25/05/2026
কোরবানি ও কোরবানির হুকুম
কোরবানির অর্থ:
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَٱنۡحَرۡ
অর্থ:
“তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর এবং (পশু) কোরবানি কর”
[সূরা কাউছার: ২]
যথা:
• নুসুক। কোরবানির অর্থে এই শব্দটি সূরা বাকারার ১৯৬ নং আয়াতে, সূরা আনআমে১৬২ নং আয়াতে ও সূরা হজের৩৪ নং আয়াতে উল্লেখ রয়েছে।
• নাহ্। কোরবানির এই শব্দটি শুধু সূরা কাউসারে উল্লেখ করা হয়েছে।
• উযহিয়্যাহ। কোরবানির অর্থ বোঝানোর জন্যে এই শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়। এর বহুবচন হচ্ছে 'আযহা'। কোরবানির ঈদকে এর সাথে সম্বন্ধ করেই 'ঈদুল আযহা' বলা হয়।
কোরবানির হুকুম:
অনেক আলেমের মতে কোরবানি সুন্নাত। তাঁরা নীচের হাদীসটির মাধ্যমে দলিল পেশ করে থাকেন। নবীপত্নী উম্মে সালামা (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন-
إِذَا رَأَيْتُمْ هِلاَلَ ذِي الْحِجَّةِ وَأَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ فَلْيُمْسِكْ عَنْشَعْرِهِ وَأَظْفَارِهِ
অর্থ:
যখন তোমরা যিলহজের চাঁদ দেখবে এবং তোমাদের কেউ কোরবানি করার ইচ্ছা করবে, তখন সে যেন চুল, নখ ইত্যাদি কাটা বন্ধ রাখে।
[মুসলিম: হাদীস - ৫২৩৪]
এই হাদীস ইঙ্গিত করে যে, কোরবানি মানুষের ইচ্ছাধীন। ইচ্ছা হলে করবে; না হলে করবে না। বেশির ভাগ হানাফী আলেমের মতে কোরবানি ওয়াজিব। এই দাবির প্রথম দলিল হচ্ছে কুরআন মাজীদের আয়াত। আল্লাহ তায়ালা সূরা কাউসারে বলেছেন-
إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ
অর্থ:
আমি তোমাকে কাউসার দান করেছি, সুতরাং তুমি তোমার রবের জন্যে নামাজ পড়ো এবং কোরবানি করো।
[সূরা কাউসার: ১,২]
কোরবানির কথা বলতে গিয়ে আল্লাহ তায়ালা এখানে আদেশসূচক বাক্য ব্যবহার করেছেন। কুরআনের নীতি অনুসারে উন্মুক্ত প্রেক্ষাপটে এমন বাক্য বাধ্যবাধকতার অর্থ প্রদান করে। সুতরাং কোরবানি ওয়াজিব হওয়া বাঞ্ছনীয়। এ ছাড়া বিভিন্ন হাদীসের ভাষ্যও উল্লিখিত মর্মকে সুদৃঢ় করে। একটি হাদীসে আছে, আবু হোরায়রা (রা) বর্ণনা করেন-
قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ وَجَدَ سَعَةٌ فَلَمْ يُضَحٌ فَلَايَقْرُبَنَّ مُصَلَّانَا
অর্থ:
রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, সামর্থ্য থাকার পরও যে ব্যক্তি কোরবানি করবে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের ধারে-কাছেও না আসে।
[মুসনাদে আহমদ: হাদীস -৮২৭৩]
এই হাদীসে নবী আলাইহিস সালাম সামর্থ্য থাকার পরও কোরবানি বর্জনকারীদেরকে সতর্ক করেছেন। আর সতর্ক করা হয় সাধারণত ওয়াজিব কাজ বর্জন করার ওপর। সুতরাং এই হাদীস কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার বিষয়টিকে সুদৃঢ় করে।
কোরবানি ও কোরবানির হুকুম
কোরবানির অর্থ:
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَٱنۡحَرۡ
অর্থ:
“তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর এবং (পশু) কোরবানি কর”
[সূরা কাউছার: ২]
যথা:
• নুসুক। কোরবানির অর্থে এই শব্দটি সূরা বাকারার ১৯৬ নং আয়াতে, সূরা আনআমে১৬২ নং আয়াতে ও সূরা হজের৩৪ নং আয়াতে উল্লেখ রয়েছে।
• নাহ্। কোরবানির এই শব্দটি শুধু সূরা কাউসারে উল্লেখ করা হয়েছে।
• উযহিয়্যাহ। কোরবানির অর্থ বোঝানোর জন্যে এই শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়। এর বহুবচন হচ্ছে 'আযহা'। কোরবানির ঈদকে এর সাথে সম্বন্ধ করেই 'ঈদুল আযহা' বলা হয়।
কোরবানির হুকুম:
অনেক আলেমের মতে কোরবানি সুন্নাত। তাঁরা নীচের হাদীসটির মাধ্যমে দলিল পেশ করে থাকেন। নবীপত্নী উম্মে সালামা (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন-
إِذَا رَأَيْتُمْ هِلاَلَ ذِي الْحِجَّةِ وَأَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ فَلْيُمْسِكْ عَنْشَعْرِهِ وَأَظْفَارِهِ
অর্থ:
যখন তোমরা যিলহজের চাঁদ দেখবে এবং তোমাদের কেউ কোরবানি করার ইচ্ছা করবে, তখন সে যেন চুল, নখ ইত্যাদি কাটা বন্ধ রাখে।
[মুসলিম: হাদীস - ৫২৩৪]
এই হাদীস ইঙ্গিত করে যে, কোরবানি মানুষের ইচ্ছাধীন। ইচ্ছা হলে করবে; না হলে করবে না। বেশির ভাগ হানাফী আলেমের মতে কোরবানি ওয়াজিব। এই দাবির প্রথম দলিল হচ্ছে কুরআন মাজীদের আয়াত। আল্লাহ তায়ালা সূরা কাউসারে বলেছেন-
إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ
অর্থ:
আমি তোমাকে কাউসার দান করেছি, সুতরাং তুমি তোমার রবের জন্যে নামাজ পড়ো এবং কোরবানি করো।
[সূরা কাউসার: ১,২]
কোরবানির কথা বলতে গিয়ে আল্লাহ তায়ালা এখানে আদেশসূচক বাক্য ব্যবহার করেছেন। কুরআনের নীতি অনুসারে উন্মুক্ত প্রেক্ষাপটে এমন বাক্য বাধ্যবাধকতার অর্থ প্রদান করে। সুতরাং কোরবানি ওয়াজিব হওয়া বাঞ্ছনীয়। এ ছাড়া বিভিন্ন হাদীসের ভাষ্যও উল্লিখিত মর্মকে সুদৃঢ় করে। একটি হাদীসে আছে, আবু হোরায়রা (রা) বর্ণনা করেন-
قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ وَجَدَ سَعَةٌ فَلَمْ يُضَحٌ فَلَايَقْرُبَنَّ مُصَلَّانَا
অর্থ:
রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, সামর্থ্য থাকার পরও যে ব্যক্তি কোরবানি করবে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের ধারে-কাছেও না আসে।
[মুসনাদে আহমদ: হাদীস -৮২৭৩]
এই হাদীসে নবী আলাইহিস সালাম সামর্থ্য থাকার পরও কোরবানি বর্জনকারীদেরকে সতর্ক করেছেন। আর সতর্ক করা হয় সাধারণত ওয়াজিব কাজ বর্জন করার ওপর। সুতরাং এই হাদীস কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার বিষয়টিকে সুদৃঢ় করে।