29/03/2026
ব্রেকিং...
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ।
পদসংখ্যাঃ ১০৮ টি আবেদন শুরু: ৩০ মার্চ, ২০২৬👇
Gather knowledge and spread it to the whole world for humanity
29/03/2026
ব্রেকিং...
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ।
পদসংখ্যাঃ ১০৮ টি আবেদন শুরু: ৩০ মার্চ, ২০২৬👇
10/03/2026
আরবিতে দোয়াটি:
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَارْحَمْنِي، وَعَافِنِي، وَاهْدِنِي، وَارْزُقْنِي
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মাগফিরলী, ওয়ারহামনী, ওয়া ‘আফিনী, ওয়াহ্দিনী, ওয়ারযুকনী।
বাংলা অর্থ:
"হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে নিরাপত্তা (সুস্থতা) দান করুন, আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন এবং আমাকে রিজিক দান করুন।"
একটি ছোট তথ্য: এই দোয়াটি অত্যন্ত বরকতময়। রাসুলুল্লাহ (সা.) দুই সিজদার মাঝখানে সাধারণত এই দোয়াটি পড়তেন। এটি আপনার দুনিয়া ও আখিরাত—উভয় জগতের কল্যাণের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ প্রার্থনা।
বিসিএস লিখিতনামা ১: বাংলা প্রথম পত্র (১০০)
Shohel Rahman Shastry
সুপারিশপ্রাপ্ত
সহকারী পুলিশ সুপার (৪র্থ)
৪০তম বিসিএস
লিখিত মোট ৯০০ নম্বরের মধ্যে বাংলাতে বরাদ্দ ২০০। আমার মতে বিসিএস লিখিত সিলেবাসের মধ্যে সবচেয়ে সহজ সিলেবাস বাংলা (১ম) বিষয়েই, যেখানে খুব অল্প লিখেই ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব।
লিখিত বাংলার ব্যাকরণ পার্টে নম্বর অনেকটা ম্যাথের মতই। লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার জন্য সিলেবাস বোঝা ও প্রশ্ন বিশ্লেষণের কোনো বিকল্প নেই। এখানে এমন অনেক প্রশ্নই আসে, যেগুলো দেখবেন ঘুরেফিরে মিলে যায়। তাই শুধু বিগত প্রশ্ন সমাধান করেই আপনি নিজেকে প্রস্তুত করে ফেলতে পারবেন। আমি বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণসহ উত্তরের প্যাটার্ন সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখার চেষ্টা করছি।
বাংলার ২০০ নম্বর ১ম ও ২য় পত্রে সমান ১০০ করে বিভাজিত।
১. বাংলা ১ম পত্র- ১০০ নম্বর
২. বাংলা ২য় পত্র- ১০০ নম্বর
আজ আমরা বাংলা ১ম পত্রের বিষয়ে আলোচনা করবো।
বাংলা ১ম পত্রের সিলেবাসঃ
১. ব্যাকরণ অংশ (৩০)
ক. শব্দগঠন
খ. বানান/বানানের নিয়ম
গ. বাক্যশুদ্ধি/ বাক্যের প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ
ঘ. প্রবাদ প্রবচনের নিহিতার্থ প্রকাশ
ঙ. বাক্যগঠন
২. ভাব সম্প্রসারণ (২০)
৩. সারমর্ম (২০)
৪. ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্ন (৩০)
প্রশ্নবিশ্লেষণ ও প্রস্তুতিঃ
১ নং প্রশ্নের জন্য সিলেবাসে অন্তর্ভূক্ত মোট পাঁচটি বিষয়েই প্রশ্ন হবে। প্রতিটিতে ৬ নম্বর বরাদ্দ। এখানে প্রশ্নগুলো প্রতিবার মোটামুটি একই ধাঁচের হয়ে থাকে, ফলে একবার নেয়া প্রস্তুতি আপনাকে প্রতিটি বিসিএসে সুফল এনে দিতে বাধ্য।
ক. শব্দগঠন
শব্দগঠন অংশ থেকে বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণে দেখা যায়, শব্দগঠন কি, বাংলা ভাষায় কি কি উপায়ে শব্দ গঠিত হয়, সেসবের উদাহরণ এবং বড়জোর শব্দ কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি - এই টাইপের প্রশ্ন এসেছে। আগামী বিসিএসেও তাই ধরে নেয়া যায় প্রশ্ন এরকমই হবে। ৪১তম বিসিএসে সবচেয়ে সহজ প্রশ্ন ছিল এই অংশে। ছয়টি উপসর্গ দেয়া ছিল, বলা হয়েছিলো শব্দ গঠন করতে। কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। সহজে ছয়টি নম্বর পেয়ে যেতে পারেন। প্রশ্নে শব্দগঠন পদ্ধতি জানতে চাইলে ৬ মার্কের জন্য কমপক্ষে ছয়টি পদ্ধতি উদাহরণসহ লিখে আসবেন।
খ. বানান ও বানানের নিয়মঃ
এই অংশের বিগত প্রশ্নগুলো দেখবেন কখনো চেয়েছে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম, কখনো শুধু তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে আবার কখনো শুধু অ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে। প্রশ্ন বুঝে উত্তর লিখবেন। যখন তৎসম বা অ-তৎসম উল্লেখ থাকবে না, তখন যেকোনো ছয়টি লিখতে পারেন। স্পেসিফিক উল্লেখ থাকলে শুধু সেটাই লিখবেন।
রেফারেন্স বই হিসেবে বাংলা একাডেমির আধুনিক বাংলা বানানের নিয়ম নামের ৩০ টাকার একটা বই আছে, সেটা অবশ্যই পড়বেন। ৪৩-এ অ-তৎসম শব্দের বানান আসতে পারে।
গ. বাক্যশুদ্ধি/বাক্যের প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ
কয়েকটি বাক্য দেয়া থাকবে। সবগুলো বাক্যেই কোথাও না কোথাও ভুল থাকবে। কখনো বানানে, কখনো শব্দের প্রয়োগে আবার কখনো বাক্য গঠনে। গুরুচণ্ডালী থেকে শুরু করে কাল, পুরুষ ও ক্রিয়াতেও ভুল থাকতে পারে। অনেক্ষেত্রে প্রচলিত শুদ্ধ, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে ভুল বাক্যগুলোও দিতে পারে। বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ খাতায় লিখবেন। প্রাকটিস করলে এই বিষয়টি আয়ত্ত্বে আনতে দুইদিনই যথেষ্ট!
ঘ. প্রবাদ প্রবচনের নিহিতার্থ প্রকাশ
এই প্রশ্নে ৩৮তম বিসিএসে নিহিতার্থসহ বাক্য রচনা করতে বলা হলেও ৪০-৪১ বিসিএসে শুধু বাক্য রচনা করতে বলেছিলো। দ্বিতীয়টি সহজ। সুনির্দিষ্ট অর্থ না জানলেও আমরা বাক্য রচনায় পটু। ছয়টা বাক্য লিখেই পুরো নম্বর পেতে পারেন। স্কুলেই মোটামুটি এই অংশ সবাই মুখস্ত করে এসেছেন।
ঙ. বাক্যগঠন
বাক্য-গঠন সম্পর্কিত প্রশ্ন এখানে থাকে না। থাকে বাক্য পরিবর্তনের প্রশ্ন। সরল-জটিল-যৌগিক বা অস্তি-নেতি-প্রশ্ন-বিস্ময় অথবা অনুজ্ঞা ইত্যাদি বাক্য প্রশ্নে দিয়ে সেগুলো পরিবর্তন করতে বলে। কয়েকদিনের অনুশীলনেই এটাতে দক্ষতা অর্জন সম্ভব।
উপর্যুক্ত ৫টি প্রশ্নে প্রতিটিতে ৬ নম্বর করে মোট ৩০ নম্বর বরাদ্দ। এই ৩০ নম্বরের জন্য ৩০ ঘন্টার পরিশ্রমই যথেষ্ট বলে আমার মনে হয়। এখানে নম্বর পাওয়া যায় অঙ্কের মত। অল্প লেখা, সময় বাঁচে, একেকটি বাক্য লিখেই একেকটি মার্ক তোলা সম্ভব!
তাই যারা ভালো করতে চান, তারা এখানে অবশ্যই ৩০/৩০ পাওয়ার প্রস্তুতি নিন।
বাজারের যেকোনো একটি ভালো গাইডবইসহ বাংলা একাডেমির বইটি যথেষ্ট পরিপূর্ণ প্রস্তুতির জন্য। আমি বাংলা এসিওরেন্স লিখিত বইটি পড়েছিলাম।
এই অংশ আপনি যত কম সময়ে শেষ করবেন, ভাব-সম্প্রসারণ ও সাহিত্য অংশের জন্য তত বেশি সময় বরাদ্দ করতে পারবেন। এতে আপনার ব্যাকরণ বহির্ভূত অংশেও ভালো করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। এবার দেখবো ভাব-সম্প্রসারণ ও সারাংশ সারমর্ম।
২. ভাব-সম্প্রসারণ (২০)
যেকোনো একটি ভাবের বিস্তৃতি ঘটাতে হবে এই অংশে। আমরা সেই হাইস্কুল থেকেই এসব শিখে আসছি। প্রতিবার পরীক্ষায় যা আসে তা সবারই কমন থাকে। তবে কমন থাকলে পার্থক্য তৈরি হয় একেকজনের লেখার ভঙ্গির কারণে। কেউ স্কুল-কলেজের মত সাধারণ ভাষায় লিখে আসে। সহজ - সাবলীল বাংলায় লিখে যে নম্বর আসবে, ভাষাগত মাধুর্য যদি সাহিত্যিক পরিমন্ডলে উন্নীত হয়, তবে নম্বর অবশ্যই বৃদ্ধি পাবে। এটাই স্বাভাবিক। তাই ভাব-সম্প্রসারণের সময় আপনার শব্দের ব্যবহারে, বাক্য গঠনে মনোযোগী হোন। একটু ভিন্ন আঙ্গিকে লেখার চেষ্টা করুন। লিখতে হয় বলেই লিখবেন না, আপনার লেখা অন্যদের থেকে আলাদা করার চেষ্টা করুন। ভালো নম্বর আসবে ইনশাল্লাহ। ডাটা-কোটেশন ব্যবহার করবেন না। যা বোঝাতে চেয়েছে, সেই ইশুতেই সীমাবদ্ধ থাকুন। নিজের মত করে ব্যাখ্যা দাড় করাবেন না। যে বাক্যাংশগুলো এখানে দেয়া হয় তা কোনো না কোনো সাহিত্যিক বা মনীষীর বাণী। সেসবের বিস্তারিত তাঁরা নিজেরাই লিখে বা বলে গেছেন। অথবা অন্য কেউ লিখেছেন।আপনার লেখা যেন সেসব ব্যাখ্যা থেকে খুব বেশি দূরে না যায়। গূঢ়ার্থ যেন আপনার লেখায় পরিপূর্ণভাবে ফুটে ওঠে। যারা অনেক সাহিত্য পাঠ করেছেন, তারা এক্ষেত্রে সুবিধা পাবেন। বেশি বাড়াবেন না। এপাশ-ওপাশের পেইজের মধ্যেই সুন্দতভাবে গুছিয়ে লিখুন।
৩. সারমর্ম (২০)
বড় গদ্যাংশ বা কবিতার সংক্ষেপকরণ। অনেক সহজে মাত্র তিন-চারটি বাক্য লিখেই পেয়ে যাবেন ভাব-সম্প্রসারণের সমান নম্বর। গদ্যাংশের ক্ষেত্রে এক-তৃতীয়াংশ মানে যা আছে তার তিন ভাগের এক ভাগ যেন হয়। কখনোই গদ্যাংশকে অতিক্রম করে যেন যায়। বাক্য তিনটি বা চারটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখুন। প্রয়োজনে তিন-চারবার পাঠ করুন। তিন-চারটি অংশে বিভক্ত করে নিবেন। এতে মোটামুটি সারাংশ লেখার ক্ষেত্রে সুবিধা পাবেন। যখন একদমই বুঝবেন না, তখনও এভাবেই লিখে দিয়ে আসবেন। কবিতাংশের সারমর্ম লেখার ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। এজন্য গদ্যাংশে ছেড়ে এদিকে নজর দিতে পারেন। কাব্যাংশের মূলভাব লিখতে আট-দশ বাক্যও ব্যবহার করতে পারেন। তবে অর্ধেক পৃষ্ঠা লেখাই উত্তম। সৌন্দর্য বজায় থাকে তাতে। আর পূর্বপঠিত কবিতা হলে তো কথাই নেই, সোনায় সোহাগা!
একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন, ভাষাগত মাধুর্য যেন বজায় থাকে। সাহিত্যের ছোয়া যেন পাওয়া যায়।
৫. ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্ন (৩০)
বাংলা ১ম পত্রের সবচেয়ে কঠিন অংশ এটি। আমাদের সাহিত্যবিমুখ প্রজন্মের কাছে এটি কঠিন মনে হওয়াই স্বাভাবিক। তবে যারা প্রচুর বই পড়েছেন, তারা নিশ্চিতভাবেই ভালো করবেন। যেমন ৪১ এর বল্লালী বালাই প্রশ্নটি অনেকেই অনুধাবনই করতে পারেনি। অথচ যারা পথের পাঁচালী দেখেছে বা পড়েছে তারা সহজেই বুঝতে পেরেছে। সাহিত্য পড়া না থাকলে অন্তত গাইড বইয়ে দেয়া বিষয়গুলো আত্মস্থ করুন। কম হলেও ৬-৭টি প্রশ্ন কমন পাবেন। দুয়েকটি প্রশ্ন এমন থাকতেই পারে, যা কেউ পারবে না।
বাংলা প্রাচীন সাহিত্য থেকে শুরু করে সমকালীন সাহিত্য পর্যন্ত মোট দশটি প্রশ্ন থাকে। প্রতিটির জন্য নম্বর বরাদ্দ ৩। মোটে ৩০। এই অংশের নম্বরও অনেকটা ব্যাকরণ অংশের মতই। চাইলে সহজেই ভালো নম্বর তোলা সম্ভব।
পিএসসি কর্তৃক নির্ধারিত ১১ জন সাহিত্যিক সম্পর্কিত প্রশ্নই থাকে অধিকাংশ। যাদের সাহিত্য থেকে প্রশ্ন আসাটা প্রায় নির্ধারিত, তাঁরা হলেন-
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, মীর মশাররফ হোসেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দীনবন্ধু মিত্র, কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দীন, ফররুখ আহমদ, কায়কোবাদ ও বেগম রোকেয়া। এদের ব্যক্তিগত সমস্ত তথ্যাদিসহ তাদের সব সাহিত্য, সম্ভব হলে নামকরা কিছু সাহিত্যিক চরিত্র সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোও পড়ে ফেলুন।
এর বাইরে চর্যাপদ, চর্যার ভাষা ও চর্যাগানে জন-জীবন ও সমাজরেখা, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, বৈষ্ণব পদাবলী ও জীবনী সাহিত্য, মঙ্গলকাব্য, রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান, মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য ও আরাকান রাজসভা, পঞ্চপাণ্ডব, কল্লোল যুগ, আধুনিক নামকরা সাহিত্যিক ও সর্বজন পঠিত বইগুলো অর্থাৎ সুপরিচিত গ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো অবশ্যই পড়বেন।
সর্বোপরি, লিখিত পরীক্ষায় সাহিত্য অংশে ভালো করতে ১০ম বিসিএস থেকে ৪১তম বিসিএস পর্যন্ত বাংলা সাহিত্য থেকে আসা সবগুলো প্রশ্নে একবার হলেও চোখ বুলান। দশটির মধ্যে ৬-৭টি নিশ্চিতভাবে কমন পাবেন। দুয়েকটি এদিক সেদিন প্রশ্ন থাকলেও পারবেন। তাই আগের প্রশ্নগুলো অবশ্যই পড়ুন।
বাজারের গাইড বই হিসেবে শুধু এসিওরেন্সই যথেষ্ট। তবে আপনি চাইলে ওরাকল, প্রফেসরস বা নতুন লেখকদের বইও পড়তে পারেন। কি পড়বেন সেটা মুখ্য না, কি লিখবেন সেটাই নির্ধারণ করবে আপনার ভবিষ্যৎ!
তাই কোন বই পড়ছেন, সেটা নিয়ে বিচলিত হবেন না। সৌন্দর্যমণ্ডিত উপস্থাপনই মুখ্য।
শুভকামনা আপনাদের জন্য 🌼
বিজ্ঞান বিষয়ক পড়াশোনা (পর্ব - ০১)
১।প্রাণীদেহে শুষ্ক ওজনের কতভাগ প্রোটিন - ৫০%।
২।খাদ্যের উপাদান - ৬টি।
৩।আমিষের গঠনের একক - অ্যামাইনো এসিড।
৪।মানবদেহে কয়ধরনের অ্যামাইনো এসিড রয়েছে - ২০ ধরনের♦
৫।মানুষের প্রধান খাদ্য - শর্করা।
৬।পানিতে দ্রবনীয় ভিটামিন - B,C♦
৭।ঢেকি ছাটা চাল ও আটার ভিটামিন থাকে - থায়ামিন।
৮।দৈনিক পানি পান করা উচিত - ২-৩ লিটার♦
৯।ব্রাইন বলা হয় - লবনের দ্রবনকে।
১০।পুষ্টির ইংরেজী শব্দ - Nutrition।
১১।কোষ গঠনে সাহায্য ও নিয়ন্ত্রন করে - ভিটামিন ই ও লাইসিন।
১২।কার্বোহাইড্রেট C:H:O এর অনুপাত - ১:২:১♥
১৩।খাদ্যের কোন উপাদানটি মিষ্টি স্বাদযুক্ত - শর্করা।
১৪।FRUIT SUGAR বলা হয় - ফ্রুকটোজকে।
১৫।অামিষের শতকরা নাইট্রোজেন পরিমান - ১৬%
১৬।অামিষের মৌলিক উপাদান কয়টি - ৪টি♦
১৭।ইলিশের প্রোটিন অাছে - ২০
১৮।মাছ থেকে কতভাগ প্রোটিন অাসে - ৮০ ভাগ।
১৯।অামিষের অভাবে হয় - ম্যারাসমাস রোগ।
২০।মহিষের দুধে শক্তির পরিমান - ১১৭ ক্যালরী।
২১।শক্তি উৎপাদক খাদ্য - শর্করা।
২২।ভিটামিন এভাবে রোগ - রাতকানা, জেরপথ্যালমিয়া ♦
২৩।খাদ্যে ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় - ২০ ধরনের♦
২৪।ভিটামিন বি - ২০ প্রকার।
২৫।প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের লৌহের প্রয়োজন - ৯গ্রাম♥
২৬।খাদ্যের মধ্যে নিহিত শক্তির একক - কিলোক্যালরী।
২৭।Quetelet Index বলা হয় - BMI
২৮।BMI- Body Mass index
২৯।দেহের চর্বি পরিমান নিদের্শক - BMI
৩০।BMI- ওজন/(উচ্চতা)^২
৩১।BMIএর অপর নাম - QLI ♦
৩২।বোরহানিতে পাওয়া যায় - ল্যাকটিক এসিড♦
৩৩।ভিনেগার কী - অ্যাসেটিক এসিডের ৫% দ্রবন।
৩৪।তামাকে কোন পদার্থ থাকে - নিকোটিন, ক্যাফেইন।
৩৫।ধূমপান করার উপাদানটি নাম - Nicotina♦
৩৬।সর্বপ্রথম এইডস চিহ্নিত হয় - আফ্রিকায়।
৩৭।পরিপোষক ইংরেজী শব্দ - Nurtrients।
৩৮।উৎপত্তিগত আমিষ - ২ প্রকার
৩৯।মানবদেহে ওজনের মোট ক্যালসিয়াম - ২ভাগ
৪০।মানবদেহে ওজনের মোট পানি - ৬০ থেকে ৭৫ভাগ।
৪১।মানবদেহে ফসফরাসের প্রয়োজন - ৫গ্রাম
৪২।এসিডোমিস হয় - পানির অভাবে
৪৩।মানুষের মৃত্যু হয় - ১০% পানির অভাবে
৪৪।মানবদেহের বৃদ্ধির সময়সীমা - ২০ থেকে ২৪ বছর।
৪৫।পুষ্টি - ৪ প্রকার।
৪৬।এইডসের ভাইরাসের নাম - HIV♦
৪৭।এ পযর্ন্ত অ্যামোইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে - ২০ ধরনের♥
৪৮।খাদ্যে ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় - ২০
৪৯।স্নেহ - ২ প্রকার।
৫০।বিজ্ঞান শব্দের অর্থ - বিশেষ জ্
৫১।স্নেহে দ্রবনীয় - ভিটামিন A,D,E,K♦♥♦
৫২।ফল পাকানোর জন্য দায়ী - ক্যালসিয়াম কার্বোইড।
৫৩। HIV আক্রমন করে - রক্তে শ্বেতকনিকায় লিম্ফোসাইটকে।
৫৪।আমাশয় - ২ প্রকার।এমিবিক ও ব্যাসিলারি।
৫৫।ভাইরাস - প্রকৃত পরজীবী।
৫৬।ভাইরাসকে বলা হয় - অকোষীয় জীব।
৫৭।ছত্রাকে বলা হয় - মৃতজীবী জীব।
৫৮।অনুজীবকে বলা হয় -আদিজীব।
৫৯।প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান - বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক♦
৬০। ধূমপানের উপাদানটির বিজ্ঞানিক নাম - Nicotiana Tabacum।
🔸পরীক্ষায় বার বার আসা গুরুত্বপূর্ণ ৩৭৬টি বাগধারা:
1) অকাল কুষ্মাণ্ড = (অপদার্থ, অকেজো)
2) অক্কা পাওয়া = (মারা যাওয়া)
3) অগস্ত্য যাত্রা = (চির দিনের জন্য প্রস্থান)
4) অগাধ জলের মাছ = (সুচতুর ব্যক্তি)
5) অর্ধচন্দ্র = (গলা ধাক্কা)
6) অন্ধের যষ্ঠি = (একমাত্র অবলম্বন)
7) অন্ধের নড়ি = (একমাত্র অবলম্বন)
8)অগ্নিশর্মা = (নিরতিশয় ক্রুদ্ধ)
9) অগ্নিপরীক্ষা =(কঠিন পরীক্ষা)
10) অগ্নিশর্মা = (ক্ষিপ্ত)
11) অগাধ জলের মাছ = (খুব চালাক)
12) অতি চালাকের গলায় দড়ি = (বেশি চাতুর্যর পরিণাম)
13) অতি লোভে তাঁতি নষ্ট = (লোভে ক্ষতি)
14) অদৃষ্টের পরিহাস = (বিধির বিড়ম্বনা)
15) অর্ধচন্দ্র দেওয়া = (গলা ধাক্কা দিয়ে দেয়া)
16) অষ্টরম্ভা = (ফাঁকি)
17) অথৈ জলে পড়া = (খুব বিপদে পড়া)
18) অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
19) অমৃতে অরুচি = (দামি জিনিসের প্রতি বিতৃষ্ণা)
20) অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
21) অকূল পাথার = (ভীষণ বিপদ)
22) অনুরোধে ঢেঁকি গেলা = (অনুরোধে দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতে সম্মতি দেয়া)
Educative School
23) অদৃষ্টের পরিহাস = (ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা)
24) অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী = (সামান্য বিদ্যার অহংকার)
25) অনধিকার চর্চা = (সীমার বাইরে পদক্ষেপ)
26) অরণ্যে রোদন = (নিষ্ফল আবেদন)
27) অহিনকুল সম্বন্ধ = (ভীষণ শত্রুতা)
28) অন্ধকার দেখা = (দিশেহারা হয়ে পড়া)
29) অমাবস্যার চাঁদ = (দুর্লভ বস্তু)
30) আকাশ কুসুম = (অসম্ভব কল্পনা)
31) আকাশ পাতাল =(প্রভেদ) (প্রচুর ব্যবধান)
32) আকাশ থেকে পড়া = (অপ্রত্যাশিত)
33) আকাশের চাঁদ = (আকাঙ্ক্ষিত বস্তু)
34) আগুন নিয়ে খেলা = (ভয়ঙ্কর বিপদ)
35) আগুনে ঘি ঢালা = (রাগ বাড়ানো)
36) আঙুল ফুলে কলাগাছ = (অপ্রত্যাশিত ধনলাভ)
37) আঠার আনা = (সমূহ সম্ভাবনা)
38) আদায় কাঁচকলায় = (তিক্ত সম্পর্ক)
39) আহ্লাদে আটখানা = (খুব খুশি)
40) আক্কেল সেলামি = (নির্বুদ্ধিতার দণ্ড)
41) আঙুল ফুলে কলাগাছ = (হঠাৎ বড়লোক)
42) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া = (দুর্লভ বস্তু প্রাপ্তি)
43) আদায় কাঁচকলায় = (শত্রুতা)
44) আদা জল খেয়ে লাগা = (প্রাণপণ চেষ্টা করা)
45) আক্কেল গুড়ুম = (হতবুদ্ধি, স্তম্ভিত)
46) আমড়া কাঠের ঢেঁকি = (অপদার্থ)
47) আকাশ ভেঙে পড়া = (ভীষণ বিপদে পড়া)
48) আমতা আমতা করা = (ইতস্তত করা, দ্বিধা করা)
49) আটকপালে = (হতভাগ্য)
50) আঠার মাসের বছর = (দীর্ঘসূত্রিতা)
51) আলালের ঘরের দুলাল = (অতি আদরে নষ্ট পুত্র)
52) আকাশে তোলা = (অতিরিক্ত প্রশংসা করা)
53) আষাঢ়ে গল্প = (আজগুবি কেচ্ছা)
54) ইঁদুর কপালে = (নিতান্ত মন্দভাগ্য)
55) ইঁচড়ে পাকা = (অকালপক্ব)
56) ইলশে গুঁড়ি = (গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি)
57) ইতর বিশেষ = (পার্থক্য)
58) উত্তম মধ্যম = (প্রহার)
59) উড়নচন্ডী = (অমিতব্যয়ী)
60) উভয় সংকট = (দুই দিকেই বিপদ)
61) উলু বনে মুক্ত ছড়ানো = (অপাত্রে/অস্থানে মূল্যবান দ্রব্য প্রদান)
62) উড়ো চিঠি = (বেনামি পত্র)
63) উড়ে এসে জুড়ে বসা = (অনধিকারীর অধিকার)
64) উজানে কৈ = (সহজলভ্য)
65) উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে = (একের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো)
66) ঊনপাঁজুড়ে = (অপদার্থ)
67) ঊনপঞ্চাশ বায়ু = (পাগলামি)
68) এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই স্বভাবের)
69) এক চোখা = (পক্ষপাতিত্ব, পক্ষপাতদুষ্ট)
70) এক মাঘে শীত যায় না = (বিপদ এক বারই আসে না, বার বার আসে)
71) এলোপাতাড়ি = (বিশৃঙ্খলা)
72) এসপার ওসপার = (মীমাংসা)
73) একাদশে বৃহস্পতি = (সৌভাগ্যের বিষয়)
74) এক বনে দুই বাঘ = (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী)
75) এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই দলভুক্ত)
76) এলাহি কাণ্ড = (বিরাট আয়োজন)
77) ওজন বুঝে চলা = (অবস্থা বুঝে চলা)
78) ওষুধে ধরা = (প্রার্থিত ফল পাওয়া)
79) কচুকাটা করা = (নির্মমভাবে ধ্বংস করা)
80) কচু পোড়া = (অখাদ্য)
81) কচ্ছপের কামড় = (যা সহজে ছাড়ে না)
82) কলম পেষা = (কেরানিগিরি)
83) কলুর বলদ = (এক টানা খাটুনি)
84) কথার কথা = (গুরুত্বহীন কথা)
85) কাঁঠালের আমসত্ত্ব = (অসম্ভব বস্তু)
86) কাকতাল = (আকস্মিক/দৈব যোগাযোগজাত ঘটনা)
87) কপাল ফেরা = (সৌভাগ্য লাভ)
88) কত ধানে কত চাল = (হিসেব করে চলা)
89) কড়ায় গণ্ডায় = (পুরোপুরি)
90) কান খাড়া করা =(মনোযোগী হওয়া)
91) কানকাটা (নির্লজ্জ)
92) কান ভাঙানো (কুপরামর্শ দান)
93) কান ভারি করা (কুপরামর্শ দান)
94) কাপুড়ে বাবু (বাহ্যিক সাজ)
95) কেউ কেটা (গণ্যমান্য)
96) কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
97) কেঁচো খুড়তে সাপ (বিপদজনক পরিস্থিতি)
98) কই মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
99) কুঁড়ের বাদশা (খুব অলস)
100) কাক ভূষণ্ডী (দীর্ঘজীবী)
101) কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
102) কাছা আলগা (অসাবধান)
103) কাঁচা পয়সা (নগদ উপার্জন)
104) কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু)
105) কূপমণ্ডুক (সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন, ঘরকুনো)
106) কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
107) কাঠের পুতুল (নির্জীব, অসার)
108) কথায় চিঁড়ে ভেজা (ফাঁকা বুলিতে কার্যসাধন)
109) কান পাতলা (সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ)
110) কাছা ঢিলা (অসাবধান)
111) কুল কাঠের আগুন (তীব্র জ্বালা)
112) কেঁচো খুড়তে সাপ (সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতি)
113) কেউ কেটা (সামান্য)
114) কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
115) কৈ মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
116) খয়ের খাঁ (চাটুকার)
117) খণ্ড প্রলয় (ভীষণ ব্যাপার)
118) খাল কেটে কুমির আনা (বিপদ ডেকে আনা)
119) গড্ডলিকা প্রবাহ (অন্ধ অনুকরণ)
120) গদাই লস্করি চাল (অতি ধীর গতি, আলসেমি)
121) গণেশ উল্টানো (উঠে যাওয়া, ফেল মারা)
122) গলগ্রহ (পরের বোঝা স্বরূপ থাকা)
123) গরজ বড় বালাই (প্রয়োজনে গুরুত্ব)
124) গরমা গরম (টাটকা)
125) গরিবের ঘোড়া রোগ (অবস্থার অতিরিক্ত অন্যায় ইচ্ছা)
126) গুর খোঁজা (তন্ন তন্ন করে খোঁজা)
127) গুরু মেরে জুতা দান (বড় ক্ষতি করে সামান্য ক্ষতিপূরণ)
128) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল (প্রাপ্তির আগেই আয়োজন)
129) গা ঢাকা দেওয়া (আত্মগোপন)
130) গায়ে কাঁটা দেওয়া (রোমাঞ্চিত হওয়া)
131) গাছে তুলে মই কাড়া (সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা)
132) গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো (কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা)
133) গুরু মারা বিদ্যা (যার কাছে শিক্ষা তারই উপর প্রয়োগ)
134) গোকুলের ষাঁড় (স্বেচ্ছাচারী লোক)
135) গোঁয়ার গোবিন্দ (নির্বোধ অথচ হঠকারী)
136) গোল্লায় যাওয়া (নষ্ট হওয়া, অধঃপাতে যাওয়া)
137) গোবর গণেশ (মূর্খ)
138) গোলক ধাঁধা (দিশেহারা)
139) গোঁফ খেজুরে (নিতান্ত অলস)
140) গোড়ায় গলদ (শুরুতে ভুল)
141) গৌরচন্দ্রিকা (ভূমিকা)
142) গৌরীসেনের টাকা (বেহিসাবী অর্থ)
143) গুড়ে বালি (আশায় নৈরাশ্য)
144) ঘর ভাঙানো (সংসার বিনষ্ট করা)
145) ঘাটের মরা (অতি বৃদ্ধ)
146) ঘোড়া রোগ (সাধ্যের অতিরিক্ত সাধ)
147) ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া (মধ্যবর্তীকে অতিক্রম করে কাজ করা)
148) ঘোড়ার ঘাস কাটা (অকাজে সময় নষ্ট করা)
149) ঘোড়ার ডিম (অবাস্তব)
150) ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো (নিজ খরচে পরের বেগার খাটা)
151) ঘাটের মড়া (অতি বৃদ্ধ)
152) ঘটিরাম (আনাড়ি হাকিম)
153) চক্ষুদান করা (চুরি করা)
154) চক্ষুলজ্জা (সংকোচ)
155) চর্বিত চর্বণ (পুনরাবৃত্তি)
156) চাঁদের হাট (আনন্দের প্রাচুর্য)
157) চিনির বলদ (ভারবাহী কিন্তু ফল লাভের অংশীদার নয়)
158) চোখের বালি (চক্ষুশূল)
159) চোখের পর্দা (লজ্জা)
160) চোখ কপালে তোলা (বিস্মিত হওয়া)
161) চোখ টাটানো (ঈর্ষা করা)
162) চোখে ধুলো দেওয়া (প্রতারণা করা)
163) চোখের চামড়া (লজ্জা)
164) চুনকালি দেওয়া (কলঙ্ক)
165) চশমখোর (চক্ষুলজ্জাহীন)
166) চোখের মণি (প্রিয়)
167) চামচিকের লাথি (নগণ্য ব্যক্তির কটূক্তি)
168) চিনির পুতুল (শ্রমকাতর)
169) চুঁনোপুটি (নগণ্য)
170) চুলোয় যাওয়া (ধ্বংস)
171) চিনে/ছিনে জোঁক (নাছোড়বান্দা)
172) ছ কড়া ন কড়া (সস্তা দর)
173) ছা পোষা (অত্যন্ত গরিব)
174) ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা (সামান্য কাজের জন্য অপদার্থ ব্যক্তি)
Educative School (এডুকেটিভ স্কুল)
175) ছেলের হাতের মোয়া (সামান্য বস্তু)
176) ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা (নগণ্য স্বার্থে দুর্নাম অর্জন)
177) ছক্কা পাঞ্জা (বড় বড় কথা বলা)
178) ছিঁচ কাদুনে (অল্পই কাঁদে এমন)
179) ছিনিমিনি খেলা (নষ্ট করা)
180) ছেলের হাতের মোয়া (সহজলভ্য বস্তু)
181) জগাখিচুড়ি পাকানো (গোলমাল বাধানো)
182) জিলাপির প্যাঁচ (কুটিলতা)
183) জলে কুমির ডাঙায় বাঘ (উভয় সঙ্কট)
184) ঝড়ো কাক (বিপর্যস্ত)
185) ঝাঁকের কৈ (এক দলভুক্ত)
186) ঝিকে মেরে বউকে বোঝানো (একজনের মাধ্যমে দিয়ে অন্যজনকে শিক্ষাদান)
187) ঝোপ বুঝে কোপ মারা (সুযোগ মত কাজ করা)
188) টনক নড়া (চৈতন্যোদয় হওয়া)
189) টাকার কুমির (ধনী ব্যক্তি)
190) টেকে গোঁজা (আত্মসাৎ করা)
191) টুপভুজঙ্গ (নেশায় বিভোর)
192) ঠাঁট বজায় রাখা (অভাব চাপা রাখা)
193) ঠোঁট কাটা (বেহায়া)
194) ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় (আদর্শহীনতার প্রাচুর্য)
195) ঠুঁটো জগন্নাথ (অকর্মণ্য)
196) ঠেলার নাম বাবাজি (চাপে পড়ে কাবু)
197) ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
198) ডাকের সুন্দরী (খুবই সুন্দরী)
199) ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
200) ডান হাতের ব্যাপার (খাওয়া)
201) ডামাডোল (গণ্ডগোল)
202) ঢাক ঢাক গুড় গুড় (গোপন রাখার চেষ্টা)
203) ঢাকের কাঠি (মোসাহেব, চাটুকার)
204) ঢাকের বাঁয়া (অপ্রয়োজনীয়)
205) ঢেঁকির কচকচি (বিরক্তিকর কথা)
206) ঢি ঢি পড়া (কলঙ্ক প্রচার হওয়া)
207) ঢিমে তেতালা (মন্থর)
208) তালকানা (বেতাল হওয়া)
209) তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী)
210) তামার বিষ (অর্থের কু প্রভাব)
211) তালপাতার সেপাই (ক্ষীণজীবী)
212) তিলকে তাল করা (বাড়িয়ে বলা)
213) তুলসী বনের বাঘ (ভণ্ড)
214) তুলা ধুনা করা (দুর্দশাগ্রস্ত করা)
215) তুষের আগুন (দীর্ঘস্থায়ী ও দুঃসহ যন্ত্রণা)
216) তীর্থের কাক (প্রতীক্ষারত)
217) থ বনে যাওয়া (স্তম্ভিত হওয়া)
218) থরহরি কম্প (ভীতির আতিশয্যে কাঁপা)
219) দা-কুমড়া (ভীষণ শত্রুতা)
220) দহরম মহরম (ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক)
221) দু মুখো সাপ (দু জনকে দু রকম কথা বলে পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টিকারী)
222) দিনকে রাত করা (সত্যকে মিথ্যা করা)
223) দুধে ভাতে থাকা (খেয়ে-পড়ে সুখে থাকা)
224) দেঁতো হাসি (কৃত্তিম হাসি)
225) দাদ নেওয়া (প্রতিশোধ নেয়া)
226) দুকান কাটা (বেহায়া)
227) দুধের মাছি (সু সময়ের বন্ধু)
228) ধরাকে সরা জ্ঞান করা (সকলকে তুচ্ছ ভাবা)
229) ধড়া-চূড়া (সাজপোশাক)
230) ধরাকে সরা জ্ঞান করা (অহঙ্কারে সবকিছু তুচ্ছ মনে করা)
231) ধর্মের ষাঁড় (যথেচ্ছাচারী)
232) ধর্মের কল বাতাসে নড়ে (সত্য গোপন থাকে না)
233) ধরি মাছ না ছুঁই পানি (কৌশলে কার্যাদ্ধার)
234) ননীর পুতুল (শ্রমবিমুখ)
235) নয় ছয় (অপচয়)
236) নাটের গুরু (মূল নায়ক)
237) নাড়ি নক্ষত্র (সব তথ্য)
238) নিমক হারাম (অকৃতজ্ঞ)
239) নিমরাজি (প্রায় রাজি)
240) নামকাটা সেপাই (কর্মচ্যূত ব্যক্তি)
241) নথ নাড়া (গর্ব করা)
242) নেই আঁকড়া (একগুঁয়ে)
243) নগদ নারায়ণ (কাঁচা টাকা/নগদ অর্থ)
244) নেপোয় মারে দই (ধূর্ত লোকের ফল প্রাপ্তি)
245) পটল তোলা (মারা যাওয়া)
246) পগার পার (আয়ত্তের বাইরে পালিয়ে যাওয়া)
247) পটের বিবি (সুসজ্জিত)
248) পত্রপাঠ (অবিলম্বে/সঙ্গে সঙ্গে)
249) পালের গোদা (দলপতি)
250) পাকা ধানে মই (অনিষ্ট করা)
251) পাখিপড়া করা (বার বার শেখানো)
252) পাততাড়ি গুটানো (জিনিসপত্র গোটানো)
253) পাথরে পাঁচ কিল (সৌভাগ্য)
254) পুঁটি মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে যায়)
255) পুকুর চুরি (বড় রকমের চুরি)
256) পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা (পুরোনো প্রসঙ্গে কটাক্ষ করা)
257) পোঁ ধরা (অন্যকে দেখে একই কাজ করা)
258) পোয়া বারো (অতিরিক্ত সৌভাগ্য)
259) প্রমাদ গোণা (ভীত হওয়া)
260) পায়াভারি (অহঙ্কার)
261) পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা (অপরকে দিয়ে কাজ উদ্ধার)
262) পরের ধনে পোদ্দারি (অন্যের অর্থের যথেচ্ছ ব্যয়)
263) ফপর দালালি (অতিরিক্ত চালবাজি)
264) ফুলবাবু (বিলাসী)
265) ফেউ লাগা (আঠার মতো লেগে থাকা)
266) ফুলের ঘাঁয়ে মূর্ছা যাওয়া (অল্পে কাতর)
267) ফোড়ন দেওয়া (টিপ্পনী কাটা)
268) বক ধার্মিক (ভণ্ড সাধু)
269) বইয়ের পোকা (খুব পড়ুয়া)
270) বগল বাজানো (আনন্দ প্রকাশ করা)
271) বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো (সহজে খুলে যায় এমন)
272) বসন্তের কোকিল (সুদিনের বন্ধু)
273) বিড়াল তপস্বী (ভণ্ড সাধু)
274) বর্ণচোরা আম (কপট ব্যক্তি)
275) বরাক্ষরে (অলক্ষুণে)
276) বাজারে কাটা (বিক্রি হওয়া)
277) বালির বাঁধ (অস্থায়ী বস্তু)
278) বাঁ হাতের ব্যাপার (ঘুষ গ্রহণ)
279) বাঁধা গৎ (নির্দিষ্ট আচরণ)
280) বাজখাঁই গলা (অত্যন্ত কর্কশ ও উঁচু গলা)
281) বাড়া ভাতে ছাই (অনিষ্ট করা)
282) বায়াত্তরে ধরা (বার্ধক্যের কারণে কাণ্ডজ্ঞানহীন)
283) বিদ্যার জাহাজ (অতিশয় পণ্ডিত)
284) বিশ বাঁও জলে (সাফল্যের অতীত)
285) বিনা মেঘে বজ্রপাত (আকস্মিক বিপদ)
286) বাঘের দুধ/ চোখ (দুঃসাধ্য বস্তু)
287) বিসমিল্লায় গলদ (শুরুতেই ভুল)
288) বুদ্ধির ঢেঁকি (নিরেট মূর্খ)
289) ব্যাঙের আধুলি (সামান্য সম্পদ)
290) ব্যাঙের সর্দি (অসম্ভব ঘটনা)
291) ভরাডুবি (সর্বনাশ)
292) ভস্মে ঘি ঢালা (নিষ্ফল কাজ)
293) ভাদ্র মাসের তিল (প্রচণ্ড কিল)
294) ভানুমতীর খেল (অবিশ্বাস্য ব্যাপার)
295) ভাল্লুকের জ্বর (ক্ষণস্থায়ী জ্বর)
296) ভাঁড়ে ভবানী (নিঃস্ব অবস্থা)
297) ভূতের ব্যাগার (অযথা শ্রম)
298) ভূঁই ফোড় (হঠাৎ গজিয়ে ওঠা)
299) ভিজে বিড়াল (কপটাচারী)
300) ভূশন্ডির কাক (দীর্ঘজীবী)
301) মগের মুল্লুক (অরাজক দেশ)
302) মণিকাঞ্চন যোগ (উপযুক্ত মিলন)
303) মন না মতি (অস্থির মানব মন)
304) মড়াকান্না (উচ্চকণ্ঠে শোক প্রকাশ)
305) মাছের মায়ের পুত্রশোক (কপট বেদনাবোধ)
306) মিছরির ছুরি (মুখে মধু অন্তরে বিষ)
307) মুখ চুন হওয়া (লজ্জায় ম্লান হওয়া)
308) মুখে দুধের গন্ধ (অতি কম বয়স)
309) মুস্কিল আসান (নিষ্কৃতি)
310) মেনি মুখো (লাজুক)
311) মাকাল ফল (অন্তঃসারশূণ্য)
312) মশা মারতে কামান দাগা (সামান্য কাজে বিরাট আয়োজন)
313) মুখে ফুল চন্দন পড়া (শুভ সংবাদের জন্য ধন্যবাদ)
314) মেছো হাটা (তুচ্ছ বিষয়ে মুখরিত)
315) যক্ষের ধন (কৃপণের ধন)
316) যমের অরুচি (যে সহজে মরে না)
317) রত্নপ্রসবিনী (সুযোগ্য সন্তানের মা)
318) রাঘব বোয়াল (সর্বগ্রাসী ক্ষমতাবান ব্যক্তি)
319) রাবণের চিতা (চির অশান্তি)
320) রাশভারি (গম্ভীর প্রকৃতির)
321) রাই কুড়িয়ে বেল (ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে বৃহৎ)
322) রাজা উজির মারা (আড়ম্বরপূর্ণ গালগল্প)
323) রাবণের গুষ্টি (বড় পরিবার)
324) রায় বাঘিনী (উগ্র স্বভাবের নারী)
325) রাজ যোটক (উপযুক্ত মিলন)
326) রাহুর দশা (দুঃসময়)
327) রুই-কাতলা (পদস্থ বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি)
328) লেফাফা দুরস্ত (বাইরের ঠাট বজার রেখে চলেন যিনি)
329) লগন চাঁদ (ভাগ্যবান)
330) ললাটের লিখন (অমোঘ ভাগ্য)
331) লাল পানি (মদ)
332) লাল বাতি জ্বালা (দেউলিয়া হওয়া)
333) লাল হয়ে যাওয়া (ধনশালী হওয়া)
334) লেজে গোবরে (বিশৃঙ্খলা)
335) শকুনি মামা (কুটিল ব্যক্তি)
336) শাঁখের করাত (দুই দিকেই বিপদ)
337) শাপে বর (অনিষ্টে ইষ্ট লাভ)
338) শিকায় ওঠা (স্থগিত)
339) শিঙে ফোঁকা (মরা)
340) শিবরাত্রির সলতে (একমাত্র সন্তান)
341) শিরে সংক্রান্তি (বিপদ মাথার ওপর)
342) শুয়ে শুয়ে লেজ নাড়া (আলস্যে সময় নষ্ট করা)
343) শরতের শিশির (সুসময়ের বন্ধু)
344) শত্রুর মুখে ছাই (কুদৃষ্টি এড়ানো)
345) শ্রীঘর (কারাগার)
346) ষাঁড়ের গোবর (অযোগ্য)
347) ষোল আনা (পুরোপুরি)
348) ঘোল কলা (পুরোপুরি)
349) সবুরে মেওয়া ফলে (ধৈর্যসুফল মিলে)
350) সরফরাজি করা (অযোগ্য ব্যক্তির চালাকি)
351) সাত খুন মাফ (অত্যধিক প্রশ্রয়)
352) সাত সতের (নানা রকমের)
353) সাপের ছুঁচো গেলা (অনিচ্ছায় বাধ্য হয়ে কাজ করা)
354) সেয়ানে সেয়ানে (চালাকে চালাকে)
355) সবে ধন নীলমণি (একমাত্র অবলম্বন)
356) সাতেও নয়, পাঁচেও নয় (নির্লিপ্ত)
357) সাপের পাঁচ পা দেখা (অহঙ্কারী হওয়া)
358) সোনায় সোহাগা (উপযুক্ত মিলন)
359) সাক্ষী গোপাল (নিষ্ক্রিয় দর্শক)
360) সখাত সলিলে (ঘোর বিপদে পড়া)
361) সব শেয়ালের এক রা (ঐকমত্য)
362) হাটে হাঁড়ি ভাঙা (গোপন কথা প্রকাশ করা)
363) হাতটান (চুরির অভ্যাস)
364) হ য ব র ল (বিশৃঙ্খলা)
365) হরি ঘোষের গোয়াল (বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ)
366) হরিলুট (অপচয়)
367) হস্তীমূর্খ (বুদ্ধিতে স্থূল)
368) হাড়ে দুর্বা গজানো (অত্যন্ত অলস হওয়া)
369) হাতুড়ে বদ্যি (আনাড়ি চিকিৎসক)
370) হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল)
371) হীরার ধার (অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি)
372) হোমরা চোমরা (গণ্যমান্য ব্যক্তি)
373) হিতে বিপরীত (উল্টো ফল)
374) হাড় হদ্দ (নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য)
375) হাড় হাভাতে (হতভাগ্য)
376) হালে পানি পাওয়া (সুবিধা করা)
নিচের প্রশ্নোত্তরগুলো এখনই মুখস্ত করে ফেলুন।প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় এখান থেকেই কিছু প্রশ্ন কমন পড়বে, ইনশাআল্লাহ।
★★★ বাংলা ★★★
☞শুদ্ধ বানান কোনটি? [১০, ২১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ মুমূর্ষু।
☞ ‘কবর’ নাটকটির লেখক কে? [১০, ১৮, ২১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ মুনীর চৌধুরী।
☞ ক্রিয়া পদের মূল অংশকে কী বলে? [১০, ১২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ধাতু।
☞ ’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি’’ গানটির রচয়িতা কে? [১০, ১৯ তম বিসিএস]
উত্তরঃ আব্দুল গফফার চৌধুরী।
☞ বাংলায় কুরআন শরীফের প্রথম অনুবাদক কে? [১০, ১৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ভাই গিরিশচন্দ্র সেন।
☞ বাংলা গীতিকবিতায় ‘ভোরের পাখি’ কে? [১১, ১৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ বিহারীলাল চক্রবর্তী।
☞ ‘চাচা কাহিনী’র লেখক কে? [১১, ২৯ তম বিসিএস]
উত্তরঃ সৈয়দ মুজতবা আলী।
☞ মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বীরঙ্গনা’ কী ধরনের গ্রন্থ? [১২, ৩৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ পত্রকাব্য।
☞ রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা? [১২, ১৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ কৃষ্ণকান্তের উইল।
☞ ‘বীরবল’ কোন লেখকের ছদ্মনাম? [১৪, ১৬, ৩২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ প্রমথ চৌধুরী।
☞ কোনটি মৌলিক শব্দ? [ ৩৭, ১৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ গোলাপ।
☞ ‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? [১৫, ১৬, ২৫ তম বিসিএস]
উত্তরঃ সিকান্দ্র আবু জাফর।
☞ সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোথায়? [১৫, ১৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে।
☞ বাংলা একাডেমি কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে? [১৬, ২৯ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯৫৫ সালে।
☞ ’একুশে ফেব্রুয়ারি’ গ্রন্থের সম্পাদক কে? [১৬, ২০ তম বিসিএস]
উত্তরঃ হাসান হাফিজুর রহমান।
☞ উপসর্গের সাথে প্রত্যয়ের পার্থক্য কী? [১৭, ২৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ উপসর্গ থাকে শব্দের সামনে আর প্রত্যয় থাকে পেছনে।
☞ নিত্য মূর্ধন্য-ষ যোগে গঠিত শব্দ কোনটি? [২০, ২৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ আষঢ়।
☞ ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ কার রচনা? [২১, ২৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ড. মুহম্ম্দ শহীদুল্লাহ।
☞ ’কল্লোল’ পত্রিকা কোন সালে প্রকাশিত হয়? [২৭, ৩৩ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯২৩ সালে। প্রকাশক দীনেশরঞ্জন দাস।
☞ ‘পাখি সব করে রব রাত্রি পোহাইল’ এই পঙক্তিটির রচয়িতা কে? [২৬, ২৭ তম বিসিএস]
উত্তরঃ মদনমোহন তর্কালঙ্কার
★★★ গণিত ★★★
☞ ত্রিভুজের দু’টি কোণের সমষ্টি তৃতীয় কোণের সমান হলে ত্রিভুজটি কী ধরনের ত্রিভুজ হবে? [পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৩, ’১১, ’১২, ’১৩, ’১৩, ‘১৩]
উত্তরঃ সমকোণী।
☞ বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পেলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে? [৩২, ২৭ তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’১৪, ’১৪, ’১৫, ‘১৫]
উত্তরঃ ৯ গুণ।
☞ একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ ? [২১তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-০৩, ’০৭, ’১০, ’১১, ’১১, ’১৩, ’১৩, ‘১৪]
উত্তরঃ ১৬ গুণ।
☞ একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ ? [২০তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৮, ’১০, ’১১, ’১২, ’১২, ’১৩]
উত্তরঃ ৪ গুণ।
☞ বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত কত হবে? [পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৪, ’০৬, ’০৯, ’১৩, ’১৩, ’১৩, ১৩, ’১৪, ’১৪, ‘১৪]
উত্তরঃ ২২/৭।
☞ সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র কী ? [১৪তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৩, ’০৭, ’১২, ’১২, ’১৩, ‘১৪]
উত্তরঃ ভূমি ×উচ্চতা।
☞ ১ কুইন্টালে কত কেজি হবে? [১৪তম বিসিএস,[পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৫, ’০৭, ’০৯, ‘১১]
উত্তরঃ ১০০ কেজি।
☞ কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি কত? [৩৩তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৭, ’০৮, ’১০, ’১২, ’১৩, ‘১৪]
উত্তরঃ ৩৬০⁰
☞ ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাসমূহের যোগফল কত? [১৮ তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৬, ‘১২]
উত্তরঃ ৫০৫০।
☞ সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ সেন্টিমিটার হলে উহার অতিভুজ কত হবে ? [১৪তম বিসিএস , [পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৬, ‘ ০৯, ’১১, ‘১৩]
উত্তরঃ ৫ সেন্টিমিটার।
☞ সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য যদি a হয়, তবে ক্ষেত্রফল কত হবে? [১৪তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’১০, ’১১, ’১৪, ‘১৪]
উত্তরঃ (√3)/4 a²
☞ চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়াতে কোনো একটি পরিবার চিনি খাওয়া এমনভাবে কমালো যে, চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়ার খরচ শতকরা কত কমিয়েছিলো? [১০, ১২, ২৩, ৩৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ২০%
☞ a+b+c = 0 হলে, aᶾ+bᶾ+cᶾ এর মান কত? [১০ ম বিসিএস, নন ক্যাডার জব- ১৬, ১৫, ১৪, ১২]
উত্তরঃ 3abc
☞ টাকায় ৩টি করে আম ক্রয় করে, টাকায় ২ টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে? [১০,২৬, ৩২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ৫০%
☞ ১ মিটারে কত ইঞ্চি? [ ১১, ২৫ তম বিসিএস, নন ক্যাডার জব-০৫, ০৬, ১১, ১২, ১৫]
উত্তরঃ ৩৯.৩৭ উঞ্চি।
★★★সাধারণ জ্ঞান★★★
☞ সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি ? [৩৪, ২৯ , ২৮ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ৬টি।
☞ পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় কোন প্রাণি ? [৩৪, ২১, ১৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ শুশুক।
☞ ডায়াবেটিকস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সঠিক নয় তা হল ? [৩৪,৩০ ২১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ চিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয়।
☞ সংকর ধাতু পিতলের উপাদান কী কী ? [৩৩, ৩২, ৩০, ২৩, ১০তম বিসিএস]
উত্তরঃ তামা ও দস্তা।
☞ যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্মচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহি হয় তাতে কী বায়ু বলে ? [৩২, ১২, ১০তম বিসিএস]
উত্তরঃ নিয়ত বায়ু।
☞ আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় কখন ? [৩১ ২৬, ১২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ মেঘের অসংখ্য জলকণা/ বরফকাণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে।
☞ কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান পদ্ধতিকে কী বলে? [৩১, ৩০ ২৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ইন্টারনেট।
☞ মানবদেহে সাধারণভাবে কত জোড়া ক্রোমোজম থাকে ? [৩১, ২৬, ১৯, ১১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ২৩ জোড়া।
☞ ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোন মশা ? [৩০ ২৪ ২২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ এডিস মশা।
☞ রঙ্গিন টেলিভিশন থেকে কোন ক্ষতিকর রশ্মি বের হয় ? [৩০ ২৪, ২২, ১৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ গামা রশ্মি।
☞ গ্রীনহাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরতর ক্ষতি কী হবে ? [৩০ ,২৬ ২২, ১৯, ১৫ তম বিসিএস]
উত্তরঃ নিম্মভূমি নিমজ্জিত হবে।
☞ বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে খরচ কীরূপ হবে ? [৩০, ২৩, ১১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ একই খরচ হবে।
☞ পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কী কী থাকে ? [৩৪, ২৩ তম বিসিএস]
উত্তরঃ নিউট্রন ও প্রোটন।
☞ প্রাণি জগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে কী বলে ? [৩৬,৩৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ জেনেটিক্স
☞ জীব জগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি ? [৩৬, ২৮ তম বিসিএস]
উত্তরঃ আলট্রাভায়োলেট রশ্মি।
☞ বাঙালী জাতির প্রধান অংশ কোন মূল জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত ? [৩৬,২৮ তম বিসিএস]
উত্তরঃ অস্ট্রিক।
☞ ৬ দফা দাবী কত সালে উত্থাপন করা হয় ? [৩৬, ১৩ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯৬৬ সালে।
☞ IAEA এর সদর দফতর কোথায় ? [৩৬, ২১, ১১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ভিয়েনা।
☞ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলে ? [ ৩৫, ১৫ তম বিসিএস]
উত্তরঃ সিলেট।
☞ ’অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’ এর সদর দফতর কোথায় ? [৩৪, ২৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ লন্ডন।
☞ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয় ? [৩৪, ২৮তম বিসিএস]
উত্তরঃ ৭ মার্চ ১৯৭৩।
☞ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত ? [৩২, ১১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১০ : ৬।
☞ বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত ? [৩১, ২২, ১৯, ১৪, ১০ তম বিসিএস]
উত্তরঃ সোনারগাঁও।
☞ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ? [৩১, ২৯, ২২, ১০ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯২১ সালে।
☞ প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কী ? [৩০, ১১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ বরিশাল।
☞ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে পালিত হয় ? [৩০, ২৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১০ ডিসেম্বর।
☞ বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ কোনটি ? [২৯, ২৮ তম বিসিএস]
উত্তরঃ সেন্টমার্টিন।
☞ মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে ? [২৯, ২২, ২০, ১৯, ১৫ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১১ টি।
☞ ঢাকায় সর্বপ্রথম কবে বাংলার রাজধানী স্থাপিত হয় ? [২৮, ২১, ১০ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৬১০ সালে।
☞ ভারতীয় লোকসভার নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা কত ? [২৭, ২৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ৫৪৩।
☞ বাংলাদেশ কত সালে ইসলামি সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে ? [২৭, ২৬,২২তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯৭৪ সালে।
☞ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জন সদস্যের উপস্থিতিতে? [২৫, ২১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ৬০ জন।
☞ মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম কখন তেল অবরোধ করা হয়েছিলো? [২৫, ১৭ তম বিসিএস]
উত্তরঃ উত্তরঃ ১৯৭৩ সালে।
☞ বান্দুং শহরটি কোন দেশে অবস্থিত? [২৫, ২৩ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ইন্দোনেশিয়া।
☞ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে? [২৪, ১৬ ১৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ কামরুল হাসান।
☞ বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় কোন খাত থেকে? [২৩, ২২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ তৈরি পোশাক থেকে।
☞ দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত? [২২, ১৪, ১৩তম বিসিএস]
উত্তরঃ লালমনিরহাট জেলায়।
☞ সার্ক কোন সালে কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়? [২২, ২০ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯৮৫ সালে ঢাকায়।
☞ বাংলাদেশে কোনো ব্যাক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির ন্যূনতম বয়স কত ? [২০, ১৯ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৮ বছর।
☞ ’মোনালিসা’ চিত্রটির চিত্রকর কে? [১৮, ১৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি।
জুয়েল মাহমুদ
ভোলা সরকারি কলেজ