Savar Cantonment Board High School Alumni Association.

Savar Cantonment Board High School alumni association.

Operating as usual

20/06/2023
12/06/2023

সাভার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলের আমাদের সকলের প্রিয় শিক্ষক অনিল কুমার স্যার খুবই অসুস্থ। আগামী ১৯ তারিখ গুলশানে এভার কেয়ার হাসপাতালে স্যারের স্পাইনাল কর্ডের অপারেশন , সাভার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুল এলামনাই এসোসিয়েশন গ্রুপের সদস্যদের আছে আবেদন আপনারা স্যারের পাশে দাড়াবেন এবং এই কঠিন সময়ে স্যারকে সহযোগিতা করবেন। সবাই স্যারের জন্য দোয়া করবেন।

23/09/2022

রক্তের গ্রুপের একটা তালিকা করলে কেমন হয় - আসুন আমরা আমাদের

নাম/বয়স/গ্রুপ
এভাবে comment এ শেয়ার করি।

Photos from Savar Cantonment Board High School Alumni Association.'s post 22/05/2022

সাভার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলের বর্তমান এবং সাবেক সকল শিক্ষার্থীদের প্রিয় শিক্ষক, বোর্ড স্কুলের সিনিয়ার শিক্ষক
আব্দুল আলীম স্যারের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। স্যারের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

Photos from Savar Cantonment Board Girls High School's post 19/02/2022
27/12/2021

সম্পদ, সাফল্য ও ভালবাসার গল্প

এক মহিলা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখলো উঠানের সামনে তিন জন বৃদ্ধ ব্যক্তি বসে আছেন। তিনি তাদের কাউকেই চিনতে পারলেন না,তাই বললেন আমি আপনাদের কাউকেই চিনতে পারলাম না, কিন্তু আপনারা হয়তো ক্ষুধার্ত,আপনারা ভিতরে আসুন আমি আপনাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করছি। তারা জিজ্ঞেস করলেন বাড়ির কর্তা কি আছে। মহিলা বললেন না তিনি বাহিরে গেছেন। তাহলে আমরা আসতে পারবোনা, সন্ধায় যখন বাড়ির কর্তায় ঘড়ে ফিরে, সব শুনলেন তখন বললেন যাও তাদের কে গিয়ে বলো, যে আমি ফিরেছি। এবং তাদের ঘড়ে আসার জন্য অভ্যর্থনা জানাচ্ছি। মহিলা বাহিরে গেলেন এবং তাদের কে ঘড়ে আসতে বললেন,কিন্তু তারা বললো আমরা এভাবে আসতে পারি না,মহিলা জিজ্ঞেস করলেন কেন। কেন আবার কি সমস্যা। বৃদ্ধ লোকদের মাঝে একজন বললেন। আমাদের মাঝে এক জনের নাম সম্পদ আরেক জনের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বললেন। তার নাম সাফল্য। আর আমার নাম ভালবাসা। এখন ভিতরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিন, আমাদের মাঝ হতে কাকে ভিতরে ঢুকতে দিবেন। মহিলা যখন ভিতরে গিয়ে তার স্বামী কে বললেন স্বামী খুব খুশি হলেন। অসাধারন চল আমরা সম্পদ কে ডাকি তাহলে আমরা ধনি হয়ে যাব। তার স্ত্রী তাতে সম্মতি দিলেন না, আমার মনে হয় সাফল্য কে ডাকাই উচিত, তাদের মেয়ে ঘড়ের অন্য প্রান্থে বসে তাদের কথা সব শুনছিল, সে বলল তোমা্দের কি মনে হয়না আমাদের ভালবাসা কে ডাকাই উচিত, তাহলে আমাদের ঘড় ভালবাসায় পুর্ণ হয়ে থাকবে, লোকটি বলল ঠিক আছে আমরা আমাদের মেয়ের কথাই শুনবো,তুমি বাইরে যাও এবং ভালবাসা কে আমাদের অতিথী করে নিয়ে আস।মহিলা বাইরে গেলে ন এবং বললেন আপনাদের মধ্যে ভালবাসা কার নাম। অনুগ্রহ করে তিনিই আমাদের ঘড়ের ভিতর আসেন, ভালবাসা নামের বৃদ্ধ উঠে দাড়ালেন এবং ঘড়ের দিকে রওনা হলেন। বাকি ২ জন ওঠে দাড়ালেন এবং তাকে অনুসরন করতে লাগলেন। মহিলাটি এতে ভিষন অবাক হলেন। এবং বললেন। আমিত শুধু ভালবাসা নামক বৃদ্ধ কে আসার জন্য আমণ্ত্রন জানিয়েছি,আপনারা কেন তার সাথে আসছেন। বৃদ্ধ লোকেরা বললো আপনে যদি সাফল্য আর সম্পদ কে আমন্ত্রন করতেন, তবে আমরা বাকি ২ জন বাইরেই থাকতাম। কিন্তু আপনি যেহেতু ভালবাসা কে আমন্ত্রন জানিয়েছেন। আর সে যেখানে যায় আমরা ২ জন সেখানেই যাই, যেখানে ভালবাসা থাকে সে খানে সম্পদ আর সাফল্য ২ টাই থাকে,,,

06/08/2021

অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে আমার সকল সহপাঠী, সিনিয়র এবং স্নেহের ছোট ভাইবোনদের জানাতে চাই যে আমার ক্লাসমেট, স্কুলের 91 ব্যাচের ছাত্র মুহাম্মদ হেমায়েত উদ্দিন হিমু আজ ভোরে ইন্তেকাল করেছেন। বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনার জন্য সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। আজ বাদ জুমা ডেন্ডাবরস্থ তার নিজ বাসভবন সংলগ্ন মসজিদে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

22/03/2021

“মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২১” উদযাপন উপলক্ষে অনলাইন প্রতিযোগিতা

11/03/2021

💞💞সাভার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, ২০০৪ ব্যাচের সদা হাস্য উজ্জল ও প্রানবন্ত sourav
এর জম্নদিন।

💞💞আমাদের স্কুলের সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানাই জম্নদিনের শুভেচ্ছা। 💞💞

সকলের পক্ষ থেকে দোয়া রইলো আল্লাহ আপনি ও আপনার পরিবারের সবাইকে সুস্ব্যাস্থ দান করুন💞💞

11/03/2021

💞💞সাভার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, ২০০৪ ব্যাচের সদা হাস্য উজ্জল ও প্রানবন্ত কবিতা প্রেমী এবং এই গুরুপের মডেরেটর pakhi
এর জম্নদিন।

💞💞আমাদের স্কুলের সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানাই জম্নদিনের শুভেচ্ছা। 💞💞

সকলের পক্ষ থেকে দোয়া রইলো আল্লাহ আপনি ও আপনার পরিবারের সবাইকে সুস্ব্যাস্থ দান করুন💞💞

18/02/2021

এমন শিক্ষকদের কথা মনে পরলে চোখে পানি চলে আসে। তাদের প্রচেষ্টায় ও তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসাবে আমার আজ প্রতিষ্ঠিত এবং তাদের পরিশ্রমের ফলে আমার আজ মানুষ হতে পেরেছি। তাদের কাছে আমরা চিরো ঋৃনি। এই ঋৃন কখনো শোধ হবার নয়।

💕💕💕আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষিকারা যে যেখানেই থাকু তাদের জন্য আমাদের অন্তর থেকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইলো।
আল্লাহ তাদের সুসাস্থ দান করুন। 💕💕💕

Photos from Savar Cantonment Board High School Alumni Association.'s post 24/01/2021

একজন নিরক্ষর ডাক্তার……।

তিনি লেখাপড়া জানতেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনের বাসিন্দা, বিখ্যাত সার্জন ডাঃ হ্যামিল্টন। যাকে "মাষ্টার অফ মেডিসিন" সম্মানে সম্মানিত করা হয়।

এটা কিভাবে সম্ভব ?

চলুন, একটু জেনে নেওয়া যাক।

"কেপটাউন মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি" চিকিৎসা জগত এবং ডাক্তারি পড়াশোনা করার জন্য বিশ্ব বিখ্যাত এক প্রতিষ্ঠান।এই বিশ্ববিদ্যালয় এমন একজন ব্যাক্তিকে মাষ্টার অফ মেডিসিন সম্মান জানিয়েছে, যিনি জীবনে কখনো স্কুলে যাননি।

পৃথিবীর প্রথম "বাইপাস সার্জারি" হয়েছিল, কেপটাউনের এই ইউনিভার্সিটিতে।

2003 সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রফেসর "ডাঃ ডেভিড ডেট" এক আড়ম্বর- পূর্ণ অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন, " আজ আমরা এমন একজন ব্যাক্তিকে সম্মান জানাতে চলেছি, যার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় হাজারো পড়ুয়া সার্জারি শিখেছেন। যিনি কেবলমাত্র একজন শিক্ষক নন, বরং একজন উচ্চ মানের সার্জন এবং ভালো হৃদয়ের মানুষ।। ইনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে যে অবদান রেখে গেছেন, সেটা পৃথিবীর খুব কম মানুষই রাখতে পেরেছেন।"

এরপর প্রফেসর "ডেভিড" সাহেব "সার্জন হ্যামিল্টন" এর নাম নিতেই,, উপস্থিত সকলে দাঁড়িয়ে পড়েন। উল্লাসে ফেটে পড়ে সভা ঘর। এটাই ছিলো এই বিশ্ব-বিদ্যালয়ের সবচেয়ে আড়ম্বর এবং ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান।

হ্যামিল্টনের জন্ম কেপটাউনের প্রত্যন্ত এলাকা সোনিট্যানি ভিলেজ। তার পিতা-মাতা ছিলেন পশুপালক। ভেঁড়া এবং ছাগল পুষে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পিতা অসুস্থ হয়ে পড়লে,, হ্যামিল্টন কাজের খোঁজে কেপটাউন সিটি চলে যান।

শহরে গিয়ে তিনি রাজমিস্ত্রি জোগাড়ে হিসাবে কাজ শুরু করেন। কেপটাউন মেডিক্যালে তখন চলছে নির্মাণ কাজ। বেশ কয়েক বছর তিনি সেখানে কাজ করেন। এরপর নির্মাণ কার্য সমাপ্ত হয়ে যায়।

হ্যামিল্টনের কাজের মানসিকতা এবং কর্মের প্রতি নিষ্ঠা দেখে,, তাকে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ সেখানেই রেখে দেয়। তার কাজ ছিলো টেনিস কোটে ঘাস ছাঁটাই করা। তিন বছর এভাবেই চলতে থাকে। এরপর তার সামনে আসে, এক সুবর্ণ সুযোগ।এবং সেই সুযোগ তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এমন এক স্তরে পৌঁছে দেয়, যেখানে যাওয়া একজন সাধারণ মানুষের কাছে,আকাশ ছুঁয়ে দেখার সমতুল্য।

সেদিন প্রফেসর "রবার্ট ডায়াস" একটি জিরাফ নিয়ে গবেষণা করছেন। জিরাফ ঘাড় নিচু করে জলপান করার সময়, তার গলার ব্লাড সার্কুলেশন কমে কেনো? এটাই তার গবেষণার বিষয়। নিয়মমাফিক জিরাফকে অজ্ঞান করে দেওয়া হলো।অপারেশন চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তে জিরাফ ঘাড় নাড়তে শুরু করে দিলো।এমতবস্থায় জিরাফের ঘাড়টা শক্ত করে ধরে রাখার জন্য, একজন শক্তপোক্ত মানুষের প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

হ্যামিল্টন তখন ঘাস কাটায় মগ্ন।প্রফেসর তাকে ডেকে নিলেন,, অপারেশন থিয়েটারে। হ্যামিল্টন জিরাফের গর্দান ধরে রয়েছেন, অপারেশন করে চলেছেন
প্রফেসর।

অপারেশন কন্টিনিউ আট ঘন্টা চলতে থাকে। এর মধ্যে ডাক্টার-টিম ব্রেক নিতে থাকেন। কিন্তু হ্যামিল্টন টানা আট ঘন্টা ধরে থাকলেন জিরাফের গলা। অপারেশন সমাপ্ত হতেই, হ্যামিল্টন চুপচাপ বাইরে বেরিয়ে গিয়ে টেনিস কোর্টে ঘাস কাটতে লেগে যান।

প্রফেসর রবার্ট ডায়াস তার দৃঢ়তা এবং কর্মনিষ্ঠা দেখে আপ্লুত হয়ে গেলেন।। তিনি হ্যামিল্টনকে "ল্যাব এসিষ্ট্যান্ট" হিসাবে পদোন্নতি করিয়ে দেন।প্রতিদিন বিভিন্ন সার্জন তার সামনে হাজারো অপারেশন করে চলেছেন, তিনি হেল্পার হিসাবে কাজ করে চলেছেন।এভাবেই চলতে থাকে বেশ কয়েক বছর।

এরপর ডাঃ বার্নড একদিন অপারেশন করে, হ্যামিল্টনকে ষ্টিচ দেওয়ার দায়িত্ব দেন। তার হাতের সুনিপুণ সেলাই দেখে, ডাঃ বার্নড অবাক হয়ে যান। এরপর,বিভিন্ন সার্জন তাকে সেলাইয়ের কাজ সপে দিতে থাকেন।

দীর্ঘকাল অপারেশন থিয়েটারে থাকার কারনে,, মানব শরীর সম্বন্ধে তার যথেষ্ট ধারণা তৈরী হয়ে যায়। তিনি ডিগ্রীধারী কোনো সার্জনের চেয়েও বেশী জানতেন, মানব দেহ সম্পর্কে। এরপর ইউনিভার্সিটি তাকে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রাকটিক্যাল শেখানোর কাজে নিয়োগ করে।

জুনিয়র ডাক্তারদের শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তিনি ইউনিভার্সিটির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠেন। তিনি অবলীলায় যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন করেদিতে পারতেন। বহু সার্জন যে অপারেশন করতে কুন্ঠিত হতেন, তিনি অতি সহজেই সেই কাজ করে ফেলতে পারতেন।

1970 সালে এই ইউনিভার্সিটিতে লিভার নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা শুরু হয়।তিনি লিভারের মধ্যে অবস্থিত এমন একটি ধমনী চিহ্নিত করেন, যার কারনে লিভার প্রতিস্থাপন অত্যন্ত সহজ হয়ে যায়।বিশ্ব বিখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা অবাক হয়ে যান।।আজ তার দেখানো পথ ধরেই,লিভার ট্রান্সফার করা হয়ে থাকে।

নিরক্ষর হ্যামিল্টন জীবনের পঞ্চাশ বছর কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটিয়ে দেন।এই পঞ্চাশ বছরে তিনি একদিন ও ছুটি নেননি। প্রতিদিন ১৪ মাইল পায়ে হেঁটে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতেন। তার অবদান কেপটাউন মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি তথা বিশ্ব চিকিৎসা বিজ্ঞান কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারবে না।

তিনি মোট ত্রিশ হাজার সার্জনের শিক্ষা-গুরু ছিলেন।

2005 সালে এই কিংবদন্তি মানুষটি মারা যান। তার মৃতদেহ ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের মধ্যেই দাফন করা হয়। এই বিরলতম সম্মান একমাত্র তিনিই অর্জন করতে পেরেছেন।

কিংবদন্তি সার্জন ডাঃ হ্যামিল্টন প্রমাণ করে গেছেন, কেবলমাত্র পুঁথিগত শিক্ষাটুকুই যথেষ্ট নয়।

-------------------------

Photos from Savar Cantonment Board High School Alumni Association.'s post 16/01/2021
09/01/2021

🤣🤣

01/11/2020

""ঘটক কথন""

কনের বাপে, কহিল মোরে,
"পাত্র খোঁজ, সরকারি চাকুরে।"
শুনিয়া কনে,হাসিয়া কহে,
"আর একটু করনা অপেক্ষা!
পাত্র চাই বিসিএস ক্যাডার,
আমি যে প্রাইমারি শিক্ষিকা।"
বিসিএস আর প্রাইমারি
করিয়া ফেলিল একাকার ;
জাতির শিরদাঁড়া ভাঙ্গিয়া পরিছে,
নাহি যে কেহ দেখার।
দু'দিন পরে আসিয়া কহিলাম,
"ভাই,পাত্র পাইয়াছি এইবার;
ভদ্র,শিক্ষিত, বেসরকারি চাকুরে,
দিনে নামায পড়ে পাঁচবার।"
শুনিয়া সেদিন ভেংচিয়া মুখ,
কহিল কনের বাপ,
"মেয়ে যে আমার সরকারি চাকুরে,
করে দাও আমায় মাপ।"
সপ্তাহান্তে আসিলাম আবার
কনের বাপের দ্বারে;
ছাত্র ভাল,বংশ ভাল,
অভাব নাহি সংসারে।
বিসিএস প্রিলিতে টিকিল দু'বার,
লিখিত দিয়াছে খুব ভাল এবার।
এমন পাত্র হাত ছাড়া ভাই,
করনা তুমি আর;
রাগিয়া কহিলেন কনের বাপ,
খেয়ে-দেয়ে কাজ নাহি তোমার!
যোগ্য মেয়েকে দিব আমি,
যোগ্য ছেলের হাতে;
ঝামেলা করনা,এমনি করিয়া,
প্রত্যহ আমার সাথে।
অবশেষে পাইলাম খুঁজিয়া আমি,
এক সরকারি চাকুরে;
বদ মেজাজি, রুক্ষ স্বভাবের
বলিলাম, কনের বাপেরে।
"সরকারি চাকুরি করিলে ভাই,
মেজাজ থাকা স্বাভাবিক";
কনের বাপে জবাব দিল,
হইয়া খুশি অধিক।
প্রস্তাব নিয়া গেলাম সেদিন,
সেই কাঙ্খিত পাত্রের ঘরে;
প্রাইমারি শিক্ষিকা শুনিয়া তাঁরা,
ফিরিয়া দিলেন মোরে।
কলেজ লেকচারার খুঁজিতেছে তাঁরা,
বহুদিন যাবৎ ধরিয়া;
প্রাইমারি টিচার চলিবেনা তাঁদের,
দিল মোরে সাফ জানিয়া।
এমনি করিয়া বয়স বাড়িয়া,
হইল ত্রিশ পার;
কনের বাপে কহিল মোরে,
সহ্য হয়না আর!
বিসিএস প্রিলিতে টিকিল যে ছেলে,
খবর কী এখন তাঁহার?
বিয়ে-সাধীর ব্যাপারে,খবর লয়ে,
দেখো তো একবার।
খবর লইয়া শুনিলাম সে,
হইয়াছে বিসিএস ক্যাডার;
বিবাহ করিয়াছে বুনিয়াদি ঘরে,
বউ তার পুলিশ ক্যাডার।
কনের বাপে কহিল আবার,
"সন্ধান লও তো তুমি;
বেসরকারি চাকুরে, ভদ্র ছেলেটার,
রাজি আছি এইবার আমি।"
খবর লইয়া,অবাক হইয়া,
হাসিলাম অনেকবার;
কলেজ নিবন্ধনে টিকিয়া সে,
কলেজ লেকচারার।
বিবাহ করিয়াছে কিছুদিন হইল,
করিয়া বাছ-বিচার;
গরীব বাপের মেধাবী মেয়ে,
নহে কোন স্কুল টিচার।

28/10/2020

বুয়েটের প্রথম তিনজন ছাত্রী।
বুয়েটের প্রথম মেয়ে শিক্ষার্থী এরা।

তারা প্রথমে কোর্টে মামলা করেন যে কেন তারা বুয়েটে পড়তে পারবেন না। তখন মেয়েদের বুয়েটে পড়া নিষিদ্ধ ছিল।
মামলায় জয়ী হবার পর বুয়েটে প্রথম মেয়ে শিক্ষার্থী হিসেবে পড়ার সুযোগ পান।

বেগম রোকেয়ার কথা মনে রাখলেও তার স্বপ্নকে যারা বাস্তবে পরিণত করেছেন তাদের সম্পর্কে আমরা তেমন কিছুই জানি না।

ডান পাশের জন দোরা রহমান।
মাঝের জন মনোয়ারা।
আর বামপাশের জন চুমকি।
১৯৬৪ সালের কথা।

এদের মধ্যে দোরা রহমান পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্চ পদস্থ দায়িত্বে রয়েছেন।
চুমকি এবং মনোয়ারা ম্যাডাম খুব সম্ভবত পরিবার সহ দেশের বাইরেই বসবাস করেন। তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত খোজ পাওয়া সম্ভব হয় নি।

(সংগ্রহীত এবং পরিমার্জিত)

27/10/2020

"জোনাকির আলোর রহস্যা"

জোনাকি এক রহস্যময়ী প্রাণী। সাগরের তলদেশে অনেক প্রাণী আছে, যারা আলো জ্বালতে পারে। কিন্তু স্থলভাগে শুধু জোনাকিরই আছে সেই ক্ষমতা। এই আলো ওরা পেল কোথায়? কীভাবেই বা জ্বলে ওই আলো? আলো মানেই তাপ, জোনাকি কীভাবে সেই তাপ সহ্য করে? কিংবা আলো জ্বালাতে গিয়ে জোনাকি জ্বলে-পুড়ে ছাই হয়ে যায় না কেন?

জোনাকির দেহের পেছন দিকে বক্স লাইটের মতো একটা জিনিস আছে। তার ভেতরে থাকে দুই ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। (লুসিফেরাস ও লুসিফেরিন। লুসিফেরাস আলো উৎপন্ন করে।)

যখন কোনও বস্তু থেকে আলো উৎপন্ন হয়, সেখানে তাপ উৎপন্ন হয়। বৈদ্যুতিক বাল্বের জ্বালানোর আধঘণ্টার মধ্যে বাল্বটা ভীষণ গরম হয় ওঠে। তবে সাধারণ বাল্বের তুলনায় এনার্জি সেভিং লাইটগুলো কম তাপ উৎপন্ন করে। এগুলো গরমও কম হয়। এজন্যই এদেরকে এনার্জি সেভার বলে। সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্ব যে পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি নেয়, তার নব্বুই ভাগ তাপ উৎপাদনে ব্যয় হয়। বাকি দশভাগ থেকে আসে আলো। এনার্জি সেভার তাপ উৎপন্ন করে। তুলনায় আলো উৎপন্ন করে অনেক বেশি। জোনাকি পোকার ক্ষেত্রেও এনার্জি সেভের ঘটনা ঘটে। তবে জোনাকি পোকার এনার্জি সেভিং ক্ষমতা টিউব লাইটের চেয়ে অনেক অনেক বেশি। আসলে জোনাকির আলো একেবারে ঠান্ডা। তাই নিজের আলোয় জোনাকি জ্বলে-পুড়ে ছাই হয়ে যায় না।

(লুসিফেরাসের কাজ হচ্ছে জোনাকি পোকার খাদ্য শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আলো ও তাপশক্তি উৎপন্ন করা। লুসিফেরিন উৎপন্ন তাপকে ঠান্ডা করে সেগুলোকেও আলোতে পরিণত করে। আবার উৎপন্ন আলোর বিচ্ছুরণ ঘটানো কাজটাও করে লুসিফেরিন। সুতরাং জোনাকি পোকা হলো পৃথিবীর সর্বোৎকৃষ্ট আলো উৎপন্নকারী প্রাণী।)

অন্ধকারে পথ দেখার জন্য জোনাকি আলো জ্বালে না। জোনাকির আলো আসলে তার ভাষা। মানুষ ভাব বিনিময়ের জন্য কথা বলে। কথা বলে নিজের মনের কথা আরেক জনকে বোঝাতে পারে। কিন্তু বেশির ভাগ কীট-পতঙ্গই মুখ দিয়ে শব্দ করতে পারে না। কেউ ডানা ঝাপটে, কেউ পা দিয়ে শব্দ করে ভাবের আদান-প্রদান করে। জোনাকি সেটাও করতে পারে না। তার ভাব বিনিময়ের একমাত্র মাধ্যম হলো তার আলো।

জোনাকির আলো একটানা জ্বলে না। একবার জ্বলে এবং নেভে। সাধারণত সমুদ্রের সিগন্যাল লাইটগুলোও এভাবে জ্বলে আরে নেভে। তাই বলাই যায় জোনাকি এভাবে আলো জ্বালিয়ে নিভিয়ে অন্যদের কাছে সিগন্যাল পাঠায়। মানে ভাব বিনিময় করে। প্রজননের জন্যই জোনাকি মূলত আলো জ্বালে।

পুরুষ জোনাকিগুলো উড়তে উড়তে আলো জ্বালে। অর্থাৎ সিগন্যাল পাঠায়। সিগন্যাল পাঠায় স্ত্রী জোনাকির উদ্দেশ্যে। স্ত্রী জোনাকিরা তখন ঝোপের আগায় কিংবা ঘাসের ওপর বসে থাকে। পুরুষ জোনাকির সিগন্যাল বা সঙ্কেত এসে ধরা পড়ে তাদের মস্তিষ্কে। স্ত্রী জোনাকিরা তখন সেই সঙ্কেতে সাড়া দেয়। নিজেরাও সঙ্কেত পাঠায়। সঙ্কেত লক্ষ করে ছুটে যায় পুরুষ জোনাকির কাছে। তারপর তাদের বন্ধুত্ব হয়। তারপর মিলন।

শত শত জোনাকির সঙ্কেত থেকে সঠিক সঙ্কেতটা স্ত্রী জোনাকি চিনতে পারে কীভাবে? আসলে প্রত্যেক জোনাকির সঙ্কেতের ধরণ আলাদা আলাদা। স্ত্রী জোনাকির যে সঙ্কেতটা পছন্দ হয়, ঠিক সেই পুরুষটাকে খুঁজে বের করে।

পৃথিবীতে নানা প্রজাতির জোনাকি আছে। শুধু মাত্র নিজের প্রজাতির মধ্যেই জোড়া বাঁধে জোনাকিরা। প্রত্যেক জোনাকিই আলোর সঙ্কেতের ধরণ দেখে বুঝতে পারে সেটা তার স্বজাতির না অন্য প্রজাতির। অন্য প্রজাতির আলোর সঙ্কেতে সাড়া দেয় না কোন স্ত্রী বা পুরুষ জোনাকি।

© ঢাকা টাইমস।

27/10/2020

অনেক অনেক কাল আগে এক গুরু বাস করতেন, তাঁর শিষ্যদের সাথে। একদিন এক নতুন শিষ্য গুরুকুলে এসে জিজ্ঞেস করলো, গুরু, আমরা এত বই পড়ি, কিন্তু কিছুই তো মনে থাকে না। সবই তো ভুলে যায়। তাহলে এত বই পড়ার কী দরকার?
গুরু এ কথা শুনে কোনো উত্তর দিলেন না। চুপ করে রইলেন, তারপর বললেন, তুমি কাল সকাল সকাল এসো আমার কাছে।
নতুন শিষ্য পরদিন সকালে সূর্য ওঠার আগেই অনেক উৎসাহ নিয়ে গুরুকুলে চলে এলো।
গুরু শিষ্যকে, একটি অনেক পুরোনো মরচে পড়া ঝাঁঝরি (চালুনি) এগিয়ে দিলেন। বললেন পাশের কুঁয়ো থেকে সেই ঝাঁঝরি দিয়ে জল আনতে। ব্যপারটা শিষ্যের পছন্দ হলো না, কিন্তু কী আর করা যাবে, গুরু বলেছেন, অমান্য করা যাবে না। তাই মরচে পড়া ঝাঁঝরি নিয়ে সে বেরিয়ে পড়লো কুঁয়োর দিকে।
মরচে পড়ে থাকায় ঝাঁঝরির ফুটো গুলো বেশিরভাগই বন্ধ হয়ে গেছিলো। তাই প্রথম প্রথম একটু জল আটকে থাকছিলো। কিন্তু গুরুর ঘরের দিকে যেতে যেতে সেই জলটুকুও পড়ে যাচ্ছিলো। জল পড়তে পড়তে শেষ হয়ে হলে আবার কুঁয়োর দিকে যেতে হচ্ছিলো তাকে জল ভর্তি করার জন্যে।
যাই হোক, এই করতে করতে বেলা অনেক গড়িয়ে গেলো। সূর্য তখন মাথার উপরে। সেই সকাল থেকে চেষ্টা করছে। রেগেমেগে মাথাও গরম হয়ে গেলো খুব। ভাবলো গুরু তাকে এ কেমন অর্থহীন কাজ দিয়ে দিয়েছেন। জল ছাড়াই ঝাঁঝরি হাতে আশ্রমের ঘরে পৌঁছলো। যখন গুরু জলের কথা জিজ্ঞেস করলেন, তখন শিষ্য বললো, "গুরু এই ফুটো পাত্রে তো জল থাকে না"।
গুরু একটু হেসে বললেন, একবার ভালো করে পাত্রের দিকে তাকিয়ে দেখো শিষ্য। কিছু পার্থক্য বুঝতে পারছো?
শিষ্য এতক্ষন নজর দেয় নি। গুরুর কথা শুনে এবার খেয়াল করে দেখলো, ঝাঁঝরিটি একদম পরিষ্কার হয়ে গেছে। চকচক করছে। প্রত্যেকবার জল তোলার সময়ে একটু একটু করে করে নোংরাগুলো ধুয়ে চলে গেছে।
গুরু এবার বললেন। বই পড়াশুনা করা ব্যাপারটাও এরকম।
অব্যবহৃত পুরোনো ঝাঁঝরি = মানুষের মন
নদীর জল = বইয়ের জ্ঞান
নদী = বইসম্ভার
অনেক বই পড়লে আপাতদৃষ্টিতে কিছুই মনে থাকে না। তার জন্যে ভেবে লাভ নেই । পড়ার সময়ে মানুষের মনের শুদ্ধতা প্রাপ্তি হয়। মানুষের চেতনার অগোচরেই। প্রত্যেকটা বই পড়ার সময়ে মানুষের অবচেতন মনের উন্নতি হয় আসতে আসতে। একটু একটু ক'রে।
তাই বই পড়তে থাকুন, নিজেকে সমৃদ্ধ করুন

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

এমন শিক্ষকদের কথা মনে পরলে চোখে পানি চলে আসে। তাদের প্রচেষ্টায় ও তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসাবে আমার আজ প্রতিষ্ঠিত ...

Location

Category

Website

Address


Savar Cantonment
Dhaka
1344
Other Schools in Dhaka (show all)
BAF Shaheen College Kurmitola BAF Shaheen College Kurmitola
Dhaka Cantonment , Kurmitola. Dhaka
Dhaka, 1206

Welcome To The Page Of B. A. F. Shaheen College Kurmitola.

mY WiLLeS mY WiLLeS
85, Kakrail
Dhaka

LIGHT MORE LIGHT \m/ WILLES ROKXX \m/

Monipur High School Monipur High School
Mirpur
Dhaka, 1216

Little Jewels Nursery Infant and Junior School Little Jewels Nursery Infant and Junior School
19, Purana Paltan
Dhaka

Little Jewels Nursery Infant and Junior School

Mohammadpur preparatory Higher Secondery school (boy's and girls) Mohammadpur preparatory Higher Secondery school (boy's and girls)
Iqbal Road
Dhaka, 1207

Mohammadpur Preparatory and Higher Secondary School is a higher secondary school located at Mohammad

Mohammadpur Govt. High School Mohammadpur Govt. High School
Humayan Road, Mohammadpur
Dhaka, 1207

HOLY CROSS GIRLS' HIGH SCHOOL & HOLY CROSS COLLEGE HOLY CROSS GIRLS' HIGH SCHOOL & HOLY CROSS COLLEGE
Farmgate, Tejgaon
Dhaka, 1215

Greetings from your Alma Mater! Enjoy walking down the memory lane from our posts and photos. If you

Sher-e-Bangla Nagar Government Boy's High School Sher-e-Bangla Nagar Government Boy's High School
Begum Rokeya Avenue
Dhaka, 1207

Sher-e-Bangla Nagar Govt. Boys' High School is a public school located at Agargaon, Dhaka, Establis

Monipur High School (MUB) Monipur High School (MUB)
Mirpur-2
Dhaka, 1216

Monipur High School is a secondary school located in Dhaka, Bangladesh. Monipur High School is also

Dhaka Collegiate School Dhaka Collegiate School
Loyal Street, Shadarghat
Dhaka, 1100

Dhaka Collegiate School is a secondary school in Dhaka, Bangladesh. The school was established in Dh

Neophyte School & College Neophyte School & College
Luxmibazar Campus: 3/1, Nobodip Bosak Lane, Luxmibazar, Dhaka-1100, Bangladesh. Addmission Hot Line :01191791067 Lalmatia Campus: 6/5, Lalmatia, Block#F, Kazi Nazrul Islam Road, ( Physical More, Behin
Dhaka

Our mission is to make skilful & educated manpower by giving world standard education. We provide ea

OBAK school re -union 2010(khilgaon govt. high school) OBAK school re -union 2010(khilgaon govt. high school)
Khilgaon Govt. High School
Dhaka, 1219

15 january 2010,obak school re-unoin will b held,registration is going on............plz reg as soon