Society for Social Skill Development - SSSD

Society for Social Skill Development - SSSD This is the place to connecting ordinary people with extraordinary peoples and learning something different ideas and skills.

জীবনের উপলব্ধি-ছবির লোকটি সাদিও মানে, একজন ফুটবলার। বর্তমানে লিভারপুলের হয়ে খেলছেন। তাঁর শুধু সাপ্তাহিক আয় প্রায় ১ কোট...
11/08/2020

জীবনের উপলব্ধি-
ছবির লোকটি সাদিও মানে, একজন ফুটবলার। বর্তমানে লিভারপুলের হয়ে খেলছেন। তাঁর শুধু সাপ্তাহিক আয় প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

ছবিটি দেখুন। হাতে তাঁর ভাঙ্গা আইফোন। এমন ভাঙ্গা ফোন ব্যবহার করেন কেন, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমি সার্ভিসিং করে নেব। উনাকে বলা হলো, আপনি নতুন একটি মোবাইল কেন নিচ্ছেন না?

উনি বললেন, "এমন মোবাইল চাইলে হাজারটা কেনা যায়। চাইলে ১০ টা ফেরারি, ২ টা জেট বিমান, হাজার খানেক ডায়মন্ডের ঘড়ি কিনতে পারি। কিন্তু এসব কী আমার সত্যিই প্রয়োজন? এগুলো শুধু বৈষয়িক বিষয় ছাড়া আর কিছুই নয়। মানুষের রুচি খুবই নিম্নমানের না হলে কেউ বিশ-ত্রিশ হাজার ডলারের ঘড়ি হাতে দিয়ে ঘুরবে না। আর এসবের মাধ্যমে আমার এবং সমাজের কোনো উপকারে আসবে? যেই মুহুর্তে আমার নিঃশ্বাস শেষ, সেই মুহুর্ত থেকে এসবের মালিকানাও শেষ।"

সাদিও মানে আরও বলেন, দারিদ্র্যের কারণে আমি পড়ালেখা করতে পারিনি। আমি শিক্ষিত না। তাই হয়তো শিক্ষার গুরুত্ব বুঝেছি। দরিদ্র ছিলাম বলেই হয়তো জীবনের আসল অর্থ বুঝেছি। কিন্তু দুনিয়ায় আজ যারা বড় শিক্ষিত, তারাই শিক্ষার গুরুত্বটা ঠিকঠাক বুঝছেন না। যদি বুঝতেন, তবে দুনিয়াতে এতো অভুক্ত শিশু না খেয়ে রাতে ঘুমোতে যেত না। মানুষ দিন দিন এভাবে ভোগ-বিলাসের কয়েদি হয়ে উঠত না। আমি নিজের বিলাসবহুল বাড়ির পরিবর্তে অসংখ্য স্কুল তৈরি করেছি, দামি পোষাকে ওয়াড্রব ভর্তি না করে বস্ত্রহীন মানুষকে বস্ত্র দিয়েছি, নিজে দামি গাড়ি চালানোর পরিবর্তে অগণিত স্কুল শিক্ষার্থীদের স্কুল বাসের ব্যবস্থা করেছি, প্রতি সপ্তাহে সপ্তাহে দামি রেস্টুরেন্টে না খেয়ে অগণিত ক্ষুধার্ত শিশুর খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আমি কোথা থেকে উঠে এসেছি, এটা আমি জানি।

কী বুঝলেন? এটাই তো হওয়ার কথা ছিল, জীবনের উপলব্ধি তো এটাই। তবে জীবনকে উপলব্ধি করতে চাই না আমাদের সবাই। আমরা শেকড়কে ভুলে যাই অনেক সময়। নিজের অতীত ভুলে যাই, নিজে কোথা থেকে উঠে এসেছি সেটা ভুলে যাই। শিখরে উঠে শেকড়কে ভুলে যাওয়া চলবে না। তখন নিজের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করা হয় মূলত।

বর্তমান BGMEA এর সম্মানিত সভাপতি রুবানা হকের কথাগুলো ভালো লাগলো..১। ঘর ঝাড়ু দিতে হলেও এতো ভালো করে ঝাড়ু দিবে যাতে তোমার ...
09/02/2020

বর্তমান BGMEA এর সম্মানিত সভাপতি রুবানা হকের কথাগুলো ভালো লাগলো..

১। ঘর ঝাড়ু দিতে হলেও এতো ভালো করে ঝাড়ু দিবে যাতে তোমার চেয়ে ঐ কাজ বেটার কেউ করতে না পারে।

২। নিজের জীবনটা এমন ভাবে গড় যাতে তুমি ইতিহাস গড়তে পারো। ইতিহাস পড়া আর গড়া এক না।

৩। জীবনে ডিসিপ্লিনের চেয়ে বড় আর কিছু নাই। ডিসিপ্লিনের বাইরে গেলেই জীবন যুদ্ধ ও জীবন যাত্রা থেকে ছিটকে পড়ে যেতে হবে।

৪। আর ১০ জনের মতো হতে যেও না, নিজের মতো থেকো, অনুসরন করো, অনুকরন করো না।

৫। কথা কম বলো, কম লিখে সব কিছু বুঝানোর চেষ্টা করো। কোটি টাকার প্রস্তাবনাও ১ পেজে লিখো, বুলেট করে লিখো। কারো সময় নাই, দুই পেজ পড়ার।

৬। প্রত্যেকদিন পড়াশুনা করবে, নিজের ক্ষেত্রে নতুন কিছু শিখবে। নিজের সাথে কম্পিটিশন করবে।

৭। চাকরি করা মানেই দাসত্ব না, চাকরি তোমার নিজের সাথে প্রতিষ্ঠানের একটা ডিল। তুমি চুক্তিমতো কাজ করবে, নিজের সেরাটা দিবে। কেউ তোমাকে মনিটর করবে না, ফাকি দিলে নিজেই ঠকবে।

৮। চাকরি করবো না, চাকরি দিবো, বিষয়টা অহংকারের নয়, কারন চাকরি যেমন দিতে পারতে হবে, তেমনি ভালোভাবে চাকরি করতেও পারতে হবে। এগুলো নিয়ে উদ্ধত কথা বলা কেউ সফল হতে পারে না। পরস্পর পরস্পরকে সম্মান করতে হবে।

৯। বিনয় মানুষকে বড় করে, অহংকার ছোট করে। সব সময় মাটির দিকে তাকিয়ে হাটবে।

১০। লিখুন, ছোট বড় প্রতিটা জিনিস লিখুন, এতে অনেক কাজ যথাসময়ে করতে পারবেন।

- Rubana Huq

04/02/2020
এসএসএসডি নিয়ে আলোচনা
10/11/2019

এসএসএসডি নিয়ে আলোচনা

কাউকে 'বুদ্ধিমান' বললে সেটা তার জীবনে সবচেয়ে বড় কম্পলিমেন্ট হয়ে থাকে। যাদের বুদ্ধি অসাধারণ তাদেরই তো আমরা বুদ্ধিমান বলে ...
06/10/2019

কাউকে 'বুদ্ধিমান' বললে সেটা তার জীবনে সবচেয়ে বড় কম্পলিমেন্ট হয়ে থাকে। যাদের বুদ্ধি অসাধারণ তাদেরই তো আমরা বুদ্ধিমান বলে থাকি, তাই না?

বুদ্ধিমান হওয়াটা যেমন একদিক থেকে প্রশংসনীয় তেমনি অন্যদিক থেকে বুদ্ধিমান হলে ছোটোখাটো কোনো ভুলেই আপনাকে বেশ বড়সড় মাশুল গুণতে হয়।

যাই হোক, বুদ্ধিমান ব্যক্তিকে আমরা ইন্টেলিজেন্ট বলতে পারি আর তাহলে বুদ্ধি শব্দের মানে ইন্টেলিজেন্স।

বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরণের ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কে বলেছেন। যার মানে দাঁড়াচ্ছে যে, আপনি শুধুমাত্র একটা বুদ্ধির ক্যাটাগরিতেই পড়েন না। ভিন্ন ভিন্ন আরো বুদ্ধির ক্যাটাগরিও রয়েছে। এসব বুদ্ধির ক্যাটাগরির মধ্যে ক্যাটল-হর্নস ইন্টেলিজেন্স ক্যাটাগরি ও গার্ডনারস ইন্টেলিজেন্স ক্যাটাগরি বিখ্যাত!

যেহেতু ক্যাটল-হর্নস ইন্টেলিজেন্স ক্যাটাগরির চেয়ে, গার্ডনারস ইন্টেলিজেন্স ক্যাটাগরি বেশি প্রতিষ্ঠিত সেহেতু এটার ভিত্তিতেই দেখবো যে, আসলে আপনি কোন ক্যাটাগরিতে পড়েন! আর আপনি কোন ধরণের ইন্টেলিজেন্ট!

১. লজিক্যাল এন্ড ম্যাথমেটিকাল ইন্টেলিজেন্সঃ এরা মূলত গাণিতিক সমস্যা নিয়ে কাজ করে থাকেন। আপনি যদি গাণিতিক সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন ও গাণিতিক সমস্যা ও সমাধান, নাম্বার ইত্যাদি নিয়ে কাজ করেন তাহলে আপনি এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।
আবার, আপনি যদি নিত্যনতুন সমস্যা ও এর সমাধানগুলোকে নিয়ে কাজ করাটা উপভোগ করেন তাহলে আপনি এই ক্যাটাগরিতেই পড়েন।
যুক্তি, স্ট্র‍্যাটেজিক গেইম, সমস্যা সমাধান, পাজল, মিস্টেরি সলভ করা ইত্যাদিতে আগ্রহীরাই এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।

এই ক্যাটাগরিতে যারা পড়েছেন, তারা মূলত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, ডিটেকটিভ, জার্নালিস্ট, ইনভেস্টিগেটর ইত্যাদি পেশায় নিযুক্ত থাকেন।

২. লিংগুইস্টিক ইন্টেলিজেন্সঃ
এরা মূলত তিনের অধিক ভাষায় দক্ষ হয়ে থাকেন। কোন জায়গায় কোন কথা বা ভাষা ব্যবহার করতে হবে এ সম্পর্কে তিনি ভালো জানেন! আপনি যদি মানুষকে সহজে বিভিন্ন ভাষা দিয়ে যোগসূত্র স্থাপন করতে পারেন তাহলে আপনি এই ক্যাটাগরিতে পড়েন। যার ভোকাবুলারি অনেক স্ট্রং, যে অনেক বেশি পড়তে পছন্দ করেন, বিভিন্ন ধরণের ওয়ার্ড গেম খেলতে পছন্দ করে যারা কিংবা যারা খুব সহজেই নতুন ভাষা শিখে নিতে পারে তারা মূলত এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।

এই ক্যাটাগরিতে যারা পড়েছেন, তারা মূলত লেখক, গণিতবিদ, কবি, জার্নালিস্ট, পাবলিক স্পিকার, মোটিভেশনাল স্পিকার ইত্যাদি পেশায় নিযুক্ত থাকেন।

৩. ভিজ্যুয়াল-স্পেশিয়াল ইন্টেলিজেন্সঃ
এরা হয় অসাধারণভাবে পৃথিবীটা দেখে না হয় রোগের কারণে অন্যভাবে পৃথিবীকে দেখে। এরা চাইলে তাদের মন দিয়ে দেখতে পারে। মানে এরা পুরো ভিজ্যুয়াল স্টোরিকে চোখের সামনে দেখতে পারে। এদের আবার থ্রিডি ইন্টেলিজেন্সও বলা হয়ে থাকে। যেকোনো গল্প কিংবা ছবি, টুডিতে থাকলে কিংবা অদৃশ্য থাকলেও তারা থ্রিডিতে সেটাকে কল্পনা করে দেখে ফেলতে পারে। এমনকি অদৃশ্য অবস্থাতেই কোনো বস্তুর আকার আকৃতি দেখতে পারে এবং অস্বাভাবিকভাবেই ধারণা করে ফেলতে পারে। গ্রাফিক্যাল আর্ট করার ক্ষেত্রেও এদের দক্ষতা রয়েছে।

এই ক্যাটাগরিতে যারা পড়েছেন, তারা মূলত পেইন্টার, স্কালপচার, আর্কিটেক্ট, ডিজাইনার ইত্যাদি পেশায় নিযুক্ত থাকেন।

৪. ন্যাচারালিস্ট ইন্টেলিজেন্সঃ
যারা প্রকৃতিকে দেখতে পছন্দ করে ও প্রকৃতির বিভিন্ন জীবন্ত অবস্থাকে পড়তে পারে। আপনি যদি প্রকৃতি পছন্দ করেন, ট্র‍্যাভেল করতে পছন্দ করেন, যেকোনো প্রাণীর সাথে সহজে মিশে যেতে পারে, পশুপাখি ও গাছপালার সাথে মিশে থাকতে পছন্দ করেন তাহলে আপনি একজন ন্যাচারাল ইন্টেলিজেন্ট।

এই ক্যাটাগরিতে যারা পড়েছেন, তারা মূলত বোটানিস্ট, বায়োলজিস্ট, অ্যাগ্রিকালচারিস্ট, ফরেস্ট রেঞ্জার, অ্যানিমেল কেয়ার ইত্যাদি পেশায় নিযুক্ত থাকেন।

৫. মিউজিক্যাল ইন্টেলিজেন্সঃ
এরা মূলত খুব ভালো গান গায় ও খুব সহজে সুর ধরতে পারে। আপনি যদি সহজে যেকোনো শব্দ, সুর ও এর পিচ, রিদম ইত্যাদি ধরতে পারেন কিংবা গান গাইতে, লিখতে ও সুর করতে পছন্দ করেন তাহলে আপনি এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।
একেবারে তীক্ষ্ণ শব্দ থেকে শুরু করে যেকোনো ধরণের শব্দই আপনি সহজে ধরতে পারেন, তাহলে আপনি এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।

এই ক্যাটাগরিতে যারা পড়েছেন, তারা মূলত গায়ক, কম্পোজার, ভোকালিস্ট, সাউন্ড মিক্সারস, কন্ডাকটরস, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি পেশায় নিযুক্ত থাকেন।

৬. এক্সিটেনশিয়াল ইন্টেলিজেন্সঃ
সহজ ভাষায় যারা ফিলোসফিক্যাল প্রশ্নের উত্তর নিয়ে গবেষণা করতে পছন্দ করেন ও সেসব সমস্যার সমাধান করতে পারেন তারাই এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।
অর্থাৎ, "আমাদের জীবনের লক্ষ্য কি?", " আমাদের বেঁচে থাকার উদ্দেশ্য কি?", " আমরা কীভাবে একটস সিরিয়াস প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি?" ইত্যাদি রিয়েল লাইফ সমস্যা নিয়ে যারা ভাবেন, তারাই হচ্ছেন এক্সিটেনশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট।

এই ক্যাটাগরিতে যারা পড়েছেন, তারা মূলত সাইকোলজিস্ট, থিওলজিয়ান, মোটিভেশান স্পিকার ইত্যাদি পেশায় নিযুক্ত থাকেন।

৭. বডিলি-কাইনেস্থেটিক ইন্টেলিজেন্সঃ
যারা মূলত অ্যাথলেটিক হয়ে থাকে, স্পোর্টস্পম্যাম হয়ে থাকে, খেলাধুলায় খুব ভালো হয়ে থাক্র তারাই মূলত এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।
ফিজিক্যালি স্ট্রং হলে, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ভালো হলে, ফিজিক্যাল কন্টাক্ট করতে কোনো সমস্যা না হলে এবং মেকানিকাল কাজে আগ্রহী হলে আপনি এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।

এই ক্যাটাগরিতে যারা পড়েছেন, তারা মূলত অ্যাথলেট, ড্যান্সার, অ্যাক্রোব্যাট, স্টেজ পার্ফরমার, সার্জন, ক্র‍্যাফটসম্যান ইত্যাদি পেশায় নিযুক্ত থাকেন।

৮. ইন্টারপার্সোনাল ইন্টেলিজেন্সঃ
যারা ইমোশনালি একটিভ অর্থাৎ যাদের ইকিউ বা ইমোশনাল কোয়োশেন্ট অনেক ভালো তারা এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।
সহজেই মানুষের সাথে মিশতে পারেন, অনেক ফ্রেন্ড রয়েছে আপনার, আপনি ইমোশনালি একটিভ ও আপনি যদি বিভিন্ন পারস্পেকশন থেকে একটা বিষয় নিয়ে ভাবতে পারেন, তাহলে আপনি এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।

এই ক্যাটাগরিতে যারা পড়েছেন, তারা মূলত শিক্ষক, সোশ্যাল ওয়ার্কার, রাজনীতিবিদ ইত্যাদি পেশায় নিযুক্ত থাকেন।

৯. ইন্ট্রাপারসোনাল ইন্টেলিজেন্সঃ
নিজের সম্পর্কে সচেতন থাকাও এক ধরণের ইন্টেলিজেন্স। আপনি যদি নিজেকে বুঝতে পারেন, নিজের ফিলিংস, নিজের ইমোশনকে কন্ট্রোল করতে পারেন এবং আপনি কি চাইছেন সেটা যদি আপনি শিউরিটি দিয়ে বলতে পারেন, তাহলে আপনি একজন ইন্ট্রাপারসোনাল ইন্টেলিজেন্ট।

এই ক্যাটাগরিতে যারা পড়েছেন, তারা মূলত সাইকোলজিস্ট, ফিলোসফার, কাউন্সিলর ইত্যাদি পেশায় নিযুক্ত থাকেন।

এছাড়াও আরো অনেক ধরণের ইন্টেলিজেন্স রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে অন্য কোনোদিন আলাপ আলোচনা করা যাবে।

যদি উপরের পোস্ট পড়ে মনে হয় যে, আপনি উপরের কোনো ক্যাটাগরিতেই পড়ছেন না তাহলে মন খারাপ করার কিছু নেই।
আরো অনেক ধরণের সাব ক্যাটাগরি রয়েছে। যেগুলোতেও আপনি পড়তে পারেন।

আর একইসাথে কি সবগুলো বা দু তিনটা ইন্টেলিজেন্স ক্যাটাগরিতে পড়া সম্ভব? হ্যা সম্ভব!

যে একটা ক্যাটাগরিতে পরীক্ষা দেবে তার আইকিউ বা ইন্টেলিজেন্স কোয়োশেন্ট ১০০য়ের মধ্যে গোনা হবে। এভাবেই আইকিউ গুনতে হবে!

মেনসা আইকিউ টেস্ট কিন্তু অরিজিনাল আইকিউ টেস্ট নয়!

কমেন্টে জানান তো, কে কোন ক্যাটাগরিতে পড়েন!

জীবনে সফল হওয়ার জন্য নিজেকে জানা জরুরী। সফলতার পথ কখনো সুনির্দিষ্ট থাকে না। একেক জনের জন্য সফলতা একেক রকম। সবারই সফল হওয়...
05/10/2019

জীবনে সফল হওয়ার জন্য নিজেকে জানা জরুরী। সফলতার পথ কখনো সুনির্দিষ্ট থাকে না। একেক জনের জন্য সফলতা একেক রকম। সবারই সফল হওয়ার পথটি নির্ভর করে তার নিজের ব্যক্তিত্ব, তার পরিশ্রম করার ক্ষমতা কিংবা সময়ের সুব্যবহারের উপর। কেউ কেউ গভীর রাতে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। কেউ কেউ বা সকালে। তাই আপনি কোন পথটা বেছে নেবেন সেটা জানার জন্য সবার আগে আপনার নিজেকে জানা জরুরী।
কিন্তু কিভাবে আপনি নিজেকে খুঁজে পাবেন? কিভাবে আপনি নিজেকে জানবেন?
আমাদের আজকের এই লেখাটি আপনাদের নিজেকে খুঁজে পেতে কিংবা জানতে সাহায্য করবে।

নিজের জীবনের রচনা নিজেই লিখুনঃ আপনার নিজের জীবনের সব লক্ষ্য লিখে রাখুন যা আপনি পূরন করতে চান। অন্য দিকে লিখে রাখুন আপনার জীবনের সেই সকল ঘটনা গুলো, যা আপনার জীবনে ইতিমধ্যে ঘটে গেছে এবং আপনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সেই সাথে শিখিয়েছে অনেক কিছু। যখন আমাদের জীবনে খারাপ সময় আসে তখন তা আমাদের বিশ্বাসকে আরো সুসংঘটিত করে এবং আমাদের ভিন্নভাবে চিন্তা করতে শেখায়। তাই সকল ভুল এবং সমস্যা গুলো বিশ্লেষণ করে এসব থেকেই আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।

অন্যদের চিন্তা থেকে নিজের চিন্তা আলাদা করুনঃ অন্যের চাপিয়ে দেওয়া মন্তব্যকে কখনও নিজের সামর্থ্য হিসেবে নিবেন না। আপনিকে এটা অন্য একজন ব্যক্তি ব্যাখ্যা করে দিতে পারবে না। ছোট ছোট কিছু ঘটনা থেকে তৈরী হওয়া ব্যর্থতা কখনোই আপনাকে প্রকাশ করে না। কত বার আপনি ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে ঘুরে দাড়িয়েছেন সেটাই আপনার পরিচয় বহন করে। তাই অন্যের চিন্তা থেকে নিজের চিন্তা আলাদা করুন। অন্যের ভাবনা যেন আপনার ভাবনাকে প্রভাবিত না করে।

নিজের উপর বিশ্বাস রাখুনঃ আত্মবিশ্বাস এবং নিজের উপর নির্ভরতা নিজেকে খুঁজে পাওয়ার সর্ব প্রথম শর্ত। আপনার যদি নিজের সম্পর্কে কোনো কাঠামো বদ্ধ মূল্যায়ন না থাকে, তাহলে আপনি কখনোই আপনাকে জাজ করতে পারবেন না। অন্যের কথায় যদি আপনি নিজেকে মূল্যায়ন করেন তাহলে আপনি কখনোই আপনার অন্তর্নিহিত শক্তি, আপনার ক্ষমতাকে খুঁজে পাবেন না। তাই নিজেকে খুঁজে পেতে নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন এবং নিজেকে মূল্যায়ন করতে শিখুন।

নিজের নীতিগত ধারনা গুলো উন্নত করুন এবং সে অনুযায়ী কাজ করুনঃ প্রতিদিনই আমরা নতুন কিছু জানছি, নতুন কিছু শিখছি। এই নতুন নতুন শিখা গুলোর মাধ্যমে আমরা নীতিগত পরিবর্তন আনতে পারি এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে আমরা আমাদের অভ্যাস গুলো আরো সুন্দর করতে পারি।

নিজের দুনিয়াকে সাজানঃ প্রতিদিন আমাদের অনেক কাজ করার থাকে, কিন্তু আমরা কোনো কাজই সঠিক ভাবে শেষ করতে পারি না। এর প্রধান কারন কাজ গুলোকে আমরা সঠিক ভাবে গুছিয়ে নিতে পারি না। সব কাজ একসাথে শুরু করলে তা কখনোই শেষ হবে না। কাজের গুরুত্বের উপর নির্ভর করে যদি আমরা কাজ গুলোকে সাজিয়ে নেই, তাহলে সেটা শেষ করতে বেশি সুবিধা হবে। যেমন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলো প্রথমে, এর পর এর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ, এভাবে এক সময় সব গুলো কাজই শেষ হয়ে যাবে।

নিজেকে নির্জনতায় মগ্ন করুনঃ রোজকার জীবনের ব্যস্ততা থেকে কিছু সময়ের জন্য ছুটি নিন। নিজেকে নির্জনতায় নিমগ্ন করুন। নিজের চাওয়া, পাওয়া, প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তির হিসাব করুন। প্রত্যেকটি মানুষেরই নিজের সাথে সময় কাটানো প্রয়োজন। ওই সময় টুকু শুধু মাত্র তার নিজেরই থাকবে। এর মাধ্যমে নিজের সাথে কথোপকথন হয়, নিজেকে আরো ভাল ভাবে জানা যায়।

নিজের প্যাশনকে খুঁজে বের করুনঃ যখন আপনি কোনো কিছুতে বিশ্বাস করবেন এবং কোনো কিছুতে সুন্দর কিছু খুঁজে পাবেন, তখন সেই কাজটিই করুন, অন্য জন কিভাবছে সেটা আপনার দেখার বিষয় নয়। যদি আপনি এমন কিছু খুঁজে পান যা আপনার চেষ্টা, পরিশ্রম, চোখেরজল এবং আত্মত্যাগের জন্য যথার্থ, তাহলে আপনি আপনার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছেন। যা অনেক সময় আপনাকে সাফল্যেরর চূড়ায় নিয়ে যেতে পারে।

একজন মেন্টর খুঁজে বের করুনঃ একজন মেন্টর খুঁজে বের করুন যে আপনাকে সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। আপনার জীবন যাপনের গঠন সম্পর্কে তার সাথে আলোচনা করতে পারবেন। এতে আপনার নিজেকে খুঁজে পেতে সুবিধা হবে।

সকলকে সুখী করতে চেষ্টা করবেন নাঃ একটা মানুষ কখনোই সকলকে সুখী করতে পারে না। এটা কখনোই সম্ভব নয়, কেননা একেকজনের সুখী হওয়ার কারন একেকরকম। তাই সেটাই করা উচিৎ যা আপনাকে সুখী করে। নিজের ভাল লাগা এবং সুখকে প্রাধান্য দিন।

নিজেকে প্রশ্ন করুনঃ নিজেকে প্রশ্ন করুন। নিজের উত্তর গুলো সাজান। এরই মাঝে আপনি আপনাকে খুঁজে পাবেন, যা আপনার পরবর্তী চলার পথকে সুগম করবে।

আত্মহত্যার প্রবণতা কেন হয় ? আত্মহত্যারপরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে ?সৃষ্টিকর্তার আদেশ ব্যতিরেকে আত্মাকে হত্যা করার নাম আ...
04/10/2019

আত্মহত্যার প্রবণতা কেন হয় ? আত্মহত্যার
পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে ?

সৃষ্টিকর্তার আদেশ ব্যতিরেকে আত্মাকে হত্যা করার নাম আত্মহত্যা। একজন মানুষ যখন তার শরীর থেকে নিজের আত্মাকে জোরপূর্বক পৃথক করে জীবনের গতিশীলতাকে নিজের ইচ্ছায় থামিয়ে দেয় তাকে আত্মহত্যাকারী বলা হয়। আত্মহত্যা কোন ম‌ত্যূ নয়‌। আত্মহত্যাকারী শরীর বিহীন ভাসমান হয়ে পৃথিবীতে জীবিতই থাকে।

জীবন বাঁচানো ফরজ

জীবন বাঁচানো ফরজ। আল্লাহর এই আদেশ জানার পরও জীবনের দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে না পেরে অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়‌। যে আত্মহত্যা করেছে সে হয়তো ভেবেছিল যে, এই আত্মহত্যার মধ্য দিয়ে সে সমস্ত দুঃখ কষ্ট থেকে মুক্তি পেয়ে যাবে।
কিন্তু তার সে ধারণা ছিল ভুল।

আত্মহত্যাকারী যদি জানতো

আত্মহত্যাকারী যদি জানতো যে, দুনিয়ার এই সামান্য দুঃখ কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সে যে আত্মহত্যা করলো, তার বিনিময়েতো দুঃখ কষ্ট থেকে সে মুক্তিতো পাবেইনা বরঞ্চ সে অনন্তকালের জন্য জাহান্নামী হয়ে যাবে তাহলে সে কখনো আত্মহত্যা করত না।

আত্মহত্যা করার ইচ্ছে হয়

জীবনের দুঃখ কষ্ট গুলো কখনো কখনো মানুষকে মাঝে মাঝে এমন একটি জায়গায় এনে দাঁড় করিয়ে দেয় যে, তখন ইচ্ছে করে নিজেই নিজেকে শেষ করে দিয়ে এর ইতি টেনে দেয়। আমি পৃথিবী থেকে চলে গেলে সবাই সুখে থাকবে।

একটা সময় আমারো আত্মহত্যা করতে খুব ইচ্ছে করেছিল। আমার ভেতর থেকে আমাকে বারবার আত্মহত্যা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল।

সুতরাং কোন পর্যায়ে গেলে একটা মানুষ আত্মহত্যা করার কথা ভাবতে পারে বা চিন্তা করতে পারে সেটা আমার বেশ ভালোই ধারণা আছে। আমি আত্মহত্যা না করে আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার জীবনকে রক্ষা করেছি বলে আজ আমি লিখতে পারছি।

আত্মহত্যার নির্দিষ্ট কোন কারণ নেই

আমাদের চারপাশে আত্মহত্যার ঘটনা আমরা অনেক দেখেছি । যারা আত্মহত্যা করেছে তারা ছিল বিভিন্ন বয়সের, তারা ছিল বিভিন্ন পরিবেশের, বিভিন্ন পরিস্থিতির আর বিভিন্ন রকম ঘটনার শিকার । সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে আত্মহত্যা কোনো নির্দিষ্ট বয়সের ক্ষেত্রে কিংবা নির্দিষ্ট কোন পরিবেশ-পরিস্থিতির ঘটনার উপর নির্দিষ্ট নয়। তাহলে এই আত্মহত্যা মানুষ কেন করে , কখন করে।

মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা

মানুষ যখন চারপাশের পরিস্থিতিকে সামাল দিতে পারে না তখন মানুষ নানা রকম চাপের মধ্যে পড়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। তখন মানুষ আত্মহত্যা করার কথা চিন্তা করে

জীবনের উপর বিতৃষ্ণা

নিজের চাওয়া পাওয়ার সাথে অনেক সময় মানুষ যখন হিসাব মেলাতে পারে না তখন মানুষের বেঁচে থাকার প্রবণতাটাই হারিয়ে যায়। না পাওয়ার সংখ্যাটা যখন বেশি দেখে তখন নিজের জীবনের উপর বিতৃষ্ণা এসে যায়। তখন মানুষ আত্মহত্যা করে কিংবা আত্মহত্যা করার কথা চিন্তা করে।

নিজেকে অসহায় মনে হওয়া

পরিস্থিতি দুর্বিষহ হয়ে উঠলে যখন কোন মানুষ তার মোকাবেলা করার মত কোন শক্তি আর নিজের ভেতরে খুঁজে পায় না তখন নিজেকে শক্তিহীন এবং খুব অসহায় মনে করে। তখন মানুষ আত্মহত্যার কথা চিন্তা করে এবং হয়তোবা আত্মহত্যা করেও ফেলে।

তুচ্ছ অনুভব করা

যখন মানুষ নিজেকে খুব একা মনে করে। নিজের ইচ্ছা পূরণের ক্ষেত্রে অথবা নিজের কোন মানসিক সমস্যার কারণে পরিবার-পরিজন থেকে একদমই কোন রকম মানসিক সাপোর্ট না পায় তখন নিজেকে একদমই তুচ্ছ মনে হয়। নিজের কাছে তখন মনে হয় যে তার পরিবার-পরিজন তাকে মূল্য দেয় না।

কি হবে বেঁচে থেকে

পরিবার থেকে যখন তিরস্কারের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তার জীবনের চেয়েও সামাজিক গুরুত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। জীবনকে তুচ্ছ মনে করে শিক্ষাক্ষেত্রে ডিগ্রি লাভ করাকে বড় মনে করে। শিক্ষা ক্ষেত্রে তার ব্যর্থতা কে কেন্দ্র করে বারবার তাকে খোঁচাতে থাকে। তখন মনে হয় যে, কি হবে আর বেঁচে থেকে!

সমাজের দেয়া কলঙ্ক

কোনো নারী-পুরুষ কিংবা ছেলে-মেয়ে যেই হোক না কেন তার চরিত্রে সমাজ যখন কলঙ্ক লেপন করে দেয়, তখন অনেকেই সেই কলঙ্ক নিয়ে বাঁচার মতো মানসিক শক্তি আর খুঁজে পায় না। এই কলঙ্কিত জীবন নিয়ে কিভাবে সে বেঁচে থাকবে যেখানে প্রতিনিয়ত সমাজ তাকে কঠিন শাস্তি দিচ্ছে।

অপরাধের কারণে

এমন কোন অপরাধ করে ফেলেছে, যে অপরাধের কারণে সে আর সমাজে মুখ দেখাতে পারবে না। তখন তার ভেতরে ভয় লজ্জা সংকোচ জেগে উঠে। তখন সে ভাবে যে, কিভাবে সে সমাজে টিকে থাকবে ? এত বড় পাপী চেহারা নিয়ে সমাজে কি ভাবে বসবাস করবে। এ ধরনের একটা অপরাধ বোধ জেগে উঠে তার ভেতরে। এরকম পর্যায়ে গেলেও সে তখন আত্মহত্যার কথা চিন্তা করে।

ভালবাসার ক্ষেত্রে

প্রেমিক প্রেমিকা দুজন যখন গভীর ভাবে একে অপরকে ভালবাসে তখন অনেক সময় ওই ক্ষেত্রে দেখা যায় যে তাদের মিলন হবার মতো কোন উপায়ই নেই। পরিবার পরিজন কিংবা সমাজ তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। এসময় খুব নরম মনের অথবা অল্প বয়সের ছেলে মেয়েরা আবেগপ্রবণ হয়ে আত্মহত্যার কথা চিন্তা করে এবং আত্মহত্যা করে ফেলে।

প্রচন্ড অভিমানের ক্ষেত্রে

প্রচন্ড আবেগপ্রবন মানুষগুলো খুব বেশি অভিমানী হয়ে থাকে। তখন অনেক সময় এই অভিমানের মাত্রা যখন খুব তীব্র হয়ে ওঠে তখন মানুষ আত্মহত্যা করে ফেলে । সেটা হতে পারে বাবা তার সন্তানের উপরে অভিমান করে কিংবা স্ত্রী তার স্বামীর উপরে , স্বামী তার স্ত্রীর উপরে এবং প্রেমিক-প্রেমিকা।

প্রচণ্ড অভিমানী মানুষগুলো তাদের ভালোবাসার মানুষদের উপরে অভিমান করে নিজেদের শেষ করে দেওয়ার জন্য চিন্তা করে অর্থাৎ আত্মহত্যা করে ফেলে।

ধর্মীয় শিক্ষার অভাব

পরিবার থেকে ধর্মীয়ভাবে পরিবারের সদস্যদেরকে আত্মহত্যার ব্যাপারে শিক্ষা না দেওয়া। আত্মহত্যা যে একটি মহাপাপ এবং এই আত্মহত্যার পরিণতি যে কি ভয়াবহ এর সঠিক শিক্ষা তাদেরকে না দেওয়া।

অযৌক্তিক আত্মহত্যা

আত্মহত্যার বহুল আলোচিত ব্যতিক্রম কয়েকটি আত্মহত্যার ঘটনা আমাদের দেশে ঘটেছিল । যখন আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রের নায়ক সালমান শাহ খুন হয়েছিলেন। তাকে হারানোর শোক অনেকেই সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছিল। যা ছিল অত্যন্ত দুঃখজনক এবং মর্মান্তিক।

আত্মহত্যায় মৃত্যু হয় না

তবে যত কিছুই হোক না কেন আত্মহত্যা কোনো কিছুরই সমাধান দিতে পারে না। আত্মহত্যা কোন মূল্যবান কিছু নয় । এতে যে আত্মহত্যা করে তার ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই নেই । কারণ আত্মহত্যার অর্থ হচ্ছে আল্লাহর দেয়া আমানত আত্মাকে হত্যা করা। আল্লাহর হুকুম ছাড়া কোন মানুষের মৃত্যু হয় না ।

মৃত্যু আল্লাহর আদেশ

মৃত্যু হলো আল্লাহর একটি আদেশ। সেই আদেশ না আসা পর্যন্ত প্রতিটি মানুষকে মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। আল্লাহর আদেশ ব্যতীত কোন মৃত্যুই মৃত্যু নয়। আল্লাহর আদেশ ব্যতীত যেমন কোন রূহ মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে না, তেমনি আল্লাহর আদেশ ব্যতীত মানুষের রুহ মানুষের দেহ থেকে বের হতে পারে না। আল্লাহর এই আদেশ সম্পর্কে প্রতিটি মানুষের জ্ঞান অর্জন করা ফরজ।

আত্মহত্যাকারী চির জাহান্নামী

আল্লাহ আত্মহত্যাকারীদের সম্পর্কে বলেছেন, এই ব্যক্তি অধৈর্যশীল । আমি তার জন্য শেষপর্যন্ত কি করি সেটা দেখার জন্য সে অপেক্ষা করলো না। সুতরাং তাকে অনন্তকালের জন্য জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হোক।

হাদীসের বর্ণনানুযায়ী

আত্মহত্যাকারী যদি জানত যে আত্মহত্যার পরিনাম কতটা ভয়াবহ তা হলে সে কখনো আত্মহত্যা করত না। আত্মহত্যাকারী দুনিয়া এবং আখিরাত দুটোর কোনটাই পায় না।

হাদীসে বর্ণিত আছে যে, কোন ব্যক্তি যদি পাহাড় থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করে তবে সে অনন্তকাল ধরে পাহাড় থেকে লাফ দিতেই থাকবে অর্থাৎ অনন্ত কাল ধরে সে শুধু পাহাড় থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করতেই থাকবে।

ঠিক তেমনি যে লোক ট্রেনের নিচে পড়ে আত্মহত্যা করেছে সেও অনন্ত কাল ধরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিতেই থাকবে তো দিতেই থাকবে । যে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে সেও অনন্তকাল ধরে শুধু বিষ খেতে থাকবে তো খেতেই থাকবে। আত্মহত্যাকারীদের কখনো আর মৃত্যু হবেনা।

আত্মহত্যা প্রবণতায় করনীয় !

আমি আমার অবস্থান থেকে বলছি , এমন একটা সময় আমার জীবনে এসেছিল যে, প্রতিদিন আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে করতো। প্রচন্ড ভাবে বুঝতে পারছিলাম যে , আমি যে কোন মুহূর্তে আত্মহত্যা করে ফেলতে পারি। আমি একটু ধার্মিক ছিলাম বলে এই ইচ্ছাটির সাথে যুদ্ধ করছিলাম। আত্মহত্যার পরিণতি সম্পর্কেও আমি অবগত ছিলাম।

ধৈর্যের পরীক্ষা

কোনভাবেই যেন আত্মহত্যা না করি তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম। আর চিন্তা করে যাচ্ছিলাম যে, কিভাবে এই আত্মহত্যা করার ইচ্ছে থেকে মুক্তি পাওয়া যায়‌। এটাও বুঝতে পারছিলাম যে আমার ধৈর্য্যের পরীক্ষা চলছে। আল্লাহ যেহেতু ধর্মীয় জ্ঞান দিয়েছিলেন , সেই অনুযায়ী চিন্তা করলাম, আমি যদি একটি ভাল কাজ করি তাহলে হয়তো এই পাপ চিন্তা থেকে আমি মুক্তি পেতে পারি ।

ভালো কাজ সম্পাদন

তখন আমি একটা ভালো কাজ করলাম । সেই কাজটা ছিল গ্রামের একটি পরিবারকে বাথরুম তৈরি করে দেওয়া । ঐ পরিবারটি পুকুরে গোসল করতো। অর্থাৎ তাদের গোসলটা হতো পর্দাহীন অবস্থায়। আমি এটা পছন্দ করতাম না যে, তারা এরকম খোলামেলা জায়গায় গোসল করুক।
তাই আমি তাদেরকে টয়লেটসহ বাথরুম তৈরি করে দিয়েছিলাম।

আল্লাহ হেফাজত করবেন

আমার বেশ মোটামুটি একটা মোটা অংকের টাকা খরচ হয়েছিল। তবুও আমি অনেক হ্যাপি ছিলাম। এরপর আমি নিজেও টের পাইনি , কখন যে আমার ভেতর থেকে আত্মহত্যা করার প্রবণতাটি লোপ পেয়েছে। পরে আল্লাহর তরফ থেকেই আল্লাহ আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, আল্লাহ আমাকে আত্মহত্যা করবার ইচ্ছা থেকে উদ্ধার করেছেন।

প্রার্থনা করা

আমি তাদেরকে বাথরুম তৈরি করে দেবার পাশাপাশি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে নামাজ পড়ে প্রার্থনা করে অনেক কান্নাকাটি করতাম। আল্লাহ যেন আমাকে এই মহাপাপের চিন্তাটা থেকে উদ্ধার করে । এত বড় মহাপাপ যেন আমাকে দিয়ে না হয়। যত কষ্ট পাচ্ছি তা' যেন সব সহ্য করবার শক্তি আল্লাহ আমাকে দান করে।

সৎকর্ম বিফল হয়না

সুতরাং আমার প্রার্থনা এবং আমার সৎকর্ম কোনটাই বিফল হয়নি । আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি যে, তিনি আমার প্রার্থনা কবুল করেছিলেন এবং একটি ভালো সৎকর্ম করবার সৌভাগ্যও দান করেছিলেন এবং আমাকে চির জাহান্নামী হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন।

চেষ্টা করা

জীবনের নানান ঘাত প্রতিঘাতে অনেক সময় আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পেতেই পারে। তাই হতাশ না হয়ে সাহসের সাথে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে হবে। যাদের ভেতরে আত্মহত্যা করবার মত ইচ্ছা জেগে উঠে, যাদের প্রায়ই ইচ্ছে করে যে আত্মহত্যা করে ফেলতে , তারা যেন আত্মহত্যার ইচ্ছাটা থেকে বের হয়ে আসার জন্য চেষ্টা করে।

কারণ আত্মহত্যা কোন পূণ্য বা কোন ভাল কাজ নয়। এটা একটি মহাপাপ আর এই মহাপাপের কারণে তাকে অনন্তকাল ধরে জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হবে । সেখানে না থাকবে তার জীবন , না থাকবে তার মৃত্যু । থাকবে শুধু অনন্তকাল ধরে মৃত্যুর চেষ্টা।

সুতরাং জীবনের পরিণতি সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করা উচিত। আর সেই সব পরিবারদের উদ্দেশ্যে বলছি , পরিবার হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল। পরিবার যদি নিজেই উদাসীন আর অশিক্ষিত থাকে, ধর্ম থেকে দূরে থাকে তবে সন্তানকে কিভাবে শিক্ষা দান করবে !

প্রতিটি মানুষ এবং প্রতিটি পরিবারের চারপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো থেকে সাবধান হয়ে যাওয়া উচিত । তাদের প্রতিটি পদক্ষেপে এই চিন্তাটা করে রাখা উচিত যে, এরকম দুর্ঘটনা আমার সন্তানের কিংবা আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বেলায়ও ঘটতে পারে ।

সুতরাং যখনই চারপাশে কোন দুর্ঘটনা ঘটবে তখনই সেই দুর্ঘটনার উপর ফোকাস করে পরিবারের সদস্যদের সাথে সেই ব্যাপারটির খারাপ দিক নিয়ে আলোচনা করা উচিত ।কেন হয়েছে, কি জন্য হয়েছে , না হলে কি হতো , হলে কি হতো , এরকমভাবে ঐ ঘটনার বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন ভাবে ঘটনার পর্যালোচনা করা উচিত।

আর এতেই পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা দেয়া হয়ে যাবে। আর এই শিক্ষার কারণে পরিবারের সদস্যটি বেঁচে যেতে পারে অনাহুত অনাকাঙ্খিত আত্মহত্যা করা থেকে।

আত্মহত্যা করার আগ পর্যন্ত মানুষ আত্মহত্যাকারী নয় একজন মানুষ হিসেবেই ছিল। যেমন করে খুন করার আগে মানুষ খুনী পরিচয় বহন করে না। খুন করার পর মানুষ খুনী হয়ে যায়। তাই সাবধানতা অবলম্বন করতে হয় দুর্ঘটনার আগ থেকেই।

দুর্ঘটনা ঘটে গেলে তখন আর কিছুই করার থাকেনা। আমাদের অগ্রীম সাবধানতাই পারে আমাদেরকে অসাবধান হওয়া থেকে রক্ষা করতে। নাহলে আমাদের একটু অসাবধানতায় আমাদেরকে অনেক অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনার মধ্যে ঠেলে দিতে পারে।

পরিশেষেঃ-আত্মহত্যার প্রবণতা যখন চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন সেই মানুষটির উচিত তার কাছের বন্ধু, বান্ধব, প্রিয় মানুষ, এবং পরিবারের কাছে তার কষ্টের কথা গুলো শেয়ার করা। তার যে বারবার আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে করে সেটা প্রকাশ করা।

যখন তার সদস্যের মুখ থেকে আত্মহত্যার কথা বারবার শোভন করবে তখন সেটাকে যেন কোনোভাবেই আর এড়িয়ে না যায় যে একবার আত্মহত্যার কথা বলে তার দিকে বিশেষভাবে যত্ন নেওয়া উচিত কোনোভাবেই সে যেন নিজেকে একা অসহায় দুর্ভাগা হতভাগী বা হতভাগ্য মনে না করে

যখনই আত্মহত্যা করার চিন্তা মনে জেগে উঠবে তখনই মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা উচিৎ।
সৃষ্টিকর্তা যেন তাকে এই মহাপাপ সংঘটিত হওয়া থেকে রক্ষা করেন।

আপনার মন খারাপ?হতেই পারে। প্রতিটা দিন মন ভালো থাকবে এমনটা অসম্ভব এবং অবাস্তব। কিন্তু মন খারাপটা সংক্রামক ব্যাধির মতো। এক...
03/10/2019

আপনার মন খারাপ?

হতেই পারে। প্রতিটা দিন মন ভালো থাকবে এমনটা অসম্ভব এবং অবাস্তব। কিন্তু মন খারাপটা সংক্রামক ব্যাধির মতো। একবার হলে তা আমরা পুষতে পছন্দ করি মনের অজান্তে, দূর করতে চাই না।

ছুটি বাড়ানোর মত মন খারাপের দিনও বাড়তে থাকে। আমরা মন খারাপ দাম দিয়ে কিনতেও পছন্দ করি। অকারণে ও সামান্য কারণেও মন খারাপ হয় আমাদের।

মন খারাপ হলে যেটা করতে হবে, মন খারাপের ডিউরেসানটা কমাতে হবে।

মন খারাপ হলে নিজেকে কয়েকটা প্রশ্ন করবেনঃ

- আমার কেন মন খারাপ?
- কারণটা কি?
- কার জন্য মন খারাপ?
- তার গুরুত্ব আমার জীবনে কতটুকু?
এইখানেই কিন্তু ৫০% মন খারাপের ফুল স্টপ দেয়া যায়।

তারপর আরও কিছু প্রশ্ন নিজে করতে পারেনঃ
- এই মন খারাপের জন্য আমি কত টুকু দায়ী?
- মন খারাপ হলে শরীরও খারাপ করতে পারে, আমি কি এটা হতে দিব?
- মন খারাপ হলে কোন কাজ করা যায় না, আমি কি ১টি দিন হারাবো?
- মন ভালো করার জন্য কি কি করা যেতে পারে? সিধান্তটা কে নিবে? আপনি।
- জীবনের সব চেয়ে খারাপ সময়/দিনটার সাথে তুলনা করুন।

বিষয়টা যদি এর চেয়েও ভয়াবহ হয়, কয়েক দিন মন খারাপ করে থাকাই ভাল।

আপনার জীবনে তেমন গুরুত্ব বহন করে না, তাদের কারণে মন খারাপ হলে তাদের থেকে দূরে থাকুন। কারণ সে আপনার জীবনে কোন স্মাইল দিতে পারবে না।

প্রিয় কোন গান শুনুন, মজার কোন সিনেমা বা নাটক দেখুন বা বই পড়ুন বা বেড়াতে যান। আপনার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু সাথে কথা বলুন বা সময় কাটান এবং প্রার্থনা করুন।

আপনার অপরিচিত কারো কোন একটা উপকার করুন (একটা গরীব বৃদ্ধ বা শিশুকে বাসায় এনে নিজের টেবিলে খাওয়ালেন বা কোন উপহার দিলেন যা সে আজ পাবার কথা কল্পনাও করেনি, তার মুখের হাসি ও খুশি দেখে, আপনার মন ভালো হয়ে যাবে ।

এগিয়ে যেতে হলে আপনার মনটা ভালো থাকা খুবই জরুরী।

আজকের জন্য ভালো থাকুন, আগামীকালটা আরও ভালো যাবে।

Address

Banasree
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Society for Social Skill Development - SSSD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share