10/06/2026
Maliki Madhab Bangladesh
মুসলিম বিশ্বের চারটি মাযহাবের মধ্যে মালিকি মাযহাব অন্যতম যা মাদিনার মাযহাব নামেই সুপরিচিত।
10/06/2026
28/05/2026
মালিকি মাযহাব অনুযায়ী হানাফি ইমামের পিছনে ঈদের সালাত যেভাবে আদায় করবেন। আজ আমাদের মসজিদে ঈদের সালাত সকাল ৭:৩০ মিনিটে। কমেন্টে জানাতে পারেন আপনাদের নিজ নিজ এলাকায় ঈদের নামাযের সময়। ঈদ মুরাবক সবাইকে।
تقبل ﷲ منا ومنكم صالح الأعمال وأضاحينا
27/05/2026
মালিকী মাযহাবে তাকবীরে তাশরীক পড়বার নিয়ম। নিয়মটি হানাফী মাযহাবের থেকে আলাদা।
16/05/2026
পশু ওজন করে কুরবানীর বিষয়ে আমাদের মাযহাবে দুদিকের মতই পাওয়া যায়।
06/05/2026
জুমার দিনে মসজিদের আশেপাশে ইমামের অনুসরণে ইকতিদা করে নামাজ পড়ার হুকুম
ইবনুল কাসিম বলেন:
“ইমাম মালিক বলেছেন—
মসজিদের আশেপাশে যে সব জায়গা আছে—যেমন দোকানের উঠান বা ঘরের উঠান, যেগুলোতে (সাধারণত) অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা যায়—সেসব জায়গায় জুমার দিনে ইমামের সাথে নামাজ পড়াতে কোনো সমস্যা নেই।
তিনি বলেন—
যদি কাতার (সারি) ঐ উঠানগুলো পর্যন্ত সংযুক্ত না-ও হয়, তবুও কেউ সেখানে নামাজ পড়লে—মসজিদে জায়গা সংকীর্ণ হলে—তার নামাজ সম্পূর্ণ (সহীহ) হবে।
তিনি আরও বলেন—
ইমাম মালিক বলেছেন: আমি পছন্দ করি না যে কেউ ঐ উঠানগুলোতে নামাজ পড়ুক, তবে মসজিদে জায়গা সংকীর্ণ হলে ভিন্ন কথা।
ইবনুল কাসিম বলেন:
তবুও যদি কেউ সেখানে নামাজ পড়ে, তবে তা যথেষ্ট (সহীহ) হবে।
ইমাম মালিক বলেন:
যদি তাদের মাঝে রাস্তা থাকে এবং কাতার ঐ উঠান পর্যন্ত সংযুক্ত না হয়, তবুও সে ঐ উঠানে ইমামের অনুসরণে নামাজ পড়লে—তার নামাজ সম্পূর্ণ (সহীহ) হবে।”
আল-মুদাওয়ানাহ (১/২৩২)
01/05/2026
প্রশ্ন: নামাজের মধ্যে ইমামের অজু ভেঙে গেলে (হাদাস ঘটলে) এবং তিনি কাউকে স্থলাভিষিক্ত (ইমাম) না করে বের হয়ে গেলে—তখন কী করণীয়।
উত্তর:
সাহনুন বলেন:
আমি জিজ্ঞেস করলাম—যদি ইমাম বের হয়ে যান এবং কাউকে স্থলাভিষিক্ত না করেন, তাহলে কি লোকেরা কাউকে সামনে এগিয়ে দিয়ে নামাজ চালিয়ে যাবে, নাকি একা একা নামাজ পড়বে, অথচ ইমাম বের হয়ে গেছে এবং তাদের ছেড়ে গেছে?
ইবনুল কাসিম বলেন:
আমার মতে, তাদের মধ্য থেকে একজন সামনে এগিয়ে এসে তাদেরকে ইমামতি করবে এবং তারা তার সাথে তাদের নামাজ সম্পন্ন করবে। এটাই মালিকের মত।
আমি (সাহনুন) বললাম:
যদি তারা একা একা নামাজ পড়ে?
তিনি বললেন:
আমি এটি মালিক থেকে শুনিনি, এবং এটি আমার পছন্দ নয়। তবে তাদের নামাজ সহীহ (সম্পন্ন) হয়ে যাবে।
আল-মুদাওয়ানাহ (১/২২৭)
26/04/2026
নামাজে সিজদার আয়াতযুক্ত সূরা ইচ্ছাকৃতভাবে পড়ার হুকুম
ইমাম মালিক ইবনে আনাস (রহিমাহুল্লাহ)-এর মতে:
ইবনুল কাসিম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:
“ইমাম মালিক বলেছেন—
আমি পছন্দ করি না যে, ইমাম ফরজ নামাজে এমন কোনো সূরা পড়ুক, যাতে সিজদার আয়াত রয়েছে;
কারণ এতে মানুষের নামাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।”
তিনি আরও বলেন:
“আমরা ইমাম মালিককে জিজ্ঞেস করলাম—
যদি ইমাম ফজরের নামাজে এমন সূরা পড়েন, যাতে সিজদার আয়াত রয়েছে—এর হুকুম কী?”
তখন তিনি এটাকে অপছন্দ করেছেন এবং বলেছেন—
“আমি অপছন্দ করি যে, ইমাম ইচ্ছাকৃতভাবে এমন সূরা নির্বাচন করে পড়ুক, যাতে সিজদার আয়াত আছে;
কারণ এতে মানুষের নামাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।
তবে যদি সে এমন সূরা পড়ে, যাতে সিজদার আয়াত রয়েছে, তাহলে সে (তিলাওয়াতের) সিজদা করবে।”
আল-মুদাওয়ানাহ (১/২০০)
24/04/2026
ইমাম মালিক (রহ:) বলেন:
“আমার কাছে পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর কিছু সাহাবী অপছন্দ করতেন যে,
কেউ জুমার দিনে কাজ ত্যাগ করুক—
যেমন ইহুদিরা শনিবারে এবং খ্রিস্টানরা রবিবারে কাজ ত্যাগ করে থাকে।”
আল-মুদাওয়ানাহ (১/২৩৪)
এটা মূলত সূরা জুমআর ৯ ও ১০ নং আয়াত থেকে আসে। যেখানে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বলেন:
সূরা জুমআ, আয়াত ৯-১০
يَآأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَوٰةِ مِن يَوۡمِ ٱلۡجُمُعَةِ فَٱسۡعَوۡاْ إِلَىٰ ذِكۡرِ ٱللَّهِ وَذَرُواْ ٱلۡبَيۡعَۚ ذَٰلِكُمۡ خَيۡرࣱ لَّكُمۡ إِن كُنتُمۡ تَعۡلَمُونَ
হে মুমিনগণ, যখন জুমু‘আর দিনে সালাতের জন্য আহবান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও। আর বেচা-কেনা বর্জন কর। এটাই তোমাদের জন্য সর্বোত্তম, যদি তোমরা জানতে।
فَإِذَا قُضِيَتِ ٱلصَّلَوٰةُ فَٱنتَشِرُواْ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَٱبۡتَغُواْ مِن فَضۡلِ ٱللَّهِ وَٱذۡكُرُواْ ٱللَّهَ كَثِيرࣰا لَّعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ
অতঃপর যখন সালাত সমাপ্ত হবে তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় আর আল্লাহর অনুগ্রহ হতে অনুসন্ধান কর এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফল হতে পার।
এখানে স্পষ্টত আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিচ্ছেন সালাত শেষ হলে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়তে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান করতে। কোন হাদিস বা মদিনা বাসীদের আমল থেকেও পাওয়া যায় না যে তাঁরা শুক্রবারে সব রকম কাজ তরক করে কেবল আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হয়ে যেতেন যেমনটা বিভিন্ন রাহিব ও পাদ্রীরা হতো।
এখানে আমাদের কিছু বাস্তবতা বোঝা দরকার। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম ও তাঁর আসহাবে কিরাম ছিলেন এমন এক যুগের মানুষ ছিলেন যখন কিনা নয়টা থেকে পাঁচটা চাকরি হতো না। তারা ফজরের সময়ের পরেই রিজিক তালাশে চলে যেতেন। এনারা এশার পরপরই ঘুমিয়ে পড়তেন। তাঁরা আমাদের মত এতটা পুঁজিবাদী ব্যস্ততায় জর্জরিত ছিলেন না। এটা আমাদের একবিংশ শতাব্দীর বাস্তবতায় হয়তো অসম্ভব কিন্তু আজ থেকে ৩০ বছর আগে পর্যন্তও সম্ভব ছিল। তাই আমাদের একটা দিন ছুটির দরকার হয়ই। সেটা যদি শুক্রবার হয় তাহলে অসুবিধে নেই। আর আমরা যে একেবারেই শুক্রবারে কোন কাজ করি না তা নয়। অনেকেই সাপ্তাহিক বাজারটা করেন শুক্রবারে। কেউ কেউ পরিবার নিয়ে সময় কাটান। কেউ কেউ ছুটে যান বিভিন্ন হালাকায়, কিংবা দুনিয়াবী পড়াশোনায়। তাই শুক্রবারেও একেবারেই কাজ না করার মত অবসর আসলে আমাদের নেই। তবে কুরআনের নির্দেশ, আল্লাহর রাসূল (সা) ও তাঁর সাহাবীদের পছন্দ এবং ইমাম মালেকের বুঝ মোতাবেক আমরা বুঝতে পারলাম যে, শুক্রবারে একেবারেই কোন কাজ না করে কেবলমাত্র ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট করা অপছন্দনীয় বা মাকরূহ। আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার তৌফিক দিন। আমীন!
মালিক (রহ.)-এর মতে শামুক (হালাজূন) খাওয়ার হুকুম:
ইবনুল কাসিম বলেন: ইমাম মালিককে মাগরিব দেশে পাওয়া এক ধরনের প্রাণী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, যাকে “হালাজূন” বলা হয়—যা মরুভূমিতে থাকে এবং গাছে লেগে থাকে—এটি কি খাওয়া যাবে?
তিনি বলেন: আমি এটিকে পঙ্গপালের মতোই মনে করি। যেটা জীবিত অবস্থায় ধরা হয়, তারপর সেদ্ধ বা ভেজে নেওয়া হয়—তাহলে তা খেতে কোনো অসুবিধা দেখি না। আর যেটা মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, তা খাওয়া যাবে না।
সূত্র: আল-মুদাওয়ানা, ১/৫৪২
20/04/2026
প্রশ্ন:
ইমামের সাথে রুকু পাওয়ার (রাকাত ধরতে পারার) সীমা কী?
উত্তর:
ইবনুল কাসিম বলেন: ইমাম মালিক থেকে “আল-মাজমু‘আ” গ্রন্থে বর্ণিত—
ইমামের সাথে রাকাত পাওয়ার সীমা হলো, সে দাঁড়ানো অবস্থায় তাকবীরে তাহরিমা (নামাজ শুরু) বলবে।
এবং সে তার দুই হাত দিয়ে নিজের হাঁটু ধরতে পারবে, ইমাম তার মাথা উঠানোর (রুকু থেকে ওঠার) আগে।
সূত্র:
আল-জামি‘ লি-মাসায়িল আল-মুদাওয়ানা, ২/৪৯৮
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
Dhaka
1212