17/01/2022
অনেক গোছালোভাবে সাজিয়েছিঃ
5G যুগে বাংলাদেশ (কাজে দিবে)
Prepared By--Md.Sharif
***********************************
৫জি/মোবাইল ইন্টারনেট সেবা :-বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশও পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা ৫জি চালু হতে যাচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক উচ্চ গতিসম্পন্ন এই প্রযুক্তি সবার আগে চালু করতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশে ৫জি সেবা চালুঃ-১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে বাংলাদেশে টেলিটক পরীক্ষামূলকভাবে ৫জি চালু করে। ৫জি প্রযুক্তি গ্রাহকদের দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও ভয়েস কলের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, বিগডাটা, ব্লকচেইন, আইওটি, হিউম্যান টু মেশিন, মেশিন টু মেশিন ইত্যাদি প্রযুক্তি ও ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে ক্রিটিক্যাল মিশন সার্ভিস, স্মার্ট গ্রিড, স্মার্ট সিটি, স্মার্ট হোম, স্মার্ট ফ্যাক্টরি সুবিধা দেবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ-৫জি প্রযুক্তি ৪জি প্রযুক্তির চেয়ে ২০ গুণ বেশি গতিতে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫জি সেবার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালিত গাড়ি, অগমেন্টেড রিয়েলিটি, স্মার্ট শহর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক প্রযুক্তি ও ধ্যান-ধারণাকে বাস্তবে রূপান্তর করা সম্ভব।
৫জি সেবার সুবিধাঃ-
১)বর্তমান ৪জি নেটওয়ার্কের চেয়ে ৫জি কমপক্ষে দশ গুণ বেশি দ্রুতগতি সম্পন্ন হবে।
২)যদিও এই গতি আপনার এলাকা, ডিভাইস এবং আরও বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করবে। তবে ৪জি'র চেয়ে অবশ্যই ভালো অভিজ্ঞতা পাবেন ৫জি তে।
৩)৫জি প্রযুক্তি গ্রাহকদের দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও ভয়েস কলের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, বিগডাটা, ব্লকচেইন, আইওটি, হিউম্যান টু মেশিন, মেশিন টু মেশিন ইত্যাদি প্রযুক্তি ও ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে ক্রিটিক্যাল মিশন সার্ভিস, স্মার্ট গ্রিড, স্মার্ট সিটি, স্মার্ট হোম, স্মার্ট ফ্যাক্টরি সুবিধা দেবে।
৪)মোবাইল ফোনের পঞ্চম জেনারেশন ইন্টারনেটকে সংক্ষেপে বলা হয় ফাইভ-জি। যেখানে অনেক দ্রুত গতিতে ইন্টারনেট তথ্য ডাউন লোড এবং আপলোড করা যাবে। যার সেবার আওতাও হবে ব্যাপক।
৫)ফাইভ-জি রেডিও তরঙ্গের আরও বেশি ব্যবহার নিশ্চিত করবে এবং একই সময় একই স্থানে বেশি মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করতে পারবে।
গুরুত্বপূর্ণ ডেটাসমূহঃ
★ফোর-জি ও ফাইভ-জির মধ্যে পার্থক্যঃ-
★ফাইভ-জি একেবারে নতুন একটি রেডিও প্রযুক্তি। তবে প্রথমেই হয়তো দ্রুত গতির বিষয়টি নজরে আসবে না। কারণ, নেটওয়ার্ক অপারেটররা বর্তমান ফোর-জি নেটওয়ার্ককে ফাইভ-জিতে বাড়িয়ে গ্রাহকদের আরো উন্নত সেবা দিতে চাইবে। তবে দ্রুত গতির বিষয়টি নির্ভর করবে কোন স্পেকট্রাম ব্যান্ডে ফাইভ-জি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং মোবাইল কোম্পানিগুলো মাস্ট এবং ট্রান্সমিটারের পেছনে কতটা বিনিয়োগ করছে।
★ফাইভ-জি প্রটোকলের মান এখনো নির্ধারিত হয়নি। ৩.৫ গিগাহার্জের থেকে ২৬ গিগাহার্জের মতো হাইয়ার ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের অনেক ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু স্বল্প তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের কারণে তাদের আওতা থাকে কম।
★বর্তমানের ফোর-জি প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক গড়ে সর্বোচ্চ ৪৫ এমবিপিএস গতি সুবিধা দিতে পারে।
★এ বিষয়ে চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোয়ালকম বলছে, ফোর-জির তুলনায় ফাইভ-জি ১০ থেকে ২০ গুণ গতি দিতে পারে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, একটি ভালো মানের চলচ্চিত্র হয়তো মাত্র এক মিনিটেই ডাউনলোড করা যাবে।
★যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ায় এরই মধ্যে চালু হয়েছে পঞ্চম প্রজন্মের মুঠোফোন নেটওয়ার্ক ফাইভ-জি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৩ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০০ কোটি 5G গ্রাহক তৈরি করা যাবে।
পরিশেষে,প্রাথমিকভাবে ছয়টি এলাকায় ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে। এলাকাগুলো হলো- রাজধানী ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর, বাংলাদেশ সচিবালয়, জাতীয় সংসদ এবং সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও টুঙ্গিপাড়া।
ডিজিটাল বাংলাদেশের বর্ষপূর্তির দিনে দেশ যুক্ত হলো মোবাইল নেটওয়ার্কের সবশেষ প্রযুক্তি ফাইভ-জি তে। রাজধানীর হোটেল রেডিসনে রোববার ফাইভ-জি প্রযুক্তির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্ত হন তিনি।