HSC 22 এই সুন্দর মুহূর্তগুলো থেকে বঞ্চিত হলো🥺
CHEM Clinic
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from CHEM Clinic, Educational consultant, Dhaka.
22/08/2023
Good Morning to all Cha ☕ lovers
back-benchers; when they were in class vi
25/05/2021
The "HOPE" experiment :
১৯৫০ সালের দিকে হার্ভার্ডে অধ্যয়নের সময় ড. কার্ট রিখটার পানির বড় একটি পাত্রে কিছু ইঁদুর রেখেছিলেন তারা কতক্ষণ পানিতে থাকতে পারে তা পরীক্ষা করতে।
(গড়ে ইঁদুর 15 মিনিট পরে হাল ছেড়ে দেয় এবং ডুবে যায়। )
ক্লান্তির কারণে তারা হাল ছেড়ে দেওয়ার ঠিক আগে, গবেষকরা ইঁদুর কে বের করে ফেলতেন,শরীর শুকিয়ে ফেলতেন, কয়েক মিনিট বিশ্রামে রাখতেন।
এবং তাদের দ্বিতীয় রাউন্ডের জন্য ফিরিয়ে আনতেন।
এই দ্বিতীয় চেষ্টায় ইঁদুর কতক্ষণ টিকে থাকবে বলে মনে করেন? (মনে রাখবেন - মাত্র কয়েক মিনিট আগে এরা ব্যর্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত সাঁতার কেটেছিলো ...)
এখন কতক্ষণ থাকবে বলে মনে হয় ? আরও 15 মিনিট?
10 মিনিট?
5 মিনিট?
না!
60 ঘন্টা!
হ্যাঁ, এটি কোনো ত্রুটি নয়, এটাই ঠিক! 60 ঘন্টা টিকে ছিলো হাল ছেড়ে দেওয়ার আগ পর্যন্ত। যেহেতু ইঁদুর বিশ্বাস করেছিলো যে তারা শেষ পর্যন্ত উদ্ধার পাবে, তাই তারা তাদের দেহকে আগে যা অসম্ভব বলে মনে করেছিল সেই পথেই ঠেলে দিতে পেরেছিলো।
একটি সারমর্ম দিয়েই শেষ করবো: আশা যদি ক্লান্ত ইঁদুরগুলিকে দীর্ঘ সময়ের জন্য সাঁতার কাটাতে পারে, তবে নিজের এবং নিজের যোগ্যতার উপর কী বিশ্বাস করা যায় না ?
12/04/2021
প্রথম যোগাযোগ স্যাটেলাইট টেলস্টার৷ ১৯৬২ সালের ১০ই জুলাই নাসা স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করে৷ টেলস্টারের ওজন ১৭০ পাউন্ড, যার ব্যাস ছিল ৩৫ ইঞ্চি এবং বিদ্যুত সরবরাহের জন্য সৌর প্যানেল দ্বারা আচ্ছাদিত ছিল৷ "বেল ল্যাবস" নামক স্যাটেলাইট কোম্পানি এই স্যাটেলাইট টি তৈরী করে৷
প্রথম লাইভ টেলিভিশন সম্প্রচার, ফ্যাক্স এবং ফোন কলগুলি এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছিল৷ সারা পৃথিবী থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ডাটা ট্রান্সমিশন যুগের সূচনা হয়৷
10/04/2021
রক্তের আণুবীক্ষণিক কণিকাগুলোর মধ্যে অন্যতম ক্ষুদ্র কণিকা হল শ্বেত রক্তকণিকা। আমাদের ছায়াপথটা যদি যুক্তরাষ্ট্রের সমান হয়, সেই অনুপাতে সূর্যের আকৃতি দাঁড়াবে একটা শ্বেত রক্তকণিকার সমান! আর সূর্য পৃথিবীর তুলনায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়। তার মানে মানুষ 'তুলনাহীন'!!
09/02/2021
গ্যালিলিওর বিখ্যাত টেলিস্কোপ
_____________________
এই টেলিস্কোপ দিয়ে আকাশে তাকিয়েই গ্যালিলিও চাঁদের বুকে পাহাড়-পর্বত পর্যবেক্ষণ এবং পৃথিবীর সাথে এর সাদৃশ্য অনুধাবন করেছিলেন।
বৃহস্পতি গ্রহের চারটি উপগ্রহ আবিষ্কার করে এবং বৃহস্পতির চারপাশে এগুলোকে ঘুরতে দেখে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, আমাদের পৃথিবী কোনো অনন্যসাধারণ স্থান নয়, বরং মহাবিশ্বের অন্যান্য বস্তুগুলোকেও আবর্তনকারী অনেক বস্তু রয়েছে।
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে; এই উপলব্ধিও তিনি এই টেলিস্কোপের মাধ্যমেই পর্যবেক্ষণ করেই অর্জন করেন।
বর্তমানে টেলিস্কোপটি ইতালির একটি বিখ্যাত জাদুঘরের আছে।
31/12/2020
Moon phases for 2021
07/11/2020
পৃথিবীর ইতিহাসে এরকম বিরল ঘটনা ঘটেছে যা
রাশিয়ান স্লিপ এক্সপেরিমেন্ট নামে ।
ঘুম মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। মানুষ জীবনের তিন ভাগের এক ভাগ বা তার বেশি সময় ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেন। মানব মস্তিষ্ক কার্যক্ষম রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই। আবার অনেকেই অনিদ্রা বা ইনসমনিয়ায় ভোগে। ফলে তারা নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হন। তবে যদি কোনো মানুষকে জোর করে বা কোনো ওষুধ প্রয়োগ করে দিনের পর দিন ঘুমুতে না দেয়া হয় তাহলে? রাশিয়ার কিছু গবেষক এমনই করেছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে। যা "রাশিয়ান স্লিপ এক্সপেরিমেন্ট" নামে পরিচিত।
প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে পরাশক্তিগুলো মত্ত হয়েছিল নতুন অস্ত্র, নতুন সব যুদ্ধকৌশল এবং নতুন সব সামরিক সরঞ্জাম তৈরির গবেষণায়। এর ভিতর কিছু কিছু গবেষণা ফল দিলেও বেশিরভাগই ভয়ানক পরিণতিতে পৌছায়। এমনই একটি ব্যর্থ গবেষণা ছিল ‘দ্য স্লিপ এক্সপেরিমেন্ট’। রাশিয়ান মিলিটারি ও গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি ঘুমহীন সৈন্য তৈরি করার চিন্তা করছিল। তারা সাইবেরিয়ার একটি সিক্রেট মিলিটারি ফ্যাসিলিটিতে এই গবেষণার ব্যবস্থা করেন। গবেষকরা একটি নতুন পরীক্ষামূলক গ্যাস আবিষ্কার করে। এই গ্যাসের মাধ্যমে ঘুম নিধন সম্ভব।
এদিকে, গ্যাসটি পরীক্ষা করার জন্য সোভিয়েত কর্তৃপক্ষ পাঁচজন রাজনৈতিক বন্দীর সঙ্গে মিথ্যা চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী, যদি এই পাঁচজন বন্দী গবেষণায় সকল প্রকার সাহায্য করে এক মাস না ঘুমিয়ে থাকেন তাহলে তাঁদেরকে চিরতরে মুক্তি দেয়া হবে। পরীক্ষাটি করার জন্য গবেষণাগারে একটি কক্ষ ঠিক করা হয়। ওই কক্ষে বন্দীদের জন্য ৩০ দিনের শুকনো খাবার, পানীয় এর ব্যবস্থা করা হয়। এই কক্ষের একটি দরজা ও এর দেয়ালের একটি গবেষকদের পর্যবেক্ষণের জন্য কাচ দেয়া হয়। তাছাড়া কক্ষের ভিতরে ৬টি মাইক্রোফোন ও একটি ক্যামেরা সেট করা হয়। এরপর সাবজেক্টদের ঐ কক্ষে বন্দী করে গ্যাস প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু কী ছিল পরিণাম?
গ্যাস প্রয়োগের পরে প্রথম চারদিন বন্দীরা সাধারণ ব্যবহার করছিলেন। তাঁরা নির্ঘুম চারদিন কাটানোর পর ভিন্ন আচরণ শুরু করেন। এই পরিণামের কারণ এবং তাদের অতীতের দুর্ঘটনা নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন। পঞ্চম দিন থেকে তাঁরা নিজেদের মধ্যে কথা বলা বন্ধ করে দেন। এরপর তারা মাইক্রোফোনে অর্থহীন ফিসফিস শুরু করে। এই বন্দীদশা থেকে মুক্তির জন্য গবেষকদের তাঁদের নেতাদের ধরিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দিতে শুরু করেন। রাশিয়ান গবেষকরা মনে করেছিলেন এটি ছিল গ্যাসের প্রভাব। ধীরে ধীরে বন্দীরা সকল কথাবার্তা বন্ধ করে শুধু মাইক্রোফোনে ফিসফিস করতে থাকে।
নবম দিন হঠাৎ এক বন্দী চিৎকার করতে শুরু করেন। তিনি তাঁর ভোকাল কর্ড ছিড়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত চিৎকার করতে থাকেন। অস্বাভাবিকভাবে বাকি চার বন্দী এতে কোনোরকম প্রতিক্রিয়া দেখান না। তাঁরা নীরবে মুখ থেকে বইয়ের পাতা ছিঁড়ে সেগুলো দেয়ালের কাচে ও ক্যামেরায় লাগিয়ে দেন। ফলে গবেষকরা আর বন্দীদের দেখতে পান না। এরপর তাঁরা পুরোপুরি নিঃশব্দ হয়ে যান। এভাবে তিন দিন কাটার পর গবেষকরা মাইক্রোফোন ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করলেন। রুমের অক্সিজেন সাপ্লাইও চেক করলেন এবং নিশ্চিত হলেন যে বন্দীরা সবাই জীবিত। কোনো উপায় না পেয়ে গবেষকরা ইন্টারকমে বন্দীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে বললেন, তাঁরা কক্ষে প্রবেশ করবেন এবং বন্দীরা যদি কোনো সমস্যা সৃষ্টি না করেন তবে একজন বন্দীকে মুক্তি দেয়া হবে।
এক বন্দী ভয়ানক স্বরে উত্তর দিলেন, তাঁরা মুক্তি চান না। এরপর থেকে বন্দীরা আবার কথা বলা বন্ধ করে দেন। শেষমেষ কোনো উপায় না পেয়ে ১৫তম দিন গবেষকরা ঠিক করলেন তাঁরা কক্ষে প্রবেশ করবেন। এ জন্য তারা রাশিয়ান স্পেশাল ফোর্সকে তলব করলেন। রাশিয়ান স্পেশাল ফোর্স কক্ষে প্রবেশের পূর্বে তাঁর ঐ পরীক্ষামূলক গ্যাসের সাপ্লাই বন্ধ করে দিলেন এবং কক্ষে সাধারণ বায়ু প্রবেশ করালেন। এতে সকল বন্দী চিৎকার শুরু করলেন। তাঁরা বার বার ঐ গ্যাস পুনরায় চালুর জন্য আকুতি করতে থাকলেন। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ান সৈন্যরা কক্ষে প্রবেশ করলেন। সৈন্যরা কক্ষে প্রবেশ করে বন্দীদের পরিস্থিতি দেখে ঘাবড়ে গেলেন।
বন্দীদের শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে মাংস খুলে পড়ছিল। তাঁদের হাড়গোড় বের হয়ে আসছিল। পাঁচ বন্দীর মধ্যে চারজন জীবিত ছিলেন। জীবিত বন্দীরা গ্যাসে জন্য আকুতি করতে থাকেন এবং কক্ষ থেকে বের হতে অস্বীকৃতি জানান। তাঁদেরকে কক্ষ থেকে বের করার প্রক্রিয়ায় দুই সৈন্য প্রাণ হারান এবং একজন আহত হন। বন্দীদের কক্ষ থেকে বের করার পর গবেষকরা কক্ষে প্রবেশ করে রীতিমত থমকে গেলেন। মজুদ খাবারের কিছুই বন্দীরা ধরেননি এবং তারা নিজেরদের শরীর থেকেই মাংস খাচ্ছিলেন।
এছাড়াও মৃত বন্দীর শরীরের বিভিন্ন অংশও জীবিতরা খেয়ে ফেলেছিল। হতোচকিত গবেষকরা জীবিত বন্দীদের পরীক্ষার জন্য অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগ করে অবশ করার চেষ্টা করলে বন্দীরা অস্বীকৃতি জানান। জোর করে একজনকে অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগ করলে তাঁর হার্ট বন্ধ হয়ে যায় এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন। জীবিত তিন বন্দীর পরীক্ষা করার জন্য অ্যানেস্থেসিয়া ব্যবহার না করেই পরীক্ষা করা হয়। গবেষকরা পরীক্ষা করে জানতে পারেন এই গ্যাসটিতে অতিমাত্রায় আসক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাছাড়াও এই গ্যাসের প্রভাবে বন্দীদের সকল ব্যথা ও অন্যান্য আবেগ বিলুপ্ত হয়েছিল। গ্যাসটি তাঁদের শারীরিক শক্তিও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
গ্যাসটির প্রভাব সম্ভাবনা হিসেবে দেখে একজন রাশিয়ান জেনারেল এই পরীক্ষা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু গবেষকরা রাজি ছিলেন না। এরপর গবেষক বা জীবিত বন্দীদের সঙ্গে কী হয়েছিল তা সম্পর্কে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হয় ১৯৪৫ সালের পরে ঐ মিলিটারি গবেষণাগার পুরোপুরি সিল করে দেয়া হয়। এই সকল পরীক্ষা সম্পর্কেও সাধারণ মানুষের ধারণা ছিল না যতদিন পর্যন্ত না ২০০৯ সালে রাশিয়ান কিছু নথি হ্যাক করে প্রকাশ করা হয়।
06/10/2020
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka