02/01/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
আমাদের গ্রুপের পক্ষ থেকে আমরা ১০জন কে ইনশাআল্লাহ ৫টি বই দাওয়াহ উদ্দেশ্য করে হাদিয়া দিবো। আমাদের উদ্দেশ্য একটাই প্রকৃত দ্বীন প্রচার।
গ্রুপে প্রতিদিন এই টপিকগুলোর উপর একটি পোস্ট করতে হবে।
টপিক: ⭕ ইসলামে নারীর অধিকার
⭕ রমজানে করনীয় ও বর্জনীয়
◾ প্রতিদিন একটি পোস্ট করতে হবে গ্রুপে। একই পোস্ট আপনার আইডি বা অন্য কোথাও করতে পারেন। উদ্দেশ্য একমাত্র দাওয়াহ।
◾পশ্চিমা মিথ্যা নারী অধিকার আর ইসলামের প্রকৃত নারী অধিকার বিষয় এ স্পষ্ট লেখা থাকতে হবে।
◾বিভিন্ন বই, আলেমদের লেকচার, থেকে লেখা বা বক্তব্য নিতে পারবেন।
◾এই টপিকের উপর আলেমদের লেকচার শেয়ার করতে পারবেন।
◾নারীবাদ বা ফ্যামিনিজম প্রোমট করে এরকম কোনো পোস্ট করা যাবে না।
◾ফ্যামিনিজম একটি ক্যান্সার!
◾রমজানের প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে লেখা থাকতে হবে।
◾রমজানের বিস্তারিত মাসয়ালা মাসয়ালে উল্লেখ করতে হবে।
◾প্রতিদিন একটি হাদিস পোস্ট করতে পারবেন।
উদ্দেশ্য হলো রমজানের আগেই যেনো এর পবিত্রতা সম্পর্কে সচেতন হতে পারি। দাওয়াহ যেনো শুধুমাত্র ফেসবুকে সীমাবদ্ধ না হয়। আমাদের আশেপাশে দ্বীনি ভাই ও বোন ও সমাজে এ যেনো এর প্রভাব পড়ে ইনশাআল্লাহ।
সর্বোচ্চ পোস্ট যারা করবে তাদের মধ্যে সংখ্যা যদি বেশি হয় তাহলে লটারি করে দেওয়া হবে। আর সংখ্যা কম হলে সবাই পাবেন। ছেলে মেয়ে সবাই অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
🟥🟥🟥
◾অবশ্যই এক মাস পোস্ট করতে হবে।
◾কমপক্ষে ৩০ টি পোস্ট থাকতে হবে। অবশ্যই পোস্ট নাম্বার উল্লেখ করে পোস্ট দিবেন। পোস্টঃ ১, পোস্টঃ ২ এভাবে।
◾পেইজে লাইক আর এই পোস্ট আইডিতে শেয়ার থাকা লাগবে।
◾১০ জন কে এই পোস্টের কমেন্ট এ মেনশন করতে হবে।
এই সবগুলো শর্ত অবশ্যই মানতে হবে। না মানলে পুরষ্কার পাবেন না।
🟥🟥🟥
এই পোস্টে আপনার বন্ধু প্রিয়জনকে মেনশন করুন। নিজস্ব ফান্ড থেকে হাদিয়া দেওয়া হবে৷ তবে ডেলিভারি খরচ আপনাকে দিতে হবে। আপনাদের একান্ত সহযোগিতা কাম্য।
আল্লাহ আমাদের চেষ্টা কবুল করুক। প্রতিটি ঘর থেকে এক একটি সালাফী পরিবার তৈরি হোক আমিন।
28/12/2025
একজন পর্দাশীলা নারী বলেছেন—
“নিকাব যদি ফরয হয়, তবে আমরা নাজাত পেয়ে গেছি।
আর যদি সুন্নাহ হয়, তবে আমরা লাভবান হয়েছি।
আর যদি তা ইফফত (লজ্জাশীলতা/পবিত্রতা) হয়, তবে আমরা নিজেদের আচ্ছাদিত করেছি।
আর যদি তা অতিরিক্ত ফযীলত হয়, তবে আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতি আমাদের কোনোই অমুখাপেক্ষিতা নেই।”
18/12/2025
আল্লাহ উসমান হাদীকে ক্ষমা করুক।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
10/12/2025
কীভাবে ইবনু তায়মিয়্যার জানাজায় মানুষ আশআরীদের প্রতি থুথু ছুড়েছিল!
হাফিজ ইবনু হাজর আল-আসকলানী বলেন:
যদি এই ব্যক্তির (ইবনু তায়মিয়্যা) নেতৃত্ব প্রমাণের জন্য আর কোনো প্রমাণ না-ও থাকত, তবে বিখ্যাত হাফিজ আলামুদ্দীন আল-বরযালী তাঁর তারিখ গ্রন্থে যে বিষয়টি উল্লেখ করেছেন—সেটিই যথেষ্ট হতো। তিনি বলেন:
ইসলামে এমন কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া যায় না, যার জানাজায় মৃত্যুকালে যত মানুষ সমবেত হয়েছিল—যতটা সমবেত হয়েছিল শাইখ তাকিউদ্দীন (ইবনু তায়মিয়্যা)-এর জানাজায়।
তিনি ইমাম আহমদের জানাজার দিকেও ইঙ্গিত করেন, যা ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও বিশাল; লক্ষ লক্ষ মানুষ তাতে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু যদি দামেস্কে বাগদাদের মতো জনগণ থাকত, কিংবা আরও অনেক বেশি থাকত, তাহলে তাদের মধ্যে কেউই তাঁর জানাজা থেকে পিছিয়ে থাকত না।
আরও বলেন: বাগদাদের যারা ছিলেন—সামান্য কিছু ব্যতীত—সকলেই ইমাম আহমদের নেতৃত্ব ও মর্যাদায় বিশ্বাস করতেন। সেই সময়ে বাগদাদের আমির ও খেলাফতের খলিফাও তাঁর প্রতি চরম ভালোবাসা ও সম্মান পোষণ করতেন।
কিন্তু ইবনু তায়মিয়্যার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি মারা যাওয়ার সময় শহরের আমির উপস্থিত ছিলেন না। শহরের অধিকাংশ ফকিহ তাঁর বিরোধিতা করেছিল, এমনকি তিনি দুর্গে বন্দি অবস্থায় মারা যান। তবুও তাঁদের মধ্যে মাত্র তিনজন তাঁর জানাজায় উপস্থিত হননি—সেটিও শুধু সাধারণ জনগণের ভয়েই।
এমন বৃহৎ জনসমাগম সত্ত্বেও—
এই সমাবেশের পেছনে কোনো সুলতানের সমর্থন ছিল না, ছিল না কোনো রাজনৈতিক শক্তির আহ্বান।
এ সকল মানুষের একমাত্র প্রেরণা ছিল তাঁর নেতৃত্বে বিশ্বাস, তাঁর ইলমের বরকত ও মর্যাদায় আস্থা।
এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম–এর হাদীসে প্রমাণিত: “তোমরাই আল্লাহর সাক্ষী পৃথিবীতে।”
(বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত)
উৎস:—
১- আর- রাদ্দুল ওয়াফির, ইমাম ইবনু নাসিরুদ্দীন আদ-দিমাশকী (পৃষ্ঠা ১৪৫–১৪৬)
২- আল-জাওয়াহির ওয়াদ-দুরার, হাফিজ সাখাওয়ী—(যিনি ইবনু হাজরের শিষ্য) (২/৭৩৪–৭৩৬)।