রজব মাস প্রায় যায় যায় করছে। শীঘ্রই আসছে শাবান মাস। তারপরেই আসবে রামাদান।
রজব মাস আসলেই আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রামাদানের জন্য দুয়া করা শুরু করতেন। তিনি পড়তেন—‘আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রজাবা ওয়া শাবান৷ ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’
দুয়ার মধ্যে তিনি রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করে দেওয়ার দুয়া করতেন আল্লাহর কাছে। আর বলতেন—আল্লাহ যেন রামাদান পর্যন্ত পৌঁছে দেন। মানে, রামাদান পর্যন্ত যেন রাব্বুল আলামীন হায়াতের সাথে পৌঁছার তাউফিক রাখেন।
রজব আর শাবান মাসে বরকত বলতে আদতে তিনি কী চাইতেন? তিনি চাইতেন—এই দুটো মাসে তিনি যেন সর্বোচ্চ ইবাদাত, আমলের মাধ্যমে রামাদানের জন্য পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারেন। সালাত, সিয়াম, কিয়াম, যিকির, দুয়া ইত্যাদিতে নিমগ্ন থেকে যেন নিবিড়ভাবে বরণ করে নিতে পারেন রামাদানকে।
আদতে তিনি তো তাঁর উম্মতকে শিখিয়ে গেছেন।
কিন্তু বলুন তো, আমল তো দূর, এই যে গোটা একটা রজব মাস চলে গেল, আমরা ক’বার এই দুয়াটা পড়েছি?
এই রজব মাসে কয় রাত আমরা তাহাজ্জুদের জন্য জেগেছি?
কয়দিন আমরা সিয়াম রেখেছি এই রজব মাসে? তিলাওয়াত করেছি কয়পাতা কুরআন?
আমাদের সালাফগণ বলতেন—
‘রজব হলো বীজ বপনের মাস৷ শাবান ফলো পানি দেওয়ার সময়৷ আর রামাদান হলো ফসল উত্তোলনের মাস।’
বাড়তি আমলের বীজ বপন তো দূরের কথা, এই রজব মাসেই হয়তো আমাদের কতো লোকের পাঁচ ওয়াক্ত সালাতগুলোই কাযা হয়ে যাচ্ছে!
কপিড
Darul Arqam Online Academy
মহিলাদের জন্য একটি অনলাইন ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
11/12/2025
বান্দার সকল সমস্যার উত্তম সমাধান কেবল আল্লাহ তা'লাই করতে পারেন। মানুষ যত বেশি সিজদা করে আল্লাহ তা'লা সেই বান্দার মর্যাদা ততো বেশি বৃদ্ধি করে দেন। আলহামদুলিল্লাহ। সিজদার সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমরা জমিনে ফিসফিস করে কথা বলি,আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আরশে আযীমে তা শুনতে পান। সুবহানাল্লাহ।
আমাদের যাবতীয় দুঃখ, সমস্যা, পেরেশানি আর আল্লাহ প্রদত্ত সমাধানের মাঝে ততটুকুই পার্থক্য যতটুকু পার্থক্য আমাদের কপাল আর মাটির মাঝে।
"আপনি সেজদা করুন আর আমার নৈকট্য অর্জন করুন"(সুরা আলাক-১৯)।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন "একজন বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটে চলে যায় সেজদায়।তাই তোমরা সেজদায় বেশি বেশি দোয়া কর।"
09/12/2025
জীবনটাকে ছোট্ট ছোট্ট পদক্ষেপে এগিয়ে নিতে চান? প্রতিদিনের চেষ্টায় একটু একটু করে চড়তে চান উন্নতির সিঁড়িতে? তাহলে আপনাকে একটা ছোট্ট উপায় শিখিয়ে দিই।
ধরুন, আপনি একজন সর্বোত্তম মুসলিম হতে চান। সর্বোত্তম মুসলিম হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো—ফরয বিধানগুলো সবার আগে, সযতনে পালন করা৷ আর, ফরয বিধানের আলোচনায় সবার আগে আসে সালাতের কথা।
তাহলে, আমরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাতকেই উদাহরণ হিশেবে ধরে আগাতে পারি।
ধরে নিই যে—আপনি আপনার সালাতকে উন্নত থেকে উন্নততর পর্যায়ে নিয়ে যেতে চান। সালাতকে একটা সর্বোত্তম পর্যায়ে নিতে, আমরা অনুসরণ করতে পারি ছোট ছোট কিছু পদক্ষেপ।
শুরুতে আমাদের টার্গেট হবে সালাত আদায় করার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হওয়া। কোনোভাবে এবং কোনো অবস্থাতেই সালাত কাযা করা যাবে না—এই বিষয়ে নিজের সাথে নিজে সংকল্পবদ্ধ হওয়া। কারণ—সালাত আদায় মুসলিম ব্যক্তির জন্য অক্সিজেন গ্রহণ করার মতোই ঘটনা৷ অক্সিজেন গ্রহণ ব্যতীত যেমন মানুষ বাঁচতে পারে না, সালাত আদায় ব্যতীতও মুমিন ব্যক্তির অন্তর বাঁচতে পারে না।
ধরুন আপনি সালাত আদায় করেন এবং কোনোভাবেই আপনার সালাত কাযা হয় না।
এখন পরের ধাপের টার্গেট হবে—প্রতি ওয়াক্ত ফরয সালাত যেন মাসজিদে, জামায়াতের সাথে আদায় করতে পারেন, সেই চেষ্টা করা।
ধরা যাক এই টার্গেটও পূরণ হলো।
এরপর আপনার টার্গেট হবে কেবল মাসজিদে জামায়াতে সালাত আদায় নয়, একেবারে প্রথম কাতারে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা।
ধরা যাক এই টার্গেটও পূরণ হলো।
পরের ধাপের টার্গেট হবে কেবল মাসজিদে প্রথম কাতারে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় নয়, ইমাম সাহেবের হাতের ডানপাশে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা।
ধরা যাক এই টার্গেটও পূরণ হলো।
আপনার চূড়ান্ত টার্গেট হলো—তাকবিরে ঊলা তথা ইমামের সাথে প্রথম তাকবিরেই সালাত শুরু করা।
(প্রথম কাতারে দাঁড়িয়েও অনেকে সালাতে হাত বাঁধতে দেরি করেন এবং ততক্ষণে ইমাম সাহেব সুরা ফাতিহা অর্ধেক তিলাওয়াত করে ফেলেন।)
এইভাবে, ছোট ছোট টার্গেট বা পদক্ষেপে আগালে, প্রতি ওয়াক্ত সালাতের প্রথম কাতারে, ইমামের ডান পাশে, তাকবিরে ঊলার সাথে সালাত শুরুর স্বাদ আপনি অনুভব করতে পারবেন ধীরে ধীরে। যদি কোনো কারণবশত কোনো ওয়াক্ত সালাতে প্রথম কাতারে দাঁড়ানোটা মিস হয়ে যায়, দেখবেন আপনার ভেতরে কীরকম অস্থিরতা কাজ করছে। এটাই ঈমান আর আমলের স্বাদ। রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো বলেছেন—ভালো কাজে প্রতিযোগিতা করতে।
সালাতের উদাহরণটার মতোই, জীবনের যে যে ক্ষেত্রগুলোতে আপনি সর্বোচ্চ উন্নতি করতে চান, সেগুলোকেও এরকম ভেঙে ভেঙে, ছোট ছোট পদক্ষেপের সাথে আগাতে পারেন।
পড়েছেনই তো—ছোট ছোট বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল। গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল।
copied
30/11/2025
When you feel anxious, overwhelmed, or exhausted, this dua is a beautiful supplication to recite- "Rabbi anni maglubun fantasir", in times of hardship and challenges, it brings immense comfort and strength. The meaning of the dua is: “O Allah, I am overpowered, so help me.” It is a powerful supplication made by Prophet Nuh (AS), and Allah’s help surely comes to those who call upon Him with sincerity.
Happy Jumma 🤲
27/11/2025
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“তোমাদের কেউ যদি দরজার সামনে নদী পায় এবং সে দিনে পাঁচবার সেই নদীতে গোসল করে— তবে কি তার দেহে কোনো ময়লা অবশিষ্ট থাকবে?”
সহাবারা বললেন: ‘কোনো ময়লা থাকবে না।’
তিনি বললেন:
‘এ হলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, আল্লাহ তাআলা এর মাধ্যমে গুনাহসমূহ মুছে দেন।’”
সূত্র: সহিহ বুখারি, হাদিস ৫২৮; সহিহ মুসলিম, হাদিস ৬৬৭
Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.
Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.
বান্দার জন্য অন্যতম ক্ষতিকর বিষয় হলো—অলস ও অবসর থাকা।
কারণ আত্মা কখনও অলস বসে থাকেনা।
উপকারী কোন কিছুতে যদি তাকে ব্যস্ত রাখা না হয় তাহলে ক্ষতিকর কোন কিছুতে সে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।"
- ইমাম ইবনুল কায়্যিম রহিমাহুল্লাহ।
[ ত্বরিকুল হিজরতাইন - ২৮১ পৃষ্ঠা ]
18/03/2022
রমজান উপলক্ষে ১০% ছাড়!!!
যারা একেবারেই আরবি পড়তে পারেন না বা সহীহ শুদ্ধভাবে কোরআন পড়তে পারেন না তাদের জন্য আগামী রমজান মাসকে সামনে রেখে নতুন কোর্সের আয়োজন করা হচ্ছে। এই কোর্সে একেবারে শুরু থেকে সহীহ শুদ্ধভাবে আরবি শেখানো হবে। ক্লাস শুরু হবে আগামী এপ্রিল মাসের ২ তারিখ থেকে ইনশাআল্লাহ । এই বিষয়ে বিস্তারিত নীচে উল্লেখ করা আছে। যারা যারা আগ্রহী আজই আমাদের পেইজে যোগাযোগ করুন।
(আসন সংখ্যা সীমিত)
আসছে পবিত্র রমজান মাস। মুমিন বান্দারা এই মাসে আমল আখলাকের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তা'লার মাগফিরাত আর জান্নাত হাসিলের এক অফুরান সুযোগ পায়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই, যে আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছেন যারা এই টেকনোলোজির যুগে এত সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এখনো সহীহ ভাবে কোরআন পড়তে পারেন না। মূলত তাদের জন্যই আমাদের এই প্রয়াস। 'দারুল আরকাম অনলাইন একাডেমি' শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য একটি অনলাইন ভিত্তিক ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমরা অভিজ্ঞ হাফেজা আলেমা শিক্ষিকা দ্বারা মাত্র ৬ মাস ডিউরেশনে ঘরে বসেই সহিশুদ্ধভাবে কোরআন শেখার নিশ্চয়তা দিচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ।
আগামী এপ্রিল মাসের ২ তারিখ থেকে আমাদের নতুন ব্যাচের (DA-4) ক্লাস শুরু হতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ। নীচে কোর্স সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য প্রদান করা হলো।
কোরআন সহীহ্ শুদ্ধকরণ কোর্স
√ সময়সীমা = ছয় মাস ইনশাআল্লাহ (শিক্ষার্থীদের মেধার ওপর নির্ভর করে)
√ প্রথম চার মাস তাজবীদসহ কায়দা অনুশীলন
√ শেষের দুই মাস আমপারা নাজেরা মশক
ম্যাটেরিয়ালস
√ স্টাডি ম্যাটেরিয়ালস ক্লাসে প্রদান করা হবে।
√ প্রতিটি পার্ট লেসন প্ল্যান অনুযায়ী পড়ানো হবে।
√ তাজবিদ এর ফাইল ক্লাসে প্রদান করা হবে।
পরীক্ষা
√ প্রতি দুই মাস অন্তর একটি করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। দূর্বল শিক্ষার্থীদের এক্সট্রা কেয়ারের ব্যবস্থা করা হবে ইনশাআল্লাহ।
ক্লাসের সময়সূচী
√ সাপ্তাহিক তিনদিন - শনিবার, সোমবার, বুধবার
√ সময় - এক ঘন্টা (সন্ধ্যা ৭:০০-৮:০০ টায় হবে)
শিক্ষার্থীদের বয়সসীমা
√ ১৫-৩৫বছর
ক্লাস পদ্ধতি
১. জুম অ্যাপের মাধ্যমে হবে
২. যারা কোর্সটি করতে আগ্রহী তারা জুম অ্যাপ ডাউনলোড করে প্রথম মাসের ফি বিকাশ করে নিচের WhatsApp নাম্বারে নিম্নে উল্লেখিত তথ্যসমুহ পাঠাবেন।
* প্রয়োজনীয় তথ্যসমুহ
ক, আপনার নাম
খ, আপনার বয়স
গ, বর্তমান ঠিকানা
ঘ, বিকাশকৃত নাম্বার/ স্ক্রিনশট
৩. নির্ধারিত সময়ে আমরা আপনাদের WhatsApp গ্রুপে এড করে দিবো।
৪. সম্পুর্ণ লাইভ ক্লাস হবে।
* WhatsApp number- 01951580737
শিক্ষিকা পরিচিতি
কোরআনের ক্লাস একজন অভিজ্ঞ এবং যোগ্যতাসম্পন্ন হাফেযা আলেমা মহিলা শিক্ষিকা নিবেন। তিনি ইতোমধ্যে ভার্চুয়ালি কোরআন শিক্ষা দানে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।
কোন ভর্তি ফি নেই। মাসিক ফি প্রতি মাসের ৮ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
* হাদিয়া- মাসিক ১২০০ ৳ (রেগুলার)
* বর্তমান ডিসকাউন্টেড ফি- মাসিক ১০৮০ ৳ (রমজান অফার)
* বিকাশ নাম্বার - 01951580737
শুধুমাত্র আগ্রহীরা ইনবক্স করুন। আপনাদের দোয়া ও আন্তরিক সহযোগিতা আমাদের পথ চলার অনুপ্রেরণা।
হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফজরের দুই রাকাআত (সুন্নাত) দুনিয়া এবং দুনিয়াতে যা কিছু আছে তার থেকে উত্তম।
{ সহীহ মুসলিম, হাদিস নং- ৭২৫}
গোপনে না প্রকাশ্যে!!!
দান-সদকা এমনই এক আমল যা প্রকাশ্যে করার তুলনায় গোপনে করার মধ্যেই বিশেষ সওয়াব ও আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি নিহিত। তবে যদি প্রকাশে দ্বীনি নিয়ত ও কল্যাণ নিহিত থাকে তবে তা প্রকাশ্যেই উত্তম। গোপনে সদকা মানুষকে রিয়া (অহংকার) ও খ্যাতি থেকে দূরে রাখে (ইমাম গাজ্জালী রহঃ)। বিভিন্ন উলামায়ে কেরামের মতে, ফরজ সদকা প্রকাশ্যে দান করা উত্তম এবং নফল সদকা গোপনে দান করা উত্তম। এক হাদীসে আছে, সদকা আল্লাহ তালার গোস্বা দূর করে দেয়, অপমৃত্যু থেকে হেফাজত করে এবং আয়ু বৃদ্ধি করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka