11/10/2022
সাজিদ কি পারবে আবার ক্লাসে ফিরতে? সাজিদ কি পারবে টিএসসিতে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় ফিরতে?
সাজিদুর রহমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানাইজেশন & স্ট্র্যাটেজি লিডারশিপ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। আমাদের সবার জীবনে স্বপ্ন থাকে দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। সাজিদেরও ছিল। অদম্য মেধাবী সাজিদ তার স্বপ্ন পূরণে লড়েছে দীর্ঘ টানা ১২ টি বছর। যার ফলস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ১৪১ তম পজিশন অর্জন করে সে। ভর্তি হয় প্রাচ্যের অক্সফোর্ডে।
ঢাবিতে ১টা সেমিস্টার শেষের পর হঠাৎ তার কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। ক্লান্তি লাগা, অবসাদ, শরীর অবশ হয়ে আসা, নড়তে না পারা। এক পর্যায়ে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে জানা যায় অদম্য মেধাবী সাজিদের কিডনি ৯৫% বিকল। আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে, একজন স্বাভাবিক মানুষ দুটো কিডনি নিয়ে জন্মালেও জন্মগতভাবে সাজিদের কিডনি একটিই! আর ঐ ১ টি কিডনিই ৯৫% বিকল।😓😓
সাজিদের বন্ধুরা যখন ক্যাম্পাসে পড়াশোনায় ব্যস্ত, সাজিদ তখন প্রতিক্ষণে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঞ্জা লড়ছে মৃত্যুর সাথে। ডাক্তার সাফ জানিয়ে দিল, ভারতের চেন্নাইতে অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে পারলেই বাঁচবে সাজিদ। কিন্তু সেখানে গিয়ে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট, থাকা-খাওয়া, নিয়মিত ডায়ালাইসিস সহ মিলিয়ে মোট খরচ পড়বে ২০-২২ লাখ টাকা!!!😓 আর চেন্নাই যাবার আগ পর্যন্ত যতদিন দেশে আছে ততদিন সপ্তাহে দুবার ডায়ালাইসিস, ইঞ্জেকশন আর ঔষধ মিলে প্রতি সপ্তাহে লাগছে ১০ হাজার টাকা করে।
সাজিদের মাদ্রাসা শিক্ষক বাবার মাথায় তখন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। তার যে অত টাকা নেই। কিন্তু আদরের দুলালের কষ্ট কি কোন বাবা সইতে পারে? নিজের গায়ে শক্তি থাকতে আদরের সন্তান কষ্ট পাবে, এই দৃশ্য পৃথিবীর কোন বাবা সইতে পারবে না। কিন্তু কিই বা করার আছে তার! এরপরও নিজের সাধ্যের সবটুকু দিয়ে নানাভাবে তিনি ৮ লক্ষ টাকা জোগাড় করেন।
কিন্তু এরপরও যে ভারতে নিয়ে গিয়ে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করে সাজিদকে পরিপূর্ণ সুস্থ করতে আরো ১২-১৪ লাখ টাকা দরকার। সেই টাকা তিনি পাবেন কোথায়? তার যে আর কুলাচ্ছে না। একদিকে ছেলের কষ্ট, অন্যদিকে অর্থের হাহাকার, আবার পরিবারের বাকিদের জীবন। সাজিদের পিতা বুঝতে পারছেন না তিনি কোনদিকে যাবেন। কে তাকে সাহায্য করবে! এদিকে শান্তশিষ্ট অমায়িক সাজিদ নিজের রুমের চার দেয়ালে বসে প্রহর গুনছে সে ঠিক কবে আবার ক্যাম্পাসে ফিরবে, কবে আবার করবে ক্লাসে। কবে দেখবে সহপাঠীদের। আবার পরক্ষণে ভাবছে, সে আদৌ সুস্থ হবে তো! জোগাড় হবে তো পুরো টাকা? যাওয়া হবে তো চেন্নাই?
আমরা প্রতিদিনই তো কত টাকা উড়াই। কখনো হিসেব থাকে আবার কখনো থাকেনা। অথচ দেখুন, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, এই টাকার জন্য পৃথিবীর এক বাবা তার সন্তানকে সুস্থ করে তুলতে পারছেন না। এই টাকার জন্য এক অদম্য মেধাবী ঢাবিয়ান যেতে পারছে না তার ক্লাসরুমে, বুঝতে পারছে না সে আদৌ বাঁচবে কিনা।... আমরা কি পারিনা কিছু টাকা দিয়ে সাজিদকে সুস্থ করে তুলতে? আমরা কি পারি না সাজিদকে তার ক্লাসরুমে ফিরতে সাহায্য করতে? যে টাকা সাজিদের বাবার জন্য একা অনেক, আমরা সবাই মিলে কিছু টাকা করে দিতে থাকলে এ টাকা কিছুই না। আসুন না সাজিদকে সাহায্য করি। আসুন না সাজিদকে সুস্থ করে তুলি। আপনার একটু দান একজন মানুষকে সুস্থ করে তুলতে পারে। আপনার একটু দান দেখিয়ে দিতে পারে, পৃথিবীতে আজও মানবতা আছে। মানুষ পশু হয়ে যায়নি। শুধু দরকার এগিয়ে আসার একটু সদিচ্ছা। আসুন সাজিদকে সাহায্য করি। বেঁচে থাকুক সাজিদ৷ ভালো থাকুক সাজিদ। সাজিদ ফিরে আসুক সবার মাঝে। সাজিদ ফিরে আসুক তার শ্রেণিকক্ষে।
সাজিদকে সহযোগিতা করতে, ( সাজিদের বাবার একাউন্ট)
বিকাশ : 01687543913
নগদ : 01811745092
অগ্রণী ব্যাংক (মহাখালী শাখা) : 0200001117643
10/07/2022
01/07/2022
20/06/2022
02/06/2022
22/05/2022
03/05/2022
22/04/2022
14/04/2022
03/04/2022
26/03/2022