আল কারিম তালিমুল কোরান মাদ্রাসার পক্ষ থেকে সবাই কে সুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
Al Karim Ta'limul Quran Madrasa
Islamic education for all over the world is our motto
30/05/2024
আলহামদুলিল্লাহ্ আমাদের আলকারীম তালীমূল কোরআন মাদরাসার চতুর্থ তলার সাইড ওয়ালের কাজ চলমান সকলের কাছে দোয়ার আবেদন
18/05/2024
শায়খুল ইসলাম সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী রহ. করাচীতে ২ বছর কারাবাসের পর ১৯২৩ সালের অক্টোবরে মুক্তি লাভ করলে উনিসহ অন্যান্য নেতার জন্য বড় বড় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। দিল্লীতে মাওলানা জাওহারের সম্মানে এত বড় সংবর্ধনা সভা করা হয়েছিল যে, পূর্বে কখনো কোন নেতার সম্মানে এমন আয়োজন হতে দেখা যায়নি।
শায়খুল ইসলামের জন্যও দেওবন্দ, সাহারানপুর, মুরাদাবাদ, মুযাফ্ফরনগর প্রভৃতি স্থানে সংবর্ধনার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু তিনি নিজ জীবনে বরাবরই ছিলেন প্রচার বিমুখ। তাই ইচ্ছাকৃতভাবেই এ সকল অনুষ্ঠান এড়িয়ে যান এবং অন্যকে এগুলো করার সুযোগ দিতেও বিরত থাকেন। জেল থেকে মুক্তি সম্পর্কে পূর্বে কাউকে কিছু জানতে না দিয়ে তিনি রাতে চুপচাপ বাড়ী পৌছে যান।
(রাশিদ হাসান উসমানী, তাক্কিরায়ে হযরত শায়খ মাদানী (দেওবন্দ: রাশিদ কোম্পানী, তা. বি.), পৃ ১৩৯-১৪১)
দেওবন্দে নিজের একান্ত শুভাকাঙ্ক্ষীগণের এক অনুরোধের জবাবে তিনি তীক্ষ্ণ ভাষায় বলেছিলেন,
"আমাদের কিসের আনন্দ মিছিল? আমরা কি ইংরেজকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়েছি? আমার কাছে নিজের মুক্তিতে আদৌ কোন খুশি মনে হচ্ছে না।
বরং আমার দুঃখ যে, ইংরেজ দিন দিন জয়ী হচ্ছে আর আমরা হেরে যাচ্ছি, এমন পরাজিতদের স্ফূর্তি মিছিল করার সুযোগ কোথায়?"
(আবদুর রশীদ আরশাদ, বীস বড়ে মুসলমান (লাহোর: মাকতাবায়ে রশীদিয়্যা লিমিটেড, ১৯৬৯), পৃ ৪৫১)
জেলে শায়খুল ইসলামের ইবাদত ও বন্দেগীর অনুমান পীর গোলাম মুজাদ্দিদের একটি উক্তি থেকে বোঝা যায়। দিল্লীতে জনৈক লোক তাঁর কাছে মুরীদ হওয়ার আবেদন করলে তিনি বলেছিলেন,
"মাওলানা হুসাইন আহমদ মাদানী এখানে (দিল্লীতে) উপস্থিত। অথচ তোমরা আমার কাছে এসেছ মুরীদ হওয়ার জন্য। আমার হাতে পবিত্র কুরআন রয়েছে (তখন তিনি তিলাওয়াতরত ছিলেন)।
আমি শপথ করে বলছি, জেলে অবস্থান কালে তাঁর ইবাদত ও বন্দেগীর যে চিত্র আমি স্বচক্ষে অবলোকন করেছি তাতে আমার বিশ্বাস, বর্তমান বিশ্বে বুযর্গী ও শরীঅতের অনুসরণে তাঁর কোন জুড়ি নেই।"
(আবুল হাসান বারাবাংকুবী, হায়রত আঙ্গীয ওয়াকিআত (দেওবন্দ: মাকতাবায়ে দীনিয়্যা, ১৯৭৫), পৃ ১৫৭-১৫৮।)
Courtesy: Ask Sumon
তালিবুল ইলমকে কিতাব বুঝে পড়ার আহ্বান
মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক
সুনানে দারেমীতে (কিতাবুল ইলম, ৩০৯-৩১০) হযরত আলী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-
لا خير في عبادة لا علم فيها، ولا خير في علم لا فهم فيه، ولا خير في قراءة لا تدبر فيها.
অর্থাৎ যে ইবাদত ইলম-নির্ভর নয় তাতে কোনো কল্যাণ নেই। যে ইলম বুঝে অর্জন করা হয় না তাতে কোনো ফায়েদা নেই। আর যে অধ্যয়নের মাঝে চিন্তা-ফিকির নেই তা ফলপ্রসূ হয় না।
এই আছরটি ইবনে আবদুল বার রাহ.-এর জামিউ বায়ানিল ইলম (২/৪৪-৪৫)-এ আছে।
সুয়ূতী রাহ. আলহাবীতে জাহিযের এই উক্তি বর্ণনা করেছেন-
إذا نكح الفكر الحفظ ولد العجائب
হিফযের সাথে যখন চিন্তত্ম মিলন ঘটে তখন ফল হয় অভাবিত। একথা স্বতঃসিদ্ধ যে, ইলম শুধু পড়ার নাম নয়, এমনকি মুখস্থ করারও নাম নয়। ইলমের জন্য পড়ার সাথে বুঝাও জরুরি। আর এই বুঝশক্তিকে কাজে লাগিয়ে জানা বিষয় নিয়ে চিন্তা-ফিকির করার নাম ‘তাদাববুর’। যখন তালিবুল ইলমের মাঝে ফিক্হ ও তাদাববুর-এ দুই জিনিসের সমাবেশ ঘটবে তখন আল্লাহর ফযলে সে ইলমের নতুন নতুন বিষয় সামনে আনতে সক্ষম হবে।
যে সকল বিষয় নিরেট ইবাদত, যেমন-কুরআন তিলাওয়াত, যিকির, দুআ ইত্যাদি আমলও বুঝে করা ও চিন্তা-ভাবনার সাথে করা কাম্য। কিন্তু এ সকল ইবাদত বুঝে না করলেও ছওয়াব পাওয়া যাবে। এবং ছওয়াবের সাথে সাথে আরো কিছু ফায়েদা হাসিল হবে। তেমনিভাবে সংগত কারণেই শিক্ষার সূচনাও হয় (অর্থ ও বুঝা ছাড়া) শুধু পড়ার মাধ্যমে। এ বিষয়গুলো আপন স্থানে ঠিক আছে। কিন্তু দ্বীন অনুযায়ী চলার জন্য যে ইলমের প্রয়োজন তা বুঝ সহ ইলম। বুঝা ছাড়া শুধু পড়ার দ্বারা ইলমের মাকছাদ হাসিল হবে না। আর ইহইয়ায়ে সুন্নত ও ইকামতে দ্বীনের জন্য তো পুরোপুরি তাফাক্কুহ ফিদ্দীন ও রুসূখ ফিল ইলমের মাকামে উত্তীর্ণ হওয়া প্রয়োজন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1362