Positive Bangladesh Digital Platform

Positive Bangladesh Digital Platform

Share

PBDP has been dealing with Democracy, spirit of Liberation War & Independence.

Photos from Positive Bangladesh Digital Platform's post 16/11/2025

খালেদা জিয়া নিজে নিজে চলতে পারেন না, অন্যের সাহায্য নিয়ে চলতে হয়। ইদানিং তাকে বেশিরভাগ সময় কাটাতে হয় হাসপাতালে।

বয়সের কারণে মস্তিষ্ক এখন আর ঠিকঠাক কাজ করে না। এজন্য তিনি মিডিয়ায় আসা ছেড়ে দিয়েছেন।

তারপরও এবার তিনি ৩টা আসনে লড়বেন। তার আমলে আমরা ৫ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি।

রওশন এরশাদও নিজে নিজে চলতে পারেন না। তারপরও দলের শীর্ষ পদ নিয়ে কীভাবে কামড়াকামড়ি করেছেন এটা আমরা সবাই জানি। জাতীয় পার্টির আমলে তাকে আমরা স্বর্ণ চোরাচা*লানের হোতা হিসেবে জানতাম।

মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ না করলেও এরশাদও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলীয় পদ ছাড়তে চান নাই। তিনিও দুর্নীতির অভিযোগে বহুবছর জেল খেটেছেন।

শেখ হাসিনার বয়স হয়েছে। দূর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতা হারিয়ে তিনি ভারতে পা*লিয়ে আছেন। যাওয়ার আগে বহু মানুষ হ*ত্যা, পঙ্গু করে গেছেন। এখন আবার ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, একদল মানুষ আবার তাকে সাপোর্ট করে যাচ্ছে ।

এজন্য দেশ জ্বা*লিয়ে দিতেও তিনি রাজি।

এরা কেউ ক্ষমতায় গিয়ে আর নামতে চান না, টেনে*হিঁচড়ে নামাতে হয়।

এদের প্রত্যেকের লাখ লাখ অন্ধভক্ত আছে, যাদেরকে আমরা কর্মী হিসেবে চিনি। এসব কর্মীরা প্রায় সবাই বেকার। এদের কাজ হচ্ছে বিপরীত পক্ষের সাথে মারা*মারি করা আর দল ক্ষমতায় এলে চাঁদা*বাজি, মা*স্তানি করা। এদের বিরাট একটা অংশ অ*শিক্ষিত/ অর্ধ শিক্ষিত , টো*কাই।

দল ক্ষমতায় এলে এরাই হয়ে যায় সমাজের হর্তাকর্তা। একবার এদের কারও সাথে কোনো বিষয়ে দ্বিমত করে দেখুন, এদের চরিত্র টের পাবেন। এদেরকে আবার সাপোর্ট দিয়ে যায় কিছু শিক্ষিত ধান্ধাবাজ,এই দলে শিক্ষক, কবি সাহিত্যিকও আছেন ।

রাজনৈতিক নেতাদের একমাত্র যোগ্যতা হলো অস*ততা, মিথ্যা*বাদীতা আর কর্মীদের যোগ্যতা হলো নেতাদের পা চা*টা আর তোষা*মোদী করা।

সব দলেই আদর্শবান নেতাদের গুরুত্বহীন করে রাখা হয়। সততাকে অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

একটা জিনিস পরিস্কার, এই দেশের কোনো নেতা কোনো সময়ে, কখনোই অযোগ্য হয় না। দুর্নীতির চুড়ান্ত শিখরে উঠলেও না।

যতদিন পর্যন্ত আমাদের দেশের দ*লান্ধ মূ*র্খ, লো*ভী, অসৎ, ধান্ধা*বাজ, টো*কাইদের রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে না পারবেন, এ দেশ কখনোই আলোর মুখ দেখবে না।

গ্যারান্টি।

#হানিফ_ওয়াহিদ

15/11/2025

অভিমান করেছে

12/11/2025

'জাতীয় পার্টি উইল মেক পলিটিক্স ডিফিকাল্ট ফর দ্য পলিটিশিয়ান্স'

05/11/2025

অভিনন্দন, স্যার ডেভিড বেকহাম
Congratulations, Sir David Beckham

02/11/2025

বাংলাদেশী চারুশিল্পী সংসদের নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ অধ্যাপক ড. আবদুস সাত্তারের নেতৃত্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি কমপ্লেক্সে গতকাল পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

31/10/2025

১৯৭১। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী জেনারেল স্যাম মানেকশ'কে জিজ্ঞেস করলেন, 'আর ইউ রেডি, জেনারেল স্যাম?' তিনি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন।

জবাবে জেনারেল স্যাম তাঁর স্বভাবসিদ্ধ হাসি দিয়ে বলেছিলেন, 'আই এম অলওয়েজ রেডি, সুইটি।'

১৯৭১ যে তিনজন ভারতীয় জেনারেল তুমুলভাবে আলোচনায় আসেন তাঁরা হলেন স্যাম মানেকশ', জেএফআর জ্যাকব এবং জগজিৎ সিং অরোরা - একজন পার্সি, একজন ইহুদি এবং একজন শিখ। স্যাম মানেকশ' পরবর্তীসময়ে ফিল্ড মার্শাল হয়েছিলেন।

31/10/2025

'যদি কিছু মনে না করেন' ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের সার্থক উপস্থাপক, গবেষক ও প্রখ্যাত সাংবাদিক ফজলে লোহানী'র ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তিনি বাংলাদেশে টেলিভিশন সাংবাদিকতার পথিকৃৎ।

১৯২৮ সালের ১২ মার্চে তিনি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৫ সালের এইদিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

Photos from Positive Bangladesh Digital Platform's post 18/06/2025

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের এই দুটি প্রতিকৃতি এঁকেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের শিক্ষক ডক্টর শেখ মনিরউদ্দিন জুয়েল। তিনি শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক।

Photos from Positive Bangladesh Digital Platform's post 16/04/2025

একজন শিশির ভট্টাচার্য এবং তাঁর আমলনামা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বিখ্যাত নাম শিশির ভট্টাচার্য। অসাধারণ চিত্রকর। দেশবরেণ্য কার্টুনিস্ট। কার্টুনিস্ট হিসেবে তিনি জীবন্ত কিংবদন্তি। রনবীর পর তাঁকেই দেশের সেরা কার্টুনিস্ট ধরা হয়। ভোরের কাগজ এবং প্রথম আলো পত্রিকার জনপ্রিয়তার পেছনে তাঁর কার্টুনের অবদান অবিস্মরণীয়।

কিন্তু তাঁর আরেক পরিচয় তিনি হিন্দুত্ববাদী, কট্টর মৌলবাদী এবং বেগম খালেদা জিয়া বিদ্বেষী। যুগে যুগে তিনি বেগম জিয়াকে ছোট করে কার্টুন এঁকেছেন এবং অবয়ব বিকৃত করে উপস্থাপন করেছেন।

১৯৯৬ এ একটি দলের হয়ে তিনি বেগম খালেদা জিয়াকে তুলির মাধ্যমে বিকৃত করে ধারাবাহিক স্কেচ এঁকেছেন মোটা অংকের অর্থের মাধ্যমে। সেগুলো 'পুতুল সংবাদ' শিরোনামে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয় প্রিন্ট মাধ্যমে। (নমুনা সংযুক্ত)

শিশির ভট্টাচার্য চারুকলা থেকে অবসরে গিয়ে ডিন হিসেবে যুক্ত হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শান্ত মারিয়ামে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান চেয়ারম্যান আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি পন্থী সাদা দলের সাবেক শিক্ষক। এরকম আদর্শে বিশ্বাসী একজন চেয়ারম্যান কীভাবে আওয়ামী লীগের নগ্ন সমর্থককে চাকরি দিতে পারেন! এতে সকলে হতভম্ব। সাদা দলের মুখে চুনকালে এঁকে দিয়েছেন চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুল হক।

তবে একটি মহল জানাচ্ছে যে ২০১০ এ ডিন ইলেকশনে সাদা দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে তিনি শিশির-নেসার গ্রুপে তলে তলে যোগ দেন। সম্প্রতি শিশির ভট্টাচার্য শান্ত মারিয়ামে যোগ দিলে এই সত্যতা আরো চাউর হয়। তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়টি ক্রমশঃ নিম্নমুখী হতে থাকে। চেয়ারম্যান এবং ডিন দুজনই চারুকলা ব্যাকগ্রাউন্ডের হওয়ায় কনটেম্পোরারি এডুকেশন, আইটি, মিডিয়া, পাণ্ডিত্যপূর্ণ বক্তৃতা, স্মার্টনেস - সবদিক দিয়ে র‍্যাংকিং এ পিছিয়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কিছুদিন আগে প্রক্টর কায়কোবাদ রানাকে নিয়েও গড়ে উঠেছিলো আন্দোলন। রানার পদত্যাগের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা হয়।

এখন ডিন শিশির ভট্টাচার্য'র বেগম জিয়া বিরোধী শত শত কার্টুন সামনে আসায় চেয়ারম্যানের নির্লিপ্ততা সামনে চলে এসেছে। এবার কাকে কাকে যেতে হয় সেটাই দেখার বিষয়।

18/03/2025

বইকে অপমান করতে গিয়ে বাংলা হরফকেও অপমান করা হলো। - আরো সৃজনশীল উপায়ে ক্রোধ প্রকাশ করা যেতে পারতো। ইতিহাস মানে বিজয়ীদের ইতিহাস। যারা পরাজিত হয় বা প্রাণভয়ে পালিয়ে যায় তাঁদের কোন ইতিহাস থাকে না।

18/03/2025

'বাংলাদেশের জনগণের অন‍্যতম সম্পদ লুণ্ঠনকারী পলাতক হাসিনার পুত্র এখন নি:সঙ্গ! আওয়ামী লীগের জন‍্য ছোট হয়ে আসা পৃথিবীতে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও তার চেহারায় আছে উদ্বিগ্নতার ছাপ। মাত্র ২২১ দিন আগের যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ জীবন- হম্বিতম্বি সব শেষ। গত ৭ মাসে তার বয়সও যেন এক ধাক্কায় ৭ বছর বেড়ে গেছে।'
- ড: কনক সারোয়ার

এই মুহূর্তে সেলফোন ছাড়া জয়ের কোন সঙ্গী নেই।

08/03/2025

জাপানে আছি প্রায় বছর সাতেক হয়ে গেল। টোকিও থেকে কোয়েটো যাব বলে, ট্রেনে উঠেছি। নাহ, বুলেট ট্রেনে নয়। সাধারণ ট্রেনে। স্পিড মন্দ নয়। বুলেট ট্রেনগুলোর প্রচুর ভাড়া। হাতে সময় আছে। অতিরিক্ত খরচ না করাই ভালো।

জাপানে সাধারণ ট্রেনগুলোতে ভালোই ভিড় হয়। তাও, উইন্ডো সিট পেয়েছি। টোকিওর পরিমিত কোলাহল ছাড়িয়ে ট্রেন ক্রমশ ― সবুজের ছোঁয়া পাচ্ছে।

বর্ডার ফিল্মটা ― আমার খুব প্রিয়। মোবাইলে দেখছি। প্রায়ই দেখি। দেশ ছেড়ে আসার পর দেশের প্রতি টানটা যেন বড্ড বেড়েছে ! তাছাড়া, কিছু মানুষ নিজেদের পরিবার পরিজনকে পেছনে রেখে দেশের জন্য নিজেদের জীবন দিয়ে দিচ্ছেন ― এমন ভাবনা, আমাকে মোহিত করে।
আমার পাশে এক বৃদ্ধ বসে আছেন। মুখে স্মিত হাসি। মাঝে মাঝে বোধহয় আমার মোবাইল স্ক্রিনের দিকে একঝলক তাকাচ্ছেন। চোখে চোখ পড়াতে, একটু ঝুঁকে বললেন ― হ্যালো।

আমিও পাল্টা সৌজন্য দেখিয়ে জানালাম যে আমি শুভ, একজন ভারতীয়। বৃদ্ধ স্তিমিত কণ্ঠে উত্তর দিলেন ― আমি, নিশিজাকি । তুমি কি ওয়ার ফিল্ম পছন্দ করো !

আমি মাথা ঝাকিয়ে বললাম, হ্যাঁ। আমি আমার দেশকে ভালবাসি । আমার দেশের সৈন্যরা ,নিজেদের দেশের জয়গান করতে করতে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছে, এর থেকে বড় স্যাক্রিফাইস আর কী হতে পারে !
বৃদ্ধ গম্ভীর হয়ে বললেন ― তুমি কোনও দিন যুদ্ধ দেখেছো !
আমি দু দিকে মাথা নেড়ে ইঙ্গিতে ― না বললাম।

উনি নিজের মাথাটা সামান্য নামিয়ে, মাটির দিকে চেয়ে বললেন ― ১৯৪২ সালে, আমার বয়স ছিল মাত্র পনেরো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সারা বিশ্বকে নিজেদের পদানত করার জন্য, সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য, শাসকের ইচ্ছেতে, আমাদের মরতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সিম্পলি মরতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমি জাপানের নৌবাহিনীতে যোগদান করতে বাধ্য হয়েছিলাম। তবে, বাড়ি ছাড়ার সময় মা'র সাথে আমার একটা চুক্তি হয়েছিল।

চুক্তি ! মায়ের সাথে ! সত্যিই ! অবাক হয়ে জানতে চাইলাম।
বৃদ্ধ গোল্ডেন ফ্রেমের ফাঁক দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন ― মা বলেছিলেন, " তোমাকে কথা দিতে হবে, তুমি বেঁচে থাকবে আর বাড়ি ফিরবে .." । পুরো প্যাসিফিক রিজিয়ন জুড়ে আমাদের যুদ্ধ করতে হয়েছিল। নৌবাহিনীতে থাকাকালীন একবার ওকিয়ামা-তে (জাপানি দ্বীপপুঞ্জের অংশ) আমাকে একটা সুইসাইড মিশনে যাওয়ার জন্য – বাধ্য করা হয়। মিশন ব্যর্থ হয়। আমরা ধরা পড়ি।

আমি অবাক চোখে সাদা জামার ওপর নীল সোয়েটার পরিহিত বৃদ্ধের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম।

উনি বলে চললেন, আমাদের সকলকে ফায়ারিং স্কোয়াডের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বেছে বেছে গুলি করে মারা হয়েছিল আমার সহকর্মীদের। আমাকে কেন সেদিন মেরে ফেলা হয় নি, আমি জানি না। হয়তো মায়ের সাথে চুক্তি ছিল যে আমাকে বেঁচে থেকে বাড়ি ফিরতে হবে, সেজন্যই হয়তো ...!!!

বৃদ্ধ আসন ছেড়ে উঠে পড়তে উদ্যত হলেন। পরের স্টেশনে নামবেন সম্ভবত। ওঠার সময় , আমার কাঁধে হাত রেখে কানের সামনে মুখটুকু এগিয়ে নিয়ে এসে বললেন ― সিনেমার পর্দায় একজন ডায়িং সোলজারের মুখে কী ডায়লগ বসানো হয় আমি জানি না, কারণ আমি ওয়ার ফিল্ম দেখি না ...তবে, মাই ফেলো ফ্রেন্ড, একটা কথা আমি বলতে পারি যে যুদ্ধে আমি চোখের সামনে ― নিজের দেশের বা বিপক্ষের বহু সৈন্যদের, মরতে দেখেছি...

.. মারা যাওয়ার আগে বা গুলি খাওয়ার আগে, যারা তোমার মতন বা তোমার থেকেও তরুণ ছিল, তাঁরা তাঁদের মায়ের নাম ধরে চিৎকার করত...
.. আর যারা বয়সে অপেক্ষাকৃত বড় ছিলেন, তাঁরা যুদ্ধক্ষেত্রে মারা যাওয়ার আগে নিজেদের সন্তানদের নাম ধরে চিৎকার করতেন... নিজেদের শরীরের অবশিষ্ট শক্তিটুকু দিয়ে চিৎকার করতেন... স্যরি , মাই ফ্রেন্ড আমি নিজে সৈনিক হিসেবে, এমন কোনও সৈনিককে দেখিনি যিনি মৃত্যুর আগে ― নিজের দেশ বা শাসকের নাম ধরে চিৎকার করেছেন ... বিলিভ মি...

আমাকে স্তম্ভিত করে, বৃদ্ধ ক্রমশ ধীর পায়ে, দরজার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। বগিটা বোধহয় একটু বেশিই দুলছিল সেদিন।
আমি মোবাইলটা ― সুইচ অফ করে দিলাম|

পুনশ্চ : বিরাশি বছরের জাপানি ওয়ার ভেটারেন নোবুও নিশিজাকি , বর্তমানে বিশ্বে বেঁচে থাকা গুটিকয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা সেনানীদের মধ্যে একজন।।

✍️ কলমে: শুভ্র কিশোর বসু

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Mohammadia Housing Society
Dhaka
1207