ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং মোতাবেক ২৮ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) রোজ জুমাবার সকাল ৬:০০ থেকে ৭:১০ পর্যন্ত সাপ্তাহিক দারসুল কুরআন অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল সূরা নিসার ৪ নং আয়াত থেকে তাফসীর শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। স্থান: মারকাযুল আফকার আল ইসলামিয়া মুন্সিবাড়ি, হেলাল মার্কেট দক্ষিণপাড়া, উত্তরখান, উত্তরা, ঢাকা
।
পুরুষদের বসার স্থান : মাদ্রাসা ভবনের দ্বিতীয় তলা।
মহিলাদের বসার স্থান:
মাদ্রাসার নিচতলা।
পবিত্র কুরআনুল কারীমের স্নিগ্ধ ছায়ায় জীবনকে শান্তিময় করার উদ্দেশ্যে আপনার সবান্ধব উপস্থিতি কাম্য।
Markazul Afkar Al Islamia
ইলমে নববি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে একটি সৃজনশীল সংস্কারধর্মী কওমি মাদরাসা।
ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল ১০ এপ্রিল ২০২৬ ইং মোতাবেক ২১ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) রোজ জুমাবার সকাল ৬:০০ থেকে ৭:০০টা পর্যন্ত সাপ্তাহিক দারসুল কুরআন অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল সূরা নিসার ১ নং আয়াত থেকে তাফসীর শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। স্থান: মারকাযুল আফকার আল ইসলামিয়া মুন্সিবাড়ি, হেলাল মার্কেট দক্ষিণপাড়া, উত্তরখান, উত্তরা, ঢাকা
।
পুরুষদের বসার স্থান : মাদ্রাসা ভবনের দ্বিতীয় তলা।
মহিলাদের বসার স্থান:
মাদ্রাসার নিচতলা।
পবিত্র কুরআনুল কারীমের স্নিগ্ধ ছায়ায় জীবনকে শান্তিময় করার উদ্দেশ্যে আপনার সবান্ধব উপস্থিতি কাম্য।
ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল ৩ এপ্রিল ২০২৬ ইং মোতাবেক ১৪ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) রোজ জুমাবার সকাল ৬:১০ থেকে ৭:১০ পর্যন্ত সাপ্তাহিক দারসুল কুরআন অনুষ্ঠিত হবে। আজকে সূরা আলে ইমরানের ১৯০ নং আয়াত থেকে তাফসীর শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। স্থান: মারকাযুল আফকার আল ইসলামিয়া মুন্সিবাড়ি, হেলাল মার্কেট দক্ষিণপাড়া, উত্তরখান, উত্তরা, ঢাকা
।
পুরুষদের বসার স্থান : মাদ্রাসা ভবনের দ্বিতীয় তলা।
মহিলাদের বসার স্থান:
মাদ্রাসার নিচতলা।
পবিত্র কুরআনুল কারীমের স্নিগ্ধ ছায়ায় জীবনকে শান্তিময় করার উদ্দেশ্যে আপনার সবান্ধব উপস্থিতি কাম্য।
ফেরিতে ওঠার সময় গাড়িতে থাকবেন না, পাম্পে গ্যাস নেয়ার সময় গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়াবেন, লেভেল ক্রসিং এর উপর গাড়ি বন্ধ হয়ে গেলে দ্রুত নেমে যাবেন, ট্রেনের ছাদে উঠবেন না, লাফ দিয়ে লঞ্চ ধরার চেষ্টা করবেন না, অতিরিক্ত গতিতে মোটরসাইকেল চালাবেন না, মহাসড়কে ছোট গাড়ি নিয়ে উঠবেন না, আল্লাহ সবাইকে নিরাপদে রাখুক!
টি-কা ব্যবসায়ী বি'ল গে:টস বলেছেন, পরবর্তী মহা:মারী অতি দ্রুত আসছে! যেটা পূর্বের চেয়েও ভয়ঙ্কর হবে!! ধারণা করা হচ্ছে, এটা কামিং সুন, মানে ২০২৮-৩০ সালের মধ্যেই!
আচ্ছা! সে কি এপিডেমিওলজিস্ট নাকি ভাইরোলজিস্ট?! সে কি সাইন্টিস্ট নাকি চিকিৎসাবিদ?!
না, সে কোনটাই নন যদিও এগুলো হলেও মহামারী সম্পর্কে অগ্রিম এবং নিশ্চিতভাবে কিছু বলা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়! আসলে এগুলো ভবিষ্যৎ বাণী নয় বরং এগুলো তাদের শয়/তানি পরিকল্পনা! কারণ সে একজন মানব ব্যবসায়ী। বর্তমানে তার অন্যতম প্রধান ব্যবসা ভ্যা-ক্সিন!
ইনি বলছেন "পরবর্তী মহা'মারি আসছে এবং সেটা আরও খারাপ হবে।" এবার প্রশ্ন হচ্ছে...
১. তিনি কি করে জানলেন?
২. এখানে তার কিসের ইন্টারেস্ট?!
৩. ইনি এসব কেন বলছেন?
করো না মহামারি এবং এপ"স্টেইন ফাইল প্রকাশের পর এগুলো এখন ক্লিয়ার যে, তিনি আসলে ভবিষ্যৎবাণী জানেন না! বরং এটা তার নোংরা পরিকল্পনার অংশ। এখানে তার বিলিয়ন ডলারের ইন্টারেস্ট আছে! এগুলো বলে তিনি মানুষের সাইকোলজি বোঝার চেষ্টা করেন এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেন।
সুতরাং লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হন। ভাইরাস নয়, ভয়ের বিরুদ্ধে লড়াই, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই! জীবনের জন্য লড়াই, স্বাধীনতার জন্য লড়াই, টোটাল কন্ট্রোলের বিরুদ্ধে লড়াই!!
শপথ করুন, মরার আগে মরবো না!
তাহলে কি করতে হবে?!
হ্যাঁ, অবশ্যই প্রাকৃতিক খাবারে, হেলদি লাইফস্টাইলে, ন্যাচারাল পরিবেশে, প্রাকৃতিক চিকিৎসা এবং ইসলামের দিকে ফিরে আসতে হবে। বিশেষ করে, শেষ জামানার বিষয়গুলো জেনে সেই অনুযায়ী পূর্ব প্রস্তুতি নিতে হবে।
Copy
#সন্তান গড়ার কৌশল: ১
১ সন্তানকে কোমল পানীয় খাওয়াবেন না । কারণ এতে রয়েছে ইথিলিন গ্লাইকল যা আর্সেনিকের মত বিষ। এটি কিডনিকে বিকল করে দিতে পারে এবং হারকে করতে পারে ভঙ্গুর। ডায়াবেটিস মস্তিষ্কের টিউমার সহ নানা রূপের জন্ম দেয়।
২. সন্তানকে জুস ও চিপস খাওয়াবেন না। যদিও চিপস শিশুদের পছন্দের খাবার । কারণ এতে মাত্রাতিরিক্ত টেস্টিং সল্ট রয়েছে, যা বিশেষজ্ঞদের মতে শিশুর মস্তিষ্কের কোষকে দ্রুত নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে।
৩. সন্তানকে নিয়ে সৎ ও ভালো মানুষের সাথে দেখা করতে যাবেন। সৎ ও চরিত্রবান শিক্ষকের মাধ্যমে পাঠদান করবেন। তাদের জন্য ভালো বন্ধু নির্বাচন করবেন। কারণ সৎসঙ্গের প্রভাবে আপনার সন্তান সৎ ও ভালো মানুষ হবে।
৪. সন্তানদেরকে ভালোবাসা দিয়ে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। মনে রাখবেন- শিশুরা প্রশংসাই উৎসাহিত হয়, আনন্দ পায়, শিক্ষায় মনোযোগী হয়, ইচ্ছাশক্তি দৃঢ় হয়। আর শিশুদেরকে যত বেশি খারাপ বলবেন, খারাপ হতে সে তত বেশি উৎসাহী হবে।
৫. শিশুদেরকে শিক্ষা-দীক্ষায় উৎসাহিত করে তাদের হৃদয়ে চেতনা তৈরি করুন। শিক্ষার উদ্দেশ্য সন্তানকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দিন। মনে রাখবেন, শুধু টাকা আর ধনসম্পত্তি থাকলেই সন্তানেরা সুশিক্ষিত হয় না। সন্তান সুশিক্ষিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন পিতা-মাতার বিশ্বাস, আগ্রহ ও ভালোবাসা। প্রত্যেক বাবা-মা হচ্ছে সন্তানের সেবক ও পরিচর্যাকারী।
৬. সন্তানকে সুশিক্ষিত, উন্নত চরিত্র সম্পন্ন, গবেষক ও সাহিত্যিক রূপে গড়ে তোলার জন্য ভালো ভালো বই সংগ্রহ করে পারিবারিক পাঠাগার গড়ে তুলুন।
৭. কারো সামনে সন্তানের দোষ ধরবেন না। তাকে ছোট করবেন না। তাকে ভালোবাসা দিবেন, সময় দিবেন, সেও বড় হয়ে আপনাকে সময় দিবে।
৮. সন্তানকে সালাম দিতে শেখাবেন। দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহারিক সুন্নাহগুলো শিখাবেন।
৯. সন্তানেরা পারিবারিক পরিবেশ থেকেই বেশি শিখে। যে পরিবারে কলহ-বিবাদ লেগে থাকে, একে অপরের দোষ ধরে, একে অন্যকে ছোট করে দেখে, অসম্মান করে তাহলে সে ঘরের সন্তান বড় হয়ে কাউকে সম্মান করতে শিখবে না। পিতা মাতার সম্পর্ক সন্তানকে সভ্য ও ভদ্র হিসেবে গড়ে তোলে।
১০. পরীক্ষার ফল খারাপ হলে সন্তানকে শারীরিক বা মানসিকভাবে চাপ দিবেন না। তাকে উৎসাহিত করবেন।
১১. আপনি সন্তানের কাছে যেমন ব্যবহার আশা করেন নিজের পিতা মাতার সঙ্গেও আপনি সেরূপ ব্যবহার করুন।
১২. সন্তান আপনাকে দেখে দেখে শিখবে। তাই নিজের আমল ভালো করুন।
#মারকাযুল আফকারের হিফজুল কুরআন বিভাগের দৈনন্দিন সময়সূচী (গ্রীষ্মকালীন)
*ঘুম থেকে জাগা:
তাহাজ্জুদের শেষ সময়ের কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে।
*সবক শোনানোর সময়:
ফজরের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত।
*ফজরের নামায, আযকার, হাঁটাহাঁটি ও হালকা নাস্তা: ৪৫ মিনিট।
*সাত সবক শোনানোর সময়:
ফজরের পর থেকে ৭:২৫ মিনিট।
*ইশরাকের নামায:
৭:২৫ থেকে ৭:৩০ পর্যন্ত।
*সকালের খাবারের সময়:
৭:৩০ থেকে ৭:৫০ পর্যন্ত।
*আমুখতা ইয়াদ করা:
৭:৫০ থেকে ৮:৩০ পর্যন্ত।
*কুরআনের মাশক, তাজবীদ ও লাহান:
৮:৩০ থেকে ৯:১৫ পর্যন্ত।
*সকালের ঘুমের সময়:
৯:১৫থেকে ১১:৩০ পর্যন্ত।
*গোসল:
১১:৩০ থেকে ১২:০০ পর্যন্ত।
*আমুখতা শোনানোর সময়:
১২:০০ থেকে :১:০০ পর্যন্ত এবং ২টা থেকে ৩টা।
*নামায, দীনিয়াত এবং খাবার:
১টা থেকে ২টা।
*দৈনিক তিলাওয়াত:
৩:০০ থেকে ৪:০০ পর্যন্ত।
*সামনের সবক নাযেরা দেখা:
৪:০০ থেকে ৪:৪৫ পর্যন্ত।
*আসরের পর খেলাধূলা: (উস্তাদের নেগরানিতে)
মাগরিবের আজানের ২০ মিনিট পূর্ব পর্যন্ত।
*আমলি মাশক,সন্ধ্যার আযকার ও দোয়া:
মাগরিবের আযানের পূর্বে ১৫ মিনিট।
*সবক মুখস্থ করা:
মাগরিব থেকে ইশা।
*ইশার পর তালিম/নাসিহত: ১০ মিনিট।
*রাতের খাবার:
৯:১০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত।
*জেনারেল :
৯:৩০ থেকে ১০:১০ পর্যন্ত।
*রাত্রে ঘুমানোর সময়:
১০:১০ থেকে তাহাজ্জুদের শেষ সময়ের ৩০ মিনিট পূর্ব পর্যন্ত।
*সাপ্তাহিক মুহাসাবা ও মুযাকারা :
বুধবার ইশার পর এক ঘন্টা।
*সাপ্তাহিক শবিনা:
বৃহস্পতিবার ফজরের পর থেকে ইশা পর্যন্ত।
*সাপ্তাহিক সেমিনার:
বৃহস্পতিবার রাত ৯ টা থেকে ১০টা।
*সাপ্তাহিক তাফসির:
জুমাবার ফজরের পর ১ ঘন্টা।
*জুমাবারের পরিছন্নতা ও গোসল:
তাফসীরের পর থেকে থেকে ৯:৪৫ পর্যন্ত।
*জুমাবারের ঘুম:
৯:৪৫ থেকে ১১:৪৫ পর্যন্ত।
*সূরা কাহাফের আমল:
জুমাবার ১২:০০ থেকে ১২:২০ পর্যন্ত।
*জুমার নামাযে উপস্থিতি:
দুপুর ১২:২০ ।
বি.দ্র. প্রতিদিন তথ্যবইয়ে রিপোর্ট লেখা বাধ্যতামূলক।
#হিফয ও নাজেরা বিভাগের অভিভাবকদের প্রতি...
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ!
মুহতারাম অভিভাবকবৃন্দ!
আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে আপনাদের সন্তানদের সহকারে ভালো আছেন। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মারকাযুল আফকারের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন!
আপনারা নিজেদের সন্তানদেরকে আদর্শ ও সফল মানুষেররূপে গড়ে তোলার জন্য মারকাযুল আফকারে ভর্তি করিয়েছেন। আমরা নিজেদের সাধ্য অনুযায়ী আপনাদের সন্তানদেরকে গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করেছি এবং করে যাচ্ছি। পাশাপাশি তাদের জন্য সর্বদা দোয়া করছি। একটি ছাত্রের জীবনকে সফল করার জন্য তিন শ্রেণীর লোকের চেষ্টা ও সাধনার প্রয়োজন। ১. উস্তাদের চেষ্টা। ২. ছাত্রের চেষ্টা। ৩. অভিভাবকের চেষ্টা।
মাদ্রাসায় থাকা অবস্থায় আমরা আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখি। ছুটিতে বাড়িতে গেলে তখন ছাত্ররা আমাদের আয়ত্তে থাকে না। তখন অভিভাবকের সচেতনতা অনেক বড় ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহের প্রতি সচেতনতা কাম্য।
১. মাদ্রাসা থেকে দেওয়া অভিভাবক রিপোর্টটি আপনি নিজ হাতে পূর্ণ করুন এবং নিজের স্বাক্ষর দিয়ে মাদ্রাসা খোলার দিন অবশ্যই তা অফিসে জমা দিন।
২. ছুটির দিনগুলোতে আপনার সন্তানের আমল আখলাক ও আচার আচরণ কেমন ছিল তা আমাদেরকে অবহিত করুন।
৩. ২৭ মার্চ রোজ শুক্রবার সন্ধ্যার পূর্বে অবশ্যই আপনার ছাত্রকে মাদ্রাসায় পৌঁছে দিন।
৪. ২৭ মার্চ সন্ধ্যা থেকে নাজেরা ও হিফজ বিভাগের নতুন পুরাতন সমস্ত ছাত্রের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। ভর্তি ব্যতীত এক সপ্তাহের অধিক ক্লাস করার সুযোগ নেই।
৫. ভর্তির দিনগুলোতেও ক্লাস পরিপূর্ণভাবে চলমান থাকবে। নিয়মিত সবক, সাত সবক, আমুখতা, তেলাওয়াত, তাজবীদ ও মাশক, লাহান ও সুর, দ্বীনিয়াত, নামাজ ও সুন্নতের আমলি মাশক, জেনারেল ক্লাস (দৈনিক ৪০ মিনিট), দৈনিক তালিম ও নসিহত প্রভৃতি ২৮ মার্চ শনিবার থেকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ।
৬. নতুন ছাত্রদের ভর্তি ও আনুষঙ্গিক ফি ২৫০০ টাকা। পুরাতন ছাত্রদের ভর্তি নবায়ন ও আনুষঙ্গিক ফি ২০০০ টাকা। ২ এপ্রিল ২০২৬ এর মধ্যে ভর্তি হলে ২০% ডিসকাউন্ট পাবেন। পরবর্তীতে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন প্রকার ডিসকাউন্ট প্রযোজ্য নয়।
৭. চলমান শিক্ষাবর্ষ থেকে হিফয বিভাগে কোন ছাত্র অনাবাসিক থাকার সুযোগ নেই। তিন বেলা খাবারও মাদ্রাসায় খাওয়া আবশ্যক। তবে আপনি চাইলে আপনার সন্তানের জন্য বাসা থেকে তরকারি দিয়ে যেতে পারবেন। কোন ছাত্র বাসায় গিয়ে খাবার খাওয়ার অনুমতি নেই। অন্যথায় সময়সূচী ঠিক রাখা যায় না এবং পড়ালেখার অবনতি হয়। হ্যাঁ, নাজেরা বিভাগে ডে কেয়ার থাকতে পারবে। অর্থাৎ সারাদিন মাদ্রাসায় থাকবে এবং শুধু রাত্রে বাসায় ঘুমাবে। যারা ডে কেয়ার থাকবে তাদেরও দুপুরের খানা মাদ্রাসায় খাওয়া আবশ্যক।
আলহামদুলিল্লাহ,মারকাযুল আফকার আল-ইসলামিয়া শিক্ষা ও দীক্ষার ময়দানে উন্নতি ও প্রগতির পথে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে। ইনশাআল্লাহ ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ হবে অতীতের তুলনায় আরো সুন্দর, আরো সুশৃঙ্খল, আরো সমৃদ্ধ। তাই নিজের সন্তানকেও ভর্তি করুন এবং আরো ছাত্র সংগ্রহ করে মারকাযুল আফকারের সঙ্গে থাকুন। আপনার ও আপনার সন্তানের জীবনে মহান আল্লাহর অফুরন্ত রহমতের সুশীতল হাওয়া ঝিরঝির করে বইতে থাকুন অনন্তকাল ধরে।
নিবেদক-
বান্দা মুহাম্মদ শাহেদুর রহমান শিবলি
খাদেম,মারকাযুল আফকার আল ইসলামিয়া, উত্তরখান, ঢাকা।
মারকাযুল আফকার আল ইসলামিয়া, মুন্সিবাড়ি, হেলাল মার্কেট দক্ষিণপাড়া, উত্তরখান, উত্তরা, ঢাকা এর হিফয বিভাগ।
শিশুরা কাদামাটির মতো। আপনি তাদেরকে যেভাবে গড়ে তুলবেন তার ভবিষ্যৎ সেভাবেই নির্মিত হবে। আপনি যদি সন্তানকে দ্বীনদার ও মুত্তাকি হিসেবে গড়ে তুলতে চান তাহলে শিশুকাল থেকেই তাদেরকে শরিয়া-বহির্ভূত কাজ থেকে বিরত রাখুন। স্মর্তব্য, আপনি যেমন বীজ বপন করবেন তেমন ফসলেরই আশা রাখবেন।
10/01/2026
মাহফিলের সফলতা কামনা করছি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Uttarkhan
Dhaka