারা নানা উপচারে সেখানে পূজিত হচ্ছিলেন। রাজা মুচুকুন্দের জামাতা রূপে ব্রাহ্মণ তাকে চিনতে পেরে তার কাছে গেলেন। শোভন সেই ব্রাহ্মণকে দেখে আসন থেকে উঠে এসে তার চরণ বন্দনা করলেন। শ্বশুর মুচুকুন্দ ও স্ত্রী চন্দ্রভাগা সহ নগরবাসী সকলের কুশলবার্তা জিজ্ঞাসা করলেন। ব্রাহ্মণ সকলের কুশল সংবাদ জানালেন। জিজ্ঞাসা করলেন---এমন বিচিত্র মনোরম স্থান কেউ কখনও দেখেনি। আপনি কিভাবে এই স্থান প্রাপ্ত হলেন, তা সবিস্তারে আমার কাছে বর্ণনা করুন। শোভন বললেন যে, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া রমা একাদশী সর্ব ব্রতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। আমি তা শ্রদ্ধা রহিত ভাবে পালন করলেও তার আশ্চর্যজনক এই ফল লাভ করেছি। আপনি কৃপা করে চন্দ্রভাগাকে সমস্ত ঘটনা জানাবেন।
সোমশর্ম্মা মুচুকুন্দ পুরে ফিরে এসে চন্দ্রভাগার কাছে সমস্ত ঘটনার কথা জানালেন। ব্রাহ্মণের কথা শুনে অত্যন্ত আনন্দিত চন্দ্রভাগা বললেন---হে ব্রাহ্মণ! আপনার কথা আমার কাছে স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে। তখন সোমশর্ম্মা বললেন---হে পুত্রী, সেখানে তোমার স্বামীকে আমি স্বয়ং স্বচক্ষে দেখেছি। অগ্নিদেবের মতো দীপ্তিমান তার নগরও দর্শন করেছি। কিন্তু তার নগর স্থির নয়, তা যাতে স্থির হয়, সেই মতো কোনো উপায় কর। এসব কথা শুনে চন্দ্রভাগা বললেন, তাকে দেখতে আমার একান্ত ইচ্ছা হচ্ছে। আমাকে এখনি তার কাছে নিয়ে চলুন। আমি ব্রত পালনের পুণ্য প্রভাবে নগর স্থির করে দেব।
তখন সোমশর্ম্মা চন্দ্রভাগাকে নিয়ে মন্দার পর্বতে বামনদেবের আশ্রমে উপস্থিত হলেন। সেখানে ঋষির কৃপায় ও হরিবাসর ব্রত পালনের ফলে চন্দ্রভাগা দিব্য শরীর প্রাপ্ত হল। দিব্য গতি লাভ করে স্বামীর নিকট উপস্থিত হলেন। প্রিয় পত্নীকে দেখে শোভন অতীব আনন্দিত হলেন।
বহু দিন পর স্বামীর সঙ্গ লাভ করে চন্দ্রভাগা অকপটে নিজের পুণ্য কথা জানালেন। হে প্রিয়, আজ থেকে আট বছর আগে আমি যখন পিতৃগৃহে ছিলাম তখন থেকে রমা একাদশীর ব্রত নিষ্ঠা সহকারে পালন করতাম। ঐ পুণ্য প্রভাবে এই নগর স্থির হবে এবং মহাপ্রলয় পর্যন্ত থাকবে।
হে মহারাজ! মন্দরাচল পর্বতের শিখরে শোভন তার স্ত্রী চন্দ্রভাগা সহ দিব্যসুখ ভোগ করতে লাগলেন। পাপনাশিনী ও ভুক্তি মুক্তি প্রদায়িনী রমা একাদশীর মাহাত্ম্য আপনার কাছে বর্ণনা করলাম। যিনি এই একাদশী ব্রত শ্রবণ করবেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে পূজিত হবে।

25/09/2024

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ,শনিবার ইন্দিরা একাদশী।

Photos from IYF - DHAKA's post 18/09/2024

জয় শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরান কি জয় 🙏🙏🙏🙏

16/09/2024

হরে কৃষ্ণ,
সুধী ভক্তসজ্জন সকলের শ্রী চরণ কমলে সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করে সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১৮/০৯/২০২৪ ইং রোজ বুধবার ,স্বামীবাগ আশ্রমের থেকে 'ভাদ্র পূর্ণিমা ' মহোৎসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
ভাগবত জয়ন্তী উপলক্ষে সকাল ৮ ঘটিকায় ভাগবত আরতি ও ভাগবত পরায়ণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এবং সারাদিন ব্যাপি সিনিয়র ভক্তবৃন্দের শ্রীমুখ থেকে ভাগবত মহিমা পরিবেশিত হবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে সকলে উপস্থিত থেকে এবং সার্বিক সহযোগিতা করে অনুষ্ঠানটিকে সাফল্য মন্ডিত করার জন্য একান্ত কামনা করছি।
সকালে ভাগবতের প্রথম স্কন্ধ সাথে করে নিয়ে আসবেন,আর যাদের গৃহে ভাগবতের সেট নেই, এবং নিতে ইচ্ছুক আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
01621200025
সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ
হরে কৃষ্ণ

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


স্বামীবাগ আশ্রম, ঢাকা, বাংলাদে
Dhaka
1362