Nationtip.com

Nationtip.com

Share

Digital Learning Website.

11/08/2021

✅ টিকা পাচ্ছেন গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী নারীরা।

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সোমবার (০৯ আগস্ট) থেকে গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী নারীরা টিকা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও কোডিড-১৯ মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে। সকলের মতো গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের মধ্যেও কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিষয়টি বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকার টিকা বিষয়ক জাতীয় কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের কোভিড-১৯ টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গর্ভবতী নারীদের কোভিড-১৯ টিকা প্রদানের পূর্বে করণীয়:

১. সাধারণ নির্দেশনাবলী
- গর্ভবতী নারীকে সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল/ অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্নকরণ পূর্বক শুধুমাত্র হাসপাতাল বিশিষ্ট সরকারি টিকাদান কেন্দ্রে কোভিড-১৯ টিকা প্রদান করতে হবে।

- টিকা প্রদানের পূর্বে টিকাকেন্দ্রের রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক কাউন্সেলিং সম্পন্ন সাপেক্ষে গর্ভবতী নারীকে টিকা প্রদান করতে হবে।

২. শর্তাবলী
- গর্ভবতী নারী টিকা গ্রহণের দিন অসুস্থ থাকলে তাকে কোভিড-১৯ টিকা প্রদান করা যাবে না।

- অনিয়ন্ত্রিত দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত গর্ভবতী নারীকে কোডিড-১৯ টিকা প্রদান করা যাবে না।

- কোনো গর্ভবতী নারীর ভ্যাকসিন অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস থাকলে তাকে কোডিড-১৯ টিকা প্রদান করা যাবে না।

- কোনো গর্ভবতী নারী যদি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ১ম ডোজ গ্রহণের পর এইএফআই কেস হিসেবে শনাক্ত হন। তবে তাকে ২য় ডোজ প্রদান করা যাবে না।

- সম্মতিপত্রে টিকাগ্রহীতা/ আইনানুগ অভিভাবক ও কাউন্সেলিং চিকিৎসকের স্বাক্ষর ব্যতীত টিকা প্রদান করা যাবে না।

৩. কাউন্সেলিং
কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণে ইচ্ছুক গর্ভবতী নারীকে টিকা প্রদানের পূর্বে অবশ্যই নিম্নোক্ত তথ্যাদি একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে অবহিত করতে হবে।

সেগুলো হলো:
-গর্ভবতী নারীদের গর্ভাবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি সম্পর্কে অবহিতকরণ

- নির্ধারিত সময়ের আগেই সন্তান জন্মদান (অপরিণত নবজাতক) এর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

- নবজাতকের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

- বয়স্ক গর্ভবতী (> ৩৫ বছর), উচ্চ বিএমআই সম্পন্ন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত নারী গর্ভাবস্থায় (বিশেষ করে ১ম ও ২য় ট্রাইমেস্টার) কোডিড-১৯ এ আক্রান্ত হলে তা মারাত্মক রূপ নিতে পারে। এক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

- সাধারণ নারীদের তুলনায় গর্ভবতী নারীদের কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হলে স্বাস্থ্য ঝুঁকির আশঙ্কা অনেক বেশি।

- টিকা গ্রহণ করলে কোডিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়া ও এর ফলে সৃষ্ট জটিলতার ঝুঁকি অপেক্ষাকৃত কম।

- গর্ভাবস্থায় কোডিড-১৯ টিকা গ্রহণ করলে কোভিড-১৯ এর গর্ভজনিত ঝুঁকিসমূহের সম্ভাবনা কম।

06/08/2021

✅ গর্ভবতী মায়েদের জন্য স্পেশাল গিফট! আপনি যদি গর্ভবতী হয়ে থাকেন এই বইটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রেগন্যান্সি নিয়ে ১০১ টি প্রশ্নের উত্তর জানতে এখনি বইটি ফ্রিতে ডাউনলোড করুন! এই সুযোগে সীমিত সময়ের জন্য। ডাউনলোড করতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।👇

ওয়েবসাইটঃ https://nationtip.com/101-pregnancy-questions-answered/

04/08/2021

বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

ওয়েবসাইট: https://nationtip.com

25/07/2021

আলহামদুলিল্লাহ...

পাঠক রিভিউ..👌 একটু হলেও হেল্প করতে পারছি।

25/07/2021

অনেকেই বইটি নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান। তাই বইটি নিয়ে একটি সামারি দিয়েছি। ভিডিও টি দেখলে আশা করি আপনি বুঝে যাবেন বইটি প্রেগন্যান্সি সময়ে এতোটা গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টা কে সুস্থ সুন্দর ভাবে কাটানো জন্য বইটি আপনাকে অনেক হেল্প করবে।

ওয়েবসাইট: https://nationtip.com
মেসেঞ্জার: https://m.me/nationtip

17/06/2021

⭕️ গর্ভাবস্থা এবং করোনা ভাইরাস: গর্ভবতী মহিলা ও মায়েদের জন্য করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত কিছু নির্দেশিকা।

নোভেল করোনা ভাইরাস যেভাবে দ্রুত চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে, সেক্ষেত্রে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এই ভাইরাস কতটা ক্ষতিকর এবং সংকটপূর্ণ হতে পারে তা অত্যন্ত চিন্তার বিষয়। তবে, স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞ এবং বিজ্ঞানীরা আশ্বাস দিয়েছেন যে বর্তমান গবেষণা এবং সমীক্ষা ইঙ্গিত দিচ্ছে, গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি বেশি হওয়ার কোনও প্রমাণ নেই।

আজকের এই আর্টিকেলটিতে আপনি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এবং গর্ভাবস্থা সম্পর্কিত আপনার মনে থাকা কিছু প্রশ্নের উত্তর পাবেন, এখানে আমরা গর্ভবতী মহিলা ও নতুন মা উভয়ের দিক নিয়েই কথা বলব।

১) কোভিড-১৯ গর্ভাবস্থার জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে?

উত্তর: সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সাধারণ মানুষের তুলনায় লক্ষণগুলির ঝুঁকি বেশি হয় না। সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে, এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের কারণে গর্ভবতী মহিলাদের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। অতএব, এখনও পর্যন্ত এমন কোনও প্রমাণ নেই যে কোভিড-১৯ গর্ভাবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি করে বা জন্মের পরে শিশুর স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে।

২) করোনা ভাইরাস গর্ভবতী মহিলাদের উপর কী প্রভাব ফেলে?

উত্তর: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সন্দেহ করেছেন যে, গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই হালকা বা মাঝারি ধরনের ফ্লু জাতীয় লক্ষণ অনুভব করে। নিউমোনিয়ার মতো গুরুতর লক্ষণগুলি বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা যায়, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম।

৩) কোভিড-১৯ কি কোনও গর্ভবতী মহিলার কাছ থেকে ভ্রূণ বা নবজাতকের কাছে যেতে পারে?

উত্তর: প্রাথমিক প্রতিবেদনগুলি থেকে জানা যায় যে, কোভিড-১৯ গর্ভবতী মহিলাদের বা নবজাত শিশুদের আঘাত করতে পারে না। তবে, চিন্তার বিষয় হল গর্ভবতী হলে ফ্লু-তে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে কারণ গর্ভাবস্থা একজন ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দমন করে। এছাড়াও, গর্ভাবস্থার পরবর্তী পর্যায়ে ফুসফুস সহ অঙ্গগুলি বায়ু চলাচল করতে কম সক্ষম হয়ে পড়ে। চীনের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুসারে, চারজন মহিলা তাদের শিশুদের জন্ম দেওয়ার সময় ভাইরাসে সংক্রামিত হয়েছিলেন। তবে চারটি শিশু সুস্থভাবে জন্মগ্রহণ করেছিল, কোনও কোভিড-১৯ লক্ষণ ছাড়াই।

৪) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে আমি কী করতে পারি?

উত্তর: সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হল, কর্মক্ষেত্রে বা পাবলিক প্লেস থেকে বাড়িতে পৌঁছানোর সাথে সাথে নিয়মিত ভালভাবে হাত ধোবেন।

৫) করোনা ভাইরাসটি কি ব্রেস্ট মিল্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে?

উত্তর: এই ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে, তবে সংক্রামিত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচি হলে তার থেকে নির্গত জীবাণুর মাধ্যমে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার ঘটে বলে মনে করা হয়। গবেষণায়, ব্রেস্ট মিল্কে ভাইরাস সনাক্ত করা যায়নি; তবে এটি জানা যায়নি যে, কোভিড-১৯ থাকা মায়েদের ব্রেস্ট মিল্কের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণ হতে পারে কি না।

৬) আমার বাচ্চার কি করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হবে?

উত্তর: হ্যাঁ, আপনার সন্তানের জন্মের সময় আপনি যদি করোনা ভাইরাস নিয়ে নিশ্চিত হয়ে থাকেন বা আশঙ্কা করেন তবে আপনার শিশুরও করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হবে।

৭) যদি আমি করোনা ভাইরাস হওয়ার আশঙ্কা করে থাকি তবে আমি কি আমার সন্তানের সঙ্গে থাকতে পারব?

উত্তর: এক্ষেত্রে হাসপাতালের নিয়ম অনুসারে সমস্তটা হয়। যদি আপনার শিশুটি ভাল থাকে এবং আলাদা করে নবজাতকের ইউনিটে শিশুটির যত্নের প্রয়োজন না হয়, তবে জন্মের পরে একসাথে রাখা হবে।

৮) যদি আমি করোনা ভাইরাস হওয়ার আশঙ্কা করে থাকি তবে আমি কি আমার সন্তানকে স্তন্যপান করাতে সক্ষম হব?

উত্তর: হ্যাঁ, এই মুহুর্তে স্তন্যপানের মাধ্যমে ভাইরাস স্থানান্তরিত হতে পারে তার কোনও প্রমাণ নেই। স্তন্যপান করানোর প্রধান ঝুঁকি হল, আপনার এবং আপনার শিশুর মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। কারণ, এর ফলে জীবাণুগুলি স্থানান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এতে আপনার বাচ্চাও সংক্রামিত হতে পারে।

৯) আমি যদি আমার বাচ্চাকে স্তন্যপান করাই তবে কী কী সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত?

ক) আপনার শিশুকে স্পর্শ করা এবং ব্রেস্ট পাম্প বা বোতলগুলি স্পর্শ করার আগে আপনার হাত ভালভাবে ধুয়ে নিন।

খ) স্তন্যপান করানোর সময় ফেস মাস্ক পরুন।

গ) আপনার শিশু স্তন্যপান করার সময় তার উপরে কাশি বা হাঁচি দেওয়া এড়ানোর চেষ্টা করুন।

ঘ) প্রতিবার দুধের বোতল ব্যবহারের পরে পাম্প পরিষ্কার করুন।

আপনি যদি গর্ভবতী হন তবে, সাধারণ মহিলাদের চেয়ে আপনার সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। অতএব, গাইডলাইনগুলি অনুসরণ করুন এবং নিজেকে ও আপনার শিশুকে এই মহামারি থেকে বাঁচানোর জন্য ভালো পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। গর্ভবতী মায়েদের আক্রান্তদের থেকে দূরে থাকতে হবে, নিয়মিত হাত ধোয়া উচিত, বিদেশে ভ্রমণ করা এড়ানো উচিত এবং কোনও কিছু সন্দেহ হলেই ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। নিরাপদ থাকুন, সুস্থ থাকুন।

17/06/2021

⭕️ প্রেগন্যান্সির প্রাথমিক ১৫ টি লক্ষণঃ

গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে, বেশিরভাগ মহিলারা বমি বমি ভাব, অবসন্নতা, স্তনের ব্যথা ইত্যাদি অনুভব করে তবে সমস্ত মহিলারা এই লক্ষণগুলি অনুভব করবেন না কারণ এই সময়ের মধ্যে এই লক্ষণগুলি খুব হালকা থাকে। বেশিরভাগ মহিলারা পিরিয়ড মিস করার পরে তাদের গর্ভধারণের ব্যাপারে সন্দেহ করে বা জানতে পারে।

কিছু মহিলারা গর্ভাবস্থার প্রথম মাসে দাগ কাটা লক্ষ্য করে থাকে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটি স্বাভাবিক মনে হয়। যদি আপনি গর্ভাবস্থার প্রথম মাসে দাগ পড়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেন সেক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা এড়াতে গাইনোকোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করুন।

লক্ষণ ও উপসর্গঃ

গর্ভাবস্থার প্রথম মাসে, আপনি নির্দিষ্ট উপসর্গ এবং লক্ষণগুলি অনুভব করতে পারেন। যদিও এগুলি প্রাক-মাসিকের লক্ষণগুলির মতোই। সেকারণে আপনি বিভ্রান্ত হতে পারেন। তবে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যে এই সাধারণ লক্ষণগুলি কী কী –

১. পিরিয়ড না হওয়া

পিরিয়ড মিস করা গর্ভাবস্থার অন্যতম প্রধান লক্ষণ। একজন মহিলা গর্ভধারণ করলে তার দেহ প্রজেস্টেরন হরমোন রিলিজ করা বন্ধ করে দেয়। এটি পিরিয়ড বন্ধ করার জন্যও দায়ী। পিরিয়ড মিস করা গর্ভাবস্থার প্রথমিক লক্ষণগুলির মধ্যে একটি।

২. সামান্য স্পটিং

ডিম নিষিক্তকরণের প্রক্রিয়াতে যখন জরায়ুতে নিজেকে যুক্ত করে, তখন কিছু পরিমাণ বাধা এবং দাগ কাটতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, আপনার যৌনাঙ্গে ধোয়া বা মুছার সময় এটি দেখতে পারেন। যদিও গর্ভাবস্থার প্রথম মাসের রক্তপাত বা দাগ দেখা দেওয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক, তবে অস্বাভাবিক রক্ত ​​বা দাগ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিত্সকের সহায়তা নিন।

৩. সংবেদনশীল স্তন

আপনার স্তনটি স্পর্শে ব্যথা বোধ করা বা সংবেদনশীল হওয়া। যদিও এই লক্ষণটি প্রাক-মাসিকের লক্ষণগুলির সাথে বেশ মিল। আপনার স্তনের নিপলের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলটি কালচে হতে পারে এবং স্তনের শিরাগুলো দৃশ্যমান হয়ে উঠতে পারে।

৪. মেজাজ পরিবর্তন

শরীরে বড় ধরনের হরমোনাল পরিবর্তনগুলির কারণে আপনার মেজাজটি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে। হয়তো এই মুহূর্তে আপনি খুশি বোধ করছেন কিন্তু পরের মুহূর্তে আপনার হতাশার অনুভূতি জাগতে পারে। এগুলো গর্ভাবস্থার খুব সাধারণ লক্ষণ।

৫. ঘন ঘন লু ট্রিপস (টয়লেটে যাওয়া)

গর্ভাবস্থার প্রথম মাসে হরমোনের পরিবর্তনগুলি দ্রুত হয় এবং ফলস্বরূপ পেলভিক (শ্রোণী) অঞ্চলে বেশি রক্ত ​​প্রবাহিত হবে। এটি ভ্রূণের সর্বোত্তম বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য জরায়ু আস্তরণকে ঘন করতে সহায়তা করে। শরীরের বর্ধিত তরলগুলি পরিচালনা করতে কিডনির কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়। হরমোনগত পরিবর্তন এবং কিডনির কার্যক্রমের পরিবর্তন মূত্রাশয়ের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে যার ফলে প্রস্রাবের প্রবণতা বাড়িতে পারে।

৬. ক্লান্তি

গর্ভাবস্থার প্রাথমিক মাসগুলিতে আপনি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ক্লান্ত এবং শক্তি কম পেতে পারেন। ক্লান্তির কারণে ঘুম ঘুম অনুভূত হতে পারে।

৭. খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন

নতুন করে কিছু খাবারের প্রতি আপনার ভালোলাগা সৃষ্টি হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু খাবারের প্রতি অনিহা আসতে পারে। আপনার পছন্দসই খাবারের প্রতি বিরূপতা তৈরি হওয়াটা খুব স্বাভাবিক এবং অপছন্দের খাবারে আগ্রহ বা ভালো লাগা সৃষ্টি হতে পারে।

৮. প্রাতঃকালীন অসুস্থতা

বেশিরভাগ গর্ভবতী মহিলারা গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। সাধারণত প্রথম তিন সপ্তাহের মধ্যে এই অনুভূতি হয়ে থাকে। কিছু মহিলা সারা দিন বমি বমি ভাব বোধ করে থাকে এবং অনেকে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে বমি বমি অনুভব করে থাকেন।

৯. অম্বল (বুক-গলাজ্বালা)

গর্ভাবস্থায় বুক-গলাজ্বালা খুব স্বাভাবিক। গর্ভাবস্থার শুরুতে শরীরের অভ্যন্তরে বিভিন্ন পরিবর্তনগুলি অ্যাসিড রিফ্লাক্স (প্রতি প্রবাহ) এবং অম্বলের জন্য দায়ী। গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে হার্ট বার্ন খুব সাধারণ বিষয় ন বাড়ন্ত বাচ্চা নিজেই পেট ঠেলে দেয় এবং পেটের অ্যাসিড খাদ্যনালীতে ফিরে আসে।

১০. প্রখর ঘ্রাণশক্তি

অনেক মহিলার গর্ভাবস্থায় ঘ্রাণের তীব্রতা অনুভব করেন। এর মধ্যে কিছু ঘ্রাণ আপনার পছন্দ হতে পারে এবং কিছু ঘ্রাণ (গন্ধ) আপনার ভালো লাগবে না।

১১. অনিয়মিত হজম (পরিপাক)

দেহে প্রোজেস্টেরনের বর্ধিত মাত্রা বিভিন্ন পেশীগুলির কার্যকারিতা পরিবর্তন করে। এই পরিবর্তিত হরমোন স্তর পেশীগুলিকে ধীরে ধীরে কাজ করতে উৎসাহিত করে এবং এভাবে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ধীর হয়ে যায় যা অনিয়মিত অন্ত্রের গতি বা কোষ্ঠকাঠিন্যে রূপ নেয়।

১২. মাথা-ঘোরা

প্রোজেস্টেরনের উপস্থিতি রক্তচাপ কমাতে পারে এবং আপনার মাথা ঘোরার অনুভতি হতে পারে।

১৩. পিঠে ব্যাথা

শরীরে প্রজেস্টেরনের বর্ধমান মাত্রার ফলস্বরূপ গর্ভাবস্থায় শ্রোণী অঞ্চলকে আচ্ছাদিত করে থাকা লিগামেন্টগুলি আলগা হয়ে যায়। আপনার পিঠ এবং কোমরের এই শিথিল লিগামেন্টগুলির কারণে পেছনে ব্যথা হতে পারে।

১৪. অতিরিক্ত ক্ষুধা বোধ

সঠিক ডায়েট গর্ভাবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গর্ভাবস্থায় আপনি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত হয়ে উঠতে পারেন এবং খাদ্যের জন্য উদগ্রীব হতে পারেন।

১৫. মাথাব্যাথা

আপনার গর্ভাবস্থার শুরুতে, আপনার দেহের অভ্যন্তরে অনেকগুলি পরিবর্তন হবে। বর্ধিত হরমোন, রক্তের পরিমাণ এবং স্ট্রেস এর কারণে ঘন ঘন মাথা ব্যথা হতে পারে।

এগুলো গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণসমুহু। গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে আপনি এই লক্ষণগুলো অনুভব করবেন। এই লক্ষণগুলোর পাশাপাশি, শরীরে অনেক পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারেন। অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

17/06/2021

⭕️ গর্ভবতী নারীদের কিছু ভুল ধারণা ও করণীয়।

গর্ভধারণ যেকোনো নারীর জীবনে পরমআকাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। এসময়ে তারা গুরুজন এবং পাড়া-প্রতিবেশীর উপদেশ মানতে গিয়ে বিভিন্ন কুসংস্কারে আবদ্ধ হয়ে পড়েন। এসব ভুল উপদেশ অনেক সময় মা ও বাচ্চার জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। গর্ভধারণের পর প্রথম যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে তা হচ্ছে গর্ভপাত। এজন্য পরিবারের সদস্যরা অনেক সময় বিভিন্ন কুসংস্কারকে দায়ী করেন।

যেমন: সন্ধ্যার পর বাইরে বের হওয়া, স্বামী-স্ত্রীর সহবাস, সামান্য আঘাত পাওয়া ইত্যাদি। সাধারণভাবে এগুলো গর্ভপাতের জন্য দায়ী নয়। প্রতি ১০০ জন গর্ভবতী নারীর মধ্যে ১৫ জনের ক্ষেত্রে প্রথমবার গর্ভপাতের সম্ভাবনা থাকে। বিভিন্ন ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে এর কারণ নির্ণয় করা যেতে পারে।

ভিটামিন ঔষধ খেতে অনেকে অনীহা প্রকাশ করে। তাদের ধারণা এতে বাচ্চা বড় হয়ে যায় এবং সিজারিয়ার অপারেশনের সম্ভাবনা বাড়ে। এটি একটি ভুল ধারণা। ভিটামিন মায়ের শরীরের রক্তশূন্যতা দূর করে এবং হাড় ক্ষয়ের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

অনেক মা এসময় শারীরিক পরিশ্রম ও সহবাস করা থেকে বিরত থাকেন এবং এটা গর্ভের বাচ্চার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন কিন্তু কিছু কিছু ঝুকিপূর্ণ অবস্থা (যেমন : প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, রিপিটেড এবরসন, আইইউজিআর) ছাড়া গর্ভবতী মায়েরা স্বাভাবিক সব কাজই চালিয়ে যেতে পারেন। এই অবস্থায় একজন মা প্রতিদিন ৩০ মিনিট যেকোনো মধ্যম মানের ব্যায়াম (যেমন : হাঁটা, সাঁতার কাটা) করতে পারেন সপ্তাহে ৩ থেকে ৭ দিন। এতে করে অতিরিক্ত ওজন হওয়া, ডায়াবেটিস এবং প্রেসারের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

অনেক মা তাদের পেটিকোট বা সালোয়ারের বাঁধন পেটের উপর শক্ত করে বেঁধে রাখেন যাতে বাচ্চা উপর দিকে উঠে না যায়। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ভিত্তিহীন ধারণা। এই সময়ে মায়েদেরকে ঢিলা-ঢালা পোশাক পরার উপদেশ দেয়া হয়।

পেঁপে ও আনারস পেটের জন্য উপকারী ফল এবং পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়। তবে যাদের গর্ভপাতের হিস্ট্রি আছে তাদের প্রথম তিন মাস অতিরিক্ত কাঁচা পেঁপে ও আনারস না খাওয়াই ভালো কারণ কিছু ক্ষেত্রে এগুলো জরায়ুর সংকোচন ঘটিয়ে গর্ভপাত ঘটাতে পারে। এই সময়ে আধাসিদ্ধ মাংস, অপাস্তুরিত দুধ, হটডগ খেলে ওলিস্টেরিয়া নামক জীবাণুর সংক্রমণ থেকে গর্ভপাত হতে পারে। বাড়ির পোষা বিড়াল থেকেও অনেক সময় এই জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে।

যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তাদের অতিরিক্ত চা, কফি বাদ দিতে হবে এবং প্রিএক্লামসিয়া বা প্রেসারের সমস্যা থাকলে খাবারে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া উচিত হবে না।

সবশেষে মনে রাখা উচিত, গর্ভবতী মাকে সবসময় হাসিখুশি ও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে কারণ গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক অবস্থা পরবর্তী কালে শিশুর বিকাশে প্রভাব ফেলে যা গবেষণায় প্রমাণিত।

তথ্যসূত্র: দৈনিক আজাদ

17/06/2021

⭕️ সঠিক নিয়মে শিশুকে হাঁটতে শেখান।

এমন অনেক শিশুই আছে যারা দেরিতে হাঁটা শেখে। তবে শিশুর এই দেরি করে হাঁটা জিনগত কোনো বৈশিষ্ট্য নয়। এটা মূলত নির্ভর করে চেষ্টার ওপর। তবে এই চেষ্টা কেবল যে শিশুদের করতে হয় তা কিন্তু নয়, এমন ধারণা রাখাটাও ভুল। চেষ্টাটা মূলত অভিভাবককেই করতে হবে। তবে সেই চেষ্টাটা অবশ্যই সঠিক নিয়মে হওয়া জরুরি।

টাইমস অব ইন্ডিয়ায় শিশুর হাঁটা শেখা নিয়ে প্রকাশ হয়েছে দারুণ কিছু টিপস। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই টিপসগুলো-

মাঝে মাঝে গোলগাপ্পা হাত ও পাগুলোকে আলতো করে মাসাজ করুন। এতে লিম্ব ও মাংসপেশী নিজের কাজ বুঝে নেয়ার জন্য তৈরি হবে। তবে এ ধরনের মাসাজের জন্য শিশুর শরীর তৈরি হয়েছে কিনা তা জানতে আগে শিশু বিশেষজ্ঞেদের চেম্বার ঘুরে আসুন।

✔️ কোল থেকে নামান: এটা পরীক্ষিত সত্য যে সারাক্ষণ কোলে রাখলে শিশু অলস হবেই। তাই কান্নাকাটি খানিকটা উপেক্ষা করে বেশিরভাগ সময় হামাগুড়ি দিতে দিন, যাতে ওরা নিজের পায়ের কাজটা বুঝতে শেখে।

✔️ আগেই শুরু হোক: ‘বয়স আরেকটু হোক, আপনাতেই হাঁটা শিখে যাবে’, এমনটা ভাবলে শিশু নিজের পায়ে দাঁড়াতে সময় নেবে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন বয়স সাত মাস হতেই শিশুকে হাঁটি হাঁটি পা পা করাতে হবে। মাসল মেমোরি বলে একটা কথা আছে। যার কারণে আমরা হাঁটা শিখি, মশা তাড়াতে জানি ও গিটার বাজানো শিখতে পারি। যত দ্রুত শিশুকে ধরে ধরে হাঁটানোর যত প্র্যাকটিস করানো হবে, তত তৈরি হবে তার মাসল মেমোরি তথা মাংসপেশীর স্মৃতি।

✔️ খালি পা: পায়ের নিচের মাটিটা (কিংবা ফ্লোর) কেমন, সেটা অনুভব করা চাই। এতে করে হাঁটার ওপর নিয়ন্ত্রণ তৈরি হবে ভালোমতো। সারাক্ষণ জুতা পায়ে হাঁটতে গেলে দেখা যাবে খানাখন্দ বা উঁচু-নিচু রুক্ষ পথ পাড়ি দিতে অবচেতন মন বাধা দেবে শিশুকে। তাছাড়া খালি পায়ে হাঁটলে ভারসাম্যের ব্যাপারটাও পোক্ত হবে।

✔️ শুধু কথায় পা চলবে না: শিশুতো শিশুই। এমনি এমনি বললে কি আর শুনবে? খানিকটা হেঁটে এগিয়ে আসলেই মিলবে একটা চকচকে লাল খেলনা, তবেই না তার মগজে তৈরি হবে হাঁটার সূত্র!

✔️ ছন্দে ছন্দে: জুড়ে দিতে পারেন সংগীতের তাল। সাধারণ ছন্দও কিন্তু শিশুর মগজে হাঁটার উদ্দীপনা তৈরি করতে পারবে।

✔️ দেখেও শিখুক: নিজে বসে থেকে শিশুকে শুধু হাঁটালে হবে না। তাকে দেখাতেও হবে। বসা থেকে কী করে সোজা হয়ে উঠতে হয়, কী করে পা ফেলতে হয় এসব যত দেখবে তত দ্রুত দৌড়াতে শিখবে ওরা।

এই রকম আরো তথ্যবহুল পরামর্শ পেতে আমাদের পেইজ ঘুরে আসুন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

17/06/2021

⭕️ গর্ভবতী মায়ের উচ্চ রক্তচাপে প্রতিকার।

গর্ভাবস্থায় অনেকেরই উচ্চ রক্তচাপ হতে দেখা যায়। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে মা ও শিশুর জন্য এটি ঝুঁকির কারণ হয়ে যেতে পারে। এ বিষয়ে কথা বলেছেন বারডেম হাসপাতালের ধাত্রী ও প্রসূতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. নাহিদ সুলতানা।

প্রশ্ন : উচ্চরক্ত চাপ মানে কী? গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ হলে তার ঝুঁকি কী?

উত্তর : মানুষের দেহে একটা স্বাভাবিক রক্তচাপ থাকে। যদি চাপ ১৪০/৯০-এর বেশি হয় সেটাকে আমরা বলি উচ্চ রক্তচাপ। যখন একজন উচ্চ রক্তচাপসম্পন্ন নারী গর্ভধারণ করেন, যদি তাঁর কোনো জটিলতা না থাকে, যেমন, উচ্চ রক্তচাপের হার্টে সমস্যা হতে পারে, কিডনিতে অসুবিধা থাকতে পারে, চোখে অসুবিধা থাকতে পারে, তাতে তাঁর যদি গর্ভধারণ করা নিষেধ না হয় তখন আমরা সন্তান নিতে বলি। তবে যদি তাঁর কোনো জটিলতা থাকে, বুঝি অবস্থা আরো খারাপ হবে, সে ক্ষেত্রে সন্তান নিতে তাঁকে আমরা নিষেধই করি।

আবার গর্ভাবস্থায় কারো কারো উচ্চ রক্তচাপ হয়। যদি শুধু উচ্চ রক্তচাপ থাকে, সেটাকে আমরা বলি প্রেগনেন্সি ইনডিউজ হাইপারটেনশন, যেটা দেখা দেয় ২০ সপ্তাহের পরে। কারো কারো উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি এলবুমিন থাকে। যেটাকে আমরা বলি প্রি একলামসিয়া। এটা দেহে সমস্যা তৈরি করে। এগুলো হলে গর্ভধারণে ঝুঁকির আশঙ্কা থাকে।

প্রশ্ন : সাধারণত যদি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা না যায়, ওই মায়ের বা গর্ভজাত সন্তানের কী ধরনের ঝুঁকি হতে পারে?

উত্তর : উচ্চ রক্তচাপ যদি আগেও থাকে বা পরেও হয়, সেই মায়ের হার্টে অসুবিধা হতে পারে, কিডনিতে অসুবিধা হতে পারে, চোখে অসুবিধা হতে পারে। আর বাচ্চার বেলায় বৃদ্ধি কম হয়, ওজন কম হয়, অপরিপক্ব (প্রি মেচিওর) হতে পারে। মায়ের অনেক আগে রক্তপাত শুরু হয়ে বাচ্চা অনেক সময় মারাও যেতে পারে-এসব অসুবিধা হয়। সে জন্য এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

প্রশ্ন : উচ্চ রক্তচাপ হলে কী ধরনের লক্ষণ দেখা দেবে?

উত্তর : অ্যান্টিনেটাল চেকআপ বা গর্ভাবস্থায় চেকআপ খুব দরকার। মায়েরা যদি আমাদের কাছে প্রতি মাসে আসেন, আমরা তাঁদের উচ্চ রক্তচাপ ধরতে পারব। উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ হিসেবে মাথা ব্যথা করবে, মাথা ঘোরাবে, ক্লান্তবোধ হবে, বমি বমি হবে, ঘাড়ের কাছে ব্যথা করবে। এই অনুভব হলেই তাঁর উচিত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া।

প্রশ্ন : যখন তাঁর চিকিৎসকের কাছে চেকআপের জন্য আসেন, তখন সাধারণত আপনারা কী কী দেখে থাকেন?

উত্তর : রক্তের পরীক্ষা করি, হিমোগ্লোবিন দেখি, এইচবিএসএজি, ভিডিআরএল, ইউরিন পরীক্ষা করি, রক্তের গ্রুপ দেখি। আর আল্ট্রাসাউন্ড করি। ডায়াবেটিস যদি আগে থেকেই থাকে, তাহলে রক্তে শর্করার পরীক্ষা করি। যদি না থাকে নিয়মিত চেকআপের ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মধ্যে ডায়াবেটিসের পরীক্ষা দিই।

প্রশ্ন : উচ্চ রক্তচাপ হলে কী ওষুধ দিয়ে থাকেন?

উত্তর : উচ্চ রক্তচাপের বেলায় নির্ধারিত ওষুধ আছে। যাঁদের আগে থেকে উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাঁরা হয়তো আগে থেকে ওষুধ খাচ্ছেন। যদি সেটা গর্ভকালীন নিষেধ না হয়, তখন সেটিই নিয়মিত করতে বলি। আর তা না হলে আমরা ওষুধ পরিবর্তন করে দিই।

প্রশ্ন : প্রি-একলামসিয়া উচ্চ রক্তচাপের একটি সংশ্লিষ্ট বিষয়। প্রি একলামসিয়া বা একলামসিয়া কী?

উত্তর : উচ্চ রক্তচাপ বাড়বে গর্ভাবস্থায়, এটা সাধারণত দেখা দেয় ২০ সপ্তাহের পরে। এটা হলে রক্তচাপ বাড়বে, প্রস্রাবে এলবুমিন থাকবে। এটি এক ধরনের প্রোটিন, যা সাধারণত থাকার কথা না। এটাকে বলা হয় মাল্টি সিস্টেম ডিসঅর্ডার। এটা যদি ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ না হয়, তখন অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে। নিয়ন্ত্রণের পরও অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বাচ্চাকে বাঁচাতে পারি না, বাচ্চা ছোট আকৃতির হয়। নিয়ন্ত্রণে না থাকলে একলামসিয়া হয়ে মায়ের খিঁচুনি হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপ হলে অবশ্যই রোগীদের চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে এবং ঠিকমতো ওষুধ খেতে হবে।

প্রশ্ন : এ ছাড়া এ সময় আর কী কী ধরনের সমস্যা হতে পারে?

উত্তর : পা ফুলে যাবে, পায়ে পানি আসবে। রক্তচাপ বাড়বে, চোখে ঝাপসা দেখবে, অনেক সময় বুকে ব্যথা হতে পারে, রক্তপাত হতে পারে।

প্রশ্ন : উচ্চরক্তচাপ কোনো মানুষের ক্ষেত্রে থাকলে তাঁর খাওয়াদাওয়া যেমন বেছে করতে হয়, তেমনি গর্ভাবস্থায় এর কোনো বিষয় আছে কি না?

উত্তর : এই সময় প্রোটিন কমে যায় অনেক, তাই আমরা উচ্চ প্রোটিন-জাতীয় খাবার খেতে বলি। যেমন : ডিম খেতে বলি, ডিমের সাদা অংশ বেশি করে খাবেন, দুধ খাবেন, মাছ খাবেন। চর্বিহীন প্রোটিন খেতে হবে।

প্রশ্ন : যদি কারো প্রি-একলামসিয়া থাকে এবং এটি একলামসিয়া পর্যন্ত গড়ায়, তখন এটি মায়ের ক্ষেত্রে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে?

উত্তর : একলামসিয়া নির্ভর করে কোন সময়ে হলো তার ওপরে। যদি অনেক আগে হয়, তখন মেক্সালাফ নামে একটি ওষুধ ব্যবহার করি। এটা দিলে অনেকটা ঝুঁকি কমানো যায়। তারপরও কোনো সময়ে হলো বিষয়টি বিবেচনা করতে হয়। খুব আগে হলে অনেক ক্ষেত্রে বাচ্চাটিকে বাঁচাতে পারি না। পরের দিকে হলে ডেলিভারি করিয়ে মা ও বাচ্চার ঝুঁকি কমাতে পারি।

এই রকম আরো তথ্যবহুল পরামর্শ পেতে আমাদের পেইজ ঘুরে আসুন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka
1205