Federal Homoeopathic Medical College & Hospital

Federal Homoeopathic Medical College & Hospital

Share

Federal Homoeopathic Medical College & Hospital. Farm View Super Market, (5th & 6th) Farmgate, Dhaka. Mobile: +88 01785 - 530902
+8801540-565889

22/08/2026

দুপুরের লাঞ্চ বিরতিতে ডা. বিথীকা সাহার মিষ্টি কণ্ঠের গান শুনলে কেমন হয়?
একটু সুরের ছোঁয়া—দুপুরের বিরতিটা হয়ে উঠুক আরও আনন্দময় ও প্রাণবন্ত। ধন্যবাদ ডা: বিথীকা সাহা।

20/08/2026

Parenting::::

Parenting হলো সন্তানকে জন্মের পর থেকে বেড়ে ওঠার প্রতিটি পর্যায়ে ভালোবাসা, যত্ন, নিরাপত্তা, শিক্ষা, মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে একজন দায়িত্বশীল ও আত্মনির্ভরশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।

অর্থাৎ, Parenting শুধু সন্তানকে দেখাশোনা করা নয়—তার শারীরিক, মানসিক, আবেগীয়, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশে বাবা-মায়ের সচেতন ভূমিকা রাখাই Parenting।

Parenting-এর প্রধান ৪টি ধরন

🌱Authoritative — দৃঢ় ও স্নেহশীল Parenting

ভালোবাসার সঙ্গে থাকে নিয়ম ও সীমারেখা নির্ধারণ। সন্তানের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা হয়, তার অনুভূতিকে সম্মান করা হয় এবং ভুল হলে শাস্তির পরিবর্তে বোঝানো ও শেখানোর চেষ্টা করা হয়।

🌱 Authoritarian — কঠোর বা কর্তৃত্ববাদী Parenting

নিয়ম ও শাসন বেশি, কিন্তু সন্তানের মতামত ও অনুভূতির প্রতি গুরুত্ব কম। বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত—এমন একটি পরিবেশ তৈরি হতে পারে।

🌱Permissive — অতিরিক্ত নমনীয় বা ছাড়দাতা Parenting
সন্তানের প্রতি ভালোবাসা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ বেশি থাকে, কিন্তু নিয়ম, শৃঙ্খলা ও সীমারেখা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। ফলে সন্তান অনেক সময় নিজের আচরণের সীমা বুঝতে অসুবিধায় পড়তে পারে।

🌱 Uninvolved — উদাসীন বা অনাগ্রহী Parenting

সন্তানের শারীরিক ও মানসিক প্রয়োজন, পড়াশোনা, অনুভূতি বা দৈনন্দিন জীবনে বাবা-মায়ের সম্পৃক্ততা কম থাকে। ফলে সন্তানের সঙ্গে ধীরে ধীরে একটি আবেগীয় দূরত্ব তৈরি হতে পারে।

🌈সন্তানকে ভালোবাসা যেমন জরুরি, তেমনি প্রয়োজন সঠিক সীমারেখা, সময়, মনোযোগ ও দিকনির্দেশন দেয়া। কারণ, ভালো Parenting মানে সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়—তাকে বুঝে, বিশ্বাস করে এবং সঠিক পথে এগিয়ে যেতে শেখানো প্রয়োজন

ডা: সামিনা আরিফ
সহযোগী অধ্যাপক
অধ্যক্ষ কাম অধীক্ষক ( ভারপ্রাপ্ত)
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ফার্মগেট, ঢাকা

18/08/2026

"সুস্থ মন সুন্দর জীবন গড়তে সাহায্য করে"
ডাঃ সামিনা আরিফ

16/08/2026

শিশুদের পড়াশোনায় মনোযোগ না থাকার সম্ভাব্য কারণসমূহ জেনে নেয়া প্রয়োজন

15/08/2026

অনিদ্রার (Insomnia) ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ
✴️ মানসিক ক্লান্তি: চিন্তাভাবনায় ধীরগতি, স্মৃতিভ্রংশের মতো সমস্যা, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং মস্তিষ্কে এক ধরনের “Brain Fog” তৈরি হওয়া।
✴️ মেজাজের পরিবর্তন: খিটখিটে মেজাজ, অস্থিরতা, উদ্বেগ ও মানসিক চাপ বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদে বিষণ্নতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
✴️ শক্তি ও কর্মস্পৃহা কমে যাওয়া: সারাদিন ক্লান্তি, অবসাদ, কাজে অনীহা এবং স্বাভাবিক কাজেও উদ্যমের অভাব দেখা দিতে পারে।
✴️ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হওয়া: পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার সক্ষমতা কমতে পারে।
✴️ ওজন বৃদ্ধি: ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন হয়ে অতিরিক্ত খাবার, বিশেষ করে উচ্চ-ক্যালরি ও মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বাড়তে পারে।
✴️ হৃদ্‌যন্ত্রের ঝুঁকি: দীর্ঘদিনের অনিদ্রা উচ্চ রক্তচাপ, প্রদাহ এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
✴️ রক্তে শর্করার ভারসাম্যহীনতা: ইনসুলিনের কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
✴️ প্রতিক্রিয়ার গতি কমে যাওয়া: মনোযোগ ও প্রতিক্রিয়ার সময় ধীর হয়ে যায়, ফলে গাড়ি চালানো বা কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
✴️ কর্মদক্ষতা হ্রাস: উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়া, কাজে ভুলের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং পড়াশোনা বা পেশাগত কাজে পারফরম্যান্সের অবনতি ঘটতে পারে।

ডাঃ সামিনা আরিফ
সহযোগী অধ্যাপক
অধ্যক্ষ কাম অধীক্ষক ( ভারপ্রাপ্ত)
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ফার্মগেট, ঢাকা

15/08/2026

হোমিওপ্যাথিক স্বাস্থ্য সেবায় আমরা আছি আপনাদের পাশে---------

14/08/2026

অনিদ্রার প্রধান কারণগুলো
✴️ অতিরিক্ত মানসিক চাপ: কাজ, পড়াশোনা, অর্থনৈতিক সমস্যা বা ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তা মস্তিষ্ককে অতিরিক্ত সক্রিয় রাখে, ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়।
✴️ মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা: উদ্বেগ, PTSD, বিষণ্নতা ইত্যাদি ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ ও ঘুম-জাগরণের চক্রকে প্রভাবিত করতে পারে।
✴️ স্ক্রিনের আলো: মোবাইল, টিভি বা অন্যান্য ডিভাইসের আলো রাতে মেলাটোনিনের স্বাভাবিক নিঃসরণ কমিয়ে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
✴️ অনিয়মিত ঘুমের সময়সূচি: প্রতিদিন ভিন্ন সময়ে ঘুমানো, রাত জাগা বা নাইট শিফটে কাজ করা শরীরের স্বাভাবিক জৈবিক ঘড়িকে (body clock) ব্যাহত করতে পারে।
✴️ ক্যাফেইন ও নিকোটিন: বিকেল বা সন্ধ্যার পর চা, কফি, এনার্জি ড্রিংক বা নিকোটিন গ্রহণ ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে পারে।
✴️ অ্যালকোহল গ্রহণ: অ্যালকোহল প্রথমে ঘুম আনতে সাহায্য করলেও পরবর্তী সময়ে বারবার ঘুম ভাঙতে পারে এবং ঘুমের গুণগত মান কমিয়ে দেয়।
✴️ রাতে দেরিতে খাবার গ্রহণ: ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত, ভারী বা ঝাল খাবার খেলে অস্বস্তি, গ্যাস ও অ্যাসিড রিফ্লাক্স হয়ে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
✴️ দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা: আর্থ্রাইটিস, কোমর বা অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা শরীরকে আরাম দিতে বাধা দেয় এবং ঘুমের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
✴️ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা: অ্যাজমা, স্লিপ অ্যাপনিয়া, বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন হওয়া ইত্যাদি কারণে রাতে ঘুম বারবার ভেঙে যেতে পারে।
✴️ কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ, অ্যালার্জির ওষুধ ও অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টসহ বিভিন্ন ওষুধ ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
✴️ হরমোনের পরিবর্তন: মাসিক, গর্ভাবস্থা ও মেনোপজের সময় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে রাতের ঘাম, অস্বস্তি ও ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

ডাঃ সামিনা আরিফ
সহযোগী অধ্যাপক
অধ্যক্ষ কাম অধীক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ফার্মগেট, ঢাকা

14/08/2026

ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এর উদ্যোগে বহির্বিভাগে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের টিকেট মূল্যে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা সহ ঔষধ ও পরামর্শ দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

13/08/2026

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের নির্দেশনা মোতাবেক ডিএইচএমএস ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য আবেদন দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ১৫/০৯/২০২৬ ইং বিকাল ৪:০০ ঘটিকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। আপনি কি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হতে আগ্রহী?

12/08/2026

পোস্টপার্টাম ব্লুজ (Postpartum blues)

পোস্টপার্টাম ব্লুজ হলো সন্তান প্রসবের পর মায়েদের একটি অত্যন্ত সাধারণ এবং মৃদু মানসিক অবস্থা। এটি কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগ নয়। সন্তান জন্মের ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে এটি শুরু হয় এবং সাধারণত ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়।

কারণ (Causes)

🍀হরমোনের পরিবর্তন: প্রসবের পরপরই শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা হঠাৎ মারাত্মকভাবে কমে যায়।
🍀শারীরিক ক্লান্তি: প্রসবের ধকল এবং নবজাতকের যত্নের কারণে মায়েরা পর্যাপ্ত ঘুমানোর সুযোগ পান না। চরম ক্লান্তি এই অবস্থাকে বাড়িয়ে দেয়।
🍀মানসিক চাপ: নতুন দায়িত্বের কারণে মা হওয়ার পর এক ধরনের মানসিক চাপ তৈরি হয়।

ক্লিনিক্যাল লক্ষণ (Clinical Features)

🍀হঠাৎ মেজাজ পরিবর্তন: কোনো কারণ ছাড়াই কখনো খুব আনন্দ, আবার কখনো হঠাৎ তীব্র বিষণ্ণতা অনুভব করা।
🍀কান্নাকাটি করা: সামান্য বিষয়ে বা কোনো কারণ ছাড়াই ঘনঘন চোখ দিয়ে পানি পড়া বা কাঁদা।
🍀উদ্বেগ ও অস্থিরতা: বাচ্চার যত্ন ঠিকমতো হচ্ছে কিনা তা নিয়ে সারাক্ষণ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা হওয়া।
🍀খিটখিটে মেজাজ: অল্পতেই ধৈর্য হারিয়ে ফেলা এবং চারপাশের মানুষের ওপর বিরক্ত হওয়া।
🍀ঘুমের ব্যাঘাত: বাচ্চা ঘুমানোর পরও মায়ের ঘুমাতে কষ্ট হওয়া বা অনিদ্রা দেখা দেওয়া।
🍀মনোযোগের অভাব: যেকোনো সাধারণ কাজে মনোযোগ দিতে না পারা বা দ্বিধাগ্রস্ত থাকা।

সাধারণত এই লক্ষণগুলো মায়ের দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম বা বাচ্চার যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা তৈরি করে না। তবে লক্ষণগুলো যদি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয় বা আরও তীব্র হয়, তবে তা পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন (Postpartum Depression) হতে পারে।

পোস্টপার্টাম ব্লুজ বা বেবি ব্লুজ দূর করার জন্য কোনো ডাক্তারি ওষুধ বা চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। এটি সাধারণত সঠিক যত্ন এবং মানসিক সহযোগিতার মাধ্যমেই ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়।

নিচে এর প্রতিকার ও করণীয়গুলো দেওয়া হলো:

মায়ের নিজের করণীয়

🌱পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া: শিশু যখনই ঘুমাবে, মায়েরও তখন ঘুমিয়ে বা জিরিয়ে নেওয়া উচিত।
🌱সহায়তা চাওয়া ও গ্রহণ করা: ঘরের কাজ বা শিশুর যত্নে পরিবার ও সঙ্গীর সাহায্য সানন্দে গ্রহণ করুন।
🌱পুষ্টিকর খাবার খাওয়া: শরীর দ্রুত সুস্থ হতে এবং হরমোনের ভারসাম্য ফিরতে পুষ্টিকর খাবার ও প্রচুর পানি পান করুন।
🌱নিজের জন্য সময় বের করা: দিনে অন্তত ১০-১৫ মিনিট নিজের পছন্দের কোনো কাজ করুন বা একটু ঘরের বাইরে হাঁটুন।
🌱অনুভূতি শেয়ার করা: মনের ভেতরের অস্থিরতা বা বিষণ্ণতা চেপে না রেখে সঙ্গী, মা বা কাছের বন্ধুর সাথে কথা বলুন।

পরিবারের করণীয়
🌱মানসিক সমর্থন দেওয়া: নতুন মায়ের অনুভূতিকে খাটো করে না দেখে তাকে আশ্বস্ত করুন যে এই অবস্থা সাময়িক।
🌱কাজের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া: ঘরের রান্না, কাপড় ধোয়া বা বাচ্চার ডায়াপার বদলানোর মতো কাজে পরিবার এগিয়ে আসুন।
🌱ঘুমানোর সুযোগ করে দেওয়া: মা যেন রাতে বা দিনে অন্তত কয়েক ঘণ্টা টানা ঘুমাতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করে দিন।

🍁🍁সতর্ক সংকেত
এই ঘরোয়া পরিচর্যার পরও যদি লক্ষণগুলো ২ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, তীব্রতা দিন দিন বাড়ে, অথবা মায়ের মনে নিজের বা শিশুর ক্ষতি করার কোনো চিন্তা আসে, তবে অবহেলা না করে দ্রুত একজন গাইনোকোলজিস্ট বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। এটি পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনের লক্ষণ হতে পারে।

ডাঃ সামিনা আরিফ
সহযোগী অধ্যাপক
অধ্যক্ষ কাম অধীক্ষক ( অধীক্ষক)
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ফার্মগেট, ঢাকা

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka
1215