Heartfelt Congratulations
Federal Homoeopathic Medical College & Hospital
Federal Homoeopathic Medical College & Hospital. Farm View Super Market, (5th & 6th) Farmgate, Dhaka. Mobile: +88 01785 - 530902
+8801540-565889
19/05/2026
Heartfelt Congratulations
হামের উপসর্গগুলো হলো :::::
✴️উচ্চ জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট বা তার বেশি)
✴️তীব্র কাশি
✴️নাক দিয়ে পানি পড়া
✴️চোখ লাল ও জলযুক্ত হওয়া
✴️মুখে ও শরীরে লালচে ফুসকুড়ি
✴️গালের ভেতরের দিকে ছোট ছোট সাদা দাগ (Koplik spots) দেখা যেতে পারে
✴️ দুর্বলতা
✴️খাবারে অরুচি
✴️পাতলা পায়খানা
হাম একটি ভাইরাসজনিত অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী খাবার:
✳️সবুজ শাকসবজি ও ফল: পালং শাক, ব্রকলি, টমেটো এবং বিভিন্ন তাজা ফল ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা ধমনী পরিষ্কার রাখে।
✳️তৈলাক্ত মাছ: স্যামন, সার্ডিন বা আমাদের দেশি মাছ (রুই, কাতলা) ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উৎস, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
✳️আস্ত শস্য (Whole Grains): ওটস, লাল চাল, গম এবং বার্লি ফাইবার সমৃদ্ধ, যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে
✳️বাদাম ও বীজ: কাঠবাদাম, আখরোট, চিয়া বীজ এবং তিসির বীজ হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী ।
✳️রসুন: নিয়মিত রসুন খেলে রক্তচাপ কমে এবং হার্ট সতেজ থাকে
✳️জলপাই তেল (Olive Oil): রান্নায় স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হিসেবে জলপাই তেল ব্যবহার করা ভালো
✡️বর্জনীয় ও করণীয়:
✳️অতিরিক্ত তেল, চর্বিযুক্ত খাবার এবং লবণের ব্যবহার কমাতে হবে
✳️ফাস্ট ফুড বর্জন: প্রসেসড খাবার, মিষ্টি পানীয় এবং ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো
✳️সক্রিয় থাকা: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করতে হবে
✳️ধূমপান ত্যাগ: হার্ট ভালো রাখতে ধূমপান বা তামাক সেবন সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে
সামিনা আারিফ
সহযোগী অধ্যাপক
অধীক্ষক কাম অধীক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ফার্মগেট, ঢাকা
সিজোফ্রেনিয়া
সিজোফ্রেনিয়া হলো একটি গুরুতর, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ব্যাধি, যা মানুষের চিন্তা, অনুভূতি ও আচরণের ওপর প্রভাব ফেলে এতে আক্রান্ত ব্যক্তি বাস্তব ও কল্পনার পার্থক্য বুঝতে পারেন না।
সিজোফ্রেনিয়ার প্রধান লক্ষণসমূহ:
✴️হ্যালুসিনেশন: এমন কিছু শোনা বা দেখা যা বাস্তবে নেই (যেমন- কাল্পনিক কণ্ঠস্বর শোনা)
✴️বিভ্রম (Delusion):
✡️ভুল বিশ্বাস, যেমন মনে করে কেউ ক্ষতি করছে বা নিয়ন্ত্রণ করছে
✡️অগোছালো চিন্তা ও কথা: এলোমেলো কথা বলা বা প্রশ্নের অসংলগ্ন উত্তর দেওয়া
✡️আচরণগত পরিবর্তন: দৈনন্দিন কাজে আগ্রহ হারানো, পরিচ্ছন্নতার অভাব, বা অদ্ভুত আচরণ
✡️পরিবেশও ঝুঁকি বাড়ায়
✳️কারণসমূহ:
সিজোফ্রেনিয়ার নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই, তবে
♈ জেনেটিক্স (বংশগতি),
♈মস্তিষ্কের গঠনগত পরিবর্তন
♈পরিবেশগত কারণে হতে পারে ।
♈গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারের ভারসাম্যহীনতা এর জন্য দায়ী ।
♈শৈশবের মানসিক চাপ বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা
সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষনসমূহ দেখা দিলে দেরী না করে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন
সামিনা আরিফ
সহযোগী অধ্যাপক
অধ্যক্ষ কাম অধীক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ফার্মগেট, ঢাকা
দুপুরের লাঞ্চ বিরতির ক্লান্ত মুহূর্তে সবার মনকে একটু প্রশান্ত ও প্রাণবন্ত করে তুলতে, উপস্থিত সকলের বিশেষ অনুরোধে সুমধুর কণ্ঠে গান পরিবেশন করছেন ডাঃ বিথীকা। ধন্যবাদ ডাঃ বিথীকা সাহা।
তরমুজ (Citrullus lanatus) একটি গ্রীষ্মকালীন সুস্বাদু ফল। ঠাণ্ডা তরমুজ গ্রীষ্মকালে বেশ জনপ্রিয়। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। এই ফলে ৬% শর্করা এবং ৯২% জল এবং অন্যান্য উপাদান ২%। এটি ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ফল।
💠তরমুজ খাবার উপকারীতাঃ
👉তরমুজে খুব সামান্য ক্যালরি আছে। তাই তরমুজ খেলে ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকে না।
👉তরমুজের ৯২ শতাংশই পানি। শরীরে জল বা পানির অভাব পূরণে ফলের মধ্যে তরমুজই হলো আদর্শ ফল।
👉তরমুজে আছে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়াম ও ফাইবার।
👉মৌসুমী এই ফলটির রয়েছে নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। তরমুজ হলো ভিটামিন ‘বি৬’-এর চমৎকার উৎস, যা মস্তিষ্ক সচল রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
👉তরমুজে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি খেলে দেহের অক্সিডেটিভ স্ট্রেসজনিত অসুস্থতা কমে।
👉 এই ফলটি নিয়মিত খেলে প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে না।
👉তরমুজের আরো একটি গুণ হলো এটি চোখ ভালো রাখতে কাজ করে। তরমুজে ক্যারোটিনয়েড থাকায় এ ফলটি চোখ ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।
👉একইসঙ্গে চোখের নানা সমস্যার প্রতিষেধক হিসেবেও কাজ করে তরমুজ। চিকিৎসকেরা বলেন, ক্যারোটিনয়েড রাতকানা প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
👉একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, তরমুজে থাকা উচ্চ পরিমাণে সিট্রুলিন মানব দেহের ধমনির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখে এবং রক্তচাপ কমিয়ে দেয়।
-----------
ডাঃ আবিদা সুলতানা
গেস্ট লেকচারার
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
অবসেসিভ-কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার (ওসিডি) বা শুচিবাই হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ব্যাধি, যেখানে ব্যক্তি অযৌক্তিক, অবাঞ্ছিত চিন্তা বা ভয়ের (Obsession) আবর্তে আটকা পড়েন এবং তা থেকে মুক্তি পেতে বারবার কিছু নির্দিষ্ট কাজ (Compulsion) করতে বাধ্য হন। এটি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়, কাজে বা সামাজিক সম্পর্কে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটায়
ওসিডি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ভাবে জেনে নেয়া যাক:::;
১. ওসিডি-র দুটি প্রধান দিক:
Obsessive-Compulsive Disorder (OCD) সাধারণত দুটি প্রধান দিক নিয়ে গঠিত—
✴️Obsessions (অবসেশন)
বারবার অনিচ্ছাকৃতভাবে মাথায় আসা চিন্তা, ভয় বা সন্দেহ।
যেমন—
♈ জীবাণুর ভয়
♈বারবার মনে হওয়া দরজা লক করা হয়নি
♈কোনো ক্ষতি হয়ে যাবে এমন অযৌক্তিক ভয়
✴️Compulsion (কমপালশন)
সেই ভয় বা অস্বস্তি কমানোর জন্য বারবার একই কাজ করা।
যেমন—
♈অতিরিক্ত হাত ধোয়া
♈বারবার চেক করা
♈নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কাজ করা
সহজভাবে বলা যায়—
Obsessions হলো মনের ভেতরের অস্বস্তিকর চিন্তা, আর Compulsions হলো সেই অস্বস্তি কমানোর জন্য করা পুনরাবৃত্ত আচরণ।
ডাঃ সামিনা আরিফ
সহযোগী অধ্যাপক
অধ্যক্ষ কাম অধীক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Dhaka
1215