প্রশ্নোত্তর-Prosnottor

প্রশ্নোত্তর-Prosnottor প্রশ্নোত্তর-Prosnottor is a EdTech platform that works to provide E-learning service. We don't allow any bias, political, sexual contents.

Our services are available on Website, FB, YouTube, Instagram, LinkedIn and other social media platform.

The uncanny valley effect is a psychological phenomenon where humanoid objects (robots, AI, animation) that look nearly,...
15/04/2026

The uncanny valley effect is a psychological phenomenon where humanoid objects (robots, AI, animation) that look nearly, but not exactly, like human beings elicit feelings of eeriness, revulsion, or strangeness in observers.

 -edged-sword-effect refers to a situation, action, or technology that brings both significant benefits and significant ...
14/04/2026

-edged-sword-effect refers to a situation, action, or technology that brings both significant benefits and significant drawbacks simultaneously.
It describes a paradox where a positive outcome or capability is inherently linked to a negative consequence, acting as both a blessing and a curse.
Photo: collected

10/04/2026

সিভি (CV) ও রিজ্যুমে (Resume) কী?

সিভি (Curriculum Vitae) এবং রিজ্যুমে (Resume) উভয়ই একজন ব্যক্তির শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, গবেষণা, দক্ষতা এবং অর্জনকে উপস্থাপন করে। তবে এদের উদ্দেশ্য, দৈর্ঘ্য ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে।

সিভিতে (CV) মূলত শিক্ষাগত যোগ্যতা, গবেষণা, প্রকাশনা, পুরস্কার, শিক্ষাদান ও পেশাগত অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণভাবে উল্লেখ করা হয়। এটি সাধারণত উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ, ফেলোশিপ, গবেষণা, একাডেমিক বা বৈজ্ঞানিক পদে আবেদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। সিভির কোনো নির্দিষ্ট পৃষ্ঠাসীমা নেই। এটি পুরো একাডেমিক জীবনের পূর্ণ প্রতিফলন।

অন্যদিকে, রিজ্যুমে (Resume) একটি সংক্ষিপ্ত পেশাগত বিবরণ। সাধারণত এক থেকে দুই পৃষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এতে শুধুমাত্র সেই অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাগুলি অন্তর্ভুক্ত করা হয় যা নির্দিষ্ট চাকরি বা পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। রিজ্যুমে সাধারণত নন-একাডেমিক পদের জন্য ব্যবহৃত হয়। এখানে নিয়োগদাতা অল্প সময়ে প্রার্থীর যোগ্যতা মূল্যায়ন করে থাকে।

---------------
Azizul Haque

no i m robot, but i can select traffic lights
02/09/2025

no i m robot, but i can select traffic lights

17/07/2025

এজিদ তার সেনাবাহিনী প্রেরণ করে ইমাম হোসাইনের পথ অবরোধ করে।
অতিরিক্ত প্রশংসা ও স্বীকৃতির প্রত্যাশায় সেই সেনাবাহিনী চরম নিষ্ঠুরতার সঙ্গে হত্যাযজ্ঞ পরিচালনা করে।
পরবর্তীতে এজিদ দাবি করে যে, সে নাকি এই হত্যাকাণ্ডের আদেশ দেয়নি। তবুও, একজন শাসক হিসেবে সে এই ভয়াবহ ঘটনার কোনো বিচার বা প্রতিকার করেনি।
বলছিলাম ‘কারবালা’র নির্মম ইতিহাসের কথা। যখন একজন নেতা নিজ সেনাবাহিনীর কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে অক্ষম হয়, তখন তার পক্ষে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।
ফলস্বরূপ, এজিদের শাসনকাল দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ইতিহাস তাকে তার নৃশংস কর্মের জন্যই স্মরণ করে।

02/07/2025

প্রসংগ : চাকরি, উচ্চশিক্ষা ও পারিবারিক অর্থনৈতিক সক্ষমতা৷
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায় সব আর্থিক ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে কিন্তু চান্স পাওয়ার পর যখন রেজাল্টের দিক থেকে প্রথম সারির সিজিপিএ ধারীদের তালিকা দেখবো, বেশিরভাগই আর্থিক ভাবে বেশ স্বচ্ছল পরিবারের। আমি নিজেও তার ব্যতিক্রম নই।
মানুষ দেখেছে আমি প্রচুর কম্পিটিশন জিতেছি,ন্যাশনাল ইনভায়রনমেন্ট অলিম্পিয়াড এর নেতৃত্বে ছিলাম, ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ ছিলাম। কিন্তু, আমি অনার্স লাইফে একটা সিংগেল টিউশনি করাই নি।
অনার্স শেষে আমি চাকরির প্রিপারেশন ধরার পর মাঝে মাঝে ১৮ ঘন্টাও পড়া নিয়ে এক্টিভ থেকেছি। একবার আমার একাডেমিক ডিপার্টমেন্ট এর একটা ঘটনায় চেতে যেয়ে টানা ৭ দিন ১৬ ঘন্টা এভারেজে পড়েছি।
টিউশনি করা লাগে নি, আর্থিক চিন্তা করা লাগে নি।
আমি মাত্র ৩ মাস প্রিপারেশনে দুদকে চাকরি পেয়েছি বলা যায়৷ কিন্তু আমি ৩ মাসে যা পড়তে পেরেছিলাম মাস্টার্সের ক্লাস করেও তা অনেকের ১২ মাসের প্রিপারেশনের সমান। ( আবার প্রথম বিসিএস প্রিলির জন্য প্রায় ১৬ মাস প্রিপারেশন নিয়েছি করোনার সুবাদে)
কিন্তু, আমার সহপাঠীদের একটা বড় অংশের এই সুযোগ ছিলো না। তাদের অর্থনৈতিক কারনে টিউশনি করতে হয়েছে।
তাদের ঢাকার জ্যাম সহ্য করতে হয়েছে। হলের বাজে খাবার সহ্য করতে হয়েছে। লাইব্রেরিতে সিট দখল করতে যুদ্ধ করতে হয়েছে।
নিজের উদাহারণ আগে টানলাম কারন আমি স্ট্রাগলের গল্প ফাঁদলে সেটা নির্জলা মিথ্যা হবে৷ আমি আমার শরীরের বারোটা বাজিয়ে পড়লেও আমাকে বই কেনা নিয়ে চিন্তা করতে হয় নি।
মা বাবাও শিক্ষিত হবার কারনে যথেস্ট সেন্সিবল বিহেভ করেছে৷
এবার আসল কথায় আসি।
সত্যি বলতে, আমরা যতই মেধা ও পরিশ্রমের কথা বলি না কেনো, ব্যাকগ্রাউন্ড সাপোর্ট লাগেই।
সাপোর্ট পায় বলেই সমান যোগ্যতায় কেউ দেশের বাইরে পড়তে যায় আর কেউ দেশে আন্ডারপেইড জব করে।
আর বিসিএস বা সরকারি সেক্টরের যে অবস্থা তা আর কী বলবো? আমার দুদকে চাকরির ৮ মাসের বেতন উঠে যাবে। মাস্টার্সটাও এর মধ্যে শেষ করে ফেলেছি। কিন্তু, ১ম বিসিএসের ভাইভাই দিতে পারলাম না। ( একটা বিসিএস ক্যান্ডিডেট অর্ধেক পাগল হয়ে যায় এই কারনে)
আর্থিক ভাবে ব্যাকড আপ না হলে কীভাবে সম্ভব দেশের সবচাইতে প্রিমিয়াম বা প্রিমিয়ার লেভেলের এক্সামে নিজেকে টিকিয়ে রাখা?
বিসিএসে ভালো করার সক্ষমতা রাখা বহু ছেলে প্রাইভেট ব্যাংকে সূর্যের আলোহীন জীবন কাটাচ্ছে৷
এবার কাউন্টার লজিক হলো - টাকা অনেকেরই আছে কিন্তু কজনের ভালো সিজিপিএ উঠে বা স্কিল ডেভেলাপ করতে পারে বা কজনই বা দেশে সরকারি সার্ভিসের প্রিমিয়াম সেগমেন্টে জহ পায়।
কাউন্টার লজিকটাও ১০০% সত্যি।
কিন্তু, GIS শিখতে, প্রোগ্রামিং শিখতে একটা ভালো কম্পিউটার লাগে। বিসিএস দিতে চাইলে দীর্ঘ সময় ফিল্ডে পড়ে থাকা লাগে । টাকা ছাড়া কিছুই সম্ভব না। কেউ প্রিভিলেজ কাজে লাগাতে পারে, কেউ পারে না। প্রিভিলেজ কাজে লাগানোটাও বড় ক্রেডিট কিন্তু এটা আফ্রিকান কোনো দেশের এথলেটদের অলিম্পিক এথলেটিক্সের ১১০ মিটার হার্ডল জেতার মত কিছু না।
অবশ্যই, অর্থনৈতিক সমর্থনই একটা মানুষকে এগিয়ে দেয়।
ঠিক এই কারনেই সেকেন্ড টাইম বন্ধের পর ঢাবিতে ঢাকা ভিত্তিক ছেলে মেয়ে বেশি। আমার জুনিয়র ব্যাচ গুলোতে দেখেছি তুলনামূলক ভাবে আর্থিক ভাবে সক্ষম পরিবারের ছেলে মেয়ে বেশি।
যার মেধা আছে সে আগাবেই আমরা ধরে নেই৷ কিন্তু যে ছেলেটার ক্যাডার সার্ভিসে শাইন করার কথা সে দ্রুত চাকরির আশায় প্রাইভেট ব্যাংকে কাজ করে পরিবারের দিকে তাকিয়ে বা যে ছেলেটার উচ্চ শিক্ষায় বাইরে যাবার কথা সে এঞ্জিওতে অতিরিক্ত কাজের চাপে দিশেহারা। সে ছেলেটা বা মেয়েটা আগাতে পারলেও তাদের সম্ভাবনার পুরোটা অর্জন করতে পারলো না৷
**জগত ভয়ংকর ভাবে আনফেয়ার। এটা আমি, আপনি মেনে নিতে না চাইলেও ভয়ংকর রকমের সত্যি।
লিখেছেন -
আকিব রায়হান
সহকারী পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

13/06/2025

ইমেরিটাস অধ্যাপক কী এবং কেন? তাঁদের যোগ্যতা, মেয়াদ ও সুযোগ-সুবিধা কী কী?
শিক্ষাঙ্গনে কিছু ব্যক্তিত্ব থাকেন, যাঁদের দীর্ঘদিনের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা আর শিক্ষাদানের অবদান কোনো নির্দিষ্ট সময়ের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। অবসরের পরও তাঁদের প্রজ্ঞা আর অভিজ্ঞতা সমাজের জন্য অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকে। তেমনই এক সম্মানজনক পদবি হলো ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক’। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনেক সময় ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক’ নিয়োগ দিতে দেখা যায়। এ সম্পর্কে অনেকেরই বিস্তারিত ধারণা না থাকায় অনেক সময় এ বিষয়ে জানার আগ্রহ বা কৌতুহল পরিলক্ষিত হয়।

দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের আজকের এ আয়োজনে এই ইমেরিটাস অধ্যাপক কারা, কেন তাঁদের এই বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়, আর এই পদবির সঙ্গে কী কী যোগ্যতা, মেয়াদ ও সুযোগ-সুবিধা জড়িত—সেই বিষয়টিই আমরা বিস্তারিত জানবো।

ইমেরিটাস অধ্যাপক কী এবং কেন
ইমেরিটাস অধ্যাপক উচ্চশিক্ষায়তনিক ক্ষেত্রে (যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ে) অধ্যাপনা পেশায় একটি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন পদ বা পদবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন চাকুরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত স্বনামধন্য অধ্যাপকের জীবদ্দশায় শিক্ষা ও গবেষণায় অসামান্য অবদান এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে ব্যুৎপত্তি অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মানজনক পদ বা পদবি প্রদান করা হয়ে থাকে। চাকুরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকদের সাথে তাঁর পার্থক্য হল এই যে অবসরগ্রহণের পরেও তিনি তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষায়তনিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন।

ইমেরিটাস অধ্যাপকের যোগ্যতা
বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত খ্যাতিমান অধ্যাপকদের তাঁদের চাকরির বয়সসীমা ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর ইমেরিটাস অধ্যাপকের মর্যাদা দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পুরাতন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই রীতি চালু আছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সাধারণত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য অধ্যাপকদের জন্য এই পদবি সংরক্ষণের কথা বলে এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য ‘প্রফেসর ইমেরিটাস’ পদবি ব্যবহার না করার নির্দেশনা দিয়েছে। যোগ্যতা মূল্যায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় একটি নির্দিষ্ট কমিটি গঠন করে, যা সম্ভাব্য প্রার্থীর শিক্ষাগত রেকর্ড, প্রকাশনা, গবেষণা, শিক্ষাদানের মান এবং সামগ্রিক অবদান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে সিন্ডিকেটে সুপারিশ করে। সিন্ডিকেট চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। এটি মূলত একটি সম্মানসূচক পদবি, যা একজন শিক্ষাবিদের সমগ্র কর্মজীবনের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি।

নিয়োগ পদ্ধতি
বাংলাদেশে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে বাংলাদেশে সাধারণত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বল্পসংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত খ্যাতিমান অধ্যাপককে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এই মর্যাদা দেয়ার রীতি প্রচলিত রয়েছে। কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও এ রীতি অনুসরণের নিদর্শন দেখা যায়। তবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক’ পদবি প্রদানের ব্যাপারে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের আপত্তি রয়েছে।

সুযোগ-সুবিধা
একজন ইমেরিটাস অধ্যাপক স্বেচ্ছাসেবক ভিত্তিতে সীমিত সময়ের জন্য একক কোর্সের অধ্যাপনা করতে পারেন, অতিথি বক্তৃতা দিতে পারেন, ডক্টরেট ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করতে পারেন (অ্যাডভাইজর হিসেবে নয়), ভোটদানের ক্ষমতা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সভাতে যোগদানের আমন্ত্রণ পেতে পারেন। কিন্তু যেহেতু তিনি চাকুরি থেকে অবসর নিয়েছেন, তাই তাকে কোনও বেতন প্রদান করা হয় না। তবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারেন। যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ও ক্রীড়াকক্ষগুলি ব্যবহারের সুযোগসুবিধা, পানাহারের সুযোগসুবিধা, কম্পিউটার ও আন্তর্জাল ব্যবহারের সুবিধা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈদ্যুতিন ডাক ঠিকানা (ইমেইল অ্যাড্রেস), ইত্যাদি ভোগ করতে পারেন। যদি সম্ভব হয়, তাহলে সক্রিয় অধ্যাপকদের বরাদ্দ করার পরে স্থান ও বাজেট অবশিষ্ট থাকলে ইমেরিটাস অধ্যাপকের জন্য নির্দিষ্ট কার্যালয় কক্ষও বরাদ্দ করা হতে পারে। অনেক সময় গবেষণা ক্ষেত্রেও জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ হিসেবে তারা গবেষণাগারে নিয়োজিত থাকতে পারেন।

মেয়াদ
বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ইমেরিটাস অধ্যাপকদের মেয়াদ ভিন্ন হতে পারে। দৃষ্টান্তস্বরূপ উল্লেখ করা যায়, অতীতে বয়সসীমা বা মেয়াদ নির্ধারিত না থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপকগণ আমৃত্যু সুযোগ-সুবিধা লাভ করতেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির নতুন করে নিযুক্ত ইমেরিটাস অধ্যাপকদের বয়সসীমা ৭৬ বছর নির্ধারিত হয়েছে। তুলনায় যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে পাঁচ বছরের জন্য ইমেরিটাস অধ্যাপকের মর্যাদা প্রদানের রীতি প্রচলিত আছে।

ইমেরিটাস ও অনারারি অধ্যাপকের পার্থক্য
ইমেরিটাস অধ্যাপক পরিভাষাটির সাথে সাম্মানিক উচ্চশিক্ষায়তনিক উপাধি-র (ইংরেজিতে Honorary Degree অনারারি ডিগ্রি) পার্থক্য আছে। অনারারি অধ্যাপকের মত সাম্মানিক উচ্চশিক্ষায়তনিক উপাধিগুলি সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনার কাজে জড়িত কোনও ব্যক্তিকে নয়, বরং ভিন্ন কোনও পেশা, যেমন রাজনীতিবিদ, ক্রীড়াবিদ, ব্যবসায়ী, ইত্যাদি ব্যক্তিকে তাঁর নিজ পেশাদারি ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য, অনুপ্রেরণাদায়ক অবদান ও নেতৃত্বদানকারী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হতে পারে।

জাতীয় ও ইমেরিটাস অধ্যাপকের পার্থক্য
'জাতীয় অধ্যাপক' হলো বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত একটি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা যা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য আর্থিক সুবিধাসহ দেওয়া হয়, যেখানে 'ইমেরিটাস অধ্যাপক' হলো সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত একটি আজীবন সম্মানসূচক উপাধি যা সাধারণত আর্থিক সুবিধা ছাড়াই প্রাক্তন গুণী অধ্যাপকদের জ্ঞানকে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়। দুটি পদবিরই মূল লক্ষ্য হলো জ্ঞান ও শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মান জানানো এবং তাঁদের অভিজ্ঞতাকে সমাজের কল্যাণে ব্যবহার করা।

অধ্যাপক ও ইমেরিটাস অধ্যাপকের মধ্যে পার্থক্য
অধ্যাপক হলেন একজন সক্রিয় কর্মরত শিক্ষক যিনি নিয়মিত বেতন-ভাতাপ্রাপ্ত এবং শিক্ষাদান ও গবেষণায় সরাসরি জড়িত। অন্যদিকে, ইমেরিটাস অধ্যাপক হলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, যাঁকে তাঁর অসাধারণ অবদানের জন্য সম্মানসূচক উপাধি দেওয়া হয়, এবং তিনি সাধারণত নিয়মিত বেতন-ভাতাপ্রাপ্ত নন, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন ও একাডেমিক কার্যক্রমে স্বেচ্ছায় জড়িত থাকতে পারেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক’ নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালায় যা রয়েছে

সংজ্ঞা
ইমেরিটাস অধ্যাপক একটি সম্মানসূচক পদ/পদবী হিসাবে পরিগণিত হবে।

যোগ্যতা
শিক্ষাগত, শিক্ষাদান, গবেষণা ও প্রকাশনা ক্ষেত্রে সবিশেষ কৃতিত্ব; নিজ নিজ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অবদান; গবেষণা ও পরিচালনার অভিজ্ঞতা ও কৃতিত্ব; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বিভাগের/ইনস্টিটিউটের সাথে অধ্যাপক ইমেরিটাসযুক্ত থাকবেন সে/বিভাগে/ইনস্টিটিউটে দশ বৎসরের অধ্যাপক হিসাবে কার্যকালসহ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিশ বৎসরের পূর্ণকালীন শিক্ষকতাঁর অভিজ্ঞতা।

নিয়োগ পদ্ধতি
একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশক্রমে সিন্ডিকেট অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপকদের ইমেরিটাস অধ্যাপক পদবীতে ভূষিত করবে। ইমেরিটাস অধ্যাপক যে বিভাগের/ইনস্টিটিউটের সাথে যুক্ত থাকবেন সে বিভাগের/ইনস্টিটিউটের একাডেমিক কমিটির প্রস্তাবক্রমে চেয়ারম্যান/ডিরেক্টর অথবা একাডেমিক কাউন্সিলের যে কোন পাঁচজন সদস্য এ পদটি অর্পণের জন্য প্রস্তাবিত বাক্তির অবদান ও কৃত্বিত্তের পূর্ণ বিবরণসহ একটি প্রশংসামূলক প্রতিবেদন একাডেমিক কাউন্সিলের বিবেচনার জন্য প্রস্তাবাকারে পেশ করবেন। এরূপ প্রস্তাব উপাচার্য, সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন, বাংলাদেশের বাহির হতে কমপক্ষে দুইজন বিশেষজ্ঞসহ মোট চারজন বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করবে। বিবেচনার জন্য গৃহীত হলে প্রস্তাবটি এই কমিটির নিকট পেশ করা হবে। কমিটির ঐক্য মতের ভিত্তিতে একাডেমিক কাউন্সিল বিষয়টি বিবেচনা করবে এবং সিন্ডিকেটের নিকট সুপারিশ করবে।

দায়িত্ব
ইমেরিটাস অধ্যাপকের কোন সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব' থাকবে না এবং তিনি বিভাগীয়/ইনস্টিটিউটের কোনরূপ প্রশাসনিক দায়িত্বের সাথেও যুক্ত থাকবেন না। তবে বিশ্ববিদ্যালয় আশা করবে যে তিনি তাঁর পরিকল্পনামত গবেষণাকর্মে ব্যাপৃত থাকবেন। তিনি একটি উদ্বোধনী বক্তৃতা দিবেন।

সুযোগ-সুবিধা
সুযোগ-সুবিধা অবসর গ্রহণের পূর্বে অধ্যাপক হিসাবে যে সব সুযোগ সুবিধা প্রাপ্যছিল অধ্যাপক ইমেরিটাসের বেলায়ও যে সব সুযোগ সুবিধা (বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসায় থাকার সুবিধা ব্যতীত) অব্যাহত থাকবে। অর্থাৎ তাঁর গবেষণা ও প্রকাশনার জন্য তিনি পাঠাগার ও গবেষণার ব্যবহারের সুবিধা এবং সেক্রেটারিয়াল সুযোগ সুবিধা পেতে থাকবেন। তাঁর গবেষণা পরিচালনার জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী অনুদানও পেতে পারবেন। তিনি একজন পিওন পাবেন।

সম্মানী
একজন ইমেরিটাস অধ্যাপক সিন্ডিকেট কর্তৃক নির্ধারিত হারে পেনশনসহ মাসিক যে সম্মানী পাবেন তা একজন পূর্ণকালীন অধ্যাপকের সর্বোচ্চ বেতনের সমান হবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসার সুবিধাদি পাবেন। উল্লেখিত সব রকম সুযোগ-সুবিধাদি তিনি আজীবন পেতে থাকবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইমেরিটাস অধ্যাপক পদবিতে ভূষিত শিক্ষকবৃন্দ হলেন- অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার, ফার্মেসী বিভাগ ঢা. বি. (মৃত), অধ্যাপক ড. আবদুল মতিন, দর্শন বিভাগ ঢা. বি. (মৃত), অধ্যাপক ড. সুলতানা সারোয়াত আরা জামান, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাবি (মৃত), অধ্যাপক ড. নাজমা চৌধুরী, উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ, ঢাবি (মৃত), অধ্যাপক ড. এ. টি. এম. আনিসুজ্জামান, বাংলা বিভাগ, ঢাবি (মৃত), অধ্যাপক ড. এ.এফ. এম. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ইংরেজি বিভাগ, ঢাবি, অধ্যাপক ড. এ. কে. আজাদ চৌধুরী, ক্লিনিক্যাল ফার্মেসী এন্ড ফার্মাকোলজি বিভাগ, ঢাবি, অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগ, ঢাবি, অধ্যাপক ড. মু. আবুল হাশেম খান, প্রাচ্যকলা বিভাগ, ঢাবি, অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুন নবী, অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগ, ঢাবি, অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাবি, অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাবি, অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগ, ঢাবি, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মসিহজ্জামান, রসায়ন বিভাগ, ঢাবি (১২.০১.২০১৫ থেকে ৬.০৮.২০১৬ পর্যন্ত উক্ত পদে বহাল ছিলেন)।

উল্লেখ্য, কর্তৃপক্ষের ২০২৪ সালের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৯ জন শিক্ষক ইমেরিটাস অধ্যাপক পদে নিয়োজিত রয়েছেন।

সূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস
প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৫, ০৩:৫২ PM , আপডেট: ১৩ জুন ২০২৫, ০৮:৩২ AM

10/05/2025

মেধা কী?

18/04/2025

পরীক্ষা দিবেন কিভাবে?

ভাইরে/আপুরে!!!
পরীক্ষায় ভালো করার প্রথম আর প্রধান শর্ত, পরীক্ষককে কষ্ট না দেওয়া। এমনিতেই তারা অনেক ঝামেলায় থাকেন। আর খাতা দেখার কি যুদ্ধ তা উনারাই ভালো জানেন। তা, তাদের ক্যামনে কষ্ট থিকা মুক্তি দেই?

১. পরীক্ষার খাতায় স্পষ্ট অক্ষরে লিখা। হাতের লিখা আমার মত কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং হইলে একটু ফাঁকা ফাঁকা কইরা লিখা। বামে, উপরে আর অবশ্যই নিচে ১ ইঞ্চি মার্জিন রাখা। অবশ্যই।

২. প্রতি প্রশ্নের শুরুতেই '২ নাম্বার প্রশ্নোত্তর' বা 'Ans to Q No 2' লিখা আর তা হালকা হলুদ টেক্সট মার্কার দিয়া মার্ক করা। পারলে প্রত্যেক প্রশ্ন নতুন পাতায় শুরু করা। প্রশ্নে ক খ গ ইত্যাদি থাকলে তা serially উত্তর দেওয়া। সিরিয়াল ভাঙবেন তো খাতা দেখা আরো কষ্টকর হইয়া যাবে।

তো সম্ভব হইলে সবচেয়ে ভালো যে উত্তরটা পারি সেইটা দ্বিতীয়তে দেয়া। Second best উত্তর প্রথমে দেওয়া আর third best টা সবচেয়ে শেষে দেওয়া। এইটাতে এক ধরনের psychological প্রভাব আছে।

৪. পারলে মোটা বা thick nib-এর কলমে লিখা। আমাদের আমলে ফাউন্টেন পেন ছিল। এখন তা নাই। তবে আছে thick nib-এর জেল পেন বা অন্যান্য। আমার মতে বল পেনের চেয়ে অনেক দৃষ্টিনন্দন লিখা হয় এতে।

৫. বানান ভুল না করা আর কনফিউশন হইলে সহজ সমার্থক শব্দ বা synonym ব্যবহার করা।

অন্যান্য টিপস:

১. পরীক্ষা ৩ ঘণ্টা মানে ২ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। শেষ ১৫ মিনিট বাকি থাকতে STOP WRITING! রিভিশন, রিভিশন, রিভিশন! রিভিশন মানেই ১০০-তে গড়ে ১০ নাম্বার যোগ।

২. সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া। এমন কোনো প্রশ্ন হওয়ার সম্ভাবনা কম যার ২ লাইন উত্তর ও আপনে জানেন না। সব প্রশ্নের উত্তর দিবেন। সব। আবার কইলাম 'সব'। তার মানে এই না যে আমার ক্লাস ৫-এর বৃত্তি পরীক্ষার মতো বাংলাদেশের ম্যাপের বদলে ভুটানের ম্যাপ আঁকায় দিয়া আসবেন। এই জন্যই পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে পুরা বই ২/৩ বার স্ক্যান করা যাতে যা পড়েন নাই তা একটু হইলেও নজরে আসে।

৩. অনেকে প্রশ্ন পাইলেই লিখা শুরু কইরা দেয়। DON'T! ক্যানো ভাই? পুরা প্রশ্ন কি একবার পড়তে কি অনেক সময় লাগে?

আমার Personal favourite tips:

১) কোনো প্রশ্ন উত্তর দিতে গেলে কিছু কিছু technical/uncommon term আসে। প্রত্যেক প্রশ্নের অন্তত একটা এমন term আসলে তাতে asterisk (*) দিয়া ফুটনোট এ তার definition দেওয়া। এইটা যে কিভাবে পরীক্ষককে impress করে তা একবার চেষ্টা কইরা দেইখেন।

২) পারলে, যেখানে সম্ভব হয়, প্রত্যেক প্রশ্নে কোনো গ্রাফ/ ছবি দেওয়া (না চাইলেও)। কালার পেন দিয়া দিলে আরো ভালো। আবার ভুংচুং data দিয়া গ্রাফ দিয়েন না! তাইলে উল্টা ফল হবে। যেমন বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির উপর একটা প্রশ্নে গত ২০ বছরে জনসংখ্যা বাড়ার একটা গ্রাফ দিতে পারেন ইত্যাদি।

৩. বিশেষ কইরা Humanities বিষয়গুলায় relevant কোটেশন (যিনি বলছেন তার নাম সহ) ব্যবহার করা। খুবই কাজের। উত্তর কোটেশন দিয়া শুরু করছেন তো অনেক আগায় গেলেন।

৪. ক্লাসে প্রফেসর/ টিচার যদি কোন additional reading/reference পড়তে বইলা থাকেন তবে তা থিকা পুরা পরীক্ষায় অন্তত একটা হইলেও কিছু উল্লেখ করা। Board exam হইলে text book-এর বাইরে অন্যান্য রেফারেন্স থাকলে তা থিকা একটা হইলেও লিখা। এর উপর আর কিছু নাই ভাইরে!

৫. Example, example আর example, যেইখানেই সম্ভব, উদাহরণ বা example দিবেন, সরাসরি না চাইলেও। যেমন, যদি বলে Write down the types of leadership সেইখানে Types of leadership এর পাশাপাশি প্রতিটার যদি example দিতে পারেন তাইলে পোয়াবারো (উদাহরণস্বরূপ Transformational Leadership - Mahatma Gandhi)!

মোদ্দাকথা, সবাই যা করবে তা যদি আপনেও করেন তাইলে আপনের শ্রেষ্ঠত্ব কই?

দিন, মাস, বছর ধইরা অনেক কষ্ট কইরা পড়ছেন। অনেক sacrifice করছেন। আপনের জন্য ৩ ঘণ্টা মাত্র সময়। Only 3 hours to prove the sacrifice you made through 1-2 years of study. Make the best use of it.

Give your examiner something exciting and worthwhile to read. Give him/her some experience to remember for a long time.

এখন উপরে যা কইলাম তা কি Mission Impossible? No!

Mission Difficult? Yes, definitely Yes!

Your mission, should you choose to accept it, is to produce the BEST answer script known to the examiner! It takes an awfully good amount of time but worth every second.

Give it a try, won't you?

© শাব্বির আহসান

01/04/2025

Address

South Khailgaon, Dhaka
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রশ্নোত্তর-Prosnottor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share