এসো কুরআন শিখি
The believer's endeavor to enlighten in the light of the Qur'an is working towards that goal.
Let us learn the Qur'an, the time of your desire and our day, insha'Allah we must strive to teach you the pure Qur'an
দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য আমল:
বিবাহ ইসলামের অন্যতম প্রধান সামাজিক বিধান এবং মহানবী ﷺ-এর এক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ।
বিয়ে করা শুধু মহানবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর সুন্নাহই নয়; বরং তা অন্যান্য নবীগণেরও সুন্নাহ। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلاً مِنْ قَبْلِكَ وَجَعَلْنَا لَهُمْ أَزْوَاجاً وَذُرِّيَّةً
আমি আপনার পূর্বে অনেক রাসূল প্রেরণ করেছি এবং তাদেরকে স্ত্রী ও সন্তান দিয়েছি। (সূরা রাদ : ৩৮)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: "নিশ্চয়ই আমি নারীদের বিয়ে করি। সুতরাং যে আমার সুন্নাহ থেকে বিমুখ হবে, সে আমার (উম্মাহর) অন্তর্ভুক্ত নয়।"
(সহিহ বুখারী : ৫০৬৩;
সহিহ মুসলিম : ১৪০১)
দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য আমলঃ
(প্রতিদিন ফজর এবং মাগরীবের ফরয সালাতের পর পড়বেন)
1. দরূদে ইব্রাহীম (৩ বার)
اَللّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ اٰلِ مُحَمَّدٍ
হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ(সঃ)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ(সঃ)-এর বংশধরগণের উপর রহমত নাযিল করুন।
كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ اٰلِ إِبْرَاهِيمَ
যেমন আপনি রহমত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীম(আঃ) এবং ইবরাহীম(আঃ)-এর বংশধরগণের উপর।
إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ
নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসনীয়,সম্মানীয়।
اَللّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ اٰلِ مُحَمَّدٍ
হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ(সঃ)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ(সঃ)-এর বংশধরগণের উপর বরকত দিন।
كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ اٰلِ إِبْرَاهِيمَ
যেমন আপনি বরকত দিয়েছিলেন ইবরাহীম(আঃ) এবং ইবরাহীম(আঃ)-এর বংশধরগণের উপর।
إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ
নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসনীয়,সম্মানীয়।
(বুখারী : ৩৩৭০)
2. সূরা কাসাসের ২৪ নং আয়াতের অংশ (৭ বার)
رَبِّ اِنِّيْ لِمَاۤ اَنْزَلْتَ اِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ
"রব্বি ইন্নী লিমা--- আনঝালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিন ফাক্বীর।"
(আরবি পড়া উত্তম, বাংলায় পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে)
আয়াতের অর্থঃ
হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।
কখন, কোন পরিস্থিতিতে মূসা (আঃ) এই দু'আ করেছিলেন তা বুঝতে সূরা কাসাস এর (১৫-২৪) নাম্বার আয়াত পড়তে পারেন এখান থেকে– **লিংক প্রথম কমেন্টে**
3. সূরা তাওবাহ্ ১২৯ নং আয়াতের অংশ (৭ বার)
حَسْبِيَ اللّٰهُ ﻵ إِلٰهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ
"হাসবি ইয়াল্লহু লা--- ইলা-হা ইল্লা হুয়া 'আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রব্বুল 'আরশিল 'আযীম।"
(আরবি পড়া উত্তম, বাংলায় পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে)
আয়াতের অর্থঃ
আমার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ্ নেই । আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং তিনি মহা’আরশের রব।
4. ইস্তিখারার সংক্ষিপ্ত দু'আ (৭ বার)
اللَّهُمَّ خِرْ لِي وَاخْتَرْ لِي
"আল্লহুম্মা খিরলী ওয়াখ তারলী।"
(আরবি পড়া উত্তম, বাংলায় পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে)
আয়াতের অর্থঃ
হে আল্লাহ্! আমার জন্য যেটা মঙ্গল সে দিকে আমাকে চালিত করুন।
(সুনান তিরমিযী : ৩৫১৬;
সুনান ইবনু মাজাহ্ : ১৫৫৭)
5. দরূদে ইব্রাহীম (৩ বার)
- মুফতি আরিফুল ইসলাম উস্তায কর্তৃক আমলকৃত এবং বর্ণনাকৃত (ইরানের একজন শায়েখ থেকে সংগৃহীত)
এই আমলটি করার পর এক গ্লাস পানি নিন। তাতে নিয়্যাত সহ সাত বার করে সূরা ফাতিহা, সূরা নাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা ইখলাস, সূরা কাফিরুন এবং আয়াতুল কুরসী পড়ে ফুঁ দিন। প্রতিবার সূরা পড়ার পর একবার করে পানিতে ফুঁ দিবেন। এরপর এই পড়া পানিটুকু নিয়্যাত অনুযায়ী পান করবেন।
নিয়্যাতঃ বিয়ের উপর থাকা সকল বাঁধা অথবা যাদু, নজর, হাসাদ ও জ্বীনকে ধ্বংস করা।
- দ্রুত বিয়ের আমল হিসেবে শায়খ আতিক উল্লাহ হুজুরের লিখাটি নিচে সংযুক্ত করে দেওয়া হলো–
১. বেশি বেশি ইস্তেগফার করা। যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক এস্তেগফার করা। উঠতে বসতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকা।
২. সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা পড়তে পারি। প্রতি ফরজ নামাজের পর তো বটেই, সুযোগ পেলেই দোয়াটি গভীর আবেগ নিয়ে পড়তে পারি।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
৩. বেশি বেশি দোয়া করা। বিশেষ করে দুয়া কবুল হওয়ার সময়গুলো একটাও যেন দোয়াবিহীন না যায়।
৪. আমল-দোয়ার পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্র/পাত্রীর খোঁজ করাও জরুরী।
৫. অনেক সময় জাদু-সিহর করে বিয়ে আটকে রাখা হয়। এজন্য রুকইয়াহ করা।
৬. নিয়মিত সদকা করা।
সংগৃহীত
05/07/2025
এটা কোনো শিল্পীর আঁকা ছবি না। এটা মানুষের শরীরের রক্তনালী (vascular system)!
আপনি যা দেখছেন—তা হলো, একটি পূর্ণ মানবদেহের শিরা-উপশিরার জটিল জাল। কোনো হাড় নেই, কোনো মাংস নেই, শুধু রক্ত সঞ্চালনার পথগুলো।
একবার কল্পনা করো, আল্লাহ তায়ালা মানুষের শরীরের ভিতরে কতো নিখুঁতভাবে প্রতিটি রগ, শিরা, উপশিরা, ধমনি বসিয়ে দিয়েছেন—যা প্রতিটি অঙ্গ পর্যন্ত রক্ত পৌঁছে দেয়।
কুরআনে আল্লাহ বলেন:
وَفِي أَنفُسِكُمْ ۚ أَفَلَا تُبْصِرُونَ
"তোমাদের নিজেদের মধ্যেই রয়েছে নিদর্শন। তবুও কি তোমরা দেখো না?" সূরা আদ-ধারিয়াত: ২১
বিজ্ঞান এখনো প্রতিটি রক্তনালীর নাম জানে না। অথচ আল্লাহ এমন এক জটিল সিস্টেম সৃষ্টি করেছেন, যা প্রতি মুহূর্তে আমাদের রক্ত সঞ্চালনা করছে—একটি ভুল হলে মানুষ সাথে সাথেই মারা যেতে পারে।
আল্লাহ বলেন:
خَلَقَ الْإِنسَانَ مِنْ عَلَقٍ
"তিনি মানুষকে একটি ঝুলন্ত রক্তপিণ্ড থেকে সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আলাকঃ ২)
এই ছবি শুধু একটি ছোট নিদর্শন, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—
আমরা কোনো সাধারণ মেশিন না, আমরা আল্লাহর সৃষ্টি।
তিনি আমাদের প্রতিটি শিরা-উপশিরা জানেন,
প্রতিটি ধমনির রক্ত প্রবাহ জানেন,
প্রতিটি দেহাংশের কাজ তিনিই নির্ধারণ করেছেন।
এটা দেখে কি মনে পড়ে না, তিনি কত মহান?
কেমন করে আমরা তাকে অস্বীকার করি, অথচ তাঁর সৃষ্টি নিজের চোখে দেখি?
হে আমার প্রভু, তুমি কতই না কুদরতওয়ালা, নিখুঁত কারিগর। আমাদের অন্তর তোমার ভয় ও ভালোবাসায় সিক্ত করো। আমিন!
17/06/2025
মুসলিমরা ভয় পাবার কিছু নেই। ইনশাআল্লাহ মুসলিমরাই বিজয়ী হবে।
قُلْنَا لَا تَخَفْ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْأَعْلَىٰ
আমরা বললাম: ভয় করো না, তুমি বিজয়ী হবে।
শব্দে শব্দে শিখুন
قُلْنَا — কুল্না — আমরা বলেছিলাম
لَا — লা — না / ভয় পেও না
تَخَفْ — তাখাফ্ — তুমি ভয় পেও না
إِنَّكَ — ইন্নাকা — নিশ্চয়ই তুমি
أَنتَ — আনতা — তুমি-ই
ٱلْأَعْلَىٰ — আল-আ‘লা — সর্বোচ্চ / বিজয়ী
ছবি: তেলআবিব, ইসরাইল।
06/04/2025
ফি লি স্তিন ইস্যুর বর্তমান প্রেক্ষাপটে মুসলিম উম্মাহর উপর জি*হ|দ ফরজ হওয়া প্রসঙ্গে || মূল :জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন করাচী।
ফি লি স্তিনসহ বিশ্বের সেইসব নির্যাতিত ও নিপীড়িত ইসলামি ভূখণ্ড—যেগুলো দুনিয়ার আ*ক্রমণপিপাসু ক| ফে র শক্তির নির্মম আ গ্রা স নের পরীক্ষাক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। যারা একাকী সেই যু লু ম ও বর্বরতার প্রতিরোধে সম্পূর্ণরূপে অক্ষম—তাদের রক্ষায়, জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তায় সহায়তার হাত বাড়ানো প্রতিটি মুসলমানের ওপর নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী ফরজ। এটি শুধু মানবতা নয়, ঈমানের দাবিও বটে।
শরীয়তের দৃষ্টিতে প্রথমে নিকটবর্তী ইসলামি দেশগুলোর কর্তব্য হলো নির্যাতিতদের রক্ষা এবং তাদের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ময়দানে নেমে লড়াই করা। যদি তারা এই দায়িত্ব পালনে অক্ষম হয় কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা করে, তাহলে তাদের পরবর্তী নিকটবর্তী দেশগুলোর ওপর জি*হ| দ ফরজ হয়ে যাবে।
ভৌগোলিক দিক থেকে পাকিস্তানসহ দূরবর্তী মুসলিমদেশগুলো যদিও প্রথম পর্যায়ে শরয়ী দায়িত্ব পালনকারী হিসেবে বিবেচিত না হয়, তবুও কূটনৈতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রভাব ও প্রতিপত্তি ব্যবহার করা পাকিস্তান এবং অন্যান্য সকল মুসলিম দেশের শরয়ী দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়। যাতে তারা যেকোনো স্তরে এবং যেকোনোভাবে আল-আকসা এবং ফি লি স্তি নি মুসলমানদের সাহায্য এবং সুরক্ষার জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
যে সকল ফি লি স্তি নি মুসলমান এই মুহূর্তে দখলদার ই স রায়েলি আগ্রাসনের শিকার, তাদের সবার সাহায্য করা উম্মাহর উপর ফরজ। এমনিভাবে ফি লি স্তি নের বর্তমান পরিস্থিতি এবং মসজিদুল-আকসার সুরক্ষার জন্য পুরো মুসলিম বিশ্বের উচিত তাদের ফি লি স্তি নি মুসলিম ভাইদের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করা। এছাড়া, ব্যক্তিগত এবং সামাজিকভাবে প্রতিটি মুসলিমের উপর তার সক্ষমতা অনুযায়ী ভূমিকা পালন করা ফরজ।
অতএব, উম্মতের প্রতিটি শ্রেণীর লোক—সাধারণ জনগণ হোক বা শাসকগণ—তাদের অবস্থান ও সামর্থ্য অনুযায়ী ফি লি স্তি ন—বিশেষত গ| জ| র মুসলমানদের সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান এবং মসজিদে আকসা (مسجد اقصیٰ) এর সুরক্ষা নিশ্চিত করার ব্যাপারে শরয়ীভাবে দায়িত্বশীল।
তাই যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পক্ষে দ খ ল দা র আগ্রাসনকারীদের বি রু দ্ধে লড়াই করা অথবা সাধারণ নির্যাতিত ফি লিস্তিনি মুসলমানদের শারীরিক বা আর্থিকভাবে সহায়তা করা সম্ভব, অথবা যারা তাদের খাদ্য-পানীয় বা অন্য কোনভাবে সাহায্য করতে সক্ষম তাদের জন্য এ ধরনের সহায়তা ও সমর্থন প্রদান করা আবশ্যক।
এছাড়া যেসব মুসলমান ই হু দি বাদী দখলদার রাষ্ট্রের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য কোনো ব্যবস্থা নিতে স ক্ষ ম, তারা যেন তা থেকে বিরত না থাকে। মূল কথা হলো, দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুপাতে। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে না আসা ধর্মীয় ও মানবিক উভয় দিক থেকেই অপরাধস্বরূপ।
অনুবাদ : মুহাম্মাদ খাইরুল ইসলাম
ফাতাওয়া নং [144508102623]।
তারিখ: ৬ এপ্রিল | ২০২৫ ঈসায়ী।
04/04/2025
ভারতে মুসলমানদের ঈদে ফুল ছিটানোর ছবি দিয়ে বিশ্ববাসিকে বোকা বানিয়ে এদিকে ওরা নিজেদের সেই নির্যাতন অব্যাহত রাখতে একটা বিল পাস করিয়েছে।
উগ্র হি'ন্দু'ত্ববাদী বি'জে'পি শাসিত ভা'র'তে মুসলিম বি'রো'ধী বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পাস
সংশোধিত বিল অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিলে ও ওয়াকফ বোর্ডে দুই জন মুসলমান নন এমন সদস্য থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়াও সম্পত্তি প্রদানের আরেকটি প্রাথমিক শর্ত হলো, অন্তত পাঁচ বছর ধরে ই'স'লা'ম ধ'র্মা'বল'ম্বী হলে একমাত্র ওয়াকফকে সম্পত্তি দেওয়া যাবে। বিলটি মু'স'লি'মদের দান করা মসজিদ, মাদ্রাসা, আশ্রয় কেন্দ্র এবং ভূমির মতো সম্পত্তিগুলি নিয়ন্ত্রণ করবে। বিরোধীরা দাবি করছে, বিলটি সরকারকে এই সম্পত্তিগুলোর ওপর অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ দেয় এবং মু'স'লি'ম ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপের পথ খুলে দেয়।
এআইএমআইএম-এর আসাদউদ্দিন ওয়াইসি জানান, তিনি প্রতীকী পদক্ষেপে মহাত্মা গান্ধীর অনুসরণে এই আইন ছিঁ'ড়ে প্রতিবাদ জানালেন। এই মু'স'লি'ম বি'রো'ধী বিল পাশ হওয়ার সময় তাকে অ'শ্রুসজল দেখা যায়।
রোযার বিধান -
হে বিশ্বাসীগণ! তোমাদের জন্য সিয়ামের বিধান দেওয়া হল, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য দেওয়া হয়েছিল, যাতে তোমরা সংযমশীল হতে পার। - সূরা আল-বাকারা ২:১৮৩
রমজানের গুরুত্ব -
রমাযান মাস- যার মধ্যে কুরআন নাযিল করা হয়েছে লোকেদের পথ প্রদর্শক এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট বর্ণনারূপে এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে, কাজেই তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস পাবে, সে যেন এ মাসে রোযা পালন করে আর যে পীড়িত কিংবা সফরে আছে, সে অন্য সময় এ সংখ্যা পূরণ করবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য যা সহজ তা চান, যা কষ্টদায়ক তা চান না যেন তোমরা মেয়াদ পূর্ণ করতে পার, আর তোমাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করার কারণে তোমরা আল্লাহর মাহাত্ম্য ঘোষণা কর, আর যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পার। - সূরা আল-বাকারা ২:১৮৫
*************************************
তারাবীহ সালাত সম্পর্কিত হাদিস - ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) ...আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
"আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে রমজান সম্পর্কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াব লাভের আশায় কিয়াম (তারাবীহ) আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।"
(সহীহ বুখারী, অধ্যায়ঃ ২৪, তারাবীহর সালাত)
*************************************
সেহরী সম্পর্কে হাদিস - আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমরা সেহরী গ্রহণ কর, কেননা এতে বরকত রয়েছে।" - (সহীহ আল-বুখারী ১৯২৩, বই ৩২, হাদিস ৩২)
*************************************
ইফতার -
হজরত সাহল ইবনে সাআদ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যত দিন লোকেরা ওয়াক্ত হওয়ামাত্র ইফতার করবে, তত দিন তারা কল্যাণের ওপর থাকবে।’ (বুখারি, সাওম অধ্যায়, হাদিস: ১৮৩৩)।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ রোজা রাখলে খেজুর দিয়ে যেন ইফতার করে, খেজুর না হলে পানি দ্বারা; নিশ্চয়ই পানি পবিত্র।’ (তিরমিজি ও আবু দাউদ; আলফিয়্যাতুল হাদিস: ৫৬২, পৃষ্ঠা: ১৩১-১৩২)।
ইফতার করানোর ফজিলত -
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে, সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করবে এবং রোজাদারের সওয়াবের সমপরিমাণ সওয়াব সে লাভ করবে। তবে ওই রোজাদারের সওয়াব কম করা হবে না।’
*************************************
মর্যাদাপূর্ণ রাত্রি (লাইলাতুল কদর) হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। - সূরা আল-কাদর, 97:3
‘আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযানের শেষ দশকে ই‘তিকাফ করতেন এবং বলতেনঃ তোমরা রমাযানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর।
- সহীহ বুখারী (তাওহীদ) | অধ্যায়ঃ ৩২/ লাইলাতুল ক্বদর-এর ফাযীলাত | হাদিস নাম্বার: 2020
*************************************
সদাকাতুল ফিতর (ফিতরা) - ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোজাদারের অশ্লীল কথাবার্তা ও অপ্রীতিকর আচরণ থেকে পবিত্রকরণের জন্য এবং মিসকিনদের আহারের সংস্থান করার জন্য সদাকাতুল ফিতর (ফিতরা) নির্ধারণ করেছেন। ঈদের সালাতের পূর্বে এটি আদায় করা উত্তম।
(সূত্র: আবু দাউদ ১৬০৯, সহীহ বুখারী ১৫০৩, সহীহ মুসলিম ৯৮৪, ইবনে মাজাহ ১৮২৭, সহীহ ইবনে খুযাইমাহ ২৩৪১)
উত্তর গা | জা থেকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।
১৬ জুন, ২০২৪
25/05/2024
কথা হচ্ছিলো মিঠুন মন্ডলের সাথে। তিনি এই মিশনারী স্কুলের দায়িত্বে আছেন। জানালেন, প্রায় একশ -্এর মতো মুসলিম বাচ্চা এখানে পড়াশোনা করে। অত্যান্ত ঠান্ডা মাথায় বাচ্চাদের কচি মনে খ্রিস্টধর্মের বীজ বপন করা হচ্ছে! আমরা কি কোন খোঁজ-খবর রাখছি?
আমাদের বেখবর ,বেফিকির থাকাটা আমাদের ক্ষতিই ডেকে আনবে। দয়াময় আল্লাহ মুসলিম উম্মাহর ঈমানকে হেফাজত করুন। আমিন
~শেখ মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম
খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) স্ত্রীকে বললেন- ‘প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি বেশিক্ষণ বাঁ'চবো বলে মনে হচ্ছে না। তুমি আমার সারাটা শরীর পরীক্ষা করে দেখ, এমন কোনো স্থান কি আমার শরীরে আছে যেখানে শ'ত্রু'র তরবারীর আ'ঘা'ত নেই’?
দীর্ঘক্ষণ পরীক্ষা করে স্ত্রী উত্তর দিলেন- ‘না। আল্লাহ'র রাস্তায় আপনি এত বেশি যু'দ্ধ করেছেন যে আপনার সারাটা শরীরেই শ'ত্রু'র আ'ঘা'ত আছে’।
খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) তখন দুঃখ নিয়ে বললেন- ‘আল্লাহ'র কসম, প্রতিটা জিহাদে আমার নিয়ত থাকতো যেন আমি ময়দানে শ'ত্রু'র আ'ঘা'তে শেষ হয়ে যাই, তাতে যেন শহীদের মর্যাদা পাই। কিন্তু আফসোস, দেখ আজ যুদ্ধের ময়দানে মৃ'ত্যু না হয়ে আমার মৃ'ত্যু হচ্ছে আমারই বিছানায়! আমায় কি আল্লাহ শহীদদের মাঝে রাখতে চান না’?
স্বামীর আফসোস দেখে স্ত্রী কিছুক্ষণ মৌন রইলেন। এরপর করলেন সেই বিখ্যাত উক্তি :- ‘আপনার নাম স্বয়ং রাসুল (সা.) রেখেছিলেন সাইফুল্লাহ/আল্লাহ'র তরবারী (⚔️) । এমন কোনো তরবারী কি দুনিয়ায় আছে যেটা আল্লাহ'র তরবারীর মোকাবিলা করতে পারে? তাইতো ময়দানে আপনার মৃ'ত্যু হয়নি কারণ আল্লাহ তার তরবারী মাটিতে লুটিয়ে যেতে দেননি’।
'সুবহানাল্লাহ' ❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Baridhara
Dhaka
1212