18/01/2026
রজব মাস প্রায় যায় যায় করছে। শীঘ্রই আসছে শাবান মাস। তারপরেই আসবে রামাদান।
রজব মাস আসলেই আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রামাদানের জন্য দুয়া করা শুরু করতেন। তিনি পড়তেন—‘আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রজাবা ওয়া শাবান৷ ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’
দুয়ার মধ্যে তিনি রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করে দেওয়ার দুয়া করতেন আল্লাহর কাছে। আর বলতেন—আল্লাহ যেন রামাদান পর্যন্ত পৌঁছে দেন। মানে, রামাদান পর্যন্ত যেন রাব্বুল আলামীন হায়াতের সাথে পৌঁছার তাউফিক রাখেন।
রজব আর শাবান মাসে বরকত বলতে আদতে তিনি কী চাইতেন? তিনি চাইতেন—এই দুটো মাসে তিনি যেন সর্বোচ্চ ইবাদাত, আমলের মাধ্যমে রামাদানের জন্য পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারেন। সালাত, সিয়াম, কিয়াম, যিকির, দুয়া ইত্যাদিতে নিমগ্ন থেকে যেন নিবিড়ভাবে বরণ করে নিতে পারেন রামাদানকে।
আদতে তিনি তো তাঁর উম্মতকে শিখিয়ে গেছেন।
কিন্তু বলুন তো, আমল তো দূর, এই যে গোটা একটা রজব মাস চলে গেল, আমরা ক’বার এই দুয়াটা পড়েছি?
এই রজব মাসে কয় রাত আমরা তাহাজ্জুদের জন্য জেগেছি?
কয়দিন আমরা সিয়াম রেখেছি এই রজব মাসে? তিলাওয়াত করেছি কয়পাতা কুরআন?
আমাদের সালাফগণ বলতেন—
‘রজব হলো বীজ বপনের মাস৷ শাবান ফলো পানি দেওয়ার সময়৷ আর রামাদান হলো ফসল উত্তোলনের মাস।’
বাড়তি আমলের বীজ বপন তো দূরের কথা, এই রজব মাসেই হয়তো আমাদের কতো লোকের পাঁচ ওয়াক্ত সালাতগুলোই কাযা হয়ে যাচ্ছে!
কপিড